Fact Loss

Fact Loss

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Fact Loss, Health/Beauty, Nasirabad, Chittagong.

07/12/2024
25/04/2024

প্রচুর পানি কিম্বা অন্যান্য ধরনের পানীয় খেতে দিন। তার ত্বক ঠান্ডা করার ব্যবস্থা করুন- যেমন শরীরে টাণ্ডা পানি ছিটিয়ে দেওয়া কিম্বা স্পঞ্জ দিয়ে গা মুছে দেওয়া। তাদের বাতাস করুন। ঘাড়ে এবং বগলের নিচে বরফের প্যাকেট রেখে শরীর ঠান্ডা করতে পারেন।

22/04/2024



কাঁচা আম সান স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়। দেহে সোডিয়াম ক্লোরাইড ও আয়রনের ঘাটতি পূরণ করতেও দারুণ উপকারী এই কাঁচা আম। কাঁচা আমে পটাশিয়াম থাকার কারণে তা শরীরকে ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে৷ এ কারণে শরীরে ঘাম কম হয়। গরমে ক্লান্তিও দূর হয় ৷ পুষ্টিবিদদের মতে, কাঁচা আমে ভিটামিন সি, ভিটামিন ই ও একাধিক অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট থাকে

Photos from Fact Loss's post 21/04/2024

❤️❤️

10/03/2024

সাদা ধবধবে পলিশ করা চাল খাওয়াটা ধীরে ধীরে ত্যাগ করতে পারলে শারীরিক সমস্যা কমবে।

এমন একটি সময় আমরা অতিক্রম করছি যে, কারও অভিজ্ঞতা নেই। এমন সময় শরীর ঠিক রাখা অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

নানান ভাবে আলোচিত হচ্ছে যে, শরীরের ইমিউনিটি বৃদ্ধি করার।

কিন্ত কিভাবে আমাদের ইমিউনিটি বাড়বে ?

প্রথম স্টেপ হতে পারে ঘর থেকে প্রচলিত সাদা চাল, মিনিকেট, নাজিরশাইল ইত্যাদি বাদ দিয়ে ঢেঁকি ছাটা চাল খাওয়ার অভ্যাস করা।

খাবারের রংয়ের ছড়াছড়ি যত বেশি, পুষ্টিগুণও ততটাই বেশি - রং মানেই অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, আঁশ ইত্যাদি। এই ধারণার সঙ্গে খাপ খাওয়াতে রঙিন ‍চেহারা নিয়ে প্লেটে আবারও জায়গা করে নিতে চায় লাল চালের ভাত।

গবেষণা অনুযায়ি, প্রচলিত সাদা ভাতের পরিবর্তে লাল চালের ভাত স্বাস্থ্যের জন্য বেশি উপকারী।

সাদা চাল: স্বাস্থ্যের জন্য মোটামুটি ভালো। তবে এটি কলে ভাঙানো, পলিশ করার ফলে প্রাকৃতিক স্বাদ ও চেহারা পরিবর্তিত হয়। প্রক্রিয়াজাতের কারণে এতে থাকা লৌহ, ভিটামিন, দস্তা, ম্যাগনেসিয়াম-সহ অন্যান্য পুষ্টি উপাদান অনেকটাই নষ্ট হয়ে যায়।

অপরদিকে প্রক্রিয়াজাত করা না হলেও এর পুষ্টিগুণ হোল গ্রেইন বা প্রক্রিয়াজাত করা হয়নি এমন চালের পুষ্টিমানের সমান হয় না।

“প্রক্রিয়াজাত এই চালের ‘গ্লাইসেমিক ইনডেক্স’য়ের মাত্রা বেশি হওয়া এটি শরীরের শর্করার পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। লাল চালের তুলনায় এতে আঁশ কম থাকে।”

লাল চাল: অ্যান্টি-অক্সিডেন্টে ভরপুরি এই চাল। সাদা চাল বাদ দিয়ে লাল চালের ভাতে অভ্যস্ত হওয়ার মাধ্যমে ডায়বেটিস, হৃদরোগ, কোলেস্টেরলের সমস্যা ইত্যাদির আশঙ্কা কমতে দেখা গেছে বিভিন্ন গবেষণায়। রক্তচাপ কমাতেও লাল চাল উপকারী। পাশাপাশি প্রদাহ এবং ক্যান্সারের হাত থেকে বাঁচাতে সহায়ক এটি।

