Oishik Tips
This page will Take care of your overall health , mind ,and beauty. It will give you proper review
24/12/2022
রক্তাল্পতা কি ?
ভারতে প্রতিবছর রক্তস্বল্পতার 1 কোটি ঘটনা ঘটে। অ্যানিমিয়া এক ধরণের রোগ। রক্তাল্পতায় আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে লাল রক্তকণিকা এবং হিমোগ্লোবিনের ঘাটতি থাকে। রক্তের কোষগুলিতে অক্সিজেন পৌঁছনোর জন্য হিমোগ্লোবিন প্রয়োজন। যদি ব্যক্তির কোষগুলিতে পর্যাপ্ত রক্ত বা হিমোগ্লোবিনের অভাব থাকে তবে শরীর পর্যাপ্ত পরিমাণে অক্সিজেন পায় না। অক্সিজেনের অভাবে ব্যক্তির মধ্যে ক্লান্তির লক্ষণ পাওয়া যায় । আপনার মনে যে প্রশ্নটি আসছে তা হল রক্তাল্পতা কী ? সুতরাং, আসুন আজ রক্তাল্পতা সম্পর্কে বিশদ জেনে নি ।
রক্তাল্পতা কী ? (What is Anemia in Bengali)
রক্তাল্পতা (অ্যানিমিয়া) কী কারণে হয়? (What causes in Anemia in Bengali)
রক্তাল্পতা (অ্যানিমিয়া) এর লক্ষণগুলি কী কী? (What are the Symptoms of Anemia in Bengali)
রক্তাল্পতা (অ্যানিমিয়া) এর চিকিৎসা কী? (What is the treatment of Anemia in Bengali)
রক্তাল্পতায় কী খাওয়া উচিত এবং কী এড়াতে হবে (অ্যানিমিয়া) ? (What to eat in Anemia and What to Avoid in Bengali)
রক্তাল্পতা কী ? (What is Anemia in Bengali)
রক্তাল্পতা একটি ব্যাধি। এটি ব্যক্তির শরীরে রক্তের অভাব বা হিমোগ্লোবিনের ঘাটতির কারণে ঘটে। যার কারণে শরীরে অক্সিজেনের অভাব হয় এবং ব্যক্তি দুর্বল হতে শুরু করে। রক্তস্বল্পতা সহজেই মহিলা, শিশু এবং দীর্ঘস্থায়ী রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে দেখা দিতে পারে।
রক্তাল্পতা (অ্যানিমিয়া) কী কারণে হয়? (What causes in Anemia in Bengali)
অনেক কারণে অ্যানিমিয়া (রক্তাল্পতা) হতে পারে।
পেটের আলসার বা প্রদাহের কারণে রক্তশূন্যতা দেখা দিতে পারে।
মাসিকের সময় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে মহিলারা রক্তাল্পতায় আক্রান্ত হন।
শরীরে ভিটামিনের অভাবে রক্তাল্পতা দেখা দিতে পারে।
শরীরে আয়রনের ঘাটতির কারণে রক্তাল্পতা দেখা দেয়।
কিডনি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তাল্পতা হতে পারে।
দীর্ঘস্থায়ী রক্তাল্পতা যেমন: ডায়াবেটিস, লুপাস, সংক্রমণ রক্তাল্পতার দিকে পরিচালিত করে।
বার্ধক্যজনিত কারণে শরীরে রক্তাল্পতা দেখা দেয়।
হেমোরয়েডস রোগের কারণে একজন ব্যক্তি রক্তাল্পতা বা রক্তাল্পতার অভিযোগ করেন ।(পাইলস থেকে মুক্তি পেতে আরও পড়ুন )
রক্তাল্পতা (অ্যানিমিয়া) এর লক্ষণগুলি কী কী? (What are the Symptoms of Anemia in Bengali)
রক্তাল্পতার সমস্ত লক্ষণ বিভিন্ন ব্যক্তির মধ্যে আলাদা আলাদা ভাবে প্রকট হয়। এগুলি বিভিন্ন ধরণের লোকের মধ্যে দেখা যায়।
বেশি ক্লান্ত হয়ে পড়া।
ত্বক হলুদ হওয়া।
দুর্বল হওয়া।
মাথা ধরা । (আরও পড়ুন – ক্লান্তি কেন হয় )
মাথা ঘোরানো।
হাত পা ঠান্ডা হয়ে পড়া।
বুক ব্যাথা করা।
শ্বাস নিতে সমস্যা হওয়া।
হৃদস্পন্দনের দ্রুত হওয়া ।
রক্তাল্পতা (অ্যানিমিয়া) এর চিকিৎসা কী? (What is the treatment of Anemia in Bengali)
রক্তাল্পতা অ্যানিমিয়ার ধরণের ভিত্তিতে চিকিৎসা করা হয়।
