Asaf abiha

Asaf abiha

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Asaf abiha, Health/Beauty, 80 Goran, tempustand, Dhaka.

12/10/2026

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জ/ন্ম নিয়েছিল একটি শি/শু। কিন্তু জন্ম দেওয়ার পর নিজের স/ন্তানকে একটিবারের জন্যও বুকে জড়িয়ে ধরতে পারেননি মা বিথী আক্তার (২৫)। রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের মেয়ে বিথী নিজেও ছিলেন একজন ডিপ্লোমা মিডওয়াইফ নার্স।

​গত ৬ মে সি/জার করার সময় ডা. তামান্না ও ইন্টার্ন চিকিৎসক অরবিন্দের বি/রুদ্ধে অভি/যোগ ওঠে—তারা বিথীর পেটে ‘গজ’ রেখেই সে/লাই করে দেন।

​পরের গল্পটা কোনো সাধারণ মানুষের পক্ষে স/হ্য করা কঠিন:

​তীব্র যন্ত্র/ণা ও পচ/ন: সি/জারের ২ মাস পর শুরু হয়
অ/সহ্য পে/টে ব্যথা। পরীক্ষায় ধরা পড়ে ভেতরে গজ থেকে সং/ক্রমণ ছড়িয়ে পেটের নাড়িতে প/চন ধরেছে।

​শরীরের ক/রুণ অবস্থা: আইসিইউর চিকিৎসায় ৬১ কেজি ওজনের সুস্থ বিথীর ওজন নেমে আসে মাত্র ৩৮ কেজিতে।

​অধরা মা/তৃত্ব: স/ন্তানকে বুকের দুধ খাওয়ানো তো দূরের কথা, শেষ দিনগুলোতে একটু কোলেও নিতে পারেননি।

​নিঃস্ব পরিবার: চিকিৎসা চালাতে গিয়ে পরিবারটি আজ ঋণের পাহাড়ে ত/লিয়ে গেছে। অথচ অভি/যুক্তদের কাছ থেকে মেলেনি কোনো ক্ষ/তি/পূরণ।

​দীর্ঘ ৬ মাস মৃ**র সাথে লড়াই করে অবশেষে গত ৮ অক্টোবর সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মা** যান বিথী।

​চিকিৎসকরা মানুষ, ভুল হতেই পারে—কিন্তু পেটের ভেতর গজ রেখে সে/লাই করা কি স্রেফ ‘ভুল’, নাকি চরম
অ/বহেলা?

​আজ একটি শি/শু মা/তৃত্বের অধিকার থেকে ব/ঞ্চিত হলো। প্র/ভাবের দাপ/টে কি ঘটনাটি চা/পা পড়ে যাবে, নাকি দায়ী চিকিৎসকদের বিচার হবে? আপনার ম/তামত ক/মেন্টে জানান।

10/10/2026

"মিছ, আমার আম্মু দুইবার স্ট্রোক করেছে... রাতে আমার পড়া দেখতে চাইবেন... প্লিজ আমাকে লিখতে দিন।"

একটা ক্লাস টু-র বাচ্চার এই অবুঝ আকুতিও কি একটা মানুষের মন গলাতে পারে না? ধানমন্ডির বিখ্যাত অক্সফোর্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুল (OIS)-এর পুরান ঢাকা ক্যাম্পাসের ক্লাস টু-র ছোট্ট মেয়ে জাদোয়া আয়াত কায়নাতের সাথে যা ঘটেছে, তা শুনলে যেকোনো বাবা-মায়ের কলিজা কাঁপিয়ে উঠবে!
শিক্ষাদানের নামে ক্লাসরুমকে কীভাবে "ট-র্চা-র সেল" বানানো হয়েছিলো, শুনুন তাহলে পুরো ঘটনাটা।

গত ৩০ আগস্ট লিটারেচার ক্লাস চলাকালীন আয়াত বোর্ডে লেখা শব্দ নিজের খাতায় তুলছিলো।
ক্লাস টিচার তাসনিম আজাদ সুপ্তি হঠাৎ অজানা কারনে হিং-* স্র হয়ে ওঠেন। খাতা কেড়ে নিয়ে আয়াতকে একটানা ৪৭ মিনিট ক্লাসে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়! এরপর বাকি সব ছাত্র-ছাত্রীকে বাইরে বের করে দিয়ে রুমের গেট লক করে লাইট-ফ্যান বন্ধ করে দেওয়া হয়!
আয়াত কান্না জড়িত কণ্ঠে আকুতি করেছিল, "মিছ, আমার আম্মু দুইবার স্ট্রোক করেছে... রাতে আমার পড়া দেখতে চাইবেন... প্লিজ আমাকে লিখতে দিন।"
কিন্তু শিক্ষিকা সুপ্তি আরও ক্ষিপ্ত হয়ে আয়াতের ডান পায়ে নিজের পা দিয়ে সজোরে পি* ধরেন এবং হু*কি দেন তার হাত ম*-কিয়ে দেবেন যেন সে আর কোনোদিন লিখতে না পারে!

