Medical Point

Medical Point

Share

Welcome to medicare point, not business, service is our main goal, stay with us to get something good.

We do not parcel products, we believe parcels, our head office is on the 3rd and 4th floor of Chittagong Muradpur Jalal Plaza.

07/09/2022

আসসালামু আলাইকুম
🌲 প্রাকৃ'তিক উপায়ে মে"দ ক"মান স্থায়ী'ভাবে 🌲

🔹আর নয় অতি-রিক্ত ও"য়েট নিয়ে দুশ্চিন্তা,সময় এবার নিজেকে নিয়ে ভাবার
🔹সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত আজীবন সু স্থ থাকুন।
🔹ন্যাচা রালি সেবা নিন স্থায়ী ভাবে সু স্থ্য থাকুন।

🔹বিস্তারিত জানতে Send Message লেখা অপশনে ক্লিক করুন অথবা কল করুন পেইজে দেওয়া নাম্বারে।

02/09/2022

জেনে নিন আম খাওয়ার ১২টি উপকারক্যান্সার যোদ্ধা

কোয়েরসেটিন, ফাইসেটিন, আইসোকোয়েরসেটিন, অ্যাস্ট্রাগ্যালিন, গ্যালিক অ্যাসিড ও মিথাইল গ্যালেট নামের কঠিন নামওয়ালা অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলো আছে আমে। স্তন ক্যান্সার থেকে শুরু করে কোলন ক্যান্সার, প্রোস্টেট ক্যান্সার ও লিউকেমিয়ার বিরুদ্ধে লড়তে এগুলো বেশ কাজের।



কোলেস্টেরল ঠিকঠাক

উচ্চমাত্রার ভিটামিন সি, ফাইবার ও প্যাকটিন থাকায় রক্তে উচ্চমাত্রার কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণের ভূমিকা রাখে রসালো আম।



ত্বকের জন্য

ত্বককে ভেতর থেকে পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে আম। বিশেষ করে ত্বকের ফুসকুড়ি দূর করে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায় এটি।



অ্যালকালাইন লেভেল

আমে আছে টারটারিক অ্যাসিড ও ম্যালিক অ্যাসিড। আছে সাইট্রিক অ্যাসিডও। শরীরের অ্যালকালি নামের রাসায়নিকের ভারসাম্য ঠিক রাখে এটি।



ওজন কমাতে

আমে এতো এতো ভিটামিন আছে যে একটা আম খেলেই কিন্ত শরীরে রোজকার ভিটামিনের চাহিদা মিটে যাওয়ার কথা। আবার এতে ফাইবারও যোগাবে পুষ্টি ও শক্তি। তাই এই মৌসুমে যারা ওজন কমানোর কথা ভাবছেন তারা বার্গার, কোল্ড ড্রিংকস বা সাব-স্যান্ডউইচের বিকল্প খাবার হিসেবে বেছে নিন আম।

লাভ ফ্রুট

ইংরেজিতে কঠিন একটা শব্দ আছে- আফ্রোডিজিয়াক। এর বাংলা হতে পারে এমন, যাহা খাইলে মনে ভালোবাসার উদ্রেক হয়। আম কিন্তু এমনই একটা ফল। সুতরাং মৌসুম থাকতেই প্রিয়জনকে বেশি বেশি আম উপহার দিন।



চোখের জন্য

এটা তো ছোটবেলা থেকেই পড়ে এসেছেন। আমের ভিটামিন এ আমাদের রাতকানা থেকে বাঁচাবে। যদিও এ রোগ এখন নেই বললেই চলে তবে চোখের স্বাস্থ্যের জন্য বেশি বেশি আম খেলে ক্ষতি নেই। বিশেষ করে ড্রাই আই সমস্যায় যারা ভুগছেন তারা আম খেয়ে উপকার পেতে পারেন।



হজমের জন্য

স্বাস্থ্য যদি সুখের মূলে থাকে, তবে স্বাস্থ্যের মূলে আছে হজম। আমে থাকা এনজাইমগুলো প্রোটিন উপাদানগুলোকে সহজে ভেঙে ফেলতে পারে। এতে খাবার হজম হয় দ্রুত, বাঁচা যায় পাকস্থলী সংক্রান্ত অনেক রোগ থেকেও।



