Homeo Aid

Homeo Aid

Share

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ইনসুলিন অপেক্ষা অধিক কার্যকর হোমিওপ্যাথি। শতভাগ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ামুক্ত প্রাকৃতিক চিকিৎসা। ডা. আব্দুল্লাহ আল মামুন, DHMS

07/08/2026

অতিরিক্ত ওজন কি ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায়? সত্যটা জেনে নিন।

অতিরিক্ত ওজনের সাথে ডায়াবেটিসের সম্পর্কটি অত্যন্ত গভীর এবং বৈজ্ঞানিক। আমাদের শরীরে যখন প্রয়োজনের চেয়ে বেশি চর্বি বা ফ্যাট জমা হয়—বিশেষ করে পেটের চারপাশে, তখন শরীরের কোষগুলো ইনসুলিনের প্রতি বাধা তৈরি করে। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় ‘ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স’। এর অর্থ হলো, শরীরে ইনসুলিন ঠিকই তৈরি হচ্ছে, কিন্তু অতিরিক্ত চর্বির আস্তরণের কারণে সেই ইনসুলিন রক্ত থেকে সুগারকে কোষে পৌঁছে দিতে পারছে না। ফলে রক্তের সুগারের মাত্রা ক্রমাগত বাড়তেই থাকে। তাই ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা মানেই ডায়াবেটিসের ঝুঁকি থেকে নিজেকে অর্ধেক মুক্ত রাখা।

জি হ্যাঁ, আমাদের এই হোমিওপ্যাথি মেডিসিনটি আমেরিকান ফর্মুলাতে তৈরি এবং পরীক্ষিত একটি মেডিসিন। আমাদের এই কার্যকর ওষুধ সেবন করে ইতিমধ্যে হাজার হাজার ডায়াবেটিস রোগী সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনের দিকে ধাবিত হয়েছেন। সম্পূর্ণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন ও প্রাকৃতিক উপায়ে সুগার নিয়ন্ত্রণের এই চিকিৎসা পদ্ধতি দেশজুড়ে বিপুল প্রশংসিত হয়েছে।

১২ থেকে ১৫ দিনে যদি আপনার সুগার লেভেলটা নিয়ন্ত্রণে না আসে, সেক্ষেত্রে আমরা শতভাগ টাকা রিটার্ন দিয়ে দেব।

তাই ভয়ের কিছু নেই, অন্তত একটিবার আমাদের মেডিসিনটা গ্রহণ করুন।

ডা. আব্দুল্লাহ আল মামুন (DHMS)
ডা. সাবিহা সুলতানা (DHMS)

চেম্বারের লোকেশন-
বোয়ালমারী মেইন চৌরাস্তা, বোয়ালমারী, ফরিদপুর।

☎️☎️ 01711-193391

#ডায়াবেটিস িয়ন্ত্রণ #ডা_আব্দুল্লাহ_আল_মামুন

06/08/2026

গর্ভাবস্থায় ডায়াবেটিস কতটা ঝুঁকিপূর্ণ?

গর্ভাবস্থায় ডায়াবেটিস (Gestational Diabetes) মা ও গর্ভের শিশুর জন্য বিভিন্ন জটিলতার ঝুঁকি বাড়াতে পারে। তবে সময়মতো শনাক্তকরণ, নিয়মিত পরীক্ষা এবং চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চললে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এটি সফলভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

যা জানা জরুরি—

1. গর্ভাবস্থায় প্রথমবারের মতো ডায়াবেটিস দেখা দিতে পারে।
2. অনিয়ন্ত্রিত সুগার মা ও শিশুর উভয়ের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
3. চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ে সুগার পরীক্ষা করা জরুরি।
4. সুষম খাদ্যাভ্যাস ও নিয়মিত হালকা ব্যায়াম সুগার নিয়ন্ত্রণে সহায়ক।
5. প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ইনসুলিন বা অন্যান্য চিকিৎসা প্রয়োজন হতে পারে।
6. নিয়মিত প্রসূতি বিশেষজ্ঞ ও ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞের ফলো-আপ জরুরি।
7. প্রসবের পরও সুগার পরীক্ষা করে নিশ্চিত হওয়া উচিত যে রক্তে শর্করা স্বাভাবিক হয়েছে।

