অনির্বাণ-Anirban
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from অনির্বাণ-Anirban, Health/Beauty, Dhaka.
গভীর রাতে তোমার
তুলে রাখা ছবি দেখে
আজও বোকার মতো কান্নায় ভেঙে পড়ি।
তুমি চলে না গেলে বুঝতেই পারতাম না,
রাত এতটা দীর্ঘ হতে পারে।
বুকের ভেতরের যন্ত্রণাগুলো
এভাবে ঝড় তুলতে পারে।
পাথর দিয়ে তৈরি মানুষও
কান্নায় ভেঙে পড়তে পারে।
তুমি চলে না গেলে বুঝতেই পারতাম না,
দূরত্ব আর একাকিত্ব
কীভাবে মানুষকে মেরে ফেলে।
সত্যি বলতে,
আমার একটা “তুমি”-র অভাব।
খুব করে পেতে ইচ্ছে করে তোমাকে।
লেখা : মুঈন তালুকদার।
Meghdol | Esho amer shohore..
#মেঘদল
আল্লাহুম্মা সল্লি ওয়া'সাল্লিম আ'লা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ
16/02/2026
অনেক ক্লান্ত, পরিশ্রান্ত আমি।
সমাজের বিষাক্ত ধনুক তাক করা আমার মগজে—
তীব্র আশঙ্কার ছায়ায়,
মগজও নীরবে হয় পরাস্ত।
তবুও তো আমি থামবার মানুষ নই।
যেই তোমরা মানুষ বেশে মানুষকে গিলে খাচ্ছো,
আস্ত পিশাচের ন্যায়—
আজ তোমাদের দেখে আমার বড্ড হাসি পায়!
তোমাদের দুঃখের কথা চিন্তা করে,
তোমাদের অস্তিত্বের বিসর্জন দেখে!
তোমরা অসুস্থ পৃথিবীতে জন্ম নিয়েছিলে,
পৃথিবীটাকে সুস্থ করবার জন্য।
অথচ তোমরাই আজ, দেখো—
মানুষ হয়ে গিলে খাচ্ছো মানুষকে,
অবিকল পিশাচের ন্যায়।
শুদ্ধ হবার তাড়না
তোমাদের চেতনায় কি কোনোদিন জন্মাবে না?
হতাশায় পিপাসাগ্রস্ত আমি,
তবুও হাসছি আমি—
অসুস্থ পৃথিবীটাকে বহন করে নিয়ে,
হাঁটছি আমি।
লেখা : মুঈন তালুকদার।
এই আবৃত্তি এক ‘না বলা’ জীবনের প্রতিধ্বনি।
কবিতা : ভেতরবাড়ির মর্গ
লেখক : স্বপ্নীল চক্রবর্ত্তী
আবৃত্তি: আজিবার মন্ডল
02/02/2026
হে গালিব, তুমিও না—
চলে গেলে অচিন পুরে,
তোমার প্রেমে মগ্ন করে।
মির্জা গালিব, এক অনন্ত শব্দের জাদুকর।
যখন তিনি বলেন—
“যখনই দেখেছি তাকে আমি অন্য কারো সাথে
তখনই বুঝেছি খোদা শিরক কেন ক্ষমা করেন না”
আমি স্তব্ধ হয়ে যাই। যেন হৃদয়ের প্রতিটি স্পন্দন একসাথে স্থির হয়ে গেছে। তখনই তাঁর প্রেমে পড়ি।
আবার যখন বলেন—
“তুমিও তো গালিব ভারি চমৎকার;
সব দাবী, চাওয়া পাওয়া তোমার কেবল মানুষের কাছে,
আর অভিযোগ জানাও আল্লাহর কাছে।”
আমি আবারও তাঁর প্রেমে পড়ি। যেন তাঁর প্রতিটি শব্দ, প্রতিটি পংক্তি আমাকে নতুন করে বন্দী করে রাখে।