হিট স্ট্রোক ঠেকাবে

এই গরমের হিট স্ট্রোক সাধারণ ঘটনা। আম আমাদের ভেতরটা শীতল রাখে ও শরীরকে অতিরিক্ত গরম হয়ে যাওয়া থেকে শরীরের ভেতরের অঙ্গগুলোকে বাঁচায়।রোগ-প্রতিরোধ

এই করোনাকালে আমে থাকা ক্যারোটেনয়েড বাড়িয়ে দেবে আপনার রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা। সহযোদ্ধা হিসেবে ভিটামিন সি তো আছেই।



মনযোগ ও স্মৃতির জন্য

কোনও কিছুর প্রতি মনযোগ ধরে রাখতে কষ্ট হলে উপকার করবে আম। মেমোরি বুস্টার হিসেবেও কাজ করে ফলটি।



বডি স্ক্রাব

ত্বককেও খাওয়াতে পারেন আমের নির্যাস। বডি স্ক্রাব হিসেবে পাকা আম বেশ ভালো কাজ করে। পেস্ট তৈরি করে তাকে একটুখানি মধু আর দুধ মিশিয়ে নিন। আলতো করে মাসাজ করে ১০-১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।

কতোটা খাবেন?

এতো এতো উপকারের কথা শুনে গপাগপ গিলতে যাবেন না। এক কাপ আমে আছে ১০০ ক্যালোরি। আর এর ৯০ ভাগই আসে আমে থাকা চিনি থেকে। সুতরাং ডায়াবেটিস রোগীরা আম খাওয়ার আগে পুষ্টিবিদের দেওয়া চার্টটা দেখে নিন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দিনে একটি পাকা আমের অর্ধেকটা খাওয়ারই পরামর্শ দেওয়া হয়।

02/09/2022

কাঁঠালের উপকারিতা-

কাঁঠাল পুষ্টি সমৃদ্ধ। এতে আছে থায়ামিন, রিবোফ্লাভিন, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, আয়রন, সোডিয়াম, জিঙ্ক এবং নায়াসিনসহ বিভিন্ন প্রকার পুষ্টি উপাদান। অন্যদিকে, কাঁঠালে প্রচুর পরিমাণে আমিষ, শর্করা ও ভিটামিন থাকায় তা মানব দেহের জন্য বিশেষ উপকারি।

১. কাঁঠালে থাকা ভিটামিন সি ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ থেকে দেহকে রক্ষা করে এবং রক্তের শ্বেতকনিকার

কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে দৃঢ় করে।

২. কাঁঠালে রয়েছে লিগনাস, সাপনিস ও নামক ফাইটোনিউট্রিঅ্যান্ট অর্থাৎ এই পদার্থগুলোতে স্বাস্থ্য রক্ষার গুণাবলী রয়েছে। এই পদার্থগুলোর রয়েছে ক্যান্সার প্রতিরোধক। কোলন ক্যান্সার, ফুসফুসের ক্যান্সার, মুখ গহরে ক্যান্সার, প্রোসটেট ক্যান্সার, ব্রেস্ট ক্যান্সার, প্যানক্রিয়াটিক ক্যান্সার।৩. কাঁঠাল দেহের শক্তি বৃদ্ধি করে। কাঁঠালে থাকা ফুক্টোজ ও সুকোজ চমৎকারভাবে দেহের শক্তি বৃদ্ধি করে রক্তের সুগারের মাত্রা কোনোরকম না বাড়িয়েই।

৪. কাঁঠাল ত্বকের বলিরেখা বা বয়সের ছাপ কমাতে সহায়তা করে। কাঁঠালের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান বয়ঃবৃদ্ধির প্রক্রিয়াকে ধীর করে ফলে ত্বকে বয়সের ছাপ দেখা যায় না। তাই ত্বকের বয়স ধরে রাখতে অর্থাৎ চেহারায় লাবণ্য দীর্ঘস্থায়ী করে কাঁঠাল।

