Natural Food
এটা সম্পূর্ণ ভেষজ গুণ সম্পন্ন। কোন রকম সাইড ইফেক্ট নেই।
13/07/2023
03/12/2022
আলকুশি গাছের উপকারিতাঃ
১) কোন পোকামাকড়ের কামড়ে বা বিছের দংশনে আলকুশীর বীজের গুড়া লাগালে অনেকাংশ যন্ত্রণা কমে যায়।
২) এর শিকড়ের রস এক চামচ করে একমাস খেলে আমাশয় রোগ সারে।
৩) আলকুশীর পাতার রস ফোঁড়ায় দিলে অচিরেই সেটি ফেটে যায়।
৪) এর বীজ চিনি ও দুধসহ সেদ্ধ করে খেলে বাত রোগের উপশম হয়, শারীরিক দুর্বলতা দূর হয়, শুক্র বৃদ্ধি গাঢ় হয় এবং স্নায়বিক দুর্বলতা দূর করে।
৫) এর শিকড়ের রসে জ্বর, সর্দি-কাশি ভালো করে।
৬) আলকুশীর শিকড়ের মণ্ডু মূত্রবর্ধক ও মূত্রযন্ত্রের রোগ নিরাময়ে বেশ উপকার।
৭) এর কাণ্ডের রস চোখের রোগের ক্ষেত্রেও ফলপ্রসূ।
৮) শিকড়ের রস জীবজন্তুর গায়ের ঘায়ে লাগালে ক্ষত দ্রুত সরে যায়।
02/12/2022
আপাং গাছের ২৮ উপকারিতা ও ভেষজ গুণাবলী
আপাং একটি একবর্ষজীবী উদ্ভিদ। আপাং, চিরচিরে,সিসা গন্ধ, রক্ত আপাং, উপুতলেংগাসহ এটি বেশ কয়েকটি নামে পরিচিত।এটি সাধারণত ২ রঙের হয়ে থাকে সাদা ও লাল।
আপাং উদ্ভিদটি সারাদেশেই জন্মে।হার্ব জাতীয় উদ্ভিদ।এ উদ্ভিদটি ১ মিটারের মতো উঁচু হয়।শাখা প্রশাখা চারদিকে ছড়ানো থাকে।মূলে ভেষজ গুন বিদ্যমান।কান্ডের অগ্রভাগে বড় বাঁকানো কাটাময় ফুল ফোটে। পাতা,বীজ ও কান্ডে ভেষজ গুন রয়েছে।
“আপাং” এর বৈশিষ্ট্য:
১। শাখা প্রশাখা চারদিকে ছড়ানো থাকে।
২।মূলে ভেষজ গুন বিদ্যমান।
৩।কান্ডের অগ্রভাগে বড় বাঁকানো কাটাময় ফুল ফোটে।
৪।ফুলগুলি ক্ষুদ্র হয়ে থাকে।
৫। আপাং ছোট বিরুত জাতীয় উদ্ভিদ।
“আপাং” যে যে চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়ঃ
১। অর্শ রোগঃ
আপাং-এর বীজ ৩ গ্রাম নিয়ে তা আতপ চাল ধোয়া পানি দিয়ে ভালভাবে বেটে সকালে একবার করে নিয়মিত ৩-৪ দিন খেলে অর্শের যন্ত্রণা এবং রক্তপড়া বন্ধ হয়।
২। অকাল প্রসবেঃ
অকালপ্রসবের সম্ভাবনা দেখা দিলে আপাং গাছের ফুল অর্থাৎ মঞ্জরী হয়নি এমন চারাগাছ গোড়া থেকে মুলসহ তুলে গর্ভবতীর কটিদেশে বেঁধে দিলে আল্লাহর রহমতে অকালপ্রসবের ভয় থাকেনা।
৩। ফোঁড়ার পূঁজ বের করতেঃ
আপাং গাছের টাটকা পাতার রস ৮ঁ-১০ টি এবং আতপ চাল ৪ গ্রাম নিয়ে উভয়কে ঠান্ডা পানি দিয়ে বেটে ফোঁড়ার চারপাশে প্রলেপ দিলে ভেতর থেকে পূঁজ ও দূষিত রক্ত বের হয়ে আসে।তবে দিনে ২-৩বার প্রলেপ দেয়া দরকার।
৪। দাদ রোগেঃ
