Your Healthy Life
স্বাস্থ্য সম্পর্কিত সকল প্রয়োজনীয় তথ্য দেয়ার প্রতিশ্রুতি নিয়ে আমরা রয়েছি আপনার পাশে।
22/02/2017
আপনি নিশ্চই জানেন যে, যৌন সমস্যা / প্রসাবে ক্ষয় / ধাতু ক্ষয় / ধাতু দুর্বলতা অন্যান্য রোগের মতো একটি সাধারণ সমস্যা।
******************
আমাদের দেশের অধিকাংশ পুরুষদের ( বিশেষ করে ১৮-৩৫ বছরের ) মাঝেই উপরে উল্লেখিত সমস্যাগুলো পরিলক্ষিত হয়ে থাকে, জেনে খুশী হবেন যে আধুনিক যৌন বিজ্ঞান-এর কল্যাণে উক্ত সমস্যাগুলির সফল সমাধান সম্ভব!
হটলাইনঃ 01754 - 68 55 01
******************
নিচের লিংকে/ছবিতে ক্লিক করে আমাদের ওয়েবসাইট থেকে জেনে নিন - উক্ত সমস্যাগুলো মানবদেহে সৃষ্টির কারন, উপযুক্ত চিকিৎসা সহ বিস্তারিত সকল তথ্যাদি।
প্রসাবে ক্ষয় / যৌন সমস্যা / ধাতু দূর্বলতা - জেনে নিন এর লক্ষণ ও উপযুক্ত বৈজ্ঞানিক সমাধান। উক্ত রোগটি খুব ধীরে ধীরে শরীরের উপর প্রভাব ফেলে শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা নষ্ট করে দেয় । এক কথায় বলতে গেলে - ইহা নিজে কোন রোগ নয় কিন্তু ইহা অন্যান্য অনেক শারীরিক রোগের সৃষ্টিকারী ।
22/02/2017
কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ রাখতে সাহায্য করবে এই ৫টি জুস ।
আজকাল একটি রোগের নাম প্রায় শুনতে পাওয়া যায় তা হল কোলেস্টেরল । শুধু বয়স্কদের নয় এটি অল্প বয়সের মানুষের মাঝেও দেখা দিতে পারে । কোলেস্টেরল মূলত হল একটি ভারী ফ্যাটি অ্যাসিড । আমাদের দেহে পাঁচ ধরণের কোলেস্টেরল রয়েছে । এর মধ্যে হাই ডেনসিটি লাইপোপ্রোটিন নামক কোলেস্টেরল স্বাস্থ্যের জন্য ভালো , আর বাকী কোলেস্টেরলগুলো স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর । লো-ডেনসিটি লাইপো প্রোটিন অথবা এলডিএল এর মতে খারাপ কোলেস্টেরল আস্তে আস্তে আপনাকে মৃত্যুর দিকে ধাবিত করে । ওষুধের পাশাপাশি খাদ্যভ্যাস অনেক ভূমিকা রাখে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে । কিছু পানীয় আছে যা কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে ।
১। আপেল, শসা এবং আদার রসঃ- দুটি আপেল কুচি , একটি শসা , আধা ইঞ্চি আদা কুচি , এবং একটি লেবুর রস । সবগুলো ফল ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে জুস তৈরি করুন । আপেলে প্যাকটিন , ফাইবার রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা হ্রাস করতে সাহায্য করে ।
২। কমলার রসঃ- তাজা কমলার রস কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে থাকে । এক গবেষণায় দেখা গেছে দিনে ৩ গ্লাস কমলার রস এক মাসের মধ্যে এচডিএল এর লেভল শতকরা ২১ পারসেন্ট এবং এলডিএল বা এচডিএল এর মাত্রা ১৩ পারসেন্ট পর্যন্ত কমিয়ে দিয়ে থাকে । আপনি যদি কোলেস্টেরলে রোগী হয়ে থাকেন তবে নিয়মিত কমলার রস পান করুন ।
৩। কমলা , নাশপাতির রসঃ- দুটি কমলার রস , দুটি নাশপাতি কুচি , ছোট আকৃতির আদা কুচি , এক টেবিল চামচ মধু এবং এক টেবিল চামচ অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার একসাথে মিশিয়ে নিন । এটি প্রতিদিন এক থেকে দুই গ্লাস পান করুন । ভাল ফল পেতে সকালে নাস্তার সময় এক গ্লাস পান করুন ।
৪। আঙ্গুর রসঃ- Smithson এর মতে প্রতিদিন ৮ আউন্স আঙ্গুরের রস নারীরা এবং ১৬ আউন্স আঙ্গুরের রস পুরুষরা পান করুন । তবে বাজারে কেনা বা প্যাকেটজাত আঙ্গুরের রস নয় , ফ্রেশ আঙ্গুর রস খাওয়ার চেষ্টা করুন ।
৫। আপেল , বিট , গাজরের রসঃ- একটি মাঝারি আকৃতির আপেল , একটি বিট , পাঁচ ছয়টি গাজর , অর্ধেকটা লেবুর রস এবং দুটি কমলার একসাথে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে রস করে নিন । এটি প্রতিদিন পান করুন ।
[প্রকৃতির মাঝেই রয়েছে সুস্থ্যতার সকল উপাদান , শুধু প্রয়োজন তার উপযুক্ত ব্যবহার । আর সেই ব্যবহার্য জ্ঞ্যান সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে আমরা রয়েছি আপনার পাশে । নিয়মিত স্বাস্থ্য বিষয়ক তথ্য জানতে লাইক দিয়ে রাখুন আমাদের পেজে , পাশাপাশি আমাদের দেওয়া তথ্যগুলো সম্পর্কে কমেন্টের মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই জানাতে পারেন আপনার মূল্যবান মন্তব্য]
22/02/2017
শরীর ঠাণ্ডা রাখাতে যে খাবারগুলো খাবেন...
