NADIM GMR

NADIM GMR

Share

Welcome to my Page

25/05/2025

"তুমি আছো হৃদয় জুড়ে – বাংলা ভালোবাসার গান"
"তুমি আছো হৃদয় জুড়ে" – একটি হৃদয়ছোঁয়া বাংলা ভালোবাসার গান।
এই গানে প্রকাশ পেয়েছে নিঃশব্দ ভালোবাসা, স্মৃতির গন্ধ আর অনুভবের গভীরতা।
তোমার প্রিয়জন যদি তোমার মনে-প্রাণে বাস করে, তবে এই গানটি ঠিক তোমার জন্য।

গান: তুমি আছো হৃদয় জুড়ে
কথা ও সুর: [তোমার নাম]
সঙ্গীতায়োজন: [সঙ্গীত পরিচালকের নাম যদি থাকে]
গানটির কথা, সুর ও আবেগে ডুবে যেতে ভুলবেন না। ভালো লাগলে শেয়ার ও সাবস্ক্রাইব করুন।

22/05/2025

Today's best picture 🖼️
#ফটোগ্রাফি এর ইতিহাস 💕🥰✍️
দুটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি আবিষ্কারের মাধ্যমে শুরু হয়েছিল: প্রথমটি হল ক্যামেরা অস্পষ্ট ইমেজ প্রজেকশন, দ্বিতীয়টি হল আবিষ্কার যে কিছু পদার্থ আলোর এক্সপোজার দ্বারা দৃশ্যমানভাবে পরিবর্তিত হয়[২]। 18 তম শতাব্দীর আগে হালকা সংবেদনশীল উপকরণ দিয়ে ছবি তোলার কোন প্রচেষ্টা নির্দেশ করে এমন কোন শিল্পকর্ম বা বর্ণনা নেই।
লে গ্রাস ১৮২৬ বা ১৮২৭ এ জানালা থেকে দেখা দৃশ্য, মনে করা হয় যে এটি সবচেয়ে আগে বেঁচে থাকা ক্যামেরার ছবি। [১] আসল (বামে) এবং রঙিন পুনর্নবীকরণ (ডান)।
১৭১৭ সালের দিকে, জোহান হেইনরিচ শুলজ একটি বোতলের উপর কাটা-আউট অক্ষরগুলির ছবি তুলতে হালকা সংবেদনশীল স্লারি ব্যবহার করেছিলেন। তবে এই ফলাফলগুলো স্থায়ী করার চেষ্টা করেননি তিনি। 1800 এর কাছাকাছি, থমাস ওয়েডগউড প্রথম নির্ভরযোগ্যভাবে নথিভুক্ত করেছেন, যদিও স্থায়ী রূপে ক্যামেরার ছবি তোলার ব্যর্থ প্রচেষ্টা ছিল। তার পরীক্ষা-নিরীক্ষা বিস্তারিত আলোকচিত্র তৈরি করেছিল, কিন্তু ওয়েডগউড এবং তার সহযোগী হামফ্রি ডেভি এই ছবিগুলিকে ঠিক করার কোন উপায় খুঁজে পাননি।
1826 সালে, Nicephore Niépce প্রথম একটি ছবি ঠিক করতে সক্ষম হয়েছিল যা একটি ক্যামেরা দিয়ে ধরা হয়েছিল, কিন্তু কমপক্ষে আট ঘন্টা বা এমনকি কয়েক দিন ক্যামেরার এক্সপোজার প্রয়োজন ছিল এবং প্রাথমিক ফলাফলগুলি খুব অপরিশোধিত ছিল। নিপেসের সহযোগী লুই ড্যাগেরেরে ড্যাগেররিওটাইপ প্রক্রিয়া বিকশিত করতে শুরু করেছেন, প্রথম প্রকাশ্যে ঘোষিত এবং বাণিজ্যিকভাবে কার্যকর ফটোগ্রাফিক প্রক্রিয়া। ড্যাগেররিওটাইপের ক্যামেরায় শুধুমাত্র কয়েক মিনিট এক্সপোজার প্রয়োজন, এবং পরিষ্কার, সূক্ষ্মভাবে বিস্তারিত ফলাফল তৈরি। ২ আগস্ট, ১৮৩৯ তারিখে ড্যাগেরে প্যারিসে চেম্বার অফ পিয়ারস-এ প্রক্রিয়াটির বিবরণ প্রদর্শন করেন। ১৯ আগস্ট ইনস্টিটিউট প্যালেস এ অ্যাকাডেমি অফ সায়েন্স এবং অ্যাকাডেমি অফ ফাইন আর্টস এর একটি সভায় কারিগরি বিবরণ প্রকাশ করা হয়। (জনসাধারণকে আবিষ্কারের অধিকার প্রদানের জন্য, ড্যাগেররে এবং নিপেসেকে জীবনের জন্য উদার বার্ষিকী প্রদান করা হয়। )[3][4][5] যখন মেটাল ভিত্তিক ড্যাগেররিওটাইপ প্রক্রিয়া জনসাধারণের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রদর্শিত হয়েছিল, তখন কাগজ-ভিত্তিক ক্যালোটাইপ নেতিবাচক এবং লবণ প্রাই এর প্রতিযোগী পদ্ধতি
আলহ

20/09/2024

I gained 100 followers, created 103 posts and received 504 reactions in the past 90 days! Thank you all for your continued support. I could not have done it without you. 🙏🤗🎉

14/09/2024

BD ARMY TIKTOK VIDEO'S. আর্মিদের কিছু সুন্দর TIKTOK ভিডিও। // দেখুন এই চমৎকার ভিডিও 14 // 9 // 2024 ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ‪‬​ ‪‬

13/09/2024

গল্পঃ অচেনা মেয়ে
পর্বঃ ০৯ (শেষ)
লেখকঃ রাকিব
""
""
""
কখন ঘুমিয়েছি জানি না । অনেক ভোরে আবার ঘুম ভাঙলো । ফোন চেক করলাম । দেখি কেউ ফোন বা ম্যাসেজ দেয়নি । তাহলে কি তাসফিয়ার কথাই সত্যি হলো,,,,, ও কি সত্যিই আমাকে ধোকা দিলো । এসব ভাবতে ভাবতে চোখে অজান্তেই পানি এসে গেল ।

তারপর কলেজে চলে গেলাম । একা একা ক্লাস করলাম । তাদের অনেকবার ফোন দিলাম কিন্তু বন্ধই পেলাম । তাই মন খারাপ করে বাসায় চলে এলাম ।

তিন মাস পর,,,,,,
""
""
আমি ডিপ্রেশনে চলে গেছি । ওদের সাথে আর কথা হয় না । মনে হয় জান্নাত নামের কোনো মেয়েই নেই । আর তাসফিয়া কেন ফোন বন্ধ রাখছে তাও জানি । বাসা থেকেও আর বের হই না । মাঝে মাঝে আম্মু এসে কেঁদে চলে যায় । আর বলে কি হয়েছে আমার ছেলের ।

আমিও আম্মুকে সব কথা খুলে বলেছি । আম্মু আমাকে বলল,,,,

আম্মুঃ তোর ভালোবাসা সত্যি হয়ে থাকলে অবশ্যই তুই জান্নাত কে পাবি ।

আম্মুর কথায় মিথ্যা আশ্বাস নিয়ে আরো কয়েকটি দিন পার করলাম । একদিন রুমে শুয়ে আছি হঠাৎ দেখি ফোনের রিংটোনটা বেজে উঠলো । অনেক চমকে গেলাম । তিন মাসে কারো ফোন আসে নি ।

তাড়াতাড়ি করে ফোনের স্ক্রিনে তাকিয়ে দেখলাম সেই চির চেনা নাম্বার । চোখের পানি ঝরঝর চরে পড়তে লাগলো । তাড়াতাড়ি করে ফোন রিসিভ করতেই,,,,,

আমিঃ হ্যালো জান্নাত । কেমন আছো তুমি । এত দিন কই ছিলে । কেন ফোন করো নি । তোমার পিচ্চি কেমন আছে একবারও খোঁজ নিতে ইচ্ছে হয় নি তোমার । (এক নিশ্বাসে কথা গুলো বললাম)

জান্নাতঃ আমি তোমার সাথে আজ দেখা করতে চাই । লোকেশন পাঠিয়ে দিচ্ছি । আর হ্যাঁ বার্থডে তে যেগুলো দিয়েছি ওগুলো পড়ে আসবে ।

আমিঃ ঠিক আছে ।

আজকে অনেক দিন পর একটু হাসলাম । তারপর জান্নাতের কথা মতো আমি তার দেয়া ব্লাক পাঞ্জাবী পড়ে বিকেলে জান্নাতের দেয়া ঠিকানায় চলে গেলাম ।

এসে দেখি জান্নাত আগে থেকেই এসে বসে আছে । কিন্তু উল্টো দিকে ঘুরিয়ে আছে ।

আমিঃ জান্নাত ।

জান্নাত এদিকে ঘুরলো । আমি জান্নাতের চেহারা দেখে মাথা ঘুরে গেল । এ আমি কাকে দেখছি । চোখ ছানা বড়া হয়ে গেল । কারন এটা তো তাসফিয়া ।

আমিঃ আরে তাসফিয়া তুমি । তুমি এতো দিন কোথায় ছিলে । আর জান্নাত কোথায় ?

