Islam Ovi
সকল কাজ নিয়তের উপরই নির্ভরশীল।
গনভোটে "হ্যাঁ মানে আপনার বিজয়।✊
না ভোট দিলে এ দেশে সুন্দর ভাবে বেঁচে থাকার স্বপ্ন শেষ 😪
সময়ের সেরা গুরুত্বপূর্ণ লেখা ।। বাংলাদেশের ভাগ্যে কী আছে?
ইন্টেরিম যে করিডোর দিয়েছে তাতে এখন বুঝতেছি, Bangladesh just committed one of the most dangerous geopolitical moves in its recent history under the illusion of “humanitarian aid”।
দেশবাসীর অনুমতি ছাড়া, রাজনৈতিক দলগুলার সাথে আলোচনা না কইরা, ইন্টেরিম UN হিউম্যানিটারিয়ান করিডর খুইলা দিছে চট্টগ্রাম-আরাকান রুটে।
আসেন আগে বুঝি “Humanitarian Corridor” আসলে কী। UN এইটারে বলে সাহায্য পাঠানোর রাস্তাঘাট। কিন্তু বাস্তবে ওরা যেইটা বানায়:
➤ এনজিও টাইপ তাঁবু বসে
➤ ইনটেলিজেন্স অফিসার ঢুকে
➤ “মানবিক সহায়তা”র নামে মিলিটারি ম্যাপিং হয়
➤ বিদেশি অস্ত্র, ড্রোন, ডেটা আস্তে আস্তে ঢুকে
➤ কিছুদিন পর সেই অঞ্চল আর নিজের থাকে না
Corridor = Invasion
আসেন কিছু বাস্তব উদাহরণ দেখি — করিডর কেমনে দেশ ধ্বংস করে:
✓ সিরিয়া:
→ "মানবিক সাহায্য"র নামে তাবু বসানো হইছিল।
→ এরপর সেই রাস্তাতেই অস্ত্র ঢুকছে, বিদ্রোহী ট্রেনিং ক্যাম্প বসছে।
→ ISIS আর আল-নুসরা এই করিডরের মাধ্যমেই তৈরি হইছে।
✓ ইরাক:
→ "No-fly zone" ছিল কাগজে।
→ বাস্তবে সেই অঞ্চলে US মিলিটারি বেস দিছিল।
→ সাদ্দামের পতনের রাস্তাটা এই ভাবেই বানাইছিল।
✓ লিবিয়া:
→ "Protection corridor" দেয়া হইছিল Qaddafi’র বিরুদ্ধে বিদ্রোহীদের জন্য।
→ এক মাসের মধ্যে NATO ওই করিডর দিয়া ঢুইকা পুরা দেশ বোমায় উড়ায়া দিল।
✓ গাজা:
→ "মানবিক সাহায্য" পাঠানোর জন্য Rafah গেটে করিডর খুলছিল।
→ এখন জানেন কী? সেই রাস্তাই মোসাদ-এর লোকজন ঢুকতে ব্যবহার করে।
→ গোপন ইন্টেল, হামাস সদস্যদের লোকেশন, সব কিছু ওই গেট দিয়া বের হয়।
✓ আফগানিস্তান:
→ "সাহায্য দিতে CIA করিডর বানায়" — এই ছুতা দিয়া বেস তৈরি করে।
→ সেখান থেকেই চালানো হইছে ড্রোন হামলা, খুন, আর গোয়েন্দা অপারেশন।
এইগুলা ফ্যান্টাসি না। এইগুলা প্রমাণিত সত্য।
প্রশ্ন হইল —
বাংলাদেশ আজকে করিডর খুলে দিয়া বললো "এইটা মানবতা", তারপর ৬ মাস পরে যদি
→ সেখানে NGO দিয়া মিলিটারি ম্যাপিং হয়,
→ কোন এক রাতে surveillance drone নামে,
→ কোন এক সকালে UN interfaith cleric গিয়ে মুসলিম ক্যাম্পে বক্তৃতা দেয়,
→ আর ২ বছর পরে সেই এলাকাই “safe zone” ঘোষণার নামে দখল হয়,
তখন আপনি আমি কী করতে পারবো?
