Md.Eamin Islam Azmin

Md.Eamin Islam Azmin

Share

সত্য ন্যায়ের সৈনিক তাইতো আমি নির্ভীক

04/06/2026

বৃষ্টি নামুক আমার শহরে
বৃষ্টি নামুক আমার শহরে, সৃষ্টি হোক জলপ্রপাতের গান, মেঘের আঁচলে ঢেকে যাক আকাশ, ভিজে উঠুক নিস্তব্ধ সন্ধ্যার প্রাণ।
ছাদের কার্নিশ বেয়ে ঝরে পড়ুক হাজারো ফোঁটার মিষ্টি সুর, ক্লান্ত দিনের সব ব্যথা ভুলিয়ে প্রকৃতি হোক শান্ত, স্নিগ্ধ, ভরপুর।
ভেজা বাতাস ছুঁয়ে যাক মন, দূরে কোথাও বাজুক বাঁশির সুর, চায়ের কাপে জমুক উষ্ণতা, আর স্মৃতিগুলো হোক একটু মধুর।
রাস্তাঘাট ধুয়ে যাক বৃষ্টিধারায়, মুছে যাক যত ধুলো আর ক্লান্তি, এই ক্ষণিক নীরবতার ভেতর খুঁজে পাই হৃদয়ের প্রশান্তি।
বৃষ্টি নামুক আমার শহরে, ঝরুক অনন্ত ভালো লাগার রেশ, মেঘলা আকাশের নরম ছোঁয়ায় হারিয়ে যাক সব দুঃখের আবেশ।
শুধু বৃষ্টি, এক কাপ চা, আর কিছু প্রিয় অনুভূতির সাথ— এই তো সুখ, এই তো শান্তি, এই তো জীবনের সবচেয়ে সুন্দর প্রভাত। 🌧️☕🍃

26/05/2026

দৃষ্টি পড়েছিল যখন ওই দু’চোখে,
মনে হয়েছিল সময় যেন থমকে গেছে এক মুহূর্তে।
চারপাশের সমস্ত শব্দ হারিয়ে গিয়ে
শুধু তোমার চোখের ভাষাই কথা বলছিল নীরবে।
সেদিন বুঝেছিলাম,
ভালোবাসা শব্দে নয়, অনুভূতিতে গড়ে ওঠে।
কারও মায়াভরা চোখে নিজের পৃথিবী খুঁজে পাওয়ার নামই হয়তো প্রেম।
তোমার সেই এক পলক চাহনি
আমার অগোছালো হৃদয়টাকে শিখিয়ে দিয়েছিল স্বপ্ন দেখতে।
তারপর থেকে রাতগুলো জোছনায় ভিজে যায়,
আর মনটা অকারণে তোমার নামেই হাসে।
তুমি কাছে থাকো বা দূরে,
তোমার অনুভূতি আজও বুকের গভীরে নরম এক শান্তি হয়ে রয়ে গেছে।
কারণ কিছু মানুষ জীবনে আসে
ভালোবাসাকে শুধু অনুভব করানোর জন্য নয়,
হৃদয়ের প্রতিটি স্পন্দনে নিজের অস্তিত্ব রেখে যাওয়ার জন্য।
দৃষ্টি পড়েছিল যখন ওই দু’চোখে,
সৃষ্টি হয়েছিল ভালোবাসার—
আর সেই ভালোবাসায় আজও নিঃশব্দে বেঁচে আছে আমার হৃদয়।

"সেই দৃষ্টি আমার ভালোবাসার সৃষ্টি হয়ে থাক"

07/05/2026

প্রেমের হয় বিচ্ছেদ, ভালোবাসার নয়।
তাই তোমার সাথে প্রেমটা জমে উঠলেও,
ভালোবাসাটা আর হয়ে ওঠেনি।
হয়তো কথার অভাব ছিল না,
অভাব ছিল অনুভূতির গভীরতায়।
কিছু মানুষ জীবনে আসে গল্প হয়ে,
আর কিছু মানুষ থেকে যায় অপূর্ণতা হয়ে।

14/03/2026

“শান্ত সমুদ্র কখনো দক্ষ নাবিক তৈরি করে না।
মানুষের জীবনে নানা রকম বাধা, কষ্ট ও ঘাত-প্রতিঘাত আসে। অনেক সময় আমরা এসব সমস্যাকে ভয় পাই বা এড়িয়ে যেতে চাই। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এসব প্রতিকূলতাই মানুষকে শক্ত, সাহসী ও অভিজ্ঞ করে তোলে। যেমন একজন নাবিক যদি সব সময় শান্ত সমুদ্রে জাহাজ চালায়, তবে সে কখনো ঝড়-তুফানের সাথে লড়াই করতে শিখবে না। তেমনি মানুষের জীবনেও যদি কোনো চ্যালেঞ্জ না থাকে, তবে তার মধ্যে ধৈর্য, সাহস এবং আত্মবিশ্বাস গড়ে ওঠে না। জীবনের প্রতিটি বাধা আমাদের কিছু না কিছু শিক্ষা দেয় এবং আমাদের পরিপক্ব মানুষ হতে সাহায্য করে। তাই জীবনের কষ্ট ও সমস্যাকে ভয় না পেয়ে সেগুলোকে সাহসের সাথে মোকাবিলা করা উচিত। কারণ এসব অভিজ্ঞতাই একজন মানুষকে প্রকৃত অর্থে শক্ত, দক্ষ ও সফল করে তোলে।

