Bani 26
MD Naeemul Islam (Usama)
বাস চালকের আসল তথ্য ফাঁস
নির্বাচনে
ভোটের ইসলামী অবস্থান
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য এবং শান্তি বর্ষিত হোক তাঁর সেই বান্দাদের ওপর যাদের তিনি মনোনীত করেছেন।
অতঃপর—
বর্তমান যুগের নোংরা রাজনীতি নির্বাচন ও ভোট শব্দ দুটিকে এতটাই কলুষিত করে ফেলেছে যে এর সঙ্গে প্রতারণা, ধোঁকাবাজি, মিথ্যা, ঘুষ ও বিশ্বাসঘাতকতার ধারণা অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িয়ে গেছে। এ কারণে অনেক ভদ্র ও সৎ মানুষ এ ঝামেলায় জড়ানোকে উপযুক্ত মনে করেন না। আর এটাও একটি মারাত্মক ভুল ধারণা যে নির্বাচন ও ভোটের রাজনীতির সঙ্গে দ্বীন ও ধর্মের কোনো সম্পর্ক নেই। এ বিষয়ে আমাদের সমাজে একের পর এক বহু ভুল ধারণা ছড়িয়ে রয়েছে; এখানে সেগুলোর সংশোধন করাও প্রয়োজন।
নিজের ভোট ব্যবহার করা শরঈ দৃষ্টিতে আবশ্যক
প্রথম ভুল ধারণাটি সরল-সাধা মানুষের স্বাভাবিক ভদ্রতা থেকেই জন্ম নেয়। এর উদ্দেশ্য খুব খারাপ নয়, কিন্তু এর পরিণতি অত্যন্ত খারাপ। এটি ভুল নয় যে—২৮৬
আজকের রাজনীতি প্রতারণা ও ধোঁকাবাজির আরেক নাম হয়ে গেছে। তাই ভদ্র লোকদের রাজনীতিতে অংশ নেওয়া উচিত নয়, না নির্বাচনে দাঁড়ানো উচিত, না ভোট দেওয়ার ঝামেলায় জড়ানো উচিত—এমন ধারণা করা হয়।
এই ভুল ধারণা যতই সৎ উদ্দেশ্য থেকে জন্ম নিক না কেন, বাস্তবতা হলো—এটি ভুল এবং দেশ ও জাতির জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। অতীতে আমাদের রাজনীতি নিঃসন্দেহে স্বার্থপর লোকদের হাতে নোংরামির এক জলাভূমিতে পরিণত হয়েছে। কিন্তু যতদিন কিছু পরিচ্ছন্ন ও সৎ মানুষ এটাকে পরিষ্কার করার জন্য এগিয়ে না আসবেন, ততদিন এই নোংরামি বাড়তেই থাকবে। আর শেষ পর্যন্ত একদিন না একদিন এই অপবিত্রতা তাদের নিজ ঘরেও পৌঁছে যাবে। সুতরাং বুদ্ধিমত্তা ও ভদ্রতার দাবি এই নয় যে দূর থেকে রাজনীতির এই নোংরামিকে শুধু গালমন্দ করা হবে; বরং বুদ্ধিমত্তার দাবি হলো—যারা ধারাবাহিকভাবে রাজনীতিকে নোংরা করছে, তাদের হাত থেকে এই ময়দান ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা।
হযরত আবু বকর সিদ্দীক রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন—
“মানুষ যখন কোনো জালিমকে দেখে, অথচ তার হাত না ধরে (অর্থাৎ তাকে প্রতিরোধ না করে), তবে অচিরেই এমন হতে পারে যে আল্লাহ তাআলা সবার ওপরই তাঁর শাস্তি নাযিল করবেন।”
(জাম‘উল ফাওয়ায়িদ, খণ্ড ২, পৃষ্ঠা ৫১; আবু দাউদ ও তিরমিযির সূত্রে)
আপনি যদি খোলা চোখে দেখেন যে জুলুম হচ্ছে, আর নির্বাচনে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়ে সেই জুলুম কোনো না কোনো পর্যায়ে দূর করা আপনার ক্ষমতার মধ্যে থাকে, তবে এই হাদিসের আলোকে আপনার জন্য ফরজ হলো—নীরব বসে থাকার পরিবর্তে জালিমের হাত ধরে সেই জুলুম রোধ করার জন্য সাধ্য অনুযায়ী চেষ্টা করা।অনেক দ্বীনদার মানুষ মনে করেন—আমরা যদি আমাদের ভোট ব্যবহার না করি, তাতে কী ক্ষতি হবে? কিন্তু শুনুন, দুই জগতের সরদার রাসূলুল্লাহ ﷺ কী ইরশাদ করেছেন। হযরত সাহল ইবন হুনাইফ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে মুসনাদে আহমদ-এ বর্ণিত আছে যে নবী করীম ﷺ ইরশাদ করেছেন—
“যার সামনে কোনো মুমিনকে অপমানিত করা হচ্ছে, আর সে তাকে সাহায্য করার ক্ষমতা রাখে, অথচ সাহায্য করে না—আল্লাহ তাআলা কিয়ামতের ময়দানে তাকে সকল সৃষ্টির সামনে লাঞ্ছিত করবেন।”
(ঐ গ্রন্থ, খণ্ড ২, পৃষ্ঠা ৫)
ভোট না দেওয়া হারাম
শরঈ দৃষ্টিকোণ থেকে ভোটের মর্যাদা সাক্ষ্য ও গওয়াহির মতো। আর যেমন মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া হারাম ও নাজায়েয, তেমনি প্রয়োজনের সময় সাক্ষ্য গোপন করাও হারাম। কুরআন কারীমে ইরশাদ হয়েছে—
“তোমরা সাক্ষ্য গোপন করো না; আর যে ব্যক্তি সাক্ষ্য গোপন করে, তার অন্তর গুনাহগার।”
আর হযরত আবু মূসা আশ‘আরী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত—নবী করীম ﷺ ইরশাদ করেছেনযাকে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য ডাকা হয়, এরপর সে যদি তা গোপন করে, তবে সে ঐ ব্যক্তির মতো যে মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়।”