আয়াত যখন কাঁদতে কাঁদতে খাতার একটা ছেঁড়া পাতায় গোপনে কিছু লেখার চেষ্টা করছিলো, তখন শিক্ষিকা আরও হিং*- স্র হয়ে ওঠেন।
তিনি একটি সুচালো পেন্সিল দিয়ে আয়াতের ডান চো** আ**ত করেন, এতে বাচ্চাটির চোখ কে* জ**ম হয়!

দীর্ঘ ৪৭ মিনিট পর ক্লাস ছুটি হলে আয়াত কোনোমতে নিচে নেমে স্কুলের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও অন্যান্য অভিভাবকদের কাছে গিয়ে কাঁদতে কাঁদতে বাঁচার আকুতি জানায়।
প্রথমে ক্যাম্পাস ভাইস প্রিন্সিপাল রুহুল আমিনসহ স্কুল কর্তৃপক্ষ ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে ও আয়াতের এই জখমকে হালকাভাবে দেখানোর চেষ্টা করে!

আয়াতের মা আফরিণা হাসনাত হাল ছাড়েননি। তিনি স্কুলে গিয়ে সিসিটিভি ফুটেজ দেখার জন্য চাপ দেন। ফুটেজে টর্চারের অকাট্য প্রমাণ মেলার পর স্কুল কর্তৃপক্ষ তাদের ভুল স্বীকার করে ভুক্তভোগী মায়ের কাছে ক্ষমা চায়।
তীব্র সমালোচনার মুখে ঘটনার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্ত শিক্ষিকা তাসনিম আজাদ সুপ্তিকে চাকরি থেকে টার্মিনেট করে স্কুল কর্তৃপক্ষ।

আয়াতের মা বাদী হয়ে ঢাকার গ্যান্ডারিয়া থানায় একটি নিয়মিত মামলা করেন। মামলাটি বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন। গত ২২ সেপ্টেম্বর ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হয়ে ছোট্ট আয়াত নিজেই ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে তার ওপর হওয়া এই নি**তনের জবানবন্দি দিয়ে এসেছে!
এমনকি এটা শুধু একদিনের ঘটনা না। সেই শিক্ষক প্রায়-ই আয়াতকে টার্গেট করে বিভিন্ন ধরনের বকাঝকা করতো।

তবে দুঃখের বিষয়, মূল অভিযুক্ত শিক্ষিকা সুপ্তি ঘটনার পর থেকেই পলাতক রয়েছে এবং পুলিশ এখনো তাকে গ্রেফতার করতে পারেনি!

স্কুল কর্তৃপক্ষ এখন আয়াতকে 'অত্যন্ত মেধাবী' আখ্যা দিয়ে তাকে স্কুলে ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য মায়ের সাথে যোগাযোগ করছে। কিন্তু যে স্কুল একটা বাচ্চাকে নিরাপত্তা দিতে পারে না, যেখানে শিক্ষকের রূপ ধরে দানব বসে থাকে, সেখানে কোন ভরসায় মা তার সন্তানকে পাঠাবে?

এদিকে ছোট্ট আয়াত এখনো ট্রমা থেকে বের হতে পারেনি। ঘুমের ঘোরে সে আতঙ্কে চিৎকার করে ওঠে,
"কেউ এসে আমার চো-* তুলে নেবে!"
সে আর স্কুলেই যেতে চাচ্ছে না।

আমরা কোন সমাজে বাস করছি? যে শিক্ষকের হাত শিশুর জন্য সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয় হওয়ার কথা ছিল, সেই হাতই আজ শিশুর সাথে অন্যায় করছে। ছ্যাহ...! 🤮

