BeFit BeSmart
স্বাস্থ্য ও লাইফ স্টাইল ভিডিও ও আর্টিকেল প্রকাশ করা হয়।
04/04/2026
দেশব্যাপী হামের সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় আগামী ৫ এপ্রিল ২০২৬ রবিবার সকাল ৯ টা থেকে থেকে সরকারের উদ্যোগে প্রথম ধাপে ১৮ টি জেলার ৩০ টি উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ উপজেলায় জরুরি হাম রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু হচ্ছে।
এই টিকাদান কর্মসূচিতে ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী ( ৪ বছর ১১ মাস ২৯ দিন পর্যন্ত) সকল শিশুকে ১ ডোজ হাম রুবেলা টিকা প্রদান করা হবে। পর্যায়ক্রমে দেশের অন্যান্য স্থানে টিকা প্রদান করা হবে।
তালিকা অনুসারে আপনার নিকটবর্তী ইপিআই টিকাদান কেন্দ্রে যোগাযোগ করে শিশুর ১ ডোজ হামের টিকা নিশ্চিত করুন
১৮ টি জেলার অধীন ৩০ টি উপজেলার তালিকা
21/11/2025
21/11/2025
নগর পরিকল্পনার ছাত্র ছিলাম বলেই হয়তো এসব দূর্যোগ আসলে অটো গালাগাল চলে আসে।
মাত্র ৪.৯-৫.৭ মাত্রার ভূমিকম্পে অনেক দেয়ালে চির ধরেছে, অনেক ছোট ছোট ফাটল দেখা দিছে ঢাকার কিছু বিল্ডিং এ। এটা তো মাঝারী সাইজের ছিল, এত ভয় পাচ্ছেন কেন?
কারণ আপনি ৬ তলার অনুমতি নিয়ে ১৪ তলা বানাইসেন, সয়েল টেস্ট এর ভুয়া রিপোর্ট বানাইসিলেন, আপনার বিল্ডিং এর নিচে শুধু পলিথিন আর ময়লা। আপনার প্লটে Floor Area Ratio মেনটেন করা হয় নাই, Setback (বিল্ডিং এর চারপাশে একটা নির্দিষ্ট জায়গা খালি রাখতেই হবে) রাখেন নাই.. আপনি দেখছেন কত স্কয়ার ফিট বানাইলে কত টাকায় ভাড়া দেয়া যাবে।
এখন এতটাই ভয় পান যে ভাড়া দিয়ে অন্য বাসায় গিয়ে থাকেন.. মরলে ভাড়াটিয়া রা মরুক।
ঢাকার নিচে পানি নাই, পানির স্তর নেমে গেসে।বিলাসবহুল কংক্রিটের নিচের অংশটাই ফাঁপা, না আছে আসল মাটি না পানি।পুরাণ ঢাকার কথা তো বলতেও ভয় লাগে, সেটারে ভার্টিক্যাল স্লাম বললেও ভুল হবে না।
যুগের পর যুগ ধরে চলে আসা অনিয়ন্ত্রিত নগরায়ন, প্রতি ইঞ্চি জমি চিপড়ায়া টাকা বের করার যে লোভ সেটার তো একটা পরিনাম আছে।
আফসোস.. আমাদের সেটা ভোগ করতেই হবে। এভোয়েড করার কোনো সুযোগ নাই।
এই ভূমিকম্পটা আমরা অনেক কম সময় ফিল করলেও এপিসেন্টারে ১৮ সেকেন্ড স্থায়ী হইসে, ১৮ সেকেন্ড! বড় ভূমিকম্প হলে একটা শহর মাটির সমান করে দিতে ১০ সেকেন্ডও লাগে না।
কিছু একটা অশুভ আসতেছে সামনে। 😔
06/10/2025
শুরুতে স্টারবাক্স ছিল ছোট একটা কফিশপ চেইন। মালিকরা নিজেরাই সব ম্যানেজ করতেন—সাপ্লাই, বিক্রি, এমনকি দোকান সাজানো পর্যন্ত। কোম্পানি বড় হচ্ছিল না। পরে হাওয়ার্ড শুলৎজ এসে মালিকদের বোঝান যে ডেলিগেশন ছাড়া গ্রোথ সম্ভব নয়। তিনি পেশাদার ম্যানেজার, মার্কেটিং বিশেষজ্ঞ, আর ট্রেইনিং টিম তৈরি করেন। মালিকরা দায়িত্ব ছেড়ে দেন, আর কয়েক বছরের মধ্যেই স্টারবাক্স শুধু কফি শপ না, হয়ে ওঠে একটি গ্লোবাল ব্র্যান্ড, যার ভ্যালু এখন ১০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি।
ঢাকার এক বড় রিয়েল এস্টেট মালিক — সব কাজ তিনি নিজেই করেন। সকালে সাইটে গিয়ে রাজমিস্ত্রির ইট গুনেন, দুপুরে অফিসে বসে কাস্টমারের কিস্তি নেন, বিকেলে মার্কেটিং টিমের ফেসবুক অ্যাডে লাইক-কমেন্ট গোনেন, আর রাতে আর্কিটেক্ট হয়ে নিজেই বিল্ডিং ডিজাইন করেন! মাসাল্লাহ!!
