Bonolota
Welcome to the wildness page. We are delivering pure and unadulterated natural food to you from the rural areas.
আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ। সবাই কেমন আছেন? খুব তাড়াতাড়ি আপনাদের মাঝে আবার ফিরে আসবো। নতুন আঙ্গিকে।।
ইনশা আল্লাহ্। সবাই ভালো থাকবেন। ❤️❤️❤️
11/08/2020
ভার্জিন বা এক্সট্রা ভার্জিন কোকোনাট অয়েল খুজছেন?? তাহলে জেনে রাখুন কোকোনাট অয়েলের ক্ষেত্রে ভার্জিন বা এক্সট্রা ভার্জিন শব্দ ব্যবহার করা হয় মার্কেটিং ভাষা হিসাবে। ভার্জিন এবং এক্সট্রা ভার্জিন আসলে অলিভ অয়েলের গ্রেড। কিন্তু জেনারেল মানুষ এই ভার্জিন এবং এক্সট্রা ভার্জিন শব্দ দেখলে ভাবে এইটাই ভাল। তাই মার্কেটিং ল্যাংগুয়েজ হিসাবে নারকেল তেলের লেবেলে এই শব্দ ২ টা ব্যবহার করা হয়।কোকোনাট অয়েল এর ভাল মন্দ ভার্জিন বা এক্সট্রা ভার্জিন দিয়ে বিচার হয় না। কোকোনাট অয়েল ভাল বা খারাপ বুঝাত রিফাইন্ড বা আনরিফাইন্ড( ভার্জিন বা এক্সট্রা ভার্জিন) দিয়ে। রিফাইন্ড নারকেল তেল সাধারণত ফুড গ্রেডে ব্যবহার হয়। তাই রিফাইন্ড তেল নিয়ে আলোচনা করবো না আজ। আজ বলি আনরিফাইন্ড অর্গানিক নারকেল তেল নিয়ে। ভাল মানের নারকেল তেল কিন্তু চুলায় জ্বাল দিয়ে তৈরি করা যায় না। ভাল মানের নারকেল তেল হচ্ছে কোল্ডপ্রেস নারকেল তেল।কিন্তু এটা অনেক সময়সাপেক্ষ। আর একটা এক্সট্রা ভার্জিন কোকোনাট ওয়েল আছে যা ম্যাশিনে ভাংগিয়ে বানানো হয়। কমার্শিয়াল ভাবে যারা তেল বানায় রাদের ৯৯.৯৯% অর্গানিক বানায় না। তেল বানায় "copra" থেকে। copra বানানোর আলাদা কম্পানি আছে যারা শুধু এই জিনিসই বানায়।copra ও শুকনো নারকেলই।।কিন্তু ভাল খারাপ সব ধরনের নারকেল একসাথে কেটে শুকিয়ে( রোদে, বাস্প দিয়ে, মেশিনে হিট দিয়ে) দীর্ঘসময় ধরে বস্তাবন্দী করে রেখে এরপর ম্যাশিনে ভাংগায়। কিন্তু অর্গানিক ভাল মানের তেল তৈরিতে ব্যবহার হয় ফ্রেস ভাল পাকা নারকেল। সেটা টুকরা করে কেটে রোদে ৮/১০ দিন শুকিয়ে এরপর মেশিনে ভাংগিয়ে ফেলা হয়। শুকনা নারকেল বছরের পর বছর ফেলে রাখা হয় না বা নারকেল শুকাতে রোদ ছাড়া অন্য কিছু ব্যবহার করা হয় না।
আর আনরিফাইন্ড অর্গানিক কোল্ডপ্রেস নারকেল তেলই আসলে এক্সট্রা ভার্জিন নারকেল তেল, মানে বেস্ট কোয়ালিটি যা ফুড এবং কসমেটিকস ২ গ্রেডেরই বেস্ট তেল। এবং রোদে শুকিয়ে যে নারকেলটা মেশিনে ভাঙিয়ে বানানো হয় সেটাও এক্সট্রা ভার্জিন। এটা খাওয়া ও স্কিন এ দুইটা ব্যবহার করা যাবে। যদি কোন প্রিজারভেটিভ না থাকে।
আমি আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি হোমমেড এক্সট্রা ভার্জিন কোকোনাট ওয়েল।
01/08/2020
বনলতা র পক্ষ থেকে সকল ভাই বোনদের ইদুল আজহারের শুভেচ্ছা আর ঈদ মোবারক।
27/07/2020
☘️👉সন্মানিত ভোক্তাগণ আমরা পণ্য এবং সেবার মাধ্যমে ঠাঁই নিতে চাই আপনাদের মাঝে।
🍀👉সকলের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে বলতে চাই
মোড়কের আদলে কিংবা বিশেষ ছাড় দিয়ে পসরা সাজিয়ে পকেট খালি করতে আসি নাই।
আমাদের কাছে পণ্যের গুণগত মান একটি বড় বিষয়!
