Little Bloom
Hello everyone,
I'm Ryan. Mamma's apple of eyes. Please shower me with lots of love.
21/10/2025
২ থেকে ৩ বছরের ক্ষুদে চ্যাম্পিয়নদের খাবার খাওয়ানোর 'মজার গাইড'**
আপনার ছোট্ট সোনাটি এখন আর কেবল হামাগুড়ি দেওয়া **বাচ্চা** নয়, সে এখন এক ছুটন্ত-দাপাদাপকারী ক্ষুদে মানুষ! এই বয়সে ওদের চঞ্চলতা বাড়ে, আর ঠিক সেই কারণেই চাই সঠিক পুষ্টি এবং মজাদার খাবার পরিবেশনা। চলুন, দেখে নেওয়া যাক কীভাবে এই মিষ্টি বয়সে আপনার **বাচ্চাকে** খাওয়ানোর কাজটি আরও সহজ ও আনন্দময় করে তোলা যায়।
প্রথম ধাপ: খাবারের আসল হিরো!
মনে রাখবেন, এই বয়সে খাবার মানে শুধু পেট ভরা নয়, এটা হলো ওদের মেধা ও শরীরের ইঞ্জিনকে ফুল-পাওয়ারে চালানো! তাই প্লেটে যেন এই 'সুপারফুড' গুলো থাকে:
| খাবারের অংশ | কেন জরুরি? | উদাহরণ (যা ওদের পছন্দ হতে পারে!)
| **শক্তি জোগানোর খাবার (শর্করা)** | সারাদিন দৌড়ঝাঁপ করার জন্য এনার্জি দেবে। | নরম ভাত, ছোট রুটি, ওটস, আলুর পরোটা, সবজি দেওয়া খিচুড়ি। |
| **শরীর গঠনের খাবার (প্রোটিন)** | শরীরের পেশী ও মস্তিষ্কের দ্রুত বিকাশের জন্য। | ডিম (ডিমের ওমলেট বা সেদ্ধ), মাছের ঝোল (কাঁটা সরিয়ে), মুরগির ছোট মাংস, ডাল, দই, পনির। |
| **রোগ-প্রতিরোধের খাবার (ভিটামিন ও মিনারেল)** | ওদেরকে ঠান্ডা লাগা বা ছোটখাটো রোগ থেকে বাঁচাবে। | গাজর, টমেটো, মিষ্টি কুমড়ো, পালং শাক। কলা, আপেল, পেঁপে, মৌসুমী ফল। |
| **বুদ্ধি বাড়ানোর খাবার (স্বাস্থ্যকর ফ্যাট)** | মস্তিষ্কের সঠিক বিকাশে সাহায্য করবে। | খাবারে সামান্য ঘি বা মাখন, নরম করে তৈরি বাদামের গুঁড়ো বা মাখন। |
| **হাড়-মজবুত করার খাবার (ক্যালসিয়াম)** | শক্তিশালী হাড় ও দাঁতের জন্য। | প্রতিদিন ২ বার দুধ, টাটকা দই, পনির। |
⏰ খেলার ছলে খাওয়ানোর রুটিন:
এই বয়সী **বাচ্চারা** একবারে বেশি খেতে পারে না। তাই অল্প পরিমাণে ঘন ঘন পরিবেশন করুন:
***প্রধান খাবার:** দিনে ৩ বার প্রধান খাবার (যেমন: জলখাবার, দুপুরের খাবার, রাতের খাবার)।
* **মাঝের খাবার (স্ন্যাকস):** এই ৩ বারের মাঝে ২-৩ বার ছোট এবং পুষ্টিকর নাস্তা দিন।
> **টিপস:** ওদের যেন ২-৩ ঘণ্টা পর পর খিদে পায়, তাই মাঝে চিপস বা জুস দিয়ে পেট ভরে দেবেন না। আসল খাবারের জন্য ওদের পেট খালি রাখা জরুরি!
# #খাবারের সময়টাকে আনন্দময় করার সুপার টিপস!
এই বয়সী **বাচ্চারা** প্রায়ই "এটা খাব না!" বলে বায়না ধরে। এই পরিস্থিতি সামলানোর কিছু দারুণ কৌশল:
১. আপনিই হোন রোল মডেল: খাবার টেবিলে একা বসে কেন? বাচ্চাকে আপনার পাশে বসিয়ে, তার সামনে আপনিও সবজি খান। আপনি খাচ্ছেন দেখলেই সে কৌতূহলী হবে এবং আপনার মতো খেতে চাইবে।
২. 'রংধনু প্লেট' তৈরি করুন: প্লেটে যত বেশি রং থাকবে, তত বেশি মজা! যেমন: সবুজ মটরশুঁটি, লাল টমেটো, হলুদ ডিম। বলুন, "চলো দেখি, আজকে আমরা কয়টা রং-এর খাবার খাই!"