সচেতন থাকার উপকারিতা—

1. মা ও শিশুর সুস্থতা নিশ্চিত করা সহজ হয়।
2. গর্ভাবস্থার জটিলতার ঝুঁকি কমে।
3. শিশুর অতিরিক্ত ওজন নিয়ে জন্মানোর ঝুঁকি কমে।
4. প্রসবকালীন জটিলতা কমাতে সাহায্য করে।
5. প্রসবের পর দ্রুত সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে।
6. ভবিষ্যতে টাইপ–২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতন থাকা যায়।
7. নিরাপদ ও সুস্থ মাতৃত্ব নিশ্চিত করা সহজ হয়।

যা এড়িয়ে চলা উচিত—

1. সুগার পরীক্ষা না করা।
2. চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ গ্রহণ বা বন্ধ করা।
3. অতিরিক্ত মিষ্টি ও অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া।
4. অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস।
5. ফলো-আপ অবহেলা করা।
6. শারীরিকভাবে সম্পূর্ণ নিষ্ক্রিয় থাকা।
7. ডায়াবেটিসের লক্ষণকে গুরুত্ব না দেওয়া।

💡 বিশেষ পরামর্শ:

গর্ভাবস্থায় ডায়াবেটিস নিয়ে আতঙ্কিত না হয়ে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করুন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলুন। সঠিক যত্নই মা ও শিশুর সুস্থতার চাবিকাঠি।

👨‍⚕️ ডা. আব্দুল্লাহ আল মামুন (DHMS)
রিসার্চার, ক্লাসিক্যাল হোমিওপ্যাথি
📞 01711-193391
🌐 homeoaid.com
📍 বোয়ালমারী মেইন চৌরাস্তা, বোয়ালমারী, ফরিদপুর

05/08/2026

তরুণদের মধ্যে কেন বাড়ছে ডায়াবেটিস? এর পেছনের কারণগুলো জানুন।

আজকাল তরুণদের মধ্যে ডায়াবেটিসের হার আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। যার পেছনে কাল্পনিক কোনো কারণ নেই, রয়েছে আমাদের প্রতিদিনের ভুল অভ্যাস। ঘণ্টার পর ঘণ্টা ল্যাপটপ বা মোবাইলের সামনে বসে থাকা, শারীরিক পরিশ্রম বা হাঁটাচলা একদম না করা এবং কায়িক শ্রমহীন অলস জীবনযাপন এর প্রধান কারণ। এর সাথে যোগ হয়েছে রাত জাগা, অতিরিক্ত মানসিক চাপ এবং প্রতিদিন ফাস্টফুড, প্রসেসড ফুড ও কোমল পানীয় খাওয়ার প্রবণতা। এই অনিয়মিত জীবনযাত্রাই তরুণদের শরীরের মেটাবলিজম নষ্ট করে দিচ্ছে এবং অল্প বয়সেই তাদের টাইপ-২ ডায়াবেটিসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

জি হ্যাঁ, আমাদের এই হোমিওপ্যাথি মেডিসিনটি আমেরিকান ফর্মুলাতে তৈরি এবং পরীক্ষিত একটি মেডিসিন। আমাদের এই কার্যকর ওষুধ সেবন করে ইতিমধ্যে হাজার হাজার ডায়াবেটিস রোগী সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনের দিকে ধাবিত হয়েছেন। সম্পূর্ণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন ও প্রাকৃতিক উপায়ে সুগার নিয়ন্ত্রণের এই চিকিৎসা পদ্ধতি দেশজুড়ে বিপুল প্রশংসিত হয়েছে।

১২ থেকে ১৫ দিনে যদি আপনার সুগার লেভেলটা নিয়ন্ত্রণে না আসে, সেক্ষেত্রে আমরা শতভাগ টাকা রিটার্ন দিয়ে দেব।

তাই ভয়ের কিছু নেই, অন্তত একটিবার আমাদের মেডিসিনটা গ্রহণ করুন।

ডা. আব্দুল্লাহ আল মামুন (DHMS)
ডা. সাবিহা সুলতানা (DHMS)

চেম্বারের লোকেশন-
বোয়ালমারী মেইন চৌরাস্তা, বোয়ালমারী, ফরিদপুর।

☎️☎️ 01711-193391

#তরুণদের_ডায়াবেটিস #ডা_আব্দুল্লাহ_আল_মামুন

04/08/2026

দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকলে কী হয়?