আপাং গাছের শুকনা ডাঁটা আগুনে পুড়িয়ে ক্ষার তৈ্রী করে নিতে হবে।৮ গ্রাম সেই ক্ষার এবং জলপাই তিল তেল দিয়ে মেখে দাদের উপর ঘষে ঘষে লাগাতে হবে।ইনশা আল্লাহ ৪-৫ দিনের মধ্যে উপকার পাবেন।
৫। কাটা ও রক্তপাতেঃ
আঘাত লেগে কেটে গেলে অথবা ধারালো অস্ত্রের আঘাতে কাটলেে এবং রক্ত বের হলে আপাং এর টাটকা রস কাটা স্থানে দিলে সাথে সাথে রক্ত পড়া বন্ধ হবে।তবে রসটা পরিমানে একটু বেশী হতে হবে।
৬। চুল পাকা রোধেঃ
আপাং এর টাটকা শিকড় পরিমান মত নিয়ে বেটে তা দুপুরে গোসল করতে যাওয়ার ২-৩ ঘন্টা আগে সারা মাথায় ব্যবহার করতে হবে।কিছুদিন নিয়মিত ব্যবহার করলে একদিকে চুলের রঙ যেমন কালো হবে,তেমনি নতুন চুল ও গজাবে। এসব ছাড়াও আপাং গ্রহনী রোগে,কলেরা রোগে,বিষাক্ত ক্ষতে,বাগী রোগে কাজ করে
৭। প্রসাবের সমস্যায়
আপাং এর ক্বাথ (decoction) ৩০ থেকে ৫৮ গ্রাম মাত্রায় দিনে তিনবার সেবন করলে মূত্রকষ্ট দূর হয় এবং প্রচুর পরিমাণে প্রসাব হয়। মূত্রবৃদ্ধি করে বলে শোথ রোগে এর বহুল ব্যবহার আছে। ৫৮ গ্রাম আপাং চূর্ণ ১১৬ গ্রাম পানিতে ১৫ মিনিট সিদ্ধ করলে যে ক্বাথ পাওয়া যায় তা থেকে ৩০ গ্রাম হতে ৫৮ গ্রাম মাত্রায় দিনে তিনবার সেবন করলে প্রচুর প্রস্রাব হয় এবং শোথ রোগ কমে যায়।
৮। প্রসব সমস্যায়
এটা মৃদু জোলাপের কাজ করে। বৃহৎ মাত্রায় সেবন করলে প্রসব বেদনা ত্বরান্বিত হয় তাই গর্ভপাত ঘটানোর জন্য অনেক সময় এর ব্যবহার করা হয়ে থাকে। আপাং এর ছাই এ প্রচুর পরিমাণ পটাশ আছে তাই এর ছাই অ্যান্টাসিড হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৯। বক্ষব্যধিতে আপাং
সামান্য কারণেই যাদের বুক ধড়ফড়ানি শুরু হয় তাঁরা যেন প্রত্যহ সকালে ঠাণ্ডা পানি সহ এক চা-চামচ আপাং এর তাজা রস কিছুদিন নিয়মিত খান। তা হলে হৃদযন্ত্র সবল হবে।
১০। ক্ষুদা সমস্যায় আপাং
যাদের ক্ষিদে হয় না জোর করে খেলে হজম হয় না তাঁরা ৮ ভাগ আপাং-এর শিকড় এবং ১ ভাগ গোলমরিচ বেঁটে ছোট ছোট বড়ি তৈরি করবেন এবং বড়িগুলি ছায়াতে শুকিয়ে প্রত্যহ সকাল-বিকাল খাবারের পর পানিসহ একটি করে বড়ি খাবেন। এতে করে স্বাভাবিক ক্ষুধা তৈরি হবে।
১১। বিষ নষ্ট ও পাগল চিকিৎসায় আপাং
আপাং-এর ক্বাথ সেবন করলে নিদ্রাহীনতা দূর হয়। আপাং এর মূল ২৩ গ্রাম এবং শ্বেত বেড়েলার মূলের ছাল ৮২ গ্রাম একত্রে চূর্ণ বা মণ্ড করতে হবে। এর সাথে দেড় লিটার পানি ও আড়াই পোয়া গরুর দুধ মিশিয়ে জ্বাল দিয়ে ৫৮ গ্রাম ক্বাথ প্রস্তুত করতে হবে। এই ক্বাথ প্রত্যহ সকালে উন্মাদ রোগীকে সেবন করতে দিলে উন্মাদ রোগ ভাল হয়। আপাং এর তাজা পাতা পিষ্ট করে বিষাক্ত কীট-পতঙ্গের দংশিত স্থানে লেপন করলে বিষ নষ্ট হয়ে যায়। আপাং-এর পুস্প চূর্ণ অল্প চিনির সাথে খেলে পাগলা কুকুরের বিষ নষ্ট হয়।