28/02/2026

isরাইলে ইরানে নতুন হামলার দৃশ্য এটি,,

27/02/2026

না-পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা
না-পাওয়া মানুষটার জন্যই হৃদয় সবচেয়ে বেশি কাঁদে।
যাকে কখনো নিজের বলা হয়নি, তাকেই যেন সবচেয়ে আপন মনে হয়।
হাজার মানুষের ভিড়ে থেকেও তার অনুপস্থিতি সবচেয়ে বেশি অনুভূত হয়—কারণ সে ছিল না, তবু ছিল… নিঃশ্বাসের ভেতর, দোয়ার ভেতর, স্বপ্নের ভেতর।
তোমাকে পাওয়ার স্বপ্ন আমি কতভাবে এঁকেছিলাম জানো?
রাতের আকাশে তারার পাশে তোমার নাম লিখেছিলাম কল্পনায়।
ভেবেছিলাম, একদিন হাতটা ধরবো—চুপচাপ, নিঃশব্দে, যেন পৃথিবী থেমে যায়।
কিন্তু পৃথিবী থামেনি…
সময় থামেনি…
শুধু আমার চাওয়াটাই থেমে গেছে অজানা কোনো মোড়ে।
না-পাওয়া ভালোবাসা খুব অদ্ভুত।
এতে অধিকার নেই, তবু গভীর টান আছে।
এতে প্রতিশ্রুতি নেই, তবু অপেক্ষা আছে।
এতে একসাথে পথচলা নেই, তবু স্মৃতির ভেতর পাশাপাশি হাঁটা আছে।
কখনো কখনো মনে হয়—
যদি একটু দেরি না হতো,
যদি একটু সাহস বেশি থাকতো,
যদি ভাগ্যটা একটু নরম হতো—
তাহলে হয়তো তুমি আমারই হতে।
তবু জানো?
এই না-পাওয়ার মধ্যেই এক অদ্ভুত সৌন্দর্য আছে।
কারণ তোমাকে না পেয়েও আমি তোমাকে নিঃস্বার্থভাবে ভালোবাসতে পেরেছি।
কোনো দাবি ছাড়া, কোনো অভিযোগ ছাড়া।
শুধু চুপচাপ প্রার্থনা করেছি—তুমি যেন ভালো থাকো।
হয়তো কোনো এক জন্মে, কোনো এক অন্য আকাশের নিচে—
আমাদের দেখা হবে আবার।
সেখানে না-পাওয়ার কষ্ট থাকবে না,
থাকবে শুধু হাত ধরে হাঁটার নিশ্চয়তা।
আর যদি সে দিন না-ও আসে,
তবু তুমি জেনে রেখো—
আমার হৃদয়ের সবচেয়ে নরম জায়গাটুকু আজও তোমার জন্যই রয়ে গেছে।
না-পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা হয়ে,
এক চিরন্তন, নীরব ভালোবাসা হয়ে।

24/02/2026

*শুকতারা *
চারদিকে সবাই ঘুমিয়ে পড়েছে, কিন্তু নিহালের চোখে ঘুম নেই।
বারান্দায় দাঁড়িয়ে সে আকাশের দিকে তাকাল।
একটা উজ্জ্বল আলো স্থির হয়ে জ্বলছে—শুকতারা।
তার মনে হলো, এই তারাটাও কি কারো জন্য অপেক্ষা করে?
নিহালের জীবনে একসময় ছিল মায়া।
মায়ার হাসি ছিল ভোরের আলো, আর তার কণ্ঠ ছিল শান্ত নদীর মতো।
তারা প্রতিদিন কথা বলত, ভবিষ্যতের স্বপ্ন আঁকত।
কিন্তু জীবন তো সবসময় গল্পের মতো সহজ হয় না…
ভুল বোঝাবুঝি জমতে জমতে একদিন দেয়াল হয়ে দাঁড়াল।
কেউ কাউকে পুরোটা বোঝাতে পারল না,
অভিমান শব্দের চেয়ে বড় হয়ে গেল।
শেষবার যখন কথা হয়েছিল,
মায়া বলেছিল,
— “সব সম্পর্ক ধরে রাখা যায় না…”
সেদিন থেকে নিহাল প্রতিরাতে শুকতারার দিকে তাকায়।
তার মনে হয়,
“যদি আবার শুরু করা যেত! যদি একবার বলতে পারতাম—আমি এখনও ভালোবাসি…”
একফোঁটা অশ্রু গড়িয়ে পড়ে।
আকাশে শুকতারা তখনো জ্বলছে,
কিন্তু নিহালের মনে আজ অন্ধকার।
তবুও সে জানে—
কিছু ভালোবাসা কখনো পুরোপুরি হারিয়ে যায় না।
ওরা শুকতারার মতোই—
দূরে থাকে, তবু হৃদয়ের আকাশে সবচেয়ে উজ্জ্বল হয়ে জ্বলে…

