Homeo Aid
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ইনসুলিন অপেক্ষা অধিক কার্যকর হোমিওপ্যাথি। শতভাগ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ামুক্ত প্রাকৃতিক চিকিৎসা। ডা. আব্দুল্লাহ আল মামুন, DHMS
13/06/2026
৭ দিনের ডায়াবেটিক ডায়েট প্ল্যান
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে শুধু ওষুধ নয়, সঠিক খাদ্যাভ্যাসও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটি পরিকল্পিত ডায়েট রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে, ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে এবং সুস্থ জীবনযাপনে সহায়তা করতে পারে।
ডায়েট প্ল্যান অনুসরণের উপকারিতা-
1. রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
2. ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।
3. হৃদ্রোগের ঝুঁকি কমাতে ভূমিকা রাখে।
4. দৈনন্দিন কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করতে পারে।
5. দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনে সহায়ক।
6. খাদ্যাভ্যাসে শৃঙ্খলা আনতে সাহায্য করে।
7. ডায়াবেটিসজনিত জটিলতার ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করতে পারে।
ডায়েট প্ল্যানে যা অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে-
1. শাকসবজি ও সালাদ।
2. পরিমিত পরিমাণে লাল চাল বা আটার রুটি।
3. মাছ, ডিম ও ডাল।
4. কম চর্বিযুক্ত দুধ বা দই।
5. আঁশযুক্ত খাবার।
6. পরিমিত পরিমাণে ফল।
7. পর্যাপ্ত পানি পান।
যা সীমিত বা এড়িয়ে চলা উচিত-
1. অতিরিক্ত মিষ্টি ও মিষ্টিজাত খাবার।
2. কোমল পানীয় ও চিনিযুক্ত পানীয়।
3. অতিরিক্ত তেলে ভাজা খাবার।
4. ফাস্ট ফুড ও প্রক্রিয়াজাত খাবার।
5. অতিরিক্ত ভাত বা অতিরিক্ত কার্বোহাইড্রেট।
6. অনিয়মিত খাবার গ্রহণ।
7. রাতের বেলা অতিরিক্ত খাওয়া।
💡 বিশেষ পরামর্শ
প্রতিটি মানুষের শারীরিক অবস্থা, বয়স, ওজন এবং ডায়াবেটিসের ধরন ভিন্ন। তাই ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য পরিস্থিতি অনুযায়ী খাদ্য পরিকল্পনা নির্ধারণ করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
👨⚕️ ডা. আবদুল্লাহ আল মামুন
📞 ০১৭১১১৯৩৩৯১
#ডায়াবেটিস #ডায়াবেটিকডায়েট #ডায়েটপ্ল্যান #ডায়াবেটিসনিয়ন্ত্রণ #ডাআবদুল্লাহআলমামুন
12/06/2026
রাতে কী খেলে সুগার বাড়ে না?
ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য রাতের খাবার নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক খাবার নির্বাচন করলে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে এবং রাতভর শরীরকে সুষম রাখে।
রাতে যা খেতে পারেন-
1. শাকসবজি ও সালাদ।
2. পরিমিত পরিমাণে মাছ।
3. ডিম ।(সেদ্ধ বা কম তেলে রান্না করা)
4. ডাল ও আঁশযুক্ত খাবার।
5. পরিমিত পরিমাণে লাল আটার রুটি।
6. চিনি ছাড়া দই।
7. শসা, টমেটো ও অন্যান্য সবজি।
উপকারিতা-
1. রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
2. রাতের ক্ষুধা কমাতে সাহায্য করে।
3. ওজন নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে।
4. হজম প্রক্রিয়া স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করে।
5. দীর্ঘ সময় পেট ভরা অনুভূতি দেয়।
6. সুস্থ জীবনযাপনে সহায়ক।
যা সীমিত বা এড়িয়ে চলা ভালো-
1. অতিরিক্ত ভাত।
2. মিষ্টি ও মিষ্টিজাত খাবার।
3. কোমল পানীয়।
4. অতিরিক্ত তেলে ভাজা খাবার।
5. ফাস্ট ফুড।
6. অতিরিক্ত ফল একসাথে খাওয়া।
7. রাতের বেলা অতিরিক্ত খাবার গ্রহণ।
💡 বিশেষ পরামর্শ
রাতের খাবার যতটা সম্ভব হালকা, সুষম ও পরিমিত হওয়া উচিত। খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত ব্যায়াম এবং চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চললে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হতে পারে।
👨⚕️ ডা. আবদুল্লাহ আল মামুন
📞 ০১৭১১১৯৩৩৯১
#ডায়াবেটিস #ডায়াবেটিসনিয়ন্ত্রণ #সুগারকন্ট্রোল #ডাআবদুল্লাহআলমামুন
10/06/2026
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে হাঁটা নাকি ব্যায়াম — কোনটি বেশি উপকারী?