(জাম‘উল ফাওয়ায়িদ, তাবরানির সূত্রে, খণ্ড …, পৃষ্ঠা ৬২)
বরং সাক্ষ্য দেওয়ার ব্যাপারে ইসলাম এটাকেই পছন্দ করেছে যে—কেউ দাবি করার আগেই মানুষ তার এই দায়িত্ব পালন করে ফেলবে এবং এতে কারও আহ্বান বা উৎসাহের অপেক্ষাও করবে না। হযরত যায়েদ ইবন খালিদ রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহু বর্ণনা করেন—রাসূলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন—
“আমি কি তোমাদেরকে সর্বোত্তম সাক্ষীর কথা জানাব না? সে ব্যক্তি, যে নিজের সাক্ষ্য চাওয়ার আগেই পেশ করে দেয়।”
(ঐ গ্রন্থ, খণ্ড …, পৃষ্ঠা ২৬১; ইমাম মালিক, মুসলিম প্রমুখের সূত্রে)
ভোটও নিঃসন্দেহে একটি সাক্ষ্য। কুরআন ও সুন্নাহর এসব বিধান ভোটের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। সুতরাং ভোট সংরক্ষণ করে না ব্যবহার করাকে দ্বীনদারি মনে করা ঠিক নয়; বরং ভোটের সর্বোত্তম ও সঠিক ব্যবহার করা প্রত্যেক মুসলমানের জন্য ফরজ। এভাবেও চিন্তা করা দরকার—যদি ভদ্র, দ্বীনদার ও ভারসাম্যপূর্ণ মানসিকতার লোকেরা নির্বাচনের সব কার্যক্রম থেকে পুরোপুরি সরে বসে থাকে, তবে এর অর্থ আর কী হতে পারে—তারা পুরো ময়দানটি দুষ্কৃতকারী, ফিতনা সৃষ্টিকারী ও বেদীন লোকদের হাতে তুলে দিচ্ছে। এমন অবস্থায় কখনোই আশা করা যায় না যে সরকার নেক ও যোগ্য লোকদের হাতে আসবে। যদি দ্বীনদার মানুষ রাজনীতি থেকে এতটা দূরে সরে থাকে, তবে পরে দেশের দ্বীনি ও নৈতিক ধ্বংস নিয়ে অভিযোগ করারও তাদের কোনো অধিকার থাকে না; কেননা এর জন্য দায়ী তারাই হবে, এবং তাদের শাসকদের সব শাস্তি ও প্রতিদান তাদেরই ……তাদেরই ঘাড়ে বর্তাবে। আর তারা যে অনাচার ও ফাসাদের সামনে কোনো বাঁধ দেওয়ার চেষ্টা করেনি—তা থেকে তাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মও কোনোভাবেই নিরাপদ থাকতে পারবে না।
নির্বাচন কোনো খাঁটি দুনিয়াবি বিষয় নয়
নির্বাচন সম্পর্কে আরেকটি ভুল ধারণা আগেরটির চেয়েও বেশি গুরুতর। মানুষ দ্বীনকে শুধু নামাজ–রোজার মধ্যেই সীমাবদ্ধ মনে করে নিয়েছে; তাই রাজনীতি ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে দ্বীন থেকে সম্পূর্ণ আলাদা ভেবে নেয় এবং ধারণা করে যে এসব বিষয় একেবারেই দ্বীনের আওতার বাইরে। ফলে এমন অনেক মানুষও দেখা যায়, যারা ব্যক্তিগত জীবনে নামাজ–রোজা, এমনকি নফল ইবাদত ও যিকির–আজকারেও নিয়মিত; কিন্তু কেনাবেচার ক্ষেত্রে হালাল–হারামের কোনো চিন্তা করে না, নিকাহ–তালাক ও আত্মীয়তা–সম্পর্কের ব্যাপারেও দ্বীনি বিধানের তোয়াক্কা করে না।
এ ধরনের মানুষ নির্বাচনকেও একেবারে দুনিয়াবি বিষয় মনে করে এতে নানান রকম দুর্নীতিকে বৈধ মনে করে নেয় এবং এটাও বোঝে না যে তারা বড় কোনো গুনাহে লিপ্ত হচ্ছে। ফলে অনেকেই নিজের সৎ ও ন্যায়সংগত মতামতের ভিত্তিতে নয়, বরং কেবল ব্যক্তিগত সম্পর্কের কারণে অযোগ্য ব্যক্তিকে ভোট দিয়ে দেয়। অথচ তারা মনে মনে ভালোভাবেই জানে—যাকে ভোট দেওয়া হচ্ছে সে এর যোগ্য নয়, কিংবা তার মোকাবিলায় অন্য কেউ বেশি উপযুক্ত ও অধিক হকদার। কিন্তু বন্ধুত্বের সম্পর্ক, বংশগত আত্মীয়তা অথবা বাহ্যিক সৌজন্য ও লজ্জার প্রভাবে তারা নিজেদের ভোট ভুল জায়গায় ব্যবহার করে ফেলে। আর কখনো কল্পনাতেও আসে না যে শরঈ ও দ্বীনি দৃষ্টিতে তারা কত বড় অপরাধ করে ফেলেছে।
যেমনটি আগেই বলা হয়েছে—ভোট হলো একটি সাক্ষ্য। আর সাক্ষ্য সম্পর্কে কুরআন কারীমে ইরশাদ হয়েছে—“আর যখন তোমরা কথা বলবে, তখন ন্যায়বিচারের সঙ্গে বলবে—যদিও সে ব্যক্তি তোমাদের নিকটাত্মীয়ই কেন না হয়।”
সুতরাং কোনো ব্যক্তির ব্যাপারে বিবেক ও আমানতের ফয়সালা যদি এই হয় যে—যাকে ভোট দেওয়া হচ্ছে সে ভোটের উপযুক্ত নয়, অথবা তার মোকাবিলায় অন্য কেউ বেশি যোগ্য, তখন কেবল ব্যক্তিগত সম্পর্কের কারণে তাকে ভোট দেওয়া ‘মিথ্যা সাক্ষ্য’-এর অন্তর্ভুক্ত হবে। আর কুরআন কারীমে মিথ্যা সাক্ষ্যের নিন্দা এত কঠোরভাবে করা হয়েছে যে, একে মূর্তিপূজার সঙ্গে একসাথে উল্লেখ করা হয়েছে। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন—
“অতএব তোমরা মূর্তির অপবিত্রতা থেকে বেঁচে থাকো এবং মিথ্যা কথা বলা থেকেও বেঁচে থাকো।”