শেষে যখন ক্রেতা জিজ্ঞেস করলো—
“স্যার, আমার ফ্ল্যাট কবে হাতে পাবো?”
বস উত্তর দিলেন—
“ওইটা তো এখনো ভাবিনি, আগে দেখি আপনি আমাদের ফেসবুক পোস্টে কয়টা লাইক দিলেন"
শুরুতে গুগলের দুই প্রতিষ্ঠাতা ল্যারি পেজ আর সের্গেই ব্রিন নিজেরাই প্রতিটি সিদ্ধান্ত নিতেন—প্রোডাক্ট ডিজাইন থেকে শুরু করে কর্মী নিয়োগ পর্যন্ত। ফলে কোম্পানি দ্রুত বাড়তে থাকলেও অপারেশনাল জটিলতা দেখা দেয়। ২০০১ সালে তাঁরা এরিক শ্মিটকে সিইও হিসেবে নিয়োগ দেন এবং প্রকৃত অর্থে ডেলিগেশন শুরু করেন। শ্মিট অপারেশন সামলালেন, আর ল্যারি-সের্গেই টেকনোলজি ইনোভেশনে ফোকাস করলেন। ফলাফল? গুগল হলো বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী টেক কোম্পানির একটি, যার ভ্যালু এখন ১.৫ ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি।
📌 ডিবেট: কেন ডেলিগেশন এত গুরুত্বপূর্ণ?
মালিক যদি সব করতে চায়, সে বস নয়—সে “অফিসের সুপারম্যান”। সুপারম্যান সিনেমায় চলে, ব্যবসায় নয়।
সঠিক ম্যানেজমেন্ট বসালে মালিক ভিশনে ফোকাস করতে পারে।
সঠিক লোক দায়িত্ব নিলে accountability বাড়ে, দুর্নীতি কমে।
ভুল ডেলিগেশন = ধ্বংস, সঠিক ডেলিগেশন = গ্রোথ।
তেলবাজদের দৌরাত্ত কমে, মালিককে তেল মারার সুযোগ বন্ধ হয়।
তাই Rancon, Edison, Shanta-রা আজ এগিয়ে, কারণ মালিকরা দায়িত্ব বুঝে ভাগ করেছেন। এই তিনটা কোম্পানির ডেভেলপমেন্ট দেখার মত, তাদের প্রতিটা কাজ এ এলিগেসি আছে, তাদের কর্মীরাও হ্যাপি, তাদের গ্রোথও ভাল। যাদের এখনো বস নিজেই “ড্রইং করে, কিস্তি কালেক্ট করে, সাইটে ইট গুনে, সারাক্ষন সিসিটিভির দিকে তাকিয়ে থাকে”—তাদের ভবিষ্যৎ অন্ধকার।
আগামী বছর শেখ মুজিবের ভক্ত আরো বেশি দেখবেন৷ তখন জুতা মারা কর্মসূচি দিলে লোকজনরে আপনার পাশে পাবেন না।
এর পরের বছর মুজিব ভক্ত আরো বাড়বে। তখন জুতা নিক্ষেপ কর্মসূচি দিলে লোকজন আপনারে নিয়ে হাসবে, আপনার চেনা-পরিচিত লোকজনই দেখবেন মুজিবভক্ত হয়ে গেছে।
এরপরের বছর মুজিবভক্ত আরো বাড়বে, মুজিবভক্তের সাথে আপনার চায়ের দোকানে তর্ক করতে হবে। আপনি হেরে যাবেন। তখন আপনি জুতা মারা কর্মসূচি ডাকলে লোকজন আপনারেই জুতা মারবে।
