YASIN

YASIN

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from YASIN, Health/Beauty, Dhaka.

24/12/2025

এগুলো সাজিয়ে লিখে দাও!
Conversation with Gemini
এগুলো সাজিয়ে লিখে দাও!

আপনার আপলোড করা ছবিগুলোতে 'নাসুহের তওবা'র যে বিখ্যাত কাহিনীটি তুলে ধরা হয়েছে, তা নিচে পর্যায়ক্রমে এবং সুন্দরভাবে সাজিয়ে লিখে দেওয়া হলো:

নাসুহের তওবা: একটি শিক্ষাদ্প্রদ কাহিনী
প্রবঞ্চনার জীবন
বহু বছর আগে নাসুহ নামে এক ব্যক্তি ছিল। তার শারীরিক গঠন এবং কণ্ঠস্বর ছিল হুবহু নারীদের মতো। তার মুখে দাড়ি-গোঁফ ছিল না, ফলে তাকে দেখলে চেনার উপায় ছিল না যে সে একজন পুরুষ। নিজের এই শারীরিক বৈশিষ্ট্যের সুযোগ নিয়ে সে এক জঘন্য প্রতারণার আশ্রয় নেয়। নাসুহ নিজেকে নারী পরিচয় দিয়ে মহিলাদের গোসলখানায় 'দাল্লাক' (গা-ডলুনি বা সেবিকা) হিসেবে কাজ শুরু করে। সে সবসময় চাদর ও নেকাব পরে থাকত, তাই কেউ তাকে সন্দেহ করত না। কিন্তু বাস্তবে সে ছিল একজন কামুক যুবক। সে রাজকন্যা এবং সম্ভ্রান্ত নারীদের গোসল করাত আর নারীরা তাকে 'আপা' বা 'খালা' মনে করে তার কাছে নিঃসঙ্কোচে নিজেদের মেলে ধরত। নাসুহ এই সুযোগে নিজের পাপলিপ্সা চরিতার্থ করত।

অনুশোচনা ও অলি-র কাছে গমন
নাসুহ মনে মনে জানত যে সে মহাপাপ করছে। সে বারবার তওবা করত, কিন্তু সুন্দরী নারীদের সংস্পর্শে এলেই তার 'নফস' বা প্রবৃত্তি তওবা ভেঙে দিত। পাপের এই জাল থেকে বের হতে না পেরে একদিন সে এক আল্লাহর ওলির কাছে গিয়ে দোয়ার প্রার্থনা করল। সেই সাধক তার আধ্যাত্মিক দৃষ্টি দিয়ে নাসুহের সব গোপন পাপ দেখে ফেললেন। কিন্তু আল্লাহর গুণ 'সাত্তারুল উয়ুব' (দোষ গোপনকারী) এর অনুসারী হিসেবে তিনি তার দোষ ফাঁস করলেন না। তিনি শুধু মুচকি হেসে বললেন, "হে মন্দ স্বভাবের মানুষ! আল্লাহ তোমাকে তোমার পাপ থেকে তওবা করার তাওফিক দিন।" আল্লাহর প্রিয় বান্দার সেই দোয়া কবুল হলো, তবে নাসুহের জন্য অপেক্ষা করছিল এক কঠিন পরীক্ষা।

কঠিন পরীক্ষা
একদিন রাজকন্যা সেই গোসলখানায় গোসল করতে এলেন। হঠাৎ তার কানের দুল থেকে একটি অত্যন্ত মূল্যবান মুক্তা হারিয়ে গেল। তন্নতন্ন করে খুঁজেও তা পাওয়া গেল না। সন্দেহ করা হলো যে ভেতরে থাকা কেউ এটি চুরি করেছে। সঙ্গে সঙ্গে গোসলখানার দরজা বন্ধ করে দেওয়া হলো। ঘোষণা করা হলো যে, সবার শরীর তল্লাশি করা হবে—এমনকি শরীরের গোপন অঙ্গও বাদ যাবে না।

এই ঘোষণা শুনে নাসুহের আত্মা শুকিয়ে গেল। সে তো নারী নয়, ছদ্মবেশী পুরুষ! যদি তার কাপড় খোলা হয়, তবে তার আসল পরিচয় ফাঁস হয়ে যাবে। রাজকন্যার সামনে পুরুষের উপস্থিতি ধরা পড়লে তার শাস্তি হবে নিশ্চিত ও নির্মম মৃত্যুদণ্ড। ভয়ে নাসুহের মুখ হলুদ এবং ঠোঁট নীল হয়ে গেল। সে গোসলখানার এক নির্জন কোণে গিয়ে লুকিয়ে থরথর করে কাঁপতে লাগল।

