Health Conscious
This page is to contribute in promoting legal products for health and beauty across the country.
24/11/2022
🥒ও-জ-ন ক-মা-তে শসার ব্যবহার🥒
🥒 ১ গ্লাস শসার রসে পুষ্টিগুণ রয়ছে –
• ক্যালসিয়ামঃ এক গ্লাস শসার রসে রয়েছে ৯ গ্রাম ক্যালসিয়াম
• আয়রনঃ এক গ্লাস শসার রসে রয়েছে ৬ গ্রাম আয়রন।
• কপারঃ এক গ্লাস শসার রসে রয়েছে ২ গ্রাম কপার।
• ফাইবারঃ এক গ্লাস শসার রসে রয়েছে ৭ গ্রাম ফাইবার।
• ম্যাগনেসিয়ামঃ এক গ্লাস শসার রসে রয়েছে ৫ গ্রাম ম্যাগনেসিয়াম।
• পটাশিয়ামঃ এক গ্লাস শসার রসে রয়েছে ৭ মেগাগ্রাম পটাশিয়াম।
• ফসফরাসঃ এক গ্লাস শসার রসে রয়েছে ৭ মেগাগ্রাম
• জিংকঃ জিংক রয়েছে ২ গ্রাম।
🥒 ৭ গ্রাম ভিটামিন “এ”
🥒 ৯ গ্রাম ভিটামিন “সি”
🥒৮ গ্রাম ভিটামিন “বি৬”
🥒৭ গ্রাম ভিটামিন “কে”
🙋♀️ওজন কমানোর জন্য বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন➡️💬💌
20/11/2022
➡️পে-টের অতি-রিক্ত চর্বি কেনো বাড়ে⁉️
✅তার আগে জানা জরুরি কোন ধরনের খাবারের কারণে পেটে মেদ জমতে থাকে।
✅সাধারণত মদ্যপান, মিষ্টিজাতীয় খাবার অতিরিক্ত গ্রহণ, ডুবো তেলে ভাজা খাবার, কোমল পানীয়, অস্বাস্থ্যকর বাইরের খাবার, নিয়মিত লাল মাংস (রেড মিট) খাওয়া, স্যাচুরেটেড চর্বি গ্রহণ ইত্যাদি পেটের মেদ বাড়িয়ে তোলার পেছনে ভূমিকা রাখে
📌আমাদের রয়েছে প্রাকৃতিক উপাদান দ্বারা তৈরিকৃত ফ্রুট সাপ্লিমেন্ট, যেমনঃ জুস,কফি,ট্যাবলেট,বিগ পাউডার।
📌বয়স+ওজন+উচ্চতা অনুযায়ী কোর্স ভিত্তিক এসব ফুড-সাপ্লিমেন্ট সাজেস্ট করা হয়।
💌বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন💬
19/11/2022
📌পে টে র অতি-রিক্ত মে দ কমা-নোর উ-পায়🙋♀️
✅স্বাস্থ্যকর খাবার খান: পেটের বাড়তি মেদ কমানোর প্রধান ধাপ হল স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া। শরীরে পর্যাপ্ত প্রোটিন ও ফাইবার না গেলে ওজন বাড়বে বই কমবে না। তাই ইচ্ছে করলেই বাইরের ভাজাভুজির বদলে ফল, ওটস, বাদাম, ডিম, সবুজ শাকসব্জি বেশি করে খান।
✅পেটের অতিরিক্ত মেদ বা ভুঁড়ি অনেকের জন্যই একটি অস্বস্তিকর বিষয়। ছোট ছোট অস্বাস্থ্যকর অভ্যাসের কারণে আমাদের পেটে মেদ জমে। পেট ছাড়াও শরীরের অন্যান্য স্থানে মেদ জমার অন্যতম কারণ এই অভ্যাসগুলো। পেটের মেদ দ্রুত কমাতে সাহায্য করবে এমন ১০টি অভ্যাস নিয়ে এই লেখায় আলোচনা করা হয়েছে।
✅এই অস্বাস্থ্যকর অভ্যাসগুলো এড়ানো গেলে শুধুমাত্র পেটের মেদ নয়, বরং কোমরের মেদ, মুখের চর্বি, উরুর মেদ, নিতম্বের মেদ কমানো সম্ভব।
