কোহিনুর ইসলাম তুলি-Kohinur Islam Tuli

কোহিনুর ইসলাম তুলি-Kohinur Islam Tuli

Share

আপাদত কিছু লিখার যোগ্যতা নেই হলে কেনো এক সময় লিখবো ইনশাআল্লাহ 😌😌

25/08/2026

উপস্থাপকের প্রশ্নটি ছিল:"আপনি তো অনেক সুন্দরী, শিক্ষিত—আপনার ডিভোর্স হলো কেন?"

উপস্থাপকের এমন প্রশ্নের জবাবে নাবিলা হাসান তাঁর সাবেক স্বামী সম্পর্কে বলেন—সন্তান জন্ম দেওয়ার পর আমার শারীরিক পরিবর্তন মেনে না নিয়ে আমার স্বামী প্রতিনিয়ত বডি শেমিংয়ের পাশাপাশি ওজন কমানোর চাপ দিত এবং ঔ সময়ে আগের মতো সঙ্গমে আনন্দ না পাওয়ার অজুহাতে পরকীয়ায় মেতে ওঠে।

এই চরম বিশ্বাসঘাতকতায় আমি স্লিপিং পিল খেয়ে হাসপাতালে ভর্তি হতে বাধ্য হলেও, সেই নির্লজ্জ স্বামী উপহাস করে বলেছিল, "আমাকে থ্যাংকস দাও, তোমাকে শুকাতে হেল্প করছি।"

অতিরিক্ত ওষুধ সেবন ও খাওয়া বন্ধ থাকায় মাত্র ছয় দিনে চার কেজি এবং অল্প সময়ে আমার ওজন ৭৭ থেকে ৫৮ কেজিতে নেমে এলেও সেই পাষণ্ডের মনে কোনো অনুশোচনা জন্মায়নি।

সন্তানের জন্য তৈরি হওয়া একজন মায়ের শারীরিক পরিবর্তনকে তুচ্ছ করে যে পুরুষ একজন নারীকে এমন চরম দুর্গতির মুখে ঠেলে দেয়, সে মূলত মানসিকভাবে অসুস্থ এবং যৌন কামুক রোগী। এমন মূর্খ ও অকৃতজ্ঞ পুরুষদের চিরতরে বর্জন করা উচিত, যারা ভালোবাসার চেয়ে শরীরের মাপকাঠিতে একটি পবিত্র সম্পর্ককে বিচার করে।

25/08/2026

বাবা ছাড়া জীবন সুন্দর হওয়ার আসা করাটা, এক প্রকার বড়ো কান্ড ছাড়া গাছের নিচে ছায়া খোঁজার মতোন। বাবার রোজগার কম থাক আর বেশি তাতে কোনো যায় এসে না। বাবা থাকলে অন্তত এটা ভেবেই শান্তি পাওয়া যায় আমার বট গাছটা আছেন। যে আমাকে ফল না দিতে পারলেও ছায়া দিবেন। দেখবেন রাস্তায় বের হলে মানুষ গরমে রোদে যদি বেশি হাপিয়ে যায়, তখন তারা গাছের নিচে দাঁড়িয়ে ঠান্ডা বাতাস ও ছায়াটাকে আল্লাহর অনেক বড়ো নিয়ামত মনে করেন। ঠিক আমার কাছে বুজমান হওয়ার পরে আমর বাবাকে ও তেমন মনে হয়েছিল। কিন্তু আল্লাহ আমার বাবাকে রাখেনি আমাদের কাছে। সব দুঃখ আল্লাহ আমাদের দুইটা ভাই বোনকেই দিয়ে দিয়েছেন।
মাঝে মাঝে আমি না আকাশের দিকে তাকিয়ে আল্লাহর কাছে তারি নামে নালিশ করি যে,
কেন আল্লাহ কেন?
দুনিয়াতে কত কিছু থাকতে আমার বাবাটাকেই তোমার নিতে হলো? আরেকটু দেরি করে কি নেওয়া যাইতো না?