এটা আসলে মুজিবকে ভালোবাসার ব্যাপার না। এটা আওয়ামীলীগকে ফিরিয়ে আনতে চাওয়ার ব্যাপার। স্বাদে ফিরিয়ে আনতেছে এমনও না, নিরুপায় হয়ে ফিরিয়ে আনতে হচ্ছে।
৫ আগস্টের আগে দেশে আওয়ামীলীগ খুব কম ছিলো। যাঁরা ছিলো তাঁরা আওয়ামীলীগ করলেও আওয়ামীলীগকে ভালোবাসতো না। ৫ আগস্টের পর দেশে আওয়ামীলীগ বেড়েছে, অনেক নিরপেক্ষ লোক আওয়ামীলীগ হয়ে গেছে এবং তাঁরা লীগকে ভালোবাসতেছে।
আর্ট ও কালচারের লোকজন এবং লিভারেল সেকুলাররা আওয়ামীলীগকে ভয়ে সমীহ করতো, তেলবাজি করতো সুবিধা পাওয়ার জন্য, কিন্তু গোপনে ঠিকই গালিগালাজ করতো। ৫ আগস্ট তাঁরা খুশিই হইছিলো। কিন্তু তাঁরা লিটারেলি আওয়ামী লাভার হয়ে গেছে এখন। কারণ ৫ আগস্টের পর দেশে আর্ট কালচারকে স্পেস দেওয়া হয় নি। মনে হইছে দেশটা আসলে আফগানিস্তান হয়ে যাবে।
আমি এমন লোকজনকে জানি যাঁরা জুলাইয়ে ছাত্রদের সমর্থন দিয়েছিলো, টাকা দিয়েছিলো, এবং আন্দোলনেও গিয়েছিলো, এরকম লোক এখন জুলাইয়ের নাম শুনতে পারে না। নাক সিঁটকায়। হতাশ হয়ে রাগে দুঃখে জুলাইকে গালি দিতে চায়।
গতকাল অনেকেই ভয়ে মুজিব পিরিতি দেখাইতে পারে নাই। যাঁরা দেখাইতে চাইছে তাঁদের সংখ্যা অনেক। জয়া আহাসানরা আসলে মুজিব লাভার না। তাঁরা মূলত এখন আওয়ামীলীগ হয়ে গেছে। তাঁরা আওয়ামীলীগকে ফেরত আনতে চায়। কারণ তাঁরা মনে করতেছে এই দেশে শিল্প-সংস্কৃতির চর্চা করতে হলে লীগ ছাড়া কোন বিকল্প নাই। এমনকি তাঁদের জীবনের নিরাপত্তাও নাই। এবং এই বিশ্বাসের কারণ ৫ আগস্টের পর থেকে আমাদের আহাম্মকি, মববাজি ও ট্যাগিং।
৫ আগস্টের পর থেকে শুধু প্রতিহিংসার ট্যাগিং হয়েছে- এ নাস্তিক, ও শাতেম, ঐটা শাহবাগী, এটা মালাউন। এসব। আর্ট-কালচারের স্পেস সংকুচিত করে, সেকুলার লিবারেলদের বিরুদ্ধে পাইকারি ঘৃণা উস্কে দিয়ে একধরণের এক্সট্রিম কনজার্ভেটিভ আবহ সৃষ্টি করেছে। মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে তাচ্ছিল্য ও ঘৃণা প্রদর্শন এবং একাত্তর বিরোধীদের নাচন তো আছেই।
কোন কিছুর কোন উন্নয়ন হয় নি। যাঁরে দিয়ে যে কাজটা হবে তাঁরে সেই পদে বসাইতে হবে। না ও স্বৈরাচারের দোসর, এর সাথে ওর ছবি আছে, ও দালাল এসব বলে বলে যোগ্য লোকদের বাদ দিয়ে অযোগ্য নির্বোধ কনজার্ভেটিভদের বসাইছে সব জায়গায়।
