MD HELAL
আমার আইডিতে ঢোকার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ সকল কবুতর ও পাখি প্রেমীদেরকে আমি অনেক শ্রদ্ধা করি🕊️❤️
13/08/2026
বৃষ্টিভেজা শহর, হাতে একটু অবসর আর মনে অনেক শান্তি। 🌧️❤️
জীবনটা এমনই হোক—সরল, সুন্দর আর নিজের মতো। 😊
#বৃষ্টিভেজা_দিন #জীবন #শান্তি 🌧️📸
13/08/2026
Sell kora hobe......
hornet 2021....
Number plate (feni-11-8689).
💌Inbox...or
phone 01854084884
🕊️🌧️ বৃষ্টির পানিতে একসাথে এতগুলো কবুতর! 😍
দৃশ্যটা দেখে মনটা ভালো হয়ে গেল ❤️
আপনার এলাকায় এমন দৃশ্য দেখা যায়? 👇
#কবুতর #বৃষ্টি #প্রকৃতি #সুন্দর_দৃশ্য #গ্রামের_দৃশ্য #বাংলাদেশ
11/08/2026
🐦 পাখিদের ছোট্ট সংসার, ছোট্ট একটু সুখ।
প্রকৃতির মাঝে এমন দৃশ্য দেখলেই মনটা ভালো হয়ে যায়। ❤️🌿
পাখিদের ভালোবাসা আর যত্নে ভরে উঠুক প্রতিটি দিন। 🥰🐦
10/08/2026
এটা নিয়ে আজ পর্যন্ত কারও কোনো মাথাব্যথা নেই, কেউ ফতোয়াও দিচ্ছে না। অথচ বাংলাদেশে শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য নির্মাণের সময় অনেকেই বলেছিলেন—ভাস্কর্য নির্মাণ হারাম, ভাস্কর্য তৈরি করা হারাম।
ইসলামী শরিয়তের দৃষ্টিতে ভাস্কর্য ও মূর্তি নির্মাণ নিয়ে যে নিষেধাজ্ঞার কথা হাদিসে এসেছে, সেটি যদি সত্যিই হারাম হয়, তাহলে প্রশ্ন হলো—আজ যখন জুলাই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ভাস্কর্য নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, তখন একই বিষয় নিয়ে আলোচনা বা আপত্তি কেন দেখা যাচ্ছে না?
জুলাই আন্দোলনের ইতিহাস লেখা হোক, শহীদদের স্মরণ করা হোক, তাঁদের আত্মত্যাগ প্রজন্মের পর প্রজন্ম জানুক—এটা অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু স্মরণ করার জন্য এমন কোনো পদ্ধতি কি বেছে নেওয়া যায় না, যা ইসলামী মূল্যবোধের সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ?
ইতিহাসে বদর ও খন্দকের মতো গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধ হয়েছে। সেখানে অসংখ্য সাহাবি শহীদ হয়েছেন। তাঁদের স্মরণ করার জন্য তো ভাস্কর্য নির্মাণের প্রচলন ছিল না।
তাই প্রশ্নটা কাউকে আক্রমণ করার জন্য নয়—প্রশ্নটা নীতির সামঞ্জস্য নিয়ে।
যদি ভাস্কর্য হারাম হয়, তাহলে সবার ক্ষেত্রেই একই কথা প্রযোজ্য হওয়া উচিত। আর যদি বৈধ হয়, তাহলে অতীতে এক পক্ষের ক্ষেত্রে এটিকে হারাম বলা হয়েছিল কেন?