আর হাদিস শরীফে রাসূলুল্লাহ ﷺ বহুবার মিথ্যা সাক্ষ্যকে ‘আকবারুল কবায়ির’ (সবচেয়ে বড় গুনাহগুলোর মধ্যে) গণ্য করে এর ওপর কঠোর সতর্কবাণী উচ্চারণ করেছেন। হযরত আবু বকর সিদ্দীক রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহু বলেন—একবার রাসূলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করলেন, “আমি কি তোমাদের সবচেয়ে বড় বড় গুনাহগুলোর কথা জানাব না? আল্লাহর সঙ্গে শরিক করা এবং পিতা-মাতার অবাধ্যতা।” তারপর বললেন, “ভালো করে শুনে রাখো—মিথ্যা সাক্ষ্য, মিথ্যা কথা।”
হযরত আবু বকর সিদ্দীক রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহু বলেন—রাসূলুল্লাহ ﷺ তখন হেলান দিয়ে বসা ছিলেন। যখন মিথ্যা সাক্ষ্যের কথা এল, তখন তিনি সোজা হয়ে বসে গেলেন এবং বারবার ‘মিথ্যা সাক্ষ্য’ শব্দটি বলতে থাকলেন। এমনকি আমরা মনে মনে বলতে লাগলাম—হায়! যদি তিনি এখন থেমে যেতেন।
(বুখারি ও মুসলিম; জাম‘উল ফাওয়ায়িদ, খণ্ড ২, পৃষ্ঠা ১৭২)এই সব কঠোর সতর্কবাণী (ওয়াঈদ) কেবল সেই ভুল ভোটের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য, যা নিছক ব্যক্তিগত সম্পর্কের ভিত্তিতে দেওয়া হয়। আর টাকা-পয়সা নিয়ে কোনো অযোগ্য ব্যক্তিকে ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে মিথ্যা সাক্ষ্যের পাশাপাশি ঘুষের মহাপাপও যুক্ত হয়ে যায়।
অন্ধভাবে ভোট দেওয়ার বিষয়টিকে কখনোই এভাবে বোঝা উচিত নয় যে এটি একেবারে দুনিয়াবি বিষয় এবং এর সঙ্গে দ্বীনের কোনো সম্পর্ক নেই। দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস রাখুন—আখিরাতে প্রত্যেক ব্যক্তিকে আল্লাহর সামনে দাঁড়িয়ে তার অন্যান্য আমলের সঙ্গে এ কাজেরও জবাব দিতে হবে যে সে তার এই সাক্ষ্য কতটা সততার সঙ্গে ব্যবহার করেছে।
অযোগ্যকে ভোট দেওয়া আরও গুরুতর গুনাহ
কিছু লোক এও মনে করে—যদি অযোগ্যকে ভোট দেওয়া গুনাহ হয়, তাহলে আমরা এমন কী নিষ্পাপ? আমরা তো সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত অসংখ্য গুনাহে লিপ্ত থাকি। আমাদের গুনাহের দীর্ঘ তালিকায় আরেকটা গুনাহ যোগ হলে কীই-বা আসে যায়?
কিন্তু ভালোভাবে বুঝে নিন—এটি নফস ও শয়তানের সবচেয়ে বড় ধোঁকা। প্রথমত, মানুষ যদি প্রতিটি গুনাহ করার সময় এভাবে চিন্তা করতে থাকে, তবে সে কখনোই কোনো গুনাহ থেকে বাঁচতে পারবে না। কেউ যদি সামান্য নোংরামিতে জড়িয়ে পড়ে, তবে তার উচিত তা থেকে পবিত্র হওয়ার চিন্তা করা, না যে সে নোংরামির কোনো জলাশয়ে লাফিয়ে পড়বে।
দ্বিতীয় কথা হলো—গুনাহে গুনাহে বিরাট পার্থক্য রয়েছে। যেসব গুনাহের পরিণতি পুরো জাতিকে ভোগ করতে হয়, সেগুলোর বিষয় ব্যক্তিগত গুনাহের তুলনায় অনেক বেশি কঠিন। ব্যক্তিগত ধরনের অপরাধ—নিজের দৃষ্টিতে যতই জঘন্য ও ভয়াবহ হোক না কেন—তার প্রভাব সাধারণত দু-চারজনের বেশি মানুষের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। এ কারণে সেগুলোর ক্ষতিপূরণ অনেক সময় নিজের নিয়ন্ত্রণে থাকে, সেগুলো থেকে তাওবা ও ইস্তিগফার করাও সহজ হয়, এবং …এসব গুনাহ মাফ হয়ে যাওয়ার আশা সবসময়ই করা যেতে পারে। কিন্তু এর বিপরীতে যে গুনাহের কুফল পুরো দেশ ও পুরো জাতিকে ভোগ করতে হয়, তার কোনো ক্ষতিপূরণের পথ নেই। ধনুক থেকে ছোড়া তীর যেমন আর ফিরে আসে না, তেমনি এই গুনাহের ফলও ফিরে আনা যায় না। তাই কেউ যদি ভবিষ্যতের জন্য এ ধরনের কুকর্ম থেকে তাওবা করে নেয়, তবুও অতীতের অপরাধ থেকে সম্পূর্ণভাবে দায়মুক্ত হওয়া অত্যন্ত কঠিন এবং তার শাস্তি থেকে মুক্তির আশা খুবই কম।
এই দিক থেকে এ গুনাহ চুরি, ডাকাতি, ব্যভিচার ও অন্যান্য সব গুনাহের চেয়েও গুরুতর। একে অন্য অপরাধগুলোর সঙ্গে তুলনা করা যায় না।
এ কথা সত্য যে আমরা সকাল-সন্ধ্যা বহু গুনাহ করে থাকি। কিন্তু এসব গুনাহ এমন যে, আল্লাহ তাআলা যদি কখনো তাওবার তাওফিক দেন, তবে সেগুলো মাফও হতে পারে এবং সেগুলোর ক্ষতিপূরণও করা সম্ভব। কিন্তু এর অর্থ কখনোই এই নয় যে আমরা নিজেদের গলায় এমন এক গুনাহের বোঝা চাপিয়ে দেব, যার ক্ষতিপূরণ অসম্ভব এবং যার ক্ষমা পাওয়া অত্যন্ত কঠিন।
কিছু মানুষ এও মনে করে—লাখ লাখ ভোটের মধ্যে একজন মানুষের ভোটেরই বা কী মূল্য আছে? যদি তা ভুলভাবে ব্যবহারও হয়, তবে দেশ ও জাতির ভবিষ্যতের ওপরই বা তার কী প্রভাব পড়বে?