#গল্পফ্যাক্ট #উপন্যাস_অভাগী #কোহিনুর_ইসলাম_তুলি

কেও বোকা দিও না, প্রবলেম এর কারণেই গল্প দেই না। প্রবলেম শেষ হলেই দিবো ইনশাআল্লাহ ❤️❤️

24/08/2026

জান্নাত পাওয়া এত সহজ না, আবার কঠিন ও না... 😌❤️

23/08/2026

বেশি না এট্টু আমার আইলানার দেওয়া পারফেক্ট হইছিলো, তাই আরকি পিক আর ভিডিও বানাইছিলাম 😑
কেমন লাগতেছে আমার বড়ো বড়ো গরুর চোখ দুখানা, হিহিহি 🤭🤦‍♀️
এটা আমার কথা না আমার চোখ নিয়ে দুইটা মতামত আছে। একদল একবারে প্রশংসায় বুর্জ খলিফা আরেক দল আছেন গরু আরো যত ভাবে পচানো যায় তার সাথে তুলনা করে... 🙂🩹

22/08/2026

মায়রা :মা আমলা কোথায় যাচ্ছি? আমাদের বালিতে কত গোস্ত ভাত রান্না কলছে, আমলা খামু না? দেখ কত মানুষ আমাদের বালিতে।

হাবিব বেগম :না মা চলো আমরা তোমার অন্য দাদিদের বাড়িতে যাবো। ঐ বাড়িতে যেখানে গেলে সবাই তোমাকে অনেক আদর করে, মজা খেতে দেয় কোলে নিয়ে ঘুরে।

মায়রা : তাক্কু দাদু বালি -বাড়ি হইবো ছোট মানুষের কথা তাই একটু ওমনেই লিখতে হচ্ছে

যাই হোক গল্প কালকে দিবো ইনশাআল্লাহ।

আজকে একটু রেসপন্স করো পেজে তো ঠাডা পড়ছে কবে জানি জুগার বাগ কাকু নাই কইরা দেয় 😑

#অভাগী
#গল্পফ্যাক্ট

21/08/2026

মনে আছে তাঁদের কথা সবার। ভাবতেছি আবার শুরু করবো... 😌
#ক্ষয় #কোহিনুর_ইসলাম_তুলি
#গল্পের_শহর〴official
#গল্প_ফ্যাক্ট

20/08/2026

#আশবিন_সাপোর্ট_ইউনিট
#কাব্যবিলাস
#অনুগল্প
#গল্পের_নাম_সমাজ_ও_তার_কথার_প্রভাব
#জনরা_সামাজিক
#লেখকের_নাম_kohinur_Islam_Tuli



আসামির কাঠগোড়ায় দাঁড়িয়ে আছে রায়হান। আর তার সামনের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে আছে তারি বাদী পক্ষের ছেলে, অর্থাৎ খুন হওয়া ফয়সাল মিয়ার বড়ো ছেলে। আর যথারীতি উকিল, জজ আরো যা মানুষ আছেন সবাই বসে আছে যার যার নিজের জায়গায়। জজ সাহেব ঘোষণা দিলেন, এভরিওয়ান কোড কার্যক্রম শুরু করুন। এ কথা বলার সাথে সাথে সবাই যার যার জায়গায় নড়েচড়ে বসে থাকলো আর বাদী পক্ষের উকিল রায়হান কে জিজ্ঞাসা করলেন, তো মিস্টার রায়হান বলুন -

কেন আপনি আমার ক্লাইন্ট ফিরুজ ভূঁইয়ার বাবাকে খুন করেছেন? আর হ্যা এখানে কিন্তু কেনো এমন প্রমান নেই যে, আপনি অস্বীকার করবেন যে আপনি খুন করেনি বা আপনাকে ফাঁসানো হয়েছে। আপনার বিরুদ্ধে না কেনো আইনজীবী আছেন আর আপনি কিন্তু নিজেই ব
লেছেন কোটে সব কিছু নিজে থেকেই বলবেন তো এখন বলুন।