গ্রীষ্মেকালে গরম লাগবেই। তবে এ সময় শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে খেতে পারেন নানান রকম ফল।
স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে এমনই কিছু খাবারের নাম উল্লেখ করা হয়। খাবারগুলো প্রচণ্ড গরমে শরীরের তাপ কিছুটা নিয়ন্ত্রণে রাখে।
দই:
দই এক ধরনের ‘সুপার ফুড’। গরমে নিয়মিত দই খাওয়া উপকারী। এমনকি যারা ‘ল্যাকটস ইনটলারেন্ট’ সমস্যায় ভুগছেন তারাও দই খেতে পারবেন। দইয়ে প্রচুর ক্যালসিয়াম রয়েছে, এছাড়াও স্বাস্থ্যকর প্রোটিনেরও ভালো উৎস এই খাবার। আরও আছে ভিটামিন বি টুয়েলভ ও ভিটামিন ডি। তাছাড়া দইয়ে থাকা প্রোবায়োটিকস নানা ধরনের রোগ প্রতিরোধে কার্যকর। সরাসরি না খেতে চাইলে লাচ্ছি বা দই থেকে তৈরি পানীয় পান করা যায়।
আইসড টি:
যারা চা-প্রেমী তাদের জন্য উপযোগী পানীয় আইসড টি। নিজের পছন্দের চা বানিয়ে তা ঠাণ্ডা করে বরফ কুচি মিশিয়ে পান করুন। গরমে লেবু, স্ট্রবেরি, কমলা ইত্যাদি দিয়ে তৈরি চা বেশ উপযোগী।
মরিচ:
স্বাদে ঝাল। তবে মরিচ শরীর ঠাণ্ডা রাখে। শুনতে অবাক লাগলেও কথা সত্যি। মরিচে থাকা ক্যাপসাইসিন উপাদান শরীরের রক্তসঞ্চালন বৃদ্ধি করে। এতে শরীরে ঘাম হয়। আর ঘামই শরীরের বাড়তি তাপ কমিয়ে শরীর ঠাণ্ডা করে আনতে সাহায্য করে।
পেঁয়াজের রস:
হিট স্ট্রোক এড়াতে বেশ উপযোগী ঘরোয়া টোটকা পেঁয়াজের রস। এক চামচ পেঁয়াজের রস পান করলে, অতিরিক্ত সূর্য তাপের কারণে শরীর ও মস্তিষ্কের যে কোষগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয় সেগুলো সেরে উঠতে থাকে। তাছাড়া শরীরের তাপমাত্রা কমিয়ে আনতে বুকের উপর খানিকটা পেঁয়াজের রস লাগিয়ে রাখা যেতে পারে। গরমে সালাদের সঙ্গে পেঁয়াজ খাওয়া বেশ উপকারী।
তরমুজ:
গরমে বেশ জনপ্রিয় এবং উপকারী ফলের নাম তরমুজ। লাইকোপেন সমৃদ্ধ তরমুজের ৯০ শতাংশই পানি। তাই গরমে পানি শূন্যতা এড়াতে এই ফল বেশ উপকারী। এছাড়াও ঘামের কারণে শরীর থেকে যে খনিজ উপাদান বের হয়ে যায়, তরমুজ সেগুলোর ক্ষতি পুষিয়ে উঠতেও সাহায্য করে।
নারিকেলের পানি:
গরমের দিনে তৃষ্ণা মেটাতে নারিকেলপানির জুড়ি নেই। এই প্রাকৃতিক সুস্বাদু পানীয় রক্তের ইলেট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখে এবং এতে শরীর ঠাণ্ডা থাকে। তাছাড়া নারিকেলের শাঁসে আছে প্রচুর আঁশ, প্রাকৃতিক এনজাইম, আয়রন, সোডিয়াম, পটাশিয়াশ-সহ আরও বেশ কিছু খনিজ উপাদান। তাই নারিকেল খাওয়া গরমে বেশ উপকারী।
ফলের তৈরি পপসিকল:
বাজার থেকে ললি বা আইসক্রিম না কিনে ঘরেই বিভিন্ন মৌসুমি ফল ব্লেন্ড করে পপসিকল তৈরি করে নিন। স্ট্রবেরি, আম, নারিকেলের পানি, তরমুজ ইত্যাদি মিলিয়ে ফ্রিজের বরফ জমার ফ্রেমে দিয়ে জমিয়ে নিন। সঙ্গে দিতে পারেন কমলার সুগন্ধি বা আদার রস। ঠাণ্ডায় অল্প জমে আসতেই প্রতিটি খোপে কাঠি গুঁজে দিতে পারেন।
ডায়াবেটিকদের জন্য এই পানীয়র সঙ্গে ভাজা জিরাগুঁড়া মিশিয়ে তৈরি করে নিতে পারেন জামুন পপসিকল।
22/02/2017
গরম গরম রসগোল্লার ১০ গুণ...