কিন্তু ভালোভাবে বুঝে নিন—প্রথমত, যদি প্রত্যেক মানুষ ভোট দেওয়ার সময় এভাবে চিন্তা করতে শুরু করে, তাহলে স্পষ্টই বোঝা যায় যে পুরো জনসংখ্যার মধ্যে একটি ভোটও সঠিকভাবে ব্যবহার হবে না। দ্বিতীয়ত, আমাদের দেশে প্রচলিত ভোট গণনার ব্যবস্থায় একজন অশিক্ষিত ও অজ্ঞ ব্যক্তির একটি ভোটও দেশ ও জাতির জন্য নির্ধারক হয়ে যেতে পারে। যদি কোনো বেদীন, ভ্রান্ত আকিদাসম্পন্ন ও চরিত্রহীন প্রার্থীর ব্যালট বাক্সে অন্যদের তুলনায় মাত্র একটি ভোট বেশি পড়ে যায়, তবে সে জয়ী হয়ে পুরো জাতির ওপর চেপে বসবে। এভাবে কখনো কখনো একজন অজ্ঞ ও অশিক্ষিত মানুষের সামান্য অবহেলা, ভুল বা অসততাও পুরো দেশকে ধ্বংস করে দিতে পারে।
২৯৩
অতএব প্রচলিত ব্যবস্থায় প্রতিটি ভোটই মূল্যবান। প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য এটি একটি শরঈ, নৈতিক ও জাতীয় দায়িত্ব—সে যেন তার ভোটকে যথাযথ গুরুত্ব ও মনোযোগের সঙ্গে কেবল তাকেই প্রদান করে, যে প্রকৃতপক্ষে এর যোগ্য।
23/01/2026
মামুনুল হক ক্রিকেট খেলেছেন
12/01/2026
ইদানিং মাদ্রাসার চাকরি ছেড়ে তরুণ শিক্ষকরা কেন ব্যবসায় নামছে?আমার কাছে যা মনে হচ্ছে।
কিছুদিন ধরে লক্ষ্য করছি একের পর এক তরুণ, শিক্ষিত, পরিশ্রমী মাদ্রাসা শিক্ষকরা তাদের চাকরি ছেড়ে দিচ্ছেন। কেউ অনলাইন ব্যবসায় নামছেন, কেউ আবার ভিন্ন কিছু করছেন। অনেকে ভাবেন, হয়তো তারা দুনিয়ার প্রতি আকৃষ্ট হয়ে গেছে। কিন্তু বাস্তবে বিষয়টা একদমই তা নয়।
অনেকের সাথে কথা বলে যা বোঝা যায় এই সিদ্ধান্তটা অনেকটা বাধ্য হয়েই সবাই নেয়।
বেতনের বাস্তবতা।
আমাদের দেশের অধিকাংশ মাদ্রাসায় একজন উস্তাদের মাসিক বেতন ১০ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকা হয় । এখন প্রশ্ন হচ্ছে এই টাকায় একজন শিক্ষক পরিবার চালাবেন কীভাবে?
