Allergy Solution
Food is the Solution of Allergy
19/02/2026
খাবার ঠিক করা ছাড়া এলার্জি কখনও ভালো হয় না। গরুর গোশ, চিংড়ি মাছ, ইলিশ মাছ, বেগুন খেলে এলার্জি হয় বিষয়টা আধা সত্য কথা। মূলত এলার্জির জন্য দায়ী অন্য কিছু খাবার...
07/08/2025
মাত্র ৭ দিনে যেভাবে এলার্জি থেকে মুক্ত হবেন!
পারফেক্ট গাইডলাইন! 🚀
আপনি কি বারবার ফিরে আসা এলার্জি থেকে মুক্তি পেতে চান? তাহলে ৭ দিনের সিরিজ পোস্ট আপনার জন্য! আজ প্রথম পোস্ট।
যেসব খাবার আজই বাদ দেবেন! ❌
অনেকেই ভাবছেন আমি বুঝি গরুর মাংস, ইলিশ মাছ, চিংড়ি বা বেগুন ছাড়তে বলব? মোটেও না! কারণ এগুলো প্রকৃত কারণ নয়। মূলত প্রোটিন হজমের ক্ষমতা হারিয়ে গেলে শরীরে এলার্জি দেখা দেয়। হজমের ক্ষমতা বাড়ানোই হচ্ছে এলার্জির মূল চিকিৎসা।
এলার্জির প্রকোপ বেশি থাকলে আপাতত দুধ, আটা ও চিনি জাতীয় খাবার একেবারেই খাবেন না। এলার্জি কমে গেলে অল্প পরিমাণে খেতে পারবেন, তবে সমস্যা দেখা দিলে আবার বন্ধ করতে হবে।
বাদ দিন এই তিন ধরণের খাবার! 🚫
১. গরুর দুধ: গরুকে খাওয়ানো এন্টিবায়োটিক এবং অন্যান্য ওষুধ দুধে থেকে যায়। যা আমাদের পেটের ভালো ব্যাকটেরিয়া কমিয়ে দেয়।
২. গমের আটা: হাইব্রিড গম প্রোটিন হজমে সমস্যা করে।
৩. চিনি জাতীয় খাবার: চিনি খেতে মজা হলেও হজমের জন্য জম।
আমরা প্রচুর পরিমাণে এই খাবারগুলো খাই, যার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে আমাদের হজমশক্তি কমে যায়। ফলে চিংড়ি, ইলিশ মাছের মতো প্রোটিনযুক্ত খাবার খেলেও এলার্জি দেখা দেয়। কিছুদিন এই খাবারগুলো পরিহার করলে আপনার প্রোটিন হজমের ক্ষমতা আবার ফিরে আসবে।
চা-কফিও বাদ! কিন্তু গ্রিন টি চলবে! ☕
চা-কফি হজমে সমস্যা করে এবং এলার্জির প্রবণতা বাড়ায়, তাই এগুলোও বাদ দিতে হবে। এমনকি চিনি ছাড়া লাল চা বা ব্ল্যাক কফিও নয়। তবে গ্রিন টি আপনার জন্য উপকারী, এটি বরং এলার্জি কমাতে সাহায্য করে।
আগামীকাল আসছে আরও টিপস! 💡
আজ এই পর্যন্তই! আগামীকাল জানব কীভাবে খাবার খেলে এলার্জি হবে না—অর্থাৎ খাবার চাবানোর সঠিক পদ্ধতি, কখন পানি পান করবেন (খাওয়ার আগে না পরে), ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো।
পুনশ্চ: এখানে দেওয়া পরামর্শগুলো সব ধরনের এলার্জির ক্ষেত্রে কার্যকর। যেমন: খাবারের এলার্জি, ডাস্ট এলার্জি, কোল্ড এলার্জি, স্কিনের এলার্জি, চুল পড়া, চুলকানি, দাউদ, একজিমা ইত্যাদি।
02/07/2025
আপনার এই ৩টি অভ্যাস এলার্জির জন্য দায়ী!