10/10/2026

একজন মা তার চোখের সামনে তার কলিজার টুকরাকে যদি তিলে তিলে শেষ হয়ে যেতে দেখে 🥺🥺
তাহলে তার কেমন লাগে 🥺
হে আল্লাহ তোমার কাছে দোয়া প্রার্থনা করি যাতে সাজিদ ভাইয়া সুস্থ হয়ে যায় ❤️‍🩹❤️‍🩹

10/10/2026

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানিয়েছেন, তাজমিনকে যেখানে হ*- করা হয়েছে, তার আশেপাশের ৪ থেকে ৫টি ধানক্ষেতের বড় একটা অংশ দুমড়েমুচড়ে ও ওলোটপালোট হয়ে আছে। মাটিতে ধস্তাধস্তি এবং জুতো বা পায়ের নখ উপড়ে যাওয়ার মতো তীব্র দৌড়াদৌড়ির স্পষ্ট চিহ্ন পাওয়া গেছে।

ধারণা করা হচ্ছে, খু****দের হাত থেকে নিজের জীবন বাঁচাতে ওই নির্জন রাতে অন্ধকারের মধ্যে অন্তত ৪-৫টি ধানক্ষেতে প্রাণপণে দৌড়েছিল হতভাগ্য মেয়েটি, কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি।😓

উদ্ধারের সময় তাজমিনের পুরো শ***র ব' স্ত্র' হীন অবস্থায় কাদায় মু* খ গোঁজা ছিল।
তার প্রায় ২০-৩০ গজ দূরে তার ভ্যানিটি ব্যাগ এবং জামাকাপড় ছিটকে পড়ে থাকতে দেখা যায়। বি* স্ত্র অবস্থা এবং ধানক্ষেতের ধ* ধ* স্তির চিহ্ন দেখে পুলিশ ও স্থানীয়দের জোরালো ধারণা, তাকে হয়তো কোনো শা*** রিক নি**তন-এর শিকার হতে হয়েছিল, যা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

তদন্তে নেমে পুলিশ ওই এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছে। সেখানে দেখা গেছে,
বুধবার রাত পৌনে ১২টার দিকে কুমিল্লার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোডের 'নূরজাহান হোটেল'-এর সামনে একটি দূরপাল্লার বাস থেকে নামে তাজমিন।

বাস থেকে নেমে সে হোটেলের পশ্চিম পাশের কয়েকটি স্টেশনারি দোকানের দিকে যায় এবং একজন দোকানির সাথে কথা বলে দিক-নির্দেশনা চায়। দোকানিও তাকে হাত উঁচিয়ে কোনো একটা দিক দেখায়।

রাত সোয়া ১২টার দিকে তাকে নূরজাহান হোটেল এলাকা ত্যাগ করতে দেখা যায়। কিন্তু এর ঠিক পর মুহূর্তেই সে কোন গাড়িতে উঠল বা কার সাথে গেলো, সেই রহস্য সিসিটিভি ফুটেজে আর মেলেনি।

লা**-এর পাশ থেকে যে সিএনজিটি উল্টে পড়া অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে, সেটি কিন্তু চোরাই বা ভুয়া নয়। পুলিশ জানিয়েছে, সিএনজিটি প্রপারলি রেজিস্ট্রেশন করা বা নিবন্ধিত। এর নাম্বার প্লেট ও কাগজপত্রের সূত্র ধরে পুলিশ অলরেডি এর মালিক ও চালককে শনাক্ত করার খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। এই সিএনজি চালকই এখন এই মিস্ট্রির সবচেয়ে বড় ক্লু।

ভাই! আমার একটাই প্রশ্ন, ১৫ বছরের একটা ৭ম শ্রেণীর মেয়ে বান্ধবীর বাসার নাম করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া হয়ে কক্সবাজার ঘুরে আসলো, অথচ বাবা-মা টেরই পেলেন না বা কিছুই বললো না?!

সন্তানকে বিশ্বাস করা ভালো, কিন্তু অন্ধ বিশ্বাস করা এক ধরণের অপরাধ।
সন্তান যখনই বলবে "বান্ধবীর বাসায় যাচ্ছি" বা "গ্রুপ স্টাডি করতে যাচ্ছি" অবিলম্বে সেই বান্ধবীর মা-বাবার সাথে ফোনে কথা বলে কনফার্ম হোন। সন্তান আসলেই সেখানে গেছে কি না, তার খবর রাখুন।

আপনার সন্তান সারারাত মোবাইল নিয়ে কী করছে, কার সাথে চ্যাট করছে, ফেসবুকে বা ইন্সটাগ্রামে কার সাথে মিশছে এইসব বিষয়ে কোনো ছাড় দেবেন না।

