Live Healthy
Our products are completely organic and 100% effective, our main goal is not business, stay with us
22/09/2022
আসসালামু আলাইকুম এক মিনিট দেখুন!
কম খ'রচে বিশ্ব মানের সেবা পেতে আমাদের মেসেজ করুন অথবা কল করুন পেইজে দেওয়া নাম্বারে!
এটা বাংলাদেশ বিএসটিআইআর কতৃক অনুমোদিত এবং পরিক্ষিত কোনো সাইড এ-ফে-ক্ট নেই নে'চারাল ফ'রমুলায় তৈরি।
অতিরিক্ত ওজন সবার জন্যই অসহ্যকর। অতিরিক্ত ওজন এর মানুষ নাতো দেখতে সুন্দর, না আছে শরীর এ শান্তি।
আপনি যদি অতিরিক্ত ওজন নিয়ে দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হন,, এবং এর স্থায়ী সমাধান খুঁজে থাকেন তবে দেরি না করে পেইজ এ দাওয়া নাম্বার এ সরাসরি যোগাযোগ করুন অথবা ইনবক্সে মেসেজ দিন।
18/09/2022
✅
⏩ বাংলাদেশ এর ৬৪ জেলায় ক্যাশ অন ডেলিভারি তে প্রডাক্ট পাওয়া যাবে অর্ডার করার ২-৩ দিন এর মধ্যে, আপনি আপনার প্রডাক্ট হাত এ বুঝে পাবেন প্রডাক্ট হাত এ পাওয়ার পর টাকা পেমেন্ট করবেন।⏪
আপনাদের সেবায় আমরা এগিয়ে।
Healthy
04/09/2022
অনেক সময় এবং অনেক টাকা তো নষ্ট করছেন এবার নাহ হয় লাস্ট একবার জুস খেয়ে দেখুন আপনার শরি রের অতি রিক্ত ও'জন কমে যাবে কোনো রকম ঝা'মেলা ছাড়াই!
এটি বাংলাদেশ বিএসটিআইআর কতৃক অনুমোদিত এবং পরিক্ষিত কোনো সাইড এ-ফে-ক্ট নেই নে'চারাল ফ'রমুলায় তৈরি
আরো বিস্তারিত জানতে আমাদের মেসেজ করুন অথবা কল করুন পেইজে দেওয়া নাম্বারে
02/09/2022
🙂জাম্বুরা এই ফলে রয়েছে ভিটামিন সি। রয়েছে ফাইবার। একটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে ডায়েটের সময় জাম্বুরা খেলে ওজনের ওপর প্রভাব পড়ে। এই ফল ইনসুলিনের মাত্রা ঠিক রাখে। এটি রক্তচাপ ও প্রদাহ রাখে নিয়ন্ত্রণে। দুপুরে খাবার আগে অর্ধেক জাম্বুরা খান। এতে পেট ভরা থাকবে। সঙ্গে কমবে ওজন। 🥰
ওজন কমাতে তাই আপনার খাবার ফলের তালিকায় জাম্বুরা রাখুন।
02/09/2022
ফুলকপি আর ব্রকলি
প্রচুর পরিমাণে ফাইবার আর বিভিন্ন খনিজ পদার্থ ও ভিটামিনের পাশাপাশি ব্রকলি ও ফুলকপিতে রয়েছে ফটো কেমিক্যাল যা চর্বি জমতে দেয় না শরীরে।
শরীর এর ওজন কমাতে ফুলকপি জাতীয় খাবার খাদ্য তালিকায় রাখুন।
01/09/2022
আপনি কি জানেন ???