ডায়াবেটিস থাকলে দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকা শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। এতে রক্তে শর্করার মাত্রা অস্বাভাবিকভাবে কমে বা ওঠানামা করতে পারে। তাই সময়মতো সুষম খাবার খাওয়া ও চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

যা জানা জরুরি—

1. দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকলে রক্তে শর্করা কমে যেতে পারে।
2. দুর্বলতা, মাথা ঘোরা, ঘাম হওয়া ও হাত কাঁপার মতো লক্ষণ দেখা দিতে পারে।
3. নিয়মিত খাবার গ্রহণ সুগার নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
4. ওষুধ বা ইনসুলিন গ্রহণ করলে সময়মতো খাবার খাওয়া আরও গুরুত্বপূর্ণ।
5. দীর্ঘক্ষণ উপবাসে অতিরিক্ত ক্ষুধা লাগলে একসঙ্গে বেশি খাবার খাওয়ার প্রবণতা বাড়ে।
6. চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী খাদ্যতালিকা অনুসরণ করা উচিত।
7. প্রয়োজনে নিয়মিত রক্তে শর্করা পরীক্ষা করুন।

সচেতন থাকার উপকারিতা—

1. রক্তে শর্করার ওঠানামা কম হয়।
2. হাইপোগ্লাইসেমিয়ার ঝুঁকি কমে।
3. শরীর সতেজ ও কর্মক্ষম থাকে।
4. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ সহজ হয়।
5. দীর্ঘমেয়াদে জটিলতার ঝুঁকি কমে।
6. দৈনন্দিন জীবন স্বাভাবিক রাখা সহজ হয়।
7. চিকিৎসার ফলাফল আরও ভালো হয়।

যা এড়িয়ে চলা উচিত—

1. দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকা।
2. সকালের নাশতা বাদ দেওয়া।
3. ওষুধ খেয়ে খাবার না খাওয়া।
4. একবারে অতিরিক্ত খাবার খাওয়া।
5. অতিরিক্ত মিষ্টি বা কোমল পানীয় দিয়ে ক্ষুধা মেটানো।
6. নিয়মিত সুগার পরীক্ষা না করা।
7. চিকিৎসকের পরামর্শ উপেক্ষা করা।

💡 বিশেষ পরামর্শ:

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে সময়মতো সুষম খাবার গ্রহণ করুন। দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকবেন না এবং নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী জীবনযাপন করুন।

👨‍⚕️ ডা. আব্দুল্লাহ আল মামুন (DHMS)
রিসার্চার, ক্লাসিক্যাল হোমিওপ্যাথি
📞 01711-193391
🌐 homeoaid.com
📍 বোয়ালমারী মেইন চৌরাস্তা, বোয়ালমারী, ফরিদপুর

02/08/2026

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সঠিক সিদ্ধান্ত, সুস্থ জীবনের নিশ্চয়তা

হ্যাঁ, ডায়াবেটিস শুধু বয়স্কদের নয়, একদম ছোট শিশুদেরও হতে পারে। শিশুদের ক্ষেত্রে সাধারণত টাইপ-১ ডায়াবেটিস বেশি দেখা যায়—যেখানে তাদের অগ্ন্যাশয় বা প্যানক্রিয়াস কোনো অজানা কারণে ইনসুলিন তৈরি করা সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেয়। আপনার শিশু যদি হঠাৎ অতিরিক্ত পানি পান করে, ঘন ঘন প্রস্রাব করে, এমনকি রাতে বিছানায় প্রস্রাব করে ফেলে, অল্পতেই ক্লান্ত হয়ে পড়ে এবং ভালো খাওয়া-দাওয়া সত্ত্বেও দ্রুত তার ওজন কমতে থাকে, তবে বিষয়টিকে একদমই অবহেলা করবেন না। এটি কোনো অলৌকিক বিষয় নয়; সঠিক সময়ে রক্তের সুগার পরীক্ষা এবং অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শই পারে আপনার শিশুকে সুস্থ রাখতে।