যদি ভিটামিনের অভাবে রক্তাল্পতা দেখা দেয় তবে চিকিৎসকরা ভিটামিন সমৃদ্ধ ডায়েট গ্রহণের পরামর্শ দেন। কিছু ক্ষেত্রে, ডাক্তার ভিটামিন বি 12 এর ঘাটতি কাটাতে রোগীদের ইনজেকশন দেওয়ার পরামর্শ দেন। এই ইঞ্জেকশনটি রোগীর অবস্থার উপর নির্ভর করে 1 মাস বা সারা জীবন ধরে নেওয়া যেতে পারে।
যদি আয়রনের ঘাটতিজনিত রক্তাল্পতা দেখা দেয় তবে চিকিৎসক রোগীকে ডায়েটে আয়রন সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণের পরামর্শ দেন। যদি মাসিকের রক্তপাতের কারণে রক্তপাত না হয়ে অন্য কোনও কারণে রক্তপাত হয় তবে ডাক্তার শল্যচিকিৎসার সিদ্ধান্ত নেন।
অ্যাপ্লাস্টিক অ্যানিমিয়ার চিকিৎসার জন্য, চিকিৎসক রোগীদের কোষগুলিতে লাল রক্ত বাড়ানোর জন্য রক্তের বিনিময় করার পরামর্শ দেন।
সিকেল সেল অ্যানিমিয়ার চিকিৎসার জন্য অক্সিজেন, ব্যাথার ওষুধ, এবং কিছু ইনজেকশনের মাধ্যমে ব্যাথার জটিলতা হ্রাস করতে শিরাগুলির মাধ্যমে ইনজেকশনের ব্যবস্থা করা হয়।
অস্থি মজ্জার সাথে সম্পর্কিত অ্যানিমিয়া ওষুধের পরিপূরক, কেমোথেরাপি, অস্থি মজ্জা প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে চিকিৎসা করা হয়।
গুরুতর রক্তাল্পতা রক্ত সঞ্চালন বা প্লীহা অপসারণের কারণে হতে পারে।
দীর্ঘদিন ধরে চলমান রোগজনিত রক্তাল্পতার চিকিৎসার জন্য, চিকিৎসকরা প্রথমে রোগ নিরাময়ের চেষ্টা করবেন। গুরুতর ক্ষেত্রে, রক্তের বিনিময় বা কৃত্রিম এরিথ্রোপ্রোটিন, হ’ল এক ধরণের প্রোটিন যা কিডনিতে ইনজেকশনের মাধ্যমে উত্পাদিত করা হয় ।
রক্তাল্পতার চিকিৎসা করার আগে, একজন ব্যক্তির সংক্রমণের চিকিৎসা করা উচিত। যাতে সংক্রমণ রক্তকে দূষিত না করে।
শরীর পরিষ্কার রাখার জন্য বিশেষ যত্ন নেওয়া উচিত। যাতে রোগ শরীরে প্রবেশ করে না।
রক্তাল্পতায় কী খাওয়া উচিত এবং কী এড়াতে হবে (অ্যানিমিয়া) ? (What to eat in Anemia and What to Avoid in Bengali)
অ্যানিমিয়ায় পালং শাক, সয়াবিন, বিট, লাল মাংস, চিনাবাদাম মাখন, টমেটো, ডিম, বেদনা, রুটি, সিরিয়াল, বীজ এবং শুকনো ফল, সামুদ্রিক খাবার, আপেল, খেজুর ইত্যাদি খাবার অন্তর্ভুক্ত হয়
অ্যানিমিয়া রোগীদের, ট্যানিন জাতীয় খাবার যেমন কফি, গ্রিন টি, ব্ল্যাক টি এবং আঙ্গুর, আঠালো সমৃদ্ধ খাবার, দই, দুধ, পনির ইত্যাদি খাবার এড়ানো উচিত।
যদি আপনি রক্তাল্পতা সম্পর্কে আরও তথ্য এবং চিকিৎসা পেতে চান তবে আপনার নিকটস্থ হেমাটোলজিস্ট চিকিৎসকের (Hematologist) সাথে সাথে যোগাযোগ করুন।
18/10/2022
বাসে গাদাগাদি ভিড়। এক ভদ্রলোক একটি দামী স্যুটকেস নিয়ে উঠলেন। অধ্যাপক টাইপ চেহারা।
প্রশ্ন করলেন-"আচ্ছা, পলাশীর যুদ্ধে নবাব সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ের কারণ কী?"
সকলেই চুপ করে শুনতে থাকলেন তার কথা। কেউ কোনও কথা বলছেন না দেখে তিনি আবার শুরু করলেন -
"পলাশীর প্রান্তরে সেদিন নবাব সিরাজউদ্দৌলার সৈন্য ছিল অনেক। লর্ড ক্লাইভের সৈন্য অল্পসংখ্যক থাকা সত্ত্বেও নবাব পরাজিত হয়েছিলেন। আপনারা বলবেন যে জগৎ শেঠ, মীর জাফরদের গাদ্দারির কারণে নবাব পরাজিত হয়েছিলেন। কিন্তু এই ইতিহাস সবটাই সত্য নয়। সত্য ইতিহাস জানতে হবে।"
একজন কৌতূহলী যাত্রী জানতে চাইলেন -- "তবে সত্য ইতিহাসটা কী?"
