Aware To Health

Aware To Health

Share

প্রাকৃতিক খাদ্য ও প্রসাধনী পণ্য সমাহার This is a health awareness program about your best health according to Food&Nutrition Science.

15/02/2023

রোগীকে জানাতে হবে তিনি কি ডাক্তারী ড্রাগে নাকি প্রাকৃতিক খাবারে চিকিৎসা নিবে ?

ডাক্তারী ড্রাগে রোগ গাড়বে, সঠিক খাবারে রোগ সারবে।

ড: শিবেন্দ্র কর্মকার

09/11/2022

#ন্যাচারাল/ #অর্গানিক ফুড এন্ড কসমেটিক্স কালেকশন, গুনগত মানের গ্যারান্টি ১০০%।

ক্ষতিকারক পণ্য বর্জন করি, প্রাকৃতিকময় নিরাপদ জীবন গড়ি
আপনার যত প্রয়োজন আমাদের ততো আয়োজন

অর্গানিক ফুড কালেকশন :-
১। তেঁতুল কাঠের ঘানিতে ভাঙ্গা এক্সট্রা ভার্জিন খাঁটি সরিষার তেল - ২৭০ টাকা লিটার।
২। এক্সট্রা ভার্জিন নারকেল তেল - ৯৯৯ টাকা লিটার।
৩। ঘানির কালোজিরা তেল - ১৬০০ টাকা লিটার।
৪। তিলের তেল।
৫। খাঁটি গাওয়া ঘি - ১৪০০ টাকা কেজি।
৬। প্রাকৃতিক চাকের খাঁটি মধু - ৯০০ টাকা কেজি।
৭। লাল আটা - ৮০ টাকা কেজি।
৮। লাল চিনি - ১৫০ টাকা কেজি।
৯। লাল চিড়া - ১০০ টাকা কেজি।
১০। চালের গুঁড়া - ৮৫ টাকা কেজি।
১১। জিরার গুঁড়া - ৭৫০ টাকা কেজি।
১২। হলুদের গুঁড়া - ৩৫০ টাকা কেজি।
১৩। মরিচের গুঁড়া - ৬০০ টাকা কেজি।
১৪। ধনিয়ার গুঁড়া - ৩৮০ টাকা কেজি।
১৫। নাজিরশাইল চাল - ৮০ টাকা কেজি।
১৬। চিনিগুঁড়া চাল - ১২০ টাকা কেজি।
১৭। তুলসীমালা চাল - ১২৫ টাকা কেজি।
১৮। সোনামুগ ডাল - ১৬০ টাকা কেজি।
১৯। ডালের বড়া।
২০। তাল মিছরি - ৩০০ টাকা কেজি।
২১। সাগু - ১৬০ টাকা কেজি।
২২। সয়াবিন বড়ি - ২৭০ টাকা কেজি।
২৩। যবের ছাতু - ৩০০ টাকা কেজি।
২৪। সিয়াসীড - ৯৯৯ টাকা কেজি।
২৫। হিমালয়ের প্রাকৃতিক লবণ/ পিংক সল্ট - ২২০ টাকা কেজি।
২৬। বিভিন্ন ধরণের খেজুর।
২৭। সিজনাল খেজুরের পাটালি এবং ঝোলা গুড়।
২৮। আখের গুড়।
২৯। সিজনাল আম।
৩০। কাজুবাদাম - ১০০০ টাকা কেজি।
৩১। কাঠবাদাম - ৯০০ টাকা কেজি।
৩২। চিনা বাদাম - ৩৫০ টাকা কেজি।
৩৩। পেস্তাবাদাম।
৩৪। কিসমিস - ৬০০ টাকা কেজি।
৩৫। রাজমা - ২৩০ টাকা কেজি।
৩৬। তিসির বীজ - ৩০০ টাকা কেজি।
৩৭। সূর্যমুখী বীজ - ৮০০ টাকা কেজি।
৩৮। পামকিন/ কুমড়ো বীজ - ১০০০ টাকা কেজি।
৩৯। তরমুজের বীজ - ৯৫০ টাকা কেজি।
৪০। আলকুশি বীজ - ১৬০০ টাকা কেজি।

ন্যাচারাল কসমেটিকস কালেকশন :-
১. ইন্ডিয়ান ন্যাচারাল নিম-এলোভেরা সাবান - ১০০ /-
২. ইন্ডিয়ান হারবাল গাম এক্সপার্ট টুথপেস্ট - ১৫০ /-
৩. ইন্ডিয়ান ন্যাচারাল নিম এলোভেরা ফেস-ওয়াশ - ৩৩০ /-
৪. ইন্ডিয়ান ন্যাচারাল ফেয়ারনেস ক্রিম - ৩৪০ /-
৫. ইন্ডিয়ান হারবাল কিউর হেয়ার অয়েল - ৫৫০ /-
৬. ইন্ডিয়ান ন্যাচারাল এন্টি ডানড্রাফট শ্যাম্পু - ৫৩০ /-

বিস্তারিত : 01849-407858 (Call/WhatsApp)

https://www.facebook.com/aware2health

09/11/2022

সাবান যদি ব্যবহার করতেই হয় তাহলে ইন্ডিয়ান নূর-শাইন ব্র্যান্ডের ন্যাচারাল নিম অ্যালোভেরা সাবান ব্যবহার করুন এবং নিজেকে সবসময় প্রাকৃতিকভাবে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও সতেজ রাখুন।

সুস্থতা ও সৌন্দর্য্য বন্ধনে, আমরা রয়েছি আপনার সন্ধানে
ক্ষতিকর কেমিক্যালযুক্ত পন্য বর্জন করি, প্রাকৃতিক পণ্যে নিরাপদ জীবন গড়ি।

১০০% অরজিনাল ইন্ডিয়ান ন্যাচারাল নিম এলোভেরা সাবান, এটি একটি বাথিং সোপ, তাই শরীরের সব জায়গায় ব্যবহার উপযোগী।
এই শীতে একবার ব্যবহার করেই দেখুন নিম অ্যালোভেরা ও গ্লিসারিনের অপূর্ব সমন্বয় এই সাবানটি।