ব্যক্তিগত স্বার্থের কারণে আওয়ামীলীগের সাথে ছবি থাকা লোকজনকে লীগের দোসর বলে মববাজি করে বাসা থেকে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে গিয়ে থানায় তুলে দিছে। এরা সবাই মুক্তি পেয়ে বের হয়ে গেছে ঠিকই। কিন্তু মববাজির কারণে ঐ লোকগুলোর ফ্যামিলি, আত্মীয়-স্বজন যে ট্রমা পাইছে সেই ট্রমা জুলাইয়ের প্রতি বিরুদ্ধাচারণ তৈরি করছে।
জুলাইয়ের মিছিলগুলো আরেকবার দেখেন, রং মশাল হাতে ছেলেরা আছে, টি-শার্ট পড়া মেয়েরা আছে। এদেরকে আপনি এখন আর আমাদের কারো সাথে দেখবেন না।
ক্রমাগত মাজার ভাঙা, লালন আখড়া ভাঙা, লালন উৎসব হইতে না দেওয়া, গানের আসরে হামলা, নাটক বন্ধ করে দেওয়া, গায়ে হলুদে গান বাজনা করায় গায়ে হলুদ বন্ধ করে দেওয়া, বাসে করে গান বাজিয়ে যাওয়ার কারণে বাস আটকে রাখা, পর্যটন এলাকা থেকে মেয়ে টুরিস্টদের তুলে দেওয়া, পর্দা না করলে কান ধরে উঠবস করানো, মেহজাবিনকে শো-রুম উদ্বোধন করতে না দেওয়া। আরো অনেক বলা যায়। সব জায়গায় প্রো কনজার্ভেটিভ লোকজনের আস্ফালন।
ইভেন মমতাজকে গ্রেফতার করানোর পক্ষে আমি না। এরা পয়সার গায়কী ও নর্তকী। পয়সা দিয়ে আমি মমতাজকে জুলাইয়ের গান গাওয়াইতাম।
মনে হয় না সাদমান মুক্তাদির, প্রিন্স মাহমুদ, মানজুর মাতিনরা আর জুলাইকে ঔন করে।
উনাদের হারিয়ে আপনারা যাঁদের উপর ভরসা করে আগাচ্ছেন, উনারা খুব সহজে বেচা যায়। তাঁদের সেই ইতিহাস আছে।
জুলাই নিয়ে গান,কবিতা, গল্প, সিনেমা, পথনাটক, মূকাভিনয় হচ্ছে না কেন? কেমনে হবে? কারা করবে? পুরো দেশটাই মনে হয় যে আর্ট-কালচার বিরোধী।
ব্যক্তিস্বাধীনতাকে চাপিয়ে রাখা যায় না। মাথা যত দ্রুত খুলবে ততো ভালো। আর্ট-কাললচারের লোকজনকে এবং সেকুলার-লিভারেলদের স্পেস দিন। এই কাজটা করতে না পারলে আওয়ামীলীগ বাংলাদেশে ১০০% ফিরবে।
14/08/2025
সব অপপ্রচার আর অতিরঞ্জনের মাঝে সবচেয়ে ধ্রুব সত্য হচ্ছে বঙ্গবন্ধু আমাদের স্বাধীনতার স্থপতি, অবিসংবাদিত প্রধান নেতা।
যে স্বাধীনতা এনেছেন তিনি, কমবেশী তার সুফল ভোগ করছি আমি, আপনি সবাই।
পরম শ্রদ্ধা আর কৃতজ্ঞতার সাথে স্বরণ করছি বঙ্গবন্ধুকে। মাগফেরাত কামনা করছি তার ও তার পরিবারের সকলের।
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Dhaka
1219