তাসফিয়াঃ আমিই জান্নাত আমার পিচ্চি টাহ ।

আমিঃ কি বলছো এগুলো । ফাজলামি কইরো না প্লিজ ।

তাসফিয়াঃ ঠিক আছে জান্নাতকে ফোন দাও ।

আমি তাড়াতাড়ি করে ফোন বের করে জান্নাতকে ফোন করলাম । দেখি তাসফিয়ার ফোন বেজে উঠলো ।

তাসফিয়াঃ এখন আমার নাম্বারে ফোন দাও ।

আমি তাসফিয়াকে ফোন করলাম । দেখি আবার ওর ফোন বেজে উঠলো ।

আমিঃ কেমনে সম্ভব ।

তাসফিয়াঃ এক সিম দিয়ে আমি জান্নাত সেজে তোমার সাথে কথা বলতাম আর আরেক সিম দিয়ে তাসফিয়া সেজে মেসেজ করতাম ।

আমিঃ তাহলে তোমার নাম কি ।

তাসফিয়াঃ আমার নাম তাসফিয়া জান্নাত ।

আমিঃ তাহলে যে তুমি আমাকে প্রোপোজ করলে সেটা ।

তাসফিয়াঃ আমি দেখছিলাম তুমি জান্নাত কে না দেখেও কতটা ভালোবাসো । আসলে তুমি জান্নাতের চেহারাকে নয় সত্যিই তুমি ওর মনকে ভালোবেসেছো । যেটা আমার অনেক ভালো লাগছে ।

আমিঃ তাহলে আমি কি পাস করছি ।

তাসফিয়াঃ হুমম আমার পিচ্চি টাহ । গোল্ডেন প্লাস পাইছো ।

আমিঃ কিন্তু এতো দিন কেন কথা বলো নি । ফোন ও বন্ধ রেখে ছিলে কেন ।

তাসফিয়াঃ আসলে আব্বুর হার্ট ব্লক হয়ে গিয়েছিল । তাই আব্বুর সাথে সিঙ্গাপুর গেছিলাম চিকিৎসার জন্য । তাই এই সিম বন্ধ ছিলো । কালকেই রাতেই আসছি বাংলাদেশে । এসেই তোমাকে ফোন করছি । এই কয়মাস আমারো দম বন্ধ হয়ে যাচ্ছিলো তোমার সাথে কথা না বলে থাকতে পেরে পিচ্চি টাহ ।

বলেই কাঁদতে লাগলো । আমি তার চোখ মুছে দিয়ে বললাম । আর কাঁদতে হবে না সিনিয়র বউ । এখন থেকে সব সময় আমি তোমারই থাকবো । বলেই তাকে জড়িয়ে ধরলাম ।

ভালোবাসার মানুষকে জড়িয়ে ধরে থাকলে ফিলিংস ই অন্যরকম হয় । মনে হয় সময় এখানেই থেমে যাক ।
👇
👇
একমাস পর আমাদের পরিবারের স্বমতেই আমি তাসফিয়া কে বিয়ে করি । আজ আমার বাসর রাত । তবে অনেক নার্ভাস ফিল হচ্ছে ।

বন্ধুদের খোচা খেতে খেতে বাসর ঘরে বীর পুরুষের মতো প্রবেশ করেই ফেললাম । প্রবেশ করার পূর্বে হার্টবিট কিছুটা কম থাকলেও প্রবেশ করার পর এটা চক্রবৃদ্ধি হারে বাড়তে লাগলো ।

লাজুক ছেলেটি একটা মেয়ের সাথে থাকবে,,,, এগুলো ভাবতে ভাবতে কপাল ঘামতে শুরু করে দিলো । এতো ভয় পাওয়ার কি আছে , তার সাথেই তো সারাজীবন থাকতে হবে ,,,,,

ভয় পাওয়ার কিছু নেই রাকিব, এভাবে নিজেই নিজেকে সাহস দিতে লাগলাম । এরকম পরিস্থিতিতে এই অসহায় ছেলেটিকে কেউ সাহায্য করার ও নেই । তার পর নিজেকে শক্ত করলাম । একটু একটু করে জান্নাতের দিকে এগিয়ে গেলাম । সে চুপটি করে বসে আছে । আমি তার ঘোমটা খুলে মুখ দেখার জন্য নিজেকে শক্তভাবে প্রস্তুত করলাম ।

কিন্তু বেচারা হাত কিছুতেই তার ঘোমটা খোলার সাহস পাচ্ছিলো না । জান্নাত বুঝতে পারলো আমি ভীষন ভাবে লজ্জিত তাই ও নিজেই নিজের ঘোমটা তুললো । তার চন্দ্রমুখ টা দেখে আমি হতভাগ হয়ে চেয়ে থাকলাম আর অবাক হলাম । তার হরিণী চোখ আর ঘন মেঘ বর্ণ চুল আমাকে ভাষাহীন করেছে ।

জান্নাতঃ এই যে পিচ্চি টাহ । এতো লজ্জা পাচ্ছো কেন । লজ্জা তো আমার পাওয়ার কথা ।

আমিঃ ইয়ে মানে,,,,না কিছু না । দুরে গিয়ে টেবিলে
রাখা পানি পান করলাম ।

বুঝতে পারলাম জান্নাত মুচকি মুচকি হাসছে । এবার একটু সাহস পেলাম । আবার তার কাছে গেলাম ।

আমিঃ আচ্ছা একটা কথা বলবো ??

জান্নাতঃ হুম

আমিঃ ছাদে যাবে এখন ?? খুব সুন্দর পূর্ণিমা!

জান্নাতঃ হুম

আমিঃ আজকে সারা রাত গল্প করে কাটাই চলো !

আমার এমন আবদার শুনে খুব খুশি হলো জান্নাত । দুজনে ছাদে গেলাম । চাদের আলোয় জান্নাত কে যেন জান্নাতের হুর ই মনে হচ্ছে ।

আমিঃ আচ্ছা জান্নাত পৃথিবীতে সবচেয়ে সুন্দর সম্পর্ক কোনগুলো ?? আর ভালোবাসা কোনগুলো??

জান্নাত চাঁদের দিকে তাকিয়ে উত্তর দিলো,,,,

জান্নাতঃ প্রথম যখন আমি তোমার বাসায় পা দিলাম তখন তোমার মা আমাকে শক্ত করে বুকে
ধরেছিলেন । আমার মনে হয়েছিল আমি আমার মাকে পেয়ে গেছি এটা হচ্ছে সুন্দর সম্পর্ক ।

আমাকে তোমার মায়ের নিজের মেয়ে মনে করা আর আমি তোমার মাকে নিজের শ্বাশুড়ি নয়,, নিজের মা মনে করা । তোমার বাবা যখন বলেছিলেন আমার কোনো মেয়ে নেই । এখন আমি একটা লক্ষী মেয়ে পেয়ে গেছি,,,,,সেটা হচ্ছে ভালোবাসা ।

আমি তো হতভাগ হয়ে তার দিকে চেয়ে আছি । নিজেকে খুব সৌভাগ্যবান ছেলে মনে হচ্ছে । যে আমার কথা না বলে , আমার পরিবারের কথা আর আমার মা বাবার কথা আগে ভাবে । সেই মেয়ের মতো কেউ ভালোবাসতে পারবে না । আমি একটু অভিমানের নাটক করে বললাম,,,,

আমিঃ আমি বুঝি কিছুই না ?? হুম !!