সেবা মূল্য : ৯৯ টাকা
(মানিব্যাক গ্যারান্টি, পন্য ভেজাল/নকল/ক্ষতিকারক কেমিক্যালযুক্ত প্রমাণ করতে পারলে টাকা ফেরত পাবেন)

বিস্তারিত জন্য কল/হোয়াটসঅ্যাপ : 01849-407858

(পাইকারি দেয়া হয়, মিনিমাম ১০,০০০ টাকা অর্ডার করলে)

09/11/2022

ব্রাশ যদি ব্যবহার করতেই হয় তাহলে ডেন্টাশিওর থ্রি-ইন-ওয়ান টুথব্রাশ ব্যবহার করুন, তিনটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ একইসাথে উপভোগ করুন।

সেবা মূল্য : ১১৯ টাকা।

বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন :
০১৮৪৯-৪০৭৮৫৮
কল/টেলিগ্রাম/হোয়াটসঅ্যাপ

09/11/2022

চা যদি খেতেই হয় অর্গানিক সাদা চা খান, শরীরের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ উপকার গ্রহণ করুন।

সেবা মূল্য : ১৫৯৯ টাকা।

বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন :
০১৮৪৯-৪০৭৮৫৮
কল/টেলিগ্রাম/হোয়াটসঅ্যাপ

29/05/2019

আগামী ৫০ বছর পর অকালে মানুষ মারা যাওয়ার সবচেয়ে বড় কারণ কি হবে?
যুদ্ধ, বিগ্রহ, দুর্যোগ, এইডস, কলেরা, সোয়াইন ফ্লু....??
মোটেই না। যে কারণে সবচেয়ে বেশি মানুষ মারা যাবে সেই কারণটা নন মেডিকেল মানুষদের কাছে অদ্ভূত লাগতে পারে। এমনকি কারো কারো কাছে অবিশ্বাস্যও মনে হবে।

এন্টিবায়োটিক রেজিসটেন্স!

জিনিসটা কি?

আমার আশেপাশে যেহেতু নন মেডিকেল মানুষ বেশি তাই খুব সহজভাবেই ব্যাখা করার চেষ্টা করছি।
তার আগে কয়েকটা পরিচিত দৃশ্যের কথা মনে করিয়ে দিই।

আপনার জ্বর হয়েছে। কিংবা শরীরের কোথাও ব্যথা।
বড় ডাক্তারের কাছে গেলেন। ডাক্তার ঔষধ দিল। ব্যথা তিন দিনেও কমে না। তারপরই শুনলেন অমুক ফার্মেসীতে বসা ক্লাস নাইন পাশ অমুক ডাক্তারের ঔষধ খেলেই রোগী ভালো হয়ে যায়। একদিনেই ব্যথা কমে।
আপনি গেলেন এবং তিন চারশ টাকার ঔষধ খেয়ে ভালো হয়ে গেলেন। তারপর পাড়ার বা মোড়ের চায়ের দোকানে বসে ডাক্তারের গোষ্ঠী উদ্ধারবশত আপনি সেই অমুক ডাক্তারের কেরামতির বিজ্ঞাপন দিলেন।
এটাও বলতে ভুললেন না এসব গরু ছাগল ডাক্তারের চেয়ে ফার্মেসীতে বসা অমুক ডাক্তার, তমুক ডাক্তার হাজার গুণ ভালো।

খুবই পরিচিত ঘটনা।

কিন্তু আপনি জানেন না, একদিনে ব্যথা কমাতে গিয়ে আপনি বিষ খেয়ে ফেলেছেন। বিষ না, বিষের চেয়েও ভয়ানক জিনিস।

আপনি মারা যাওয়ার পথে এক পা বাড়িয়ে রেখেছেন।
বাংলাদেশের মানুষ মুখে মুখে বিজ্ঞাপনে চরম বিশ্বাসী। কেরামতি এবং মৌখিক স্বীকৃতিকে মাঝে মাঝে ধর্ম বিশ্বাসের মতোই বিশ্বাস করে বসে। তার উপর "আমি কি কম বুঝি" চিন্তাও একটা বিরাট বড় ফ্যাক্ট।
সামান্য জ্বর হলো। দৌড় দিয়ে ফার্মেসীতে গেলেন। দুইটা প্যারাসিটামল আর দুইটা এন্টিবায়োটিক কিনে হাসিমুখে ফিরে আসলেন।
পেট ব্যথা হলো। আবার ফার্মেসীতে দৌড়। ফার্মেসীওয়ালা দুই প্রজাতির চারটা এন্টিবায়োটিক দিল। ব্যথা সাথে সাথে শেষ। আপনি আকাশ পাতাল খুশি।
অথচ আপনি বুঝতেই পারছেন না, আপনি বিষ খাচ্ছেন। চলে যাচ্ছেন নিশ্চিত মৃত্যুর দিকে।
পুরোপুরি ক্লিয়ার করার চেষ্টা করছি।
জীবাণুর বিরুদ্ধে যুদ্ধের একমাত্র অস্ত্র হচ্ছে এন্টিবায়োটিক। আপনি সিপ্রো, জিমেক্স নামে যা চিনেন তা কেবল ঔষধ না, আপনার জন্য জীবনযুদ্ধের মহা হাতিয়ার।
কিন্তু এই হাতিয়ারের ব্যবহার বিধি আছে। যে কারো পরামর্শে আপনি হাতিয়ার নিতে পারবেন না। কখন কয়টা গুলি করবেন তারও নিয়ম আছে। শত্রু বুঝে গুলি করতে হবে। করতে হবে নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট সংখ্যক। কারণ গুলি সংখ্যা সীমিত।
এন্টিবায়োটিক নির্দিষ্ট কোর্সে খেতে হয়। একটা দুইটা করে নিজের ইচ্ছামতো খেলে আপনার শরীরে বিপরীত প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হবে। শরীর এই ঔষধে পরিচিত হবে। তারপর আর কাজ করবে না। আবার যে কোন সামান্য অসুখেই ধৈর্য না ধরে যদি আপনার সবচেয়ে বড় গুলিটা ব্যবহার করেন তবে পরে বড় শত্রুকে মারতে গিয়ে কোন উপায় পাবেন না।
কখন কবে কোনটা খাবেন তার একমাত্র সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা রাখেন ডাক্তার। ডাক্তার মানে আপনার বাড়ির পাশে তিন তাকের ফার্মেসীতে বসা এইট পাশ অমুক মিয়া না, ডাক্তার মানে কেবল এমবিবিএস, বিডিএস কিংবা যে কোন রেজিস্টার্ড ডাক্তার। এর বাইরে এন্টিবায়োটিক ব্যাপারে কারো কোন সিদ্ধান্ত নেয়া দণ্ডনীয় অপরাধ। আমি আবার বলছি, দণ্ডনীয় অপরাধ।

