Siyam
Welcome To Our official page " Siyam " Stay Connected and enjoy our videos. Thanks you ❤️🩹💥
*→ তারাবীহের সালাতের দোয়া ও মুনাজাত*
রামাদানের কিয়ামুল্লাইলকে ‘সালাতুত তারাবীহ’ বা ‘বিশ্রামের সালাত’ বলা হয়। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর যুগে তিনি নিজে ও সাহাবীগণ রামাদান ও অন্যান্য সকল মাসেই মধ্যরাত থেকে শেষ রাত পর্যন্ত ৪/৫ ঘণ্টা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে একাকি কিয়ামুল্লাইল বা তাহাজ্জুদ ও তারাবীহ আদায় করতেন। উমার (রা) এর সময় থেকে মুসলিমগণ জামাআতে তারাবীহ আদায় করতেন। সাধারণত ইশার পর থেকে শেষরাত্র বা সাহরীর পূর্ব সময় পর্যন্ত ৫/৬ ঘণ্টা যাবৎ তাঁরা একটানা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে তারাবীহের সালাত আদায় করতেন।
যেহেতু এভাবে একটানা কয়েক ঘণ্টা দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করা খুবই কষ্টকর, সেহেতু পরবর্তী সময়ে প্রতি ৪ রাক‘আত সালাত আদায়ের পরে প্রায় ৪ রাক‘আত সালাতের সম পরিমাণ সময় বিশ্রাম নেয়ার রীতি প্রচলিত হয়। এজন্যই পরবর্তীকালে এ সালাত ‘সালাতুত তারাবীহ’ বলে প্রসিদ্ধ হয়।
এ ‘বিশ্রাম’ সালাতের বা ইবাদতের কোনো অংশ নয়। বিশ্রাম না করলে সাওয়াব কম হবে বা বিশ্রামের কমবেশির কারণে সাওয়াব কমবেশি হবে এরূপ কোনো বিষয় নয়। বিশ্রাম মূলত ভালভাবে সালাত আদায়ের উপকরণ মাত্র। বিশ্রামের সময়ে মুসল্লী যে কোনো কাজ করতে পারেন, বসে বা শুয়ে থাকতে পারেন, অন্য নামায আদায় করতে পারেন, কুরআন তিলাওয়াত করতে পারেন বা দোয়া বা যিকর-এ রত থাকতে পারেন। এ বিষয়ে কোনো নির্ধারিত কিছুই নেই।
গত কয়েক শতাব্দী যাবত কোনো কোনো দেশে প্রতি চার রাক‘আত পরে একটি নির্ধারিত দোয়া পাঠ করা হয় এবং একটি নির্ধরিত মুনাজাত করা হয়। অনেক সময় দোয়াটি প্রতি ৪ রাক‘আত অন্তে পাঠ করা হয় এবং মুনাজাতটি ২০ রাক‘আত অন্তে পাঠ করা হয়।
দোয়াটি নিম্নরূপ:
سُبْحَانَ ذِي الْمُلْكِ وَالْمَلَكُوتِ ، سُبْحَانَ ذِي الْعِزَّةِ وَالْعَظَمَةِ (وَالْهَيْبَةِ) وَالْقُدْرَةِ وَالْكِبْرِيَاءِ وَالْجَبَرُوتِ ، سُبْحَانَ الْمَلِكِ الْحَيِّ الَّذِي لا يَنَامُ وَ) لا يَمُوتُ (أبَداً أَبَداً)، سُبُّوحٌ قُدُّوسٌ (رَبُّنَا وَ) رَبُّ الْمَلائِكَةِ وَالرُّوحِ، (لا إلَهَ إلا اللَّهُ نَسْتَغْفِرُ اللَّهَ ، نَسْأَلُك الْجَنَّةَ وَنَعُوذُ بِك مِنْ النَّارِ)
মুনাজাতটি নিম্নরূপ:
اَللّهُمَّ إِنَّا نَسْأَلْكَ الْجَنَّةَ وَنَعُوْذُ بِكَ مِنَ النَّارِ يَا خَالِقَ الْجَنَّةِ وَالنَّارِ بِرَحْمَتِكَ يَا عَزِيْزُ يَا غَفَّارُ يَا كَرِيْمُ يَا سَتَّارُ يَا رَحِيْمُ يَا جَبَّارُ يَا خَالِقُ يَا بَارُّ اَللّهُمَّ أَجِرْنَا مِنَ النَّا
15/01/2026
আমরা দমে যাইনি, দ্বিগুণ শক্তি সঞ্চারিত করেছি।
ইসলামী শিক্ষার প্রয়োজনে হাজার বার রাস্তায় নামতে প্রস্তুত।
আল্লামা হুছাম উদ্দিন চৌধুরী ফুলতলী।
গাজা আজই শেষ হয়ে যাবে না। যতদিন এই দুনিয়া থাকবে, ততদিন গাযা এবং ফিলিস্তিনও থাকবে। কারণ এটি আল্লাহ্র কুরআনিক ওয়াদা এবং রাসূলের (স.) ভাষায় ঘোষণা। কেয়ামতের আগে পৃথিবীর রাজধানী হবে আল-আকসা, আর সেন্টার পয়েন্ট হবে ফিলিস্তিন।
কোন এক রাতে হয়তো শুনবো, প্যালেস্টাইন ও স্বাধীন। ইনশাআল্লাহ।
রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন:
"তুমি শামের বরকতের কথা শুনোনি? আমি দেখেছি আল্লাহর ফেরেশতারা শামের উপর তাদের ডানা বিছিয়ে দিচ্ছে।"
— (তিরমিযি: 3954)
"তোমরা শামে অবস্থান করো, কেননা শাম হচ্ছে ঈমানদারদের ঘাঁটি।"
— (আবু দাউদ: 2483)
গাজা—বাইতুল মাকদিসের প্রান্তবর্তী অঞ্চল:
রাসূল (সা.) বলেন:
"আমার উম্মতের একটি দল সবসময় আল্লাহর আদেশ পালন করে যাবে। কেউ তাদের ক্ষতি করতে পারবে না, যতক্ষণ না আল্লাহর আদেশ (কিয়ামত) এসে যায়।"
সাহাবীরা জিজ্ঞাসা করলেন: তারা কোথায় থাকবে?
তিনি বললেন: 'বাইতুল মাকদিস এবং তার আশেপাশে।'"
— (মুসলিম: 156, আহমাদ: 502)
গাজা হচ্ছে ঠিক সেই অঞ্চল যা বাইতুল মাকদিসের উপকণ্ঠে অবস্থিত। আজকের দিনে যারা গাজায় আল্লাহর জন্য সংগ্রাম করছে, তারা সেই প্রতিশ্রুত দল হতে পারে ইনশাআল্লাহ।
20/03/2025
Protect what's yours,
Even if they claim it's theirs.
ইয়া আল্লাহ্! ফি/লি/স্তি/নের মুসলমানদের উপর দয়ার নজর করো!🙏
🎤আল্লামা হুসাম উদ্দিন চৌধুরী ফুলতলী।
Click here to claim your Sponsored Listing.