রায়হান এবার কোটের সাধারণ সারিতে বসে মায়ের দিকে তাকিয়ে তারপর বলতে শুরু করলো। হ্যা, আমিই খুন করেছি ফয়সাল ভূঁইয়াকে। আর খুনটাও করেছি তারি বাড়িতে তার বড় ছেলের সামনে আর আমার খুন করার কারণটা জানলে হয়তো আপনার সবাই আরো অবাক হবেন যে, এত ছোট কারণে কেও কাওকে খুন করতে পারে? হ্যা আমি করেছি!

বাদী পক্ষের উকিল এবার প্রশ্ন করলেন, সেই কারণটা কি বলুন?

রায়হান বলতে শুরু করলেন, আমার বাবা য্খন বেঁচে ছিলেন তখন একবার আমাদের গ্রামের একজনের সাথে আমাদের বিষণ ঝগড়া হয়। সেই ঝগড়া এক সময় মারামারিতে রূপ নেয়। তখন আমার বাবা নিজেকে বাঁচাতে তার হাতে দা ছিল তা দিয়ে একজনকে কপ মেরেছিলেন। তার ছিলেন খুবই ক্ষমতা বান পরিবার তারা আমার বাবাকে হুমকি দিয়েছিলেন যে আমার বাবাকে ছাড়বে না। হ্যা সত্যি আমার বাবার লাশ পাওয়া গেছিলো আমাদের ক্ষেতের কাছে আর খুবই নৃশংস ভাবে মারা হয়েছিল। আর সবচেয়ে বেশি কপানো হয়েছিল আমার বাবার ডান হাত টা পুরো টুকরো টুকরো অবস্থায়। পড়বর্তীতে আমরা সেই ক্ষমতাবান পরিবারের বিরুদ্ধে মামলা করতে চেয়েছিলাম, কিন্তু বরাবরের মতোই সমাজ সেই ক্ষমতাবান্দের টাকা ও ক্ষমতার কাছে বিক্রি ও চুপ হয়ে গিয়েছিলো। আমরাও আল্লাহর কাছে বিচার চেয়ে সব বাদ দিয়েছিলাম কিন্তু এখানেই শেষ নেই তারপর থেকে শুরু হয় আমাদের ওপর আরো মিথ্যে দোষারোপ।
আমাকে ডাকা শুরু করেন খুনির ছেলে, আমার ছোট বোনকে শুনতে হতো খুনির মেয়ের আর আমার মাকে বলা হতো খুনির বউ। অথচ চিত্র টা কিন্তু ছিল উল্টো, আর এই কথা গুলো ছড়িয়েছে ফয়সাল ভূঁইয়া। তিনি আমাকে আমি য্খন বাজারে কাজ করতাম তিনি আমাকে দেখলেই বলতেন ঐযে খুনির ছেলের আর সবার সাথে এগুলো নিয়ে হাসি তামসা করতেন।
আমি বলেছিলাম, চাচা আপনি যা বলছেন তা ঠিক না।সবাই জানে আমাদের সাথে কি হইছে, তাও আপনি এগুলো কথা ছড়াচ্ছেন। আর আপনার কথা মানুষ বিশ্বাস করছে, আপনি তাঁদের সাথে উঠবস করেন বলে।
তিনি, আমাকে আরো বিদ্রুপ করে আরো ভরা বাজারে বললেন খুনির ছেলেকে খুনি বলবো না তো কিছু বলবো।
আদালতের কয়েকজনের মুখে বিস্ময় ফুটে উঠল।
রায়হান বলল,
আমি সেদিন অপমানিত হয়ে বাড়ি ফিরেছিলাম। কিন্তু সেখানেই শেষ হয়নি।পরের দিন থেকে গ্রামের মানুষ আমাকে সহ আমার মা বোনকে খুনির ছেলে বলে ডাকতে শুরু করল।
আমার বোন স্কুলে গেলে তার সহপাঠীরা বলত, তোর বাপ তো খুনি ছিল।
আমার মা বাজারে গেলে মানুষ ফিসফিস করত।
আমি চুপ করে ছিলাম।
একদিন বোনটা কাঁদতে কাঁদতে বাড়ি ফিরে বলল ভাইয়া, আমি আর স্কুলে যাব না।আমি জিজ্ঞেস করেছিলাম, কেন?
সে বলেছিল, সবাই বলে আমরা খুনি পরিবার।সেদিন আমার ভেতরে কিছু একটা ভেঙে গিয়েছিল।রায়হানের কণ্ঠ ভারী হয়ে এলো।আমি ফয়সাল ভূঁইয়ার কাছে গিয়েছিলাম। তাকে অনুরোধ করেছিলাম, তিনি যেন গ্রামের মানুষকে এসব বলা বন্ধ করেন।কিন্তু তিনি হেসে বলেছিলেন.....মানুষ তো সত্য কথাই বলবে।
আমি বলেছিলাম, আমার বাবা যা করেছিল তা তো নিজেকে বাঁচানোর জন্য করেছিলেন। কিন্তু তারাই তো আমার বাবাকে মারলো খুন করলো তারপর ও কেনো আমাদের খুনি বলছেন।তিনি বলেছিলেন.......
"তোর বাপের মতো তুইও একদিন খুনি হবি।"
সেদিন আমি চলে এসেছিলাম।
কিন্তু সমাজ থামেনি।প্রতিদিন, প্রতিমুহূর্তে তাদের কথাগুলো আমাকে মনে করিয়ে দিত—আমি নাকি খুনির ছেলে।একসময় কাজের জায়গাতেও কেউ এসব কথা পৌঁছে দেয়। মালিক আমাকে কাজ থেকে বের করে দেয় আর আমাকে কেও কাজ ও দিতো না।আমি বেকার হালাম।সংসার ভেঙে পড়ল।মা অসুস্থ হয়ে গেলেন।বোন পড়াশোনা ছেড়ে দিল।
রায়হান এবার কিছুক্ষণ চুপ রইল।তারপর ধীরে ধীরে বলল......
"মাননীয় আদালত, মানুষ আমাকে জিজ্ঞেস করে.....আমি কেন খুন করেছি?"