22/02/2026

আমার ছায়াই আমাকে
মানুষ যখন দূরে সরে যায়,
কথারা যখন আর পাশে থাকে না,
তখন আমার ছায়াই আমাকে জড়িয়ে ধরে।
রোদে সে লম্বা হয়,
অন্ধকারে হারিয়ে যায়—
তবু কখনও বিশ্বাসঘাতকতা করে না।
যে মানুষটা আমার ছিল না,
সে চলে গেছে দূরের আকাশে,
কিন্তু আমার ছায়া—
নীরবে পায়ের সাথে হেঁটে যায়।
আমি থামলে সে থামে,
আমি কাঁদলে সে নীরব হয়,
আমি একা হলে—
সে-ই একমাত্র সাক্ষী থাকে।
হয়তো পৃথিবী আমাকে ভুলে যাবে,
কিন্তু আমার ছায়া জানে—
আমি কতটা ভালোবেসেছিলাম।

22/02/2026

নিয়তির কাছে নীরব প্রশ্ন
হে সৃষ্টি কর্তা,
তোমার দরবারে আমার এক ফোঁটা অশ্রুর অভিযোগ আছে—
যাকে আমার কপালে লেখোনি,
তাকে কেন আমার হৃদয়ের কাবায় বসালে?
যে আমার হবে না জেনেও
কেন তার নামেই আমার ভোর হয়?
কেন তার স্মৃতিতে সন্ধ্যা নামে?
কেন তার কণ্ঠহীন নীরবতাও
আমার বুকের ভেতর ঝড় তোলে?
তুমি তো জানো—
আমি তাকে চেয়েছিলাম সারা জীবনের জন্য,
একটা ঠিকানার মতো,
একটা নিশ্চিন্ত ছায়ার মতো।
কিন্তু তুমি দিলে তাকে—
শুধু অনুভূতি হয়ে,
স্বপ্ন হয়ে,
অপূরণীয় এক দোয়া হয়ে।
হে রব,
যদি সে আমার না-ই হয়,
তবে কেন তার জন্য আমার এত মায়া?
কেন তার অনুপস্থিতিও
আমার উপস্থিতির চেয়ে বেশি ভারী?
তবু জানি—
তোমার লেখা কদর (নিয়তি) ভুল হয় না।
হয়তো সে আমার জীবনের মানুষ নয়,
কিন্তু আমার জীবনের শিক্ষা।
হয়তো সে আমার গন্তব্য নয়,
কিন্তু পথের আলো।
আজ আর অভিযোগ করি না—
শুধু বলি,
যদি তাকে আমার না-ই করো,
তবে আমার হৃদয়টা একটু হালকা করে দিও।
তার স্মৃতিকে দোয়া বানিয়ে দাও,
কষ্টকে ইবাদত বানিয়ে দাও।
কারণ আমি তাকে হারাইনি—
আমি শুধু তোমার সিদ্ধান্ত মেনে নিতে শিখছি।

17/02/2026

“মৃত্যুর সঙ্গে শেষ সাক্ষাৎ”
সেদিন রাতটা ছিল অদ্ভুত নীরব,
চাঁদ ছিল, তবু আলো যেন কাঁপছিল হাওয়ায়।
আমি একা দাঁড়িয়ে—
হঠাৎ পেছন থেকে কেউ ডাকল খুব আস্তে।
ফিরে দেখি,
ছায়ার মতো কেউ দাঁড়িয়ে আছে—
চোখে তার অসীম গভীরতা,
মুখে শান্ত এক অচেনা হাসি।
সে বলল, “ভয় পেয়ো না,
আমি শেষ নই—
আমি শুধু দরজা।”
হাওয়াটা হঠাৎ ঠান্ডা হয়ে গেল,
পাতারা কাঁপল অকারণে,
আমার বুকের ভেতর ঢেউ উঠল
অজানা কোনো সমুদ্রের।
আমি জিজ্ঞেস করলাম,
“ওপারে কী আছে?”
সে মৃদু হেসে বলল—
“যা খুঁজে ফিরেছ সারাজীবন,
শান্তি… অথবা সত্য।”
তার ছোঁয়া ছিল বরফের মতো,
তবু তাতে আগুনের উত্তাপ—
ভয় আর কৌতূহলের মাঝখানে
আমি হয়ে গেলাম এক নীরব অভিযাত্রী।
তারপর হঠাৎ—
সব আলো মিলিয়ে গেল,
কিন্তু অন্ধকারটা আর ভয়ের ছিল না,
ছিল শুধু এক অদ্ভুত মুক্তি।
মৃত্যু সেদিন শত্রু ছিল না,
ছিল রহস্যময় এক সঙ্গী—
যে শেখাল,
প্রতিটি শেষের ভেতরেই লুকিয়ে থাকে
নতুন কোনো শুরু।

Website