জান্নাতঃ এই যে তুমি এই রাতে একটা মেয়েকে
পেয়েও তার শরীর কে ভালো না বেসে তার কাছে বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দিয়েছো,,,,,একটা সুন্দর রাত উপহার দিচ্ছো,,,,,আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ রাত উপহার দিচ্ছো । এটা হচ্ছে একটা মেয়ের প্রতি সম্মান আর শ্রদ্ধাবোধ । যা প্রত্যেকটি মেয়ে তার স্বামীর কাছে থেকে আশা করে ।

জান্নাতের মুখে স্বামী ডাকটা শুনে আমি লজ্জায় লাল হয়ে গেলাম । জান্নাত আমার হাত ধরে ফেললো আর বলল,,,,,,

জান্নাতঃ এই যে পিচ্চি ছেলে ,, এতো ভয় পাচ্ছো কেন ?? আমি একটা জিনিস চাই,,,,,কি দিতে পারবে তো ??

আমিঃ হুম পারবো ।

জান্নাতঃ আমাকে একটা রাজকন্যা গিফট করতে হবে । সেদিন আমি লজ্জাকন্ঠে বলেছিলাম,,

শুধু ভালোবাসতে হবে,, পৃথিবীর সব সুখ এনে দিবো তোমায় ।

_____________সমাপ্ত________________
___________________
_____

গল্পটা এইভাবেই ভেবেছিলাম । তাই বেশি না ঘুরিয়ে পেচিয়ে শেষ করে দিলাম । অবশ্যই জানাবেন কেমন হইছে । ধন্যবাদ ।

12/09/2024

গল্পঃ অচেনা মেয়ে
পর্বঃ ০৮
লেখকঃ রাকিব
""
""
""
আজকে তাসফিয়াকে এতো সুন্দর লাগছে এর আগে কখনো এমন হয় নি । জান্নাতকে না ভালোবাসলে আমি আজকেই তাসফিয়াকে প্রোপোজ করতাম ।

তাসফিয়াঃ এই রাকিব কি এতো ভাবছো ?

আমিঃ কই কিছু না তো ।

তাসফিয়াঃ আচ্ছা একটা কথা বলতাম । বলবো,,,,??

আমিঃ আরে তার জন্য আবার জিজ্ঞেস করার কি আছে,,,করো ।

তারপর তাসফিয়া যা বললো শুনে আমার চোখ কপালে উঠলো,,,,,,,,,,,

তাসফিয়াঃ (চোখ বন্ধ করে) রাকিব আমি তোমাকে ভালোবাসি ।

আমিঃ কিহ,,,,,,,

তাসফিয়াঃ সত্যিই আমি তোমাকে অনেক ভালোবাসি । যেদিন তুমি আমাকে সর্বনাশের হাত থেকে বাচালে সেদিন থেকেই তোমাকে অল্প অল্প করে ভালো লাগে । সেজন্য তোমার কাছে থাকার জন্য বন্ধুত্বের সম্পর্ক করি । এখন আমি আর সহ্য করতে পারছি না । আমি সত্যিই তোমাকে অনেক ভালোবাসি রাকিব । প্লিজ ফিরেয়ে দিও না ।

আমি একদম হতবাক হয়ে গেছি । কি বলবো কিছুই বুঝতে পারছি না । অনেক ভাবলাম ।

তাসফিয়াঃ কি হলো রাকিব কিছু একটা বলো ।

না জান্নাত কে আমি ধোঁকা দিতে পারবো না । আমি ওকে অনেক ভালোবাসি । ওকে দেখি নি তো কি হয়েছে । আমি মন থেকেই ওকে অনেক ভালোবাসি । তাই নিজেকে অনেক শক্ত করে তাসফিয়াকে বললাম,,,,,,,

আমিঃ সরি তাসফিয়া কিছু মনে করো না । আমি একজনকে আগে থেকেই অনেক ভালোবাসি ।

তাসফিয়াঃ কি বলো এসব (মন খারাপ করে)

আমিঃ হ্যাঁ সত্যিই । তোমার সাথে পরিচয় হওয়ার আগেই তার সাথে আমার সম্পর্ক । প্লিজ ভুল বুঝো না । আমরা অনেক ভালো বন্ধু হয়েই থাকবো ।

তাসফিয়াঃ কে সেই ভাগ্যবতি মেয়ে যে তোমাকে পাবে । আমাকে কি বলা যাবে ।

আমিঃ হুমম ওর নাম জান্নাত । কিন্তু দেখতে কেমন তা আমি নিজেই জানি না ।

তাসফিয়াঃ মানে কি ?

আমিঃ মানে হলো তাকে আজ পর্যন্ত আমিই দেখি নি । শুধু এতোটুকু জানি ও আমাদের কলেজেই পড়ে ।

তাসফিয়াঃ ও যদি ফেক হয় ।

আমিঃ আমার মনের বিশ্বাস ও কখনো ফেক নয় । অবশ্যই জান্নাত আছেই ।

তাসফিয়াঃ এটার জন্য আজ তুমি আমাকে রিজেক্ট করলে । দেখবে ওটা মেয়েই নয় । আর হলেও ও তোমাকে ভালোইবাসে না । তোমাকে নিয়ে খেলছে ।

আমিঃ তাসফিয়া,,,,

বলে ওর গালে ঠাসসস ঠাসসস করে থাপ্পড় মা*র*লা*ম ।

আমিঃ আমার ভালোবাসাকে বিচার করার তোমার কোনো অধিকার নেই ।

বলেই সেখান থেকে চলে গেলাম । তাসফিয়াও চলে গেছে কিনা জানি না । তবে আমি সেখান থেকে সরাসরি বাসায় চলে এলাম ।

বাসায় এসে তাসফিয়ার কথা অনেক মনে পড়ছে । ওকে মা*রা*টা আমার উচিত হয় নি । ফোন দিয়ে ওকে সরি বলি ।

ফোন দিলাম । ফোন বন্ধ । ভাবলাম রাগ করেছে আমার উপর । কাল ঠিক হয়ে যাবে । এসে অনেক ক্লান্ত লাগলো তাই ফ্রেশ হয়ে খাওয়া দাওয়া করে ঘুমিয়ে পড়লাম ।

সন্ধ্যায় ঘুম থেকে উঠে ছাদে একটু হাটাহাটি করে আসলাম । তবুও ভালো লাগছে না । তাসফিয়াকে আবার ফোন দিলাম কিন্তু বন্ধ পেলাম ।

জান্নাত কে ফোন দিলাম ।

আমিঃ হ্যালো

জান্নাতঃ হুমম বলো কেমন আছো ।

আমিঃ ভালো নেই । কাল তোমাকে আমার সামনে আসতেই হবে । না হলে আর আমি কথা বলবো না ।

জান্নাতঃ এটা আবার কেমন জেদ ।

আমিঃ এটাই । তুমি আসবা কি না বলো ।

জান্নাতঃ আচ্ছা ঠিক আছে বাবা দেখা করবো । খুশি,,,

আমিঃ হুমম অনেক । আই লাভ ইউ সিনিয়র বউ ।

জান্নাতঃ হুমম আমার পা*গ*ল পিচ্চি টাহ ।

তারপর অনেক খুশি হয়ে আবার ঘুমিয়ে পড়লাম । পরের দিন সকালে তাড়াতাড়ি রেডি হয়ে চলে গেলাম কলেজে । আমি জান্নাত কে লোকেশন পাঠিয়ে দিয়েছি সকালে ।

আমি অনেক আগেই এসে বসে আছি । কিন্তু জান্নাতের কোনো খোজ খবর নেই । জান্নাতকে একটা ফোন করলাম কিন্তু ফোন বন্ধ ।

তাই ভাবলাম এখন একটু তাসফিয়া কে ফোন দেই রাগ কমেছে কি না । তাই ওকেও ফোন দিলাম কিন্তু ওর ফোন ও বন্ধ পেলাম ।

কি ব্যাপার দুই জনের ফোন এক সাথে বন্ধ । জান্নাতের জন্য অনেক্ষন অপেক্ষা করলাম । কিন্তু জান্নাত এলো না ।

অনেক মন খারাপ করে বাসায় ফিরলাম । এসে আবার জান্নাতকে ফোন দিলাম কিন্তু এখনো ওর ফোন বন্ধ পেলাম । মেসেঞ্জারেও নক দিয়ে রাখলাম ।

সারাদিন কিছুই ভালো লাগছিল না । তাই বাসা থেকে বের ও হই নি । সারাদিন দুইজনকেই অনেক বার ফোন দিয়েছি । কিন্তু দুজনের ফোনই বন্ধ ।