সত্যিকারের তওবা
মৃত্যুকে চোখের সামনে দেখে নাসুহ আল্লাহর দরবারে ভেঙে পড়ল। সে মনে মনে বলতে লাগল, "হে আল্লাহ! আমি বহুবার তওবা করেছি এবং তা ভেঙেছি। আমি জানি আমার পাপের কারণেই আজ এই বিপদ। কিন্তু এবার যদি আমার সম্মান ধুলোয় মিশে যায়, তবে আমি শেষ হয়ে যাব।" সে কাঁদতে কাঁদতে আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ করল, "হে প্রভু! তুমি যদি আজ আমার দোষ গোপন রাখো, তবে আমি কথা দিচ্ছি—আমি তওবা করলাম, আর জীবনেও কোনো পাপের কাছে যাব না।"

নাসুহ যখন 'ইয়া রব, ইয়া রব' বলে কাঁদছিল, তখন তার অবস্থা দেখে মনে হচ্ছিল যেন আজরাইল (আ.) তার সামনে দাঁড়িয়ে আছেন। একে একে সবার তল্লাশি শেষ হলো, কিন্তু মুক্তা পাওয়া গেল না। বাকি রইল শুধু নাসুহ।

অলৌকিক মুক্তি
প্রহরীরা চিৎকার করে ডাকল, "হে নাসুহ! সবার দেখা শেষ, এবার তুমি সামনে এসো!" এই ডাক শুনে ভয়ে নাসুহের হৃদস্পন্দন প্রায় থেমে যাওয়ার উপক্রম হলো। সে সংজ্ঞাহীন হয়ে মেঝেতে লুটিয়ে পড়ল। ঠিক সেই মুহূর্তে হঠাৎ বাইরে থেকে শোরগোল শোনা গেল। এক প্রহরী চিৎকার করে বলল, "তল্লাশি থামাও! রাজকন্যার হারানো মুক্তাটি অন্য জায়গায় পাওয়া গেছে!"

নাসুহ যখন জ্ঞান ফিরে পেল, সে দেখল বিপদ কেটে গেছে। আল্লাহ তার তওবা কবুল করেছেন এবং তার গোপন দোষ ঢেকে রেখেছেন। সেই দিন থেকেই নাসুহ তার পুরনো জীবন ত্যাগ করে একজন সত্যিকারের মুমিন হিসেবে বাকি জীবন অতিবাহিত করল।

শিক্ষণীয়: মানুষের পাপ যত বড়ই হোক না কেন, বিপদে পড়ে যখন কেউ খাঁটি মনে আল্লাহর কাছে সাহায্য চায় এবং তওবা করে, আল্লাহ তার সম্মান রক্ষা করেন এবং তাকে ক্ষমা করে দেন। YASIN #ঈমানি_গল্প #ইসলামিক_ইতিহাস #ইসলামিক_উপদেশ #আত্মশুদ্ধি #হিকমাহ

21/12/2025

এটি মূলত মুসলিম সেনাপতি কুতাইবা বিন মুসলিম এবং সমরকন্দ বিজয়ের একটি ঐতিহাসিক সত্য ঘটনা।

সমরকন্দ বিজয়ের ঐতিহাসিক ইনসাফ
মুসলিম সেনাপতি কুতাইবা বিন মুসলিম সমরকন্দ জয় করেছিলেন। কিন্তু এই বিজয়ে তিনি যুদ্ধের ইসলামি নীতি ভঙ্গ করেছিলেন। ইসলামি নিয়ম অনুযায়ী, কোনো শহরে আক্রমণ করার আগে তাদের তিনটি প্রস্তাব দিতে হয়— ১. ইসলাম গ্রহণ, ২. জিজিয়া কর দেওয়া, অথবা ৩. তিন দিনের সময় দিয়ে যুদ্ধের ঘোষণা দেওয়া। কিন্তু কুতাইবা এই নিয়ম না মেনে অতর্কিত আক্রমণ করে সমরকন্দ দখল করে নিয়েছিলেন।