৫. হজমের ক্ষেত্রে কাঁঠালের অনেক উপকারি। এর আলসার প্রতিরোধক গুনাগুণের জন্য এটি আলসার প্রতিরোধ করতে পারে এবং হজমের সমস্যা দূর করে। এছাড়া কোষ্ঠকাঠিন্য থাকলে কাঁঠাল খেলে তা অন্ত্রের চলাচল সহজ করে।

৬. কাঁঠালে চর্বির পরিমাণ নিতান্ত কম। এই ফল খাওয়ার কারণে ওজন বৃদ্ধির আশঙ্কা কম।৭. কাঁঠালে প্রচুর ভিটামিন এ আছে যা রাতকানা রোগ প্রতিরোধ করে।

৮. উচ্চ রক্তচাপ কমায়। কাঁঠাল পটাশিয়ামের উৎকৃষ্ট উৎস। ১০০ গ্রাম কাঁঠালে পটাশিয়ামের পরিমাণ ৩০৩ মিলিগ্রাম। পটাশিয়াম উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। এজন্য কাঁঠালে উচ্চরক্তচাপের উপশম হয়। উচ্চ রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখে এবং হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়।

৯. কাঁঠালের স্বাস্থ্য উপকারিতার মাঝে রয়েছে অ্যাজমা প্রতিরোধের গুণাবলী। গবেষণায় বলা হয়ে থাকে যদি কাঁঠালের শিকড় এবং এর নির্যাস ফুটিয়ে পানিটা খাওয়া হয় তাহলে অ্যাজমা প্রতিরোধ সম্ভব।

১০. গর্ভবতী মা প্রতিদিন ২০০ গ্রাম পাকা কাঁঠাল খেলে গর্ভস্থ শিশুর সব ধরনের পুষ্টির অভাব দূর হয় এবং গৰ্ভস্থ সন্তানের বৃদ্ধি স্বাভাবিকভাবে হয়। এই

02/09/2022

আসসালামু আলাইকুম
🍀প্রাকৃতিক উপায়ে মে"দ ক"মান স্থায়ী'ভাবে🍀

▶️আমা"দের সক"লেরই জা'না যে মে"দ ভূ"ড়ি আমা"দের স্বা"স্থ্যে-র জন্য ক"তটা ক্ষ-তি'কর যা শুধু অস্বা-স্থ্য-কর না অ-সুন্দর ও বটে,
✅এবার আপনাকে স্লি"ম ফি"ট-নেস এনে দিবে ন্যা"চারাল জুস সাপ্লি"মেন্টে যা স্থায়ী"ভাবে কাজ করে।

বিস্তারিত জানতে ইনবক্স ম্যাসেজ করুন অথবা কল করুন পেইজে দেওয়া নাম্বারে।

02/09/2022
02/09/2022

দারুচিনির উপকারিতা ও খাওয়ার নিয়ম
পরিপাকতন্ত্রের অসুখ, দাঁত ও মাথাব্যথা, চর্মরোগ, মাসিকের সমস্যা দারুচিনি সেবনে সেরে যায়। এর সাথে ডায়রিয়া, যক্ষ্মা রোগেও এর ব্যবহার উপকারী। আপনি অবশ্যই জানেন যে দারুচিনি ব্যবহারের অনেক উপকারিতা রয়েছে, যাতে আপনি সময়মতো দারুচিনি ব্যবহার করার সুবিধা নিতে পারেন।

পিরিয়ডের ব্যথা কমানোর উপায়
এখানে দারুচিনির উপকারিতা, খাওয়ার নিয়ম এবং ব্যবহারের পরিমাণ:-

হেঁচকি সমস্যায় দারুচিনির উপকারিতাঃ হেঁচকি একটি খুব সাধারণ বিষয়, তবে এমন অনেক লোক আছেন যারা সবসময় হেঁচকির অভিযোগ করেন। এই ধরনের মানুষ দারুচিনি ব্যবহার করতে পারেন। 10-20 মিলি দারুচিনির ক্বাথ পান করুন। এটি স্বস্তি দেয়।