শুধু চাল পরিবর্তন করে জটিল সমস্যা সমাধান করতে পারেন।

তারমধ্যে কোষ্ঠকাঠিন্য সবার উপরে।

08/03/2024

আন্তর্জাতিক নারী দিবস নিয়ে আপনি হয়তো অনেক আলোচনা শুনে থাকবেন অথবা এ নিয়ে নানান খবরাখবরও দেখে থাকবেন গণমাধ্যমে।

কিন্তু এই দিনটা আসলে কী জন্য? এর গুরুত্ব আসলে কোথায়? নারীদের মতো আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবসও কি আছে?

চলুন জানা যাক।

এটা কীভাবে শুরু হয়?
আন্তর্জাতিক নারী দিবসের শুরুটা হয় শ্রমিক আন্দোলন থেকে, যা একসময় জাতিসংঘ স্বীকৃত বাৎসরিক দিবস হয়ে উঠে।
আর এসব কিছুর শুরুটা হয় ১৯০৮ সালে, যখন এক সাথে প্রায় ১৫ হাজার নারী নিউ ইয়র্কের রাস্তায় নেমে আসে কর্মঘন্টা কমানো, বেতন বৃদ্ধি ও ভোটের অধিকারের দাবিতে।

এর এক বছর পর সোশ্যালিস্ট পার্টি অফ আমেরিকা প্রথম জাতীয় নারী দিবসের ঘোষণা দেয়।

🤍**আসুন আমরা সকলে মিলে নারীদের প্রতি সহিংসতা ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াই এবং নারীদের জন্য একটি ন্যায়সঙ্গত ও সমতাপূর্ণ সমাজ গঠনের জন্য কাজ করি। নারী দিবসের শুভেচ্ছা!

06/03/2024

লবঙ্গ খাওয়ার উপকারিতা

লবঙ্গ খাওয়ার উপকারিতা অনেক রয়েছে। যেমন, রক্তে শর্করার মাত্রা কমাতে লবঙ্গের নাইজেরিসিন উপাদানটি দারুণ কাজ করে। তাই ডায়াবেটিসের রোগীরা এই রোগ নিয়ন্ত্রণের জন্য লবঙ্গ খাওয়ার অভ্যাস করতে পারেন।

সাইনাসের মাথাব্যথায় বেশ কার্যকরী লবঙ্গের তেল। এ ছাড়া বুকের ব্যথায় এর তেল মালিশে বেশ উপকার পাওয়া যায়। এর অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়া ও অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি গুণের জন্য দাঁতের ব্যথায় এটি খুব উপকারী।

দাঁত ও মাড়ি ব্যথায় লবঙ্গ পানির কুলকুচি নিয়মিতই করতে পারেন। এ ছাড়া অনেক কারণে পাকস্থলীতে আলসারের সমস্যা যেকোনো কারণেই হতে পারে।

এ সমস্যা থাকলে প্রতিদিন দুটি করে লবঙ্গ খেতে পারেন। কেননা, এই লবঙ্গ পাকস্থলীতে মিউকাস উৎপাদনে সাহায্য করে। এই মিউকাসই সংক্রমণের হাত থেকে পাকস্থলীকে রক্ষা করতে ঢাল হিসেবে কাজ করে।

04/03/2024

কী কাজ করে ভিটামিন-বি কমপ্লেক্স

অনেকগুলো ভিটামিন মিলে ভিটামিন-বি কমপ্লেক্স গঠিত হয়। যার প্রত্যেকটিই মানুষের শরীরের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। বি কমপ্লেক্স এর প্রতিটি ভিটামিনের আলাদা কাজ ও ক্ষমতা রয়েছে।