আমলকি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং মানসিক চাপ কমায়।,, কফ, বমি, অনিদ্রা, ব্যথা-বেদনায় আমলকি অনেক উপকারী। আমলকির রস কোষ্ঠকাঠিন্য ও পাইলসের সমস্যা দূর করতে পারে। এছাড়াও এটি পেটের গোলযোগ ও বদহজম রুখতে সাহায্য করে।
পুষ্টিগুন এ আমলকির জুড়ি নেই।
01/09/2022
শরীরের বাড়তি ওজন নানা রোগের কারণ। তাই ওজন কমাতে কত কিছুই না করছেন। কঠোর ডায়েট থেকে শুরু করে শারীরিক কসরত। অনেকে আবার ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটাচ্ছেন জিমে। তা-ও ওজন কমাতে পারছেন না।
অনেকেরই ধারণা যে, কম খেলে দ্রুত ওজন কমে। কিন্তু পুষ্টিবিদরা বলছেন, ওজন কমাতে খাবার খাওয়া বাদ দেওয়া নয়, বরং স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া উচিত। ওজন কমাতে গিয়ে শরীরে পর্যাপ্ত পুষ্টির অভাব ঘটলে হিতে বিপরীত হতে পারে। তাই ডায়েটে এমন কিছু খাবার অন্তর্ভুক্ত করুন, যেগুলো ওজনও নিয়ন্ত্রণে রাখবে আবার শরীরও সুস্থ থাকবে।
ওজন কমাতে খেতে পারেন ফল। অনেকেই ডায়েটের অজুহাতে ফল খান না। তবে মধুমাসে ফল খাওয়া থেকে তো দূরে থাকা যায় না। গ্রীষ্মকালীন ফল খেয়েও ওজন কমাতে পারবেন। চলুন জেনে নেওয়া যাক কোন ফলগুলো ওজন কমাতে সাহায্য করে-
তরমুজ দ্রুত ওজন কমাতে সাহায্য করে তরমুজ। এই গ্রীষ্মকালীন ফলে আছে ভিটামিন এ, সি, ফাইবার, ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট লাইকোপেন। এছাড়াও তরমুজে প্রায় ৯২ শতাংশই পানি। যা গরমে শরীর হাইড্রেট রাখতেও সহায়তা করে।
পানি শূন্যতা রোধে উত্তম ও সুস্বাদু ফল তরমুজ।
01/09/2022
দারুচিনির উপকারিতা ও খাওয়ার নিয়ম
পরিপাকতন্ত্রের অসুখ, দাঁত ও মাথাব্যথা, চর্মরোগ, মাসিকের সমস্যা দারুচিনি সেবনে সেরে যায়। এর সাথে ডায়রিয়া, যক্ষ্মা রোগেও এর ব্যবহার উপকারী। আপনি অবশ্যই জানেন যে দারুচিনি ব্যবহারের অনেক উপকারিতা রয়েছে, যাতে আপনি সময়মতো দারুচিনি ব্যবহার করার সুবিধা নিতে পারেন।
পিরিয়ডের ব্যথা কমানোর উপায়
এখানে দারুচিনির উপকারিতা, খাওয়ার নিয়ম এবং ব্যবহারের পরিমাণ:-
হেঁচকি সমস্যায় দারুচিনির উপকারিতাঃ হেঁচকি একটি খুব সাধারণ বিষয়, তবে এমন অনেক লোক আছেন যারা সবসময় হেঁচকির অভিযোগ করেন। এই ধরনের মানুষ দারুচিনি ব্যবহার করতে পারেন। 10-20 মিলি দারুচিনির ক্বাথ পান করুন। এটি স্বস্তি দেয়।
ক্ষুধা বাড়ানোর জন্য দারুচিনি খানঃ 500 মিলিগ্রাম শুঁথি পাউডার, 500 মিলিগ্রাম এলাচ এবং 500 মিলিগ্রাম দারুচিনি পিষে নিন। সকাল-সন্ধ্যা খাবার আগে খেলে ক্ষুধা বাড়ে।
বমি বন্ধ করতে দারুচিনির ব্যবহারঃ বমি বন্ধ করতেও দারুচিনি ব্যবহার করা হয়। দারুচিনি এবং লবঙ্গের একটি ক্বাথ তৈরি করুন। 10-20 মিলি পরিমাণে খেলে বমি বন্ধ হয়।
চোখের রোগে দারুচিনির ব্যবহারঃ অনেকে অভিযোগ করেন যে তাদের চোখ টলতে থাকে। চোখের ওপরে (চোখের পাতায়) দারুচিনির তেল লাগান। এতে চোখের পলক পড়া বন্ধ হয় এবং দৃষ্টিশক্তিও বৃদ্ধি পায়।
দাঁতের ব্যথার জন্য দারুচিনির ব্যবহারঃ যাঁরা দাঁতের ব্যথায় ভুগছেন, তাঁরা দারুচিনি খেতে পারেন। তুলো দিয়ে দাঁতে দারুচিনির তেল মাখুন। এটি স্বস্তি দেবে। দারুচিনির ৫-৬টি পাতা পিষে পেস্ট তৈরি করুন। এতে দাঁত পরিষ্কার ও চকচকে হয়।
মাথাব্যথা উপশমে দারুচিনির উপকারিতাঃ মাথা ব্যাথা হলে দারুচিনি খান। 8-10টি দারুচিনি পাতা পিষে একটি পেস্ট তৈরি করুন। দারুচিনির পেস্ট মাথায় লাগালে ঠাণ্ডা বা গরমে মাথাব্যথা থেকে আরাম পাওয়া যায়। উপশম পাওয়ার পরে, পেস্টটি ধুয়ে ফেলুন।দারুচিনি তেল দিয়ে আপনার মাথার ত্বকে ম্যাসাজ করুন। এটি ঠান্ডাজনিত মাথাব্যথা থেকে মুক্তি দেয়। সমান পরিমাণে দারুচিনি, তেজপাতা এবং চিনি মিশিয়ে নিন। চাল ধোয়া পানির সাথে পিষে একটি সূক্ষ্ম গুঁড়ো তৈরি করুন। নাক দিয়ে নিন। এরপর গরুর ঘিও নাক দিয়ে নিন। এটি মাথা ব্যাথা সংক্রান্ত রোগে উপশম দেয়।
