Dr. Eva Rani Nandi
MBBS (Dhaka), FCPS (Gynae), FCPS (Infertility) BMDC Reg. No. A-39491
বন্ধ্যাত্ব কখনোই আপনার গল্পের শেষ অধ্যায় নয়- এটা সেই নীরব অধ্যায়, যেখানে আশা, চিকিৎসা আর ভালোবাসা মিলেই নতুন জীবনের গল্প লেখা শুরু হয়।
বন্ধ্যাত্ব মানেই স্বপ্ন শেষ নয়—ভালোবাসা, চিকিৎসা আর বিশ্বাস থাকলে আনন্দ একদিন ঠিকই ধরা দেবে।
বন্ধ্যাত্ব নিয়ে হতাশা নয়, সঠিক চিকিৎসা, ধৈর্য আর আশায় ভর করে স্বপ্নের আলো একদিন ঠিকই ধরা দেবে।
24/03/2026
নিয়মিত চিকিৎসার মাধ্যমে বন্ধ্যাত্ব (infertility) অনেক ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ বা নিরাময় করা সম্ভব—এটি বর্তমান চিকিৎসাবিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। বন্ধ্যাত্বের কারণ নারী ও পুরুষ উভয়ের মধ্যেই থাকতে পারে, যেমন হরমোনের ভারসাম্যহীনতা, ডিম্বাণু বা শুক্রাণুর সমস্যা, বা শারীরিক জটিলতা। তাই সঠিক কারণ নির্ণয় করা চিকিৎসার প্রথম ধাপ।
চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত পরীক্ষা-নিরীক্ষা, যেমন হরমোন টেস্ট, আল্ট্রাসনোগ্রাফি বা সিমেন অ্যানালাইসিস করা হলে সমস্যার ধরন নির্ধারণ করা সহজ হয়। অনেক ক্ষেত্রে ওষুধের মাধ্যমে হরমোন নিয়ন্ত্রণ করে স্বাভাবিকভাবে গর্ভধারণ সম্ভব হয়। আবার কিছু ক্ষেত্রে আধুনিক পদ্ধতি যেমন আইইউআই (IUI) বা আইভিএফ (IVF) পদ্ধতির মাধ্যমে সফলতা পাওয়া যায়।
এছাড়া জীবনযাত্রার পরিবর্তনও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত ব্যায়াম, মানসিক চাপ কমানো এবং ক্ষতিকর অভ্যাস পরিহার করলে চিকিৎসার ফলাফল আরও ভালো হয়।
সর্বোপরি, ধৈর্য ও নিয়মিত চিকিৎসা গ্রহণই বন্ধ্যাত্ব মোকাবিলার মূল চাবিকাঠি। সচেতনতা ও সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে অনেক দম্পতি তাদের কাঙ্ক্ষিত সন্তানের স্বপ্ন পূরণ করতে সক্ষম হচ্ছেন।
নারীর নীরব কষ্টের নাম এন্ডোমেট্রিওসিস।
অনেক নারী বছরের পর বছর তীব্র পিরিয়ডের ব্যথা, পেটের ব্যথা, ক্লান্তি সহ্য করেন—কিন্তু বুঝতেই পারেন না এর পেছনে লুকিয়ে থাকতে পারে একটি গুরুতর রোগ।
আপনারও কি পিরিয়ডের সময় অসহ্য ব্যথা হয়?
বারবার পেট ব্যথা বা বন্ধ্যাত্বের সমস্যা হচ্ছে?
তাহলে অবহেলা করবেন না।
ভিডিওটি দেখে জেনে নিন এন্ডোমেট্রিওসিসের লক্ষণ, কারণ এবং কখন ডাক্তারের কাছে যাওয়া জরুরি।
21/02/2026
১) বন্ধ্যাত্ব কি?