জি হ্যাঁ, আমাদের এই হোমিওপ্যাথি মেডিসিনটি আমেরিকান ফর্মুলাতে তৈরি এবং পরীক্ষিত একটি মেডিসিন। আমাদের এই কার্যকর ওষুধ সেবন করে ইতিমধ্যে হাজার হাজার ডায়াবেটিস রোগী সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনের দিকে ধাবিত হয়েছেন। সম্পূর্ণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন ও প্রাকৃতিক উপায়ে সুগার নিয়ন্ত্রণের এই চিকিৎসা পদ্ধতি দেশজুড়ে বিপুল প্রশংসিত হয়েছে।

১২ থেকে ১৫ দিনে যদি আপনার সুগার লেভেলটা নিয়ন্ত্রণে না আসে, সেক্ষেত্রে আমরা শতভাগ টাকা রিটার্ন দিয়ে দেব।

তাই ভয়ের কিছু নেই, অন্তত একটিবার আমাদের মেডিসিনটা গ্রহণ করুন।

ডা. আব্দুল্লাহ আল মামুন (DHMS)
ডা. সাবিহা সুলতানা (DHMS)

চেম্বারের লোকেশন-
বোয়ালমারী মেইন চৌরাস্তা, বোয়ালমারী, ফরিদপুর।

☎️☎️ 01711-193391

#ডা_আব্দুল্লাহ_আল_মামুন

31/07/2026

উৎসবে সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখবেন কিভাবে?

উৎসব মানেই আনন্দ, আয়োজন আর নানা ধরনের সুস্বাদু খাবার। তবে ডায়াবেটিস থাকলে একটু সচেতন থাকলেই উৎসব উপভোগ করা সম্ভব। সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও নিয়ম মেনে চললে সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হয়।

যা জানা জরুরি—

1. খাবারের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
2. অতিরিক্ত মিষ্টি ও চিনিযুক্ত পানীয় এড়িয়ে চলুন।
3. উৎসবের দিনেও সময়মতো ওষুধ বা ইনসুলিন গ্রহণ করুন।
4. পর্যাপ্ত পানি পান করুন।
5. ভারী খাবারের পরিবর্তে সুষম খাবার বেছে নিন।
6. সুযোগ পেলে হালকা হাঁটাহাঁটি বা শারীরিক কার্যক্রম করুন।
7. প্রয়োজনে রক্তে শর্করার মাত্রা পরীক্ষা করুন।

সচেতন থাকার উপকারিতা—

1. রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে।
2. হঠাৎ সুগার বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি কমে।
3. উৎসব আনন্দের সঙ্গে উপভোগ করা যায়।
4. ডায়াবেটিসজনিত জটিলতার ঝুঁকি কমে।
5. শরীর সতেজ ও সুস্থ থাকে।
6. চিকিৎসার ধারাবাহিকতা বজায় থাকে।
7. সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনযাপন সহজ হয়।

যা এড়িয়ে চলা উচিত—

1. অতিরিক্ত মিষ্টি ও ডেজার্ট খাওয়া।
2. একসঙ্গে অনেক বেশি খাবার খাওয়া।
3. ওষুধ বা ইনসুলিন বাদ দেওয়া।
4. কোমল পানীয় ও অতিরিক্ত চিনিযুক্ত জুস পান করা।
5. সারাদিন বসে থাকা।
6. অতিরিক্ত রাত জাগা।
7. চিকিৎসকের পরামর্শ উপেক্ষা করা।

💡 বিশেষ পরামর্শ:

উৎসব উপভোগ করুন, তবে স্বাস্থ্যকে গুরুত্ব দিন। নিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত ওষুধ গ্রহণ ও সচেতন জীবনযাপনই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখার সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