ক্ষুধা বাড়ানোর জন্য দারুচিনি খানঃ 500 মিলিগ্রাম শুঁথি পাউডার, 500 মিলিগ্রাম এলাচ এবং 500 মিলিগ্রাম দারুচিনি পিষে নিন। সকাল-সন্ধ্যা খাবার আগে খেলে ক্ষুধা বাড়ে।

বমি বন্ধ করতে দারুচিনির ব্যবহারঃ বমি বন্ধ করতেও দারুচিনি ব্যবহার করা হয়। দারুচিনি এবং লবঙ্গের একটি ক্বাথ তৈরি করুন। 10-20 মিলি পরিমাণে খেলে বমি বন্ধ হয়।

চোখের রোগে দারুচিনির ব্যবহারঃ অনেকে অভিযোগ করেন যে তাদের চোখ টলতে থাকে। চোখের ওপরে (চোখের পাতায়) দারুচিনির তেল লাগান। এতে চোখের পলক পড়া বন্ধ হয় এবং দৃষ্টিশক্তিও বৃদ্ধি পায়।

দাঁতের ব্যথার জন্য দারুচিনির ব্যবহারঃ যাঁরা দাঁতের ব্যথায় ভুগছেন, তাঁরা দারুচিনি খেতে পারেন। তুলো দিয়ে দাঁতে দারুচিনির তেল মাখুন। এটি স্বস্তি দেবে। দারুচিনির ৫-৬টি পাতা পিষে পেস্ট তৈরি করুন। এতে দাঁত পরিষ্কার ও চকচকে হয়।

মাথাব্যথা উপশমে দারুচিনির উপকারিতাঃ মাথা ব্যাথা হলে দারুচিনি খান। 8-10টি দারুচিনি পাতা পিষে একটি পেস্ট তৈরি করুন। দারুচিনির পেস্ট মাথায় লাগালে ঠাণ্ডা বা গরমে মাথাব্যথা থেকে আরাম পাওয়া যায়। উপশম পাওয়ার পরে, পেস্টটি ধুয়ে ফেলুন।দারুচিনি তেল দিয়ে আপনার মাথার ত্বকে ম্যাসাজ করুন। এটি ঠান্ডাজনিত মাথাব্যথা থেকে মুক্তি দেয়। সমান পরিমাণে দারুচিনি, তেজপাতা এবং চিনি মিশিয়ে নিন। চাল ধোয়া পানির সাথে পিষে একটি সূক্ষ্ম গুঁড়ো তৈরি করুন। নাক দিয়ে নিন। এরপর গরুর ঘিও নাক দিয়ে নিন। এটি মাথা ব্যাথা সংক্রান্ত রোগে উপশম দেয়।

স্নায়ুতন্ত্র সম্পর্কিত সমস্যার জন্য আপনি আপনার মাথার ত্বকে দারুচিনি তেল লাগাতে পারেন। এতে উপকার হয়।

সাধারণ সর্দি-কাশির জন্য দারুচিনির ব্যবহারঃ পানিতে দারুচিনি পিষে, গরম করে পেস্ট হিসেবে লাগান। এটি ঠান্ডায় উপকারী। দারুচিনির রস বের করে মাথায় লাগালেও উপকার পাওয়া যায়।

কাশি রোগে দারুচিনির ব্যবহারঃ কাশি নিরাময়ে দারুচিনি ব্যবহার উপকারী। কাশিতে আক্রান্ত ব্যক্তিদের সকাল-সন্ধ্যা আধা চা চামচ দারুচিনির গুঁড়া ২ চামচ মধুর সঙ্গে খেতে হবে। এটি কাশি থেকে মুক্তি দেয়। দারুচিনি পাতার একটি ক্বাথ তৈরি করুন। 10-20 মিলি খেলে কাশি সেরে যায়। এক চা চামচ মধুর সাথে এক চতুর্থাংশ দারুচিনি গুঁড়ো মিশিয়ে নিন। এটি দিনে তিনবার খেলে কাশি ও ডায়রিয়ায় উপশম হয়।নাকের রোগের চিকিৎসায় দারুচিনি এর উপকারিতাঃ 3½ গ্রাম দারুচিনি, 600 মিলিগ্রাম লবঙ্গ, 2 গ্রাম শুকনো আদা এক লিটার পানিতে ফুটিয়ে নিন। যখন এই পানি 250 মিলি থাকে তখন এটি ছেঁকে নিন। এটি দিনে তিনবার খেলে নাকের রোগে উপকার পাওয়া যায়। আপনাকে এটি 50 মিলি পরিমাণে নিতে হবে।