ভোজন রসিক বাঙালির রসিক খাবার রসগোল্লা। অধিকাংশ বাঙালির প্রিয় খাবারের তালিকায় রসগোল্লার অবস্থান উপরের দিকে। নানা গুণে সমৃদ্ধ এই গরম রসগোল্লা। নিয়মিত গরম রসগোল্লা খেলে ওজন তো বাড়েই না, বরং নিয়ন্ত্রণে থাকে। জেনে নিন গরম রসগোল্লার ১০ গুণ।
দাঁত ও হাড়ের যত্নে
রসগোল্লা ছানা দিয়ে তৈরি হওয়ায় রসগোল্লায় প্রচুর পরিমাণ প্রোটিন, ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস থাকায় হাড় ও দাঁত সুস্থ থাকে। হাড় বা দাঁতের ক্ষতও রোধ করতে পারে রসগোল্লা। অস্টিওপরেসিস বা গাঁটে ব্যথা সারাতেও উপকারী গরম রসগোল্লা।
ইন্সট্যান্ট এনার্জি
দেহের প্রয়োজনীয় ক্যালরি মিটিয়ে ইন্সট্যান্ট এনার্জি জোগায় রসগোল্লা। সারা দিনের খাটনির পর বা ওয়ার্ক আউটের পর গরম রসগোল্লা খেতে পারেন।
যন্ত্রণা উপশমে
ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড ও ওমেগা সিক্স ফ্যাটি অ্যাসিড গাঁট ও বাতের ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। ভিটামিন কে ও ম্যাগনেশিয়াম হাড়ের ঘনত্ব ধরে রাখে।
দাঁতের ক্যাভিটি
রসগোল্লায় ল্যাকটোসের পরিমাণ কম থাকায় দাঁত ক্ষতিকারক সুগারের হাত থেকে রক্ষা পায়। ভিটামিন ডি ক্যাভিটি রোধ করতে সাহায্য করে।
ওজন
রসগোল্লা হাই প্রোটিন ডায়েট। মোনোস্যাচুরেটেড ও পলিস্যাচুরেটেড ফ্যাট ওজন কমাতে সাহায্য করে। রসগোল্লার মধ্যে প্রচুর পরিমাণ ডায়েটারি ফাইবার থাকার কারণে হজম ভাল হয়। ফলে ওজন থাকে নিয়ন্ত্রণে।
ক্যানসার
উচ্চমাত্রায় ও উচ্চমানের প্রোটিন থাকার কারণে পেট, ব্রেস্ট, প্রস্টেট বা কোলন ক্যানসার রুখতে পারে রসগোল্লা।
হার্ট
ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড থাকার কারণে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। ফলে হার্টের অসুখে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে।
ইউরিনারি
রসগোল্লা ইউরিনারি সিস্টেমের কর্মক্ষমতা বজায় রাখে। ফলে সহজে কিনডি স্টোন হতে পারে না।
রোগ প্রতিরোধ
রসগোল্লা রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ বাড়িয়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ধরে রাখে। সর্দি, কাশি ও অ্যাজমা সারাতে উপকারী রসগোল্লা।
শিশুদের জন্য
রসগোল্লা পুষ্টিগুণে ভরপুর। শিশুদের প্রয়োজনীয় পুষ্টি জুগিয়ে শারীরিক ও মানসিক গঠনে সাহায্য করে গরম রসগোল্লা।
22/02/2017
পায়ের দুর্গন্ধ দূর করার ১০টি টিপস...।
শরীরের যেকোন অংশের চেয়ে এমনকি বগলের চেয়েও বেশি ঘর্ম গ্রন্থি থাকে পায়ের পাতায়। যখন পায়ের পাতার ঘর্মগ্রন্থি থেকে ঘাম নির্গত হয় তখন পুরো স্থানটি দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়ার প্রজনন স্থলে পরিণত হয়। হরমোনের পরিবর্তনের কারণে (যেমন-বয়ঃসন্ধি কালে অথবা প্রেগনেন্সির সময়), স্ট্রেসের মধ্যে থাকলে, দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকলে, ব্যায়াম করলে বা গরমের কারণে পা ঘামতে পারে। পায়ের পাতার দুর্গন্ধ দূর করার জন্য বিশেষজ্ঞ অনুমোদিত কিছু টিপস জেনে নিই চলুন।
১। দিনে অন্তত একবার আপনার পা আঙ্গুলের ফাঁকগুলো সহ পরিষ্কার করে ধুয়ে নিন এবং ভালোভাবে মুছে শুস্ক রাখুন। অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল সাবান ব্যবহার করতে পারেন।
২। ঘাম ও দুর্গন্ধ দূর করার জন্য পায়ের পাতার নীচের দিকে আন্ডারআর্ম ডিওডোরেন্ট বা অ্যান্টিপারস্পিরেন্ট স্প্রে ব্যবহার করুন। এরপর কিছুটা ফুট পাউডার পায়ের পাতার উপর ছিটিয়ে দিন। এটি অতিরিক্ত ঘাম শোষণ করে নিবে এবং দুর্গন্ধ দূর করতেও সাহায্য করবে।