➡️দ্রুত খাওয়ার অভ্যাস বাদ দিন
➡️কোনো বেলার খাবার বাদ দিবেন না
➡️বড় প্লেটের বদলে ছোট প্লেট বেছে নিন
➡️সৌজন্যবোধ থেকে বেশি খাবেন না
➡️আনমনে খাওয়া পরিহার করুন
➡️মানসিক চাপ মোকাবেলা করুন
➡️অস্বাস্থ্যকর ঘুমের রুটিন বদলে ফেলুন
➡️সাদা চাল, সাদা আটার বিকল্প বেছে নিন
➡️খাওয়ার আগে মোড়ক যাচাই করে নিন
➡️শুয়ে বসে না থেকে অ্যাকটিভ হোন
💌বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন💬
18/11/2022
⭕শরীরের অতিরিক্ত ওজন নিয়ে আর নয় চিন্তা।❌
☑️আমাদের কাছে রয়েছে প্রাকৃতিক উপাদান দ্বারা তৈরিকৃত অর্গানিক ফ্রুট সাপ্লিমেন্ট।
✅এটি বাংলাদেশ বিএসটিঅাই কর্তৃক অনুমোদিত ও সম্পূর্ন পরীক্ষিত,
এতে কোনো ধরনের সাইড-এফেক্ট নেই, এটি শরীরের অভ্যন্তরে গিয়ে প্রাকৃতিক উপায়ে শরীরে জমে থাকা অতিরিক্ত মেদ-চর্বি ঝরিয়ে ফেলবে।
👨🦰বয়স+ ওজন+উচ্চতা অনুযায়ী বিভিন্ন কোর্স ভিত্তিক জুস/কফি/অন্যান্য ফুড-সাপ্লিমেন্ট সাজেস্ট করা হয়।
💌বিস্তারিত সম্পর্কে জানতে যোগাযোগ করুন।💬
18/11/2022
🏃♂️দ্রুত ওজন কমানোর উপায় এবং অর্গানিক ফ্রুট সাপ্লিমেন্ট এর ব্যবহার।
🏃♀️শরী-রের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা প্রায় সবার জন্যই কঠিন হয়ে পড়ে।
ওজন বেড়ে যাওয়ার কারণে শরীরে নানা রকম জটিলতা দেখা দেয়। তাই ওজন কমাতে সঠিক ডায়েট প্ল্যান গ্রহণ করতে হবে।
⭕অনেকে কিটো ডায়েট করেন। কেউ আবার স্বাস্থ্যকম খাবার খেয়ে ওজন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। অনেকে খাবার কম খেয়ে ব্যায়াম করে শরীরের মেদ কমান। তবে এমন উপায়ও রয়েছে, যাতে আপনি কম ডায়েট করে এবং পুরোদমে খাবার খেয়েও ওজন কমাতে পারেন।
✅বিশেষজ্ঞদের মতে, ওজন কমানোর জন্য শুধু কম খেলে কিংবা সারাদিন শরীরচর্চা করলেই হবে না। ওজন কমানোর জন্য কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলা খুবই জরুরি। যা ধৈর্য ধরে মেনে চললে দ্রুত ওজন কমাতে সাহায্য করবে। তাই আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞরা দ্রুত ওজন কমানোর কিছু পরামর্শ দিচ্ছেন।
✅বিশেষজ্ঞরা জানান, দ্রুত ওজন কমানোর জন্য সবার আগে খাবারের তালিকা থেকে চিনি বাদ দেওয়ার দরকার। চিনির পরিবর্তে গুড়ের ব্যবহার করলে স্বাস্থ্যও সঠিক থাকে এবং ওজনও কমে।
🧂🥛ঠান্ডা পানির পরিবর্তে তালিকায় হালকা গরম পানি রাখা দরকার। গরম পানি শরীরে জমে থাকা মেদ গলিয়ে দিয়ে ওজন কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া খাবারও দ্রুত হজম করতে সাহায্য করে গরম পানি।