#একটু__ভেবে_দেখুন
🍀পণ্যের মান
☘️জীবনের সাথে পণ্যের প্রাসঙ্গিকতা
🌹নিরাপদ খাদ্য,সুস্থ প্রজন্ম আমাদের অঙ্গীকার
🌹সাথে আছে
বর্তমানে ভেজাল পণ্যের মধ্যে আসল পণ্য খুঁজে পাওয়াটা খুবই কঠিন।
🌹বনলতা🌹 দিচ্ছে ১০০% অরগানিক পন্যের নিশ্চয়তা
🌹তাই দেরি না করে এক্ষুনি অর্ডার করুন
🌹 ঢাকা সিটির মধ্যে পাচ্ছেন হোম ডেলিভারি
🌹 ঢাকা সিটির মধ্যে ডেলিভারি চার্জ ১০০ টাকা
🌹 ঢাকার বাইরে ৫ কেজি পর্যন্ত ১৫০ টাকা
🌹 ঢাকার বাইরে ১০ কেজি ২৫০ টাকা
🌹 ঢাকার বাইরে পণ্যের সম্পূর্ণ দাম অ্যাডভান্স পরিশোধ করতে হবে
🌹 পণ্যের বিবরণ হল:
🍀 হলুদ গুঁড়া ৪০০ টাকা কেজি
🍀 মরিচগুঁড়া ৪৫০ টাকা কেজি
🍀 লাল চাল ৫৫ টাকা কেজি
☘️ জিরার গুড়া ৮০০ টাকা কেজি
🍀 ধনিয়া গুড়া ৩৪০ টাকা কেজি
☘️ দেশি লাল গম ৫০ টাকা কেজি
🍀 দেশি লাল গমের আটা ৬৫ টাকা কেজি
☘️ খাঁটি সরিষার তেল ৩০০ টাকা কেজি
☘️ খাঁটি কালোজিরা তেল ২০০০ টাকা কেজি
🍀 গাছ পাকা তেতুল ৩০০ টাকা কেজি
☘️ হোমমেড খাঁটি ঘি ১২৫০ টাকা কেজি
🍀 কুমড়া বড়ি ৬০০ টাকা কেজি
☘️ সরিষা ফুলের মধু ৬৫০ টাকা কেজি
🍀 ভেজাল মুক্ত গরম মশল্লা ২৫০০ টাকা কেজি
☘️ নাটোরের কাঁচাগোল্লা ৬০০ টাকা কেজি
☘️ প্রাকৃতিক মধু ১৫০০ টাকা কেজি
👉 অর্ডার এর জন্য কল করুন 01643982820
21/07/2020
🍀☘️দেরি না করে এক্ষুনি অর্ডার করুন বনলতার অরগানিক পণ্য।
আমাদের যে কোন পণ্যের জন্য সরাসরি ইনবক্স করুন অথবা কল করুন।
🌹নাটোরের ঐহাসিক কাঁচগোল্লার ইতিহাস🌹
নাটোরের কাঁচাগোল্লা শুধু একটি মিষ্টির নাম নয়, ইতিহাসের অংশ। আনুমানিক আড়াইশ’ বছর আগে নাটোরের কাঁচাগোল্লার কথা ইতিহাসে পাওয়া যায়। সুপ্রাচীনকাল থেকে মিষ্টি ভোজিদের রসনাতৃপ্ত করে আসছে এই কাঁচাগোল্লা । ১৭৫৭ সাল থেকে এই মিষ্টি ব্যাপক পরিচিতি লাভ করে। চিনির রসে ডোবানোর আগে ছানাকে কিছুই করতে হয়নি অর্থাৎ কাঁচা ছানাই চিনির রসে ঢালা হয়েছে, কিন্তু রসগোল্লার ছানাকে তেলে ভেজে চিনির রসে ডোবানো হয়। তাই তার নামকরণ হয়েছে রসগোল্লা। এটা কাঁচা ছানার রসে ডোবানো হয়েছে বলেই এর নাম হলো কাঁচাগোল্লা। কাঁচাগোল্লার স্বাদ রসগোল্লা, পানিতোয়া, এমনকি অবাক সন্দেশকেও হার মানায়। এর রয়েছে একটি মিষ্টি কাঁচা ছানার গন্ধÑ যা অন্য কোনো মিষ্টিতে পাওয়া যায় না। ‘নাটোরের কাঁচাগোল্লা’ নাটোরের বনলতা সেনের মতোই আলোচিত। বাঙালি ভোজনপ্রিয়, জাতি। আর সে কারণে অতিথি আপ্যায়নেও এর জুড়ি নেই। খাবারের পরে মিষ্টিতো থাকা চাই-ই। যে কোনো অনুষ্ঠানে অথবা শুভ সংবাদে মিষ্টিমুখ করানোর প্রচলন বাঙালি সমাজে চলে আসছে সুদীর্ঘকাল থেকে। চলছে এখনও। আর সেই মিষ্টি যদি হয় নাটোরের কাঁচাগোল্লা তবে তো সোনায়-সোহাগা। যারা কোনদিন নাটোরের কাঁচাগোল্লার স্বাদ নেননি, তাদের জিভ সব সময় টসটস করে এই অমৃত স্বাদের বিখ্যাত মিষ্টির জন্য। বনলতা সেনের চেয়েও বেশি রয়েছে