হাঁ, আমাদের দেশে সব আইন মানা হয়না, সম্ভবও হয়না। হাতের কাছেই ডাক্তার পাওয়া যায় না। সে জন্য ফার্মেসীর সাহায্য নিতেই হয়।
কিন্তু এটা বলেই পার পাবেন এমন না। বর্তমানে দেশের অধিকাংশ মানুষ ২০০ টাকা দিয়ে ডাক্তার দেখানোর ক্ষমতা রাখেন। যারা পারেন না তাদের জন্য সরকারি হাসপাতাল আছে। সেখানে একটু কষ্ট করে দেখান।
রোগ বুঝে ঔষধ দেয়ার জন্য ডাক্তার লাগে না।
আসলেই বেশিরভাগ রোগের ঔষধ মুখে মুখে জানা আছে।

তাহলে এত কষ্ট করে ডাক্তার হওয়ারই বা কি দরকার? টাকা নষ্ট করে ডাক্তারের কাছে যাওয়ারই বা কি দরকার?

আর দরকার আছে।

ডাক্তার কোন রোগে কোন ঔষধ দেয়ার পাশাপাশি কোন সময় কোনটা দেয়া উচিত না এটা জানেন। সাধারণ মানুষ, ফার্মেসী বা কোয়াকরা এটা জানেন না। পার্থক্য আর প্রয়োজনীয়তা এখানেই।
এরপরও নিম্নবিত্ত মানুষকে তাদের ভুলের জন্য ছাড় দেয়া কিন্তু। কিন্তু কোন যুক্তিতেই মধ্যবিত্ত বা উচ্চ মধ্যবিত্তদের ছাড় দেয়া যায় না।
এলাকায় গেলে এক ডাক্তার ভাইয়ের চেম্বারে বসে আড্ডা দিই।

একদিন দেখলাম ঐ ভাই এক ফার্মেসীওয়ালার বিরুদ্ধে বিচার বসিয়েছেন। কারণ ঐ লোক প্রেসক্রিপশনের ঔষধ চেঞ্জ কনে ফেলে। কোম্পানী না, ডিরেক্ট গ্রুপ চেঞ্জ।
কি রকম চেঞ্জ একটা উদাহরণ দিই।
একবার এফসিপিএস স্যার এক রোগীকে দুইটা এন্টিবায়োটিক আর একটা ওমিপ্রাজল দিলেন। ফার্মেসীওয়ালা ওমেপ্রাজল বদলে আরেকটা এন্টিবায়োটিক দিল।
তিনটা এন্টিবায়োটিক, ওমিপ্রাজল নেই!!
এটা গলা টিপে মারার চেষ্টার চেয়েও ভয়ানক।
ভুল উচ্চবিত্তরাও অনেক সময়েই করে থাকেন।
আমার পরিচিত অনার্স পড়ুয়া এক ছোট বোনের কানে ব্যথা। আমি পরের দিনই ইএনটি ডাক্তার দেখানোর পরামর্শ দিলেন। উচ্চশিক্ষিত আঙ্কেল ঘটনা শুনলেন এবং দৌড় মেরে উনার পরিচিত ফার্মেসীতে চলে গেলেন। ফার্মেসীতে বসে চা খেয়ে তিনটা এন্টিবায়োটিক আর একটা পেইন কিলার সমেত ৮০০ টাকার ঔষধ নিয়ে ফিরলেন।
ব্যথা একদিনেই উড়ে চলে গেল।
তবে সমস্যা রোগীর শরীর দুর্বল হয়ে গেছে। খেতেও পারছে না।

ঔষধের নাম শুনে আমি সাথে সাথে ডাক্তার দেখানোর জন্য বললাম। স্যার বকাবকি করে দুইটা এন্টিবায়োটিক কমিয়ে দিলেন। ৪০০ টাকা ভিজিটের সাথে ১৫০ টাকার ঔষধ। টোটাল ৫৫০ টাকা।
অথচ ফার্মেসীতে গিয়ে ডাক্তারের ৪০০ টাকা বাঁচানোর জন্য উল্টো আরো ২৫০ টাকা বেশি দিতে হলো।
এই ঘটনা কিন্তু বারবার ঘটে।
যে রোগে ডাক্তার সর্বোচ্চ ২০০ টাকার ঔষধ দিতেন সেখানে ৪০০-৫০০ টাকা বাঁচানোর জন্য মানুষ ফার্মেসী থেকে ১০০০ টাকার বিষ কিনে নিয়ে আসে।
আরেকটা ঘটনা। প্রায় ১০ বছর আগের।
বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ভাই কোয়াক ডেন্টিস্টের কাছে গেলেন। বিডিএস বিহীন ডেন্টিস্ট। কোয়াক চোখ বন্ধ করে দাঁত তুলল। তারপর একটা এন্টিবায়োটিক আর একটা পেইন কিলার দিল। কোন ওমিপ্রাজল নেই। এমনকি পেইন কিলার যে খালি পেটে খাওয়া যায় না সেটাও বলে দিল না।