🍹অনেকেই ফলের পরিবর্তে ফলের রস বেছে নেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, আমরা যখন ফলের রস খাচ্ছি তখন ফলে থাকা ফাইবার হারিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু যখন ফল চিবিয়ে খাচ্ছি, তখন ফলের সমস্ত উপকারী উপাদান শরীর পেতে পারছে।
✅বেশি ক্যালোরির কার্বোহাইড্রেডযুক্ত খাবারের বদলে শস্য থেকে উৎপাদিত খাবার খাওয়া হচ্ছে ওজন কমানোর অন্যতম সহজ উপায়। অর্থাৎ সাদা আটা থেকে উৎপাদিত খাবার খাওয়া কমাতে হবে। আঁশযুক্ত খাবার খেতে হবে। এটি আপনার ক্ষুধার মাত্রা কমাবে। কার্ব-ডায়েট করার সময় দেহশক্তির জন্য শর্করার বদলে আপনার শরীরের সঞ্চিত ফ্যাট ব্যবহার করবে।
🍚🍜দুপুরের খাবার বাদ দিলে একেবারেই চলবে না। অনেকেই ওজন কমানোর জন্য দুপুরের খাবার বাদ দিয়ে থাকেন। এটা শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। প্রতিদিন দুপুর দুটোর মধ্যে দুপুরের খাবার খাওয়া শেষ করে ফেলা দরকার।
🍝রাতের খাবার অনেক দেরিতে খেলে তা শরীরের জন্য খুবই ক্ষতিকর। তাই রাত আটটার মধ্যে রাতের খাবার খেয়ে নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন তাঁরা।
🥱পর্যাপ্ত ঘুম শরীরের জন্য খুবই জরুরি। প্রতিদিন অন্তত ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুম একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের জন্য প্রয়োজন। রাত ১০টার আগে ঘুমিয়ে পড়ার পরামর্শ দিচ্ছেন তারা।
🏃♀️৫ হাজার থেকে ১০ হাজার পা হাঁটুন। এতে যেমন ওজন কমবে, তেমনই বহু অসুখও প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে।
🥦🥬🥕ওজন কমানোর বড় দাওয়াই হচ্ছে সবুজ শাকসবজি। বেশি করে শাকসবজি আপনাকে স্বাস্থ্যকর থাকতে সাহায্য করে। সবুজ শাকসবজি পুষ্টিতে ভরপুর এবং কম ক্যালোরিযুক্ত হয়। কম ক্যালোরি, পুষ্টিগুণযুক্ত সবুজ শাকসবজির মাঝে অন্যতম হচ্ছে ব্রোকলি, ফুলকপি, শাক, টমেটো, কেল, ব্রাসেলস স্প্রাউটস, বাঁধাকপি, সুইস চারড, লেটুস ও শসা।
📌আমাদের রয়েছে অর্গানিক ফুড-সাপ্লিমেন্ট
16/11/2022
🧘♀️মে দ ভু-রি কমানোর উ-পা-য়
📌খাদ্যতালিকায় ফাইবারসমৃদ্ধ খাবার অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
📌যেমন—লাল চাল বা, লাল আটার তৈরি খাবার এবং শাকসবজি ও ফলমূলজাতীয় খাবারে মিলবে আঁশ।
গ্রিন-টিতে আছে অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট, যা পেটের মেদ কমাতে খুব বেশি কার্যকর।
📌তাই দুধ ও চিনি বেশি দিয়ে চা পানের অভ্যাস বদলে নিন গ্রিন-টিতে।অথবা ওয়েট-লস জু-স।