তাঁকে জানার পর থেকে যেন আমি এক চক্রের মধ্যে আটকে গেছি—তাঁর কাব্যের গভীরতায়, তাঁর দৃষ্টিভঙ্গির বিস্ময়ে। এক অদ্ভুত নেশা, যা থেকে বের হতে মন কখনোই চায় না।
গালিব, যার হৃদয় হয়তো ভাঙা ছিল, তবুও শব্দেরা তাকে পূর্ণ করেছে। তাঁর কাব্যে প্রতিফলিত হয়েছে জীবনের অপূর্ণতার সৌন্দর্য। বৈরাগ্য, প্রতারণা, আর দূরত্বের মিশ্রণে তিনি সৃষ্টি করেছেন এমন এক জগৎ, যা একইসঙ্গে বিষাদময় আর মোহনীয়।
তাঁকে চেনা যায়, আবার চেনা যায় না। তিনি অলঙ্ঘ্য এক প্রাচীর, যার অন্তর্দৃষ্টি অতলান্তিকের গভীরে লুকানো।
তাঁর কবিতা এক নিরন্তর দ্বৈততার গান—দুঃখ আর আনন্দের, বিশ্বাস আর সংশয়ের, প্রেম আর বেদনার।
অপূর্ণতার যে অসীম দুঃখ, তা তো কবিতার জন্য অবশ্যম্ভাবী। আর সেই দুঃখই যেন গালিবের কাব্যকে করেছে চিরস্থায়ী, চিরসুন্দর।
তিনি আমাদের শিখিয়েছেন—
সুন্দর মানেই দূরত্ব, আর সেই দূরত্বই তো আমাদের আকাঙ্ক্ষার রসদ।
তাঁর কাব্য যেন আমাদের হৃদয়-চিরে বলছে,
‘আমাকে জানো, কিন্তু পুরোপুরি চেনার চেষ্টা করো না। আমি নিজেই এক রহস্য।’
গালিব—তিনি আমাদের ছুঁয়ে যান, আবার আমাদের থেকে দূরেও থাকেন। তাঁর শব্দশৈলী আমাদের তৃষ্ণার্ত রাখে, তাঁর প্রেম আমাদের হৃদয়ে এক অনির্বাণ আগুন জ্বালিয়ে রাখে।
01/02/2026
তোমায় খুঁজেছি অক্টোবরের আকাশে,
বিষণ্ন দুটি চোখ দিয়ে।
কেন আসলে না তুমি?
ভালোবাসলে না আমায়।
বহু পথ ঘুরে ঘুরে,
আমি যে বড় ক্লান্ত বেশ।
সবশেষ—সীমাহীন, নিঃশেষ—
পথচলা কি, প্রিয়, এখানেই শেষ?
বহুদিন পর,
ছুটে যাই আমি সেগুন গাছের নিচে।
কিছুই আগের মতো নেই,
সব যেন অন্যরকম!
ডালে ঝুলে তুমি, মুখ মৃদু হেসে।
সমাগম—
কান্না-আর্তনাদ, মৃত ঝুলে তুমি,
কী করিবো আমি?
বহুদিন হলো ছেড়ে দিলে আমায়,
দুদণ্ড শান্তির আশায়।
একী তোমার দশা!
চোখের নিচে না-ঘুমের কালি,
সারা শরীরে অত্যাচারীর হাতের ছাপ!
তবু মুখ তোমার মৃদু হেসে,
যেন মরে গিয়ে বেঁচে গেলে।
রহস্যের বেড়াজালে,
কত আশা তুমি করেছিলে।
অজানা অন্ধকার জগতে,
আমায় একা ফেলে…
এ সমাজ—ঈশ্বর-মণ্ডলী,
আজ তোমায় ধিক্কার জানায়!
করে না আজ নমো-নমো,
তোমার লোভের কারণে,
দুদণ্ড শান্তির আশায়!
ধনী হতে চেয়ে, হাত ছেড়ে দিয়ে,
যেদিন চলে গিয়েছিলে তুমি—
ঈশ্বরও মানতে পারেনি,
দেখে তোমার ভণ্ডামি।
লেখা : মুঈন তালুকদার।
Click here to claim your Sponsored Listing.