১২। বিভিন্ন রোগে আপাং
চোখের সমস্যায়- চোখের মণির অস্বচ্ছতা ও চোখ প্রদাহে মূলের মণ্ড ব্যবহৃত হয়।
রক্ত বন্ধ করতে- আপাং এর শিকড়ের নির্যাস রক্তপাত বন্ধ করে। কাটাস্থানে আপাং পাতাঁর রস দিলে সাথে সাথে রক্ত পড়া বন্ধ হয়।
১৩। ফোঁড়ার জন্য- আপাং
পাতা আতপ চালের সাথে বেঁটে ফোঁড়ার মুখ ছাড়া চারদিকে ঘিরিয়া প্রলেপ দিলে ফোঁড়া সহজে ফাটে।
১৪। শূল বেদনায়- শূল বেদনায় আপাং-
এর ছাই মধুর সাথে মিশিয়ে সেবন করা হয়। কাশি এবং হাঁপানিতে- কাশি এবং হাঁপানিতেও এটা ভাল কাজ করে থাকে।
১৫। জ্বর উঠলে আপাং
একদিন পর পর জ্বর উঠলে আপাং গাছের মূল ছেঁচে রস করে দিনে দু’ বার খেলে জ্বর ভাল হয়।
১৬। হাত,পা কেটে গেলে কচি পাতার রস দিলে রক্ত পড়া বন্ধ হয়ে যায়।
১৭। রক্তক্ষরণ
বাহ্যিক রক্তক্ষরণে আক্রান্ত স্থানে আপাং পাতা পরিষ্কার করে ধুয়ে রস করে লাগালে রক্তক্ষরণ বন্ধ হয়।
১৮। শোথ
পাঁচ থেকে সাত গ্রাম আপাংগাছের সঙ্গে সমপরিমাণ কালোমেঘ মিশিয়ে দুই কাপ পানিতে জ্বাল করে এক কাপ হলে ছেঁকে নির্যাসটুকু নিন। এটা দিনে দুই থেকে তিনবার সেবন করলে উপকার পাওয়া যায়।
১৯। দ্রুত বীর্যপাত সমস্যার সমাধান।
শিঘ্র পতন, দ্রুত বীর্যপাত, দ্রুত বীর্য পাত না হওয়ার উপায়, বীর্য পাতলা, বীর্য তরল, বীর্য গাঢ় করার উপায়, বীর্য ধরে রাখার উপায় সহজে বীর্য পাত না হওয়ার উপায়, বীর্য স্তম্ভন, শুক্র স্তম্ভন, বীর্য স্তম্ভন করার উপায়, শুক্র স্তম্ভন করার উপায়।
আপাং সধারনত ২ রংয়ের সাদা ও লাল বা রক্ত আপাং বলে। রক্ত আপাং, এর শিকড় সমবার দিন তুলে সংগ্রহ করতে হবে এবং পরের দিন মঙ্গল বারে কোমরে ধারন করবেন। যে কোন সুত বা যেকোন কিছু দিয়ে ধারন করতে পারবেন। তারপর আস্তে আস্তে দ্রুত বীর্য পাত বন্ধ হয়ে উপকার পেতে শুরু করবেন।
২০। খোসপাঁচড়া ও চুলকানি
পাঁচ গ্রাম আপাংগাছ দুই কাপ পানিতে জ্বাল দিয়ে এক কাপ করে ছেঁকে পানিটুকুু দিনে দুই থেকে তিনবার পান করতে হবে। ১০ থেকে ১৫ দিন নিয়মিত পান করলে উপকার পাওয়া যাবে।
02/12/2022