রাতে মন খারাপ করে শুয়ে আছি । ঘুমও আসছে না । রাত দুইটা পর্যন্ত জেগে ছিলাম । হয়তো কেউ একজন ফোন দিবে । কিন্তু কেউ দিলো না । তাই ঘুমানোর চেষ্টা করলাম ।

কখন ঘুমিয়েছি জানি না । অনেক ভোরে আবার ঘুম ভাঙলো । ফোন চেক করলাম । দেখি কেউ ফোন বা ম্যাসেজ দেয়নি । তাহলে কি তাসফিয়ার কথাই সত্যি হলো,,,,, ও কি সত্যিই আমাকে ধোকা দিলো । এসব ভাবতে ভাবতে চোখে অজান্তেই পানি এসে গেল ।

চলবে,,,,,,,,,,,,,,,

11/09/2024

গল্পঃ অচেনা মেয়ে
পর্বঃ ০৭
লেখকঃ রাকিব
""
""
""
তারপর আরো কিছুক্ষণ কথা বলে সেখান থেকে বাসায় চলে এলাম । এসে অনেক ক্লান্ত লাগলো তাই ঘুমিয়ে পড়লাম । ঘুম থেকে উঠে আমি তো অবাক,,,,,,,,

কারন দেখি অনেক সন্ধ্যা হয়ে গেছে টেরই পাই নি । ফোনের দিকে তাকিয়ে দেখি জান্নাত ৪৫ বার ফোন আর ২০+ ম্যাসেজ দিয়েছে ।

হায় হায় আমারে আজ খাইছে । কি যে বলবে আল্লাহ্ জানে । ফ্রেশ হয়ে খাওয়া দাওয়া করে এসে জান্নাতকে ফোন দিলাম,,,,,

আমিঃ হ্যালো ।

জান্নাতঃ ফোন ধরেই কাঁদতে লাগলো ।

আমিঃ জান্নাত তোমার কি হইছে আমারে বলো প্লিজ কেঁদো না ।

জান্নাতঃ কু*ত্তা,,,বি*ড়া*ল,,,হ*নু*মা*ন,,,বাঁ*দ*র দেখ আমি তোকে কতবার ফোন দিয়েছি ।

আমিঃ আমি ঘুমিয়ে ছিলাম বউ ।

জান্নাতঃ রাখ তোর বউ । তুই ঘুমিয়ে ছিলি আর আমি কত টেনশনে ছিলাম জানিস । তুই জানিস না তোকে আমি কতটা ভালোবাসি । তোর কিছু হলে আমি কেমনে থাকবো । আর কখনো এরকম করলে আমি নিজেরই একটা ক্ষতি করবো দেখিস ।

আমিঃ সরি ।

জান্নাতঃ সরি দিয়ে কি ধুয়ে পানি খাবো ।

আমিঃ তাহলে কি করবো বলে দাও ।

জান্নাতঃ সারা রাত আমার সাথে তুমি কথা বলবে ।

আমিঃ সারারাত কেমনে বলবো ?

জান্নাতঃ তোর বলা লাগবে না যা ।

আমিঃ আচ্ছা আচ্ছা বলবো তবুও রাগ কইরো না সিনিয়র বউ ।

জান্নাতঃ হুমম এখন আসছে সিনিয়র বউকে ভালোবাসতে । আচ্ছা এখন একটা পাপ্পি দাও ।

আমিঃ পারমু না আমার লজ্জা করে ।

জান্নাতঃ তোর লজ্জা নিয়ে তুই থাক আমি গেলাম ।

আমিঃ আচ্ছা আচ্ছা দিতাছি ।

কি মেয়েরে বাবা । এদিক থেকে ওদিক হলেই রাগ করে আর না হলে কান্না করে । মেয়েরা এমনই নাকি (মনে মনে)

জান্নাতঃ কি হলো দাও ।

আমিঃ হুমম উমমমমমমাহ 🙈🙈

জান্নাতঃ 🙈🙈🙈

এভাবে জান্নাতের সাথে অনেক্ষন কথা বলে অনেক রাতে ঘুমিয়ে পড়লাম ।

এভাবে জান্নাতের সাথে প্রেমের খুনসুটি আর তাসফিয়ার সাথে বন্ধুত্বের খুনসুটি তে আমার জীবন অনেক ভালোই কাটছে । কিন্তু একটাই আফসোস এখনো আমি জান্নাত কে দেখি নি ।

না দেখে ভালোবাসার ফিলিংস ই অন্যরকম ।
👇
👇
একদিন কলেজে ক্লাস শেষে সবার সাথে আড্ডা দিতাছি । তখন তাসফিয়াও আমাদের দিকে আসতেছে,,,,

আজকে তাসফিয়া নীল শাড়ি পড়েছে । ওকে যেন জান্নাতের নীল পরী মনে হচ্ছে । হালকা সাজুগুজু করছে । ওকে আরো সুন্দরতা আরো সুন্দর করে তুলেছে ।

এসে আমাকে ডেকে নিয়ে চলে গেল সেই জায়গায় ।

আমিঃ কি ব্যাপার এখানে আনলে যে ।

তাসফিয়াঃ এমনি আড্ডা দেওয়ার জন্য ।

আমিঃ কিন্তু দেখে তো তা মনে হচ্ছে না (মনে মনে)

তাসফিয়াঃ কিছু বললে

আমিঃ না ।

এতোক্ষন অন্যদিকে তাকিয়ে ছিলাম । তাসফিয়ার দিকে তাকিয়ে দেখি ও এমনভাবে বসে আছে আর শাড়ীটা এমন ভাবে হয়ে আছে যার জন্য আমার সবথেকে আট্রাকটিভ জায়গাটা দেখা যাচ্ছে ।

মানে তাসফিয়ার শাড়ি টা সরে গেছে আর নাভীটা দেখা । নাভির নিচে কালো তিলটা জায়গাটার সৌন্দর্যটা আরো বাড়িয়ে তুলেছে ।

আমার এমনিতেই পছন্দ ওই জিনিসটা 🙈 । সেজন্য আমি শুধু আড়চোখে দেখছি । ছুঁয়ে দিতে ইচ্ছে করছে । তাসফিয়া মনে হয় বুঝতে পারছে ।

তাসফিয়াঃ এই দুষ্টু ছেলে কোথায় তাকিয়ে আছো ।

আমিঃ নিজে বের করে রেখে বলে কোথায় তাকিয়ে আছি 😄 (মনে মনে)

তাসফিয়াঃ কি হলো

আমিঃ কিছু না ।

আজকে তাসফিয়াকে এতো সুন্দর লাগছে এর আগে কখনো এমন হয় নি । জান্নাতকে না ভালোবাসলে আমি আজকেই তাসফিয়াকে প্রোপোজ করতাম ।

তাসফিয়াঃ এই রাকিব কি এতো ভাবছো ?

আমিঃ কই কিছু না তো ।

তাসফিয়াঃ আচ্ছা একটা কথা বলতাম । বলবো,,,,??

আমিঃ আরে তার জন্য আবার জিজ্ঞেস করার কি আছে,,,করো ।

তারপর তাসফিয়া যা বললো শুনে আমার চোখ কপালে উঠলো,,,,,,,,,,,

কারন তাসফিয়া বলছিল,,,,,,,,,,,,

চলবে,,,,,,,,,,,,

10/09/2024

গল্পঃ অচেনা মেয়ে
পর্বঃ ০৬
লেখকঃ রাকিব
""
""
""
ঘুম ঘুম চোখে ম্যাসেজটা ওপেন করে দেখি জান্নাতের ম্যাসেজ । এতো রাতে আবার কি বলে,,,,,

ম্যাসেজ টা পড়ে আমি তো পুরাই অবাক । কারন মেসেজটা ছিলো,,,,,,,,,,

জান্নাতঃ হ্যাপি বার্থডে আমার পিচ্চি টাহ । আশা করি আমিই প্রথম উইশ করছি । তোমাকে সারপ্রাইজ দিবো বলেই বেশি কথা বলি নি । রাগ কইরো না পিচ্চি টাহ । কাল কলেজে এসো তোমার গিফট পেয়ে যাবে । এখন লক্ষ্মী বাবুর মতো ঘুমিয়ে পড়ো ।