"সত্য ইতিহাস আজ আপনাদের সামনে তুলে ধরতে চাই। ক্লাইভ দূরবীন দিয়ে নবাবের সৈন্যদের গতিবিধি লক্ষ্য করলেন। পলাশীর আম বাগান তখন শূন্য। মীর জাফর তার আয়ত্ত্বাধীন সৈন্য নিয়ে কেটে পড়েছে। ক্লাইভ তো অবাক। নবাবের সৈন্যরা তবে গেল কোথায়? নিশ্চয়ই কোনও চাল চেলেছে।
হঠাৎ নজর পড়ল আমগাছের দিকে। একটি ডাল নড়ে উঠল। ক্লাইভ এবার দেখল যে, নবাবের সৈন্যরা আম গাছের ডালে ডালে বসে আছে। নিচ দিয়ে যেতে গেলেই তারা গেরিলা আক্রমণ করবে বলে প্রস্তুত।
ক্লাইভ কাছাকাছি না গিয়ে দূর থেকে কামান আর বন্দুক তাক করল। ফলন্ত গাছ থেকে আমের সাথে সাথে টুপটুপ করে ঝরে পড়তে লাগল নবাবের সৈন্য। আহ্!"
ভদ্রলোকের বলার ভঙ্গিতে যাদু ছিল। সকলেই মন দিয়ে শুনছিলেন তার কথা। তিনি আবার বলে উঠলেন -
"নবাবের সৈন্যরা সকলেই ইংরেজদের হাতে মারা পড়লেন। কিন্তু আমার প্রশ্ন আপনাদের কাছে। আম গাছের ডাল সেদিন নড়ে উঠল কেন? কী ছিল ষড়যন্ত্র?"
যাত্রীদের সকলের মনে প্রশ্ন জেগে উঠল। তাই তো, আম গাছের ডাল নড়ে উঠল কেন? গাছের ডাল না নড়লে তো ক্লাইভের নজরে আসত না সৈন্যদের অবস্থান!
ভদ্রলোক বললেন, "কেন নড়ে উঠেছিল গাছের ডাল? কে বলতে পারবেন?"
যথারীতি সকলেই চুপ করে থাকলেন। ভাবগতিক এমন যে, "আমরা জানি না, আপনিই বরং বলে দিন।"
তিনি তখন স্যুটকেস খুললেন। একটি জিনিস বের করে সকলকে দেখিয়ে বললেন -
"ডাল নড়ে ওঠার কারণ ছিল- চুলকানি, দাউদ, চর্মরোগ। বড় মারাত্মক এই রোগ, বুঝলেন? নবাবের এক সৈন্যের ছিল চুলকানি। এই চুলকানির জন্যই সেদিন ডাল নড়ে উঠেছিল। ডাল না নড়লে ক্লাইভ নিশ্চিহ্ন হয়ে যেত।
আর তাই আমি এনেছি চুলকানির মলম। দাম মাত্র ত্রিশ টাকা!
(Collected)
17/10/2022
বলুন এটা কি পাতা?
27/08/2022
বাসের রুটটা দেখে অবাক হবেন না। একসময় কোলকাতা থেকে দিল্লি হয়ে লন্ডন যাওয়া যেত বাসে করে। তখন বিশ্বের সবচেয়ে বড় বাস রুট ছিল কোলকাতা টু লন্ডন ভায়া দিল্লি। কোন ভারতীয় বা ব্রিটিশ কোম্পানি না, অস্ট্রেলিয়ার সিডনি শহরের #অ্যালবার্ট_ট্যুর_কোম্পানি এই বাস চালাতো। প্রায় ২৫ বছর ধরে চলে এই বাস সার্ভিস।
১৯৫০ সালের প্রথম পর্যন্ত এই বাস সার্ভিস চালু ছিল। এই বাসের ভাড়া কোলকাতা থেকে লন্ডন ৮৫ পাউন্ড থেকে ১৪৫ পাউন্ড ছিল। বাস কোলকাতা ধর্মতলা থেকে ছেড়ে বেনারস, এলাহাবাদ, আগ্রা, দিল্লি,লাহোর, রাওয়ালপিন্ডি, কাবুল, কান্ধাহার, তেহরান, ইস্তানাবুল, যুগোস্লাভিয়া, বুলগেরিয়া হয়ে ইংল্যান্ড পৌছাত।
এই রাস্তা কমবেশি ২০৩০০ কিমি ছিল। ১১টি দেশ পার করে অবশেষে লন্ডন পৌছানো যেত।
#সংগৃহীত
Anti Ageing Foods: বয়সের বাড়লেও বোঝা যাবে না, এই ৭ খাবারেই যৌবন ধরে রাখার টোটকা
Anti Ageing Foods for skin: বার্ধক্য আসেই। সেই সঙ্গে মুখে পড়ে বলিরেখা। ত্বক হয় শিথিল। কিন্তু বয়সকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। সেজন্য অবশ্যই সুস্থ জীবনযাপন দরকার।সেই সঙ্গে আরও কিছু টোটকা আছে।হালফিলের বোটক্স বা কোনও সার্জারি নয়, বরং কয়েকটি খাবারেই রয়েছে বয়স কমানোর টোটকা।
বার্ধক্য আসেই। সেই সঙ্গে মুখে পড়ে বলিরেখা। ত্বক হয় শিথিল। কিন্তু বয়সকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
সেজন্য অবশ্যই সুস্থ জীবনযাপন দরকার।
