Ok Raju Blogger
সময় একদিন আমার হয়ে জবাব দিবে ইনশাআল্লাহ🇧🇩🇸🇦
রেমিট্যান্স শাটডাউন করলাম।
প্রবাসীরা দেশের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে সবচেয়ে অবহেলিত।
প্রবাসীদের ১৯ দফা দাবি মানতেই হবে....।
১. পাসপোর্ট সরবরাহ: বিদেশগামী যাত্রীদের জন্য স্বল্প সময়ে ও হয়রানি মুক্ত পাসপোর্ট সরবরাহ করতে হবে।
২. নিম্ন সুদে ঋণ: ভিসার কপি দিয়ে জামানত ছাড়া, স্বল্প সুদে ৩ কার্যদিবসের মধ্যে নূন্যতম ৩ লাখ টাকা ঋণ দিতে হবে।
৩. দালালমুক্ত মেডিকেল সার্ভিস: বিদেশগামী যাত্রীদের মেডিকেল পরীক্ষায় দালালমুক্ত ও সঠিক রিপোর্টের নিশ্চয়তা প্রদান করতে হবে।
৪. বিমানবন্দরের সম্মান: যাত্রীদের সম্মান ও মূল্যায়ন নিশ্চিত করে বিদেশে আসা-যাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করতে হবে এবং সকল ধরণের হয়রানি বন্ধ করতে হবে।
৫. বাংলাদেশী মিশন সেবা: বিদেশে বাংলাদেশী মিশনগুলোতে প্রবাসীদের সম্মানজনক ও দ্রুত সেবা প্রদান করতে হবে।
৬. বেতন ও সুযোগ সুবিধা পর্যবেক্ষণ: প্রবাসী কর্মীদের কোম্পানিতে বেতন, আবাসন ও অন্যান্য সুবিধা পাচ্ছে কিনা তা বাংলাদেশী মিশনগুলোকে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে হবে।
৭. ভিসা যাচাই: বাংলাদেশে কর্মী নেবার জন্য ভিসা প্রেরণের পূর্বে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির যাচাই-বাছাই করতে হবে।
৮. ব্যয় নিয়ন্ত্রণ: সরকার কর্তৃক নির্ধারিত খরচের মধ্যে কর্মীদের বিদেশ যাওয়ার সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
৯. টিকেট মূল্য নিয়ন্ত্রণ: সকল এয়ারলাইন্সের টিকিট মূল্য গন্তব্যস্থান অনুযায়ী নির্ধারণ করতে হবে।
১০. বিশেষায়িত হাসপাতাল ও বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণ: প্রবাসীদের জন্য সকল বিভাগীয় শহরে ১টি করে বিশেষায়িত হাসপাতাল ও বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণ করতে হবে।
১১. সম্পদ নিরাপত্তা: প্রবাসীদের পরিবারের সম্পদ ও জান-মালের শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
১২. দক্ষ কর্মী পাঠানো: বিদেশে কর্মী পাঠানোর পূর্বে তাদেরকে কোনো কাজের উপর প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষ কর্মী পাঠাতে হবে।
১৩. জাতীয় পরিচয়পত্র সরবরাহ: সকল প্রবাসীকে তাদের কর্মরত দেশে জাতীয় পরিচয়পত্র সরবরাহ করতে হবে।
১৪. পেনশন সুবিধা: যারা ১০ বছরের বেশি প্রবাসে কর্মরত রয়েছেন, তাদেরকে পেনশনের আওতায় আনতে হবে।
১৫. অসুস্থ কর্মী ও মরদেহের খরচ: অসুস্থ কর্মী ও প্রবাসীর মরদেহ দেশে পাঠানোর ক্ষেত্রে সকল খরচ নিয়োগকর্তাকে প্রদান করতে বাধ্য করতে হবে; অন্যথায় বাংলাদেশ সরকারকে নিজ খরচে এই কার্য সম্পাদন করতে হবে।
১৬. গণশুনানি আয়োজন: প্রবাসী কর্মীদের নিয়ে বাংলাদেশী মিশনগুলো প্রতি ৩ মাস পর পর গণশুনানির আয়োজন করতে হবে।
১৭. বৈধতা নিশ্চিতকরণ: বিভিন্ন দেশে যে সকল প্রবাসীরা অবৈধ হয়ে আছেন, তাদেরকে বৈধ করার চেষ্টা চালাতে হবে; অন্যথায় তাদেরকে দেশে আনার ব্যবস্থা করতে হবে।
১৮. অবৈধ পথে কর্মী যাওয়া বন্ধ: যে সকল দেশে বাংলাদেশ সরকার কর্মী প্রেরণ করেন না, সে সব দেশে অবৈধ পথে ঝুঁকি নিয়ে কর্মী যাওয়া বন্ধ করতে হবে।
১৯. মতবিনিময়: অভিবাসন খাতে কর্মরত সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রতি মাসে অন্তত একবার প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী বা সচিবের মতবিনিময় করতে হবে।
07/12/2025
📢 প্রবাসীদের ক্ষো*ভ কি সত্যিই হালকা করে দেখার মতো? ভাবার সময় এসেছে।
পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে থাকা বাংলাদেশের প্রবাসীরা সাম্প্রতিক সরকারি সিদ্ধান্তে সরাসরি ক্ষুব্ধ।
অনেকে ইতোমধ্যেই রেমিটেন্স পাঠানো বন্ধ রাখার ডাক দিচ্ছেন।
এখন ভাবুন—মাত্র ১০ শতাংশ প্রবাসী যদি এক মাস রেমিটেন্স বন্ধ করে দেয়, বাংলাদেশ অর্থনীতি কেঁপে উঠবে।
কারণ যত কথাই বলা হোক না কেন, দেশের অর্থনীতি এখনো সবচেয়ে বেশি দাঁড়িয়ে আছে প্রবাসী আয়ের ওপর।
🇧🇩 সত্যটা খুব স্পষ্ট
প্রবাসীরা বছরে যে ২০ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিটেন্স পাঠান, তা ছাড়া ব্যাংকে ডলার থাকবে না, আমদানি থেমে যাবে, টাকার মান আরও কমে যাবে।
অর্থাৎ প্রবাসীর কষ্টার্জিত টাকাই দেশের অর্থনীতিকে ধরে রেখেছে।
❗ তাহলে প্রশ্ন উঠছে…
এই সত্য জানার পরও নীতি নির্ধারকেরা কেন প্রবাসীদের সুযোগ–সুবিধা কমানোর সিদ্ধান্ত নেয়?
কেন প্রতিটি নতুন নিয়মে প্রবাসীদের জন্য আরো ঝামেলা যুক্ত হয়?
কেন তাদের কথা বলার কেউ থাকে না?
দূতাবাসের সেবা, এয়ারপোর্টের নিরাপত্তা, দেশে গেলে রেজিস্ট্রেশনের ঝামেলা—সব মিলিয়ে প্রবাসীরা অনুভব করছে তারা যেন শুধু টাকা পাঠানোর যন্ত্র, মানুষ নয়।
🤝 প্রবাসীরা কারা?
যারা দেশের বাইরে থেকে কষ্ট করে টাকা পাঠিয়ে
✔ পরিবার চালায়
✔ দেশের ব্যাংকে ডলার যোগায়
✔ উন্নয়নের গতি ধরে রাখে
✔ বৈদেশিক মুদ্রার ঘাটতি পূরণ করে
আর তারাই যখন অবহেলা অনুভব করে—তখন ক্ষো*ভে রেমিটেন্স ব‘ন্ধের ডাক আসাটাই স্বাভাবিক।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Chandpur
