Health Corner BD
Alhamdulillah our product is made in a completely natural way and is approved by Bangladesh Sciencela
আসসালামু আলাইকুম
ও'জন নিয়ে চি,ন্তি,ত? ও'জন বা'ড়ান প্রা"কৃ"তিক ভাবে তৈরি মি'ল্ক শে,ক খেতে খেতে।
বিস্তারিত জানতে ইনবক্স করুন অথবা সরাসরি কল করুন পেইজে দেওয়া নাম্বারেঃ01567885349
20/12/2022
খাদ্য হজমে সহায়ক: ফাইবারজাতীয় হওয়ায় মিষ্টি কুমড়া সহজেই হজম হয়। হজমশক্তি বৃদ্ধি ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে কার্যকরী ভূমিকা রাখে এটি। এছাড়া ডায়রিয়া নিয়ন্ত্রণ ও পরিপাক নালীর খাদ্য সঠিক উপায়ে সরবরাহেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এই সবজি। ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি: মিষ্টি কুমড়া ত্বক উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে।
16/12/2022
মাছ একটি উচ্চ পুষ্টিগুণ সম্পন্ন খাবার। এটি প্রথম শ্রেণীর প্রোটিনের উত্তম উৎস
এছাড়াও মাছে রয়েছে উচ্চ পরিমাণে ভিটামিন-এ, ভিটামিন-ডি, ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড,
সেলেনিয়াম, ক্যালসিয়ামসহ অন্যান্য পুষ্টি উপাদান।
একজন ব্যক্তির সারাদিনের ক্যালরি চাহিদার ১২-২০% প্রোটিন জাতীয় খাদ্য থেকে আসা
উচিত। এবং প্রোটিনের এই চাহিদা সহজেই মেটাতে পারে মাছ।
মাছের উপকারিতা-
১।মাছ একটি সহজপাচ্য খাদ্য। যেকোন বয়সের মানুষ কোন সমস্যা ছাড়াই মাছ খেতে
পারে। এটি সহজলভ্যও বটে।
২।মাছ ভিটামিন এ এর একটি উৎকৃষ্ট উৎস যা দৃষ্টিশক্তি ভাল রাখে।
৩।সামুদ্রিক মাছ এবং কিছু মিঠাপানির মাছ খাওয়ার ফলে শরীরে DHA নামক ওমেগা-
৩ ফ্যাটি এসিডের মাত্রা বাড়ে, যার ফলে স্মৃতি শক্তি ভাল থাকে। এছাড়াও এই DHA
শিশুদের মস্তিষ্ক ও দৃষ্টির বিকাশের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।
৪।গর্ভবতী মায়েদের জন্য মাছ খুব জরুরি। গর্ভস্থ ভ্রুনের চোখ এবং মস্তিষ্কের গঠনে
ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড অত্যাবশ্যকীয় উপাদান। তবে, গর্ভাবস্থায় অবশ্যই সামুদ্রিক মাছ
পরিহার করতে হবে কেননা এতে ভারী ধাতুর পরিমাণ বেশি থাকে যা গর্ভস্থ শিশুর
জন্য ক্ষতিকর।
৫।মাছে থাকা ভিটামিন ডি দেহে ক্যালসিয়ামের শোষণ হতে সাহায্য করে। এছাড়াও
ভিটামিন ডি ওজন কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখে।
৬।মাছের ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড হৃদ রোগের ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করে।
৭।মাছে থাকা PUFA শিশুদের হাঁপানি রোগ প্রতিরোধ করে।
৮।মাছের PUFA বয়স্কদের অ্যালঝেইমার রোগ প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা রাখে।
৯।মিঠাপানির ছোট মাছ যেমন- মলা, পুঁটি ইত্যাদি ভিটামিন ও খনিজ লবণে ভরপুর
যা দেহে ভিটামিন ও খনিজ লবণের চাহিদা মেটাতে সহায়ক।
১০।ছোট মাছের কাঁটায় ক্যালসিয়াম থাকে যা। শিশুদের হাড় গঠনের জন্য উপকারী।
বড়দের জন্য ক্যালসিয়ামের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস ছোট মাছ। ছোট মাছ খাওয়ার
সময় এর কাঁটা না ফেলে খাওয়া উচিত। এছাড়াও এতে আছে ফ্লোরিন যা মজবুত