নিজেকে কে না তরুণ দেখতে চায়! কিন্তু এটাও বাস্তব কোনও কিছুই চিরস্থায়ী নয়। বার্ধক্য আসেই। সেই সঙ্গে মুখে পড়ে বলিরেখা। ত্বক হয় শিথিল। কিন্তু বয়সকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। সেজন্য অবশ্যই সুস্থ জীবনযাপন দরকার।সেই সঙ্গে আরও কিছু টোটকা আছে।হালফিলের বোটক্স বা কোনও সার্জারি নয়, বরং কয়েকটি খাবারেই রয়েছে বয়স কমানোর টোটকা। যা অ্যান্টি-এজিং পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ। মুখে বয়সের ছাপ পড়ে না। বয়স বাড়ার প্রক্রিয়াটিকে ধীর করে দেয়।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) মতে, সঠিক খাদ্যের অভাবের কারণে বেশিরভাগ বয়স্ক মানুষ রোগে জর্জরিত। ফলে খাবারের দিকে নজর দেওয়াটা জরুরি।
হলুদ
হলুদে কারকিউমিন নামক একটি যৌগ রয়েছে যা অ্যান্টি-এজিং গুণসম্পন্ন। এটি কোষগুলিকে রক্ষা করে যা বার্ধক্য প্রক্রিয়াকে ধীর করে দেয়। তাই হলুদকে খাদ্যতালিকায় যোগ করুন।
গ্রিন চা
গ্রিন টিকে অ্যান্টি-এজিং ডায়েটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে কারণ এতে পলিফেনল রয়েছে। পলিফেনল বার্ধক্যের গতি কমিয়ে দেয়। তাই সকালে এবং সন্ধ্যায় গ্রিন টি খান। এছাড়াও গ্রিন টি একটি ফেস মাস্কও কার্যকর। গ্রিন টি-র সঙ্গে মধু মিশিয়ে মুখে লাগাতে পারেন।
টমেটো
লাইকোপিন হল রক্ত এবং টিস্যুতে পাওয়া একটি পদার্থ যা ত্বককে সূর্যের রশ্মির ক্ষতি থেকে রক্ষা করে। টমেটো এবং তরমুজে প্রচুর পরিমাণে লাইকোপিন পাওয়া যায়।
আঙুর
রেসভেরাট্রল, যা একটি পলিফেনল, এটা পাওয়া যায় আঙুরে। এই ধরনের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ত্বকের জন্য ভাল। এটি ব্লুবেরি, ডার্ক চকোলেট এবং কোকোতেও পাওয়া যায়।
পেঁপে
বলিরেখা পড়বে না এমন ত্বক চাইলে পেঁপে খেতেই হবে। পেঁপে-তে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন এবং খনিজ। ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা বাড়ায়। মৃত ত্বকের কোষগুলিকে ঝরিয়ে উজ্জ্বল করে তোলে।
ব্রকলি
ব্রকলিতে রয়েছে প্রচুর পুষ্টিগুণ। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ফাইবার এবং ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ ব্রকলি। যা শরীরকে সুস্থ রাখে। এছাড়া এতে থাকা ভিটামিন সি কোলাজেন উৎপাদনে সহায়তা করে। যা ত্বকের প্রধান প্রোটিন। এতে ত্বক টানটান থাকে।
বাদাম
বাদামে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, ফাইবার এবং প্রোটিন ছাড়াও অন্যান্য পুষ্টি উপাদান রয়েছে যা হার্টে ও ত্বকের জন্য ভাল। খাদ্যতালিকায় বাদাম, কাজু, আখরোট এবং আমন্ড অন্তর্ভুক্ত করুন।
অন্যান্য ফল
বলিরেখাহীন ত্বকের জন্য নিয়মিত ডালিম, ব্লুবেরি ও অ্যাভোকাডো খান।
পরিশেষে জল
যা-ই খান না কেন জল না খেলে কিস্যু হবে না। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জল খাওয়ার পরিমাণও কমে যায়। কিন্তু জলহীন শরীর অর্থাৎ তেলহীন একটি যন্ত্র। তেলহীন যন্ত্র যেমন কাজ করতে পারে না তেমনই জল ছাড়া শরীর। সহজ কথায়, প্রতিদিন পর্যাপ্ত জল খেতেই হবে।তৃষ্ণার্ত না থাকলেও নিজেকে হাইড্রেটেড রাখুন জল খেয়ে।
11/07/2022
#পেরিয়ার
তামিল জাতির মহান সমাজসংস্কারক ছিলেন পেরিয়ার।
সত্যকে প্রকৃত রূপে উপস্থাপন করার ওনার দক্ষতাই দুর্নীতি আর ধর্মের নামে ধান্দা করা লোকদের চোখে আজও তিনি বালির মতো খচখচ করে । ওনার জাতিপ্রথার বিরুদ্ধে আঘাত কোনোরুপ দয়া না দেখিয়ে কঠিন শব্দের মাধ্যমে হতো ।
ধর্ম আর ভগবানের ভয়কে নিজের তর্ক শক্তির দ্বারা পরাস্ত করা নির্ভীক মহাপুরুষ আর সমাজের নগ্নতাকে আয়না দেখানো মহান সমাজ সংস্কারক শ্রী পেরিয়ার রামস্বামী নায়কর ।
পেরিয়ার রামস্বামী নায়কর মহাশয়ের ঈশ্বরকে নিয়ে কিছু প্রশ্ন , যা নিচে এইভাবে দেওয়া হলো:-
১। তুমি কি ভীতু, যে সবসময় লুকিয়ে থাকে,কখোনোই কারো সামনে আসে না ?