কিন্তু কেউ আমাকে কখনো জিজ্ঞেস করেনি, আমি কতবার মরেছি।

প্রতিদিন একটু একটু করে।

মানুষের কথায়।

অপমানে।

সমাজের চোখে।

বাদী পক্ষের উকিল বললেন,

তবুও হত্যা কোনো সমাধান নয়, মিস্টার রায়হান।

রায়হান মাথা নিচু করল।

আমি জানি।

আমি কোনোদিন বলিনি যে আমি ঠিক করেছি।

আমি অপরাধ করেছি।

ফয়সাল ভূঁইয়াকে হত্যা করে আমি শুধু একজন মানুষকে মারিনি, নিজের জীবনটাও শেষ করে দিয়েছি।
কিন্তু আমি চাই, আমার শাস্তি যেন শুধু আমার শাস্তি না হয়।
যারা কথা দিয়ে মানুষকে প্রতিদিন মেরে ফেলে, তারাও যেন একবার ভাবে।
তারপর রায়হান কাঠগড়ার বাইরে বসে থাকা নিজের মায়ের দিকে তাকিয়ে বলল—

মা আমাকে ছোটবেলায় শিখিয়েছিল, ছুরি দিয়ে কাটলে ক্ষত হয়। কিন্তু মা কখনো বলেনি, মানুষের কথাতেও ক্ষত হয়।