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে শারীরিক কার্যকলাপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনেকেই প্রশ্ন করেন—হাঁটা ভালো নাকি ব্যায়াম? আসলে উভয়েরই নিজস্ব উপকারিতা রয়েছে। ব্যক্তির বয়স, শারীরিক অবস্থা এবং স্বাস্থ্যগত প্রয়োজন অনুযায়ী সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।
হাঁটার উপকারিতা -
1. সহজ ও নিরাপদ শারীরিক কার্যকলাপ।
2. রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
3. হৃদ্স্বাস্থ্যের উন্নতিতে সাহায্য করে।
4. ওজন নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে।
5. মানসিক চাপ কমাতে সহায়ক।
6. যেকোনো বয়সের মানুষের জন্য উপযোগী।
7. নিয়মিত হাঁটলে দৈনন্দিন কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
ব্যায়ামের উপকারিতা -
1. পেশিশক্তি বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।
2. শরীরের ইনসুলিন সংবেদনশীলতা উন্নত করতে পারে।
3. অতিরিক্ত ক্যালরি খরচে সহায়ক।
4. শারীরিক ফিটনেস বৃদ্ধি করে।
5. হাড় ও জয়েন্টের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে।
6. দীর্ঘমেয়াদে সুস্থ জীবনযাপনে সহায়ক।
7. শক্তি ও সহনশীলতা বৃদ্ধি করে।
গুরুত্বপূর্ণ বিষয় -
1. হঠাৎ অতিরিক্ত ব্যায়াম শুরু করা উচিত নয়।
2. শারীরিক সক্ষমতা অনুযায়ী কার্যক্রম নির্বাচন করুন।
3. নিয়মিত রক্তে শর্করা পর্যবেক্ষণ করুন।
4. পর্যাপ্ত পানি পান করুন।
5. প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
6. নিয়মিততা বজায় রাখাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
💡 বিশেষ পরামর্শ:
ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য হাঁটা এবং ব্যায়াম—দুটিই উপকারী। তবে নিয়মিত হাঁটার সঙ্গে উপযুক্ত ব্যায়াম যুক্ত করতে পারলে আরও ভালো ফল পাওয়া যেতে পারে।
👨⚕️ ডা. আব্দুল্লাহ আল মামুন
📞 ০১৭১১১৯৩৩৯১
#ডায়াবেটিস #হাঁটা #ব্যায়াম #ডায়াবেটিসনিয়ন্ত্রণ #ডাআবদুল্লাহআলমামুন
09/06/2026
ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য চা/কফি কতটা নিরাপদ?
