CMC-Sapience
জুলাই বিপ্লবের সময়ে সৃষ্ট আন্দোলনের স্টেইক হোল্ডার চমেকের একমাত্র পেইজ।
Voice of CMC & Other medical colleges
23/08/2026
জন-গনের দ-ল:
23/08/2026
গণপতি চক্রবর্তী ছিলেন হিসাববিজ্ঞানের শিক্ষক। কিন্তু জাবেদা খাতায় শুধু ব্যবসার ডেবিট-ক্রেডিট শেখাতেন না। ছাত্রদের শেখাতেন, 'এই যে দুইটা সারি, এক সারিতে থাকে তোদের ভালো কাজ, আরেক সারিতে মন্দ কাজ। তোরাই হিসাব করিস, দুই সারির যোগ-বিয়োগে শেষে থাকল কী।'
গণপতি চক্রবর্তীকে স্ত্রী, কন্যা, পুত্রসহ মেরে ফেলা হয়েছে। বাসায় ঢুকে চারজনকে মেরে ফেলে চলে গেছে হত্যাকারী।
আগের দুটি বাক্যেই বিস্ময়-চিহ্ন লাগে। কিন্তু দিলাম না। কারণ আমি ও আমরা আসলে বিস্মিত নই।
এ নিয়ে কোনো উচ্চবাচ্য নেই সামাজিক মাধ্যমে। আমার বন্ধু তালিকায় একজনই শুধু লিখে যাচ্ছে--সুদীপ্ত।
কারও কোনো মাথা ব্যথা যে নেই, এতে কাউকে দোষারোপ করি না। আসলে ব্যথা আমাদের শরীরের সবখানে। মাথা ব্যথাকে পাত্তা দেওয়ার কিছু নেই।
হয়তো এমন হত্যাকাণ্ডের খবর এত ঘন ঘন প্রকাশিত হচ্ছে, এগুলো এখন আমাদের আর দৃষ্টি কাড়ে না।
গণপতি চক্রবর্তী আমার স্কুলের সাবেক শিক্ষক। সরাসরি আমার শিক্ষক ছিলেন না। কিন্তু অবশ্যই আমার শিক্ষক।
স্কুলে স্যারকে যারা পেয়েছে তাদের কাছে শুনেছি, স্যার নিয়মনীতির ব্যাপারে কড়া ছিলেন।
নিজের এক টুকরো জমিতে বাড়ি বানাবেন ঠিক করেছিলেন। গত দেড় বছর ধরে চাঁদার জন্য তার কাছে চাপ ছিল।
কিন্তু গণপতি চক্রবর্তী এই চাঁদাবাজদের হুমকির তোয়াক্কা করেননি। রাগী শিক্ষক, ছাত্রদের নীতির কথা শিখিয়ে নিজেই নতজানু হলে চলবে কী করে?
জানি না, চাঁদার মূল্য চারটি প্রাণ দিয়ে শোধ করতে হলো কি না।
বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বেশ ভালো সারকাজম করেন। অপেক্ষায় আছি একটা সারকাজম দিয়ে এই পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করতে। তিনি বলতেই পারেন, 'সামান্য কিছু চাঁদাই তো চেয়েছিল...হিসাববিজ্ঞানের শিক্ষক এত হিসাবী হলে চলবে কী করে?'
©
ম্যাচ শেষে তামিম ইকবাল বলেন, "ভাইয়া, এদের সবার বাড়ি গোপালগঞ্জ"।
©
ফাস্ট ফ্যাশন ও রেডিমেইড ক্লথিং নিয়ে ধ্রুব রাঠির ইউটিউব চ্যানেলের ভিডিওটা দেখলাম।
দেখে, লিটারেলি মাথা চক্কর দিলো।
ফ্যাশনের নামে কিভাবে আমরা পৃথিবী ধ্বংস করে ফেলছি তা আমরা বুঝতেও পারছি না!
একটা জিন্স প্যান্ট উৎপাদনে প্রায় ৭৫০০ লিটারের বেশি পানি খরচ হয়, যা একজন মানুষের ৫/৭ বছরের পানীয়।
সবাইকে ভিডিওটা দেখার অনুরোধ রইলো, বিশেষ করে মহিলাদের! যারা কক্সবাজারে ৩ দিনের ট্যুরে গেলেও ১০ সেট নতুন কাপড় কেনে।
আফারা, প্লিজ কাপড় ব্যবহারে মিতব্যয়ী হোন। এক ড্রেস ১০ বার পরলে সত্যিই মানসম্মান যায় না!
সবাই ন্যাংটা জন্মাইছি, হাশরের দিনেও কিন্তু সবাই ন্যাংটাই থাকবো!
কি লাভ এত ফ্যাশন ফুশান দিয়া??