নাটোরের কাঁচাগোল্লার আন্তর্জাতিক পরিচিতি। কাঁচাগোল্লা গোল নয়, লম্বা নয়, আবার কাঁচাও নয়। তবুও নাম তার কাঁচাগোল্লা! এই নামেই এর পরিচিতি রয়েছে দেশ-বিদেশে। কাঁচাগোল্লা সৃষ্টির রয়েছে চমৎকার কাহিনী। জনশ্রুতি আছে, নিতান্ত দায়ে পড়েই নাকি তৈরি করা হয়েছিল এই মিষ্টি। শহরের লালবাজারের মধুসূদন পালের দোকান ছিল নাটোরের প্রসিদ্ধ মিষ্টির দোকান। দোকানে বেশ কয়েকটি বড় বড় চুলা ছিল। মধুসূদন এসব চুলায় দেড় থেকে দু’মণ ছানা দিয়ে রসগোল্লা, পানিতোয়া, চমচম, কালোজাম প্রভৃতি মিষ্টি তৈরি করতেন। দোকানে কাজ করতেন দশ পনেরজন কর্মচারী। হঠাৎ একদিন কারিগর আসেনি। মধুসূদনের তো মাথায় হাত! কে বানাবে মিষ্টি? এত ছানা দিয়ে এখন কী হবে? চিন্তায় তিনি অস্থির। নষ্টের হাত থেকে রক্ষা পেতে ছানাতে তিনি চিনির রস ঢেলে জ্বাল দিয়ে নামিয়ে রাখতে বলেন। এরপর মুখে দিয়ে দেখা যায় ওই চিনিমেশানো ছানার দারুণ স্বাদ হয়েছে। নতুন মিষ্টির নাম কী রাখা হবে এ নিয়ে শুরু হয় চিন্তা ভাবনা। ধীরে ধীরে মিষ্টি রসিকরা এই মিষ্টির প্রতি আকৃষ্ট হতে থাকেন। তখন থেকে মধুসূদন নিয়মিত এই মিষ্টি বানাতে শুরু করেন। কাঁচাগোল্লার সুখ্যাতি চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে। চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় মুধুসূদন পালের দোকানে প্রতিদিন তিন থেকে সাড়ে তিন মণ ছানার কাঁচাগোল্লা তৈরি হতে লাগল। সে সময় ঢোল বাজিয়ে জানানো হতো কাঁচাগোল্লার কথা।
🌹দেশ-বিদেশে কাঁচাগোল্লা 🌹
১৭৬০ সালে অর্ধবঙ্গেশ্বরী বাংলার দানশীলা শাসনকর্তা রানী ভবানীর রাজত্বকালে কাঁচাগোল্লার সুখ্যাতি দেশ-বিদেশে ছড়াতে থাকে। সে সময় নাটোরে মিষ্টির দোকান ছিল খুবই কম। এসব দোকানে বিখ্যাত কাঁচাগোল্লা ছাড়াও অবাক সন্দেশ, রাঘবশাহী, চমচম, রাজভোগ, রসমালাই, পানিতোয়া, প্রভৃতি মিষ্টি ছিল।তবে এর মধ্যে সবার শীর্ষে উঠে আসে কাঁচাগোল্লা। ফলে সে সময় জমিদারদের মিষ্টিমুখ করতে ব্যবহৃত হতো এই বিখ্যাত কাঁচাগোল্লা। এমনকি বিলেতের রাজ পরিবারে পর্যন্ত এই কাঁচাগোল্লা যেত। ভারতবর্ষের সর্বত্র তো যেতই। রাজশাহী গেজেট পত্রিকাতেও কাঁচাগোল্লার সুখ্যাতির কথা বলা হয়েছে। কোলকাতার বিভিন্ন পত্র-পত্রিকাতে সেই সময় কাঁচাগোল্লার সুখ্যাতি নিয়ে লেখালেখি হয়েছে। এভাবেই কাঁচাগোল্লা পায় আন্তর্জাতিকতা।
গ্রাম বাংলার ছোট ছোট ঐতিহ্যময় বিশুদ্ধ খাবার গুলো আপনাদের মাঝে পৌঁছে দেবার অঙ্গীকার নিয়ে বনলতা আপনাদের পাশে।
18/07/2020
অসধারণ দুই টি তেল। কালোজিরা ও তিসি তেল এর গুণাগুণ অনেক। কালোজিরা মহা ওষধ আপনারা সবাই জানেন। তিসি তেল ব্যাবহার করলে চুলপড়া বন্ধ করে। চুলের যেকোনো সমস্যা সমাধান হয়।
☘️অর্গানিক ও ফর্মালিন মুক্ত পণ্য পেতে আমাদের সাথেই থাকুন🍀
Click here to claim your Sponsored Listing.