চাল-ডাল, গ্যাস, বিদ্যুৎ,ওষুধ ,সবকিছুর দাম এখন আকাশছোঁয়া। এরকম সময়ে ১৫ হাজার টাকা দিয়ে সংসার চালানো মানেই প্রতিদিন নতুন করে চিন্তার বোঝা কাঁধে তোলা।
তার উপর অনেক মাদ্রাসায় আবার মাস শেষে বেতন সময়মতো দেয় না। দুই-তিন মাস বকেয়া থাকে। অথচ মাদ্রাসার মুহতামিম সাহেবরা ঠিকই দামী গাড়িতে উঠানামা করেন, প্রভাবশালী মহলে উপস্থিত থাকেন। কিন্তু উস্তাদের প্রাপ্য টাকাটা তাদের কাছে তেমন গুরুত্বপূর্ণ মনে হয় না।
ছুটির সীমাবদ্ধতা
আরেকটি বড় কষ্টের জায়গা হলো ছুটি।
অনেক মাদ্রাসায় প্রতি দুই সপ্তাহ পর বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত ছোট্ট একটা ছুটি থাকে। কেউ অসুস্থ হলেও, পারিবারিক সমস্যা হলেও সহজে ছুটি পাওয়া যায় না। যেন শিক্ষক মানুষ নয়, যন্ত্র। আবার অনেক মাদ্রাসায় এরকম আছে যে শিক্ষকরা মাদ্রাসার আশেপাশে বাসাও নিতে পারবে না,অলটাইম মাদ্রাসাতেই থাকতে হবে।
উস্তাদদের মূল্যায়নের অভাব।
সবচেয়ে বেদনাদায়ক বিষয়টা এখানে।
একজন ছাত্রকে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ যতটা সম্মান, যতটা গুরুত্ব দেয়, একজন উস্তাদকে তার অর্ধেকটাও দেয় না।
অনেক সময় ছাত্র বা গার্ডিয়ানের সামনে উস্তাদকে অপমান করা হয়, হেয় করা হয়। যাদের হাত ধরে একটি প্রজন্ম ইসলাম শেখে, সেই মানুষগুলোকেই অসম্মান করা হয় তুচ্ছ বিষয় নিয়ে।
ফলাফল হিসেবে উস্তাদরা মন ভেঙে ফেলছেন, আত্মসম্মান হারাচ্ছেন, তারপর ভাবছেন, এই জীবনে অন্তত নিজের পরিবারটা তো একটু স্বস্তিতে রাখি।
শেয়ার করতে পারেন।©
কপি
04/01/2026
মাওলানা আব্দুর রহমান কেউ বলেন বড় হুজুর কেউ বলেন মূলখানার হুজুর এ নামেই তিনি বেশি প্রসিদ্ধ,
কিন্তু বর্তমান তিনি বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী নড়াইল ১ আসনে রিক্সা মার্কা নিয়ে ইসলামের পক্ষে লড়বেন তিনি,
ওই যে আগে বললাম বড় হুজুর, বড় হুজুর শুনলেই সকলের হৃদয়ে যে ছবিটি ভেসে ওঠে তিনি হচ্ছেন মাওলানা আব্দুর রহমান, যিনি সকল ধর্মের মানুষের কাছে আস্থাভাজন একজন ব্যক্তিত্ব, বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ যাকে প্রিয় মানুষ মনে করে, সকলের প্রিয় মানুষ আজ তিনি সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী, সকলের একই কথা রিক্সা মার্কায় দিবো ভোটা,
স্বাধীনতার ৫৪ বছরে এমন একজন আল্লার অলি খোদা ভীরু দ্বীনদার পরহেজগার আমানত দার আমলি ব্যক্তি পাইনি নড়াইল ১ আসনে,
এবার নির্বাচনে ১২ই ফেব্রুয়ারি রিক্সা মার্কায় ভোট দিয়ে আমরা নড়াইল ১ আসনবাসী আমাদের প্রতিনিধি বানিয়ে সংসদে হুজুরকে পাঠাবো এটাই আমাদের প্রতিজ্ঞা ইনশাআল্লাহ।
কপি করা হয়েছে
02/01/2026
চড়ুই – (স্প্যারো) 🐦
2️⃣ الغراب – কাক – (ক্রো) 🦅
3️⃣ الحمام – কবুতর – (পিজন) 🕊️
4️⃣ اليمامة – ঘুঘু – (ডাভ) 🕊️
5️⃣ النسر – ঈগল – (ইগল) 🦅
6️⃣ الصقر الجارح – বাজপাখি – (হক) 🦅
7️⃣ شاهين – শাহীন – (ফ্যালকন) 🦅
8️⃣ البومة – পেঁচা – (আউল) 🦉
9️⃣ الببغاء – তোতা – (প্যারট) 🦜
🔟 الطائر المينا – শালিক – (মাইনা) 🐦
1️⃣1️⃣ الطاووس – ময়ূর – (পিকক) 🦚
1️⃣2️⃣ الدجاجة – মুরগি – (হেন) 🐔
1️⃣3️⃣ الديك – মোরগ – (কক) 🐓
1️⃣4️⃣ البطة – হাঁস – (ডাক) 🦆
1️⃣5️⃣ الأوز – রাজহাঁস – (গুজ) 🦢
1️⃣6️⃣ البجعة – রাজহাঁস – (সোয়ান) 🦢