ম্যাসেজ টা পড়ে আমার ঘুম এক নিমিশেই উড়ে গেল । একটা মেয়ে কতটা ভালোবাসলে এমনটা রাত জেগে এমনটা করে জানি না । জান্নাত হয়তো আমাকে অনেক ভালোবাসে ।

কিন্তু এ কেমনে আমার বার্থ ডে জানলো । আর সত্যিই তো আজ আমার বার্থডে ।

যাইহোক আমি অনেক খুশি হয়ে আবার ঘুমিয়ে পড়লাম । পরের দিন সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি তাসফিয়াও উইশ করছে ।

ওকে ধন্যবাদ জানিয়ে ফ্রেশ হতে চলে গেলাম ।

প্রতিদিন জান্নাত ই গুড মর্নিং দেয় । কিন্তু আজ আমিই ওকে গুড মর্নিং মেসেজ দিলাম ।

জান্নাত একটা লাভ রিয়াক্ট পাঠিয়ে দিয়ে বললো কলেজে যেতে ।

আমি তাড়াতাড়ি রেডি হয়ে কলেজে গেলাম । আমি ভাবছি হয়তো জান্নাত আজকে আমার সাথে দেখা করবে ।

জান্নাত আমাকে ম্যাসেজ করে কলেজের অডিটোরিয়াম রুমে যেতে বললো ।

আমি খুব তাড়াতাড়ি সেখানে চলে গেলাম । গিয়ে দেখি কেউ নেই । আমি ম্যাসেজ দিলাম,,,,

আমিঃ কই তুমি । আমি আসছি ।

জান্নাতঃ একটা চেয়ারে দেখো ব্যাগ আছে ওটা নাও ।

আমি জান্নাতের কথা মতো ব্যাগ নিলাম । খুলে দেখলাম অনেক সুন্দর একটা কালো রঙের পাঞ্জাবি,,,একটা অনেক সুন্দর ঘড়ি,,,,একটা ওয়ালেট,,,আর একটা পারফিউম ।

জান্নাত আবার ম্যাসেজ দিয়েছে ।

জান্নাতঃ কি হলো গিফট পছন্দ হয় নি ।

আমিঃ হুমম অনেক পছন্দ হইছে । কিন্তু তুমি কি আমার সামনে কখনো আসবা না ।

জান্নাতঃ হুমম সময় হলেই যাবো ।

আমিঃ সেটা কবে ।

জান্নাতঃ ধৈর্য্য ধরো আমার পিচ্চি টাহ । আরো সারপ্রাইজ আছে ।

আমিঃ কি ।

জান্নাতঃ তোমার সামনে একটা পর্দা আছে ওটা সরাও ।

সত্যিই স্টেজের সামনে একটা পর্দা । ওটা সরিয়ে ফেললাম । এই সারপ্রাইজ দেখে তো আমি আরো অবাক,,,,

কারন সেখানে অনেক ফুল দিয়ে বড় করে লেখা,,,,,

"""" I Love You My Cute Picchi Tah """"
""""Wil You my present and Future """'

এটা দেখে অজান্তেই আমার চোখ দিয়ে পানি পড়লো ।

দেখি আবার জান্নাত ম্যাসেজ দিয়েছে ।

জান্নাতঃ কি হলো পছন্দ হয় নি । একটু কি ভালোবাসবে আমায় । তোমার বর্তমান ও ভবিষ্যতের সঙ্গী বানাবে । তোমার নাতীর দিদা বানাবে আমার পিচ্চি টাহ ।

আমিঃ হুমম অবশ্যই বানাবো আমার সিনিয়র বউ টাহ । আমিও তোমাকে অনেক অনেক অননননেক ভালোবাসি ।

জান্নাতঃ 💓💓😍😍

জান্নাতঃ আচ্ছা আমার ক্লাসের সময় হয়ে গেছে । আবার পরে কথা হবে ওকে আমার কিউট পিচ্চি টাহ ।

আমিঃ হুমম ঠিক আছে সিনিয়র বউ টাহ ।

বাহিরে এসে দেখি সব বন্ধুরাই আসছে । আমাকে সবাই উইশ করলো । আর বললো,,,,

বন্ধুঃ কিরে হাতে কিহ ।

আমি তাদের সব কথা খুলে বললাম ।

ওরা সবাই বললো কি রে মামা তোর তো সব থেকে বড় ইচ্ছে আজ পূরণ হলো ।

আমিঃ হুমম আজকে আমি অনেক খুশি ।

রানাঃ তাহলে ট্রিট দে ।

আমিঃ ওকে চল তোরা যা খেতে চাস আজ আমি খাওয়াবো ।

তারপর ওদের সবাইকে নিয়ে রেস্টুরেন্টে গেলাম । অনেক কিছু খাওয়া হইছে । ৫০০০ টাকা বিল আসছে । মিটিয়ে ওখান থেকে চলে আসলাম ।

তারপর দেখি তাসফিয়া মেসেজ দিয়েছে ।

তাসফিয়াঃ কোথায় তুমি ?

আমিঃ কলেজে । কেন ।

তাসফিয়াঃ আমাদের এই জায়গায় আসো । কথা আছে ।

আমিঃ ওকে আসতেছি ।

তারপর তাসফিয়ার কথা মতো আমাদের জায়গায় গেলাম । গিয়ে দেখি তাসফিয়া আগে থেকেই এসে বসে আছে ।

আমিঃ হ্যাঁ বলো কে ডাকলে ।

তাসফিয়াঃ হ্যাপি বার্থডে ।

আমিঃ থ্যাংক ইউ । 😊

তাসফিয়াঃ এই নাও গিফট ।

আমিঃ কি আছে ।

তাসফিয়াঃ নিজেই দেখো ।

আমি প্যাকেট টা খুলে দেখলাম অনেক সুন্দর একটা ফোন ।

আমিঃ তাসফিয়া এতো দামি ফোন আমি নিতে পারবো না ।

তাসফিয়াঃ কেন নিতে পারবে না আমি তোমার বন্ধু না ।

আমিঃ হুমম তা তো । তবুও

তাসফিয়াঃ প্লিজ তুমি না করো না । এটা শুধু তোমার জন্যই কিনেছি ।

আমিঃ আচ্ছা ঠিক আছে নিলাম ।

তাসফিয়াঃ থ্যাংক ইউ ।😊

তারপর আরো কিছুক্ষণ কথা বলে সেখান থেকে বাসায় চলে এলাম । এসে অনেক ক্লান্ত লাগলো তাই ঘুমিয়ে পড়লাম । ঘুম থেকে উঠে আমি তো অবাক,,,,,,,,

