Dr. Bickram Kumar Paul
MBBS CMU(Ultra)
CCGP, DOC (Skin VD), CCD(BIRDEM)
Medicine, Diabetes, Skin and Sex Physician (GP) & Sonolgist
17/05/2026
লিভার ভালো রাখার ৫ টি উপায়
লিভার আমাদের শরীরের খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ। শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করা, হজমে সাহায্য করা ও শক্তি সঞ্চয় করার মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে লিভার। তাই লিভারের যত্ন নেওয়া খুব জরুরি।
১. স্বাস্থ্যকর খাবার খান
অতিরিক্ত তেল-চর্বি, ফাস্টফুড ও কোমল পানীয় কম খান। বেশি করে শাকসবজি, ফলমূল ও পর্যাপ্ত পানি পান করুন।
২. অযথা ওষুধ সেবন বন্ধ করুন
ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া দীর্ঘদিন ব্যথার ওষুধ বা বিভিন্ন হারবাল ওষুধ খেলে লিভারের ক্ষতি হতে পারে।
৩. নিয়মিত ব্যায়াম করুন
প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটা বা ব্যায়াম করলে ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি কমে যায়।
৪. ধূমপান ও অ্যালকোহল থেকে দূরে থাকুন
এসব অভ্যাস ধীরে ধীরে লিভার নষ্ট করে দিতে পারে।
৫. হেপাটাইটিস থেকে সুরক্ষিত থাকুন
হেপাটাইটিস বি ভ্যাকসিন নিন এবং নিরাপদ জীবনযাপন করুন।
যেসব লক্ষণ অবহেলা করবেন না:
ক্ষুধামন্দা
দুর্বলতা
চোখ বা শরীর হলুদ হওয়া
পেট ফুলে যাওয়া
সুস্থ লিভার মানেই সুস্থ জীবন।
নিজে সচেতন হোন, অন্যকেও সচেতন করুন।
04/05/2026
কিডনির যত্ন নেন। ডায়ালাইসিসের খরচ জানেন? এক বার করলে এপোলো ইউনাইটেডে মাত্র ৮ হাজার টাকা, অনেক জায়গায় আড়াই থেকে চার হাজার। শুধু গণস্বাস্থ্যে আট শত টাকা। কম না অনেক? সপ্তাহে ৩ বার করে লাগে।
কিডনি নিজে ব্লাড ফিল্টার করতে না পারলে তখন ডায়ালাইসিস করতে হয়।
মানে ৫ বছরে ৬০ লাখ থেকে দেড় কোটি টাকার মতো লাগে। এর ফলে আপনি ভালো হবেন না, জাস্ট বেচে থাকবেন। আসল খরচ তো রোগীর সামর্থ্য অনুযায়ী।
রাত জাগতে ভালো লাগে? পানি কম খান? হিসু চেপে রাখেন? ডায়াবেটিস নিয়ে চিন্তা নাই? হাই ব্লাডপ্রেশার পাত্তা দেন না? হাবিজাবি খাইতে ভাল্লাগে? ফাস্ট ফুড? দোকানের ফ্রিজে রাখা বার্গারের পেটির ডীপ ফ্রাই বা মেয়নেস ভর্তি পিজ্জা? আইসক্রিম? ভাজা পোড়া? হাবিজাবি? সফট আর হার্ড ড্রিংক্স?ওজন কমানোরর জন্য বিভিন্ন ধরনের ট্যাবলেট? ব্যথানাশক ওষুধ খান?
26/04/2026
শিশু হাম এ আক্রান্ত হলে করণীয় ⤵️
25/04/2026
হার্ট অ্যাটাক হলে ৩৩% রোগী হাসপাতালে পৌঁছার আগেই মারা যায়।
যারা হাসপাতালে ভর্তি হয় তাদের প্রায় ১৩-২০% রোগী হাসপাতালে ভর্তি থাকা অবস্থাতেই মারা যায়।
যারা প্রাথমিকভাবে বেঁচে হাসপাতাল থেকে ছুটি পেলো, তাদের ৫-১২% এক বছরের মধ্যেই মারা যায়।
যারা বেঁচে থাকে তাদের বার্ডেনও কম না। হার্ট এটাক হবার এক বছরের মধ্যে তাদের অন্তত ৫০% আবার নানা জটিলতা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়।
এই তথ্য-উপাত্তগুলো উন্নত বিশ্বের। যাদের চিকিৎসা মান, হসপিটাল ফ্যাসিলিটিস, মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলো থেকে অনেক বেশি।
কেন আমরা হার্ট এটাক নিয়ে এতো বেশি কনসার্নড? কারণ পৃথিবীতে আর একটি রোগও নেই যে রোগে এতো বেশি মানুষ পৃথিবী জুড়ে মারা যায়। উন্নত বিশ্বে প্রথম হার্ট এটাক হওয়ার বয়স যেখানে ৬৫ বছর, আমাদের দেশে তা গড়ে ৫১-৫২ বছর। ২৫-৪৫ বছর বয়সী প্রচুর হার্ট এটাকের রোগীও আমরা পাই। তাই এই রোগটি নিয়ে আমাদের প্রতিনিয়ত কথা বলে যেতে হবে।
কেন হয়? হার্ট এটাকের পেছনে তিনটি রিস্ক ফ্যাক্টরকে সবচেয়ে বেশি দায়ী করা হয়।
১.স্মোকিং
২.হাই প্রেশার
৩.ডায়াবেটিস
যতো হার্ট এটাক হয়, তার অন্তত ২০%-এর সঙ্গে হাই প্রেশারের সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়। সিস্টোলিক ব্লাড প্রেশার (উপরেরটা) ১০ মিমি মার্কারি কমালে হার্ট এটাকের ঝুঁকি ১৭% পর্যন্ত কমে।
19/04/2026
Category
Website
Address
6400
Alerts
Be the first to know and let us send you an email when Dr. Bickram Kumar Paul posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.