৩. খাবার নিয়ে গল্প: ব্রকোলি দেখলে বলুন, "এটা হলো ছোট ছোট গাছের বাগান।" ডিমকে বলুন, "শক্তিশালী সুপারহিরোর খাবার।" খাবার নিয়ে মজার গল্প বললে ওরা আগ্রহ নিয়ে খাবে।
৪. ছোট্ট হাতের জাদু: আপনার বাচ্চাকে খাবারের প্রস্তুতিতে অংশ নিতে দিন। ধরুন, ফল ধোয়া বা প্লেটে সবজি সাজিয়ে দেওয়া। এতে ওরা খাবারটার মালিকানা অনুভব করবে এবং খেতেও উৎসাহী হবে।
৫. না খেয়েও চলবে: যদি আপনার বাচ্চা কোনো খাবার একেবারেই খেতে না চায়, তবে জোর করবেন না। জোর করলে খাবারের প্রতি তার ভয় বা বিরক্তি জন্মায়। একবার না খেলে অন্য কোনো স্বাস্থ্যকর বিকল্প দিন, এবং সেই খাবারটি কয়েক দিন পর আবার মজার উপায়ে পরিবেশন করুন।
ধৈর্য ধরুন, একসময় ঠিকই খাবে!**
৬. ম্যাজিক বক্স' ব্যবহার করুন: নাস্তার জন্য বাইরের চিপস-কুকিজ নয়। ফ্রিজে আগে থেকে কেটে রাখা গাজর/শসা, হাতে তৈরি লাড্ডু, দই বা ফল রাখুন। যখনই খিদে পাবে, এই 'ম্যাজিক বক্স' থেকে স্বাস্থ্যকর নাস্তা বের করে দিন।
⚠️ এই জিনিসগুলো একদম নয়!
***চিনি আর লবণ:** ৩ বছর বয়সের আগে খাবারে অতিরিক্ত চিনি বা লবণ ব্যবহার এড়িয়ে চলুন। তার চেয়ে ফলের প্রাকৃতিক মিষ্টি ব্যবহার করুন।
***শ্বাসরোধের ঝুঁকি: শক্ত ক্যান্ডি, আস্ত বাদাম, পপকর্ন বা ছোট গোল ফল (যেমন আস্ত আঙুর) দেবেন না। আঙুর বা চেরি ফলকে লম্বালম্বিভাবে কেটে দিন।
***মিষ্টি পানীয়: কোমল পানীয় বা প্যাকেটজাত জুস নয়। জলের বোতলটি সবসময় ওর আশেপাশে রাখুন।
আপনার বাচ্চার এই গুরুত্বপূর্ণ সময়টিতে, আপনি হলেন তার প্রধান গাইড। হাসিমুখে এবং মজার ছলে ওদের স্বাস্থ্যকর খাবারের অভ্যাস গড়ে তুলুন। শুভকামনা!