সন্তানকে প্রাইভেসি দেওয়ার একটা সীমা থাকা উচিত। কিশোর বয়সে কৌতূহল বা লোভের বশে ইন্টারনেটের কোনো অপরাধী চক্র বা ট্র্যাপে পা দিচ্ছে কি না, তা প্রতিনিয়ত চেক করুন।🙂

08/10/2026

আর যাই করেন কারো জন্য দুনিয়া ছেড়ে যাইয়েন না🙂🙂

RJ Nirob এর শো তে Zaher Alvi এর কথাবার্তা শুনে আবারো ফিল হইছে ''যার আপনার জন্য কোনো ফিলিংস ই নাই, তার জন্য দুনিয়া ছেড়ে যাওয়া সবচেয়ে বোকামি!''

ইকরার জন্য সে জেলে গেলো, এখন সে বলতেছে 'আল্লাহ যা করে ভালোর জন্য ই করে!' এই যে জেলে যাওয়া টা নাকি তার লাইফে অনেক চেঞ্জ নিয়ে আসছে!

আবার ইকরার মা বাবা'র উদ্দেশ্যে বলতেছে ''আপনাদের উপর আমার কোনো অভিমান নাই। আপনাদের সন্তান চলে গেছে,রাগ থাকা স্বাভাবিক। আমার সন্তান গেলে আমি হয়তো এর চেয়ে বেশি করতাম,কিন্তু আপনাদের একটা নাতি আছে; তার দিকে তাকাইয়া আপনারা কিছু না করলেও পারতেন!'

আবার বলতেছে 'আমার ছেলে বাবা পাগল। সে তো বলেই সে বাবার পেটে হইছে! বাবা ছাড়া কিচ্ছু নাই ওর দুনিয়ায়!''

ইকরা মারাত্মক 'অভিমান' নিয়ে দুনিয়া থেকে চলে গেছে। যার জন্য চলে গেছে,সেই মানুষ টা ই আকারে ইঙ্গিতে বুঝায় অনেক কিছুই। তার লাইফে অনেক চেঞ্জ আসছে,এটা কে সে 'ভালো' হিসাবেই দেখে!

আলভীর পুরো কথাবার্তা শুনা হয়নাই ওর কথা বলার স্টাইল দেখে কিন্তু এইটুকু বুঝছি ইকরা চলে যাওয়ায় ওর দিন দুনিয়া অন্ধকার হয়ে যায় নাই!

ও ওর ইনকাম,ক্যারিয়ায়,আজাইরা বসে থাকা এইসব নিয়াই চিন্তা করে এখন। যে চলে গেছে সে গেছে ই!

এইটা আসলে একটা 'শিক্ষা!'
যার প্রায়োরিটি লিস্টে আপনি নাই, তার জন্য দুনিয়া থেকে চলে গেলেও সেই মানুষ টার লাইফে কোনো চেঞ্জ আসবে না! সে তার মতোই দিন কাটাবে!

কারো জন্য দুনিয়া ছাইড়েন না! আপনাকে অনেকেই হারাবে কিন্তু যার জন্য দুনিয়া ছাড়বেন, তার কিচ্ছু হবেনা! সে তার টাইম মতোই রাতে ঘুমাতে যাবে আর আরামে ঘুমাবেও!

08/10/2026

কাধে হাত রেখে মা যখন ভরসা দেয় আমি আছি বাবা যত ক//ষ্ট হোক তোকে হেরে যেতে দিব না

এই শোয়াটা যেন শে/ষ শোয়া না হয়… 😓💔

যদি হাতে একটু সময় থাকে, তাহলে ছোট ভাই মনে করে পো//স্ট//টা শে//য়া//র করে দিন।

সাজিদ ভাই কারও কাছে টা/কা-প//য়//সা চান না, তিনি শুধু সবার দো/য়া চা//ন। 🤲

হয়তো আপনার একটি শেয়ার আরও একজন মানুষের কাছে পৌঁছে যাবে, আর সেখান থেকে আসবে একটি আন্তরিক দোয়া।

#সাজিদভাই #দোয়ারদরখাস্ত #দোয়া_করবেন #আল্লাহ_শিফা_দিন #শিফায়ে_কামেলা #সবার_দোয়া_চাই #দোয়া_চাই #মানবতার_জন্য #একটু_দোয়া #সবার_কাছে_দোয়া_চাই #আমিন