আমরা অনেকেই এলার্জির সমস্যায় ভুগি। কিন্তু জানেন কি, এর মূল কারণ লুকিয়ে আছে আমাদের পেটের হজম প্রক্রিয়া আর কিছু দৈনন্দিন অভ্যাসে?
✅এলার্জির আসল কারণ-
সহজ কথায়, যখন প্রোটিনজাতীয় খাবার আমাদের পেটে ঠিকমতো হজম হয় না, তখনই অ্যালার্জি দেখা দেয়। আর এই হজমে সমস্যার জন্য মূলত দায়ী হলো পেটের অ্যাসিড (গ্যাস্ট্রিক জুস) কমে যাওয়া।
🤔কিন্তু পেটের অ্যাসিড কেন কমে যায়?
এর পেছনে আমাদের তিনটি সাধারণ অভ্যাস বড় ভূমিকা রাখে:
১. দ্রুত খাওয়া: আমরা যখন দ্রুত খাবার খাই, তখন পেট পর্যাপ্ত গ্যাস্ট্রিক জুস তৈরি করার আগেই খাবার পাকস্থলীতে পৌঁছে যায়। মুখে খাবারের সাথে লালাও ভালোভাবে মেশে না, যা হজমের প্রথম ধাপ।
👉করণীয়: ধীরে ধীরে খাবার খান। পেটকে তার কাজ করার জন্য যথেষ্ট সময় দিন।
২. খাবার কম চিবানো: তাড়াহুড়ো করে খেলে খাবার ভালোভাবে চিবানো হয় না। দাঁত যেহেতু মুখেই, তাই খাবারকে ছোট ছোট টুকরায় পরিণত করার কাজটা মুখেই সেরে নিতে হবে। বড় টুকরা হজম করা পেটের জন্য অনেক কঠিন।
👉করণীয়: খাবার ভালোভাবে চিবিয়ে খান। কেউ কেউ বলেন, প্রতি লোকমা অন্তত ৪০ বার চিবিয়ে একেবারে তরল করে গিলতে। এতে হজম প্রক্রিয়া সহজ হয়।
৩. খাওয়ার মাঝে ও খাওয়ার পরে পানি পান: খাওয়ার সময় বা খেয়ে ওঠার পরপরই গ্লাস ভরে পানি পান করলে হজমের জন্য নিঃসৃত অ্যাসিডগুলো পাতলা হয়ে যায়। এতে হজম ক্ষমতা কমে যায় এবং খাবার ঠিকমতো ভাঙতে পারে না।
👉করণীয়: খালি পেটে পানি পান করুন, কিন্তু ভরা পেটে নয়। খাওয়ার অন্তত ১৫-২০ মিনিট আগে পানি পান করুন, যাতে খাওয়ার সময় তেষ্টা না লাগে। আর খাওয়ার দেড় ঘন্টা পর পানি পান করুন।
এই অভ্যাসগুলো পরিবর্তন করে হজম শক্তি বাড়াতে পারেন। এতে এলার্জির সমস্যা কমে আসবে ইনশাআল্লাহ।
আপনার কি মনে হয় না এই বিষয়গুলো খুবই যৌক্তিক? এই তথ্যটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করে তাদেরও সুস্থ থাকতে সাহায্য করুন!
29/06/2025
আর কত ভুগবেন?
নির্মম বাস্তবতা হচ্ছে ওষুধ বা এলার্জি বিনাশ বড়ি খেয়ে অনেকে এলার্জি থেকে মুক্ত হলেও সেই সুখ বেশি দিন স্থায়ী হয় না। এলার্জি আবার ফিরে আসে। কেনো ফিরে আসে? রহস্য কী?
জীবনভর এলার্জির দুর্ভোগ থেকে কি মুক্তি নেই?