কখনো কখনো আল্লাহ সব দরজা–জানালা বন্ধ করে দেন, কারণ বাইরে ঝড় বইছে।
কখনো কখনো আল্লাহ আপনাকে নদীতে নিক্ষেপ করেন, কারণ আপনার শত্রু সাঁতার জানে না।
আবার কখনো আল্লাহ আপনাকে এক জায়গায় আটকে দেন, যেন বিপদ আপনার সামনে দিয়ে চলে যায় আর আপনাকে স্পর্শ করতে না পারে। তাই মানসিকতা বদলান। আপনি ঠিক সেখানেই আছেন যেখানে থাকার দরকার ছিল।
না খুব দ্রুত, না খুব ধীরে—আল্লাহর সময়ই সবচেয়ে নিখুঁত। তাঁর উপর ভরসা (তাওয়াক্কুল) রাখুন এবং ক্রমাগত দোয়া করুন যেন আল্লাহ আপনার জন্য সহজ করে দেন।
"হাসবুনাল্লাহু ওয়া নি'মাল ওয়াকীল"
(আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট, তিনিই সর্বশ্রেষ্ঠ কর্মবিধায়ক)।
"রব্বি ইন্নি লিমা আনযালতা ইলাইয়া মিন খাইরিন ফকীর"
(হে আমার রব, তুমি যে কল্যাণ আমার প্রতি নাজিল করবে, আমি তারই মুখাপেক্ষী)।
~সংগৃহীত
27/04/2025
শিশুটির হাতে মোবাইল , মোবাইলের স্ক্রিনে রীলস। অন্তহীন অর্থহীন শালীন অশালীন ভেদাভেদজ্ঞানহীন রীলস।
(✍️ কলমে: আনন্দিতা চৌধুরী )
শিশুটি দেখে যাচ্ছে টানা, নড়া নেই চড়া নেই, মাথা খাটানো নেই, আগে শিশুরা কার্টুন শো দেখতো মিনিট কুড়ির...অতক্ষণ মনোযোগ ধরে রাখার ব্যাপারও নেই। দুয়েক মিনিটের রীল...চলছে পর পর পরের পর। শিশুটি কাউকে বিরক্ত করে না ...চেঁচামেচি করে না...ঘরদোর নোংরা করে না। ভালো ব্যবস্থা...তাই না? বেশ সুবিধার ।
আর তার মনের ভিতর...তার অপরিণত নিষ্পাপ ...কাদার তালের মত যে কোনো ছাঁচে পড়ে তার রূপ ধারণ করার মতো নরম মনটার ভিতর...কি ঢুকছে পর পর পরের পর? একটু কোন সুস্থ চিন্তা... একটু কোন শোভন বিনোদন? কি মনে হয়?
দয়া করে আপনার পরিবারের খুদে সদস্যটির হাত থেকে মোবাইলটি নিয়ে একটি বই ধরান। হ্যাঁ...মানছি... এখনই পড়তে পারেনা হয়তো ...পড়ে দিতে হবে। আপনি ব্যস্ত...সত্যিই ব্যস্ত...সেটাও জানি। আচ্ছা...নাহয় ছবিই দেখুক খানিক...যখন সময় হবে পড়ে দেবেন 'খন। ছিঁড়ে ফেলবে...নষ্ট করবে? এদিকে যে মনের সুকুমার কোমল বৃত্তি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে...তার কি হবে !
আচ্ছা বেশ...বই না হয় নাই দিলেন। সাদা কাগজ আর রং পেন্সিল দিন...হিজিবিজি কাটুক। ঘর নোংরা হবে? বিশ্বাস করুন...ওর মনে যে নোংরা ঢুকছে তার থেকে বেশী হবে না। আর নাহলে ব্লকস দিন...কাঠের বা প্লাস্টিকের। মডেলিং ক্লে। তাও না পেলে সাবেক খেলনাবাটি, গাড়ি , পুতুল। কিছু তো করুক হাত দিয়ে...মাথা দিয়ে...মন দিয়ে। অন্যের বানানো কিছু উদ্ভট কিম্ভুত কার্যকলাপের রেকর্ডিং দেখে মগজধোলাই না হয়ে নিজের মনে খামখেয়ালিপনাই করুক না হয়।
আপনার শিশুকে আপনি কি ভাবে বড়ো করবেন সে বিষয়ে আমি সামাজিক মাধ্যমে উটকো লোক গায়ে পড়ে জ্ঞান দিচ্ছি...,আপনার বিরক্তির উদ্রেক হতে পারে...মানছি। আসলে..,.চার বছরের কন্যা আয়নার সামনে নানা অঙ্গভঙ্গি সহকারে বলছে..".মা আমাকে চেক্সি লাগছে"...আর মা বাবা গদ গদ হয়ে বলছেন... "দেখেছো কি সব বলে .. কোথায় যে শেখে কে জানে" ...সদ্য দেখা এই দৃশ্য আমাকে খুব ভয় পাইয়ে দিয়েছে...জানেন।
এখনও সাবধান না হলে খুব বড়ো ক্ষতি হয় যাবে ওদের,,,, আমাদের,,,,🤔
#সংগৃহীত #পোস্ট #শিশু
18/04/2025
১. ভুলঃ কোমর ব্যথা মানে কিডনি রোগ!
নির্ভুলঃ কিডনি রোগে প্রস্রাব কমে যায়, খাওয়ার রুচি কমে যায়, বমি বমি লাগে, মুখ ফুলে যায়!