গভীর রাতে ব্যথা শুরু হলে ভাই পেইন কিলার খেলেন। খালি পেটেই। দুই তিন পর পেট ফুলে গেল। অহস্য যন্ত্রণা নিয়ে তিনি ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি হলেন!
এরকম কেস স্ট্যাডি হাজারটা।
আপনিও প্রত্যক্ষ করেছেন, জানেন কিংবা শুনেছেন।
একদম সিরিয়াসলিই আমরা ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে যাচ্ছি।
মুড়ির মতো যখন তখন এন্টিবায়োটিক খাওয়া আমাদেরকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছে আমাদের কোন ধারণা নেই।
একটা তথ্যই জেনে রাখুন, এই এন্টিবায়োটিক রেজিস্টেন্সের কারণেই প্রতি বছর সাত লাখ মানুষ মারা যায়।
৭ লাখ কিন্তু...
তিন বছর আগে আমার ভাইরাল জ্বর হলো। ৭ দিন পরও জ্বর না কমার কারণে আমাদের মেডিসিন আরপি স্যারকে বললাম, স্যার এন্টিবায়োটিক দেন, প্লিজ। কেবল প্যারাসিটামল খেয়ে কমছে না।
স্যার বললেন, চড় দেব? সাহস কম না, আমার কাছে এন্টিবায়োটিক চায়!!
সেদিন কথাটা শুনে যতটা খারাপ লেগেছিল আজকে সেই কথার প্রয়োজনীয়তা তত বেশি বুঝতে পারছি।
আরেকজন স্যারকে সে দিন শুনলাম বারবার আফসোস করে বলছেন "সিপ্রো এত সুন্দর একটা ঔষধ। কিন্তু মানুষ নষ্ট করে দিল। এত ভালো একটা ঔষধ। ইস!
স্কুল পালিয়ে ১০ হাজার টাকা পুঁজি দিয়ে দুই তাকের একটা ফার্মেসী খোলা ছেলে কেবল "এন্টিবায়োটিক" নামের বিষ বিক্রি করে পুরো ফ্যামেলী চালাতে পারে।
খেয়াল করেছেন এটা?
সব ব্যবসাতে মার খাওয়ার সিস্টেম থাকলেও ফার্মেসী ব্যবসায় কেউ মার খায় না। একমাত্র কারণ এন্টিবায়োটিক বিক্রি।
ঔষধ বিক্রি মহান ব্যবসা। আমি ফার্মেসীওয়ালা খাটো করছি না বা অসম্মানও করছি না। ঔষধ জীবনদায়ী।
কিন্তু আমাদের অজ্ঞতা আর ফার্মেসীওয়ালাদের লোভ সাথে কোয়াক ডাক্তারদের যা খুশি করার কারণে জাতি মহাবিপর্যয়ের দিকেই যাচ্ছে।
আর হাঁ, কেবল ফার্মেসী বা কোয়াকদের দায় দিয়েই শেষ না। কিছু ডাক্তারেরও প্রবলভাবে এন্টিবায়োটিক প্রীতি আছে। এন্টিবায়োটিক দিলে ব্যথা কমে, রোগ কমে। ডাক্তারের যশ বাড়ে। আবার কোম্পানী থেকে খানিকটা সুবিধা তো আছেই।
অস্বীকার করার উপায় নেই।
বর্তমানে যে কোন ডাক্তারই আমার সিনিয়র। তাঁদের বলার যোগ্যতা বা সাহস রাখি না। আশা করব যার যার অবস্থানে আমার সবাই সৎ থাকার চেষ্টা করব।
আপনি শুয়ে শুয়ে কাতরাচ্ছেন। যে রোগ ৩০ টাকা দামের দুইটা ট্যাবলেটেই কমে সেটাই আপনার জন্য মরণব্যাধী। কোন ঔষধ তখন কাজ করছে না। সেই মুহুর্তে পৃথিবীর সব ডাক্তার না, সব হাসপাতাল গিলিয়ে খাওয়ালেও আপনি ভালো হবেন না। খুব সহজেই ধীরে ধীরে মারা যাবেন। আপনার কোন দোষ না, বদঅভ্যাস না..সামান্য অজ্ঞতার কারণেই...
ভয় লাগে না?
চলছে এন্টিবায়োটিক সপ্তাহ। মানবজাতির সামনে ভয়াবহ চ্যালেঞ্জ। স্বাভাবিক কারণেই বাঙালী জাতির চ্যালেঞ্জ আরো বড়।
এতবড় পোস্ট দিয়ে আপনাকে কতটা ভাবাতে পারলাম জানি না। সমস্যা নীরব, বিষের প্রভাব ধীর। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মারা যাওয়ার কারণ অাজানা থাকার কারণে কারো কোন মাথা ব্যথা সৃষ্টির প্রয়োজন পড়ে না।
তারপরও আপনার হাতে ধরে পায়ে পড়ে করা অনুরোধ...কোন স্বীকৃত ডাক্তার ছাড়া কারো কাছ থেকে এন্টিবায়োটিক নেবেন না। নিজে নিজে এন্টিবায়োটিক কিনতে যাবেন না। কোর্স শেষ না করে খাওয়া বন্ধ করবেন না।
আর দয়া করে এমবিবিএস, বিডিএস... ডিগ্রি ছাড়া কারো বিরাট বড়বড় ডিগ্রি দেখে বিভ্রান্ত হবেন না।
এর বাইরে যত বড় বড় অজানা অচেনা ডিগ্রি, তত বড় টাউট,বাটপার।
বাঁচতে হলে জানতে হবে, মানতেও হবে। না মানার আর কোন সুযোগ নেই।
মানছেন তো?
# # # # #
©Apurba Kumar স্যার।

18/04/2019

স্ট্রোক সাধারণত বাথরুমেই বেশি হয়ে থাকে কেন ?

