Skip to content
Salons10
Sahaf's Mummy

Sahaf's Mummy

Matlab, Chandpur Health/Beauty

Cooking is my passion

24/09/2026

বার্গার ❤️

24/09/2026

🍔🍔

18/09/2026
14/09/2026

বাচ্চাকে শূন্যে লাফানো বা ঝাঁকুনি দেওয়া? অজান্তেই শিশুর ব্রেইন ব্লিডিং ঘটাচ্ছেন না তো!

শিশুর মুখে একটু হাসি ফোটানো বা তাকে শান্ত করার জন্য আমরা অনেক সময়ই তাকে শূন্যে ছুঁড়ে শূন্যে লাফাই, কোলে নিয়ে জোরে ঝাঁকুনি দিই কিংবা পিঠে নিয়ে তীব্র দোলা দিই। কিন্তু আপনি কি জানেন, পরম আদরের এই কাজটিই শিশুর জীবনে চিরতরে বড় কোনো বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে?

চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় 'শেকেন বেবি সিন্ড্রোম' (Shaken Baby Syndrome বা SBS)।

কেন এটি এত বিপজ্জনক?
শিশুদের (বিশেষ করে ২ বছর বয়সের কম) মাথার পেশি এবং হাড় অত্যন্ত নরম ও দুর্বল থাকে। এই বয়সে তাদের মাথার আকৃতি ও ওজন শরীরের তুলনায় অনেক বড় হয়। যখন কোনো শিশুকে জোরে ঝাঁকুনি দেওয়া হয় বা শূন্যে ছুড়ে খেলা করা হয়, তখন তার নরম মস্তিষ্কটি খুলির (Skull) ভেতরে তীব্রভাবে স্থানচ্যুত হয় এবং ভেতরের দেয়ালে বারবার আঘাত পায়।
এর ফলে যা ঘটতে পারে:

ব্রেইন ব্লিডিং (মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ): মস্তিষ্কের সূক্ষ্ম রক্তনালীগুলো ছিঁড়ে রক্তক্ষরণ শুরু হয়।

চোখের ক্ষতি: রেটিনায় রক্তক্ষরণ হয়ে শিশু চিরতরে দৃষ্টিশক্তি হারাতে পারে।

মস্তিষ্কে স্থায়ী ক্ষতি: শারীরিক পক্ষাঘাত (Paralysis), খিঁচুনি বা বুদ্ধিপ্রতিবন্ধিতা দেখা দিতে পারে।

জীবনঝুঁকি: তীব্র আঘাতের ফলে শিশু কোমা বা এমনকি মৃত্যুর মুখে ঢলে পড়তে পারে।

সতর্কতামূলক লক্ষণ (যা দেখলে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যাবেন):
ঝাঁকুনি বা শূন্যে লাফানোর পর শিশুর মধ্যে অতিরিক্ত ঘুম ঘুম ভাব, অস্বাভাবিক কান্না, বমি করা, খাওয়া বন্ধ করে দেওয়া, খিঁচুনি বা শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে এক মুহূর্তও দেরি না করে শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

আমাদের করণীয়:
১. শিশুকে কখনোই রাগের মাথায় বা ভালোবেসে কোনোভাবেই তীব্র ঝাঁকুনি দেবেন না।
২. শূন্যে ছুড়ে বা লাফিয়ে খেলার অভ্যেস পুরোপুরি ত্যাগ করুন।
৩. বাসায় শিশু পরিচর্যাকারী বা অন্য কোনো সদস্য থাকলেও তাদের এই বিষয়ে সচেতন করুন।

মনে রাখবেন: একটুখানি সচেতনতা এবং সঠিক যত্নই পারে আপনার প্রিয় সন্তানের ভবিষ্যৎ নিরাপদ রাখতে।

তথ্যটি জনস্বার্থে শে*য়া*র করে আপনার পরিচিত অন্য মা-বাবাদেরও সচেতন করুন।

14/09/2026

আয়েশা (রা.)-এর কোনো সন্তান ছিল না।
মারিয়াম (আ.)-এর কোনো জীবনসঙ্গী ছিল না।
ফাতিমা (রা.)-কে আর্থিক অনটনের পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছিল।
আসিয়া (আ.) ইতিহাসের নিকৃষ্টতম ব্যক্তির সাথে জীবন কাটিয়েছিলেন।
খাদিজা (রা.) ৪০ বছর বয়সে তাঁর শ্রেষ্ঠ জীবনসঙ্গীকে খুঁজে পেয়েছিলেন।
আর আল্লাহ তাআলা তাঁদের সর্বকালের শ্রেষ্ঠ নারী হিসেবে মনোনীত করেছেন।

এই কথাগুলোর সবচেয়ে সুন্দর শিক্ষা হলো—আল্লাহ কারও জীবনকে আমাদের মাপকাঠিতে বিচার করেন না। কারও জীবনে সন্তান না থাকা, কারও একাকীত্ব, দারিদ্র্য, কঠিন দাম্পত্য বা দেরিতে জীবনসঙ্গী পাওয়া—এসবের কোনোটিই আল্লাহর কাছে একজন নারীর মর্যাদা কমিয়ে দেয় না।

বরং কখনো কখনো যে জীবনটা বাইরে থেকে অসম্পূর্ণ মনে হয়, সেটাই আল্লাহর কাছে সবচেয়ে সুন্দর ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন হয়ে ওঠে।

তাই নিজের জীবনের কোনো অপূর্ণতা দেখে নিজেকে ব্যর্থ ভাবার দরকার নেই।
যেটা তুমি চেয়েও পাওনি, হয়তো সেটাই তোমার পরীক্ষা।
যেটা পেতে দেরি হচ্ছে, হয়তো তার জন্যই তোমাকে প্রস্তুত করা হচ্ছে।
আর যে কষ্টটা আজ তোমাকে ভেঙে দিচ্ছে, হয়তো সেটার মধ্য দিয়েই আল্লাহ তোমার মর্যাদা বাড়িয়ে দিচ্ছেন।

মানুষের চোখে “অসম্পূর্ণ” হওয়া আর আল্লাহর কাছে “অপূর্ণ” হওয়া—এক জিনিস নয়।
তোমার গল্পে এখনো কোনো কিছু অসমাপ্ত থাকলে হতাশ হয়ো না।
কারণ আল্লাহ যখন লেখেন, তখন তিনি শুধু একটি ঘটনা লেখেন না—তিনি পুরো গল্পের শেষটাও জানেন। 🤍

তাই ধৈর্য ধরো, দোয়া করে যাও, আর নিজের জীবনের সঙ্গে অন্যের জীবনের তুলনা করা বন্ধ করো।
তোমার সময়, তোমার পরীক্ষা, তোমার রিজিক—সবকিছুরই আল্লাহর কাছে নির্দিষ্ট সময় আছে।
হয়তো তোমার “কেন?”-এর উত্তরটা এখনো আসেনি, কিন্তু তার মানে এই নয় যে আল্লাহ তোমাকে ভুলে গেছেন।

14/09/2026

আলহামদুলিল্লাহ শুভ সন্ধ্যা ❤️

゚viralシ

14/09/2026

আলহামদুলিল্লাহ নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করি এই দিক থেকে 😌❤️

14/09/2026

❤️❤️

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sahaf's Mummy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Subscribe

We will notify you when anything happens in Chandpur.