৩। জুতার ধরণও অনেক বড় পরিবর্তন আনতে পারে। অনেক বেশি আঁটসাঁট জুতা যেমন- বুট জুতা সম্ভবত গন্ধের সৃষ্টি হয়। কারণ এই ধরণের জুতায় বায়ু চলাচল করতে পারেনা। যদি সম্ভব হয় তাহলে সামনের দিকে খোলা জুতা বা স্যান্ডেল ব্যবহার করুন। অ্যাথলেটিক জুতা ব্যবহার করতে পারেন যার পাশ দিয়ে জালের মত অংশ থাকে যা দিয়ে ভেন্টিলেশনের সুবিধা থাকে।
৪। প্রতিদিন পরিষ্কার মোজা পড়লে বড় পার্থক্য দেখতে পাবেন। সুতির, উলের বা ঘাম শোষণকারী মোজা পায়ের আর্দ্রতা শোষণে সাহায্য করে।
৫। পরপর দুই দিন একই মোজা জোড়া পড়া থেকে বিরত থাকুন। দিন শেষে আপনার জুতা জোড়াতে বায়ু চলাচল করতে দিন। জুতা খুলে এমন জায়গায় ও এমন ভাবে রাখুন যাতে ভেতরের অংশ পুরোপুরি শুষ্ক হতে পারে।
৬। আপনার জুতা শুষ্ক ও ঠান্ডা পরিবেশে রাখুন। স্যাঁতসেঁতে জুতা জোড়া যদি আর্দ্র পরিবেশে রাখেন তাহলে এর দুর্গন্ধ দূর হবে না।
৭। আপনার জুতা জোড়া যদি ধুতে চান তাহলে কিছু সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন। চামড়ার জুতা না ধোয়াই ভালো। অন্য উপাদানে তৈরি জুতা ধুয়ে নিতে পারেন। ধোয়ার পড়ে সূর্যের আলোতে শুকিয়ে নিন।
৮। ৪ কাপ পানিতে ১/২ কাপ ভিনেগার মিশিয়ে এই মিশ্রণটিতে আপনার পা ডুবিয়ে রাখুন ১৫ মিনিট। ভিনেগার প্রাকৃতিক অ্যাসট্রিনজেন্ট বা রোধক হিসেবে কাজ করে তাই ঘাম কমাতে সাহায্য করে। ভিনেগার যেহেতু এসিডিক তাই এর ব্যবহারের পর কয়েক ঘন্টা আপনার পা শুষ্ক থাকবে।
৯। পায়ের দুর্গন্ধ দূর করার জন্য দিনের কিছুটা সময় খালি পায়ে হাঁটা প্রয়োজন।
১০। সুগন্ধের জন্য পায়ের পাতায় ল্যাভেন্ডার অয়েল ব্যবহার করুন। এটি অ্যান্টি ফাংগাল এজেন্ট হিসেবেও কাজ করে। একটি পাত্রে আধা লিটার পানি নিয়ে এর মধ্যে ২-৩ ফোঁটা ল্যাভেন্ডার অয়েল মিশান। এই মিশ্রণটিতে আপনার পা ভিজিয়ে রাখুন ২০ মিনিট যাবত। সপ্তাহে দুই দিন ব্যবহার করলেই পার্থক্য বুঝতে পারবেন।
কখন চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে?
অন্য কোন স্বাস্থ্য সমস্যার কারণেও পায়ের পাতার দুর্গন্ধ হতে পারে। ছত্রাকের সংক্রমণ যেমন- অ্যাথলিট'স ফুট হলে পায়ের পাতায় দুর্গন্ধ হতে পারে, হাইপাররিড্রোসিস হলে ঘামের পরিমাণ বৃদ্ধি পায় তাই পায়ের পাতার দুর্গন্ধ হওয়ার সমস্যাটি ও বেড়ে যায়। যদি উপরোক্ত পরামর্শ গুলো মেনে চলার পরও আপনার পায়ের পাতার ঘাম ও দুর্গন্ধের সমস্যাটির সমাধান না হয় তাহলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া প্রয়োজন।
[]
22/02/2017
সকালে ঘুম থেকে জেগে খালি পেটে এক গ্লাস পানি পান করুন, সুস্থ থাকুন !
পানির অপর নাম জীবন। পানি ছাড়া আমরা বাঁচতে পারি না। প্রতিদিন পরিমিত পরিমাণে পানি পান করা খুবই জরুরি। তবে সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর খালি পেটে এক গ্লাস পানি পান করা শরীরের জন্য খুবই ভালো। এ অভ্যাসটি যদি আপনি রপ্ত করতে পারেন, তবে অনেক ধরনের অসুখ-বিসুখ থেকে আপনার শরীর মুক্ত থাকবে; আপনিও থাকবেন সুস্থ ও সবল।
দিনের শুরুর এই এক গ্লাস পানিকে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা 'স্বাস্থ্যকর' 'বিশুদ্ধ' 'সুন্দর' ইত্যাদি বিশেষণে বিশেষায়িত করে থাকেন। প্রশ্ন হচ্ছে: কী পানি খাবেন? ঠাণ্ডা পানি, নাকি গরম পানি? মধুমিশ্রিত পানি, নাকি হালকা নোনতা পানি?
সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সকালে ঘুম থেকে উঠে ফুটানো পানি পান করা উচিত। হালকা নোনতা পানি ভাল, কিন্তু সাধারণত প্রতিদিনই আমরা খাবার থেকে সোডিয়াম পেয়ে থাকি। তাই শরীরে এর অভাব না-হলে অতিরিক্ত লবণ গ্রহণ করার দরকার নেই। মধুমিশ্রিত পানি অনেকের পছন্দ। এটি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। তবে মধুমিশ্রিত পানি মানে আবার অতিরিক্ত ক্যালরি। তাই সবচে ভালো সাধারণ পানি ফুটিয়ে পান করা। আর সে পানি ঠাণ্ডাও না, গরমও না---এমন হলে ভালো। সাধারণত রাতে ঘুমের মধ্যে পানি পান করা হয় না। তখন শরীরে পানির অভাব দেখা দেয়। সকালের এক গ্লাস পানি সে অভাব পূরণ করবে। তা ছাড়া, সকালে খালি পেটে পানি খেলে আপনার প্রস্রাবও ক্লিয়ার হবে।
এখানে একটা প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। প্রশ্নটা হচ্ছে: কেন সকালে ঘুম থেকে জেগেই খালি পেটে পানি খেতে হবে? প্রশ্নটি কিন্তু আমারও। চলুন দেখি, বিশেষজ্ঞরা এ প্রশ্নের কী জবাব দিচ্ছেন। তারা বলছেন, সকালে খালি পেটে এক গ্লাস পানি অন্তত চারটি উপকার করে। তাই আমাদের সকালে পানি খাওয়া উচিত এবং এটাকে অভ্যাসে পরিণত করা উচিত।
উপকারিতা ১: সকালে খালি পেটে পানি পান করলে শরীরের পানির অভাব পূরণ হবে। রাতে ঘুমানোর সময় মানবদেহের অভ্যন্তরে বিভিন্ন ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ায় পানির অভাব দেখা দেয়। আমরা সকালে ঘুম থেকে জেগে উঠি এই অভাব নিয়েই। তাই, ঘুম থেকে উঠেই এক গ্লাস পানি পান করার এই পরামর্শ। এতে দ্রুতই সেই অভাব পূরণ হয়ে যায়।
উপকারিতা ২: কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করেঃ- অনেকে কোষ্ঠকাঠিন্যতায় ভোগেন। তাদের জন্য সকালে উঠে খালি পেটে পানি খাওয়ার যাদুর মতো কাজ করতে পারে। আর যাদের এ সমস্যা নেই, সকালে পানি খাওয়ার অভ্যাস তাদেরকে কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে দূরে রাখবে বলে আশা করা যায়।
সকালে খালি পেটে পানি খাওয়ার তিন নম্বর উপকারিতা হচ্ছে, এতে পাকস্থলির কার্যক্ষমতা বাড়ে। রাতের বেলা বিপাকপ্রক্রিয়া চলতে থাকে এবং সকাল নাগাদ এ কাজ শেষ হয়ে যায়। তখন খালি পেটে এক গ্লাস পানি পাকস্থলিকে সক্রিয় করে তুলতে ভূমিকা রাখে। আবার এতে পাকস্থলির ওপর না-হক চাপও পড়ে না।
সকালে খালি পেটে পানি খাওয়ার চার নম্বর উপকারিতা হচ্ছে, এতে মস্তিষ্ক তুলনামূলকভাবে অধিক সচল হয়। কীভাবে? আমরা জানি রক্তের একটা বড় অংশই পানি। আর পানি পান করলে তা আমাদের রক্ত প্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে ভূমিকা রাখে। আর রক্ত প্রবাহ ঠিক থাকলে, মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক থাকে এবং এর ফলে মস্তিষ্ক অধিক সচল হয়।
সকালে ঘুম থেকে উঠে পানি পানের উপকারিতা নিয়ে এতক্ষণ আলোচনা করলাম। আগের অনুষ্ঠানে প্রতিদিন কতটুকু পানি পান করবেন, কখন করবেন, কীভাবে করবেন--এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি। এখন এ সম্পর্কে আরেকটু বিস্তারিত আলোচনা করতে চাই। আশা করি, এর মাধ্যমে আপনারা উপকৃত হবেন।
প্রতিদিন ঘুমোতে যাওয়ার আগে পানি পানের অভ্যাস আছে কি? অনেকে মনে করেন, রাতে শোয়ার আগে পানি পান না-করাই ভালো। আসলে, বিষয়টা ঠিক উল্টো। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগেও পরিমিত পানি পান করা উচিত।
সকালে ঘুম থেকে উঠে পানি পান করার বিশেষ উপকারিতা সম্পর্কে একটি ধারণা প্রচলিত আছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু সকালে নয়, সারাদিনই প্রয়োজন অনুসারে পানি পান করতে হবে, একটু একটু করে। রাতে শোয়ার আগে ৫০ থেকে ২০০ মিলিলিটার পর্যন্ত পানি পান করতে বলেন তাঁরা। শোয়ার আগে এর চেয়ে বেশি পানি না-পান করাই ভালো। কারণ, তাতে ঘুমের গুণগত মান কমে যায়।
আলিম: সুস্থতার জন্য প্রতিদিন কতটুকু পানি পান করা উচিত? হ্যাঁ, এই প্রশ্নের উত্তর একেক জন একেক রকমভাবে দিয়ে থাকেন। তবে, সবচেয়ে প্রচলিত উত্তরটি হচ্ছে: অন্তত ২০০০ মিলিলিটার। আধুনিক চিকিৎসকরা অবশ্য ১২০০ মিলিলিটারেই সন্তুষ্ট। তারা বলেছেন, এ পানি পান করতে হবে সারাদিন ধরে, একটু একটু করে। 'একটু একটু করে' বলতে তারা বুঝিয়েছেন ১০০ থেকে ২০০ মিলিলিটার করে।
অবশ্য, ঋতু ও পরিবেশভেদে পানিগ্রহণের পরিমাণ বাড়াতে হতে পারে। যেমন, গরমকালে যদি বেশি ঘাম হয়, তবে আপনার শরীরের পানির চাহিদা ২০০০ থেকে ৩০০০ মিলিমিটার হতে পারে। শরীরচর্চার ফলে শরীর থেকে প্রচুর ঘাম ঝরলেও পানি বেশি খেতে হতে পারে। আবার শীতকালে ১২০০ থেকে ১৫০০ মিলিলিটার পানিই অধিকাংশ ক্ষেত্রে যথেষ্ট।
আরেকটি কথা, যাদের কিডনিতে পাথর হয়েছে, বা যারা উচ্চ কলেস্টেরলের রোগী, তাদের সব ঋতুতেই প্রতিদিন অন্তত ২০০০ মিলিলিটার করে পানি পান করা উচিত। এক্ষেত্রে পানিটুকু খেতে হবে সারাদিন ধরে, একটু একটু করে।
22/02/2017
সকালের নাস্তায় এই ৬টি খাবার খাচ্ছেন তো ??