15/11/2022
✅মে-দ ক মা তে আ-দা-লেবু🍋
পেটে মেদ হলে তা দেখতে যেমন বিদঘুটে তেমনই অস্বস্তিকরও।
পেটের মেদ নিয়ে অনেকেই সমস্যায় ভোগেন। আর মেদ একবার জমতে শুরু করলে তা বাড়তেই থাকে।
🔺অনেক সময় নানা উপায় অবলম্বন করেও তা কমানো সম্ভব হয় না।
মেদ কমানোর জন্য অনেকেই ডায়েট করে খান। কিন্তু ডায়েটে একটু গড়মিল হলেই ফলাফল হয় উল্টো। ওজন কমার বদলে বাড়তে থাকে। মেদ আরো জমা হতে থাকে। পেটের মেদ নিয়ে যারা দুশ্চিন্তায় রয়েছেন তাদের জন্য এমন একটি পানীয় রয়েছে যা পান করলে খুব দ্রুত মেদ কমবে। মাত্র এক কাপ পানি প্রতিদিন পান করার ফলে এক মাসেই আপনার পেট ১ ইঞ্চি করে কমে যাবে।
🔺এই জাদুকরী পানি তৈরি করতে মাত্র দুইটি উপকরণের প্রয়োজন।আদা ও লেবুর মিশ্রণ আপনার ওজন কমিয়ে আনবে জাদুকরী উপায়ে। প্রথমে আদার ছোট ছোট টুকরা করে আধা ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। তারপর সেই পানির সাথে আরও পানি মিশিয়ে একটি সম্পূর্ণ লেবু কয়েক টুকরা করে পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। তারপর দুই ঘণ্টা অপেক্ষা করুন। এরপর সারাদিন এই পানি প্রতি ঘণ্টায় ঘণ্টায় পান করুন। এতে আপনার ওজন কমার পাশাপাশি শরীরও ডিটক্স থাকবে।তবে আর দেরি কেন, আদা আর লেবু তো হাতের কাছে রয়েছেই। আজ থেকেই শুরু হয়ে যাক আপনার পেটের মেদ কমানোর অভিযান।
বিস্তারিত সম্পর্কে জানতে যোগাযোগ করুন পেজ এ।
15/11/2022
🧍♀️ও-জ-ন বাড়ে কেনো❓কি কি কারনে ও-জ-ন বাড়ে❓
♦️প্রথমতঃ কিছু হরমোনের অতিরিক্ত উৎপন্ন হওয়া বা না হওয়া, যেগুলো বিশেষ করে ক্ষুধা, চর্বি তৈরি এবং ওজন নিয়ন্ত্রন এর সাথে সম্পর্কিত। যেমন, "লেপটিন" নামক হরমোন আমাদের মস্তিষ্কে সিগন্যাল পাঠায় আমাদের পাকস্থলী খাদ্যে পূর্ণ হয়েছে বা পূর্ণ হয় নাই কিনা। এর ঘাটতি বা আধিক্য ওজন বৃদ্ধির অন্যতম কারণ।
♦️দ্বিতীয়তঃ শারীরিক ও মানসিক স্ট্রেস থেকে সৃষ্ট হরমোন "কর্টিসল" ওজন বাড়াতে অনেক বেশি ভুমিকা রাখে এবং দেহে চর্বিকে বেশি সময়ের জন্য সঞ্চয় করতে সহায়তা করে। কর্টিসল হরমোন বেড়ে গেলে সরল শর্করা অধিক সময়ের জন্য চর্বি তে পরিণত হয়। অতিরিক্ত মানসিক অবসাদে শক্তি অর্জনের জন্য দেহ মূলত জমাকৃত চর্বির উপর নির্ভর করে।
চর্বি জমাকারী হরমোন কে কমাতে শারীরিক ও মানসিক স্ট্রেস বা চাপ কমানো খুবই জরুরি। এছাড়াও দুধ চা এবং কফি খাওয়ার পরিমান কমিয়ে দিলেও কর্টিসল হরমোন বাড়ার প্রবনতা কমে যায়।