২। তোমার কি তোষামোদ খুব পছন্দ, যে লোকদের দিনরাত পূজার্চনা করাও ?
৩। তুমি কি সবসময় ক্ষুধার্ত থাকো যে লোকদের থেকে মিষ্টি, দুধ, ঘি ইত্যাদি নিতে থাকো ?
৪। তুমি কি মাংসাশী যে লোকদের দিয়ে নিরীহ পশুদের বলি দেওয়া করাও ?
৫। তুমি কী স্বর্ন ব্যবসায়ী যে মন্দিরে লাখ টনের সোনা কুক্ষিগত করে রাখ?
৬। তুমি কি ব্যভিচারি,যে মন্দিরে দেবদাসী রাখো ?
৭। তুমি কি দুর্বল, যে প্রতিদিন ঘটে থাকা বলাৎকার কে আটকাতে পারো না ?
৮। তুমি কি মূর্খ, যে পৃথিবীর সর্ব দেশে দরিদ্রতা, দুর্ভিক্ষ হওয়া সত্ত্বেও লাখ লাখ টাকার অন্ন, দুধ, ঘি, তেল না খেয়ে নদী-নালায় ভাসিয়ে দাও ?
৯। তুমি কি কালা, যে কোনো কারন ছাড়াই মরতে থাকা মানুষদের, বলাৎকার হচ্ছে মেয়েদের করুন আবেদন শুনতে পাওনা ?
১০। তুমি কি অন্ধ, যে প্রতিদিন অপরাধ হওয়া সত্ত্বেও দেখতে পাওনা ?
১১। তুমি কি সন্ত্রাসবাদীদের সাথে জড়িত আছো , যে রোজ ধর্মের নামে লাখ লাখ মানুষদের প্রাণ নাও ?
১২। তুমি কি সন্ত্রাসবাদী , যে চাই লোক তোমাকে ভয় পাক ?
১৩। তুমি কি বোবা, যে একটা কথাও বলতে পারেনা , কিন্তু কোটি কোটি লোক তোমাকে প্রচুর প্রশ্ন করে ?
১৪। তুমি কি ভ্রষ্টাচারি, যে গরিবদের কখোনোই কিছু দেয় না অথচ পশুর মতো খেটে পাওয়া মানুষদের পারিশ্রমিকের সবটুকু দান নিয়ে নাও ?
১৫। তুমি কি অকাট্য মূর্খ, যে আমাদের মতো নাস্তিকের জন্ম দাও যারা তোমাকে ভালো-মন্দ শোনাতে পিছপা হয়না এমনকি তোমার অস্তিত্বকেও মানতে অস্বীকার করে ?
collected - ADMI
অনুবাদ - অঙ্গদ
16/06/2022
Weight Loss | কোনও কিছুতেই ওজন কমছে না! প্রাচীন ভারতের ঐতিহ্যবাহী এই পানীয় মন্ত্রের মতো কাজ করে॥
Gond Katira For Weight Loss: গ্রীষ্মকালে শরীরকে ঠান্ডা রাখতে এবং যথেষ্ট হাইড্রেশন এবং পুষ্টির জোগান দিতে এটা খাওয়া হত।
Gond Katira For Weight Loss: হাঁসফাঁস করা গরম। প্রাণ ওষ্ঠাগত। কোল্ডড্রিঙ্কস আর আইসক্রিমের বিক্রিটাও বেড়ে যায় এই সময়। কিন্তু জানা আছে কী, গরমের হাত থেকে বাঁচতে কোল্ডড্রিঙ্কসে গলা ভেজালে কিংবা আইসক্রিমে রসনা মেটালে কী পরিমাণ ফ্যাট আর কোলেস্টেরল শরীরে ঢোকে! তাছাড়া শুধু ঠান্ডা হওয়াই তো সব নয়, এসময়টায় শরীরে যথেষ্ট হাইড্রেশনের পাশাপাশি পুষ্টিরও প্রয়োজন। তাচি প্রখর গ্রীষ্মে চাই গোন্ড কাটিরা। সেটা আবার কী? এটা হল প্রাচীন ভারতের ঐতিহ্যবাহী খাদ্য এবং পানীয়। গ্রীষ্মকালে শরীরকে ঠান্ডা রাখতে এবং যথেষ্ট হাইড্রেশন এবং পুষ্টির জোগান দিতে এটা খাওয়া হত।
গোন্ড কাটিরা কী: এটা একটা ভেষজ স্ফটিক। যা ট্রাগাকান্থ গাম নামেও পরিচিত। লোকোভিড গাছের রস থেকে এক ধরনের আঠা বের হয়। দেখতে অনেকটা প্যাঁচানো স্ফটিকের মতো। জলে ভেজালে এগুলো ফুলে যায়। কিছুক্ষণ নাড়লেই একটা ঘন মিশ্রণ তৈরি হয়। এটাকেই গোন্ড কাটিরা বলে। শরীর ঠান্ডা রাখতে, নাক থেকে রক্তপাত বন্ধ করতে, কাশি, পেট খারাপ, আমাশার মতো বিভিন্ন রোগের আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায় এটা ব্যবহার হত। এই গোন্ডের সবচেয়ে আশ্চর্যজনক স্বাস্থ্য উপকারিতা হল ডায়ারিয়ার পাশাপাশি কোষ্ঠকাঠিন্য উভয়ই নিরাময় করতে সাহায্য করে। তবে সমস্যা হল, এত উপকারিতা থাকলেও এটা খেতে বিস্বাদ। জলে মিশলে জেলির মতো ফুলে যায়। গোন্ড কাটিরা সেবন এবং ওজন কমানোর কিছু সহজ এবং কার্যকরী উপায় এখানে দেওয়া হল।