সমরকন্দের প্রধান পুরোহিত (পাদ্রী) এই অন্যায়ের প্রতিকার চেয়ে দামেস্কে থাকা মুসলিম খলিফার কাছে এক দূত পাঠালেন। দূত দামেস্কে পৌঁছে বিশাল সব অট্টালিকা দেখে ভাবল, এটাই হয়তো খলিফার প্রাসাদ। কিন্তু লোকেরা জানাল ওটা মসজিদ। তারা তাকে খলিফার সাধারণ বাড়ির পথ দেখিয়ে দিল। দূত সেখানে গিয়ে দেখল, এক ব্যক্তি মই বেয়ে নিজের মাটির ঘরের ছাদ মেরামত করছেন, আর তার স্ত্রী নিচে দাঁড়িয়ে তাকে মাটি বা কাদা এগিয়ে দিচ্ছেন। এই সাধারণ দৃশ্য দেখে দূত বিশ্বাসই করতে পারল না যে, ইনিই মুসলিমদের খলিফা।

দূত তার পরিচয় দিয়ে খলিফার হাতে পুরোহিতের চিঠি দিল। খলিফা চিঠি পড়ে তার পেছনেই সমরকন্দের গভর্নরের উদ্দেশ্যে লিখে দিলেন: "একজন কাজী (বিচারক) নিয়োগ করো, যিনি এই পুরোহিতের অভিযোগ শুনবেন।"

দূত হতাশ হয়ে ফিরে এল। সে ভাবল, এই সামান্য এক টুকরো কাগজে কি আর শক্তিশালী সেনাপতিকে সরানো যাবে? সমরকন্দের পুরোহিতও চিঠি দেখে হতাশ হলো। তবুও তারা গভর্নরের কাছে গেল। গভর্নর চিঠি পড়ে সাথে সাথে একজন কাজী (বিচারক) নিয়োগ করলেন।

কাজী জুমাইয়া বিচার কাজ শুরু করলেন। কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হলো সেনাপতি কুতাইবা বিন মুসলিমকে। তার পাশে দাঁড়ালেন অভিযোগকারী পুরোহিত। কাজী পুরোহিতকে জিজ্ঞেস করলেন, "তোমার অভিযোগ কী?" পুরোহিত বললেন, "কুতাইবা কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই আমাদের আক্রমণ করেছেন। আমাদের ইসলাম গ্রহণের বা জিজিয়া দেওয়ার সুযোগ দেননি, এমনকি যুদ্ধের প্রস্তুতির জন্য তিন দিনের সময়ও দেননি।"

কাজী কুতাইবাকে জিজ্ঞেস করলেন, "সেনাপতি! এই অভিযোগ কি সত্য?" কুতাইবা বললেন, "মাননীয় কাজী! যুদ্ধ তো আসলে এক ধরণের কৌশল বা ধোঁকা। সমরকন্দ শক্তিশালী ছিল। আমরা জানতাম তারা যুদ্ধের প্রস্তুতির সময় পেলে আমাদের হারানো কঠিন হবে। তাই আমরা সুযোগের সদ্ব্যবহার করেছি।"

কাজী আবার জিজ্ঞেস করলেন, "তুমি কি তাদের নিয়ম অনুযায়ী সুযোগ দিয়েছিলে?" কুতাইবা স্বীকার করলেন, "না, আমি তা দিইনি।"

কাজী তখন ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করলেন: "সেনাপতি যখন নিজের ভুল স্বীকার করেছেন, তখন আর বিচারের প্রয়োজন নেই। আল্লাহ এই ধর্মকে বিজয় দিয়েছেন কেবল ন্যায়বিচারের কারণে, ধোঁকা বা সুযোগ সন্ধানের কারণে নয়। আমার রায় হলো— এই মুহূর্ত থেকে সমস্ত মুসলিম সৈন্য, তাদের পরিবার এবং সব মালামাল নিয়ে সমরকন্দ ছেড়ে চলে যাবে। সমরকন্দকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে দিতে হবে। যদি আবার আসতে হয়, তবে নিয়ম মেনে তিন দিনের সময় দিয়ে আসতে হবে।"

পুরোহিত এবং সমরকন্দের মানুষ এই রায় শুনে নিজেদের কান ও চোখকে বিশ্বাস করতে পারছিল না। বিজয়ী সেনাপতি ও তার বিশাল বাহিনীকে কেবল একজন কাজীর কথায় শহর ছেড়ে যেতে হবে, এটা কি কোনো স্বপ্ন?