ডায়াবেটিস রোগীদের অনেকেই জানতে চান, চা বা কফি পান করা যাবে কি না। সঠিক নিয়ম মেনে পান করলে চা ও কফি বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই নিরাপদ হতে পারে।
যা করতে পারেন:
1. চিনি ছাড়া চা পান করতে পারেন
2. চিনি ছাড়া ব্ল্যাক কফি পান করতে পারেন
3. গ্রিন টি পান করতে পারেন
4. পরিমিত পরিমাণে দুধ চা পান করতে পারেন
5. পর্যাপ্ত পানি পান করার অভ্যাস বজায় রাখতে পারেন
সীমিত পরিমাণে গ্রহণ করুন:
1. দুধ ও কফি বেশি মিশ্রিত পানীয়
2. দিনে একাধিক কাপ কফি
3. কৃত্রিম সুইটনারযুক্ত পানীয়
4. প্যাকেটজাত রেডি-টু-ড্রিংক কফি
5. বেশি ক্যাফেইনযুক্ত পানীয়
এড়িয়ে চলুন:
1. চিনি মিশিয়ে চা বা কফি পান করা
2. সিরাপ বা ফ্লেভারযুক্ত কফি
3. সফট ড্রিংকস ও এনার্জি ড্রিংকস
4. অতিরিক্ত মিষ্টিযুক্ত কফি ক্রিমার
5. অতিরিক্ত ক্যাফেইন গ্রহণ
বিশেষ পরামর্শ:
ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য চা ও কফি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ নয়। তবে চিনি ছাড়া এবং পরিমিত পরিমাণে পান করাই উত্তম। ব্যক্তিভেদে শারীরিক অবস্থার পার্থক্য থাকতে পারে, তাই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী খাদ্যাভ্যাস অনুসরণ করুন।
👨⚕️ ডা.আবদুল্লাহ আল মামুন
📞 যোগাযোগ : ০১৭১১১৯৩৩৯১
৬২ বছরে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে গোপন মেডিসিন, ১০০ ভাগ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া মুক্ত ও মানিব্যাক গ্যারান্টি। আমেরিকান ফর্মুলায় তৈরি।
পেশেন্ট: অনেক ইনসুলিন নিত। খুবই ভয়াবহ অবস্থা ছিল তার। প্রথমে আমি দুইটা ওষুধ নিছি। মাস খাওয়ার পর আমার শাশুড়ির উন্নতি দেইখা আমি আবার ১০ দিন আগে আবার চারটা নিয়ে গেছি। আশাদায়ক সময় দেইখা একবারে আবার চারটা নিছি, মোট ছয়টা নিলাম।
তা উনি এক মাস ১০ দিন খাওয়ার পরে অনেকটাই সুস্থ। মানে এখন ইনসুলিন নিতেছে না, বেশ আরামদায়কভাবেই চলাফেরা করতেছে। তা আমি আজকে ওষুধ নেওয়ার উদ্দেশ্যে করে আসছি।
ডা. সাহেব: শাশুড়ি আম্মার বয়সটা কত?
পেশেন্ট: হের বয়স আছে মোটামুটি ৬০-এর উপরে।
ডা. সাহেব: ৬০ বছর বয়স্ক একজন মহিলার ক্ষেত্রে ইনসুলিন (অ্যালোপ্যাথি) মেডিসিন বাদ দেওয়া, আমাদের এই ন্যাচারাল হোমিওপ্যাথি মেডিসিনের মাধ্যমে ডায়াবেটিসটাকে নিয়ন্ত্রণে রাখা— এটা কিন্তু চাট্টিখানি কথা না, এটা অনেক বড় একটা বিষয়। কারণ আমাদের এই মেডিসিনটা কিন্তু শতভাগ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ামুক্ত এবং দীর্ঘমেয়াদে স্বাভাবিকভাবে আপনি সেবন করতে পারবেন।
তাই ভয়ের কিছু নেই, অন্তত একটিবার আমাদের মেডিসিনটা গ্রহণ করুন
ডা. আব্দুল্লাহ আল মামুন (DHMS)
ডা. সাবিহা সুলতানা (DHMS)
চেম্বারের লোকেশন-
বোয়ালমারী মেইন চৌরাস্তা, বোয়ালমারী, ফরিদপুর।
☎️☎️ 01711-193391
#ডায়াবেটিস_নিয়ন্ত্রণ #ইনসুলিন
#ডা_আব্দুল্লাহ_আল_মামুন #ব্লাড_সুগার #ব্লাডসুগার
08/06/2026
ডায়াবেটিসে মধু খাওয়া ঠিক?