হাড় ও দাঁতের গঠনের জন্য অতি প্রয়োজনীয়।
১১।মাছে থাকা সেলেনিয়াম থাইরয়েড ফাংশনকে উন্নত করতে সাহায্য করে।
১২।মাছ লৌহের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস। মাছের লৌহ সহজে শোষিত হয়ে অ্যানিমিয়া
প্রতিরোধ করে।
১৩।সামুদ্রিক মাছ আয়োডিনের উৎস, যা গলগণ্ড রোগ প্রতিরোধ করে, শিশুদের
মস্তিষ্কের সঠিক বিকাশে সাহায্য করে এবং থাইরয়েড ফাংশনকে উন্নত করতে সাহায্য
করে।
একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের জন্য সপ্তাহে প্রায় ২৮০ গ্রাম মাছ খাওয়া উচিত। যেকোন
বয়সের জন্যই মাছ একটি পুষ্টিকর ও উপাদেয় খাদ্য। শিশুদের সাত মাস বয়স
থেকেই মাছ খাওয়ানো শুরু করা উচিত। এতে সে তার প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান
পায় এবং মাছের স্বাদের সাথে অভ্যস্ত হয়ে উঠে।
15/12/2022
ডিমের পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা
ডিম একটি আর্দশ খাদ্য সবার জন্য। পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ ডিম নিয়মিত খাওয়ার অভ্যাসে মিলবে অনেক উপকার। বিজ্ঞানীগণ এত দিন ডিম গ্রহণের বিপক্ষে মত দিলেও এখন এর উপকারী দিক বিবেচনায় নিয়ে নিয়মিত ডিম খাওয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন।
ডিমের পুষ্টি উপাদান
ডিম পুষ্টিগুন সমৃদ্ধ একটি খাবার। এতে শর্করা, প্রোটিন, স্নেহ, বিভিন্ন খনিজ পদার্থ ও ভিটামিন রয়েছে। এসকল পুষ্টির কারনে ডিমের উপকারিতা অনেক। আমাদের দেশে সাধারনত মুরগীর ডিম, হাঁসের ডিম, কোয়েল পাখির ডিম মানুষ বেশি পছন্দ করে থাকে।
ডিমে ভালো কোলেস্টেরল এর পরিমান বেশি যার কারনে এখন ডাক্তাররা প্রতিদিন একটি ডিম খেতে বলেন।
ডিমে যেসকল পুষ্টি উপাদান থাকে ঃ
সম্পূর্ণ সেদ্ধ আস্ত একটি ডিমে আছে
শর্করা ১.১২ গ্রাম,
স্নেহ পদার্থ ১০.৬ গ্রাম,
প্রোটিন ১২.৬ গ্রাম,
কোলেস্টেরল ৫ গ্রাম, যার মধ্যে ভাল কোলেস্টেরলের মাএা ৩.৫ গ্রাম। বাকি অংশটুকু মন্দ কোলেস্টেরল এলডিএল। ভাল কোলেস্টেরলের অংশ বেশি।
তাছাড়া রয়েছে লৌহ,
ফসফরাস,
ক্যালসিয়াম,
খনিজ পদার্থ,
ভিটামিন-এ,
থায়ামিন এবং
ভিটামিন ডি।
পানির পরিমাণ ৭৫ গ্রাম।
12/12/2022
দুধ পুষ্টিগুণে ভরপুর। শিশু, প্রাপ্তবয়স্ক ও বৃদ্ধ–সবারই প্রতিদিন এক গ্লাস দুধ পান করা উচিত। দুধ ভিটামিন ডি ও ক্যালসিয়ামের উৎস। দুধে আছে প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, চর্বি, ওমেগা থ্রি, ওমেগা সিক্সসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। দুধকে বলা হয় সুপার ফুড। এতে আছে প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ, যা শরীরের জন্য জরুরি। এতে প্রচুর ভিটামিন বি-১২ আছে, যা মস্তিষ্কের জন্য প্রয়োজন। দুধ শরীরকে কর্মক্ষম রাখতে সাহায্য করে। এ ছাড়া দেহের টিস্যু ও কোষ মেরামতের জন্য দারুণ উপকারী।
11/12/2022
সারাদেশে জেঁকে বসেছে শীত। চারদিকে বইছে হিমেল ও শুষ্ক হাওয়া।
বৈরী আবহাওয়া ত্বকের জন্য বয়ে আনে নানান ধরনের সমস্যা। হতে পারে বিভিন্ন রোগও।
এই সময়ে শরীরে প্রয়োজন পরে একটু বাড়তি যত্নের। তাই সুস্থ থাকার জন্য ঋতুর এ পরিবর্তনে নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে একটু সচেতন হতে হবে।