অবশ্যই মুক্তি আছে। কিন্তু বাঁচতে হলে জানতে হবে।
হাজার হাজার টাকা গজ্জা গেলেও এলার্জির সুস্থতা নির্ভর করে সঠিক খাবার ও লাইফস্টাইলের ওপর। সেই সঠিক খাবার কোনটা? কেমন লাইফস্টাইল অনুসরণ করতে হবে? দ্রুত এবং স্থায়ী সুস্থ হওয়ার উপায় কী?
এসব প্রশ্নের উত্তর পাবেন বইটি পড়লে। পড়ার আমন্ত্রণ রইলো।
23/06/2025
06/04/2025
ওষুধ খেলে এলার্জি অবশ্যই ভালো হয় কিন্তু স্থায়ীভাবে ভালো হয় না। স্থায়ীভাবে ভালো করতে হলে লাইফস্টাইল ফলো করতে হবে। নতুবা জীবনভর ভুগতে হবে।
আর এলার্জি মানে শুধু চুলকানি নয়। এলার্জির প্রভাবে-
১. প্রায়শ ঠান্ডা লেগে থাকে। শরীরে জ্বর জ্বর ভাব থাকে।
২. পেটে হজমের গন্ডগোল হয়।
৩. কোষ্ঠকাঠিন্য হয়।
৪. চুল পেকে যায়, চুল পড়ে যায়, শ্বেতি রোগ হয়।
৫. স্কিনে ঘা, পাঁচড়া, দাউদ, একজিমা হয়।
৬. মুখে ব্রন, অঞ্জলি ও জসঠুসো ওঠে।
৭. ধুলাবালি ও কিছু খাবার খেলে সর্দি, হাঁচি ও জ্বালাপোড়া হয়।
৮. হাঁটু ও বাতের ব্যাথার জন্য এলার্জি দায়ী।
এলার্জি থেকে মুক্ত হওয়ার সঠিক লাইফস্টাইল জানতে নক দিতে পারেন। এ সংশ্লিষ্ট পিডিএফ পড়ে, ভিডিও দেখে এবং সরাসরি কথা বলার মাধ্যমে বুঝে নিতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে ইনবক্স করুন।
পেঁয়াজের ঝাঁজ!
সর্দি, হাঁচি, কাশিতে দারুণ কাজ করে পেঁয়াজের ঝাঁজ। পেঁয়াজ প্রত্যেক ঘরেই আছে। তাই এর চেয়ে সহজ সমাধান আর হতে পারে না।
কীভাবে ব্যবহার করবেন?
১. ভাতের সাথে কাঁচা পেয়াজ খেতে পারেন।
২. সরিষার তেল, পেঁয়াজ ও মরিচ দিয়ে মুড়ি মাখায়ে খেতে পারেন।
৩. পেঁয়াজ কুচি করে মধুর সাথে মিক্স করে কাঁচের জারে রেখে দিবেন। ৬ ঘণ্টা পর থেকে পেঁয়াজ-মধুর এই সিরাপ সর্দি না সারা পর্যন্ত খেতে পারেন।
৪. পেঁয়াজ চাকা চাকা করে কেটে পায়ের তালুতে রেখে মুজা পরে সারা রাত থাকতে পারেন। এভাবে রাখলে পায়ের তালু দিয়ে শরীরে পেঁয়াজের ঝাঁজ প্রবেশ করবে। ঘুম থেকে উঠে দেখবেন অনেক ফ্রেশ লাগছে।
৫. নাকের কাছে পেঁয়াজের গন্ধ তথা ঝাঁজ শুকতে পারেন।
৬. সর্দির সাথে কানে ব্যাথা থাকলে অর্ধেক কাটা পেঁয়াজ হালকা গরম করে পাতলা কাপড়ে পেচিয়ে কানের সাথে ধরে রাখতে হবে। পেঁয়াজের গরম আঁচে কানের ব্যাথা কমে যায়। তবে সতর্ক থাকবেন কানে যাতে অতিরিক্ত গরম না লাগে।
ভালো উপকার পাবেন দেশি পেঁয়াজে৷ তাই ঘরে দেশি পেঁয়াজ রাখুন।
এলার্জি বিনাশ মলম!