শরীরে কিছু কিছু লক্ষণ দেখা দিলে আপনি বুঝবেন আপনার শরীরে “ভিটামিন-বি ”এর অভাব রয়েছে। সাধারণত অতিরিক্ত চুল পড়া এবং চুল অল্প বয়সে পেকে যাওয়া “ভিটামিন-বি ”এর অভাবজনিত একটি লক্ষণ এর পাশাপাশি হাতে পায়ে নিয়মিত ঝিঝি ধরা ‘ভিটামিন-বি ’ কমপ্লেক্স এর অভাবজনিত একটি লক্ষণ।
এছাড়াও ঠোঁটের কোনায় ঘা হওয়া এবং মুখের ভেতরে ঘা হওয়া যার কারণে অতিরিক্ত মুখে লালা জমা ইত্যাদি “ভিটামিন-বি ”কমপ্লেক্সের অভাবজনিত রোগ। এছাড়াও পায়ের গোড়ালি ফেটে যাওয়া ‘ভিটামিন-বি’ কমপ্লেক্স এর অভাবজনিত রোগ।

১. ভিটামিন-বি ১: ভিটামিন বি ১ কে থায়ামিন নামেও ডাকা হয় এবং এই ভিটামিন আমাদের শরীরে বিভিন্ন ধরনের শর্করা কে অংশগ্রহণ করে শক্তিমুক্ত করে। স্বাভাবিক ক্ষুধা বজায় রাখতে ভিটামিন বি১ খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং স্নায়ুতন্ত্রের সঠিক কার্যক্রম বজায় রাখতে এই ভিটামিন আমাদের জন্য উপকারি একটি ভিটামিন।

২. ভিটামিন-বি ২: এটি এমন একটি উপাদান যার মাধ্যমে আমাদের শরীরে থাকা এমাইনো এসিড ও ফ্যাটি এসিড এর সঙ্গে কার্বোহাইডেট বিপাকে অংশ নিয়ে শক্তি উৎপাদনে সাহায্য করে এই ভিটামিন। এর পাশাপাশি হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটানোর পাশাপাশি গ্যাস ও অম্বলের প্রকোপ কমাতে ও ব্লাড সেল এর সংখ্যা বৃদ্ধির সাহায্য করে ভিটামিন বি ২।

৩. ভিটামিন-বি ৩: হার্টের সমস্যা থেকে বাঁচতে এই ভিটামিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান। ভিটামিন বি ৩ আমাদের শরীরে উপস্থিত থাকলে এটা বাজে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমানোর পাশাপাশি ভাসকুলার ডিসঅর্ডার এবং শ্বাস জনিত সমস্যা কে দূরে রাখতে সহায়তা করে।

৪. ভিটামিন-বি ৫: শরীরে বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন এ ঘাটতি দূর করতে নিয়মিত ভিটামিন বি ৫ আমাদের খেতে হবে এবং আমাদের শরীরের কোষের গঠনের জন্য ভিটামিন বি ৫ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

৫. ভিটামিন-বি ৬: আমাদের শরীরে এ ভিটামিনের অনেক গুরুত্ব রয়েছে এবং শক্তি উৎপাদনে এই ভিটামিন খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এছাড়া আমাদের শরীরে থাকা প্রায় ১০০ ধরনের এনজাইম রিঅ্যাকশন যাতে ঠিকমতো হয় সেদিকেও লক্ষ্য রাখে।

৬. ভিটামিন-বি ৭: সুস্থ বিপাকক্রিয়ার জন্য দরকার ‘বায়োটিন’ বা ‘ভিটামিন বি সেভেন’। ত্বক, স্নায়ু, হজমতন্ত্র, বিপাকক্রিয়া এবং কোষ এই উপাদানটি থেকে উপকৃত হয়। শরীরে ‘ফ্যাটি অ্যাসিড’ ও শর্করা তৈরির জন্য ‘বায়োটিন’ প্রয়োজন। এই উপাদানগুলোই শরীরের কর্মশক্তি হিসেবে ব্যবহার হয়।”

৭. ভিটামিন-বি ৯: সুস্থ ও স্বাভাবিক গর্ভধারণ ও গর্ভাবস্থার জন্য ভিটামিন বি নাইন বা ফোলাট খুবই জরুরি। যুক্তরাষ্ট্রের ‘ফুড অ্যান্ড নিউট্রিশন বোর্ড অ্যাট দ্য ন্যাশনাল অ্যাকাডেমি অফ সায়েন্স, ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড মেডিসিন’য়ের তথ্যানুসারে ডা. সুথার্বি পরামর্শ দেন, “সন্তান ধারণ করতে পারবেন এমন বয়সে পা দেয়ার পর প্রতিটি নারীর উচিত প্রতিদিন ৪০০ মাইক্রোগ্রাম ফলিক অ্যাসিড বা ফোলাট গ্রহণ করা।”