দিনের শুরুটা কি খাবার খেয়ে শুরু করেন ? স্বাস্থ্য সচেতন অনেকেই ফল , রুটি বা ওটস দিয়ে সকালের নাস্তা করে থাকেন । আপনি কি জানেন , সকালের খাবার আপনাকে সারাদিনের কাজের শক্তি দিয়ে থাকে ? দিনের শুরুটা করুন স্বাস্থ্যকর খাবার খেয়ে । ভারী খাবার , অতিরিক্ত ক্যালরিযুক্ত খাবার সকালে না খাওয়াই উচিত । এর পরিবর্তে খেতে পারেন এই খাবারগুলো ।
১। কমলাঃ- সকালে ফলের রস খেয়ে অনেকেই দিনের শুরুটা করে থাকেন । ফলের রসের মধ্যে কমলার রস খেতে পারেন । কমলার অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদান কোষ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া থেকে রক্ষার করার পাশাপাশি শরীরের টক্সিন বের করে দেয় । সারাদিন কাজের শক্তি দিয়ে থাকবে এক গ্লাস কমলার রস ।
২। ডিমঃ- দিনের শুরুটা প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার ডিম দিয়ে শুরু করুন । আপনার যদি মিষ্টি খাবারের প্রতি দুর্বলতা থাকে , তবে সকালে ডিম খান । এটি সারাদিনে কাজের এনার্জি দেবে , তার সাথে মিষ্টি খাবার খাওয়ার আগ্রহ কমিয়ে দেবে ।
৩। কলাঃ- সকালে নাস্তার সাথে একটি কলা খাওয়ার অভ্যাস করুন । কলার পটাসিয়াম রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে । ডিমের মত কলাও সারাদিনের কাজে শক্তি দিয়ে থাকে ।
৪। টকদইঃ- টকদই শুধু ক্যালসিয়ামের উৎস নয় , এটি অনেকগুলো মিনারেল যেমন ফসফরাস , ভিটামিন বি১২ , পটাসিয়াম , এবং জিঙ্কের অন্যতম উৎস । টকদইতে থাকা ভাল ব্যাকটেরিয়া হজমশক্তি বৃদ্ধি করে থাকে ।
৫। ওটমিলঃ- ওটমিলে বিটা গ্লুকোন জাতীয় দ্রবণীয় আঁশ রয়েছে যা হাইপারটেশন এবং কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে । ওটমিল পেট ভরা রেখে সারাদিনে কাজের শক্তি দিয়ে থাকে । এটি ওজন হ্রাস করতেও সাহায্য করে ।
৬। ব্রোকলিঃ- সকালে সবজি খাওয়ার অভ্যাস থাকলে ব্রোকলি রাখুন খাদ্যতালিকায় । সালাদ , ভাজি অথবা জুস করে খেতে পারেন ব্রোকলি । এতে ভিটামিন এ , ভিটামিন সি , কে , ফ্লোলেট রয়েছে যা ক্যান্সার প্রতিরোধ করে থাকে।
[প্রকৃতির মাঝেই রয়েছে সুস্থ্যতার সকল উপাদান , শুধু প্রয়োজন তার উপযুক্ত ব্যবহার । আর সেই ব্যবহার্য জ্ঞ্যান সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে আমরা রয়েছি আপনার পাশে । নিয়মিত স্বাস্থ্য বিষয়ক তথ্য জানতে লাইক দিয়ে রাখুন আমাদের পেজে , পাশাপাশি আমাদের দেওয়া তথ্যগুলো সম্পর্কে কমেন্টের মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই জানাতে পারেন আপনার মূল্যবান মন্তব্য ।]
22/02/2017
ডাবের পানি পান করার আগে সাবধান !