Photos from Asaf abiha's post 06/10/2026

আমি এই কথাগুলো আর কিছুদিন পর প্রকাশ করতে চেয়েছিলাম, কারণ আমার ইয়ামিনের অবস্থা এখনো ভালো নয়। কিন্তু ছোট শিশু আভান-এর করুণ পরিণতি দেখে আমার বুকটা ফেটে যাচ্ছে! অবিকল আমার ইয়ামিনের সাথে কাটানো সেই ভয়াবহ মুহূর্তগুলো আর ভুল চিকিৎসার কথাগুলো বারবার চোখের সামনে ভেসে উঠছে।
আপনারা অনেকেই জানেন যে, ইয়ামিনও প্রায় ১৫ দিনের মতো ইউনিভার্সাল হাসপাতালের আইসিইউ তে ভর্তি ছিলো। অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে, সেখানে ইয়ামিনের যে সার্জারিটি করা হয়েছিল, তা সম্পূর্ণ ভুল সার্জারি ছিল।
এই ভুল চিকিৎসার কারণেই মূলত ওর মেনিনজাইটিস রোগটি পুনরায় ফিরে আসে এবং হাইড্রোসেফালাসের সমস্যাটি সমাধান হওয়ার বদলে আরও মারাত্মক রূপ নেয়। এর ফলে আমাদের বাচ্চার শারীরিক অবস্থার মারাত্মক অবনতি ঘটে।
ICU তে এক রুমের মধ্যে ২০ টা বেড দিয়ে রেখেছে ১-২ হাত দূরে দূরে এক রুমের মধ্যেই হাম, ডেঙ্গু, নিউমনিয়া, নবজাতক সব পেশেন্টের ট্রিটমেন্ট চলছে, চিন্তা করেন ছোয়াচে রোগ হামের পেশেন্টের ২ হাত দূরে আর একটা বাচ্চা শুয়ে আছে। আবার আইসিউ এর মধ্যে মশা, মাছি , যেখানে ডেঙ্গু আক্রান্ত পেশেন্ট আছে এবং আমরা সবাই জানি ডেঙ্গু মশার মাধ্যমে ছড়ায়। শুধু তাই না তাদের আইসিইউ এর মধ্যে আছে তেলাপোকা, যখন তাদেরকে জিগ্যাসা করলাম তেলাপোকা কেন, তারা বলে বাংলাদেশে এমন কোন আইসিউ নাই যেখানে তেলাপোকা নেই 😑।
সবচেয়ে আশঙ্কাজনক বিষয় হলো, যে অ্যান্টিবায়োটিকটি ইয়ামিনের শরীরে কোনো কাজ করবে না মানে Resistant ছিল, সেই অ্যান্টিবায়োটিকই তারা টানা ১৫ দিন ধরে চালিয়ে গেছে সেনসিটিভিটি রিপোর্টে থাকা সত্বেও। তারা যদি বাচ্চার আগের কেস সামারি এবং সমস্ত রিপোর্টগুলো মনোযোগ দিয়ে পর্যবেক্ষণ করে সঠিক চিকিৎসা দিত, তাহলে হয়তো আজকে আমাদের সন্তানকে এই কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হতো না।
আমরা যখনই পিআইসিইউতে (PICU) ওর আগের হিস্ট্রি জানাইতে গিয়েছিলাম চিকিৎসকরা তা না শুনে দায়িত্বহীনভাবে বলেছিলেন — "এখন আমাদের কাছে আছে, আমরা আমাদের মতোই চিকিৎসা দেব।" অথচ আমরা আগেই বাচ্চার সমস্ত পূর্ববর্তী রিপোর্ট জমা দিয়েছিলাম। এছাড়াও তারা কতটা অবহেলা করেছে, তা ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়।
বিষয় টা এরকম ছিলো আইসিউ তে ভর্তির ৭ দিন পরেও ওখানকার নার্স ডাক্তাররা অনেকে জানেই না যে ওর ব্লাড ক্যান্সার। কিন্তু ওরা বাবুর ট্রিটমেন্ট করছে ।
আইসিউ থেকে কয়েক দিনের জন্যে বেডে দিয়েছিলো কিন্তু ওর হার্ট রেট হটাৎ হটাৎ করে অনেক বেড়ে যাওয়ায় আবার আইসিউ তে শিফট করি মাঝ রাতে , সকালে icu তে ভিজিট করতে যেয়ে দেখি ওর মনিটর খুলে অন্য একজন পেশেন্ট কে দিয়ে রেখেছে কারণ তার মনিটর টা নাকি নষ্ট হয়ে গিয়েছিলো । তাহলে বুঝেন যে হার্ট রেট মনিটর করার জন্যে আইসিউ তে নিয়েছি সেই মনিটরই খুলে রেখে দিয়েছে ।