গর্ভাবস্থায় একজন নারীর প্রতিদিন দরকার ৬০০ থেকে ১০০০ মাইক্রোগ্রাম ফলিক অ্যাসিড। গর্ভের সন্তানের মস্তিষ্ক ও ‘স্পাইনাল কলাম’য়ের সুস্থ গঠনের জন্য এই উপাদান দরকার। তাই গর্ভধারনের আগে ও পরে এই উপাদান পর্যাপ্ত সরবরাহ শরীরে থাকলে সন্তান প্রসবজনীত অস্বাভাবিকতা থেকে সুরক্ষা মিলবে।

৮. ভিটামিন-বি ১২: স্নায়ুর জন্য দরকার এই ভিটামিন। স্নায়ু আর মস্তিষ্কের বিভিন্ন কাজের কাজি হল ভিটামিন বি টুয়েলভ। বস্টনের ‘হার্ভার্ড টি. এইচ চ্যান অফ পাবলিক হেল্থ’ জানাচ্ছে, “ভিটামিন বি টুয়েলভ বা কোবালামিন প্রাকৃতিকভাবে মেলে প্রাণিজ খাবার থেকে। ‘সাপ্লিমেন্ট’ হিসেবেও গ্রহণ করা যায় এই উপাদান। মস্তিষ্ক ও স্নায়ুর সকল কাজের সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান এটি।”



ভিটামিন-বি যুক্ত খাবারের মধ্যে রয়েছে ওটস, সামুদ্রিক মাছ, ডিম, দুধ ও দুধ জাতীয় খাবার, শিম ও মটরশুটি, মাশরুম, বাদাম ও বিভিন্ন প্রকারের বীজ, আস্ত শস্য, সবুজ শাক সবজি (পালং শাক), কলা, আভোক্যাডো, গুড়, মধু ইত্যাদি।

03/03/2024

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে

সুস্থ থাকার জন্য রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি। কারণ আমাদের রক্তচাপ বেশি বা কম হয়ে গেলে সেখান থেকে নানা শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। নিয়মিত ডালিম খেলে তা আপনাকে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করবে। ফলস্বরূপ স্বাভাবিক হবে রক্তচাপ।



হাড়ের ব্যথা দূর করে

যারা হাড়ের ব্যথায় ভুগছেন তারা নিয়মিত ডালিম খেলে উপকার পাবেন। কারণ ডালিমে থাকা বিভিন্ন উপকারী উপাদান আথ্রাইটিস ও হাড়ের সংযোগস্থলে ব্যথা দূর করতে কাজ করে। সেইসঙ্গে এটি হাড়ের সংযোগস্থলে ব্যথা হলে তাও উপশম করতে সাহায্য করে।

হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়

হৃদরোগের আশঙ্কা থেকে দূরে থাকতে চাইলে নিয়মিত ডালিম খেতে পারেন। এই ফল আপনার শরীরের কোলস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। ফলে শরীরে রক্তচলাচল বৃদ্ধি পায়। এতে দূরে থাকে হৃদরোগের ঝুঁকি।

স্মৃতিশক্তি বাড়ায়

যারা ভুলে যাওয়ার সমস্যায় ভুগছেন তারা নিয়মিত ডালিম খেলে উপকার পাবেন। কারণ উপকারী এই ফল আপনার স্মৃতিশক্তি বা মনে রাখার ক্ষমতা বাড়াতে কাজ করবে। অ্যালঝেইমার্সের রোগীদের জন্য এটি বিশেষ উপকারী ফল। শিশুর খাবারের তালিকায়ও রাখতে পারেন ডালিম।