একই স্ক্রিপ্ট বারবার। শুধু রং আর ভাষা বদলায়।
এই করিডরের পেছনে খেলোয়াড় কারা? আসেন পরিচিত হই:
১। আমেরিকা:
→ চীনের ইন্ডিয়ান ওশান অ্যাক্সেস ব্লক করতে চায়
→ সাহায্যের নামে মিলিটারি লজিস্টিক ঢুকাবে
→ “মানবাধিকার” দিয়া স্পাই হাইওয়ে বানাবে
২। ইসরায়েল:
→ আরাকানকে ভাবে সাউথ ইস্ট এশিয়ার স্পিরিচুয়াল গেট
→ মুসলিম জাগরণ শুরু হওয়ার আগেই এখান দিয়ে থামাইতে চায়
→ থার্ড টেম্পলের প্রফেসাইজড জায়গাগুলার একটার ভিতরে চট্টগ্রাম–আরাকান করিডর পড়ে
৩। ভারত:
→ কালাদান মাল্টি-মোডাল প্রজেক্টের ফাইনাল সিল এইখানে
→ উত্তর-পূর্ব বিদ্রোহ নিয়ন্ত্রণের জন্য বাংলাদেশের জমি ব্যবহার করতে চায়
→ গাজওয়াতুল হিন্দ আসার আগেই পূর্বদিক সীল করে দিতে চায়
প্রশ্ন হচ্ছে, চীন আর রাশিয়া কি চুপ থাকবে?
৪। চীন:
→ ওদের আরাকানে বিলিয়ন ডলারের করিডর আছে (Kyaukphyu Port)
→ UN করিডর মানে ওদের চোখে NATO presence
→ পাল্টা জবাব দিতে পারে স্পাই অপস বা বিরোধী গোষ্ঠী গুলারে ফান্ডিং দিয়া
রাশিয়া:
→ মিয়ানমারকে নিয়মিত অস্ত্র দেয়
→ পশ্চিমাদের ঢুকতে দেখলে স্বাভাবিকভাবে খুশি হবে না
→ ডিপ্লোম্যাটিক চাপে ফেলবে, সরাসরি সংঘর্ষে যাবে না, কিন্তু চুপও থাকবে না
একটা নতুন কোল্ড ওয়ারের রেখা এখন আঁকা হইতেছে আরাকানে।
আরাকান কেন এত গুরুত্বপূর্ণ? কারণ এই জায়গাটা:
→ চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোডের গেইটওয়ে
→ বঙোপসাগরের প্রবেশপথ
→ বৌদ্ধ-হিন্দু-মুসলিম জোনের প্রাকৃতিক বাফার
→ সাউথ ইস্ট এশিয়ার মুসলিম পরিচয়ের স্পিরিচুয়াল ফ্ল্যাঙ্ক
→ ভবিষ্যতের গাজওয়াতুল হিন্দের মজবুত র্যালি-পয়েন্ট
আরাকান হারানো মানে উম্মাহর পূর্বদিকের ফটক বন্ধ কইরা ফেলা।
আসেন জানি UN এর “মানবিক সাহায্য”র লোগোর আন্ডারে আসলে কারা আছে? এই যে এরা:
→ WFP, WHO, UNHCR = পশ্চিমা গোয়েন্দাদের লেজার স্ক্যানার
→ MSF, Save the Children = ফিল্ড ম্যাপিং + লোকাল মনিটরিং
→ UN Troops = NATO ছায়া বাহিনী, ব্লু হেলমেট পরা দখলদার
তাইলে এই করিডর দিয়া বাংলাদেশ কী পাবে?
→ কিছু ডলার
→ নিজের মাটির ভেতরে surveillance বেস
→ Teknaf আর Naf নদীর পাশে ড্রোন রুট
→ যুদ্ধ হইলে পূর্ব ফ্রন্ট কাদের হাতে থাকবে, আপনিই বলেন
→ ভবিষ্যতের বাংলাদেশ হবে একটা UN ম্যানেজড মুসলিম “থিম পার্ক”
একজন মেহমানের জন্য কেউ বাসা বিক্রি করে না। কিন্তু বাংলাদেশ এখন মিলিটারি এলাকা ভাড়া দিছে প্যাকেজ সুদ্ধা।
হাসিনার পতন কি বিজয় ছিল? হ্যাঁ। সে ছিল ভারতের চরম দালাল। কিন্তু ইউনুস? সেও তো খুশি মুখে পশ্চিমাদের লিস্টে সাইন কইরা দিতেছে। ওয়ার্ল্ড ব্যাংক, গেটস ফাউন্ডেশন, DAVOS এদের প্রিয় মুখ
হইলো ড. ইউনূস। এই করিডরের মাধ্যমে ওদের লিস্টের প্রধান কাজটা সে কমপ্লিট করলো।
তাইলে খেলা বুঝতেছেন?
পুতুল বদল হইছে। নাটের গুরু আগেরই আছে।
কিন্তু এখন কী করা দরকার?