কিন্তু কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তারা দেখল, মুসলিম বাহিনী সত্যিই শহর খালি করে চলে যাচ্ছে। ধুলো উড়িয়ে তারা বিদায় নিচ্ছে। এই অভাবনীয় দৃশ্য এবং ইসলামের এমন নিখুঁত ন্যায়বিচার দেখে সমরকন্দের মানুষ মুগ্ধ হয়ে গেল। তারা ভাবল, এমন ন্যায়পরায়ণ ও সৎ মানুষদের সঙ্গ হারানো বোকামি। সূর্য ডোবার আগেই পুরোহিত ও তার অনুসারীরা দৌড়ে গিয়ে মুসলিম বাহিনীকে থামাল। তারা সবাই সমস্বরে "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ" বলে ইসলাম গ্রহণ করল এবং মুসলিম বাহিনীকে সসম্মানে শহরে ফিরিয়ে আনল। (কিসাসুম মিনাত তারিখ)

তরবারির চেয়ে ন্যায়বিচারের শক্তি অনেক বেশি। ইসলাম মানুষের মন জয় করেছে তার ইনসাফ ও সততা দিয়ে, জোরজবরদস্তি করে নয়।
#ইসলামিক_ইতিহাস #ন্যায়বিচার #সমরকন্দ_বিজয় #ঈমানি_গল্প

20/12/2025

১. যে নিজের দোষ দেখে না, সে কখনো সংশোধন হতে পারে না।
২. বুদ্ধিমান মানুষ সেই, যে অন্যের ভুল দেখে শিক্ষা নেয়।
৩. যে মানুষ কৃতজ্ঞতা জানে না, সে সুখী হতে পারে না।
৪. সৎ মানুষের দারিদ্র্য অসৎ মানুষের ধনসম্পদের চেয়ে শ্রেষ্ঠ।
৫. যে অন্যের দুঃখে কাঁদে, সে প্রকৃত মানুষ।
৬. অহংকার জ্ঞানের শত্রু, বিনয় জ্ঞানের অলংকার।
৭. মন্দের প্রতিদান মন্দ দিয়ে নয়, ভালো দিয়ে দিলে তা শেষ হয়ে যায়।
৮. নীরবতা অনেক সময় এমন জবাব দেয়, যা ভাষা দিতে পারে না।
৯. অন্যের গোপন কথা প্রকাশ করা বিশ্বাসঘাতকতার শামিল।
১০. ভালো কাজ করো, কারণ তা তোমার সাথে থাকবে মৃত্যুর পরেও।
১১. যে আল্লাহকে ভুলে যায়, সে নিজের মূল্য হারায়।
১২. পাপের আনন্দ ক্ষণস্থায়ী, কিন্তু তার শাস্তি চিরস্থায়ী।
১৩. যে নিজেকে বড় ভাবে, সে আল্লাহর কাছে ছোট হয়ে যায়।
১৪. মানুষের প্রকৃত সৌন্দর্য তার চরিত্রে।
১৫. যে জ্ঞানকে কাজে লাগায় না, তার জ্ঞান বোঝার কোনো মূল্য নেই।
১৬. বন্ধুত্বে বিশ্বাসঘাতকতা করা সবচেয়ে বড় পাপ।
১৭. যে সময়ের মূল্য বোঝে না, সে জীবনের মূল্যও বোঝে না।
১৮. যে মানুষ ধৈর্য ধারণ করতে পারে, সে সব কিছু অর্জন করতে পারে।
১৯. ভালোবাসা হলো আত্মার খাদ্য, ঘৃণা হলো তার বিষ।
২০. মানুষের সবচেয়ে বড় শত্রু তার নিজের নফস।
২১. যে মিথ্যা বলে, সে আল্লাহর রহমত থেকে দূরে সরে যায়।
২২. একটি ভালো কথা অনেক ঝগড়া থামাতে পারে।
২৩. জীবনের সবচেয়ে বড় সফলতা হলো নিজের আত্মাকে শুদ্ধ রাখা।
২৪. যে আল্লাহর ভয় রাখে, তার ভয় রাখার আর কিছু নেই।
২৫. কাউকে ছোট মনে করা নিজের মর্যাদা হারানোর নামান্তর।
২৬. মিষ্টভাষী মানুষ কখনো একা থাকে না।
২৭. মানুষ যতই ধনী হোক, চরিত্র ছাড়া তার কিছুই নেই।
২৮. দুনিয়া অল্প সময়ের অতিথিশালা, এখানে অহঙ্কারের জায়গা নেই।
২৯. যে অন্যের ক্ষতি করে, সে নিজেরই ক্ষতি ডেকে আনে।
৩০. আল্লাহর সন্তুষ্টিই জীবনের প্রকৃত সাফল্য।
YASIN

#ইসলামিক_উপদেশ
#জীবনের_বাস্তবতা
#আত্মশুদ্ধি
#ইমান
#হিকমাহ

#আজকের_কথা

18/12/2025

১. গুনাহ আর মিষ্টি লাগে না। তুমি করছো ঠিকই, কিন্তু আগের সেই আনন্দ আর নেই।

২. গাফিলদের আসরে অস্বস্তি লাগে। চারপাশে হাসি-ঠাট্টা চলছে, কিন্তু তোমার অন্তর শুন্য লাগে।