1️⃣7️⃣ الديك الرومي – টার্কি পাখি – (টার্কি) 🦃
1️⃣8️⃣ الفزن – ময়নাল – (ফেজান্ট) 🦃
1️⃣9️⃣ السُمان – কোয়েল পাখি – (কুয়েইল) 🐦
2️⃣0️⃣ النعامة – উটপাখি – (অস্ট্রিচ) 🦩
2️⃣1️⃣ الفلامنجو – ফ্লেমিঙ্গো – (ফ্ল্যামিঙ্গো) 🦩
2️⃣2️⃣ اللقلق – সারস – (স্টর্ক) 🦩
2️⃣3️⃣ الرافعة – সারস – (ক্রেইন) 🦩
2️⃣4️⃣ اللقلاق – বক – (হেরন) 🦩
2️⃣5️⃣ الأبو منجل الأبيض – সাদা বক – (ইগ্রেট) 🦩
2️⃣6️⃣ البجع – পেলিক্যান – (পেলিক্যান) 🦩
2️⃣7️⃣ نورس البحر – সামুদ্রিক পাখি – (সি-গাল) 🐦
2️⃣8️⃣ القطرس – অ্যালবাট্রস – (অ্যালবাট্রস) 🐦
2️⃣9️⃣ البطريق – পেঙ্গুইন – (পেঙ্গুইন) 🐧
3️⃣0️⃣ البفن – পাফিন – (পাফিন) 🐧
3️⃣1️⃣ النجار الخشب – কাঠঠোকরা – (উডপেকার) 🪵
3️⃣2️⃣ صائد السمك – মাছরাঙা – (কিংফিশার) 🐦
3️⃣3️⃣ سنونو – আবাবিল – (স্বালো) 🐦
3️⃣4️⃣ السنونو السريع – দ্রুত উড়ন্ত পাখি – (সুইফট) 🐦
3️⃣5️⃣ روبن – রবিন পাখি – (রবিন) 🐦
3️⃣6️⃣ القبرة – বুলবুলি – (নাইটিঙ্গেল) 🐦
3️⃣7️⃣ القبرة المغردة – লার্ক পাখি – (লার্ক) 🐦
3️⃣8️⃣ الحسون – ফিঞ্চ – (ফিঞ্চ) 🐦
3️⃣9️⃣ الكناري – ক্যানারি – (ক্যানারি) 🐦
4️⃣0️⃣ الستارلينغ – স্টারলিং – (স্টারলিং) 🐦
4️⃣1️⃣ النسور – শকুন – (ভালচার) 🦅
4️⃣2️⃣ الحر – চিল – (কাইট) 🦅
4️⃣3️⃣ باز الجارح – বাজপাখি – (বাজার্ড) 🦅
4️⃣4️⃣ الغراب الكبير – দাঁড়কাক – (রেভেন) 🦅
4️⃣5️⃣ الماغباي – ম্যাগপাই – (ম্যাগপাই) 🐦
4️⃣6️⃣ الجاى – জে পাখি – (জে) 🐦
4️⃣7️⃣ الكوُكُو – কোকিল – (কুকু) 🐦
4️⃣8️⃣ الهدهد – হুদহুদ – (হুপু) 🐦
4️⃣9️⃣ الدرونغو – ফিঙে – (ড্রঙ্গো) 🐦
5️⃣0️⃣ طائر الخياط – টুনটুনি – (টেইলারবার্ড) 🐦
02/01/2026
১. 🧠 رَأْس — মাথা — রা’স
২. 💇 شَعْر — চুল — শা‘আর
৩. 🧠 مُخّ — মস্তিষ্ক — মুখ্খ
৪. 👀 عَيْن — চোখ — আইন
৫. 👁️ حَدَقَة — চোখের মণি — হাদাকাহ
৬. 👂 أُذُن — কান — উযুন
৭. 👃 أَنْف — নাক — আনফ
৮. 👄 فَم — মুখ — ফাম
৯. 👅 لِسَان — জিহ্বা — লিসান
১০. 🦷 أَسْنَان — দাঁত — আসনান
১১. 🙂 وَجْه — মুখমণ্ডল — ওয়াজহ
১২. 🧔 ذَقَن — থুতনি — যাকান
১৩. 😊 خَدّ — গাল — খাদ্দ
১৪. 👁️🗨️ حَاجِب — ভ্রু — হাজিব
১৫. 👁️ جَفْن — চোখের পাতা — জাফন
১৬. 🦴 عُنُق — ঘাড় — উনুক
১৭. 🗣️ حَلْق — গলা — হালক
১৮. 🗣️ حَنَجَرَة — কণ্ঠনালী — হানজারাহ
১৯. 🫁 قَصَبَةُ الهَوَاء — শ্বাসনালী — কাসাবাতুল হাওয়া
২০. 🫁 رِئَة — ফুসফুস — রি’আহ
২১. ❤️ قَلْب — হৃদপিণ্ড — কালব
২২. 🩸 دَم — রক্ত — দাম
২৩. 🩸 شَرْيَان — ধমনি — শারইয়ান
২৪. 🩸 وَرِيد — শিরা — ওয়ারীদ
২৫. 🫀 كَبِد — যকৃত — কাবিদ
২৬. 🍽️ مَعِدَة — পাকস্থলী — মা‘ইদাহ
২৭. 🌀 أَمْعَاء — অন্ত্র — আম‘আ
২৮. 🟡 طِحَال — প্লীহা — তিহাল
২৯. 🟢 مَرَارَة — পিত্তথলি — মারারাহ
৩০. ⚪ سُرَّة — নাভি — সুর্রাহ
৩১. 🫂 صَدْر — বুক — সদর
৩২. 🧍 ظَهْر — পিঠ — জাহর
৩৩. 🧍 خَصْر — কোমর — খাসর
৩৪. 🧍 بَطْن — পেট — বাতন
৩৫. 🦾 كَتِف — কাঁধ — কাতিফ
৩৬. 💪 ذِرَاع — বাহু — জিরা‘
৩৭. 💪 عَضُد — বাহুর গোড়া — আদুদ
৩৮. 💪 مِرْفَق — কনুই — মিরফাক
৩৯. ✋ يَد — হাত — ইয়াদ
৪০. ✋ كَفّ — তালু — কাফফ
৪১. 🤌 إِصْبَع — আঙুল — ইসবাআ
৪২. 👍 إِبْهَام — বৃদ্ধাঙ্গুল — ইবহাম
৪৩. 💅 ظُفْر — নখ — জুফর
৪৪. 🦵 فَخِذ — ঊরু — ফাখিয
৪৫. 🦵 رُكْبَة — হাঁটু — রুকবাহ
৪৬. 🦵 سَاق — পা — সাক
