Health BD
আমাদের পণ্য খুব জনপ্রিয় এবং খুব কার্যকর. আমাদের পণ্য সব থেকে নির্ভরযোগ্য পণ্য
11/07/2023
১। পুষ্টির অভাব পূরণে:
পুষ্টিগুণে ভরপুর ফলের নাম আনারস। এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ এবং সি, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম ও ফসফরাস রয়েছে। এসব অপরিহার্য উপাদান আমাদের দেহের পুষ্টির অভাব পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
২। হজমশক্তিকে উন্নত করতে:
আমাদের হজমশক্তি বৃদ্ধি করতেও আনারসের জুড়ি নেই। আনারসে ব্রোমেলিন নামক এনজাইম থাকে যা হজমশক্তিকে উন্নত করতে সাহায্য করে। তাই বদহজম বা হজমজনিত যে কোনো সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে আনারস খাওয়া যেতে পারে।
৩। ভাইরাসজনিত ঠাণ্ডা ও কাশি প্রতিরোধে:
আনারসে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকায় তা ভাইরাসজনিত ঠাণ্ডা ও কাশি প্রতিরোধে ভুমিকা রাখে। তাছাড়া জ্বর ও জন্ডিস প্রতিরোধে আনারস বেশ উপকারী। এছাড়া নাক দিয়ে পানি পড়া, গলাব্যথা এবং ব্রংকাইটিসের বিকল্প ওষুধ হিসাবে আনারসের রস খেতে পারেন।
৪। শরীরের ওজন কমাতে সহায়তা:
আনারসে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার বা আঁশ থাকে। এছাড়া এতে কোন ফ্যাট না থাকায় পরিমিত পরিমানে আনারস খেলে বা আনারসের জুস পান করলে তা শরীরের ওজন কমাতে সহায়ক হতে পারে। আনারস তাই আপনার ওজন নিয়ন্ত্রণের পথ্য হতে পারে। দেহে রক্ত জমাট বাঁধতে বাধা দেয় এই ফল। ফলে শিরা-ধমনির মধ্য দিয়ে সারা শরীরে সঠিকভাবে রক্ত প্রবাহিত হতে পারে।
৫। দাঁত ও মাড়ি সুরক্ষায়:
আনারসে ক্যালসিয়াম থাকায় তা দাঁতের সুরক্ষায় কাজ করে। নিয়মিত আনারস খেলে দাঁতে জীবাণুর সংক্রমণ কম হয় ফলে দাঁত ঠিক থাকে। এছাড়া মাড়ির যে কোনো সমস্যা সমাধান করতে আনারস বেশ কার্যকর ভূমিকা পালন করে।
৬। চোখের যত্নে আনারস:
আনারস চোখের রেটিনা নষ্ট হয়ে ধীরে ধীরে অন্ধ হয়ে যাওয়া রোগ “ম্যাক্যুলার ডিগ্রেডেশন”রোগটি হওয়া থেকে আমাদের রক্ষা করে। আনারসে রয়েছে বেটা ক্যারোটিন। প্রতিদিন আনারস খেলে এ রোগ হওয়ার সম্ভাবনা ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যায়। ফলে সুস্থ থাকে আমাদের চোখ।
৭। ত্বকের যত্নে আনারস:
আনারসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালরি থাকে যা আমাদের শক্তির যোগান দেয়। এতে থাকা প্রোটিন ত্বকের মৃত কোষ দূর করে, ত্বককে কুঁচকে যাওয়া থেকে বাঁচায়। এছাড়া দেহের তৈলাক্ত ত্বক, ব্রণসহ সব রূপলাবণ্যে আনারসের যথেষ্ট কদর রয়েছে।
৮। হাড়ের সমস্যাজনিত রোগ প্রতিরোধ:
আনারসে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম থাকে যা হাড়ের গঠনে বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এছাড়া এতে থাকা ম্যাঙ্গানিজ হাড়কে করে তোলে মজবুত। তাই খাবার তালিকায় পরিমিত পরিমাণ আনারস রাখলে হাড়ের সমস্যাজনিত যে কোনও রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব
11/07/2023
সবুজ আঙুরের উপকারিতা:-
সবুজ আঙুরে আছে প্রচুর পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট,প্রোটিন,ফাইবার,ভিটামিন সি এবং ভিটামিন কে।
১:ক্যান্সার প্রতিরোধ করে:-
আঙ্গুরে আছে ফেনোল নামে শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। ...
২:রক্তাপ্লতা দূর করে:-
যাদের রক্তাপ্লতার সমস্যা আছে তারা সবুজ আঙুর খেতে পারেন। ...