অস্ত্রোপচারের পর তাকে টানা ১২ দিন ক্যাথেটার পরিয়ে রাখা হয়েছিল। সে একজন কেমো থেরাপির রোগী তাই ক্যাথেটার বেশি দিন রাখলে ইনফেকশনের মারাত্মক ঝুঁকি ছিল। আমরা বারবার ডাক্তার ও নার্সদের কাছে গিয়ে জানিয়েছি ক্যাথেটারটি খুলে দেওয়ার জন্য। কিন্তু তারা আমাদের কথায় কোনো গুরুত্ব না দিয়ে দায়িত্বজ্ঞানহীনভাবে উত্তর দিত— "১৪ দিন রাখলেও কোনো সমস্যা নেই।"
এমনকি হাসপাতাল থেকে যে দিন ইয়ামিনকে ডিসচার্জ করে নিয়ে আসি, সেদিনও তারা বাচ্চার ক্যাথেটার খুলে দেয়নি! অবশেষে বাধ্য হয়ে, ইউনিভার্সাল হাসপাতালের চরম অবহেলার হাত থেকে বাচ্চাকে বাঁচাতে আমরা অ্যাম্বুলেন্সে করে অন্য হাসপাতালে শিফট করি এবং নতুন করে সার্জারি করাই।
পরদিন যখন আমরা তাকে অন্য একটি হাসপাতালে নিয়ে যাই, সেখানকার অভিজ্ঞ ডাক্তার ইয়ামিনের ক্যাথেটার দেখেই বলে, ওর তো ইউরিন ইনফেকশন হয়ে গেছে এবং ক্যাথেটারে Puss cell দেখা যাচ্ছে ।পরবর্তী রিপোর্টে চিকিৎসকের আশঙ্কাই সত্য প্রমাণিত হয়! ওর ইউরিন ইনফেকশন হয় ।
তাহলে আমরা যখন বারবার তাদের সতর্ক করছিলাম, তারা কি অন্ধ ছিল? কানে কি কথা যেত না? একটা অসুস্থ বাচ্চাকে সঠিক চিকিৎসা দিয়ে সুস্থ করা তো দূরের কথা, কিভাবে চিকিৎসার নামে আরও অসুস্থ বানিয়ে দেওয়া হয়, তা ইউনিভার্সাল হাসপাতালে না গেলে আমরা বুঝতে পারতাম না! আমাদের কাছে এর সমস্ত প্রমাণ ও রিপোর্ট এখনো রক্ষিত আছে।
এছাড়াও ওখানে ICU তে সকাল বিকাল আমাদেরকে কাউন্সিলিং এর নামে মানসিক টর্চারর করা হতো, ২ বেলা করে আমাদের কে বলা হতো ইয়ামিনের বাচার কোন সম্ভাবনা নেই, যখন তখন যা কিছু হতে পারে, ও বাচলেও স্পেশাল চাইল্ড হিসাবে বেচে থাকবে, ট্রিটমেন্ট করে তেমন লাভ নেই etc etc, আর দুই বেলা করে বন্ড সই নেওয়া হতো, আচ্ছা বাবুর অবস্থা তো এখন আরও খারাপ কই এখানকার ডাক্তার রা তো এক বারও আমাদের কে নিরাশ করার মতো কথা বলেনি বরং বলেছে এখনো ট্রিটমেন্ট আছে , সময় লাগবে কিন্তু আশা করি ইয়ামিন সুস্থ হয়ে যাবে, আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।
আর আপনি কোন ভাবেই তাদের ICU তে মোবাইল নিয়ে ঢুকতে পারবেন না কারন তাহলে তাদের এই অপচিকিৎসা ফাস হয়ে যাবে।
আর ওখানে দায়িত্বে থাকা প্রধান ডাক্তার মনির স্যারের কথা কি বলবো, উনার রোগি দেখার সর্বোচ্চ সময় ২০ সেকেন্ড, প্রশ্ন করলে উত্তরের থেকে বেশি অপমান আর উপমা শুনতে পাবেন।
অথচ এই হাসপাতালের ICU বাংলাদেশের মধ্যে বেশ সুনামধন্য, তাদের ICU এর প্রতিদিনের বিল আসতো প্রায় ৪০ হাজার টাকা।
আজ মনে হচ্ছে, আমরা যারা ভুল চিকিৎসার ভুক্তভোগী, তারা যদি আগেই প্রতিবাদ জানাতাম এবং শক্ত পদক্ষেপ নিতাম, তাহলে হয়তো আজকে অবহেলার কারণে আভানের মতো নিষ্পাপ শিশুকে জীবন হারাতে হতো না!
আসলে শুধু একটি নির্দিষ্ট হাসপাতাল নয়, বাংলাদেশের অধিকাংশ ডাক্তার ও চিকিৎসা ব্যবস্থা কতটা বেপরোয়া ও দায়িত্বজ্ঞানহীন (Careless) হয়ে পড়েছে, তা ভুক্তভোগী পরিবার মাত্রই জানে।