→ এই মানবিক সাহায্যের ফালতু ন্যারেটিভ বাতিল করার জন্য লেখতে হবে
→ জাতীয় সম্মতি ছাড়া কোনো ফরেন এনট্রি মানি না, করিডর মানি না, এই দাবী করতে হবে
→ আলেম, অ্যাক্টিভিস্ট, স্টুডেন্ট সবাইকে ডিপ স্টাডি কইরা সত্য জানতে হবে
→ “ফরেন এইড” রোমান্টিসাইজ বন্ধ করতে হবে
→ মুসলিমদের গাজওয়াতুল হিন্দ সম্পর্কে পড়তে হবে
লেখা শেষ করতে পারতেছি না এখনই।
করিডর দেয়ার আগেই এই ইন্টেরিম সরকার কী কী করছে বা চুপচাপ ঠেলতেছে?
১. সংবিধানে “Pluralism” সংযোজন করতে প্রস্তাব দিছে। এইটার মানে অনেক আলেমও বুঝেন না। একটু পড়াশুনা করতে হবে ভাই। Secularism এর বাপ হইলো Pluralism। এইটার মাধ্যমে ইসলামী শিকড় কেটে ফেলা হবে। LGBTQ পুশ দিবে। ধর্মীয় রীতিনীতি পুরাই প্রাচীন শো পিস বানায় ফেলবে।
২. ১১টা রিফর্ম কমিশন বসাইছে। বিচার বিভাগ, পুলিশ, নির্বাচন কমিশন সব বিদেশী ফ্রেমওয়ার্কে যাচাই করতেছে। কিন্তু দেশের বিভিন্ন পরিস্থিতি সামাল দেয়ার কোনো ইচ্ছা নাই। আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধকরণ, দেশের সচিব পর্যায়ে পরিবর্তন, ফ্যাসিবাদ নির্মূল, এগুলা নিয়া কোনো প্ল্যান নাই। উল্টা বিএনপির পুরান মাস্তানদের জেল থেকে ছাইড়া দিতেছে।
৩. Starlink স্যাটেলাইট এর লাইসেন্স আনছে। Full-spectrum digital mesh under Elon Musk, a Zionist-sympathetic capitalist। দেশের মাথার উপরেই এখন থেকে থাকবে নজরদারির জাল। ডেটা আর কমিউনিকেশন হবে আমেরিকান কন্ট্রোলড।
৪. U.S. Trade Concessions Behind Closed Doors। যুক্তরাষ্ট্র ট্যারিফ ডিলে করবে বলছে। এর বদলে দেশে আমেরিকান খাদ্য, ওষুধ, ফার্মা, ডিজিটাল লেভারেজ ঢুকতে দিতেছে। (আমার আরেকটু পড়াশোনা করতে হবে এই বিষয়ে)।
৫. UNICEF এর “চিলড্রেনস কোর্ট” ঢুকাইছে। Your child can be taken, judged, or labeled extremist via UN standards। বুঝতেছেন?
৬. Gates Foundation দিয়া হেলথ সেক্টরে ওষুধ, জন্মনিয়ন্ত্রণ, নিউট্রিশনের নামে নীরব ইউজেনিক্স চালাইতেছে। কিন্তু বিষয়টা একটু ঘোলাটে। আরো পড়াশোনা করবো।
৭. Marital R**e Law, LGBTQ normalisation, রেইনবো ফ্ল্যাগ, ইনক্লুসিভ এডুকেশন, আইডেন্টিটি রাইটস, সংসদ ভবনের উপর এঞ্জেল সিম্বল,, Prostitution rebranding under “Sex workers' rights”..... and so on।
সবচেয়ে মজার ব্যপার হচ্ছে এতদিন যে রোহিঙ্গাদের মারা হইসে, যারা মারসে তাদের শেল্টার দিসে বাংলাদেশ। আর এই আরাকান আর্মি হচ্ছে আমেরিকান ব্যাকড আর্মি যারা রাখাইন রাজ্য থেকে রোহিঙ্গাদের বের করে দিচ্ছে। আর তাদেরকেই মানবিক সাহায্য দিতে চাচ্ছে বাংলাদেশ। এর মানে হচ্ছে মুসলিমদের বিরুদ্ধে কাফেরদের সাহায্য করা। এটা যারা করবে এবং মনে মনে সাপোর্ট করবে তারাও কাফের হয়ে যাবে।
যে বা যারা দিল্লি বা ওয়াশিংটনের দাসত্ব করবে তাদের কারো কাছেই তো দেশ নিরাপদ না।
© বিশ্লেষকের সৌজন্যে।
01/05/2025
৪৪টা যুদ্ধবিমান!
তাও পুরোনো, জং ধরা, আধুনিকতার ধারে কাছে না!
আর আমরা লজ্জা না পেয়ে গর্ব করি—"স্বাধীন দেশ!"
ভারত ৫০০টা নিয়ে একসাথে ৫টা ফ্রন্ট সামলাতে পারে,
পাকিস্তান ৪৪৫টা নিয়ে যুদ্ধের জন্য রেডি।
আর আমরা?
দলবাজিতে মাস্টার!