শীতের কিছু সবজি, যা খেলে তরতাজা থাকবেন আপনি।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, শরীর ভেতর থেকে সুস্থ থাকলেই ত্বক উজ্জ্বল রাখা সম্ভব। শীতে কিছু খাবার আপনাকে সজীবতা ও সুস্থতা দেবে।
জেনে নিন এই খাবারগুলো কী:
হালকা কুসুম গরম পানি পান করুন। মাঝে মধ্যে ডাবের পানি, ফলের রসও পান করতে পারেন। এছাড়া তিন বেলার খাবারের মেন্যুতে রাখতে পারেন বিভিন্ন ধরনের স্যুপ, গরম দুধ, দুধ ছাড়া চা, তিন-চার ফোঁটা লেবুর রস। এটি পানির সঙ্গে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টেরও কাজ করবে।
শীতের রোগবালাই দূর করতে মূলজাতীয় সবজি ভালো কার্যকর। বিট, মিষ্টি আলু, গাজর, শালগমের মতো নানা সবজি শীতে আপনাকে সুস্থ থাকতে সাহায্য করবে। এসব সবজিতে থাকা ভিটামিন ও নানা পুষ্টি উপাদান শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবে।
শীতের সময় বেশি করে টকজাতীয় ফল খেতে পারেন। কমলা, বরই, পেয়ারা ভিটামিন সির দারুণ উৎস হতে পারে।
ত্বক ভালো রাখার জন্য প্রয়োজন ফ্যাটি এসিড। বাদাম, মাছ এই ধরনের খাবার বেশি করে খান। ব্যালেন্সড ডায়েট মেনে চলুন।
এছাড়া মাছের সঙ্গে শিম যুক্ত করে খেতে পারেন। এই শীতে নিয়মিত শিম খেলে ত্বকও ভালো থাকবে।
শীতের সময়ে খেতে পারেন পুষ্টিকর পালংশাক। পালংশাক ত্বক ও চুলের জন্য উপকারী। অতিরিক্ত ওজনও কমায়। এই সবজি শীতে আমাদের শরীরকে হাইড্রেট রাখতে সহায়তা করে।
শীতে খাওয়ার নিয়ম ঠিকঠাক না মেনে চললে শারীরিক সমস্যা দেখা দেবে। খাবার অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। তাই শীতে খাবার খাওয়ার প্রতি খাবার বাছাইয়ে সচেতন হোন।
11/12/2022
আসসালামু আলাইকুম
ওজ'ন কি কম?ওজ'ন নিয়ে কি চি'ন্তিত?
স্যার দিন বদলেছে বদলেছে চিকিৎসা বিজ্ঞান।
এখন ওজ'ন বাড়বে স'ম্পুর্ণ প্রা'কৃতিক উপায়ে।
মি'ল্ক শেক খেতে খেতে।
আরো বি'স্তারিত জানতে ইন'বক্সে ম্যা'সেজ দিন
অথবা ক-ল করুন পেইজে দেওয়া নাম্বারে
01567885349
11/12/2022
অতিরিক্ত ওজন যেমন বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ায়, তেমনি স্বাভাবিকের চেয়ে ওজন কম হলে সেটিও শঙ্কার কারণ হতে পারে। সুষম খাদ্যাভ্যাস মানা ও নিয়মিত ব্যায়াম করা ওজন বাড়ানোর জন্য আবশ্যক। এখানে ওজন বাড়ে কোন খাবারে, ওজন বৃদ্ধির ব্যায়ামগুলো কি এবং ওজন বৃদ্ধির জন্য কোন বিষয়গুলোর ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে — তা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে
ওজন বাড়ানোর ডায়েটে সকালের নাস্তা, দুপুর ও রাতের খাবার এবং হালকা নাস্তা হিসেবে কোন খাবারগুলো খাওয়া যেতে পারে তা তুলে ধরা হলো। এই খাবারগুলো কেন, কিভাবে, এবং কী পরিমাণে খেতে হবে তা জানতে নিচে পড়ুন।
সকালের নাস্তাদুধ, কলা, ডিম, খেজুরদুপুরের খাবারডাল, টক দই, মুরগির মাংসরাতের খাবারডাল, টক দই, মুরগির মাংসহালকা নাস্তাবাদাম, কিসমিস, বিভিন্ন ধরনের বীজযা খাবেন নাসাগু, কাস্টারড-পুডিং
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
2no Gate, Mosjid Area Chittagong
Chittagong
4000