৪৭. 🦶 قَدَم — পা (পদ) — কাদাম
৪৮. 🦶 كَعْب — গোড়ালি — কা‘ব
৪৯. 🦶 أَصَابِعُ القَدَم — পায়ের আঙুল — আসাবিউল কাদাম
৫০. 🦴 عَظْم — হাড় — আজম
৫১. 🦴 مِفْصَل — সন্ধি — মিফসল
৫২. 🧬 نَخَاع — মজ্জা — নাখা‘
৫৩. 🧬 عِرْق — শিরা — ইরক
৫৪. 🧠 أَعْصَاب — স্নায়ু — আ‘সাব
৫৫. 🧴 جِلْد — চামড়া — জিলদ
৫৬. 🍖 لَحْم — মাংস — লাহম
৫৭. 🟡 شَحْم — চর্বি — শাহম
৫৮. 💦 عَرَق — ঘাম — আরাক
৫৯. 🔍 مَسَام — রোমকূপ — মাসাম
৬০. 🦵 إِبْط — বগল — ইবত
৬১. 🧍♀️ رَحِم — জরায়ু — রাহিম
৬২. 🟣 مِبْيَض — ডিম্বাশয় — মিবইয়াদ
৬৩. 🧍♂️ خُصْيَة — অণ্ডকোষ — খুসইয়াহ
৬৪. 🧍♂️ ذَكَر — পুরুষাঙ্গ — যাকার
৬৫. 🚺 فَرْج — লজ্জাস্থান — ফারজ
৬৬. 🧍♀️ ثَدْي — স্তন — সাদই
৬৭. 🟤 حَلَمَة — স্তনবৃন্ত — হালামাহ
৬৮. 👄 شَفَة — ঠোঁট — শাফা
৬৯. 👃 جَيْب أَنْفِي — সাইনাস — জাইব আনফি
৭০. 👁️ شَبَكِيَّة — রেটিনা — শাবাকিয়্যাহ
৭১. 👁️ قَزَحِيَّة — আইরিস — ক্বাযাহিয়্যাহ
৭২. 👅 حَنَك — তালু — হানাক
৭৩. 👄 لِثَة — মাড়ি — লিসাহ
৭৪. 🗣️ لَوْزَة — টনসিল — লাউযাহ
৭৫. 👂 سِمَاع — শ্রবণশক্তি — সিমা‘
৭৬. 👃 شَمّ — ঘ্রাণশক্তি — শাম্ম
৭৭. 👅 ذَوْق — স্বাদ — যাউক
৭৮. ✋ لَمْس — স্পর্শ — লামস
৭৯. 🫁 نَفَس — শ্বাস — নাফাস
৮০. 🫁 نَبْض — নাড়ি — নাবদ
৮১. 🧠 جُمْجُمَة — খুলী — জুমজুমাহ
৮২. 🧍 حَوْض — শ্রোণি — হাউদ
৮৩. 🧍 مَثَانَة — মূত্রথলি — মাসানাহ
৮৪. 🧍 كُلْيَة — কিডনি — কুলইয়াহ
৮৫. 🧠 قَسْوَة — স্নায়বিক কঠোরতা — কাসওয়াহ
৮৬. 🧠 غُدَّة — গ্রন্থি — গুদ্দাহ
৮৭. 🧬 هُرْمُون — হরমোন — হুরমূন
৮৮. 🧍 مِعْصَم — কবজি — মি‘সাম
৮৯. 🧍 سَاعِد — আগবাহু — সাঈদ
৯০. 🧍 رِجْل — পা — রিজল
৯১. 🧍 جِلْسَة — নিতম্ব — জিলসাহ
৯২. 🧍 عَانَة — লজ্জাস্থানের লোম — আ‘নাহ
৯৩. 🧍 رِيشَة — শরীরের লোম — রিশাহ
৯৪. 🧠 ذَاكِرَة — স্মৃতিশক্তি — যাকিরাহ
৯৫. 🧠 فِكْر — চিন্তাশক্তি — ফিকর
৯৬. 🗣️ صَوْت — কণ্ঠস্বর — সাওত
৯৭. 🫁 زَفِير — নিঃশ্বাস — যাফীর
৯৮. 🫁 شَهِيق — প্রশ্বাস — শাহীক
৯৯. 🧠 وَعْي — সচেতনতা — ওয়া‘ই
১০০. 🧍 جِسْم — দেহ — জিসম
02/01/2026
1️⃣ 💍 বিয়ে → زواج → যাওয়া̄জ
2️⃣ 👰 কনে → عروس → আরূস
3️⃣ 🤵 বর → عريس → আরীস
4️⃣ 💒 বিয়ের অনুষ্ঠান → حفل الزفاف → হাফলুয্যিফাফ
5️⃣ ❤️ ভালোবাসা → حب → হুব্ব
6️⃣ 🤝 বাগদান → خطوبة → খিতবা
7️⃣ 👪 পরিবার → أسرة → উসরা
8️⃣ 🏡 বাড়ি → بيت → বাইত
9️⃣ 🏠 বাসা → منزل → মানযিল
🔟 🛋️ বসার ঘর → غرفة الجلوس → গুরফাতুল জুলূস
11️⃣ 🛏️ শোবার ঘর → غرفة النوم → গুরফাতুন নাওম
12️⃣ 🍽️ খাবার ঘর → غرفة الطعام → গুরফাতুত্তাআম
13️⃣ 🍳 রান্নাঘর → مطبخ → মাতবাখ
14️⃣ 🚿 বাথরুম → حمام → হাম্মাম
15️⃣ 🔑 চাবি → مفتاح → মিফতাহ
16️⃣ 🪑 আসবাবপত্র → أثاث → আসাস
17️⃣ 🛏️ বিছানা → سرير → সারীর
18️⃣ 🪟 জানালা → نافذة → নাফিযা
19️⃣ 🚪 দরজা → باب → বাব
20️⃣ 🧹 পরিষ্কার → تنظيف → তানযীফ
21️⃣ 💸 ভাড়া → إيجار → ঈজার
22️⃣ 🧾 চুক্তি → اتفاق → ইত্তিফাক
23️⃣ 🏘️ ফ্ল্যাট → شقة → শাক্কা
24️⃣ 🏗️ বিল্ডিং → مبنى → মাবনা
25️⃣ 🔌 বিদ্যুৎ → كهرباء → কাহরাবা
26️⃣ 🚰 পানির লাইন → إمداد المياه → ইমদাদুল মিয়াহ
27️⃣ 🧺 কাপড় ধোয়া → غسيل الملابس → গাসীলুল মালাবিস
28️⃣ 💑 দম্পতি → زوجان → যাওজান
29️⃣ 👶 সন্তান → طفل → তিফল
30️⃣ 🍼 শিশু → رضيع → রাদীʿ