বাড়িতে বিভিন্ন উপায়ে গোন্ড কাটিরা তৈরির পদ্ধতি: এর কোনও স্বাদ নেই। কোনও গন্ধ নেই। গ্রীষ্মকালে ওজন নিয়ন্ত্রণে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে বিভিন্ন উপায়ে এটা তৈরি করা যেতে পারে। তবে পানীয় এবং মিষ্টির সঙ্গে মেশালে খেতে ভালো লাগে।
এক বাটি গোন্ড কাটিরা: সকালের জলখাবারে এক বাটি গোন্ড কাটিরা শরীরের জন্য দারুণ উপকারী। রাতে একটা বাটিতে দেড় কাপ লো ফ্যাট দুধ, বাদাম, ১ থেকে ২ চা চামচ গোন্ড এবং সামান্য ভ্যানিলা এসেন্স মিশিয়ে ফ্রিজে রেখে দিতে হবে। পরদিন সকালে গোন্ড জেলির মতো বাটিতে সেট হয়ে গেলে তাতে কিছু কুচো ফল, বাদাম এবং মধু দিয়ে মিশিয়ে নিতে হবে ভালো করে। ব্যস, জলখাবারে গোন্ড কাটিরা তৈরি।
গোন্ড কাটিরা শরবত:এক গ্লাস জল, এক চা চামচ গোন্ড, গুঁড়ো পুদিনা পাতা এবং দুটো লেবুর রস মিশিয়ে ফ্রিজে রাখতে হবে। পরদিন গোন্ড ফুলে গেলে মধু, বিট নুন এবং ঠান্ডা জল ভালো করে মিশিয়ে নিয়ে খেতে হবে। এটা দ্রুত ওজন কমাতে সাহায্য করে।
গত শনিবার দুপুর আনুমানিক ২.৩০ হবে। রাস্তার পাশে কলকাতার চেনা দোকানে চা খাচ্ছি। একটি মেয়ে, বয়স ২৩ কি ২৪ হবে, ইতস্তত করতে করতে দোকানে ঢুকলো। হাতে একটা স্বচ্ছ ফাইল। ভিতরে কিছু মার্কশিট, সার্টিফিকেট এসব দেখা যাচ্ছে! সারা শরীরে প্রসাধনের বিন্দুমাত্র চিহ্ন না থাকলেও ঘাম আর রোদমাখা মুখটা বেশ মায়াময়। দোকানদারের সাথে মেয়েটার কিছু কথোপকথনের ছিটেফোঁটা….
মেয়ে- দাদা, এখানে ভাত বা রুটি কিছু পাওয়া যাবে?
দোকানী- হ্যাঁ, ভাত পাবেন, বলুন কি কি খাবেন? ডাল, ডিম, সব্জি, রুই মাছ, পাবদা মাছ, ব্রয়লার মুরগীর মাংস,পাঠার মাংস।
মেয়ে- এমনি শুধু ডাল আর ভাত কত দাদা?
দোকানী – ভাত, ডাল, সবজি ৩৫ টাকা।
মেয়ে – আমার সবজি চাই না, আমায় শুধু ভাত আর ডাল দিন!
৩০ টাকায় হয়ে যাবে তো?
দোকানী – আচ্ছা বসুন দিচ্ছি!
এরপর একটা ফোন আসে মেয়েটার মোবাইলে।
মেয়ে – ” হ্যাঁ মা বলো!
হ্যাঁ ! হ্যাঁ ব্যাংকে ইন্টারভিউ ভালো দিয়েছি! হ্যাঁ খেয়েছি। মাছ,সব্জী, ভাত। তুমি ওষুধগুলো খেয়েছ?….. হ্যাঁ আমি ৫ টার ট্রেনটা ধরবো… আচ্ছা ভাইকে টিউশান থেকে ফেরার সময় স্টেশনে দাঁড়াতে বলবে……আচ্ছা রাখো।”
ফোনটা রেখে কয়েকটা সেকেন্ড বাইরের দিকে আনমনে তাকিয়ে থাকলো….. হয়তো অসুস্থ মা.. স্কুল পড়ুয়া ছোট ভাইয়ের সুদিন এনে দেওয়ার সাজানো দিনের ছবিগুলো চোখে ভিড় করছিলো…
দেখে কি রকম যেন একটা শ্রদ্ধা শ্রদ্ধা ভাব চলে এলো… একটা অজানা অচেনা মেয়ের জন্য.. কি যেন বলে এই বয়সটাকে… বালিকার চেয়ে বড়.. যুবতীর চেয়ে ছোট।
নারী স্বাধীনতা কি- ওর কাছ থেকে একবার শুনতে খুব ইচ্ছে করছিলো, মনে মনে শুভকামনা জানালাম..