ডায়াবেটিস রোগীদের মধ্যে একটি সাধারণ প্রশ্ন হলো— "চিনির পরিবর্তে কি মধু খাওয়া যাবে?" অনেকেই মনে করেন মধু যেহেতু প্রাকৃতিক, তাই এটি সম্পূর্ণ নিরাপদ। তবে বাস্তবে মধুতেও প্রাকৃতিক শর্করা থাকে, তাই এটি গ্রহণের ক্ষেত্রে সচেতনতা প্রয়োজন।
মধু সম্পর্কে যা জানা প্রয়োজন -
1. মধুতে প্রাকৃতিক শর্করা (ফ্রুক্টোজ ও গ্লুকোজ) থাকে।
2. এটি শক্তির একটি প্রাকৃতিক উৎস।
3. মধু চিনি-মুক্ত কোনো খাবার নয়।
4. অতিরিক্ত মধু রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়াতে পারে।
5. ডায়াবেটিসের ধরন অনুযায়ী খাদ্যাভ্যাস ভিন্ন হতে পারে।
6. সবার শরীর একইভাবে মধুর প্রতি প্রতিক্রিয়া দেখায় না।
7. নিয়মিত রক্তে শর্করা পরীক্ষা করা গুরুত্বপূর্ণ।
8. চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী মধু গ্রহণ করা উচিত।
সম্ভাব্য উপকারিতা -
1. কিছু অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান থাকতে পারে।
2. প্রাকৃতিক উৎস থেকে পাওয়া খাদ্য উপাদান।
3. গলার অস্বস্তি কমাতে সহায়ক হতে পারে।
4. পরিশোধিত চিনির তুলনায় কিছু ভিন্ন পুষ্টিগুণ থাকতে পারে।
5. অল্প পরিমাণে স্বাদের জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে।
6. কিছু ভিটামিন ও খনিজ উপাদান অল্প পরিমাণে থাকতে পারে।
7. সুষম খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে বিবেচনা করা
যেতে পারে (পরামর্শ অনুযায়ী)।
অতিরিক্ত মধু খাওয়ার সম্ভাব্য অপকারিতা -
1. রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে।
2. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে।
3. অতিরিক্ত ক্যালরি গ্রহণের কারণে ওজন বৃদ্ধি পেতে পারে।
4. দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়তে পারে।
5. খাদ্য পরিকল্পনার ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে।
6. ওষুধ ও খাদ্য নিয়ন্ত্রণের কার্যকারিতা কমে যেতে পারে।
7. অনিয়ন্ত্রিতভাবে গ্রহণ করলে জটিলতার ঝুঁকি বাড়তে পারে।
ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ করণীয় -
1. মধু খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
2. পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
3. নিয়মিত রক্তে শর্করা পরীক্ষা করুন।
4. স্বাস্থ্যকর ও সুষম খাদ্যাভ্যাস অনুসরণ করুন।
5. নিয়মিত হাঁটা বা ব্যায়াম করুন।
6. পর্যাপ্ত পানি পান করুন।
7. ফলো-আপ ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা নিয়মিত করুন।
8. যেকোনো খাদ্য পরিবর্তনের আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
মনে রাখবেন :
প্রাকৃতিক হলেই কোনো খাবার ডায়াবেটিস রোগীর জন্য সীমাহীনভাবে নিরাপদ হয়ে যায় না। সচেতনতা, পরিমিতি এবং সঠিক পরামর্শই সুস্থ থাকার মূল চাবিকাঠি।
👨⚕️ ডা. আবদুল্লাহ আল মামুন
📞 ০১৭১১১৯৩৩৯১
#ডায়াবেটিস #ডায়াবেটিসনিয়ন্ত্রণ #মধুওডায়াবেটিস #ডায়াবেটিসসচেতনতা #ডাআবদুল্লাহআলমামুন
06/06/2026
ডায়াবেটিস রোগীরা কি ভাত খেতে পারবেন?
অনেকের ধারণা, ডায়াবেটিস হলে ভাত খাওয়া সম্পূর্ণ বন্ধ করতে হয়। বাস্তবে বিষয়টি তা নয়। সঠিক পরিমাণ, সঠিক সময় এবং সঠিক খাদ্যাভ্যাস অনুসরণ করলে ভাতও একটি সুষম খাদ্যের অংশ হতে পারে।
খেতে পারবেন:
1. পরিমিত পরিমাণে ভাত
2. লাল চালের ভাত
3. ব্রাউন রাইস
4. আঁশযুক্ত খাবারের সঙ্গে ভাত
5. মাছ, ডিম, মাংস বা ডালের সঙ্গে ভাত
সীমিত পরিমাণে খাবেন:
1. সাদা চালের ভাত
2. পোলাও বা বিরিয়ানি
3. আলুর সঙ্গে অতিরিক্ত ভাত
4. রাতের বেলায় বেশি ভাত
5. এক বেলায় অতিরিক্ত ভাত
এড়িয়ে চলুন:
1. অতিরিক্ত ভাত খাওয়া
2. মিষ্টি ও চিনিযুক্ত খাবার
3. কোমল পানীয়
4. মিষ্টি দই ও ডেজার্ট
5. অনিয়মিত ও অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস
💡 বিশেষ পরামর্শ:
ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ভাত সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ নয়। তবে পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ, নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম, পর্যাপ্ত ঘুম এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী খাদ্যাভ্যাস অনুসরণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
👨⚕️ ডা. আবদুল্লাহ আল মামুন
📞 ০১৭১১১৯৩৩৯১
#ডায়াবেটিস #ডায়াবেটিসনিয়ন্ত্রণ #ডায়াবেটিসরোগী #ভাতওডায়াবেটিস #ডাআবদুল্লাহআলমামুন
05/06/2026
ডায়াবেটিস রোগীরা কোন ফল খেতে পারবেন এবং কোনগুলো নয়?
ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ফল একটি গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টির উৎস। তবে সঠিক ফল নির্বাচন ও পরিমিত পরিমাণে গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি। ভুল ফল নির্বাচন বা অতিরিক্ত ফল খাওয়া রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে।
যে ফলগুলো পরিমিত পরিমাণে খেতে পারেন-
• আপেল
• পেয়ারা
• কমলা
• মাল্টা
• নাশপাতি
• জাম
• ড্রাগন ফল
• স্ট্রবেরি
উপকারিতা-
১. ভিটামিন ও খনিজের ভালো উৎস।
২. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।
৩. হজমশক্তি উন্নত করতে সহায়ক।
৪. শরীরে প্রয়োজনীয় আঁশ (Fiber) সরবরাহ করে।
৫. দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে।
৬. হৃদ্স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।
যে ফলগুলো সীমিত পরিমাণে বা সতর্কতার সাথে খেতে হবে-
• পাকা আম
• কাঁঠাল
• লিচু
• আঙুর
• খেজুর
• কলা (অতিরিক্ত নয়)
• তরমুজ (পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে)
অতিরিক্ত গ্রহণের অপকারিতা-
১. রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে।
২. ওজন বৃদ্ধি পাওয়ার ঝুঁকি থাকে।
৩. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সমস্যা হতে পারে।
৪. অতিরিক্ত ক্যালরি গ্রহণ হতে পারে।
৫. দীর্ঘমেয়াদে বিভিন্ন জটিলতার ঝুঁকি বাড়তে পারে।
যা আপনার করণীয়-
১. ফলের রসের পরিবর্তে সম্পূর্ণ ফল খান।
২. একসাথে বেশি ফল খাবেন না।
৩. নির্দিষ্ট সময়ে পরিমিত পরিমাণে ফল গ্রহণ করুন।
৪. নিয়মিত রক্তে শর্করার মাত্রা পরীক্ষা করুন।
৫. চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী খাদ্যাভ্যাস অনুসরণ করুন।
৬. নিয়মিত হাঁটা বা ব্যায়াম করুন।
সঠিক ফল নির্বাচন, পরিমিত গ্রহণ এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
👨⚕️ ডা. আবদুল্লাহ আল মামুন
📞 ০১৭১১১৯৩৩৯১
#ডায়াবেটিস #ডায়াবেটিসরোগী #ফলওডায়াবেটিস #ডায়াবেটিসনিয়ন্ত্রণ #ডাআবদুল্লাহআলমামুন
04/06/2026
ডায়াবেটিস রোগীদের জরুরী নির্দেশনা !