স্ট্রোক সাধারণত বাথরুমেই বেশি হয়ে থাকে কারন,বাথরুমে ঢুকে গোসল করার সময় আমরা প্রথমেই মাথা এবং চুল ভেজাই যা একদম উচিৎ নয়। এটি একটি ভুল পদ্ধতি।

এইভাবে প্রথমেই মাথায় পানি দিলে রক্ত দ্রুত মাথায় উঠে যায় এবং কৈশিক ও ধমনী একসাথে ছিঁড়ে যেতে পারে। ফলস্বরূপ ঘটে স্ট্রোক অতঃপর মাটিতে পড়ে যাওয়া।

কানাডার মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন জার্নালে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্ট্রোক বা মিনি স্ট্রোকের কারণে যে ধরনের ঝুঁকির কথা আগে ধারণা করা হতো, প্রকৃতপক্ষে এই ঝুঁকি দীর্ঘস্থায়ী এবং আরও ভয়াবহ।

বিশ্বের একাধিক গবেষণা রিপোর্ট অনুযায়ী, গোসলের সময় স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বা পক্ষাঘাতে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে। চিকিৎসকদের মতে, গোসল করার সময় কিছু নিয়ম মেনে গোসল করা উচিত।

সঠিক নিয়ম মেনে গোসল না করলে হতে পারে মৃত্যুও। গোসল করার সময় প্রথমেই মাথা এবং চুল ভেজানো একদম উচিৎ নয়। কারণ, মানুষের শরীরে রক্ত সঞ্চালন একটা নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় হয়ে থাকে। শরীরের তাপমাত্রা বাইরের তাপমাত্রার সঙ্গে মানিয়ে নিতে কিছুটা সময় লাগে। চিকিৎসকদের মতে, মাথায় প্রথমেই পানি দিলে সঙ্গে সঙ্গে রক্ত সঞ্চালনের গতি বহু গুণ বেড়ে যায়। সেসময় বেড়ে যেতে পারে স্ট্রোকের ঝুঁকিও।

তা ছাড়া মাত্রাতিরিক্ত রক্তচাপের ফলে মস্তিষ্কের ধমনী ছিঁড়ে যেতে পারে।
#গোসলের সঠিক নিয়মঃ-

প্রথমে পায়ের পাতা ভেজাতে হবে। এরপর আস্তে আস্তে উপর দিকে কাঁধ পর্যন্ত ভেজাতে হবে। তারপর মুখে পানি দিতে হবে। সবার শেষে মাথায় পানি দেওয়া উচিত।

এই পদ্ধতি যাদের উচ্চ রক্তচাপ, উচ্চ কোলেস্টেরল এবং মাইগ্রেন আছে তাদের অবশ্যই পালন করা উচিৎ।

24/01/2019

মানুষ খাবে কি ????

মুরগীতে #হরমোন

মাছে #ফরমালিন

ডিমে #ক্রোমিয়াম

সবজিতে #কীটনাশক

মুড়িতে #সার

চিনিতে #ম্যাগনেশিয়াম + #সালফেট

পানিতে #ব্লিচং

08/12/2018

#খবরেরকাগজে_মোড়ানো_খাবার_ও_একটি_গণস্বাস্থ্যঝুঁকি

এই ব্যাপার টা অবশ্য চোখে পড়ার মতো না, কিন্তু চোখে পড়লে বোঝা যাবে যে এটা মোটেও ফেলনা সমস্যা নয়। এখানে আমি খাবারের কোন সমালোচনা করবোনা বা ফাস্ট ফুডের অপকারিতাও বোঝাব না। কারণ এই টপিকটা খাবার নিয়ে নয় বরং খাবারের প্যাকেট নিয়ে। সোজাসোজি ব্যাপারটা বলে ফেলি।
আমাদের ভারতীয় উপমহাদেশে প্রায় সবখানেই পাবলিকেরা স্ট্রিট ফুড বা ফাস্ট ফুড যেমন পেঁয়াজু, বেগুনি, জিলিপি, ছোলা ভাজা, চপ, সিঙ্গাড়া, বার্গার এসব তো আছেই তাছাড়া আমড়া, তেঁতুল, জলপাই, আনারস, বড়ই এসবের আচারও কিনে নেয় নিউজপেপারের বানানো প্যাকেটে করে বা বাদামী রঙের কিছু পাতলা কাগজের প্যাকেটে করে। এই ব্যাপারটা আসলে কেউ অস্বীকার করবেনা আশা করি। ২০১২ সালে US library of medicine এবং National Institute of health এর সহায়তায় ভারতীয় বিজ্ঞানীরা একটা গবেষণা চালায় এই কাগজের প্যাকেটের উপরে এবং ২০১৪ তে বিস্তারিত একটি আর্টিক্যাল প্রকাশ করে Our Food: Packaging and Public Health নামে। ওখানে যা বলা হয়েছে তা খুব সংক্ষেপে লিখছি।