ভিডিও লিংক কমেন্টে
@ Babu Mehedi
বিএনপির বিরুদ্ধে কিছু বইলেন না, আওয়ামী লীগ ফিরে আসবে, এই ন্যারেটিভ যে তৈরি করছে সে সবচেয়ে বড় মাদারবোর্ড।
যেটা বিএনপি সেটাই আওয়ামী লীগ, আর যেটা ছাত্রদল, সেটাই ছাত্রলীগ। End Of Debate.©
রাষ্ট্রীয় সকল গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে তারেক রহমান বিএনপির পদধারী নেতাদেরকে বসাইলেন৷ অর্থাৎ, হাসিনার সময়ে বাংলাদেশকে যেইভাবে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে দলীয়করণ করা হইছিলো, তারেক রহমান ঠিক এই কাজটাই করলেন। মাঝখান দিয়া ১৪০০ মানুষ মরলো ফাও৷
জসিম বিসিএসের প্রিলি, রিটেন টিকে ভাইভা পর্যন্ত গেছিলো। ভাবছিলো দলীয়করণ থেকে দেশের প্রতিষ্ঠানকে মুক্ত না করতে পারলে কোটি তরুণকে বেকারই থেকে যেতে হবে৷ পরেরবারও বিসিএস প্রিলি টিকলো। তারপর এলো জুলাই৷ চোখ হারাইলো। রিটেন, ভাইভা আর দেওয়া হইলো না জসিমের৷
এখন বিএনপির চোখ দিয়া-ই তারেক রহমানের বাংলাদেশকে দেখে "কানা জসিম।" কারণ জসিমদের নিজের চোখ তো জুলাই নিয়ে গেছে৷ আর দিয়ে গেছে বিলেত ফেরত তারেক রহমানকে৷ সে এখন হাসিনার মতোই রাষ্ট্রীয় সকল গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে বিএনপির পোস্টেড নেতাদেরকে বসায়৷ আর ছাত্রদলের নেতারা ফেসবুকে গর্ব ভরে পোস্ট দিয়ে বলে, ঠিকই আছে৷ সতেরো বছর হাসিনা খাইছে, এখন আমরা দেশটারে লুইটাপুইটা খাবো। আর তোরা জনগণ হবি কানা জসিম। বছরে একবার জুলাই আইলে তোরা কানতেও পারবি না৷ কারণ কান্দনের লাইগা চোখ পাইবি কই?
জুলাইয়ে চোখ হারাইয়া তোরা হইছোস কানা জসিম, আর আমরা পাইছি দেশ লুইটাপুইটা খাওয়ার লাইসেন্স৷ আপাতত তারেক রহমানের কাছে জুলাই মানে এইটুকুই৷
©
দেশের মন্ত্রীদেরই যদি আমাদের ডাক্তারদের যোগ্যতা, দক্ষতা এবং দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা সম্পর্কে সঠিক ধারণা না থাকে, তাহলে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে আর কী ই বা আশা করা যায়?
যাদের নীতিনির্ধারণের দায়িত্ব, তাদের এমন ধারণার ফলেই হয়তো সামান্য স্বাস্থ্য পরীক্ষা বা চোখ দেখানোর জন্যও বিদেশ ,সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়াসহ নানা দেশে ছুটে যাওয়াকে স্বাভাবিক মনে করা হয়। অথচ সেই দেশের হাসপাতালগুলোতেও আমাদের দেশের অনেক দক্ষ চিকিৎসকই নিষ্ঠার সঙ্গে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন।
09/07/2026
চট্টগ্রামের মানুষের কইলজা বড়।
তারা যে কারো বিপদে ঝাপাইয়া পড়ে।
আজ দক্ষিণ চট্টগ্রামের লোহাগাড়া, সাতকানিয়া, বাঁশখালি, পেকুয়াসহ বিভিন্ন অঞ্চল কার্যত ডোবা।
হাজার হাজার ঘর-বাড়ি তলিয়ে যাচ্ছে।পানির নিচে আছে লাখ লাখ মানুষ। কারো কোনো খবর জানা যাচ্ছে না।
কিন্তু চট্টগ্রামের দুঃখের দিনে কেউ পাশে নাই।
মিডিয়াই কোনো নিউজ নাই।
ব্লগার ইনফ্লুয়েন্সারদের কোনো পোস্ট নাই।
রাজনীতিবীদদের কোনো মাথা ব্যাথা নাই।
যেন চট্টগ্রাম বলে বাংলাদেশে কোনো অঞ্চলই নাই।
মনে রেখো চট্টগ্রাম, এই দিন ফুরিয়ে যাবে।©
25/06/2026
এইটারে প্রতিহিংসা হিসেবে ধরলাম... এগুলো কাম্য নয়। অন্যায় করলে শাস্তি পাক কিন্তু প্রতিহিংসার বলি না হোক
Click here to claim your Sponsored Listing.