রাস্তাঘাটে চলতে ফিরতে অনেক সময় লক্ষ্য করবেন ভ্যানে বা সাইকেলে এলার্জির মলম বিক্রি করছে। এগুলো কর্টিসোন স্টেরয়েড। এর কাজ হচ্ছে ইমুইন সিস্টেমকে নিস্ক্রিয় রাখা। অর্থাৎ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে বন্ধ রাখা। এতে সাময়িক কাজ হয়। জ্বালাপোড়া বন্ধ হয়।
মানুষ ভাবে এলার্জি ভ্যানিশ হয়ে গেল। কিন্তু মলমের প্রভাব চলে গেলে এলার্জি তীব্র আকারে ফিরে আসে। আর যেই সময়টা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে বন্ধ রেখেছিল সেই সময়ে জীবানুগুলো আরও বাসা বাধে। তাই মলম নয়, এলার্জির প্রকৃত সমাধান জানুন।
খাদ্যঅভ্যাস ঠিক করলে শুধু ওষুধের খরচ বেঁচে যায় না, বরং খাদ্যঅভ্যাস হচ্ছে এলার্জি নির্মূলের একমাত্র উপায়। অর্থাৎ খাদ্যঅভ্যাস ঠিক না করলে ওষুধ খেলেও এলার্জি ভালো হবে না। অথচ এটা জানা ও মানার প্রতি মানুষের আগ্রহ খুব কম। তারা মনে করেন ওষুধ খেলেই সুস্থ হওয়া যায়। বাস্তবে কেউ সুস্থ হতে পারেনি।
গত পোস্টে উল্লেখ করেছিলাম খাদ্যঅভ্যাস ঠিক করলে এলার্জি ভালো হয়। ওষুধ ছাড়াই ভালো হয়। এই পোস্টে সেটা সংক্ষেপে বর্ণনা করছি। এই লেখা পড়ে কোনো প্রশ্ন মাথায় এলে কমেন্ট করুন প্লিজ।
এলার্জি মূলত হজমের সমস্যা। বিশেষ করে প্রোটিন জাতীয় খাবার এলার্জি আক্রান্ত ব্যক্তির ঠিকমতো হজম হয় না। তাই প্রোটিন হজমের সক্ষমতা কেনো কমে গেলো সেটা আমাদের জানতে হবে।
তিন ধরণের খাবার অতিরিক্ত খেলে এলার্জি হয়। এই খাবারগুলো খারাপ বিষয়টা তা নয়। তবে অতিরিক্ত গ্রহণের ফলে আমাদের সমস্যা হয়েগেছে। এগুলো কখন খাওয়া যাবে আর কখন খাবো না এই ব্যবহারটা বুঝতে হবে।
যাইহোক, সুস্থ হওয়ার আগ পর্যন্ত এই খাবারগুলো অবশ্যই খাওয়া যাবে না। সেগুলো হচ্ছে-
১. গরুর দুধ এবং দুধের খাবার।
২. গমের আটা এবং গম দিয়ে বানানো খাবার।
৩. চিনি, চা, কফি। চিনি আছে এমন খাবার বন্ধ করতে হবে।
লক্ষ্য করে দেখুন দুধ, আটা ও চিনি আছে এমন খাবার আমরা প্রচুর খাই। বিশেষ করে যাদের এলার্জি হয়েছে তারা প্রচুর খাচ্ছেন বা খেয়েছেন। এগুলো খাওয়া বন্ধ না করলে ওষুধ খেলেও এলার্জি থেকে মুক্ত হতে পারবেন না।
এলার্জির অন্যতম কারণ হচ্ছে খাওয়ার মাঝে পানি খাওয়া। খেতে বসে পানি খাওয়ার অভ্যাস বন্ধ করতে হবে। অনেকে পানি খাওয়ার আগে কিছু মুখে দিয়ে পানি খেতে চান। দুই পিস বিস্কুট খেয়ে এক গ্লাস পানি খান! বাম হাতে কোল্ডড্রিংস রেখে বিরিয়ানি খান!