ডাবের পানির অসংখ্য স্বাস্থ্যকর প্রভাব সম্পর্কে আমরা সকলে কম-বেশি জানি। এটি অনেক স্বাস্থ্যকর পানীয়। অনেকের খুব প্রিয় এই তরল খাবার। কিন্তু অনেকেই হয়ত জানেন না, বেশি পরিমাণে ডাবের পানি পান করলে শারীরিক ক্ষতির আশংকা রয়েছে।
অতিরিক্ত ডাবের পানি পান করার ফলে কি কি স্বাস্থ্য-সমস্যা দেখা দিতে পারে তা এখানে আলোচনা করা হলঃ
১. ক্যালোরি বৃদ্ধি করেঃ- যারা নিজেদের ওজন নিয়ে অনেক বেশি চিন্তায় রয়েছেন, তাদের ডাবের পানি পান করার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন। যারা অতিরিক্ত ক্যালোরি কমানোর চেষ্টা করছেন তারা বেশি পরিমাণে ডাবের পানি পান করবেন না। অন্যান্য ফল ও পানীয় এর তুলনায় ডাবের পানিতে চিনির পরিমাণ কম হলেও এতে ক্যালোরি রয়েছে। যা আপনার ওজন বৃদ্ধি করতে পারে।
২. রক্তের শর্করা বৃদ্ধি করেঃ- ডাবের পানিতে চিনির পরিমাণ কম থাকলেও এখানে শর্করা ও ক্যালোরির পরিমাণ অনেক বেশি। যাদের উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা রয়েছে তাদের ডাবের পানি প্রতিদিন পান করা উচিৎ নয়। কারণ এতে করে তাদের রক্তে শর্করার পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে এবং রক্তচাপের সৃষ্টি হবে।
৩. রক্তের প্রবাহ বৃদ্ধি করেঃ- স্বাস্থ্যকর এই ডাবের পানিতে প্রচুর পরিমাণে সোডিয়াম রয়েছে। যা আমাদের শরীরের রক্ত-প্রবাহকে ত্বরান্বিত করে। যাদের উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা রয়েছে তাদের ডাবের পানি পান না করাই শ্রেয়। ডাবের পানির অসংখ্য উপকারিতার পাশাপাশি এর কিছু ক্ষতিকর প্রভাবও রয়েছে। তাই বলে ডাবের পানি পান করা ত্যাগ করবেন না। অতিরিক্ত পরিমাণে যেন পান না করা হয় তা লক্ষ্য রাখলেই চলবে।
27/12/2016
শীতকালে প্রতিদিনের খাদ্য তলিকায় যোগ করুন ফল। এই মৌসুমে বাজারে পাওয়া যাচ্ছে জাম্বুরা, কলা, আপেল, আঙ্গুরসহ নানা রকমের বাহারি ফল।
পুষ্টিগুণে ভরা এসব ফল ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায় এবং আপনাকে করে তোলে আরও সুন্দর।শীতকালের এ ফলগুলো খাবারের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি শুষ্ক ত্বকে জৌলুস ফিরিয়ে আনবে। এসব ফলের কোনটা ত্বকের যত্নে কার্যকরী কোনটা আবার চোখের দ্যুতি বাড়াতে সাহায্য করে। চলুন জেনে নেয়া যাক ৫টি ফলের মাধ্যমে সৌন্দর্য্য ফুটিয়ে তোলার রহস্য :
জাম্বুরা : জাম্বুরাতে আছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি। জাম্বুরা শীত মৌসুমে শুষ্ক ত্বক কোমল করে। ২০০৮ ইউরোপীয় ফার্মাসিউটিক্যাল এবং বায়োফার্মাসিটিক্যাল জার্নালে প্রকাশিত একটি সমীক্ষা অনুযায়ী, জাম্বুরা বিটা ক্যারোটিন সমৃদ্ধ ফল। এ ফলে লাইকোপিনি (lycopene) রয়েছে, যা বিশ জন চর্ম রোগীর ওপর প্রয়োগ করা হয়। এতে আশানুরূপ ফল পাওয়া গেছে।
পেঁপে : পাকা পেঁপেতে ভিটামিন ‘ই’ ও ভিটামিন ‘এ’ রয়েছে। পেঁপেতে প্রচুর জলীয় অংশ থাকায় এটি ত্বককে হাইড্রেট রাখতে সাহায্য করে। শরীরের স্বাভাবিক ক্রিয়ার জন্য অপরিহার্য ভিটামিন ও খণিজ পদার্থের উৎস পেঁপে। অক্সফলিয়েটিং ত্বকের মৃত কোষ সারিয়ে তুলে ত্বককে রাখে দাগ ও বলিরেখা মুক্ত। নিজেকে রোগ মুক্ত ও সুন্দর রাখার জন্য প্রতিদিন খাদ্য তালিকায় মহৌষধ পেঁপে রাখা জরুরি।
ডালিম : ডালিমের রস অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে আপনার ত্বকে পুষ্টি যোগায়। ডালিমে প্রচুর পরিমাণে আয়রন আছে। ডালিম রক্তে অক্সিজেন পরিবহনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটির মাইক্রো পুষ্টি আপনার ত্বকে অকাল ভাঁজ ও দাগ পড়া থেকে রক্ষা করে।