স্নায়ুতন্ত্র সম্পর্কিত সমস্যার জন্য আপনি আপনার মাথার ত্বকে দারুচিনি তেল লাগাতে পারেন। এতে উপকার হয়।
সর্দি কাশি কমানোর জন্য দারুচিনির ব্যবহার অন্যতম
31/08/2022
বাঙ্গি বাঙ্গিতেও পানির পরিমাণ বেশি থাকে এবং এটি অত্যন্ত পুষ্টিকর ফল। গ্রীষ্মকালীন এই ফলটিতে ক্যালোরি কম এবং ফাইবার বেশি, ফলে ওজন কমাতে অত্যন্ত সহায়ক। ভিটামিন এ, বি, কে, সি, জিঙ্ক এবং কপার সমৃদ্ধ এই ফলটি দৃষ্টিশক্তি উন্নত করে এবং রক্তচাপ কমায়। এর পাশাপাশি দীর্ঘ সময় পর্যন্ত পেট ভরা রাখতেও সহায়তা করে।
মৌসুমি ফল হিসেবে বাঙ্গি অবশ্যই খাওয়া উচিত।
31/08/2022
সজিনা বা মরিঙ্গা 🌿
সজিনা গাছ খরা সহিষ্ণু ও গ্রীষ্মপ্রধান অঞ্চলের একটি উদ্ভিদ। ডাল ও বীজের মাধ্যমে বংশবিস্তার করলেও আমাদের দেশে সাধারণত ডালের মাধ্যমে বা অঙ্গজ জননের মাধ্যমে বংশবিস্তার করানো হয়। গ্রীষ্মকাল বিশেষত এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি থেকে শেষ পর্যন্ত ডাল রোপণের উপযুক্ত সময়।
সজিনা গাছের পাতাকে বলা হয় অলৌকিক পাতা। এটি পৃথিবীর সবচেয়ে পুষ্টিকর হার্ব। গবেষকরা সজিনা পাতাকে বলে থাকেন নিউট্রিশন্স সুপার ফুড এবং সজিনা গাছকে বলা হয় মিরাক্কেল ট্রি।
- লেবু থেকে সাত গুন বেশি ভিটামিন সি আছে সজিনা পাতায়।
- ডিম থেকে দুই গুন বেশি প্রোটিন।
- দুধের চেয়ে চার গুন বেশি ক্যালশিয়াম আছে এতে।
- অন্ধত্ব দূরীকরনে ব্যাপক কার্যকারী, কারন এতে আছে গাজর থেকেও চার গুন বেশি ভিটামিন ”এ”।
- সজিনা পাতা এনিমিয়াকেও ধ্বংশ করে কেননা শাকের তুলনায় পচিশ গুন বেশি আয়রন রয়েছে এতে।
- কলা থেকে তিন গুন বেশি পটাশিয়াম রয়েছে সজিনা পাতায়।
- এটা আমাদের শরীরে এন্টি এজিংক হিসেবে কাজ করে, হার্ট ভালো রাখে, উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রনে রাখে।
- যৌবন ধরে রাখতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে সজিনা পাতা।
- এটি রক্তে সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রনের মাধ্যমে ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রন করে।
- কোলেস্ট্রলের লেভেল কমায়, হজম শক্তি বৃদ্ধি করে ও কোষ্টকাঠিন্য দূর করে।
- এজমা রোগীদের জন্য এটা বিশেষ উপকারি, একটি গবেষনায় দেখা গিয়েছে তিন গ্রাম পাতা দুইবেলা করে তিন সপ্তাহ খেলে বিশেষ উপকার পাওয়া যায়।
এছাড়াও শত বছর ধরে প্রায় তিনশরও বেশি রোগের ঔষধ হিসেবে সজিনা পাতা ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
- সজিনার বিচির মধ্যে রয়েছে এন্টি ব্যাক্টেরিয়াল প্রপার্টিস।
- সজিনা ক্যান্সার কোষ বৃদ্ধি প্রতিরোধ করে।
- গর্ভধারণের পরবর্তীতে সব মায়েদের জন্য সজিনা পাতা খুবই উপকারী।
- সজিনা পাতায় আরো রয়েছে বিরানব্বই ধরনের পুষ্টি উপাদান, ছেচল্লিশ ধরনের এন্টি অক্সিডেন্ট, আঠারো ধরনের এমিনো এসিড ও আট ধরনের এসেনশিয়াল এমিনো এসিড। তাই সজিনা পাতাকে বলা হয় নিউট্রেশন্স সুপার ফুড, ন্যাচারাল মাল্টিভিটামিন এবং মিরাক্কেল ভেজিটেবল।
আফ্রিকায় যে সমস্ত শিশুরা ম্যালনিউট্রেশনে ভোগে তাদেরকে সজিনা পাতা শুকিয়ে গুড়া করে খাওয়ানো হয়।সজিনা পাতা বিভিন্ন ভাবে খাওয়া যেতে পারে, যেমন ভাজা,রান্না, বড়া,ভর্তা ও শুকিয়ে গুড়ো করে। পরিবেশ এর উপাদান সমূহ সঠিক নিয়মে ব্যবহার এর মাধ্যমে আমরা শারীরিক ভাবে উন্নতি লাভ করতে পারি।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Chittagong
4000