পেট ফাঁপাতে দারুচিনির উপকারিতাঃ পেট সংক্রান্ত অনেক রোগে দারুচিনি খুবই উপকারী। 5 গ্রাম দারুচিনির গুঁড়ার মধ্যে 1 চা চামচ মধু মিশিয়ে নিন। এটি দিনে 3 বার সেবন করুন। পেট ফাঁপা নিরাময় হয়।

কোলেস্টেরল বা ওজন কমানোর জন্য দারুচিনি পাউডারের ব্যবহারঃ যাদের শরীরের ওজন বাড়তি, তারা ওজন কমাতে নানা ব্যবস্থা নিয়ে থাকেন। আপনিও স্থূলতা কমাতে দারুচিনির ব্যবহার করতে পারেন। এক কাপ পানিতে দুই চামচ মধু এবং তিন চামচ দারুচিনির গুঁড়া (ওজন কমানোর জন্য দারুচিনি ও মধু) মিশিয়ে নিন। এটি প্রতিদিন 3 বার সেবন করুন। এটি কোলেস্টেরল কমায়।ডায়রিয়া বন্ধ করতে দারুচিনির ব্যবহারঃ 5 গ্রাম দারুচিনির গুঁড়ার মধ্যে 1 চা চামচ মধু মিশিয়ে নিন। এটি দিনে 3 বার সেবন করুন। এটি ডায়রিয়ায় উপকারী। 750 মিলিগ্রাম দারুচিনি পাউডারে 750 মিলিগ্রাম ক্যাচু পাউডার মেশান। দিনে তিনবার পানির সাথে পান করুন। এতে ডায়রিয়া বন্ধ হয়। একইভাবে 4 গ্রাম দারুচিনি, 10 গ্রাম ক্যাচু একসাথে পিষে নিন। এতে 250 মিলি ফুটন্ত জল দিন এবং এটি ঢেকে দিন। দুই ঘণ্টা পর ফিল্টার করে দুই ভাগ করে পান করুন। এতে ডায়রিয়া বন্ধ হয়।বেলগিরির শরবতে 2-5 গ্রাম দারুচিনি গুঁড়ো মিশিয়ে নিন। এটি সকালে ও সন্ধ্যায় পান করলে ডায়রিয়ার সমস্যায় উপকার পাওয়া যায়। 10-20 মিলি দারুচিনির ক্বাথ পান করলে পেট সংক্রান্ত রোগে উপকার পাওয়া যায়। দারুচিনির মূল এবং বাকলের একটি ক্বাথ তৈরি করুন। এটি 10-20 মিলি পরিমাণে পান করুন। এটি পেটের অসুখ, ডায়রিয়ায় উপকারী।

পেটের সমস্যায় দারুচিনির ব্যবহারঃ দারুচিনি (দারুচিনি), এলাচ এবং তেজপাতা সমান পরিমাণে নিয়ে একটি ক্বাথ তৈরি করুন। এর সেবনে পেটের খিঁচুনি সেরে যায়। দারুচিনির 5-10 মিলি তেল 10 গ্রাম চিনির সাথে মিশিয়ে খেলে পেটের ব্যথা ও বমি উপশম হয়।

অন্ত্রের রোগে দারুচিনির উপকারিতাঃ অন্ত্র সুস্থ রাখতে দারুচিনি ব্যবহার করলেও ভালো ফল পাওয়া যায়। সিনামন (দারুচিনি) তেল পেটে মালিশ করলে অন্ত্রের চাপ দূর হয়।