এই চাকরির আকালের যুগে হে বালিকা তুমি যে বাইরে এসে আগুন রোদের তলায়.. শক্ত মাটিতে নেমে এসেছ যুদ্ধের জন্য, এখানেই তুমি যুদ্ধটা অর্ধেক জিতেছো.. আর বাকী অর্ধেক নিজের চাকরির টাকায় সত্যি সত্যি মাছ ভাত খাওয়ার পর জিতবে…. এ পর্যন্ত ঘটনাটা হয়তো সাধারণ ছিলো.. যদিও “মেয়ে” তুমি মন জিতে নিলে..
কিন্তু ঘটনাটা আরও বাকী….
দোকানী ভাতের থালাটা সাজিয়ে মেয়েটির সামনে রেখে বললো,
দিদি আমি ভুল করে সব্জিটা দিয়ে ফেলেছি, আপনি খেয়ে নিন প্লিজ!!
ওই তিরিশ টাকাই দিয়েন।
মেয়ে -কিন্তু আমি তো শুধু ডালভাতই….
দোকানী – আমি একদম ভুলে সব্জিটা দিয়ে ফেলেছি.. আপনি প্লিজ খেয়ে নিন.. তিরিশ টাকাই নেবো আমি…আমার ভুল.. আপনি না খেলে এতোটা খাবার নষ্ট হবে আমার..
ওদের মতো আমিও ভেবেছিলাম নিছকই ভুল…
বিল দেয়ার সময় দোকানদার কে জিজ্ঞাসা করলাম, দাদা সত্যিই কি ভুল করে সব্জীটা দিয়েছেন?
দোকানদার কানের কাছে এসে বললো, “শুধু ব্যবসায় লাভ খুঁজলে হবে দাদা! এরকম ভুলগুলো করার সুযোগও খুঁজতে হবে:) ওর খুব খিদে পেয়েছে। দেশের বাড়িতে আমারও বোনটার বয়স এরকমই” বলে আবার নির্লিপ্ত মুখে চা, সিগারেট, ভাত, তরকারির রাজ্যে হারিয়ে যায়।
আমি খুঁজে পেলাম না, কার জন্য বেশী ভালো লাগা উচিৎ! মেয়েটা নাকি দোকানদার!!
হয়তো একটা কথা বলা যেতে পারে,
যে যুদ্ধ জিনিসটা বোঝে, সেই যোদ্ধার ঘাম, ক্ষুধার মূল্য দিতে জানে।
সংগৃহীত
08/12/2021
1) বিয়ের পিঁড়িতে বসে সবার সামনে বউ কে একটা চুমু খান। ফেসবুকে রাতারাতি ভাইরাল।
2) কেউ যদি আপনার বিয়েতে "কন্যাদান" কথাটা বলে তাহলে তাকে শুটিয়ে লাল করে দিন। আর ফেসবুকে একটা হ্যাজ নামান "মেয়েরা দানের জিনিস নয়"। মহিলা পুরোহিত দিয়ে বিয়ে সম্পন্ন করান।
3) নিজেকে কুল প্রমান করতে হাতে মালের বোতল, মুখে সিগারেট গুঁজে ফটো তুলুন।
4) নিজেও সিঁদুর পড়ুন, বর হারামজাদা টাকেও পড়ান। কারন সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে হবে যে।
5) বিয়ের মন্ডপে প্রবেশ করার সময় আপনি
পিঁড়িতে বসে আসবেন না এতে নাকি মেয়েরা দুর্বল সেটা প্রকাশ পায়। তাই বিন্দাস হেটে আসুন।
6) শুভ দৃষ্টির সময় বর কে চোখ মারুন; চাইলে দু-জন; দু-জনকে জড়িয়ে কান্নাকাটিও করতে পারেন।
7) নতুন বউ আপনাকে প্রনাম করলে আপনিও বউ কে প্রনাম করুন। কারন এইভাবে ফেসবুকে প্রমানিত হবে "সন্মানটা দু-দিক থেকেই থাকা জরুরি"।
😎 বিদায়ের সময় হাসতে-হাসতে; নাচতে-নাচতে গাড়িতে উঠুন। কান্নাকাটি করবেন না।
9) শশুর বাড়িতে ঢোকার সময় নাচতে-নাচতে ঢুকবেন। রিসেপশনের দিন শাশুড়ির সাথে উদুম নাচুন।
10) ভাত-কাপড় অনুষ্ঠানে বউয়ের হাতে ভাতের থালা তুলে দিয়ে কিছু জ্ঞানের কথা বলুন।
11)বেনারসী পরে সেজেগুজে লোক খাইয়ে বিয়ে করে তারপর 'আমি ইমিটেশনের গয়না পরে বিয়ে করেছি গো, বাবা মায়ের ওপর চাপ দিইনি গো' এভাবেও ভাইরাল হওয়া যায়
12) বৌ এর সাথে বরকেও বাপের বাড়ি ছাড়তে হবে শুধু বৌ একা কেন ছাড়বে😎
আপাতত এই পয়েন্ট গুলো এখন মার্কেটে ট্রেন্ড করছে এইগুলো ফলো করলেই হবে। এছাড়া আপনি যদি নতুন কিছু করতে চান ফেসবুক কমিউনিটি থেকে আপনাকে অলওয়েজ ওয়েল কাম।।🙏🙃(©️দিবাকর)
23/11/2021