বিশেষ দ্রষ্টব্য:আমি কথাগুলো সবার উদ্দেশ্যে বলছি কারণ আজ আমার ইয়ামিন কিংবা ছোট্ট আভানের সাথে ঘটে যাওয়া এই হৃদয়বিদারক ঘটনাগুলো প্রতিদিন আরও অনেক শিশুর সাথেই ঘটছে।আসলে সন্তান যখন অসুস্থ হয়, তখন কোনো বাবা-মায়েরই মানসিক অবস্থা স্বাভাবিক থাকে না। তাও আমি বলবো— বাচ্চার এই কঠিন সময়ে আপনারা মাথা ঠান্ডা রেখে সিদ্ধান্ত নেবেন এবং চিন্তা-ভাবনা করে সঠিক হাসপাতাল বেছে নেবেন। আপনার সন্তানের সঠিক চিকিৎসা হচ্ছে কি না, তা নিয়ে বিন্দুমাত্র সন্দেহ হলে আগে কেস সামারি ও সমস্ত রিপোর্ট নিয়ে প্রয়োজনে আরও ৩-৪ জন অভিজ্ঞ ডাক্তারের কাছে গিয়ে যাচাই-বাছাই (Second Opinion) করে নেবেন। দরকার হলে ৫ জন ডাক্তারের পরামর্শ নেবেন, তাও কোনো ঝুঁকি নেবেন না।মনে রাখবেন, সন্তান আপনার এবং আমার। ভুল চিকিৎসার কারণে যদি কোনো ক্ষতি হয়ে যায়, তার যন্ত্রণা শুধু আমাদেরই বয়ে বেড়াতে হবে। সেই ক্ষতির পূরণ করার ক্ষমতা এই পৃথিবীর কারো নেই! আপনি কেঁদে কেঁদে শেষ হয়ে গেলেও সেই ভুল চিকিৎসার ক্ষতিপূরণ কেউ দিতে পারবে না। তাই শুরু থেকেই সচেতন থাকুন এবং সতর্ক পদক্ষেপ নিন।

06/10/2026

ঘটনার দিন ইউনিভার্সেল মেডিকেলের ডিরেক্টরকে ঢাকা মেডিকেলের ডিরেক্টরের সাথে আমি ফোনে কথা বলিয়ে দিলাম। (আমার ফোনেই দুজনের কথা হয়েছে) ইউনিভার্সেলের ডিরেক্টর আভানকে রিলিজ দিতে সম্মত হলেন। আমাকে বললেন তাদের একজন নার্স ও ডাক্তার আভানের সাথে ঢাকা মেডিকেলে যাবে। আমি অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে আসলাম। তিন তলায় ট্রলি উঠিয়ে দিলাম এরপরেও রিলিজ দেয়া হয়নি। পি আইসিইউ এর ভেতর থেকে বাচ্চাকে জোর করে বের করা যায়না। আমরা জোর করে বের করতে পারিনি। ওরা বললো রিস্ক আছে। আমি বললাম আপনাদের এখানে কি রিস্ক নাই? বললো সেটাও আছে। তখন বললাম বাচ্চাকে আমরা রিস্ক নিয়েই ঢামেকে নিবো। তখন ১ লাখ ৭২ হাজার টাকার বিল ধরিয়ে দিলো এবং বললো এখনি এই ইঞ্জেকশনগুলো লাগবে। নাহলে বিপদ আরও বাড়বে। এভাবেই তিন ঘন্টা অতিবাহিত হলো এবং আভান চিরতরে নিভে গেলো।