♦️তৃতীয়তঃ ফ্যাটসেল ও রাসায়নিক মেসেঞ্জার উপাদান এস্ট্রোজেন হরমোন, যা বিশেষ করে স্বাভাবিক মাত্রায় ইনসুলিন নামক হরমোনকে উৎপন্ন করে। ইনসুলিন হরমোন রক্তের গ্লুকোজ এর মাত্রা নিয়ন্ত্রণ এর মাধ্যমে ওজন নিয়ন্ত্রনে গুরুত্বপূর্ন ভুমিকা রাখে।
আমরা যখন শর্করা জাতীয় খাবার খাই, ইনসুলিন, দেহের প্রয়োজনের বাড়তি গ্লুকোজকে লিভারে পাঠায়, শক্তির জন্য পেশীতে পাঠায় এবং খুব অল্প পরিমানে ফ্যাট সেলে রুপান্তরিত হয়। কিন্তু যখন এস্ট্রোজেন এর মাত্রা বেড়ে যায়, ইনসুলিন তৈরির কোষগুলো দূর্বল হয়ে পরে এবং দেহ এর প্রতি সহ্যক্ষমতা হারায়। ফলে, গ্লুকোজ বেশি পরিমানে ফ্যাটে রুপান্তরিত হয় এবং অবধারিত ভাবে ওজন বৃদ্ধি পায়।
♦️চতুর্থতঃ টেস্টোস্টেরন হরমোন এর মাত্রা কমে যাওয়া এবং বিপাক ব্যহত হওয়া জনিত কারন। ২০ বছর বয়সের পর থেকে টেস্টোস্টেরন হরমোন এর কার্যক্ষমতা হ্রাস পেতে থাকে। এছাড়াও জন্ম নিয়ন্ত্রণ এর ওষুধ সেবনের কারণেও এটি হ্রাস পায়। এটি মূলতঃ আমাদের পেশীর বৃদ্ধি, বিপাককার্য এবং খাদ্যের টক্সিক উপাদান , এমনকি বাতাসের টক্সিক উপাদান কে হ্রাস করতে সহায়তা করে।
✅আর টেস্টোস্টেরনের মাত্রা কমে গেলে দেহের বিপাক কমে যায় এবং দেহে টক্সিক উপাদান এর পরিমান বেড়ে যায় ফলশ্রুতিতে দ্রুত ওজনও বেড়ে যায়। আর বিপাক হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে আমাদের গৃহীত খাদ্য পাচন, শোষণ ইত্যাদির মাধ্যমে দেহে শক্তি ও পুষ্টি যোগায়। সুতরাং বিপাক ব্যাহত হলে স্বাভাবিকভাবেই দেহের ওজন বাড়ার প্রবনতাও বেড়ে যায়। অর্থাৎ টেস্টোস্টেরন এর মাত্রা কমে যাওয়া এবং একইসাথে বিপাক কাজ ধীরে হলে ওজন বেড়ে যায়।
💢তাই সবার উচিত সঠিক খাদ্যাভ্যাস করা, খাদ্যে সব পুষ্টি উপাদান এর সরবরাহ নিশ্চিত করা, সঠিক নিয়মে খাদ্য গ্রহন অর্থাৎ সময়মত খাওয়া, চাহিদা অনুযায়ী পরিমান ঠিক রেখে খাওয়া অর্থাৎ খুব বেশি বা কম না খাওয়া, ধীরে এবং চিবিয়ে খাওয়া, খাওয়ার সাথে সাথে পানি না খাওয়া ইত্যাদি মেনে দেহে হরমোনের সামঞ্জস্যতা রক্ষা করা। যাতে করে হরমোনজনিত কারনে দৈহিক ওজন বেড়ে না যায়।
14/11/2022
আসসালামু আলাইকুম
🧍আপনি কি ওজন-জনিত সমস্যায় ভুগছেন❓
আপনি কি ওজন কমাতে আগ্রহী❓
আমাদের কাছে রয়েছে, অর্গানিক ফুড-সাপ্লিমেন্ট🍎
যা সম্পুর্ণ প্রাকৃতিক উপাদান দ্বারা তৈরি, এই প্রোডাক্ট সেবন এর মাধ্যমে আপনারা শরীরের অতিরিক্ত মেদ-চর্বি ঝরিয়ে সুন্দর একটি শারীরিক গঠন পেতে পারেন🧍♀️
বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন আমাদের পেজ এ অথবা প্রোডাক্ট স্পেশালিষ্ট এর সাথে।