সকালের নাস্তা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সঠিক খাবার নির্বাচন করলে সারাদিন রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে এবং শরীরকে প্রয়োজনীয় শক্তি প্রদান করে।
সকালের নাস্তায় যা রাখা যেতে পারে-
১. আটার রুটি বা লাল আটার রুটি।
২. সেদ্ধ ডিম বা ডিমের সাদা অংশ।
৩. শসা, টমেটো ও অন্যান্য তাজা সবজি।
৪. চিনি ছাড়া দুধ বা দই।
৫. পরিমিত পরিমাণে ফল (চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী)।
যেসব খাবার এড়িয়ে চলা ভালো-
১. অতিরিক্ত মিষ্টি ও মিষ্টিজাত খাবার।
২. কোমল পানীয় ও চিনিযুক্ত পানীয়।
৩. অতিরিক্ত তেলে ভাজা খাবার।
৪. সাদা পাউরুটি ও অতিরিক্ত পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেট।
৫. অতিরিক্ত চিনি মিশ্রিত চা বা কফি।
সুস্থ থাকার জন্য গুরুত্বপূর্ণ করণীয়-
১. নির্দিষ্ট সময়ে নাস্তা করুন।
২. পরিমিত খাবার গ্রহণ করুন।
৩. নিয়মিত রক্তে শর্করা পরীক্ষা করুন।
৪. প্রতিদিন শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকুন।
৫. চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী খাদ্যাভ্যাস অনুসরণ করুন।
সঠিক সকালের নাস্তা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।
👨⚕️ ডা. আবদুল্লাহ আল মামুন
📞 ০১৭১১১৯৩৩৯১
#ডায়াবেটিস #ডায়াবেটিসনিয়ন্ত্রণ #ডায়াবেটিসচিকিৎসা #ডাআবদুল্লাহআলমামুন
৭২ বছর বয়সে সুগার নিয়ন্ত্রণ, অবিশ্বাস্য
ছেলে: আব্বা সরকারি চাকরি করতেন। দীর্ঘদিন যাবত সে ডায়াবেটিসের ইনসুলিন নিতে নিতে বিরক্ত বোধ হয়ে গেছিল। এবং বয়স্ক একজন ব্রেন স্ট্রোকের রোগী— ডাক্তার সাহেব, জানেনই তো কেমনই! সে অনেক সময় অনেক কিছু বোঝেন না, খাবার-দাবার ঠিকঠাক করে খেতে পারতেন না। আপনার এই বিজ্ঞাপনটি আমরা দেখি। পরে আমরা এখান থেকে আপনার ওষুধ নেয়ার পরে, আমার আব্বা পাঁচ-ছয় মাস ইনসুলিন নেয় না এবং তার ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে চলে আসছে। আপনার এই ওষুধটা খেয়ে আমার আব্বা এখন সুস্থ-স্বাভাবিক জীবনে চলে আসছে।
ডাক্তার (ডা. আব্দুল্লাহ আল মামুন): জী, এই মেডিসিনটা এমন একটা মেডিসিন— যার সম্বন্ধে আপনাকে কেউ (খারাপ) দিবে না। কারণ, এটা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ামুক্ত পিওর হোমিওপ্যাথি মেডিসিন, যেটার কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। এবং আমেরিকান ফর্মুলায় প্রস্তুতকৃত, বাংলাদেশ ওষুধ প্রশাসন কর্তৃক অনুমোদিত। অথচ আমরা প্রচার-প্রচারণার অভাবে এই জাদুকরী মেডিসিনটা, আল্লাহর দেয়া এত বড় একটা নিয়ামত থেকে আমরা বঞ্চিত হচ্ছি। এবং প্রতিনিয়ত আমাদের বৃদ্ধ বাবা-মা, দাদা-দাদি মানে ইনজেকশন পুশের মাধ্যমে ইনসুলিন নেওয়ার কষ্ট তারা করেই যাচ্ছে, করেই যাচ্ছে।
ব্রেনে একটা বিষয় সেট হয়ে গেছে যে বেঁচে থাকতে হলে আমাদের এটা করতে হবে। এই ধরণের বৃদ্ধ বাবা-মা যাদের আছেন, তাদের উদ্দেশ্যে আমি একটাই কথা বলব— অন্তত একটিবারের জন্য হলেও আমাদের ট্রিটমেন্টটা গ্রহণ করুন এবং বাবা-মাকে এই কষ্ট থেকে মুক্তি দিন।
তাই ভয়ের কিছু নেই, অন্তত একটিবার আমাদের মেডিসিনটা গ্রহণ করুন
ডা. আব্দুল্লাহ আল মামুন (DHMS)
ডা. সাবিহা সুলতানা (DHMS)
চেম্বারের লোকেশন-
বোয়ালমারী মেইন চৌরাস্তা, বোয়ালমারী, ফরিদপুর।
☎️☎️ 01711-193391
#ডায়াবেটিস_নিয়ন্ত্রণ #ইনসুলিন
#ডা_আব্দুল্লাহ_আল_মামুন #ব্লাড_সুগার #ব্লাডসুগার
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Faridpur
7860