কারন,,,,,,,,,

চলবে,,,,,,,,,,,,,,

10/09/2024

রং নাম্বারের বাস্তব কাহিনি.সময় হলে একটু পড়বেন
ছেলে:-হ্যালো.
মেয়ে:-কে আপনি?
ছেলে:-আমি
মেয়ে:-কাকে ফোন দিয়েছেন?
ছেলে:-সরি আমি ভুল নাম্বারে কল দিয়েছি.
মেয়ে:-ওকে,আর ফোন দিও না,
লাইন "কাট"
ছেলে পরের দিন কল দিয়ে বসল..
মেয়ে:-এই ছাগল তোকে বলেছি না ফোন দিবি না.."কাট"
ছেলে আবার কল দিল...
মেয়ে:-এই কূত্তার বাঁচ্চা ফোন দিলি কেন,"কাট"
➡🙇️এভাবে একধারে ৩মাস বকা শুনল
সে কখনই মেয়েটাকে কিছুই বলেনি.
ছেলে আবার কল দিল.
মেয়ে:-এই ছাগলের বাঁচ্চা তরে এত বকা দেই তার পরেও
ফোন দেস কেন,আসলে তোর জন্মের ঠিক নাই
তোর মা তোর মা তোকে কিভাবে জন্ম দিছে হ্যা.লাইন
"কাট"
ছেলে:-এত বড় বকা শুনে দু চোখে পানি চলে আসল.
তখন বলল মেডাম আমি ইচ্ছা করেই ৩মাস আপনার বকা
শুনেছি
শুধু
আপনার কণ্ঠটা শোনার জন্য
এত বড় বকা দিলেন আজও কিছু বলব না,শুধু
এটুকুই
বলব যে আপনার কণ্ঠটা অনেক সুন্দর.
লাইন "কাটুন"
_মেয়ে মাদ্রাসায় পড়ে ৩মাস পর হঠাৎ মানসিক চাপে
পরে গেল মেয়েটি
ঠিকমত ঘুমাইনা খায়না কারো সাথে কথাও বলে না.
মাদ্রাসায় যাওয়া বন্ধ,তার কিছুই ভাল লাগে না.
শুধু এটাই ভাবে ছেলেটাকে এত বড় বকা দিলাম
একটু প্রতিবাদ ও করল না.
ছেলেটার কাছে ক্ষমা চাইতে হবে.
মেয়ে কল দিল কিন্তু ৬মাস হয়ে গেল ফোন বন্ধ.
ছেলের জন্য তার মা বাবা বিয়ে ঠিক করেছে
রাত পোহালেই তার বিয়ে
হঠাৎ বন্ধ সিম চালু করতেই দেখে ৫
হাযারের ও বেশি মিসকল ঐ মেয়েটার.
২মিনিট পরেই মেয়েটির কল আসল
ছেলে:-হ্যালো.
_মেয়ে কাঁন্নার সুরে বলে
তুমি
কই ছিলা এতদিন?
ছেলে:-আমি কই ছিলাম তা জেনে
আপনার কি প্রয়োজন?
মেয়ে:-আমি তোমার কাছে ক্ষমা চাই
তুমি আমাকে ক্ষমা করে দাও
আমি তোমাকে ভালো বেসে ফেলেছি.
ছেলে:-তুমি ৩মাস বকা দিয়ে ভালোবেসেছো
আর আমি প্রথম বকা খেয়ে তোমাকে
ভালোবেসেছিলাম.
ঠিক আছে ক্ষমা করে দিব যদি তুমি
অামার বিয়েতে আসো.
মেয়ে:-কি করে আসব কাল তো আমারো বিয়ে.
,
বিয়ে শেষে বউ নিয়ে বাড়িতে আসল ছেলেটি.
বাসর রাতে যখন মেয়ের কাছে গিয়ে দেখে,
মেয়ে এত কাঁন্না করছে যার কোন সীমা নাই.
মেয়ে:-ওগো স্বামী আমার একটা
কথা
রাখবা
ছেলে:-বলো নিশ্চয় রাখব
মেয়ে:-আমি বিয়ের আগে একটা ছেলেকে ৩মাস বকা
দিয়েছি
তার কাছে ক্ষমা চেয়ে আমি তোমার সাথে বাসর করব
তুমি কি এই ইচ্ছেটা পূরণ করবে.
ছেলে:-ও আমার জান তুমি যাকে বকা
দিয়েছিলে
আমিই সেই ভাগ্যবান ছেলে
আমার মা বাবা যে
আমার
জন্য তোমাকে ঠিক করেছে
তা আমি
আগে জানতাম না.
দুজন দুজনের গলা জরিয়ে ধরল..
এবং এই আনন্দে ওরা বাসরের কথা ভুলেই গেছে,,
,
আর গল্পটিও শেষ হলো..

09/09/2024

গল্পঃ অচেনা মেয়ে
পর্বঃ ০৪,৫
লেখকঃ রাকিব
""
""
""
বলেই একটা ঠাসস করে চড় মে*রে চলে গেল । তবে এবার জোরে মা*রে নি । আসতে মা*র*ছে । মনে হয় শুধু গাল ছুঁয়ে দিল 🙈

ভাগ্যিস তখন কেউ ছিল না । একটু দূরে নিয়ে গিয়ে মারছে । 😁

কিছুক্ষণ পর একটা মেসেজ আসছে,,,,মেসেজটা দেখে আমি তো অবাক । কারন মেসেজটা ছিলো জান্নাতের । মেসেজে লেখা ছিল,,,,,,,,,,

জান্নাতঃ কি ব্যাপার পিচ্চি,,,,মেয়েটি তোমাকে মা*র*লো কেন,,,,?

এই যাহ এ আবার কোথা থেকে দেখলো । মান সম্মান সব শেষ । আশে পাশে তাকিয়ে দেখলাম কোন মেয়ে মেসেজ করলো । কিন্তু আশে পাশে তো কাউকে দেখতে পেলাম না ।

আমিঃ আচ্ছা কোথায় আপনি আসেন দেখা করি তারপর বলছি,,,?

জান্নাতঃ কখনো না এভাবে আমি কখনোই দেখা দিবো না । তুমি নিজেই আমাকে খুঁজে বের করবা ।
কি হইছে সেটা বলো মেয়েটা তোমাকে মা*র*লো কেন,,,,?

তারপর আমি সব কথা জান্নাতকে খুলে বললাম ।

জান্নাতঃ হাহাহাহাহহা ।

তারপর জান্নাতের সাথে আরো কিছু মেসেজ করে বাসায় চলে এলাম ।

বাসায় এসে ফ্রেশ হয়ে খাওয়া দাওয়া করলাম । তারপর বিকেলে একটু বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে গেলাম । আড্ডা দিতে দিতে কখন যে রাত হয়ে গেছে বলতেই পারি না ।

ফোনের দিকে তাকিয়ে দেখি জান্নাতের ১৯ টা মিসড কল । আজ আমারে খাইছে । ফোন সাইলেন্ট ছিল তাই টের ই পাই নি । আবার ফোন দিয়েছে,,,,

আমিঃ হ্যালো ।

জান্নাতঃ ওই কু*ত্তা তোকে কয়বার ফোন দিয়েছি দেখ ।

আমিঃ সরি খেয়াল করি নি । ফোন সাইলেন্ট ছিল ।

জান্নাতঃ কোথায় আছিস যে ফোন সাইলেন্ট করে রাখতে হবে ।

আমিঃ বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতাছি ।

জান্নাতঃ কিহ এতো রাতেও আড্ডা । এখনো বাসায় যা বলতাছি । না হলে আমি কথা বলবো না ।

আমিঃ না না যাচ্ছি ।

জান্নাতঃ হুমম বাসায় গিয়ে খেয়ে লক্ষ্মী ছেলের মতো ফোন দিবে ।

আমিঃ ঠিক আছে ।

জান্নাতঃ রাখছি ।

বলেই কেটে দিল । কেন জানি না জান্নাতের সাথে কথা বলতে কেমন ফিল হয় । ওর সামনে দুধে ভাতে হয়ে যাই । ওর সব কথা শুনতে মন চায় । তাই আর দেরি না করে বাসায় চলে এলাম ।

আম্মুঃ কি রে এতো দেরি করলি যে । তুই তো রাত করিস না ।

আমিঃ সরি আম্মু আর হবে না ।

আম্মুঃ হুমম যা ফ্রেশ হয়ে আয় আমি খাবার দিচ্ছি । তারপর ফ্রেশ হয়ে খাওয়া দাওয়া করে রুমে আসলাম । তারপর এসে জান্নাতকে ফোন করলাম,,,,,

আমিঃ হ্যালো

জান্নাতঃ হুমম আমার পিচ্চি টাহ খাওয়া দাওয়া হইছে ।

আমিঃ জ্বি ।

জান্নাতঃ এই তো গুড পিচ্চি টাহ । শুনো এতো রাত পর্যন্ত বাসায় থাকবে না ।

আমিঃ হুমম ঠিক আছে ।

জান্নাতঃ আচ্ছা তোমার কি সিনিয়র মেয়ে পছন্দ ।

আমিঃ হ্যাঁ । ভালো লাগে ।

জান্নাতঃ কেন ?

আমিঃ সিনিয়র মেয়েরা অনেক বেশি ভালোবাসে আর সাথে শাসন ও করে । তবে আদর একটু বেশিই করে 🙈🙈

জান্নাতঃ পিচ্চিটা তো অনেক পাকনা আর অনেক দুষ্টু 😄

আমিঃ দুষ্টু না হলে ভালোবাসবো কেমনে গল্প লিখবো কেমনে ?