কালো আঙুরের উপকারিতা:-
21/06/2023
প্রত্যেক সার্কেলে এমন একজন থাকবেই!'🙂
20/06/2023
যে ৬ উপাদানের অভাবে মস্তিষ্ক ঠিকমতো কাজ করে না
দেহঘড়ি পরিচালিত হয় মস্তিষ্ক থেকে। এটিকে ‘কমান্ডিং সেন্টার’ বলা হয়ে থাকে। অনেক সময় মাথা কাজ করে না, অনেকটা হ্যাঙ হয়ে যায়।
মস্তিষ্কের সমস্যাগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে মস্তিস্কের অকার্যকারিতা। মূলত এটি কোনো মেডিকেল কন্ডিশন না হলেও এর ফলে স্মৃতিশক্তি হারানো, কোনো কিছুতে পরিপূর্ণভাবে মনোনিবেশে অক্ষমতা, স্বাধীন চিন্তা করতে অসুবিধা, সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগা, দোদুল্যমান ও বিভ্রান্তিতে পড়াসহ বিক্ষিপ্ত ও বিকৃত চিন্তাভাবনার সমস্যাগুলো হতে পারে।
সাধারণত এ সমস্যাগুলো হয়ে থাকে ভিটামিন, খনিজ এবং অন্যান্য পুষ্টির ঘাটতিজনিত কারণে। ছয়টি উপাদান এই সমস্যা থেকে আপনার মস্তিষ্ককো পরিত্রাণ দিতে কার্যকর। এমনটিই প্রমাণ মিলছে গনবেষণায়।
১. ভিটামিন ডি
বিটামিন ডি এমন একটি পুষ্টি যা আমাদের ইমিউন সিস্টেমে কাজ করার পাশাপাশি মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের উন্নতিসহ আরও অনেক কিছুর জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। গবেষণায় দেখা গেছে যে, ভিটামিন ডি মানসিক স্বাস্থ্যর উন্নতি করতে সহায়তা করে। আর এ কারণে মস্তিস্কের অকার্যকারিতা দূর করতেও সহায়তা করে।
২. ওমেগা-৩
ওমেগা-৩ হচ্ছে একটি উপকারী ফ্যাটি অ্যাসিড। গবেষণায় দেখা গেছে ওমেগা-৩ আমাদের মস্তিস্কের জন্য উপকারী হিসেবে কাজ করে এবং মস্তিস্কের অসাড়তা দূর করতে বিশেষ করে, মনোযোগ ও স্মৃতিশক্তির সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে।
৩. ম্যাগনেশিয়াম
শরীরের বিভিন্ন ফাংশনের জন্য একটি অপরিহার্য খনিজ হচ্ছে ম্যাগনেশিয়াম। এটি এনজাইমেটিক রিঅ্যাকশন, এনার্জি প্রোডাকশন, নার্ভ ফাংশন এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করে। গবেষণায় দেখা গেছে, ম্যাগনেশিয়াম ব্রেইন ফগের উপসর্গ দূর করে উদ্বেগ এবং বিষন্নতার লক্ষণের চিকিৎসায় সাহায্য করতে পারে।
৪. ভিটামিন সি
আমাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার পাশাপাশি মস্তিস্কের স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য ভিটামিন সি অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আর এটি ব্রেইন ফগের উপসর্গ দূর করতেও সহায়তা করে। ১৩৯ জন যুবক নিয়ে করা একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে, ভিটামিন সি এর উচ্চ মাত্রা মেজাজকে ভালো রাখতে, বিষণ্নতা দূর করতে এবং বিভ্রান্তির হার কমাতে সহায়তা করে।
৫. ভিটামিন বি কমপ্লেক্স
ভিটামিন বি কমপ্লেক্স আমাদের স্বাস্থের জন্য অনেক প্রয়োজনীয়। আর এটির ঘাটতি মস্তিষ্ককে অকার্যকর করে দিতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে যে, কিছু ভিটামিন বির ঘাটতি ব্রেইন ফগের লক্ষণ সৃষ্টি
19/06/2023
19/06/2023
উঠেন উঠেন
পুরা বাস খালি 😁😁
পিছনে অনেক সিট খালি আছে। 😁😁😁
চেপে দাঁড়ান। 😁😁
19/06/2023
কালোজিরার মধ্যে এন্টিওক্সিডেন্ট এবং এন্টিইনফ্লামেটরি গুণগুলি থাকে, যা শরীরের প্রতিরোধশীলতা বৃদ্ধি করে এবং শরীরের প্রতিরোধশীল পদার্থের সংখ্যা বাড়ায়। এটি ভাইরাল ইনফেকশন, ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন এবং ফাংগাল ইনফেকশনের বিরুদ্ধে মহান এন্টিব্যাকটেরিয়াল এবং এন্টিফাংগাল বৈশিষ্ট্য রয়েছে।
18/06/2023
হ্যাংলা-পাতলা শরী'র নিয়ে
সমাজের সকলের মাঝে
লজ্জিত হয়ে আর কত?
নিজেকে স্বা-স্থ্যবান ফি'-ট ও আ'-কর্ষণীয়
করে তুলুন সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে!!
তাহলে আর দেরি কেন?অর্ডার করতে মেসেজ অপশনে ক্লিক করুন অথবা কল করুন নিচের দেয়া নম্বারে :
📱+01317600702
Click here to claim your Sponsored Listing.