আনারস : এ ফলে ভিটামিন সি রয়েছে যা আপনার ত্বকের সমস্যাসহ অনেক রোগ প্রতিরোধ করে। আনারসে উপস্থিত Bromeliad নামক এনজাইম আমাদের ত্বকের জন্য অত্যন্ত উপকারী যা কিনা ত্বকের মৃত কোষ, বলিরেখা, ত্বকের উপরিভাগের ময়লা ও সানবার্নের মতো দাগ তুলতে সাহায্য করে ও ত্বক সফট করে। দিনে একবার আপনার মুখের ওপর আনারসের রস লাগান। এতে আপনার শুষ্ক ত্বক কোমল হবে।
কলা : কলায় রয়েছে উচ্চ পটাশিয়াম ও ভিটামিন ‘এ’ যা আপনার ত্বক কোমল করে। বিশেষ করে শীতকালে শুষ্ক ত্বকে কলা একটি ভাল প্রবায়োটিক হিসেবে কাজ করে। পরিপাকে ক্রিয়া বৃদ্ধি ও শরীরের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে অতুলনীয় ভূমিকা পালন করে
27/12/2016
ফিটনেস - পেটের মেদ কমানো যাবে ১ সপ্তাহে, আজই আপনার মেদ কমিয়ে ফেলুন:-
------------------------------------------------------------------------------
পেটের মেদ বাড়লে নারী বা পুরুষ উভয়কেই দেখতে খারাপ লাগে। কিন্তু পেটের মেদ জমার কারণ আমাদেরই অনিয়ম এবং বাজে খাদ্যাভ্যাস। পেটে বেশি মেদ জমলে তা নিয়ে বিপদে পড়ে থাকেন সবাই। কারণ একবার বেশি মাত্রায় মেদ জমে গেলে তা কমানো অনেক কষ্টসাধ্য কাজ। সকলেরই উচিৎ পেটের মেদের ব্যাপারে একটু সতর্ক থাকা। আমরা খুব সহজে আমাদের পেটে জমে থাকা মেদের হাত থেকে রেহাই পেতে পারি। আমাদের শুধু কষ্ট করে অনুসরণ করতে হবে কিছু ধাপ।
১ম ধাপ- পেটের মেদ কমানোর জন্য ব্যায়াম
পেটের মেদ কমানোর সর্ব প্রথম এবং সব চাইতে কার্যকরী কাজ হচ্ছে আমাদের পেটের পেশীর ফ্যাট কমানো যা বায়ামের মাধ্যমেই করা সম্ভব। আর শুধু পেটের ব্যায়াম করলেই চলবে না। করতে হবে পুরো শরীরের ব্যায়াম। তবে অবশ্যই পেটের দিকে নজরটা একটু বেশিই দিতে হবে। পুশ-আপ, পুল-আপ করতে হবে। দড়িলাফ সব চাইতে ভালো একটি ব্যায়াম শরীরের জন্য। মনে রাখতে হবে ১ সপ্তাহে পেটের মেদ কমাতে চাইলে প্রতিদিনের ব্যায়ামে আপনাকে ৫০০ থেকে ৬০০ ক্যালোরির মতো ক্ষয় করতে হবে।
২য় ধাপ- দিনের শুরু লেবু পানি দিয়ে
প্রতিদিন সকালবেলা নিয়ম করে ১ গ্লাস লেবু গরম পানি খাবেন। লেবুর রসের পরিমান যতোটা সম্ভব বেশি রাখার চেষ্টা করবেন। খাবার খাওয়ার আগে পানি খাবেন। এতে খাবারের চাহিদা কমে যাবে। দিনে প্রচুর পরিমাণ পানি রাখবেন।
৩য় ধাপ- পেটের পেশীর ব্যায়াম
পেটের পেশী অর্থাৎ অ্যাবডোমিনাল পেশীর ব্যায়াম করতে হবে সপ্তাহে ৩ দিন। ক্রাঞ্চ এবং পায়ের ব্যায়াম ৩ সেটে ২০ বার করে করতে হবে প্রতিবার। কুনুইএর মাধ্যমে পুশ-আপের ব্যায়াম করার অভ্যাস করতে হবে। এতে করে ১ সপ্তাহের মধ্যে পেটের মেদ কমে যাবে।
৪র্থ ধাপ- খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন
সাধারণত যেভাবে যে নিয়মে আপনি খাবার খান তার থেকে চিনি, এবং কার্বোহাইড্রেট বাদ দিতে হবে। কার্বোহাইড্রেট সামান্য রাখতে পারেন দেহের এনার্জির মাত্রা ঠিক রাখার জন্য। কিন্তু অবশ্যই চিনি বাদ দিতে হবে। মাছ এবং মুরগীর মাংস, প্রচুর পরিমানে শাকসবজি এবং ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার খাবেন। এবং প্রতিদিন তাজা ফল খাওয়ার অভ্যাস করবেন। বিশেষ করে টক জাতীয় ফল। লবণ রাখবেন না খাবারে। শুধু লবণ নয়, সোডিয়াম সমৃদ্ধ সকল খাবার থেকে দূরে থাকবেন।
৫ম ধাপ- খাবারে ব্যবহার করুন কিছু মশলা
খাবারে ব্যবহার করুন দারুচিনি, গোলমরিচ ও আদা। এইসকল মশলা পেটের মেদ দূর করতে বেশ কার্যকরী। রসুনও পেটের মেদ দূর করে। আদা এবং রসুন কাচা চিবিয়ে খাওয়ার অভ্যাস করুন। এবং খাবারে ঝালের মাত্রা বাড়িয়ে দিন। তবে অবশ্যই সহনশীল ঝাল দেবেন। ঝাল পেটের চর্বি কাটতে সাহায্য করে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
1216