২. ভুলঃ ঘন ঘন প্রস্রাব মানেই ডায়াবেটিস বা বহুমূত্র রোগ!!
নির্ভুলঃ ডায়াবেটিস হলে প্রথম অনুভূতি হল- এতো খেলাম, তবুও কেন শক্তি পাইনা, এছাড়া ওজন কমে যায়, মুখে দুর্গন্ধ হয়, ঘা শুকাতে চায়না!
৩. ভুলঃ ঘাড়ে ব্যথা মানেই প্রেসার!
নির্ভুলঃ প্রেসার বাড়লে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কোন উপসর্গ পাওয়া যায় না! একটু অস্বস্তিকর অনুভুতি হয় মাত্র।
৪. ভুলঃ বুকের বামে ব্যথা মানে হার্টের রোগ!
নির্ভুলঃ হার্টের রোগে সাধারণত বুকে ব্যথা হয় না। হলেও বামে নয়তো বুকের মাঝখানে ব্যথা হয়... হার্টের সমস্যায় সাধারণত বুকের মাঝখানে চাপ চাপ অনুভূতি হয়, মনে হয় বুকের মাঝখানটা যেন কেউ শক্ত করে ধরে আছে!!
৫. ভুলঃ মিষ্টি খেলেই ডায়াবেটিস হয়।
নির্ভুলঃ ডায়াবেটিস হরমোনাল অসুখ। অগ্ন্যাশয় ঠিকমত কাজ না করলে ডায়াবেটিস হয়। তাই মিষ্টি খাওয়ার সাথে এই রোগ হবার সম্পর্ক নেই। কিন্তু ডায়াবেটিস হয়ে গেলে মিষ্টি খেতে হয় না।
৬. ভুলঃ প্রেগন্যান্সিতে বেশি পানি খেলে পায়ে পানি আসে।
নির্ভুলঃ প্রেগন্যান্সিতে প্রোটিন কম খেয়ে, কার্বোহাইড্রেট বেশি খেলে পায়ে পানি আসে। তাই প্রোটিন বেশি বেশি খেতে হয়।
৭. ভুলঃ এক্সক্লুসিভ ব্রেস্ট ফিডিং করাকালীন বেবির (৬মাসের আগে পানিও খাওয়ানো যায় না একারণে) ডায়রিয়া হলে, মা স্যালাইন খেলেই বেবিরও চাহিদা পূরণ হয়ে যায়।
নির্ভুলঃ মা খেলেই বাচ্চার চাহিদা পূরণ হয় না... বেবিকেও স্যালাইন খাওয়াতে হয়।
৮. ভুলঃ দাঁত তুললে চোখের আর ব্রেইনের ক্ষতি হয়।
নির্ভুলঃ দাঁত তোলার সাথে চোখের আর ব্রেইনের কোনো সম্পর্ক নেই। দাঁত, চোখ, মাথার নার্ভ সাপ্লাই সম্পূর্ণ আলাদা।
৯. ভুলঃ মাস্টারবেশন করলে চোখের জ্যোতি কমে যায়!
নির্ভুলঃ ভিটামিন এ জাতীয় খাবার না খেলে চোখের জ্যোতি কমে যায়।
১০. টক/ ডিম/ দুধ খেলে ঘা দেরীতে শুকায়।
নির্ভুলঃ টক/ ডিমের সাদা অংশ/ দুধ খেলে ঘা তাড়াতাড়ি শুকায়।
১১. ভুলঃ অস্বাভাবিক আচরন, ভাংচুর, পাগলামি মানেই জ্বিন ভুতে ধরা!!!
নির্ভুলঃ এটা বাইপোলার ডিসঅর্ডার, সিজোফ্রেনিয়া, হ্যালুসিনেশন।
১২. ভুলঃ তালু কাটা, এক চোখ, কপালে চোখ, বাঘের মত ডোরাকাটা দাগ নিয়ে জন্ম গ্রহন করা বাচ্চা কিয়ামতের আলামত, আল্লাহর গজব, বাঘের বাচ্চা।
নির্ভুলঃ মানুষের পেট থেকে বাঘের বাচ্চা হয় না আর কিয়ামতের আলামত বা গজব বাচ্চাদের উপর আসে না। এসব জিনগত রোগ বা জন্মগত রোগ।
১৩. ভুলঃ প্রেগন্যান্ট মহিলা আয়রণ, ক্যালসিয়াম এসব খেলে বাচ্চা বড় হয়ে যায়। তাই গাইনী ডাক্তার সিজার করার জন্য এগুলা প্রেসক্রাইব করে....