গর্ভাবস্থার পরে দারুচিনির উপকারিতাঃ ত্রিকটু, পিপ্রমূল, দারুচিনি, এলাচ, তেজপাট এবং আকরকরা নিন। এর গুঁড়া ১-২ গ্রাম মধুর সাথে চেটে নিন। এর ফলে মা হওয়া মহিলাদের রোগ সেরে যায়।

চর্মরোগের সাথে লড়াইয়ে দারুচিনির উপকারিতাঃ চর্মরোগ সারাতে মধু ও দারুচিনি মিশিয়ে রোগাক্রান্ত অংশে লাগান। দেখবেন চুলকানি, এলার্জি, ফোঁড়া কয়েকদিনের মধ্যেই ভালো হতে শুরু করবে।

জ্বরে দারুচিনির উপকারিতাঃ ১ চা চামচ মধুতে ৫ গ্রাম দারুচিনি গুঁড়ো মিশিয়ে নিন। সকাল, বিকাল ও সন্ধ্যায় খেলে সর্দি-কাশির সঙ্গে আসা সংক্রামক জ্বর সেরে যায়।

বধিরতা সমস্যায় দারুচিনির উপকারিতাঃ বধিরতা এমন একটি রোগ যা জীবনকে কঠিন করে তোলে। বধিরতার চিকিৎসায়ও দারুচিনি উপকারী। এর জন্য কানে ২ ফোঁটা দারুচিনি তেল দিন। বধিরতায় উপকার আছে।

দারুচিনি ব্যবহার করে রক্তপাত বন্ধ করুনঃ ফুসফুস বা জরায়ু থেকে রক্তপাত হলে 10-20 মিলি দারুচিনির ক্বাথ পান করুন। সকালে, বিকেলে এবং সন্ধ্যায় ক্বাথ পান করতে হবে। এতে উপকার হয়। শরীরের কোন অংশ থেকে রক্তপাত হলে এক চা চামচ দারুচিনি গুঁড়ো এক কাপ পানির সাথে খান। এটি 2-3 বার খেতেসাইনাসের চিকিৎসায় দারুচিনির ব্যবহারঃ দারুচিনি, কালো দুধ এবং বারবেরি একটি পেস্ট তৈরি করুন। এটির একটি পেস্ট তৈরি করুন। নাকের ভিতরে সাইনাসে একটি ক্ষত তৈরি হয়, সেই ক্ষতের উপর লাগান। এটি দিয়ে ক্ষতটি পূরণ করুন। এটি সাইনাসে উপকারী।

টিবি রোগে দারুচিনির উপকারিতাঃ যক্ষ্মা একটি মারাত্মক রোগ যা সারা দেশে বহু মানুষকে আক্রান্ত করে। দারুচিনি টিবি চিকিৎসায় উপকারী। যক্ষ্মা রোগীকে অল্প পরিমাণে দারুচিনির তেল পান করতে হবে। এটি টিবির জীবাণুকে মেরে ফেলে।

আর্থ্রাইটিস চিকিৎসায় দারুচিনি এর উপকারিতাঃ 10-20 গ্রাম দারুচিনির গুঁড়ার সঙ্গে 20-30 গ্রাম মধু মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। বেদনাদায়ক জায়গায় আলতো করে ম্যাসাজ করুন। এতে উপকার হবে। এর সাথে এক কাপ হালকা গরম পানিতে ১ চা চামচ মধু এবং ২ গ্রাম দারুচিনি গুঁড়ো মিশিয়ে নিন। এটি সকালে, বিকেলে এবং সন্ধ্যায় সেবন করুন। গাউটে উপকার দেয়। দারুচিনি পাতার তেল লাগালে আর্থ্রাইটিসেও আরাম পাওয়া যায়।

02/09/2022

জেনে নিন স্ট্রবেরির গুণাগুণ:

১. স্ট্রবেরিতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, ম্যাংগানিজ ও পটাশিয়াম। আটটি স্ট্রবেরিতে একটি কমলার সমান ভিটামিন সি পাওয়া যায়। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এ ফল।

২. সোডিয়াম প্রায় নেই বলে উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদ্‌রোগীদের জন্য এটি ভালো। রক্তচাপ রোধে সহায়তা করে এই ফল।