আর সেই ক্ষত কখনো কখনো এত গভীর হয় যে, মানুষ বেঁচে থেকেও আর স্বাভাবিক থাকতে পারে না।

আদালত কক্ষ আবার নীরব হয়ে গেল।

জজ সাহেব কিছুক্ষণ নথির দিকে তাকিয়ে রইলেন।

তারপর বললেন—

আদালত মানুষের কষ্ট বুঝতে পারে, অপমানও বুঝতে পারে। কিন্তু কোনো কষ্ট, কোনো অপমান কাউকে অন্যের জীবন নেওয়ার অধিকার দেয় না।

রায়হান শান্ত গলায় বলল,

আমি আমার শাস্তি মাথা পেতে নেব, মাননীয় আদালত। কারণ আমি জানি আমি অপরাধী।

কিন্তু সমাজের কাছে আমার একটা প্রশ্ন থাকবে.....
আপনারা যখন কাউকে প্রতিদিন অপমান করেন, তার চরিত্র নিয়ে কথা বলেন, তার পরিবারকে ছোট করেন—তখন কি একবারও ভাবেন, আপনার একটি কথাই হয়তো কারও পুরো জীবন বদলে দিতে পারে?
কারণ হাতের আঘাতের ক্ষত একদিন শুকিয়ে যায়।
কিন্তু মানুষের কথার আঘাত....
কখনো কখনো মানুষকে এমন এক জায়গায় নিয়ে যায়, যেখান থেকে ফিরে আসা আর সম্ভব হয় না।

#শিক্ষিনীয়_দিক : আমাদের সমাজে জোর যার মূল্যক তার কথাটি অনেক বেশি প্রচলিত। আসলেই আজকের সমাজে যার টাকা আছে ক্ষমতা আছে তার যেন সব আছে। তারা টাকার জোরে সত্যি কে মিথ্যা ন্যায় কে অন্যায় বানাতে পারে। আমাদের গল্পের রায়হান ও তার পরিবারের সাথে ক্ষমতা ও টাকার জন্য বাবা হত্যার বিচার পেলো না আর যেই অপবাদ সেই পরিবার পেত সেটা সে ও তার পরিবার পেলো। আর কেও যদি কেনো ভুল করেও থাকে তাকে তার করা ভুল নিয়ে আমাদের তাকে বুলিং বা কথা শুনানো উচিত না। বরং তাকে বুজিয়ে তার ভুল মাফ করে সঠিক পথে আসতে সাহায্য করা। তাই আমরা যার যার অবস্থান থেকে মানুষকে ক্ষমা ও বুলিং ও তার করা ভুল নিয়ে হাসি তামসা করা বাদ দেই আজকে থেকেই যেন সমাজে আর কেনো রায়হান তৈরী না হয়।

#বিঃদ্রঃ - আমি জানি না কত টুকু বুজাতে পেরেছি। তবে মানুষ ভুল ত্রুটির উর্ধে নয় ভুল হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন সবাই... ❤️🍁

কোনো কিছু কাটি নাই, থাকনা একটুকরো স্মৃতি হয়ে.... ❤️

19/08/2026

আহঃ, যার হারাইলো সে বুজলো আর বুজে যাবে যেত দিন যাবে। জীবন সঙ্গী, শব্দ দুইটা ছোট হলেও গভীরতা যে কত
তা একজন নারী ও একজন পুরুষ বুজেন যারা দীর্ঘ দিন সংসার করেছেন। একে ওপরের পাশে থেকেছেন সুখে দুঃখে। আমার কোনো জানি অনেক খারাপ লাগছে দিপু মনির জন্য.... 😅
মানুষটা বেঁচে ছিলেন প্রায় news এ দেখতাম যে অসুস্থতা নিয়ে অন্যের সাহায্য নিয়ে হলেও দিপু মনি ke দেখতে যাইতেন। আজকে থেকে সেটাই আর কেও যাবে না।