টকশোতে জেনারেল, ফেসবুকে কৌশলী, আর মাঠে? শুনশান শূন্যতা।
আমাদের একটাই স্পেশাল স্কোয়াড—
“Keyboard Battalion”!
পোস্ট দিবে, শেয়ার করবে, “দেশপ্রেম” জাহির করবে—
আর বাস্তবে, একটা গোলা উড়লে পাত্তা নাই!
আসল শত্রু বাইরের না—আমরা নিজেরাই শত্রু নিজেদের।
কারণ আমরা যুদ্ধের জন্য না,
তর্কের জন্য জন্মেছি।
বাচ্চা জন্মের পর স্কুলে ভর্তি হয় না, আগে দল চিনে!
ডাক্তার জীবন বাঁচায় না, দল বাঁচায়!
ইঞ্জিনিয়ার বিল্ডিং বানায় না, বরাদ্দ চিবায়!
আর্মি অফিসারও রাজনীতির ব্যানারে ঝুঁকে পড়ে!
এই তো আমরা—মেধাহীন, পরিকল্পনাহীন, দায়িত্বহীন!
নেতারা গাড়িতে বুলেটপ্রুফ, আর দেশের সীমানা?
একটা ড্রোন আসলেও ধরার কেউ নাই!
একদিন হুট করে আকাশ কালো হবে,
বোমা পড়বে মাথার উপর—
তখন আর পোস্ট দেওয়ার সময় থাকবে না,
তখন বুঝব—"দেশটা ফেসবুক দিয়ে রক্ষা হয় না!"
তখন বুঝব—“বন্ধুদেশ” বলে কিছু নেই,
যার অস্ত্র আছে, তারই দাপট চলে!
এই ঘুম, এই ঢোল-বাজানো দেশপ্রেম,
সব পুড়ে ছাই হয়ে যাবে একটুখানি আগুনে।
আর তখন?
আমরা কাঁদব... কিন্তু কেউ শুনবে না।🙂
© Collected
আলহামদুলিল্লাহ 🤲
ঈদুল ফিতরের চাঁদ দেখা গিয়েছে।
সবাইকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা।
বৃষ্টির দিন ⛈️🌧️
জাবরিয়া, কুয়েত
#কুয়েত
12/02/25 ⛈️🌧️
যদি গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার পূর্ণ স্বাদ লাভ করতে চাও
তবে ছাত্রদের সাথে ঐক্য গড়ে তোল।
এর বাইরে সবকিছু না।
প্রবাসী মেয়েরা।
18/07/2024
মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে প্রশ্ন, এটা কি?
❓❓❓❓❓❓❓❓❓❓❓
#19971
👰♀️স্ত্রীর চাহিদা তখনই বেড়ে যায় যখন স্বামীর সাথে তার দুরত্ব বেড়ে যায়।
তখন সে গহনা, শাড়ি, দামী জিনিস এসবের প্রতি ভালোলাগা খুঁজে পায়।
👩🦰স্ত্রী হলো মাটির মত আর ভালোবাসা হলো পানি
আপনি দুটোকে মিশিয়ে ইচ্ছে মত আকৃতি দিতে পারবেন।
👩🏽আপনার স্ত্রী কখনোই আপনার কাছে লক্ষ্য টাকা দামের জিনিস চাইবেনা, যদি আপনি মাঝে মধ্যে স্ত্রীকে নিয়ে রাস্তার পাশে ৩০ টাকা দামের ফুচকা খান।
🙎♀️আপনার স্ত্রী কখনোই আপনাকে বলবেনা, আমাকে দামী গাড়ী কিনে দাও, যদি আপনি মাঝে মধ্যে স্ত্রীকে নিয়ে হুট খোলা রিকশায় এই শহরটা একটু ঘুরে বেড়ান।
💁♀️পুরো সংসারের কাজ করার পরেও আপনার স্ত্রী বলবেনা আমার কষ্ট হচ্ছে,
যদি আপনি আপনার স্ত্রীর কে ভালোবেসে কপালে একটা চুমু খান, এবং তাঁর কাজে সহযোগিতা করেন।
💏ভালোবাসা তো শুধু দামী জিনিসের মধ্যেই লুকিয়ে থাকেনা,
মাঝে মধ্যে ভালবাসা ১৫ টাকা দামের গোলাপ আর রাস্তার পাশে বিক্রি হওয়া ৩০ টাকা দামের কাচের চুড়ির মধ্যেও লুকিয়ে থাকে।
👸কেয়ার থাকলে সংসার যুদ্ধ ক্ষেত্র না হয়ে, হবে স্বর্গ...............।
তাই নিজের স্ত্রীকে উত্তম ভালবাসাটা দেওয়ার চেষ্টা করুন 👰👩❤️👨💃
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Feni
3902