আমরা প্রতিনিয়ত তেলে ভাজা খাবার জিনিস বা কাটা সবজি, পেঁয়াজ, রসুন এগুলো নেবার সময় খেয়াল করিনা যে ঐ কাগজের প্যাকেট তেল বা পানি শুষে সিক্ত হয়ে উঠেছে অথবা আমরা অনেকে তেলের খাবারের অতিরিক্ত তেল বের করার জন্য অনেক সময় খবরের কাগজে চেপে তেল বের করি। এই তেলে ভেজা নিউজপেপার কতটা মারাত্মক সেটা আসলে আমাদের মাথায় ছিলোনা এতদিন। পশ্চিমা বিশ্বে এই অভ্যাস নেই বলে তাঁরা এটার উপর তেমন গুরুত্ত্ব না দিয়ে প্লাস্টিক প্যাকেজিং এর উপরে গুরুত্ত্ব দিয়েছিলো। গবেষণায় দেখা গেছে যে এই নিউজপেপারের ছাপার কালি তেল বা পানিতে সহজেই দ্রবীভূত হয়ে খাবারে তাৎক্ষণিক মিশে যায়। এই নিউজ পেপারের কালি তৈরী হয় বিভিন্ন petroleum based minarel oil এবং benzophenon যা আমাদের Hormone Disruptor হিসেবে কাজ করে । এই কালিতে আরো থাকে arylamines নামক ক্যামিকেল গুলো যেমন benzidine, 2-Naphthylamine ও 4-Aminobiphenyl এই তিনটি ক্যামিকেল ব্লাডার ও ফুসফুস ক্যান্সারের ১০০ ভাগ ভূমিকা রাখে। এগুলো ছাড়াও হরেক রকমের colorants, pigments, binders, additives আর photo-initiators ব্যবহৃত হয় যা পাকস্থলীর ক্যান্সার সহ বিবিধ অসুবিধা সৃষ্টি করছে। এই সমস্ত কিছুই তেলে দ্রবীভূত হয়ে আপনার আমার শরীরে এসে জমা হচ্ছে। এবার আসি কালি ছাড়া ঐ কাগজে কি কি আছে সে প্রসঙ্গে। আমাদের যেসব নিউজপ্রিন্টের কাগজের উপরে খবর প্রিন্ট করা হয় সেগুলো প্রায়ই রিসাইকেল করা কাগজ। গবেষকেরা এগুলার কাঁচামাল পরীক্ষা করে দেখেন যে সেই কাঁচামালে cosmetics যেমন eye makeup, hair dye, sindhoor, lead-based paints, ceramic glazes আছে প্রচুর পরিমাণে এছাড়াও industrial emissions, battery units, diety-making units পর্যন্ত পাওয়া যায় যার অধিকাংশই সীসা সমৃদ্ধ ও lead poisoning এর জন্য দায়ী। এছাড়াও প্লাস্টিক গঠনকারী ক্যামিকেল diisobutyl phthalate ও di-n-butyl phthalate ও প্রচুর আছে যা পুরুষের টেস্টোস্টেরন রিসেপ্টরগুলো নষ্ট করে দেয়। মনে রাখতে হবে এসব কিছুও আমাদের মজার তৈলাক্ত খাবারের সাথে ঢুকছে আমাদের দেহে।

এই রিপোর্ট প্রকাশের পরে ইন্ডিয়া ও পাকিস্তান খাদ্য প্যাকেজিং এর উপরে কয়েকটা আইন তৈরী করে। কিন্তু আমাদের দেশের আমি আজ পর্যন্ত প্লাস্টিক প্যাকেজিং এর নিয়ম পেলেও এই নিউজপ্রিন্ট প্যাকেজিং সংক্রান্ত তেমন কিছু আইন বা নিয়ম বা নির্দেশবলী পেলামনা যদিও খাবারের এই অভ্যাস সাধারণ জনগনের ভেতরে অত্যন্ত সুলভ। ডাক্তারের পরামর্শবিহীন বছরের পর বছর এন্টি আলসারেন্ট খেয়ে যাচ্ছে এমন জনগণের সংখ্যা অসম্ভব রকমের বেশি ইদানীং। আমি নিশ্চিত নই যে এরকম কোন অভ্যাসের কারণে এই তথাকথিত “গ্যাস্টিকের সমস্যা”র কতটুকু সম্পর্ক আছে, তবু নিউজপ্রিন্ট ও ছাপার কালির স্বাস্থ্যঝুঁকি যেহেতু প্রমাণিত তাই সতর্ক করতে সমস্যা কোথায়?

সূত্র-
the hindustantimes ( 10 dec 2016)
The Dawn (4 may 2014)
NCBI

11/11/2018

পড়লেই জানবেন

ভুঁড়ি নিয়ে টেনশন?
কোন ভাবেই মেদ কমছে না?
অনেক ডায়েট করেও ফলাফল শূণ্য?
কলেস্টেরল অনেক বেশী?
ওজন কমছে না?

নো টেনশন....
আপনার জন্য এসে গেল সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপাদান গ্রীণ টির নির্যাষ থেকে তৈরী Fat Burner (Green Tea Extracts).

বর্তমানে সারাবিশ্বেই একটা বিশাল সমস্যা। অতিরিক্ত ওজন একদিকে যেমন বিভিন্ন শারীরিক সমস্যার সৃষ্টি করে অপরদিকে মানসিক অশান্তি,অবসাদ আর হীনমন্যতার কারন হয়ে দাঁড়ায়।
শরীরে অতিরিক্ত চর্বি জমার ফলে মানুষ মোটা হয় বা ভুঁড়ি হয়। ফ্যাট সেল বা চর্বিকোষ আয়তনে বাড়ে তখন শরীরে চর্বি জমে। পেটে, নিতম্বে, কোমরে ফ্যাট সেল বেশি থাকে। অতিরিক্ত খাওয়ার জন্য দেহে চর্বি জমে, আবার যে পরিমাণ খাওয়া হচ্ছে বা দেহ যে পরিমাণ ক্যালরি পাচ্ছে সে পরিমাণ ক্ষয় বা ক্যালরি খরচ হচ্ছে না-এ কারণেও দেহে মেদ জমতে পারে।
মদ্যপান, অতিরিক্ত ঘুম, মানসিক চাপ, স্টেরয়েড এবং অন্য নানা ধরনের ওষুধ গ্রহণের ফলেও ওজন বাড়তে পারে। বাড়তি ওজন কিংবা ভুঁড়ি নিয়ে অনেক সমস্যা। বাড়তি ওজনের জন্য যেকোনো ধরনের হৃদরোগ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এছাড়া রক্তনালিতে চর্বি জমে নানা সমস্যার সৃষ্টি হয়। বাড়তি ওজন রক্তচাপেরও কারণ।ডায়াবেটিস টাইপ-২ দেখা দিতে পারে মেদ বৃদ্ধির জন্য। মেদবহুল ব্যক্তির জরায়ু, প্রস্টেট ও কোলন ক্যান্সারের সম্ভাবনা শতকরা ৫ ভাগ বেশি।