ফোন নাম্বারঃ০01866210975
13/11/2022
♦️যদি দ্রুত ওজন কমানোর দরকার হয়
অতি-রিক্ত ও-জ-ন কারও কাম্য নয়। অনেকেই আছেন, যাঁরা ওজন কমানোর জন্য অনেক টাকা খরচ করেও নিজেদের ফিট রাখতে পারছেন না। আবার অনেকেরই নির্দিষ্ট কোনো চাকরির জন্য ওজন কমানো দরকার পড়ে। কিছু চাকরিতে পদোন্নতির জন্যও কর্মীর ওজন জরুরি বিষয় হিসেবে দেখা হয়। অনেক সময় বিশেষ অস্ত্রোপচারের আগে জরুরি ভিত্তিতে রোগীর ওজন কমানোর দরকার পড়ে।
নিজেকে পুরোপুরি সুস্থ রেখে সাধারণত মাসে চার-পাঁচ কেজি ওজন কমানো যায়। তবে কারও যদি জরুরি কারণে এক মাসে সাত কেজি বা তার চেয়ে বেশি ওজন কমানোর দরকার পড়ে, তবে অবশ্যই পরিকল্পনা করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ওজন কমাতে হবে।
এক মাসে সাত কেজি বা তার চেয়ে বেশি ওজন কমানোর জন্য কিছু কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি হয়ে পড়ে। এই পদক্ষেপের মধ্যে শুধু খাবার নিয়ন্ত্রণই নয়, পুরো জীবনযাপনকেই একটা অভ্যাসের মধ্যে নিয়ে আসতে হবে। তাহলেই কম সময়ে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য মিলবে।
12/11/2022
🍉🍉ত-র-মু-জে-র পু-ষ্টি-গু-ণ:🍉🍉
🍉(১) প্রতি ১০০ গ্রাম পাকা তরমুজে রয়েছে ৯২ থেকে ৯৫ গ্রাম পানি, আঁশ ০.২ গ্রাম, আমিষ ০.৫ গ্রাম, চর্বি ০.২ গ্রাম, ক্যালোরি ১৫ থেকে ১৬ মিলিগ্রাম। এ ছাড়াও তরমুজে ক্যালসিয়াম রয়েছে ১০ মিলিগ্রাম,আয়রন ৭.৯ মিলিগ্রাম, কার্বহাইড্রেট ৩.৫ গ্রাম, খনিজ পদার্থ ০.২ গ্রাম, ফসফরাস ১২ মিলিগ্রাম, নিয়াসিন ০.২ মিলিগ্রাম, ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, ভিটামিন বি ও ভিটামিন বি২।
🍉(২) তরমুজে আছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা শরীরের জন্য খুবই উপকারী। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ তরমুজ খেলে অক্সিডেটিভ স্ট্রেসজনিত অসুস্থতা কমে যায়। এ ছাড়াও নিয়মিত তরমুজ খেলে প্রোস্টেট ক্যান্সার, কোলন ক্যান্সার, ফুসফুসের ক্যান্সার ও স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে যায়।
🍉(৩) তরমুজে আছে ক্যারোটিনয়েড। আর তাই নিয়মিত তরমুজ খেলে চোখ ভালো থাকে এবং চোখের নানা সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। ক্যারটিনয়েড রাতকানা প্রতিরোধেও কার্যকরী ভূমিকা রাখে।
🍉(৪) তরমুজে প্রচুর পরিমাণে পানি আছে। গরমের সময় যখন ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে প্রচুর পরিমাণে পানি বের হয়ে যায় তখন তরমুজ খেলে শরীরের পানিশূন্যতা দূর হয়। ফলে শরীর থাকে সুস্থ ও সতেজ।