19/08/2026

#অভাগী
লেখনীতে :কোহিনুর ইসলাম তুলি
জনরা: 🌿 সামাজিক | পারিবারিক | আবেগঘন | বাস্তবধর্মী | জীবনসংগ্রাম

সালটা ২০১০
আজ শেখ বাড়িতে হাজারো মানুষের ভিড়। তারও অবশ্য কারণ আছে, আর কারণ টা হচ্ছে আজ শেখ বাড়ির বড়ো ছেলে আব্দুল আওয়াল মারা গেছেন। তিনি দীর্ঘ দিন ধরেই অসুস্থ এমনিতেই টুকি টাকি ছিলেন। তবে তিনি ছিলেন হার্টের রুগী। এর আগে আরো দুইবার হার্ট স্ট্রোক করেছিলেন। সেই যাত্রায় বেঁচে গেলেও এবারের তৃতীয় ধফায় আর আল্লাহ রেখে জাননি নিয়েই গেলেন তার কাছে। বড্ড ভালো মানুষ ছিলেন। সবার উপকার, ও আপদে বিপদে সাহায্য সহযোগিতা করতেন। একটা কথায় তিনি গ্রামের মাতব্বর ছিলেন। তিনি যেই শালিশে যেতেন সেখানে আর কেনো পুলিশ, উকিল দরকারি হতো না। তিনি ছিলেন ন্যায় বিচারক, সদা সত্যের পথে চলতেন।
বাড়ির সবার অত্নীও স্বজনের থেকে বেশি কষ্ট ও হতাশ হয়েছেন গ্রামের মানুষ তা দেখলেই বুজা যাচ্ছে। কারণ দলে দলে মানুষ আসতেছেন, দেখতেসেন আর কান্না করে নিজেদের দুঃখ বিলাস করছেন আওয়াল শেখের জন্য। আর সবার মুখেই একই কথা বড্ড ভালো মানুষ ছিলেন আল্লাহ জান্নাত নসিব করুক আমিন।

এরই মধ্যে এসে উপস্থিত হলেন, আওয়াল শেখের মেঝ ভাই হাসেন শেখ। তিনি একজন বিডিয়ার, ভাইয়ের মৃত্যুর খবর শুনে ক্যাম্প থেকে তাড়াতাড়ি ছুঁটে এসেছেন। তারপর আরো এসেছেন শহর থেকে বড়ো মেয়ে লামিয়া। বাবা মরা গেসে শুনে সেও এসেছে স্বামীকে আর মেয়েকে সাথে নিয়ে। তার সাথে আরো এসেছেন আওয়াল শেখের দুই বোন বাড়ির কাছের। খালি এখনো আশা বাকি দূরে বিয়ে হওয়া পরি শেখ যে এখনো ভাইকে দেখতে এসে পৌঁছায়নি।
বাড়ির বাহিরের এগিনায় লাশ রাখা আর ঘরে কান্না করছে আওয়াল আলীর বউ হাবিবা বেগম। তার কোলে আড়াই মাসের একটা ছেলে বাবু ও পাশে বসে একটা সাড়ে তিন বছরের মেয়ে। তিনি কান্না করেই যাচ্ছেন, আর করবেনি বা কেনো তার তো আজকে জীবনের বড় জিনিষটা নাই হয়েছে। তার দুইটা সন্তান এতিম হয়ে গেলো, তারা বাবা কি জিনিস বুজার আগেই তারা পিত্তি ছায়া ভালোবাসা সব কিছূ থেকে বঞ্চিত হয়ে গেলো।