ওজন বৃদ্ধির সাথে সাথে হাঁটাচলা করতে সমস্যা হয়। হাঁটুর সন্ধিস্থল, কার্টিলেজ, লিগামেন্ট ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। আর্থ্রাইটিস, গেঁটে বাত এবং গাউট হওয়ার সম্ভাবনাও বেড়ে যায়। অতিরিক্ত চর্বি থেকে পিত্তথলিতে পাথর হওয়ার সম্ভাবনাও বেড়ে যায়।দ্রুত পেটের মেদ ঝরিয়ে ফেলতে চান?
নিজের ওজনটা কমিয়ে ঝরঝরে ও ফিট সকলেই থাকতে চান। অনেক ডায়েট, ব্যায়ামের পরও ওজন কমছে না? ভুলটি লুকিয়ে আছে অন্য কোথাও।মেদ ভুঁড়ি কিংবা একটু বাড়তি ওজন কমানোর জন্য বেশিরভাগ মানুষ সবসময়ই অনেক চিন্তিত থাকেন। কী করলে ওজন কমবে, কী কী না খেলে ওজন কমবে, কোন কোন খাবার ওজন কমায়, ডায়েট করতে চাইলে কীভাবে করতে হবে এই সব ভেবে ভেবে ঘন্টার পর ঘণ্টা পার হয়ে যায়। Ayurveda-অনুযায়ী স্থূলতা বা মাত্রাতিরিক্ত ওজন হচ্ছে একটি মারাত্মক স্বাস্থ্য সমস্যা শুধুমাত্র হৃদয়ের ওপর অতিরিক্ত বোঝা নির্বাণ লিভার, কিডনি কোমর, হাঁটু এবং গোড়ালীর জয়েন্টগুলোতে উপর স্ট্রেন. স্থূলতা করোনারি হৃদরোগ, হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, বাত, গেঁটেবাত, যকৃত এবং পিত্ত থলি রোগের মত অনেক সমস্যার প্রধান কারণ হল স্থূলতা ।
কার্যকরিতা:
1. অতিরিক্ত ওজন কমায় ( মাসে ২-৩ কেজি পর্যন্ত)।
2. শরীরের যে কোন অংশের অপ্রয়োজনীয় চর্বি বার্ণ করে।
3. কলেস্টেরল (LDL) কমায় নিমেষে এবং উপকারি কোলেস্টেরলের (HDL) পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়।
4. রক্তের ঘনত্ব কমিয়ে রক্ত চলাচল স্বভাবিক করে।
5. হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমায়।
6. এন্টি-এজিং ক্ষমতা সম্পন্ন। ফলে বয়ষের ছাপ কমে আসে।
7. ব্রন প্রতিরোধ করে।
8. ডিপ্রেশন দূর করতে সাহায্য করে। ফলে শরীর ও মন প্রফুল্ল থাকে।
9. স্মৃতিশক্তি উন্নতি ঘটাতে সহায়ক।
10. অ্যান্টি-ভাইরাল এবং ব্যাকটেরিয়া বিরোধী।
11. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।

অতিরিক্ত ওজন কমাতে আপনাদের জন্য আদর্শ পণ্য হতে পারে Fat Burner (Green Tea Extracts) যা গ্রিন টি এর নির্যাস থেকে তৈরি ।
১০০% নিরাপদ প্রাকৃতিক ভেষজ ।
১ মাসে ২-৩ কেজি অতিরিক্ত কমানো সম্ভব।
মূল্য: ৮০০/-
১ মাসের কোর্স মূল্য ২৪০০ টাকা। বিফলে দ্বিগুণ মূল্য ফেরত গ্যারান্টির সহিত দেওয়া হচ্ছে ।
যোগাযোগ ঃ ০১৮৪৯৪০৭৮৫৮

ডেলিভারি চার্জ: ৫০/- (ঢাকার মধ্যে)
ডেলিভারি চার্জ: ১০০/- ( ঢাকার বাহিরে কুরিয়ার চার্জ)
সীমিত সময়ের জন্য একসাথে ২ টা নিলে ডেলিভারি চার্জ সম্পূর্ণ ফ্রি।
ঢাকার বাহিরে পণ্য পেতে ১০০/- অগ্রিম পাঠাতে হবে।

NB: This product is dietary supplements. Not for medicinal use.

30/08/2018

বিঃদ্রঃ সজিনার ঔষধিগুণঃ

১। মুখে রুচি বাড়েঃ সজনে ডাঁটার মতো এর পাতারও রয়েছে যথেষ্ট গুণ। সজনে পাতা শাক হিসেবে, ভর্তা করেও খাওয়া যায়। এতে মুখের রুচি আসে।

২। শ্বাসকষ্ট কমাতেঃ সজনে পাতার রস খাওয়ালে শ্বাসকষ্ট সারে। তাছাড়া পাতাকে অনেকক্ষণ সিদ্ধ করে তা থেকে যেই ঘন রস পাওয়া যায় হিং (এক ধরনের বৃক্ষ বিশেষ) ও শুকনো আদার গুঁড়ো মিশিয়ে খাওয়ালে পেটের গ্যাস বেরিয়ে যায়।

৩। রক্ত চাপ কমাতেঃ বার্মিজ চিকিৎসকদের মতে সজনের পাকা পাতার টাটকা রস দু’বেলা খাবাবের ঠিক আগে ২-৩ চা চামচ করে খেলে উচ্চ রক্ত চাপ কমে যায়। তবে ডায়াবেটিস থাকলে তা খাওয়া নিষেধ।

৪। ফোঁড়া গলাতেঃ সজনে পাতার বেটে অল্প গরম করে ফোঁড়ার ওপর লাগালে ফোঁড়া ফেটে যায়।

৫। খুসকির জন্যঃ সজনে পাতার রস মাথায় ঘষলে খুসকি দূর হয়।

৬। ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতেঃ সজনা পাতার রসে ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করার ক্ষমতাও রয়েছে।

৭। উচ্চ রক্ত চাপ নিয়ন্ত্রণেঃ সজনে ডাঁটা খাওয়া উচ্চ রক্ত চাপের রোগীদের জন্য বেশ উপকারী। সজনে দেহের কোলেস্টোরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। এছাড়া উচ্চ রক্ত চাপের চিকিৎসায় সজনের পাতাও বেশ গুরুত্বপূর্ণ। সজনের পাতার (কচিনয়) রস প্রতিদিন নিয়ম করে ৪-৬ চা চামচ খেলে উচ্চ রক্ত চাপের সমস্যা অনেকাংশে কমে যায়।