খাওয়ার মাঝে পানি খাওয়ার এই অভ্যাস এলার্জি তৈরি করে। কারণ খাবার পেটে গেলে সেখানে এসিড নির্গত হয়। খাবারের সাথে এসিড মিশ্রিত হয়ে খাবারটাকে হজম উপযোগী করে। প্রোটিন হজমের জন্য এই এসিড খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু খাওয়ার মাঝে পানি খেলে পেটের এসিড পাতলা হয়ে যায়। বেশি খেলে পাকস্থলি থেকে এসিড নিচে নেমে যায়। তখন খাবার ঠিকমতো হজম হয় না।
অনেকে বলেন, খেতে বসে পিপাসা লাগলে কী করবো। এর সমাধান হচ্ছে- খাওয়ার ২০ মিনিট আগে পর্যাপ্ত পানি খেয়ে নিবেন। তাহলে আর পিপাসা লাগবে না।
এছাড়া খাওয়া শেষ করে আরও দেড় ঘণ্টা পানি খাবেন না। চা-কফিও খাবেন না। পেটে যে খাবার গিয়েছে সেটাকে হজম হতে সময় দিবেন। দেড় ঘণ্টা পর চাহিদা অনুযায়ী পানি খাবেন।
প্রতিদিন পানি পানের চাহিদা হচ্ছে ২.৫ থেকে ৩ লিটার। এই পানি পানের কিছু নিয়ম আছে। একসাথে ঢকঢক করে পানি খেয়ে ফেলবেন না। কিছুক্ষণ পর পর অল্প করে পান করবেন। তাহলে সারা শরীরে পানি পৌঁছানোর সুযোগ পাবে। একবারে প্রচুর পানি খেলে একবারে প্রচুর প্রস্রাব হবে। ফলে কাঙ্ক্ষিত উপকার পাওয়া যাবে না।
আমরা বলেছি হজমের জন্য পেটের এসিড ঠিকমতো নির্গত হওয়া গুরুত্বপূর্ণ। এই এসিড প্রোডাকশন বাড়াতে আরও দুইটা কাজ করবেন।
১. মুখে খাবার নিয়ে প্রচুর চাবাবেন। অন্তত ৪০ বার। এতবার চাবালে খাবার ধীরে ধীরে পেটে যাবে এবং এই সময়ে এসিড নিঃস্বরণের সময় পাবে। যারা দ্রুত খায় তাদের হজমের সমস্যা হয়।
২. ভাত খাওয়ার আগে লেবু বা অ্যাপেল সিডার ভিনেগার খাবেন। এইটা এসিড নিঃস্বরণ বৃদ্ধি করে।
প্রোটিন হজমের জন্য পেটের এসিড ছাড়াও দুইটা এনজাইম গুরুত্বপূর্ণ। এগুলো হচ্ছে- পাপাইন এবং ব্রোমালিন। পেপেতে থাকে পাপাইন এবং আনারসে থাকে ব্রোমালিন। তাই পেপে এবং আনারস খাওয়া উপকারী।
এছাড়া খাবেন দেশী শসা। শসা খোসাসহ খাবেন। শসার দুই মাথা ফেলবেন না। ওগুলোসহ খাবেন। তবে হাইব্রিড শসা খাবেন না। শুধু শসা নয়, হাইব্রিড যেকোনো তরকারি বা মাছ-মুরগি-ডিম খাবেন না। কারণ হাইব্রিড খাবার এলার্জি আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে সুট করে না।
এর বাইরে কমন কিছু বিষয় যা সকল অসুস্থতায় উপকারী সেগুলো মানবেন। যেমন- দ্রুত ঘুমানো। হাঁটাচলা করা। ৩০ মিনিট গায়ে রোদ লাগানো। সপ্তাহে দুই দিন রোজা রাখা।