31️⃣ 👩❤️👨 স্বামী → زوج → যাওজ
32️⃣ 👩❤️👨 স্ত্রী → زوجة → যাওজা
33️⃣ 🎁 উপহার → هدية → হাদিয়া
34️⃣ 🍲 রান্না → طبخ → তবখ
35️⃣ 🧾 বিল → فاتورة → ফাতূরা
36️⃣ 🛒 বাজার → بقالة → বাক্কালা
37️⃣ 🔒 নিরাপত্তা → أمان → আমান
38️⃣ 🧓 বাবা-মা → الوالدان → আল-ওয়ালিদান
39️⃣ 👫 আত্মীয়স্বজন → أقارب → আকরিব
40️⃣ 🎉 অনুষ্ঠান → احتفال → ইহতিফাল
41️⃣ 💰 যৌতুক → مهر → মাহর
42️⃣ 🕌 নিকাহ → نكاح → নিকাহ
43️⃣ 🏡 নতুন বাড়ি → بيت جديد → বাইতুন জাদীদ
44️⃣ 🛠️ মেরামত → تصليح → তাসলিহ
45️⃣ 🧱 দেয়াল → جدار → জিদার
46️⃣ 🪜 সিঁড়ি → درج → দারাজ
47️⃣ 🏠 ছাদ → سقف → সাক্ফ
48️⃣ 🌿 বাগান → حديقة → হাদীকা
49️⃣ 🪟 বারান্দা → شرفة → শুরফা
50️⃣ 😊 সুখ → سعادة → সাʿআদাহ
02/01/2026
🌾 কৃষি — الزِّرَاعَة — আয্-যিরা‘আহ
🚜 কৃষক — مُزَارِع — মুযারি‘
🌱 ফসল — مَحْصُول — মাহসূল
🌾 মাঠ — حَقْل — হাক্ল
🚜 লাঙল — مِحْرَاث — মিহরাছ
🌱 বীজ — بِذْر — বিদ্র
🌿 গাছ — نَبَات — নাবাত
🌳 বৃক্ষ — شَجَرَة — শাজারাহ
🌾 ফসল কাটা — حَصَاد — হাসাদ
🌾 ধান — أَرُزّ — আরুয্
🌽 ভুট্টা — ذُرَة — যুরাহ
🌾 গম — قَمْح — ক্বামহ
🫘 ডাল — بُقُول — বুকূল
🥜 চিনাবাদাম — فُول سُودَانِي — ফূল সুদানী
🥔 আলু — بَطَاطِس — বাতাতিস
🧅 পেঁয়াজ — بَصَل — বাসাল
🧄 রসুন — ثُوم — ছূম
🌶️ মরিচ — فِلْفِل — ফিলফিল
🍆 বেগুন — بَاذِنْجَان — বাধিনজান
🥒 শসা — خِيَار — খিয়ার
🌱 চারা ক্ষেত — مَشْتَل — মাশতাল
💧 সেচ — رَيّ — রাইয়্য
☔ বৃষ্টিপাত — هُطُولُ الأَمْطَار — হুতূলুল আমতার
🌞 সূর্যালোক — ضَوْءُ الشَّمْس — দওউশ্ শামস
🌬️ বাতাস — هَوَاء — হাওয়া
🧪 সার — سِمَاد — সিমাদ
🧴 কীটনাশক — مُبِيد حَشَرِي — মুবীদ হাশারী
🐛 পোকা — حَشَرَة — হাশারাহ
🦠 ক্ষতিকর পোকা — آفَة — আফাহ
🌱 জৈব কৃষি — الزِّرَاعَة العُضْوِيَّة — আয্-যিরা‘আহ আল-উদ্বইয়্যাহ
🚜 ট্রাক্টর — جَرَّار — জার্রার
🪓 কৃষি যন্ত্র — أَدَوَات زِرَاعِيَّة — আদাওয়াত যিরা‘ইয়্যাহ
🧺 ঝুড়ি — سَلَّة — সাল্লাহ
📦 সংরক্ষণ — تَخْزِين — তাখযীন
🏚️ গোলাঘর — مِخْزَن — মিখযান
🌾 শস্য — غِلَّة — ঘিল্লাহ
🌾 খড় — تِبْن — তিব্ন
🌿 ঘাস — عُشْب — উশ্ব
🐄 গবাদি পশু — مَوَاشِي — মাওয়াশি
🐃 মহিষ — جَامُوس — জামূস
🐄 গরু — بَقَرَة — বাকারাহ
🐐 ছাগল — مَاعِز — মা‘ইয
🐓 হাঁস-মুরগি পালন — تَرْبِيَة الدَّوَاجِن — তারবিয়াতুদ্ দাওয়াজিন
🥚 ডিম — بَيْض — বাইদ
🥛 দুধ — لَبَن — লাবান
🌱 মাটি — تُرَاب — তুরাব
🟤 কাঁদামাটি — تُرْبَة طِينِيَّة — তুরবাহ ত্বীনিয়্যাহ
🟡 বালুমাটি — تُرْبَة رَمْلِيَّة — তুরবাহ রামলিয়্যাহ
🌱 উর্বর জমি — أَرْض خَصْبَة — আরদ খাসবাহ
🏜️ অনুর্বর জমি — أَرْض جَرْدَاء — আরদ জারদা’
🌾 ফলন — إِنْتَاج — ইন্তাজ
📈 উৎপাদন — إِنْتَاجِيَّة — ইন্তাজিয়্যাহ
📉 ক্ষতি — خَسَارَة — খাসারাহ
🌱 মৌসুমি ফসল — مَحْصُول مَوْسِمِي — মাহসূল মৌসিমী
📅 চাষের মৌসুম — مَوْسِم الزِّرَاعَة — মৌসিমুয্ যিরা‘আহ
🌾 ধানক্ষেত — حَقْل الأَرُزّ — হাক্লুল আরুয্
🌿 সবজি বাগান — حَدِيقَة خُضْرَوَات — হাদীক্বাতু খুদরাওয়াত
🌳 ফলের বাগান — بُسْتَان فَوَاكِه — বুস্তান ফাওয়াকিহ
🌱 চারা — شَتْلَة — শাতলাহ
🤲 চাষাবাদ — فِلَاحَة — ফিলাহাহ
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Address
Dhaka