৮। টিউমার বা আঘাত জনিত ফোলা উপশমেঃ টিউমার যখন একেবারে প্রাথমিক অবস্থায় থাকে তখন সজনের পাতা এই টিউমার নিরাময় করতে পারে। প্রাথমিক অবস্থায় টিউমার ধরা পরলে তাতে সজনে পাতা বেটে প্রলেপের মতো ব্যবহার করলে টিউমারের ফোলাভাব কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া ব্যথা বা আঘাত পেলে দেহের কোনো অংশ ফুলে উঠলে একই উপায়ে তা নিরাময় করা সম্ভব।

৯। বাতের ব্যথা উপশমেঃ বাতের ব্যথা উপশমে সজনে গাছের ছাল বেশ কার্যকর। এই পদ্ধতি বেশ প্রাচীনকাল থেকে ব্যবহার হয়ে আসছে। সজনে গাছের ছাল তুলে তা বেটে রস চিপে নিয়ে এই রস নিয়মিত প্রতিদিন ৪-৬ চা চামচ খেলে বাতের ব্যথা প্রায় ৬৫% উপশম হয়।

১০। দাঁতের মাড়ির সুরক্ষায়ঃ অনেক সময় দাঁতের মাড়ির সমসসায় ভুগে থাকেন অনেকে। দাঁতের গোড়া থেকে রক্ত পড়া এবং মাড়ি ফুলে যাওয়া সমস্যায় ইদানীং অনেককে পড়তে দেখা যায়। এই সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে সজনে পাতা। সজনে পাতা ১/২ মগ পানিতে ফুটিয়ে নিয়ে সেই পানি দিয়ে ভালও করে প্রতিদিন কুলকুচা করতে হবে। এতে মাড়ির সকল সমস্যার সমাধান হয়।

১১। হেঁচকি ওঠা উপশমেঃ হেঁচকি ওঠা যে কতো কষ্টের তা যারা ভুক্তভোগী তারা ঠিকই জানেন। একবার হেঁচকি উঠা শুরু করলে তা বন্ধ হতে চায় না সহজে। কিন্তু সজনে এই সমস্যার সমাধান করতে পারে বেশ সহজে। সজনে পাতার রস ৯/১০ ফোঁটা আধ গ্লাস দুধের সাথে মিশিয়ে পান করে ফেলুন এক নিঃশ্বাসে। দেখবেন হেঁচকি ওঠা দ্রুত বন্ধ হয়ে যাবে।

১২। পেটের সমস্যা সমাধানেঃ বহুকাল আগে থেকে সজনে হজমের সহায়ক খাবার হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। পেটে গ্যাস হলে, বদহজম হলে এবং পেটে ব্যথা হলে সজনের তৈরি তরকারীর ঝোল খেয়ে নিন। দেখবেন পেটের গোলমাল অনেক উপশম হয়ে গিয়েছে।

১৩। শরীর ব্যাথাঃ শরীরের কোন স্থানে ব্যথা হলে বা ফুলে গেলে সজিনার শিকড় বেটে প্রলেপ দিলে ব্যথা এবং ফোলা সেরে যায়।

১৪। কান ব্যথাঃ শেকড়ের রস কানে দিলে কানের ব্যথা ভাল হয়ে যায়।

১৫। মাথা ব্যথাঃ সজিনার আঠা দুধের সাথে খেলে মাথা ব্যথা সেরে যায়। আঠা কপালে মালিশ করিলে মাথা ব্যথা সেরে যায়। ফোড়া হলে সাজিনার আঠা প্রলেপ দিলে সেরে যায়।

১৬। মুত্রপাথরীঃ সজিনা ফুলের রস দুধের সাথে মিশিয়ে খেলে মুত্রপাথরী থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

১৭। শিশুদের পেটের গ্যাসঃ সজিনা পাতার রসের সাথে লবণ মিশিয়ে খেতে দিলে বাচ্চাদের পেটে জমা গ্যাস দূর হয়।

১৮। কুকুরে কামড়েঃ সজিনা পাতা পেষণ করে তাতে রসুন, হলুদ, লবণ ও গোল মরিচ মিশিয়ে সেবন করলে কুকুরের বিষ নষ্ট হয়।

১৯। জ্বর, সর্দিঃ পাতার শাক খেলে জ্বর ও যন্ত্রণাদায়ক সর্দি আরোগ্য হয়।

২০। গর্ভপাতকারকঃ সজিনা গর্ভপাত কারক। সজিনার ছাল গর্ভাশয়ের মুখে প্রবেশ করালে গর্ভাশয়ের মুখ প্রসারিত হয়ে যায় এবং গর্ভপাত ঘটে

২১। কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণেঃ সজিনা শরীরে কোলেস্টরেলের মাত্রা ঠিক রাখে।

২২। গ্লুকোজ কমাতেঃমানুষের শরীরে চিনির মাত্রা সমান রাখে ও ডায়াবেটিসের বিরুদ্ধে লড়তে সাহায্য করে। এতে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় অ্যামিনো এসিড পাওয়া যায়।

২৩। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতেঃ হজমে সাহায্য করে ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
শরীরে পুষ্টি ও শক্তি জোগায়।

২৪। লিভার ও কিডনির সুরক্ষায়ঃসজিনা লিভার ও কিডনি সুরক্ষিত রাখে।

২৫। বাড়তি ওজন কমাতেঃশরীরের বাড়তি ওজন কমাতে সাহায্য করে।

২৬। যৌনশক্তি বাড়াতেঃ পুরুষের যৌনশক্তি বৃদ্ধি ও দীর্ঘস্থায়ী করে ।

২৭। কৃমিনাশক হিসেবেঃ কৃমিনাশক হিসেবে সজিনা ব্যবহার করা যায়।

সজিনায় রয়েছে ৪৬টি এন্টি-অক্সিডেন্ট এবং ৩৬টি এন্টি-ইনফ্লেমেটরী কম্পাউন্ড, ৮ টি প্রয়োজনীয় এমাইনো এসিড

Photos from Aware To Health's post 24/08/2018

তুলসী পাতার গুনাগুন

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address

Dhaka
1430