Dr. Jesmin's Window
Light of life
09/05/2025
বেঁচে থাকাটাই আসলে আশ্চর্য !
সকালে ঘুম থেকে উঠে কোলগেট পেস্ট নিলাম-তার মধ্যে ক্যান্সারের উপাদান!
তারপর নাস্তায় পরোটা খাইলাম- তার মধ্যে অ্যামোনিয়ার তৈরি সল্টু মিশানো!
তারপর কলা খাইলাম - কার্বাইড দিয়ে পাকানো!
তারপর কফি নিলাম - এতে তেঁতুলের বিচির গুড়া মিশানো!
তারপর বাজারে গেলাম টাটকা শাক সবজি কিনলাম-
কপার সালফেট ছিটায়ে সতেজ করা, হাইব্রিড সার দিয়ে ফলানো!
মসলা আর হলুদের গুড়া নিলাম - লেড এবং ক্রোমাইট ক্যামিকেল মিশানো!
গরমের দিন বাসায় এসে তরমুজ খাইলাম - পটাশিয়াম পারম্যাংগানেট দিয়ে লাল করা!
আম এবং লিচু বাচ্চাকে দিলাম খেতে - কার্বাইড দিয়ে পাকানো এবং ফরমালিন দিয়ে সংরক্ষিত!
দুপুরে ভাত খাবো - ইউরিয়া দিয়ে সাদা করা!
মুরগী নিলাম প্লেটে- ক্রমাগত এন্টিবায়োটিক দিয়ে বড় করা!
সয়াবিন তেলে রান্না সব - ভিতরে অর্ধেক পাম অয়েল মেশানো!
খাওয়ার পর মিষ্টি জিলাপি নিলাম - পোড়া মবিল দিয়ে মচমচে করা!
রোজা থাকলে সন্ধ্যায় রুহ আফযা নিলাম - ক্যামিকেল আর রং ছাড়া কোন পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায়নি পরীক্ষায়!
খেজুর খাইলাম - বছরের পর বছর স্টোরেজে ফরমালিন দিয়ে রেখেছিলো!
সরিষার তেল দিয়ে মুড়ি মাখানো খাইলাম- মুড়ি ইউরিয়া দিয়ে ফুলানো আর সাদা করা এবং সরিষার তেলে ঝাঁঝালো ক্যামিকাল মিশানো!
রাতে আবার একই বিষ ডবল খাইলাম!
ঘুমানোর আগেও বাদ যাবেনা। গরম দুধ আর হরলিক্স খাইলাম- গাভীর পিটুইটারি গ্রন্থিতে ইঞ্জেকশন দেওয়ার পর অতিরিক্ত দুধ দোওয়ানো হয়, এরপর ইউরিয়া মেরে সাদা করা হয়।আর হরলিক্সে পরীক্ষা করে ক্যামিকাল ছাড়া কোন পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায়নি!
এত ভেজাল খেয়ে দু একটা ঔষধ না খেলে তো শরীর টিকবেনা। ৭০ ভাগ ঔষধ কোম্পানি দেশে মান সম্মত ঔষধ তৈরি করেনা।
এইসব খাওয়ার পর ভাবতেছি, কেমনে বেঁচে আছি!..মানুষের ঈমান তো নাই নাই, দুর্নীতির ভিতরেও এরা দুর্নীতি করে। আসলে আমরা কেউই বেঁচে নাই।
মাহে রমজান মোবারক। সবাই এই রমজানে আসুন একটু বেশি আমল করার চেষ্টা করি। এটাই গুনাহ মাফের সবচেয়ে উপযুক্ত সময়। ৫ ওয়াক্ত নামাজ ও রোজা রখার বাহিরেও কিছু আমল আমাদের করতে হবে।
যেগুলো করবো-
১। দান-সাদাকাহ বাড়িয়ে দিবো। এই রমজানে প্রতিদিন কমপক্ষে ১০০ টাকা হলেও দান করবো।
২। প্রতিদিন কুরআন মাজিদ পড়বো। কমপক্ষে ১ পারা পড়ার চেষ্টা করবো। না পারলে কিছু আয়াত হলেও পড়বো। প্রতিদিনের পড়া কিছু আয়াতের অর্থ ও তাফসির পড়বো।
৩। ইফতারের আগে পরিবারের সবাইকে নিয়ে দোয়া পড়বো। এই সময় দোয়া কবুল হয়।
৪। তাহাজ্জুত এর নামাজ পড়ার চেষ্টা করবো। সহজ উপায় হচ্ছে সেহরির সময়ের একটু আগে উঠে কয়েক রাকাত তাহাজ্জুত পড়ে ফেলতে পারেন। (আমাদের একটি ভুলঃ তারাবিহ এর নামাজের পর বেতের পড়ে ফেলা এবং পরে তাহাজ্জুত পড়া। তাহাজ্জুত এর নামাজ পড়লে, তারপর বেতের এর নামাজ পড়তে হয়)
৫। দৃষ্টি সংযত করা। সোশাল মিডিয়া যত কম পারেন ব্যবহার করতে হবে।
৬। বেশি বেশি যিকির করা। নিম্নে কয়েকটি যিকির উল্লেখ করা হলো। এগুলোর সহিহ হাদিস ছবিতে দিয়ে দিয়েছি।
# # "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ ওয়াহুদাহু লা শারীকা লাহু লাহুল মুলকু ওয়া হুল হামদু, ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন কাদীর।" - ১০০ বার
# # "লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার, ওয়া লা-হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ" - ১০০ বার
# # "আস্তাগফিরুল্লাহা ওয়া আতুবু ইলাইহি" - ১০০ বার
# # "সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি সুবহানাল্লাহিল আজিম" - ১০০ বার
# # "সুবহানাল্লাহ" - ১০০ বার, "আলহামদুলিল্লাহ" - ১০০ বার, "লা- ইলা-হা ইল্লাহ" - ১০০ বার ও "আল্লাহু আকবার" - ১০০ বার
(আপনার সামর্থ অনুযায়ী পড়বেন। আমি কমপক্ষে ১০০ বার বলে দিলাম)
জয়ার প্রোগ্রামে স্পীচ
দিচ্ছিলাম
Click here to claim your Sponsored Listing.