নির্ভুলঃ প্রেগন্যান্ট মহিলা আয়রণ, ক্যালসিয়াম না খেলে গর্ভস্থ বেবির নিউরাল টিউব ডিফেক্ট হয়।
১৪. ভুলঃ প্রেগন্যান্সিতে সাদাস্রাব হলে ফ্লুইড কমে যায়।
নির্ভুলঃ White discharge এবং Amniotic fluid সম্পূর্ণ আলাদা দুটো ফ্লুইড.. একটার সাথে আর একটার কোনো সম্পর্ক নেই।
১৫. বাচ্চা না হওয়া মানেই বন্ধ্যা নারী।
নির্ভুলঃ বন্ধ্যা, নারী এবং পুরুষ উভয়ই হতে পারে।।
__________________________________________
এ ধরণের আরো অনেক ধরণের গুজব বা কুসংস্কার আমাদের সমাজে প্রচলিত, যেগুলোর কোনো ভিত্তি বা বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা নেই।
সৌজন্যেঃ ডাক্তার তানিয়া সুলতানা
এখনকার বাচ্চাদের খেলার জায়গা এতো কম। এইসব প্লে প্লেসগুলো কিছুটা হলেও সেই অভাব পুরন করছে। যদিও খোলামেলা পরিবেশে খেলা আর ইনডোর স্পেসে খেলা অনেক আলাদা। তাও কিছুটা সময় বাসার বাহিরে দৌড়া দৌড়ি করতে পারে, অন্য বাচ্চাদের সাথে মেলামেশার সুযোগ হয়। তাইবা কম কিসের
খেলাধুলা at Babuland Indoor Playground .
07/03/2025
আগামী ১৫ মার্চ,রোজ শনিবার দেশব্যাপী আয়োজিত হতে যাচ্ছে জাতীয় ভিটামিন 'এ' প্লাস ক্যাম্পেইন ২০২৫। ক্যাম্পেইনে আপনার ৬-৫৯ মাস বয়সের শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়াতে নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে আসুন।
15/11/2024
🙏🙏সবাই বেশি বেশি শেয়ার করুন🙏🙏
আজ শুক্রবার ১৫/১১/২০২৪ তারিখ আনুমানিক সকাল ৯ ঘটিকায় আজিমপুর মেডিকেল স্টাফ কোয়ার্টার, লালবাগ টাওয়ারের পাশের গলি থেকে এক আপুর অফিস কলিগ ফারজানার বাসায় ডাকাতি হয়েছে😭😭😭। ডাকাত ( একজন মহিলা আর দুজন পুরুষ )জিনিসপত্র ও একমাত্র বাচ্চা নিয়ে গেছে। যদি বাচ্চাটি কারো নজরে আসে তাহলে নিম্নোক্ত মোবাইল নাম্বারে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হলো। মোবাইলঃ ০১৯৫২৬৯১৭০৫, 017 1489 6930 (শেয়ার করুন সবাই )
(সংগৃহীত)
আমার শরীর খারাপ। ঠান্ডা, কাশি। তাই ভয়েস অন্যরকম। ক্ষমা সুন্দর করে দেখবেন আর লাইক, কমেন্ট করবেন ভালো লাগলে। ধন্যবাদ।
সারাদিনের দুষ্টামির কিছু অংশ মাত্র। তারপরও ভালই লাগে। যে-দিন দুষ্টমি একটু কম করে, সত্যি বলছি একদম ভালো লাগে না। কিছুদিন আগে রায়ান জ্বর থেকে উঠলো। জ্বরের সময় তো তাও ভালো, কিন্তু এর পর থেকে খাওয়া দাওয়া একদম বন্ধ। এমনও দিন গিয়েছে যে শুধু দুধ খেয়ে ছিলো। এক চামচ খাবারও আমি খাওয়াতে পারি নি। এ সবকিছু নিয়ে অন্য একদিন লিখবো। আজ রায়ানকে দেখেন আর ওর জন্য দোয়া করেন।
31/08/2024
Good Morning everyone.... কি খেলো আজ সকালের নাশতা? আমি দিয়েছি ডিম সুজির হালুয়া। মাশাআল্লাহ সবটা অনেক মজা করে খেয়েছে। 🥰 বাচ্চা খেলে মায়েদেরও মন ভরে যায়। তাই না?
Click here to claim your Sponsored Listing.