৩. স্ট্রবেরিতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট অনেক, বিশেষ করে পলিফেনলজাতীয় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট।

৪. স্ট্রবেরি মানুষের শরীরের ক্ষতিকর চর্বি এলডিএল কমায়।

৫. বিভিন্ন রকম সংক্রমণ থেকে শরীরকে রক্ষা করে।

৬. স্ট্রবেরিতে আছে প্রচুর ফাইবার, যা ডায়াবেটিস ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সহায়তা করে।

৭. ওজন কমাতে সাহায্য করে।

৮. চুল পড়া রোধ করে।

৯. স্মৃতিশক্তি বাড়ায়।

১০. ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়। তথ্যসূত্র: এনডিটিভি।

02/09/2022

ফলের মৌসুম চলছে। বাজারে কত রকম ফল। ফল, শাক সবজি এগুলো প্রচুর পরিমাণে খেতে হবে। এর মধ্যে জামরুলের উপকারিতা সম্পর্কে কিছু বলবো। জামরুল সাদা, লাল দুই রকমেরই হয়ে থাকে।

অনেকে জামরুল খেতে পছন্দ করেন না। তবে এটা অনেক উপকারী। এর ঔষধি গুণ আছে।

১. জামরুল শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। জামরুলে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে। প্রতি ১০০ গ্রাম জামরুলে ২২ দশমিক মাইক্রোগ্রাম ভিটামিন সি পাওয়া যায়।

আর এই ভিটামিন সি ত্বকের তারুণ্যতা ধরে রাখে।সহজে বুড়িয়ে যাবেন না।

২. হজমের সমস্যা আজকাল ঘরে ঘরে, ফলে এই ফল তো খেতেই হবে। জামরুলে পর্যাপ্ত পরিমাণে ডিয়াটরী ফাইবার থাকায় এটি হজম ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে।

৩. এটি পেট ফাঁপা, ডায়ারিয়া প্রতিরোধে কাজ করে।

৪. চোখের জন্যেও ভীষণ উপকারী এটা। জামরুলে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন এ রয়েছে।

৫.আপনি জানলে অবাক হবেন যে, প্রতি ১০০ গ্রাম জামরুলে ২৯ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়। আর তাই হাড় এবং দাঁতের জন্যে প্রয়োজনীয় ক্যালসিয়ামের জন্য জামরুল খেতে হবে। ৬. প্রতি ১০০ গ্রাম জামরুলে ৯৩ গ্রাম জল থাকে। যা শরীরে আর্দ্রতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। জামরুল মূলত দক্ষিণ ভারত ও পূর্ব মালয়েশিয়ার ফল। তবে এটি বাংলাদেশ-ভারত, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ায় চাষাবাদ হয়।

৭. তদুপরি জামরুল কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে : জামরুলে থাকা পর্যাপ্ত পরিমাণে ফাইবার খাদ্য সংবহনতন্ত্রের সাহায্য করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।

৮.এমনকি জামরুল পেশির ব্যথা পর্যন্ত দূর করে : পটাশিয়াম থাকাযর জন্যে জামরুল পেশিকে শক্তিশালী করে তোলে এবং পেশির ব্যথা দূর করে।

৯. জামরুলে এক ধরনের হেপাটোপ্রটেক্টিভ উপাদান থাকে, এটা লিভার কোষ ধ্বংস থেকে রক্ষা করে।

১০.জামরুলে অ্যান্টিহাইপারগ্লিসেমিক উপাদান থাকে, যা রক্তের গ্লুকোজের মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণ করে।

নিয়মিত জামরুল খান এবং সুস্থ থাকুন।মোদ্দা কথা ফাস্টফুড খাওয়া ছাড়তে হবে। যতরকম ভাজাপোড়া এসব না খেয়ে শাক সবজি, ফলমূল এগুলো খেতে হবে। আর করোনা আমাদের বুঝিয়ে দিয়েছে যে শরীরকে সুস্থ রাখা কতটা প্রয়োজন।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Chittagong?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Address

Muradpur Jalal Plaza 3rd & 4th Floor
Chittagong
4000