জিনসেং কোরিয়াতে এবং দেশের বাইরে জনপ্রিয় হলেও এর চাষাবাদ কিন্তু বেশ কঠিন। বর্হিবিশ্বে জিনসেং-এর প্রচুর চাহিদা মেটানোর জন্য কোরিয়ার Gyeong sangbuk-do প্রদেশের পুঞ্জী এলাকায় বাণিজ্যিকভাবে জিনসেং-এর সফল চাষাবাদ চলছে সেই ১১২২ খ্রিস্টাব্দ থেকে। এই পুঞ্জী এলাকা জিনসেং দেশ হিসাবে ঐতিহাসিকভাবে পরিচিত। ষোলশো শতাব্দী থেকেই এই এলাকায় জিনসেং খামার গড়ে উঠেছে। বর্তমানে এটি কোরিয়ার সবচেয়ে বিখ্যাত জিনসেং উৎপাদনকারী এলাকা। পুঞ্জীতে Sobeaksan পাহাড়ে ৪০০-৫০০ মিটার উচ্চতায় জিনসেং-এর চাষ করা হয়। পাহাড়ের শীতল আবহাওয়া এবং উর্বর মাটি পুঞ্জী এলাকার জিনসেং-কে বলশালী করে তোলে। প্রতিবছর অক্টোবরের প্রথমদিকে পুঞ্জীতে জিনসেং উৎসব হয়ে থাকে। এই উৎসবে খেত থেকে সদ্য তোলা জিনসেং-এর স্বাদ গ্রহণ করা যায়। পরিভ্রমণকারীরা জিনসেং তুলবার অভিজ্ঞতাও নিতে পারে এই উৎসবে। জিনসেং উৎসবে আয়োজন করা হয় নানা রকম প্রতিযোগিতার। এর একটি হলো দি বেস্ট জিনসেং। অর্থাৎ কোন জিনসেং মূলটি দেখতে সবচেয়ে আকর্ষণীয়।
এর জন্য ৪টি শর্ত হলো:
(১) মূলের পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা এবং একই সাথে মূলটি দেখতে একজন মানুষের আকৃতির কতটা কাছাকাছি হয়েছে।
(২) মূলের বাইরের স্তরের পুরুত্ব এবং মূলের ওজন।
(৩) মূলের দৈর্ঘ্য এবং
(৪) জিনসেং মূলটির বয়স ছয় বছর হতে হবে।
গাছের বয়স ছয় বছরের উপরে চলে গেলে মূল শক্ত হয়ে যায় এবং এর ওয়ুধি গুণাগুণ হ্রাস পায়। অবশ্য যে সব জিনসেং বন-বাদাড়ে প্রাকৃতিকভাব্ জন্মায় সেগুলোর মূলের গুণাগুণ ছয় বছরের পরও বিদ্যমান থাকে। আমেরিকা এবং ইউরোপে ফাংশনাল ফুড হিসেবে এটি বহুল প্রচলিত। এর বহুমুখী উপকারিতা, ঔষধি গুণের কথা বিবেচনা করে বিশ্বব্যাপী নতুন নতুন উৎপাদন পদ্ধতির উদ্ভাবন চলছে, যাতে করে এই মহামূল্যবান ঔষধিটি নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে পৃথিবীর যে কোনো স্থানে উৎপাদন করা যায়। এর চাষাবাদ বেশ কঠিন ও সময়সাপেক্ষ। মাঠপর্যায়ে মাটিতে চাষাবাদের জন্য সুনির্দিষ্ট নিম্ন তাপমাত্রার প্রয়োজন।
কোরিয়ান জিনসেং (Panax ginseng) Araliaceae পরিবারের Panax ধরনের মাংসল মূল বিশিষ্ট বহুবর্ষজীবী উদ্ভিদ প্রজাতি; যা পূর্ব এশিয়ায় বিশেষ করে চীন, কোরিয়া ও পূর্ব সাইবেরিয়ায় ঠান্ডা পরিবেশে জন্মে এবং এর মূলটিই মূলত ঔষধি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ‘প্যানাক্স’ শব্দটি এসেছে গ্রিক শব্দ panacea থেকে, যার অর্থ হলো All healer or cure all disease বা সর্বরোগের ওষুধ।”
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Address
Dhaka
1205