জান্নাতঃ হুমম তাই তো ।

আমিঃ হুমম । আচ্ছা রাখছি কাল কথা হবে ।

জান্নাতঃ হুমম আল্লাহ্ হাফেজ । লক্ষ্মীর মতো ঘুমিয়ে পড়ো ।

আমিঃ হুমম ।

বলেই ফোন কেটে দিলাম । তারপর কিছুক্ষণ গল্প লিখে ঘুমিয়ে পড়লাম ।

পরের দিন সকালে উঠে নামাজ পড়ে যথারীতি একটু হাটাহাটি করে আসলাম । তারপর এসে ফ্রেশ হয়ে খাওয়া দাওয়া করলাম । তারপর কলেজের উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম,,,,,,

যাওয়ার সময় রাস্তার পাশের জঙ্গলের থেকে কিছু অদ্ভুত আওয়াজ আসছে । আরেকটু এগিয়ে দেখলাম দুইটা ছেলে একটা মেয়েকে টেনে নিয়ে আড়ালে নিয়ে যাচ্ছে ওদিকে একটু ঝোপ ঝাড় । তারই সুযোগ ছেলে দুইটা নিতে চাচ্ছে।

আমি খারাপ হতে পারি । কিন্তু এতোটা খারাপ না যে কোনো খারাপ কাজ দেখলে চুপ থাকবো ।বিবেক ও বলছে একটা অসহায় মেয়েকে এভাবে ফেলে রেখে যাওয়া ঠিক হবে না ।

আমি ওদের পিছু নিলাম । ওদের সামনে দাঁড়াতেই একটা ছেলে বলল,,,,,

ছেলেটিঃ কে তুই ?

আমিঃ কি করছিস দেখতে এলাম।

আমিঃ নাটক করিস না । দেখতেই পাচ্ছিস কি হবে এখন । চাইলে তুই ও আমাদের সাথে অংশগ্রহণ করতে পারিস ।

এতোক্ষন ওদের সাথে কথা বলায় মেয়েটাকে দেখা হয়নি । আমি মেয়েটার দিকে তাকালাম । এতো কলেজে আমায় থাপ্পড় মারা সেই মেয়েটা । মানে প্রিন্সিপাল স্যারের মেয়ে । ওর চুলগুলো এলোমেলো হয়ে আছে । চোখ মুখ বিধস্ত । মুখে টেপ দেওয়া ।

দুইটা ছেলের শক্তির কাছে পরাজিত হয়ে ওর এমন অবস্থা হয়েছে । মেয়েটার সাথে আমার এমনি কথা কাটাকাটি থাকতে পারে । কিন্তু এমন অবস্থায় এর সুযোগ নেওয়া মোটেও ঠিক হবে না।

ছেলে দুইটা আমার চেয়ে বড় হবে । এদের দুজনকে পরাজিত করতে হলে বুদ্ধি করে পরাজিত করতে হবে।

ছেলেটিঃ ওই এতো ভাবছিস কি?হ্যাঁ না হয় না বল?

মেয়েটা আমার দিকে করুনভাবে তাকালো । হয়তো ভাবছে আমিও ওদের দলে যোগ দিবো।

আমি কোনো কথা না বলেই কাছে দাঁড়িয়ে থাকা ছেলেটার তলপেটে লাথি মা*র*লা*ম । আচমকা লাথি খেয়ে ছেলেটা একটু দূরে পড়ে গেল । এটা দেখে আরেকটা ছেলে আমাকে মা*র*তে এলো । আগে থেকেই মা*রা*মা*রি করতে ভাল্লাগতো । কারণ ভালো মা*রা*মা*রি পারি । এবারও ছেলেটাকে আচ্ছা মতো ধোলাই দিলাম।অবশ্য নিজেও কয়েকটা ঘুষি খেয়েছি।

দুইটা ছেলে মাটিতে গড়াগড়ি খাচ্ছে। ওদের কাছে গিয়ে বললাম মেয়েদের সম্মান কর । তাহলে সম্মান পাবি ।

আমি মেয়েটার মুখের টেপ খুলে দিলাম। ওর হাত ও বাধা আছে । হাতের বাঁধন ও খুলে দিলাম।

মেয়েটা আমাকে জড়িয়ে ধরে কান্না করতে লাগলো।

আমিঃ আরে কি করছেন । ছাড়ুন ।

ও আমাকে ছেড়ে দিলো ।

মেয়েটিঃ থ্যাংক ইউ সো মাচ । আমি ভাবছি তুমিও ওদের দলে যোগ দিবে ।

আমিঃ আরে সমস্যা নেই । আসুন আপনাকে বাসায় পৌছে দেই ।

আমি মেয়েটিকে ওর বাসায় পৌছে দিয়ে নিজেও বাসায় চলে এলাম । কারন ক্লাসের সময় পার হয়ে গেছে । সেদিন আর জান্নাতের সাথেও কথা হয় নি । পরের দিন কলেজে গিয়ে আমি তো অবাক । কারন,,,,,,,,

চলবে,,,,,,,,,,
গল্পঃ অচেনা মেয়ে
পর্বঃ ০৫
লেখকঃ রাকিব
""
""
""
আমি মেয়েটিকে ওর বাসায় পৌছে দিয়ে নিজেও বাসায় চলে এলাম । কারন ক্লাসের সময় পার হয়ে গেছে । সেদিন আর জান্নাতের সাথেও কথা হয় নি । পরের দিন কলেজে গিয়ে আমি তো অবাক । কারন,,,,,,,,

কলেজে আমরা সব বন্ধুরা আড্ডা দিতেছি তখন প্রিন্সিপাল স্যারের মেয়ে আমাদের দিকেই আসছে । এসেই আমাকে বলল,,,,,

মেয়েটিঃ এদিকে একটু আসবা কথা আছে ।

আমিঃ ঠিক আছে । আচ্ছা তোরা থাক আমি আসছি ।

বলে সেখান থেকে উঠে ওর সাথে চলে এলাম । মেয়েটি কলেজের পাশেই একটা সুন্দর জায়গায় নিয়ে এলো ।

আমিঃ হ্যাঁ বলেন কেন এখানে নিয়ে আসলেন ।

মেয়েটিঃ আসলে এই কয়েকদিন যে ব্যবহার করছি তার জন্য সরি । আর সেদিন তোমার দোষ ছিল না আমি খোঁজ নিয়েছি । তোমার বন্ধুই চিঠি দিয়েছিল । প্লিজ আমাকে ক্ষমা করে দাও ।

আমিঃ আচ্ছা ঠিক আছে ক্ষমা চাইতে হবে না । আমি কিছু মনে করি নি ।

মেয়েটিঃ আর কালকের জন্য অনেক ধন্যবাদ । তুমি না থাকলে কি যে সর্বনাশ হতো ।

আমিঃ আরে ঠিক আছে । সমস্যা নেই ।

মেয়েটিঃ আচ্ছা তাহলে ফ্রেন্ড ?

কিছুক্ষণ ভেবে,,,,

আমিঃ আচ্ছা ঠিক আছে । কিন্তু আপনার নাম টাই তো জানি না ।

মেয়েটিঃ আমার নাম তাসফিয়া ।

আমিঃ বাহ্ খুব সুন্দর নাম ।

তাসফিয়াঃ আর তোমার নাম তো রাকিব তাই না ।

আমিঃ হুমম ।

তাসফিয়াঃ আচ্ছা তোমার নাম্বার দিবে ? যেহেতু আমরা ফ্রেন্ড,,,আর এখানে এসেই আমরা সব সময় দেখা করবো ওকে ।

আমিঃ হুমম ঠিক আছে ।

তাসফিয়াঃ নাম্বার দাও ।

আমিঃ 019*******27

তাসফিয়াঃ ধন্যবাদ ।

তারপর আরো কিছুক্ষণ তাসফিয়ার সাথে কথা বলে সেখান থেকে চলে এলাম । তারপর ক্লাসে গেলাম । ক্লাসে রানা বললো,,,,

রানাঃ কি রে মেয়েটা কি বললো ।

আমি তাকে কালকের ঘটনা সব খুলে বললাম । ও বললো অনেক ভালো করেছিস দোস্ত । তারপর ক্লাস শেষ করে আরো কিছুক্ষণ আড্ডা দিয়ে বাসায় চলে এলাম ।

বাসায় এসে ফ্রেশ হয়ে খাওয়া দাওয়া করে শুয়ে আছি । তখন দেখি মেসেজের টুং করে শব্দ হলো । ফোন চেক করে দেখি জান্নাতের ম্যাসেজ ।

জান্নাতঃ ওই পিচ্চি আজকে তুমি ওই মেয়েটার সাথে কোথায় গেছিলে হুমম ।

আমি জান্নাত কেউ সব ঘটনা খুলে বললাম । সেও বলল,,,,,

জান্নাতঃ অনেক ভালো করেছো । কিন্তু বন্ধুর থেকে যেন বেশি কিছু হয় না বলে দিলাম । না হলে তোমাকে খু*ন করবো । বুঝেছো,,,,?

আমিঃ কেন ?