Photos from Fact Loss's post 02/03/2024

বেইলি রোড ট্রাজেডি!
জীবন কতটা অনিশ্চিত।😓😭
কেউ হয়তো ক্ষুধা নিবারণ করছিল, কেউ বা করছিল নতুন শপিং, কেউ হয়তো ছিল দর্শনার্থী, কেউ বা কর্মচারী, ভাবা যায় চোখের নিমিষে এখন তারা পরপারের পথযাত্রী। ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে এখন পর্যন্ত ৪৪ জন নিহত। আরও অনেকেই আশঙ্কাজনক অবস্থায় হসপিটালে আছেন। সবাই তাদের জন্য দোয়া করুন। নিহত পরিবারের সবাইকে ধৈর্য্য দান করুন। এমন পরিস্থিতিতে যেনো আর কোনো পরিবার না পরেন।

সকলের আত্নার মাগফেরাত কামনা করছি, আল্লাহ এরকম মৃত্যু কারো না দেয়। সকল অসুস্থ মানুষদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি।🥲

Fact Loss পরিবার পক্ষ থেকে গভীর শোক প্রকাশ করছি।🏴

02/03/2024

আখরোট কেন খাবেন?

হৃৎপিণ্ডের মতো দেখতে এক প্রকার বাদাম জাতীয় ফল আখরোট। স্মৃতিশক্তি ও মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়াতে এর তুলনা নেই। আখরোটে পর্যাপ্ত পরিমাণে ফাইবার, ভিটামিন, কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন এবং আয়রন থাকায় এটি অন্যতম সুপারফুডে পরিণত হয়েছে। পুষ্টিবিদদের মতে, নিয়মিত আখরোট খেলে নানা উপকারিতা পাওয়া যায়।

আখরোট খাওয়ার কোনো নিয়ম নেই। দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় এই খাবারটি রাখলেই স্বাস্থ্য উপকারিতা পাওয়া যায়। তবে পুষ্টিবিদদের মতে, সারারাত ভিজিয়ে রেখে সকালে আখরোট খেলে বেশি উপকারিতা মেলে। এজন্য রাতে ২ থেকে ৪ টি আখরোট ভিজিয়ে রেখে সকালে খেতে পারেন। নিয়মিত আখরোট খেলে যেসব উপকারিতা পাওয়া যায়-

ডায়াবেটিসের জন্য ভালো : অনেক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন আখরোট খেলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাক। টাইপ টু ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এটি বেশ উপকারী।

ক্যান্সার নিয়ন্ত্রণ করে : অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ আখরোট শরীরে ক্যান্সার সেলের বৃদ্ধি প্রতিরোধ করে।

মানসিক চাপ কমায় : ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ আখরোট মানসিক চাপ ও হতাশা কমাতে ভূমিকা রাখে। নিয়মিত আখরোট খেলে মুড ভালো থাকে।

ওজন কমায় : আখরোটে পর্যাপ্ত পরিমাণে ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, আয়রন, কপার ও জিঙ্ক রয়েছে। নিয়মিত আখরোট খেলে বিপাক ভালো হয় যা ওজন কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া আখরোটে পর্যাপ্ত পরিমাণে ফাইবার থাকায় এটি দীর্ঘ সময় পেট ভরা অনুভূত হতে সাহায্য করে। ফলে বেশি খাওয়ার প্রবণতা কমে।

ঘুম ভালো করে : আখরোট বিপাকক্রিয়া উন্নত করায় ভালো ঘুমে সাহায্য করে। সকালে ঘুম থেকে উঠে এবং রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে আখরোট খেলে ভালো ঘুম হয়।

হাড় ও দাতেঁর স্বাস্থ্য উন্নত করে : স্বাস্থ্যকর ফ্যাটি অ্যাসিড এবং ম্যাগনেসিয়াম থাকায় আখরোট হাড় ও দাঁতের স্বাস্থ্য সুরক্ষা করে।

কোলেস্টেরল কমায় : নিয়মিত আখরোট খেলে খারাপ কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমে। এতে হৃৎপিণ্ড সুস্থ থাকে

02/03/2024

Fortune Barishal are the 𝐂𝐇𝐀𝐌𝐏𝐈𝐎𝐍𝐒 𝐎𝐅 𝐁𝐏𝐋 𝟐𝟎𝟐𝟒 🏆

|

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Chittagong?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Culinary Team

Attire

Address

Nasirabad
Chittagong