বহুল প্রতীক্ষার পর পরি বেগম আসলেন, তিনি সারা পথ কান্না করতে করতেই এসেছেন। বাড়ির কাঁচটায় এসে যেন আরো হাওমাও করে কেঁদে উঠলেন। পরি বেগমের সাথে এসেছেন তার পাঁচ বছরের ছোট ছেলেটা। আর কেও আসেনি, আর আসবেনো না এটা সবাই জানে কারণ আছে। তা নয় হয় আমরা গল্পের সামনেই জানবো। সবাই কান্না কাটি করছে, যার যার ভাই, স্বামী, বাবা হারানোর বেদনায়।
এত কিছুর মধ্যে আওয়াল শেখের ছোট মেয়েটা, বার বার খাঁটিয়ার কাছে আসতেছে আর মুখটা দেখতেছে। কিন্তু তার ছোট মাথায় ধরছে না যে তার বাবা কেন আজকে বাহিরে শুয়ে আছে, তাও সেই বিকেল থেকে। তার বাবার কি আজকে অনেক বেশি ঘুম পেয়েছে। আচ্ছা বাবা তো আজকে তাকে ভাইয়াদের কাওকেই গোসল করিয়ে দিলো না। আজকে যে সে গোসল করলো না বাবা তো বলল না প্রতিদিনের মত, গোসল না করলে বাবা চকলেট দিবে না। এসব ভাবতে ভাবতেই ছোট মায়রা, বাবার মাথার কাছে বসে স্ববাব বসত বলতে শুরু করলো.....

বাবা, ও বাবা আমি কিন্তু আজকে গুসুল করি নাই। মাও তো আমাকে গুসুল করিয়ে দেই নাই। তুমি তো জানো তোমাকে ছাড়া আমার গুসুল করতে ভালো লাগে না। মা তো জোরে জোরে শলিল ঘোষে দেয়, আমি উক্কু পাই তাই মার কাছেও গুসুল করি নাই। কথা গুলো বলে ছোট মায়রা মুখ ছাপা দিয়ে হেসে কুটি কুটি হচ্ছিলো।

পড়ক্ষনেই তার ছোট ভাইয়ের কথা মনে পড়তে উঠে দৌড়ে গেলো মায়ের কাছে, গিয়ে বলতে শুরু করলো মা ও মা তুমিই কাঁতেসো কেনু। ভাই ও কাঁদে দুদু খাওয়াও ভাই কাঁদে না।হাবিবা বেগম এবার কান্না ভেজা চোখে তাকালেন মেয়ের দিকে আর ছেলের দিকে, তিনি দুইজনকে দেখে আরো ঢুকরে কেঁদে উঠলেন। এবার হাবিবা বেগুমের সাথে ছোট মেয়েরাও কেঁদে দিলো আর সাথে সাথে বলতে শুরু করলো মা কাঁদো কেনু আমার কষ্ট হয়। ভাইও কাঁদে এই বলে ছোট মায়রা ভাইকে বুকে থাপ্পড় দিয়ে বলে ভাই কাঁদে না। মা দুদু দিবে একুনি।

দেখতে দেখতে আওয়াল শেখ কে গোসল করিয়ে কাফনের কাপড় পড়িয়ে চির জন্মের মতো বিদায় দেওয়ার জন্য সাজানো হলো। খাঁটিয়ার চার পাশে চারটি চারটি করে চার কোনায় ষোলটি আগর বাতি জ্বালানো হলো। তাকে গোসল করিয়ে রাখার পর যেন তার চেহেরা থেকে আলাদা নূর ছড়াচ্ছিলো। তিনি যেন মৃত নন জীবিত এমন মনে হচ্ছিলো।সবাই বলাবলি করছিলো যে, নিচিৎ তিনি জান্নাতি আর হবেন না বা কেন তিনি মানুষের সাথে ভালো ব্যবহার পাঁচ ওয়াক্ত সালাত ও যথা সম্ভব ভালো কাজ করেছেন।
দেখতে দেখতে আওয়াল শেখ কে চির বিদায় দেওয়ার জন্য খাটিয়া করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে,খাঁটিয়ার সামনে ধরেছেন বড়ো ছেলে রুকন ও মেজো ভাই আর পিছের একজন ছোট ভাই ও আওয়াল শেখের বন্ধু রমজান মিয়া। সবাই কবরের উদেশ্য চলে গেলো, আওয়াল শেখ কে বিদায় দিতে আর রেখে গেলো দুইজন অভাগী ও একজন হত অভাগা ছেলেকে।