🍉(৫) তরমুজে আছে প্রচুর পরিমাণে পানি এবং খুব কম পরিমাণে ক্যালরি। আর তাই তরমুজ খেলে পেট ভরে যায় কিন্তু সে অনুযায়ী তেমন কোনো ক্যালরি শরীরে প্রবেশ করে না। ফলে তরমুজ খেয়ে পেট পুরে ফেললে ওজন বাড়ার সম্ভাবনা কম থাকে
12/11/2022
পেঁ-পে-র পুষ্টি-গুণ:
🌾(১) পাকা পেঁপে কালো দাগ দূর করার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান। পাকা এক টুকরো পেঁপে নিয়ে আক্রান্ত স্থানে ভালো করে ঘষে দিন। আধা ঘণ্টা রাখুন, তারপর পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। সপ্তাহে ৩/৪ বার এভাবে করতে থাকেন। পেঁপেতে থাকা প্যাপিন মরা কোষ দূর করে ত্বকের রঙ উজ্জ্বল করে তোলে।
🌾(২) হজমশক্তি কমে গেলে অম্বল হয়ে যায়, মুখে চোকা ঢেকুর ওঠে, পেট ব্যথা শুরু হয়। কখনো চিনচিনে ব্যথা, কখনো ভয়ঙ্কর ব্যথা হয়। কখনো কোষ্ঠ পরিষ্কার হয় না আর কখনো পেট খারাপ হয়। শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে, শরীরে অবসাদ দেখা দেয়। পেঁপেতে প্রচুর পরিমাণে এনজাইম আছে যা খাবার হজমে সহায়তা করে থাকে। এছাড়াও প্রচুর পানি ও দ্রবণীয় ফাইবার আছে। হজমের সমস্যায় যে সকল মানুষ ভুগে থাকেন তারা নিয়মিত পাকা বা কাঁচা পেঁপে খেতে পারেন।
🌾(৩) রক্ত আমাশয় দেহের অনেক বড় সমস্যা। প্রত্যেহ সকালে কাঁচা পেঁপের আঠা ৫/৭ ফোঁটা ৫/৬ টি বাতাসার সঙ্গে মিশিয়ে খেতে হবে। ২/৩ দিন খাওয়ার পর রক্তপড়া কমতে থাকবে।
🌾(৪) যে কোনো প্রকারের কৃমি হলে, পেঁপের আঠা ১৫ ফোঁটা ও মধু ১চা চামচ একসঙ্গে মিশিয়ে খেতে হবে। এরপর আধা ঘন্টা পরে উঞ্চ পানি আধ কাপ খেয়ে তারপরে ১ চামচ বাখারি (শসা-ক্ষীরার মতো এর স্বাদ) চুনের পানি খেতে হয়। এভাবে ২ দিন খেলে কৃমির উপদ্রব কমে যাবে। কৃমি বিনাশের ক্ষেত্রে পেঁপে এটি ফলপ্রদ ওষুধ।
🌾(৫) চিনির পরিমাণ কম থাকায় ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য পেঁপে একটি আর্দশ ফল। যাদের ডায়াবেটিস নেই তাদের প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় পেঁপে রাখা উচিত। পেঁপে ডায়াবেটিস হওয়া প্রতিরোধ করে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Chittagong
4100
Opening Hours
| Monday | 10:30 - 17:00 |
| Tuesday | 10:30 - 17:00 |
| Wednesday | 10:30 - 17:00 |
| Thursday | 10:30 - 17:00 |
| Saturday | 10:30 - 17:00 |
| Sunday | 10:30 - 17:00 |