ধরেন শরীরটা ভালো লাগছে না। এমতাবস্থায় সন্ধ্যার সময় ঘুমাতে পারলে দেখবেন বেশ ভালো লাগছে। সন্ধ্যার ঘুম হচ্ছে ওষুধের মতো। সন্ধ্যায় ঘুমালে বেশ কিছু উপকারী ক্যামিকেল শরীরে নির্গত হয়।
উপরের এত কিছু মানলেও আপনার এলার্জি যাবে না যদি আপনি অস্থির চিত্তের হয়ে থাকেন। অযথা দুঃশ্চিন্তা করেন। মানুষের দোষ খুঁজে বেড়ান। আপনাকে বঞ্চিত করা হয়েছে মনে করেন। অস্থিরতা মানে হচ্ছে নিজের হাত নিজে কামড়ানো। তবে আশার কথা হচ্ছে খাদ্যঅভ্যাস ঠিক থাকলে মনে নেগেটিভ চিন্তাও কম আসে।
আগের অভ্যাস দূর করতে পারবো না এই মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসুন। একজন শিক্ষার্থী অসুস্থতার জন্য রেজাল্ট খারাপ করে। চাকুরীজীবী, ব্যবসায়ী এবং গৃহীনির প্রোডাকটিভি কমে যায়। আয় করার পরিবর্তে শ্রমজীবীকে উল্টো খরচ করতে হয়। পরিশ্রমের বদলে বিছানায় শুয়ে থাকতে হয়।
যাইহোক, আপনাদের মন্তব্য প্রত্যাশা করছি। বিশেষ করে এগুলো মানার পর কেমন রেজাল্ট পাচ্ছেন সেটা জানাতে ভুলবেন না প্লিজ।
03/02/2025
দুঃসহ এলার্জি থেকে মুক্ত হলাম
ছোটবেলা থেকেই এলার্জি ছিল। কান পাকতো, টনসিল ফুলে যেত। কিছুদিন পরপর জ্বর আসতো। সারা শরীরে চুলকানি। চাকা চাকা দাদ হতো। চোখে অঞ্জনি বের হতো। মুখের ভেতরে বাহিরে এটাসেটা বের হতো। সেখানে প্রচন্ড ব্যাথা হতো।
ডাক্তারের কাছে যেতাম। ওষুধ খেতাম। সাময়িক ভালো থাকতাম। একটা সময় টনসিল অপারেশন করা হয়। এখন জেনেছি টনসিল অপারেশন না করলেও চলতো। কেনো এলার্জি হতো সেটা কেউ বলেনি। ফলে এলার্জি থেকে মুক্ত হতে পারিনি বছরের পর বছর। ৩৬ বছর বয়সে এসে জানলাম এলার্জি কেনো হয়। এজন্য প্রচুর স্টাডি করতে হয়েছে।
আলহামদুলিল্লাহ এখন এলার্জির নেই। কারণ সঠিক খাদ্যঅভ্যাস মেনে চলি। ভুল খাবার যতই সুস্বাদু হোক বাদ দেয়াটা জরুরি। সত্যি কথা হচ্ছে ওইসব খাবার খেতে আমার এখনও ভালো লাগে। সুস্থ থাকার নিয়তে নিজেকে সংযত রাখি।
শুধু আমি নই। যারাই সঠিক খাদ্যঅভ্যাস ফলো করেছে উপকৃত হয়েছে। আপনিও উপকৃত হবেন ইনশাআল্লাহ।
Category
Website
Address
Dhaka
1000
Alerts
Be the first to know and let us send you an email when Allergy Solution posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.