05/10/2026

আপনার ছোট্ট নিষ্পাপ শিশু টার ৪ বছর বয়স সবে মাত্র। একটুখানি সামান্য জ্বর, গা গরম; তেমন কিছুই না। কিন্তু আপনি তো ওর বাপ। সন্তানের একটু কষ্ট ওও বাপের সহ্য হবে না। তাই বাপ তার আরাধন রে নিয়ে গেলো জ্বর কমানোর ডাক্তার এর কাছে

হেঁটে হেঁটেই মহাখালীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গেলো ডাক্তার দেখাতে। ডেঙ্গু নেগেটিভ আসলো। তবুও ডেঙ্গুর চিকিৎসা করা হলো। অতিরিক্ত মাত্রায় অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োগ করা হলো।

কোনো যৌক্তিক কারণ ছাড়াই ছেলেটাকে আইসিইউতে নিলো। সেখানেও দায়িত্বপ্রাপ্ত মূল বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক সশরীরে উপস্থিত নাই। টেলিফোনের মাধ্যমে দিকনির্দেশনা দিচ্ছিলেন। সেভাবেই শিশুটির চিকিৎসা চলছিল। বুকের মানিক টা তখনও কথা বলছিল। এরপরই হঠাৎ তার শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি হতে থাকে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বারবার শিশুটির অবস্থার উন্নতির দিকে বলে মিথ্যা আশ্বাস দিলেও বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে ছেলেটা একদম চুপ হয়ে যায়, নড়াচড়া করে না, বাপ রে আর ডাকে না..

হাঁটতে হাঁটতে খেলতে খেলতে জ্বর এর ওষুধ নিতে হাসপাতালে আসা কলিজার টুকরা টা হাসপাতাল থেকে বের হলো সাদা কাপড়ে

সবচেয়ে বড় নির্মমতা হলো চোখের সামনে সবকিছু হতে দেখার পর বুকের মানিক টাকে নিজ হাতে কবরে শুইয়ে রেখে এসে এই পাষবিক দুনিয়ায় বাপ রে বেঁচে থাকা লাগবে, জীবন......🥲
জানিনা এমন আমাদের দেশে আর কতো বাবা মায়ের বুক খালি হবে ❎❎

05/10/2026

একটা জামা কিনবেন? ছোট্ট একটা মেয়ের জামা। একদিনও পরা হয়নি। একদম নতুন।

জামাটা যার পরার কথা ছিল, তার নাম ফামইয়া মাশনুর রুমাইসা। ক্লাস থ্রির ছাত্রী। বাসা বনশ্রীতে।

রুমাইসার জ্বর জ্বর লাগা শুরু হয় গত রোববার। মঙ্গলবার ধরা পড়ে ডেঙ্গু। বৃহস্পতিবার বিকেলে হঠাৎই খিঁচুনি শুরু হয়। মা-বাবা দুজনই ডাক্তার। মেয়ের যে হঠাৎ এমন হতে পারে, তাঁরা কল্পনাও করেননি। ঢাকার যানজট ঠেলে হাসপাতালে যেতে যেতেই নাক দিয়ে রক্ত পড়া শুরু হয়। এর কিছুক্ষণ পরই সব শেষ।

আগামী ১৭ নভেম্বর রুমাইসার বয়স ৯ হওয়ার কথা। মাকে নিয়ে মার্কেটে গিয়ে মহানন্দে সে নিজের জন‍্য আর ছোটবোনের জন‍্য জামা কিনেছিল। কথা ছিল জন্মদিনে পরবে। সেই নতুন জামা এখন আলমারিতে পড়ে আছে।

আমাদের দেশে এমন আরও হাজারো আলমারিতে পড়ে আছে ছোট ছোট শিশুদের এমন আরও হাজারটা জামা। যে জামাগুলা আর কোনোদিন পরা হবে না।

সোফার কোনায় হয়তো পড়ে আছে ছোট্ট এক জোড়া জুতা। বালিশের পাশে একটা খেলনা গাড়ি। টেবিলে অ আ লেখা রুলটানা খাতা। এই জিনিসগুলা দিয়ে ওদের মা-বাবারা কী করবেন, বুঝে উঠতে পারছেন না।

আমি সরি। লেখাটা আমি শেষ করতে পারছি না।

Category

Website

Address

80 Goran, Tempustand
Dhaka
ASAF000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Asaf abiha posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Subscribe

We will notify you when anything happens in Dhaka.