👨‍⚕️ ডা. আব্দুল্লাহ আল মামুন (DHMS)
রিসার্চার, ক্লাসিক্যাল হোমিওপ্যাথি
📞 01711-193391
🌐 homeoaid.com
📍 বোয়ালমারী মেইন চৌরাস্তা, বোয়ালমারী, ফরিদপুর

30/07/2026

ইনসুলিন কী? সহজ ভাষায় এর কাজটি জেনে নিন।

ইনসুলিনকে সহজ ভাষায় আমাদের শরীরের কোষে ঢোকার চাবি বলা যায়। আমরা প্রতিদিন যা খাই, তা ভেঙে তৈরি হয় গ্লুকোজ বা শক্তি। এই গ্লুকোজ যখন রক্তের মাধ্যমে আমাদের শরীরের প্রতিটি কোষে পৌঁছায়, তখন কোষে ঢোকার জন্য বা কোষে ঢোকার দরজা খোলার জন্য ইনসুলিন হরমোনের প্রয়োজন হয়। ইনসুলিন চাবির মতো কাজ করে কোষে ঢোকার দরজা খুলে দেয়, যাতে গ্লুকোজ ভেতরে ঢুকে আমাদের শক্তি জোগাতে পারে। কিন্তু শরীরে যখন এই ইনসুলিন তৈরি বন্ধ হয়ে যায় বা চাবিটি ঠিকমতো কাজ করে না, তখন গ্লুকোজ কোষে ঢুকতে না পেরে রক্তে জমতে থাকে—যাকে আমরা ডায়াবেটিস বলি।

জি হ্যাঁ, আমাদের এই হোমিওপ্যাথি মেডিসিনটি আমেরিকান ফর্মুলাতে তৈরি এবং পরীক্ষিত একটি মেডিসিন। আমাদের এই কার্যকর ওষুধ সেবন করে ইতিমধ্যে হাজার হাজার ডায়াবেটিস রোগী সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনের দিকে ধাবিত হয়েছেন। সম্পূর্ণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন ও প্রাকৃতিক উপায়ে সুগার নিয়ন্ত্রণের এই চিকিৎসা পদ্ধতি দেশজুড়ে বিপুল প্রশংসিত হয়েছে।

১২ থেকে ১৫ দিনে যদি আপনার সুগার লেভেলটা নিয়ন্ত্রণে না আসে, সেক্ষেত্রে আমরা শতভাগ টাকা রিটার্ন দিয়ে দেব।

তাই ভয়ের কিছু নেই, অন্তত একটিবার আমাদের মেডিসিনটা গ্রহণ করুন।

ডা. আব্দুল্লাহ আল মামুন (DHMS)
ডা. সাবিহা সুলতানা (DHMS)

চেম্বারের লোকেশন-
বোয়ালমারী মেইন চৌরাস্তা, বোয়ালমারী, ফরিদপুর।

☎️☎️ 01711-193391

#ডায়াবেটিস #ইনসুলিন #ডা_আব্দুল্লাহ_আল_মামুন

29/07/2026

অফিসে বসে কাজ করলে কী করবেন?

দীর্ঘ সময় অফিসে বসে কাজ করলে শরীরের নড়াচড়া কমে যায়, যা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে প্রভাব ফেলতে পারে। তাই কাজের ব্যস্ততার মাঝেও কিছু স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি।

যা জানা জরুরি—

1. একটানা দীর্ঘ সময় বসে থাকা এড়িয়ে চলুন।
2. প্রতি ৩০–৬০ মিনিট পরপর ২–৫ মিনিট হাঁটার চেষ্টা করুন।
3. পর্যাপ্ত পানি পান করুন।
4. কাজের ফাঁকে হালকা স্ট্রেচিং করুন।
5. স্বাস্থ্যকর ও পরিমিত খাবার গ্রহণ করুন।
6. নিয়মিত রক্তে শর্করা পরীক্ষা করুন।
7. চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলুন।