[সাইকোলজিক্যাল পোস্ট]
সবার জানা উচিত-
এমবিভার্ট (Ambivert)
আমাদের মাঝে কেউ কেউ ইন্ট্রোভার্ট হয় আবার কেউ হয় এক্সট্রোভার্ট অর্থাৎ কেউ খুব মিশুকে হয়(Extrovert) কেউ আবার নিজের মত একা থাকে(Introvert)। কিন্তু এদের মাঝামাঝি আরেক ভাগ আছে যারা কখনো ইন্ট্রোভার্ট আবার কখনো এক্সট্রোভার্ট।
এদেরকে বলা হয় এমবিভার্ট।
জীবনে চলার পথে সবচেয়ে বেশি সমস্যা এমবিভার্টদের হয়। যারা এমবিভার্ট তারা মাঝে মাঝে খুব হৈ চৈ করতে ভালোবাসে আবার মাঝে মাঝেই একা থাকতে ভালোবাসে।এরা সহজে সবার সাথে মিশে যায় কিন্তু তবুও এদের অনেক ফ্রেন্ড থাকেনা আবার এরা একদম একাও থাকেনা।
গুটিকয়েক ফ্রেন্ড নিয়েই এরা থাকে।
এদের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো শত কষ্ট হলেও এরা মুখ ফুটে বলবেনা কিছু আপনাকে। বরং সেই কষ্ট সহ্য করেই হাসিমুখে থাকবে।
তাই এদের মন খারাপ হলেও সেটা মুখে না বলা পর্যন্ত আপনি সেটা ধরতে পারবেননা।
ওদের একটা আলাদা জগৎ থাকে।
নিজেদের চারপাশে এরা একটা দেয়াল বানিয়ে নেয়।সে
জগতে আপনি চাইলেই প্রবেশ করতেই পারবেননা।
বরং সেখানে প্রবেশ করার চাবি হচ্ছে আপনার ভালোবাসা আর ভরসা করার মতো ভালো ব্যবহার।
এমবিভার্টরা যাকে ভালোবাসে তাকে খুব মন দিয়ে
ভালোবেসে ফেলে। আর তাই কষ্টটাও বেশি পায়।
কিন্তু তবুও এরা আপনার খারাপ চাইবেনা কোনোদিন।এরা আপনার প্রতি ভরপুর ফিলিংস রেখেও আপনার থেকে নিদিষ্ট দূরত্ব চলবে আপনি চাইলেও সেটা বুঝাতে পারবেনা। এদের সবচেয়ে বড় সমস্যা হয় কেউই এদের বুঝতে পারেনা।
কারণ যে মানুষটা ঠিক একটু আগেই অনেক খুশি ছিলো হঠাৎ করেই সে বদলে গিয়ে একা থাকতে চাইলে কেউই সেটা ভালোভাবে নিবেনা।
তখন বেশিরভাগই তাদের ভুল বুঝে। কেউই বুঝেনা এখানে এদের কোনো হাত নাই। কেউ চাইলেও এদের এই চেঞ্জ হওয়া আটকাতে পারবেনা।
এমবিভার্টরা মাঝে মাঝে নিজেদের ভীষণ একা ভাবে।কারণ মন খুলে কথা বলার মতো কেউ হয়তো নেই।
এদেরকে শামুক বলা যায়।
কারণ এরা বাহিরের দিকে শামুকের মতো শক্ত খোলস পরে থাকে কিন্তু এদের ভিতরটাও শামুকের শরীরের মতো নরম।
তাদের নিজেদের জগতে যদি আপনি একবার ঢুকে যেতে পারেন,তখন বুঝবেন সে আসলে আপনার চেনার চেয়েও কতটা অন্যরকম। তখন হয়তো আপনি তাকে আরও বেশি ভালোবেসে ফেলবেন।
কিন্তু প্রবেশ করার অধিকার পেয়েও আপনি যদি তার সেই ভরসা-বিশ্বাস একবার ভেঙে ফেলেন তখন তার সেই জগৎ টা ভেঙে চুরমার হয়ে যায়।
সে তখন ভীষণ একা হয়ে যায়।
এমবিভার্টদের ঠকানো অনেক সহজ।
কারণ হাজারবার ঠকলেও এরা আপনার নামে একটা অভিযোগও করবেনা।কিন্তু সেই ঠকে যাওয়াই এদের ভীষণভাবে পালটে দেয়।
তখন তারা তাদের চারপাশের জগৎ টাকে আরও ধোঁয়াশা বানিয়ে ফেলে।
একদল মানুষ তখন তাদের ভুল বুঝে,ভাবে এরা ভাব নেয়। কিন্তু এরা হাসিমুখে এটার পিছনে থাকা সত্যিটা লুকিয়ে সব মেনে নেয়।
আপনাকে না জানিয়েই এরা আপনাকে সারাজীবন ভালোবেসে যাওয়ার ক্ষমতা রাখে।
আপনি হয়তো কোনোদিন জানতেও পারবেননা দূর থেকে কেউ একজন সবসময়ই আপনার ভালো চায়।আর তার জন্যই দিনশেষে এরা ভীষণ একা,ধোঁয়াশার রাজ্যে ডুবে থাকা একদল মানুষ যাদের আমরা বলি এমবিভার্ট।
Click here to claim your Sponsored Listing.