জান্নাতঃ এতো কিছু জানি না । আমি যা বলেছি তা করবা ।

আমিঃ হুমম ঠিক আছে ।

ফোন কেটে দিলাম । কিছুক্ষণ পর দেখি তাসফিয়া মেসেজ দিয়েছে ।

তাসফিয়াঃ বাসায় পৌছেছো ?

আমিঃ হুমম ।

তাসফিয়াঃ ঠিক আছে কাল কলেজে দেখা হবে ।

আমিঃ হুমম ঠিক আছে ।

বলে রেখে দিলাম ফোন ।
👇
এভাবে কয়েকদিন কেটে গেল । এখন প্রতিদিন তাদের দুইজনের সাথেই কথা হয় । তাসফিয়া আমার অনেক ভালো বন্ধু হয়ে গেছে । কিন্তু ওকেও আমার অনেক ভালো লাগে 😁

আর জান্নাতের সাথে কথা না বলে থাকতে পারি না । প্রতিরাতই ওর সাথে কথা বলি ।

এভাবেই চললো কিছুদিন । তারপর একদিন রাতে জান্নাতের সাথে অল্প কিছু কথা হতেই বললো পরে কথা হবে বলে ফোনটা রেখে দিল ।

আমিও মন খারাপ করে শুয়ে পড়লাম । রাত ১২:০০ টায় একটা মেসেজের শব্দ শুনতে পেলাম ।

ঘুম ঘুম চোখে ম্যাসেজটা ওপেন করে দেখি জান্নাতের ম্যাসেজ । এতো রাতে আবার কি বলে,,,,,

ম্যাসেজ টা পড়ে আমি তো পুরাই অবাক । কারন মেসেজটা ছিলো,,,,,,,,,,

চলবে,,,,,,,,,?

আপনারা একটা গেস করেন কি হতে পারে 😊 ।

08/09/2024

গল্পঃ অচেনা মেয়ে
পর্বঃ ০৩
লেখকঃ রাকিব
""
""
""
এই মেয়ে তো আমার প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত সব জানে । কি করে এতো কিছু জানে । কে এই মেয়ে । সত্যিই আমাকে অনেক ভাবাচ্ছে,,,,,

এভাবে আরো অনেক কথা বলে ফোনটা রেখে দিলাম । রাতে তাড়াতাড়ি ডিনার করে গল্প লিখে শুয়ে পড়লাম ।

ফজরের আযান দিচ্ছে এমন সময় ফোনে মেসেজ আসলো । দেখি জান্নাতের ম্যাসেজ । লেখা ছিল,,,,,

জান্নাতঃ প্লিজ পিচ্চি টাহ ঘুম থেকে উঠে নামাজ আদায় করো ।

আমি অবাক হয়ে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকে ভাবলাম আজকে কলেজে গিয়ে খোঁজ নিবো কে এই মেয়ে,,,

আমি খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠে অযু করে এসে নামাজ আদায় করলাম । তারপর ঘুমানোর চেষ্টা করলাম কিন্তু ঘুম কিছুতেই আসলো না ।

তাই বাহিরে হাটাহাটি করতে গেলাম । বাসায় এসে দেখি আম্মু নাস্তা রেডি করছে । আম্মু আমাকে দেখে তো অবাক । যে ছেলেকে নয়টার আগে ডেকেও ঘুম থেকে তোলা যায় না । সে আজ ভোর ছয়টায় উঠছে ।

আম্মু কাছে এসে মাথায় হাত দিয়ে বললো,,,

আম্মুঃ জ্বর হয় নি তোর ।

আমিঃ আম্মু কি বলছো এগুলো ।

আম্মুঃ যে ছেলেকে নয়টার আগে ডেকেও ঘুম থেকে তোলা যায় না সে ভোর ছয়টায় কিভাবে উঠলো ।

আমিঃ তুমি বুঝবে না ।

বলেই আমার রুমে চলে গেলাম । এসে গোসল করে একেবারে কলেজের জন্য রেডি হলাম । এসে নাস্তা করলাম । তারপর কলেজের উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম ।

কলেজে গিয়ে দেখি রানা,,জাহিদ,,ইমন সবাই আসছে । সবাই আড্ডা দিতাছে ।

রানাঃ কি রে দোস্ত কি খবর ।

আমিঃ এই তো আলহামদুলিল্লাহ । চল ক্লাসে যাবি না ।

রানাঃ হ্যাঁ চল সবাই ।

তারপর আমরা সবাই মিলে ক্লাসে গেলাম । ক্লাস শেষে আমরা সবাই ক্যাম্পাসে বসলাম । রানাকে ওই মেয়ের কথা সব খুলে বললাম ।

রানাঃ কি বলিস মামা । এই মেয়েতো তোর প্রেমে পড়ছে । তোর তো ইচ্ছে পূরণ হইছে । তোর তো ইচ্ছে তুই সিনিয়র মেয়ের সাথে প্রেম করবি ।

আমিঃ 🙈🙈

রানাঃ থাক আর লজ্জা পেতে হবে না । এখন মেয়েটাকে তো খুঁজে পেতে হবে ।

আমিঃ হুমম

ইমনঃ এই তোরা দেখ এই মেয়েটা কত সুন্দর । যদি প্রেম করতে পারতাম ।

আমরা সবাই মেয়েটার দিকে তাকালাম । আমি অবাক হয়ে গালে হাত দিয়ে সেদিনের কথা মনে করলাম । আরে এ তো প্রিন্সিপালের মেয়ে ।

আমিঃ সা*লা নজর দিস না থাপ্পড় না খেতে চাইলে ।

ইমনঃ কেন কি হইছে দোস্ত ।

আমিঃ এই মেয়ে কে জানিস ।

রানাঃ কে ?

আমিঃ আমাদের প্রিন্সিপালের মেয়ে । আমাদের অনেক সিনিয়র ।

ইমনঃ তুই কেমনে চিনলি ।

সেদিনের থাপ্পড়ের কথা ওদের বলতে চাচ্ছি না । তাই বললাম,,,,

আমিঃ সেটা তোদের জানতে হবে না ।

ইমনঃ দোস্ত আমি প্রেম করার আগেই ছ্যাকা টা খেয়ে গেলাম ।

সবাই হাহাহাহহা করে হেসে উঠলো ।

ইমনঃ আমি তবুও একটা চান্স নিতে চাই ।

আমিঃ সা*লা তোর ম*রা*র পাখনা গজিয়েছে ।

ও কারো কথা না শুনে একটা লাভ লেটার লিখলো আর তাকে দিতে গেল । দূর থেকে কি কথা হচ্ছে আমরা বুঝতে পারছি না । তবে শুধু বুঝা যাচ্ছে ইমন কাঁপছে আর আমার দিকে একবার আঙুল তুলে দেখিয়ে জোরে দৌড় দিল ।

বুঝলাম না কি হলো,,,,
তারপর মেয়েটা আমার দিকে আসতেছে । আমার অনেক ভয় লাগছে । এসেই মেয়েটি,,,,

মেয়েটিঃ এই পিচ্চি তুই নাকি এই লাভ লেটার দিতে বলেছিস ।

সা*লা আমার বন্ধুরা একেকটা কি হারামি রে । ও ফাসছে সাথে আমাকেও ফাঁসিয়ে দিয়েছে । ভাগ্য করে কয়েকটা বন্ধু পাইছি । (বির বির করে বললাম )

মেয়েটিঃ ওই বির বির করে কি বলছিস । সিনিয়র মেয়ে দেখলেই প্রেম করতে ইচ্ছে জাগে হুমম ।

আমিঃ গালে হাত দিয়ে বললাম সরি আর হবে না ।

মেয়েটিঃ গালে হাত দিয়েছিস কেন । হাত নামা ।

আমিঃ না । আপনি যদি আবার মা*রে*ন ।

মেয়েটিঃ মা*র*বো*ই তো ।

বলেই একটা ঠাসস করে চড় মে*রে চলে গেল । তবে এবার জোরে মারে নি । আসতে মা*র*ছে । মনে হয় শুধু গাল ছুঁয়ে দিল 🙈

ভাগ্যিস তখন কেউ ছিল না । একটু দুরে নিয়ে গিয়ে মা*র*ছে । 😁

কিছুক্ষণ পর একটা মেসেজ আসছে,,,,মেসেজটা দেখে আমি তো অবাক । কারন মেসেজে লেখা ছিল,,,,,,,,,,

চলবে,,,,,,,,,,

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address

Dhaka
1650