উঃ বিয়ের পরে স্বামী-স্ত্রী যদি ১ বছর একসাথে থাকেন এবং কোনরকম জন্মনিরোধক ব্যাবস্থা না নিয়ে নিয়মিত মেলামেশা করেন কিন্তু তারপরেও সন্তান ধারনে সক্ষম না হন তখন আমরা এ অবস্থাকে বন্ধ্যাত্ব বলে থাকি।
২) বন্ধ্যাত্বের প্রকোপ এবং কারন কি?
উঃ দিন-দিন বন্ধ্যাত্বের প্রকোপ বেড়েই চলছে। আগে যেখানে ১০ জনে ১ জন পাওয়া যেত সেখানে এখন প্রায় ৫ জনে ১ জন পাওয়া যাচ্ছে।
কারণগুলোঃ স্বামী-স্ত্রী যে কারো অথবা দুজনের একসাথেও সমস্যা থাকতে পারে।
বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে-
স্বামী- ৫০ ভাগ ক্ষেত্রে এবং
স্ত্রী - ৫০ ভাগ ক্ষেত্রে দায়ী ।
নারীদের বন্ধ্যাত্বের কারণগুলোঃ
১) ডিম্বাশয়ের সমস্যা-
# সময়মতো ডিম্বস্ফুটন না হওয়াঃ
- পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম
- হরমোন সমস্যা ( থাইরয়েড, প্রল্যাকটিন এর সমস্যা)
- ওজন বেশি বা ওবেসিটি
# ডিম্বানুর পরিমান কমে যাওয়াঃ
- জন্ম থেকেই ডিম্বানু কম থাকা ( eg. Turner Syndrome)
- অসুস্থতার জন্য ডিম কমে যাওয়া ( Chocolate cyst)
- চিকিৎসাজনিত কারনে ডিম কমে যাওয়া ( কেমোথেরাপি,
রেডিওথেরাপি)
- অপারেশন ( ডিম্বাশয় ফেলে দিলে বা সিস্ট অপারেশনের পরে)
# ডিমের গুণগত মান খারাপ হওয়াঃ
- বয়স বেড়ে যাওয়া (>৩৫ বছর)
- পরিবেশগত কারনে
- মানসিক চাপ
- খাদ্যাভ্যাস
বন্ধ্যাত্বের কারন নির্ণয়ঃ
১) স্বামী-স্ত্রী দুজনের হিস্টোরি নেওয়া
২) স্বাস্হ্যগত কিছু পরীক্ষা
৩) প্রয়োজনীয় ল্যাব পরীক্ষা
স্ত্রীর পরীক্ষা গুলো-
# আল্ট্রাসনোগ্রাফি / TVS
# কিছু রক্ত পরীক্ষা-
- CBC
- OGTT
- TSH
- Blood group
# জরায়ুর নালী বা টিউব পরীক্ষা
- HSG
- SIS
- Laparoscopy
স্বামীর পরীক্ষা গুলো-
# শুক্রাণুর পরীক্ষা/ Semen analysis
বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসাসমূহঃ
এক কথায় বললে- সমস্যা অনুযায়ী চিকি্ৎসা
১) ওষুধের মাধ্যমে যেমন- OID (Oral/ injectable)
২) আই ইউ আই/ IUI
৩) আই ভি এফ/ IVF/ Test tube
মাসিক মানেই কি অসহ্য ব্যথা? নাকি এটা কোনো লুকানো রোগের সংকেত?
অনেক নারী বছরের পর বছর তীব্র পিরিয়ড পেইন, তলপেটের ব্যথা বা অনিয়মিত সমস্যাকে “স্বাভাবিক” ভেবে সহ্য করে যান। কিন্তু এসব হতে পারে Endometriosis–এর লক্ষণ।
অনেক নারী বছরের পর বছর তীব্র পিরিয়ড পেইন, তলপেটের ব্যথা বা অনিয়মিত সমস্যাকে “স্বাভাবিক” ভেবে সহ্য করে যান। কিন্তু এসব হতে পারে Endometriosis–এর লক্ষণ।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka
1205