রাত তখন ১১টা সবাই কবর থেকে ফিরে এসে যার যার ঘরে ও যার যার গন্তব্যে, সবাই সবাইকে সান্তনা ডাকাডাকি করে নিয়ে গেলেও শুধু রেখে গেলো হাবিবা বেগম সাথে তার দুই ছেলে মেয়েকে কেও ডাকা তো দূরে থাক ফিরেও দেখলো না। অথচ তারা তিনজন কিন্তু সকলের চোখের সামনে পরার মতো জায়গায় বসে আছে। একবারে ঘরের দরজার বাম সাইডে ঘরের বেড়ার সাথে হেলান দিয়ে এক দৃষ্টিতে হাবিবা বেগম আকাশের দিকে তাকিয়ে আছে। আর সাথে ছোট বাচ্চা ছেলেটা ঘুমিয়ে গেছে সেই কখনোই মেয়েটাও এতক্ষন খাবারের জন্য কান্না করতে করতে মায়ের বাম উরুর উপরেই ঘুমিয়ে গেছে, মাথাটা উরুর ওপরে থাকলেও শরীলটা কিন্তু মাটিতেই পড়ে আছে।
কত মানুষ এলো গেলো অথচ কেও ফিরেও দেখলো না। না হাবিবা বেগম কে সান্ত্বনা দিলো। অথচ তাকে সবার বেশি বেশি সান্ত্বনা দেওয়া সাহস দেওয়া। তিনি তার জীবনের সবচেয়ে বড় একটা জিনিস হারিয়েছেন। তার পাশে এই সময়টায় তার মা,বাবা, ভাই,বোন থাকার কথা ছিল। কিন্ত হয়তো তারা দূর দেশে তারা হয়তো জানেই না, তাঁদের আদরের ছোট মেয়েটার আজকে কি দশা। কেমন করে কাটালো আজকের এই অভিশাপ্ত দিনটি।

আসলামুআলাইকুম অবশেষে আমি পেরেছি আমার বহুল সাধনার লিখা গল্পের ফাস্ট পার্ট আপলোড করতে। এ গল্পে কোনো রোমান্টিক বা ফ্যান্টাসি কিছুই পাবেন না। এটা একটা সামাজিক গল্প। এটা বাস্তবিক ধর্মই গল্প হবে। হয়ত অনেকেরই পছন্দ হবে না। এটা আমার পাঠাকদের ব্যক্তিগত বিষয় আমি মনে করি। তাই আমি পুরো গল্পটা লিখবো নিজের মতো করে, হতে পারে এটা আমার শেষ গল্প আবার নতুন শুরু ইনশাআল্লাহ ❤️❤️❤️

19/08/2026

Shout out to my newest followers! Excited to have you onboard! Sumaia Islam Kona, Afsana Tisha, তাহিনা নুর, Mst Möön, Mahbuba Jannat Alo, Kanij Nupur, Ayan Ahmed Abir, Ashek Ahmed, Laiju Akter, Sarika Hossain Aesha, Eti Islam, Jannatul Ferdous Sara, Msr Shakil, Tahsin Atoshi, Sabrina Mim, Humayra Hafsa, Mehruma Armin, Maira Begom, গল্পের বিশেষ অধ্যায়, Velvet Tisha, Ashik Raj, Robiul Islam Bayzid, নীলাদ্রিতা ইফতেখার নীরা, পিউ শিকদার, Maysha Rahman, Meghna Mohona, তানহার কল্পকথা, হাসিবা তাসনীম তাসনীম, Rumaisha Ridhi, Sumaiya Aktar, Duua Amal, Mahdiba Tarannum Salsabil, Jan Nat

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dinajpur?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Website

Address


Dinajpur