৩. হঠাৎ হঠাৎ অপরাধবোধ জাগে। গাড়িতে, বিছানায়, মোবাইল স্ক্রল করার সময়... মনে হয়: "আমাকে বদলাতে হবে।"

৪. নামাজ ডাকতে শুরু করে। অদ্ভুত সময়ে অলস হলেও ভেতর থেকে টান অনুভব করো।

৫. নিজে থেকেই ইসলামিক রিমাইন্ডার খুঁজে বের করা। কেউ বলছে না, তবুও হৃদয় তৃষ্ণার্ত হয়ে খুঁজছে।

৬. অকারণে চোখে পানি আসে। কুরআন শুনলে কান্না চলে আসে, যদিও পুরোটা বোঝো না।

৭. আল্লাহ তোমার জীবন থেকে কিছু মানুষ ও গাফিলতা সরিয়ে দেন। তুমি ভাবো এটা কাকতালীয়, কিন্তু আসলে তা নয়।

৮. বারবার একই রিমাইন্ডার সামনে আসে। পোস্ট, ভিডিও, আয়াত, কথোপকথন – সবই তোমাকে তাঁর দিকে ফিরিয়ে নিচ্ছে।

প্রার্থনা: হে আল্লাহ! তুমি যে নিদর্শনগুলো পাঠাও আমরা যেন তা উপেক্ষা না করি। আমীন।

শেষ কথা: এই লিস্টটি সেভ করে রাখো এবং যার আত্মাও আল্লাহর পথে ফিরতে ডাকছে- তাকে শেয়ার করো।

YASIN

#হিদায়াত #ইসলাম

15/12/2025
11/12/2025

রাসূলুল্লাহ-কে যদি ভালোবাসো... এই ক্যাপশনটা পড়ো- চোখের পানি ধরে রাখতে পারবে না.........
নবীর সম্মানের প্রতি ভালোবাসা ছিলো আকাশ চুম্বি। যে ভালোবাসা তাকে ফাঁসির মঞ্চে তুলেছে।
বলছিলাম ১৯২৩সালের সেই কাঠ মিস্ত্রী ইলমুদ্দিনের কথা।
বর্তমান পৃথিবীতে বড্ড প্রয়োজন কাঠ মিস্ত্রি" ইলমুদ্দিনের" মতো একজন খাঁটি আশেকে রাসুল এর খুবই অভাব।
যিনি ১৯২৩ সালে প্রিয় রাসুল সাঃ কে নিয়ে অবমাননাকরী" রঙ্গিলা রাসুল " বই প্রকাশ করার কারনে প্রকাশক রাজপালকে হত্যা করে ফাঁসির কাষ্ঠে উঠেছিলেন। রাষ্ট্রের সকল এডভোকেটগণ তার পক্ষে, তারা বলল ইলমুদ্দীন তুমি বলবে, তখন তোমার মাথা ঠিক ছিল না,, কিন্তু তিনি তা না বলে আদালতের কাঠগড়ায় দাড়িয়ে বলল
আমি স্বচ্ছায় স্বজ্ঞানে তাকে হত্যা করলাম, কারণ সে রাসূল (সাঃ) কে, রাঙ্গিলা রাসূল বলার কারনে,,,
পরে যখন এডভোকেটগণ জিজ্ঞেসা করলেন, তুমি এইভাবে বলেছ কেন,, তিনি বলেন আমাকে স্বপ্নে রাসূল (সাঃ) বলছেন, ইলমুদ্দীন তারাতারি আস আমি তোমার জন্য অপেক্ষায় আছি,
তার জানাজার ইমামতি করেছিলেন পৃথিবী বিখ্যাত বুজুর্গ আল্লামা জাফর আলি খান, খাটিয়া বহন ও লাশ দাফন করেছিলেন বিশ্ববিখ্যাত কবি আল্লামা ড, ইকবাল। কবরে লাশ শায়িত কল্পে অশ্রুস্বজল নয়নে কবি আক্ষেপ করে বলেছিলেন " এই মুর্খ লোকটি আজ সকল শিক্ষিতদের ছাড়িয়ে গেলো। YASIN

17/11/2025

#আনিসুররহমানআশরাফি

13/11/2025

A peaceful recitation of the Holy Quran #//قرآن

12/11/2025

#আবু_ত্বহা_মোহাম্মদ_আদনান

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address

Dhaka