সচেতন থাকার উপকারিতা—

1. রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে।
2. ওজন নিয়ন্ত্রণ সহজ হয়।
3. রক্ত সঞ্চালন ভালো থাকে।
4. ক্লান্তি কমাতে সাহায্য করে।
5. কর্মক্ষমতা বাড়ায়।
6. দীর্ঘমেয়াদে সুস্থ থাকতে সহায়তা করে।
7. স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন গড়ে ওঠে।

যা এড়িয়ে চলা উচিত—

1. একটানা ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকা।
2. অতিরিক্ত মিষ্টি ও কোমল পানীয়।
3. জাঙ্ক ফুড।
4. পর্যাপ্ত পানি না পান করা।
5. অনিয়মিত খাবার খাওয়া।
6. ব্যায়াম না করা।
7. নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা এড়িয়ে চলা।

💡 বিশেষ পরামর্শ:

অফিসে বসে কাজ করলেও নিয়মিত নড়াচড়া, সুষম খাদ্যাভ্যাস এবং চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলার মাধ্যমে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

👨‍⚕️ ডা. আব্দুল্লাহ আল মামুন
📞 01711-193391
🌐 homeoaid.com
📍 বোয়ালমারী মেইন চৌরাস্তা, বোয়ালমারী, ফরিদপুর

28/07/2026

ডায়াবেটিস কীভাবে শরীরের ক্ষতি করে? আজই জেনে নিন।

অনেকেই মনে করেন ডায়াবেটিস মানে শুধু রক্তে সুগার বেড়ে যাওয়া, কিন্তু আসলে তা নয়। রক্তে অতিরিক্ত সুগার ধীরে ধীরে আমাদের শরীরের প্রধান অঙ্গগুলোর রক্তনালীকে শক্ত ও সংকুচিত করে ফেলে। এর ফলে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বহু গুণ বেড়ে যায়। কিডনি তার ছাঁকন ক্ষমতা হারায় এবং চোখের রেটিনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে দৃষ্টিশক্তি ঝাপসা হতে থাকে। এমনকি পায়ের স্নায়ু অবশ হয়ে ছোট একটি ক্ষত থেকেও বড় ইনফেকশন হতে পারে। ডায়াবেটিস হলো এমন এক নীরব ঘাতক, যা মাথা থেকে পা পর্যন্ত পুরো শরীরের স্বাভাবিক কর্মক্ষমতাকে তিলে তিলে ধ্বংস করে দেয়। তাই একে অবহেলা না করে শুরুতেই সচেতন হোন।

জি হ্যাঁ, আমাদের এইজিওথেরাপি মেডিসিনটি আমেরিকান ফর্মুলাতে তৈরি এবং পরীক্ষিত একটি মেডিসিন। আমাদের এই কার্যকর ওষুধ সেবন করে ইতিমধ্যে হাজার হাজার ডায়াবেটিস রোগী সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনের দিকে ধাবিত হয়েছেন। সম্পূর্ণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন ও প্রাকৃতিক উপায়ে সুগার নিয়ন্ত্রণের এই চিকিৎসা পদ্ধতি দেশজুড়ে বিপুল প্রশংসিত হয়েছে।

১২ থেকে ১৫ দিনে যদি আপনার সুগার লেভেলটা নিয়ন্ত্রণে না আসে, সেক্ষেত্রে আমরা শতভাগ টাকা রিটার্ন দিয়ে দেব।

তাই ভয়ের কিছু নেই, অন্তত একটিবার আমাদের মেডিসিনটা গ্রহণ করুন।

ডা. আব্দুল্লাহ আল মামুন (DHMS)
ডা. সাবিহা সুলতানা (DHMS)

চেম্বারের লোকেশন-
বোয়ালমারী মেইন চৌরাস্তা, বোয়ালমারী, ফরিদপুর।

☎️☎️ 01711-193391

#ডায়াবেটিস #ডা_আব্দুল্লাহ_আল_মামুন

Category

Address

বোয়ালমারী উপজেলা সদর, ফরিদপুর
Faridpur
7860

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Homeo Aid posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Subscribe

We will notify you when anything happens in Faridpur.