নীতি সবার জন্য এক হওয়া উচিত—ব্যক্তি বা দলের পরিচয় অনুযায়ী বদলে যাওয়া উচিত নয়।
10/08/2026
সারা বাংলাদেশে পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে আজ গল্পকথা হচ্ছে।
পাশের হার দেড়শোটি পার্সেন্ট! 😄
এগারো লাখ চৌত্রিশ হাজার আটশো সাতাত্তর জন কৃতকার্য হয়েছে, আর ছয় লাখ নব্বই হাজার ছয়শো আটজন অকৃতকার্য হয়েছে।
যারা কৃতকার্য হয়েছো, সবাইকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভকামনা। ❤️🌸
আর যারা অকৃতকার্য হয়েছো, তারা মনোবল হারিয়ো না। মনে রেখো—শুধু একটি কাগজের সার্টিফিকেট দিয়ে মানুষের জীবনের মূল্যায়ন হয় না। লেখাপড়ার বাইরেও হাজার হাজার মানুষ জীবনে সফল হয়েছে।
সবাই তো ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, জজ বা ব্যারিস্টার হবে না। কেউ হবে নায়ক, কেউ গায়ক, কেউ শিল্পী, কেউ ব্যবসায়ী—প্রত্যেকের সফলতার পথ আলাদা।
তাই তুমিও তোমার সর্বোচ্চটুকু দিয়ে চেষ্টা করে যাও।
ইনশাআল্লাহ, একদিন তুমিও সফল হবে। 🤲❤️
পরীক্ষার ফলাফল জীবনের শেষ কথা নয়—এটা নতুন করে শুরু করার একটা সুযোগ।
10/08/2026
With Nazrul Islam – I just got recognised as one of their top fans! 🎉
💍 বিয়ের পবিত্র বন্ধনে নতুন জীবনের শুভ সূচনা। ❤️
আল্লাহ নবদম্পতির জীবন সুখ, শান্তি ও বরকতে ভরে দিন। 🤲🌸
#বিয়ে #শুভ_বিবাহ #নবদম্পতি #দোয়া_ও_ভালোবাসা
🌧️ উদয় সাধুর হাট ব্যাংক রোড—মুষলধারে বৃষ্টিতে রাস্তাজুড়ে পানি, বৃষ্টিভেজা বাজারের চিত্র। ☔🌧️
#উদয়সাধুরহাট #ব্যাংকরোড #নোয়াখালী #বৃষ্টি #বৃষ্টিরদৃশ্য
08/08/2026
রিপন মিয়া কট খাইছে! এমন ইস্যু ফেসবুকে ভাইরাল। গতবছর রিপন মিয়া যখন তার পরিবার ইস্যুতে বিতর্কিত হয় আমি সেটা উদঘাটন করি। প্রমাণ হয় যে রিপন মিয়াকে মূলত বিতর্কিত করতেই সে কাণ্ড ঘটানো হয়েছিলো। তবে এবারের ইস্যুটা ভিন্ন। ঘরে বউ রেখে তিনি এক মেয়ের সাথে পরকীয়া করে ধরা পরেছেন। এ জন্য মুচলেকার পাশাপাশি ৫ লাখ টাকা জরিমানাও দিয়েছেন!
আমার প্রশ্ন হলো, রিপন মিয়া কি পরকীয়া একা একাই করেছেন? এই পরকীয়ায় কি ওই মেয়ের স্বেচ্ছায় কোনো ভূমিকা ছিলো না? ওই মেয়ে কি জানতো না রিপন মিয়া বিবাহিত ও তার সন্তান আছে? শাস্তি যদি দিতেই হয়, তাহলে ওই মেয়েও শাস্তি পাবার যোগ্য! কিন্তু বিচার হলো কার? একা রিপন মিয়ার! টাকাও দিলো! মুচলেকাও দিলো! ক্যারিয়ারও গেলো! ওদিকে আকাম-কুকাম করেও সেই মেয়ে চোখের আড়ালে! উলটো মোজমাস্তি করে টাকাও কামিয়ে নিলো।
আমি এসব অপকর্মের পক্ষে না। তবে পুরুষদের বিরুদ্ধে এমন এক পাক্ষিক বিচারের বিপক্ষে। কিছু হলেই শুধু পুরুষের দোষ! আর নারীরা নির্দোষ। প্রায়ই পুরুষদের বিরুদ্ধে মামলা হয়। মামলার বিষয়: বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষ.ণ! মেয়েদের প্রেম করতে অনুমতি লাগে না, শারিরীক সম্পর্কে যেতে অনুমতি লাগে না। কোনো কারনে রিলেশন ব্রেকাপ হলেই মামলা দাঁড়িয়ে যায় বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষ ণ নামে!
এগুলো হলো আইনের অপব্যবহার। আইনের দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে পুরুষদের ফাঁসিয়ে দেওয়া। এসব বন্ধ করা উচিত। আইন থাকবে, আইনের প্রয়োগও থাকবে। তবে নারী পুরুষ সবার জন্য সেটা সমানভাবে প্রযোজ্য হতে হবে।
এক হাতে তালি বাজে না। পুরুষ কখনো একা এসব করতে পারে না। তাকে সঙ্গ দিয়েই এসব করানো হয়। পরকীয়া বা বিয়ের প্রলোভনে ধ-র্ষ-ণ এগুলো পুরুষের একার ইচ্ছায় হয় না। তাই পুরুষের পাশাপাশি অংশীদার সেসবের নারীদেরও আমি যথাযথ বিচার দাবী করি। তাদেরও প্রকাশ্যে আনতে হবে। প্রকাশ্যে মুচলেকা ও জরিমানা দিতে হবে। আইননুসারে জেলে গিয়ে কারাভোগ করতে হবে।
