Glamorous Body Shape
We provide 100% Natural Product for Health and Beauty.
19/08/2021
😍😍 ঝরঝেট হিজাপ 😍😍
❤️❤️অনেক বড়ো সাইজ এর কাপড়❤️❤️
👉অর্ডার করতে ইনবক্স করুন 👈
23/10/2020
আমরা পণ্য ডেলিভারি দিচ্ছি ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায়।
05/10/2020
কোমল ও উজ্জ্বল হাত পা পেতে স্ক্রাবের ব্যবহার জেনে নিন!
“আমার হাত পা ফেইসের তুলনায় কালো! কি করলে ফর্সা হবো?” এই প্রশ্নটি আমরা প্রায়ই করে থাকি বা শুনে থাকি। ‘ত্বকের যত্ন’ বলতেই প্রথমে আমরা মুখের পরিচর্চাকেই বুঝি। কিন্তু আসলেই কি তাই? শুধু মুখের যত্ন নিলেই কিন্তু ত্বকের যত্ন নেয়া হয় না। মুখের পাশাপাশি হাত ও পায়ের যত্ন নেয়াটাও সমান ভাবে জরুরি এবং প্রয়োজনীয়। আমাদের হাত পায়ের জায়গাগুলো বেশিরভাগ সময়ই উন্মুক্ত অবস্থায় থাকে। তাই ক্ষতিকারক সূর্যরশ্মিও খুব সহজেই সরাসরি আমাদের এসকল জায়গার মেলানিন উৎপাদন বাড়িয়ে দেয়। যেজন্যে শরীরের ওই নির্দিষ্ট জায়গাগুলোও তুলনামূলকভাবে কালচে দেখায়। যেহেতু ফেইসের মত আমরা আমাদের হাত পায়ের যত্ন নিয়মিত নেই না, তাই হাত পায়ের সাথে মুখের ত্বকের তারতম্যও ধরা পরে খুব সহজেই। চলুন আজকে জেনে নেয়া যাক কয়েকটি সহজ ঘরোয়া স্ক্রাবের ব্যবহার সম্পর্কে যাতে আপনার হাত পা থাকবে কোমল ও উজ্জ্বল! ঘরোয়াভাবেই এই প্যাকগুলো বানিয়ে নিয়ে পরিচর্যা করে নিতে পারবেন।
কোমল ও উজ্জ্বল হাত পা পেতে স্ক্রাব
১) শসা, লেবু ও হলুদের তৈরি স্ক্রাব
ন্যাচারালভাবে ত্বককে ফর্সা বা গ্লোয়ি করতে শসার ব্যবহার অপরিহার্য। পাশাপাশি স্কিনকে মসৃণ এবং নমনীয় করে তুলতে হলুদের ব্যবহার অতুলনীয়। একটি বাটিতে ৩ থেকে ৪ টেবিল চামচ শসার রসের সাথে ১ টেবিল চামচ লেবুর রস নিয়ে নিন। এবার এতে হাফ চা চামচ হলুদের গুড়া মিশিয়ে ভালো ভাবে পেস্ট বানিয়ে নিন। সপ্তাহে ২/৩ বার এই প্যাকটি আপনার হাতে পায়ে লাগিয়ে শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে হালকা কুসুম কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে নিন।
২) মধু ও অ্যালোভেরা দিয়ে তৈরি স্ক্রাব
অ্যালোভেরার গুনাগুন সম্পর্কে জানে না এমন মানুষ কমই পাওয়া যাবে। অ্যালোভেরাতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। এই উপাদানটি আমাদের ত্বকের ডেড সেলস বা মৃত কোষগুলোকে রিমুভ করতে হেল্প করে। পাশাপাশি অ্যান্টি এজিং এর জন্যেও দারুণ ভাবে কাজ করে। কোমল ও উজ্জ্বল হাত পা পেতে এই প্যাকটি ব্যবহার করতে পারেন। ২ টেবিল চামচ মধুর সাথে ২ টেবিল চামচ অ্যালোভেরা জেল দিয়ে প্যাক বানিয়ে নিন। সম্ভব হলে তাতে আপনার পছন্দমতো বাথ সল্ট দিন ১ থেকে ১.৫ কাপ পরিমাণে। চাইলে সাথে এসেনশিয়াল অয়েলও এড করতে পারেন। এবার সবগুলো উপাদান একবারে মিশিয়ে নিন। এই প্যাকটিও সপ্তাহে ২/৩ বার ব্যবহার করলেই যথেষ্ট।
৩) টমেটো, বাদামী চিনি ও মধু দিয়ে তৈরি স্ক্রাব
স্কিনকেয়ারে টমেটোর ব্যবহার এবং কার্যকারিতা সম্বন্ধে আমরা কম বেশি জানি। টমেটোতে রয়েছে এনজাইম, যা স্কিনকে সহজেই এক্সফলিয়েট করে। আমাদের অনেকের ত্বকেই ব্ল্যাক হেডস বা হোয়াইট হেডস এর সমস্যা রয়েছে। টমেটো, বাদামী চিনি ও মধু দিয়ে তৈরি স্ক্রাব সহজেই এ সকল সমস্যা থেকে মুক্তি দিবে। প্যাকটি বানাতে ৪ টেবিল চামচ টমেটোর রসের সাথে ২ টেবিল চামচ বাদামী চিনি বা ব্রাউন সুগার ও ১ টেবিল চামচ মধু দিয়ে একসাথে ভালোভাবে মিক্স করে নিন। এবার ভালোভাবে সমস্ত হাত ও পায়ে অ্যাপ্লাই করে নিন। শুকিয়ে গেলে হালকা কুসুম কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। সপ্তাহে ২/৩ দিন ব্যবহারেই ভালো ফলাফল পাবেন।
৪) কফি এবং চিনি দিয়ে তৈরি স্ক্রাব
আমরা অনেকেই জানি, শরীরে রক্তের সঞ্চালন বাড়ানোর জন্যে কফি অনেক উপকারী। পাশাপাশি ত্বককে মসৃণ এবং স্নিগ্ধ করে তুলতেও কফি স্ক্রাবের তুলনা হয় না। আমরা যারা কফি খেতে পছন্দ করি বা কফির ফ্লেবার আমাদের যাদের পছন্দ, তারা এই উপাদান দিয়ে স্ক্রাব বানিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। এর জন্যে ১ কাপ কফির পাউডারের সাথে ২ টেবিল চামচ চিনি ব্যবহার করে ভালোভাবে মিক্স করে নিন। চাইলে আপনারা কোকোনাট অয়েল বা এসেনশিয়াল অয়েলও ব্যবহার করতে পারেন। ২০ থেকে ২৫ মিনিট ভালোভাবে হাত ও পায়ে ম্যাসাজ করে নিন। তারপর হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে নিন।
05/10/2020
নাকের দু’পাশে চশমার কালো দাগ দূর করার ৪টি উপায়!
ফেইসে যেকোনো ধরনের স্পট বা দাগই অস্বস্তিকর। কারণ এসব স্পট বা দাগ আমাদের মুখের স্বাভাবিক সৌন্দর্য নষ্ট করে। স্পট বা দাগ বিভিন্ন কারনে হতে পারে। প্রতিদিনের কাজ স্বাভাবিকভাবে করার জন্যে আমরা অনেকেই চশমার উপর নির্ভরশীল। কিন্তু সারাদিন চশমা পরার ফলে আমরা প্রায়ই একটি কমন সমস্যার সম্মুখীন হই, সেটা হচ্ছে নাকের দু’পাশে কালচে দাগের মত দেখা দেয়। অনেক সময় এই দাগগুলোকে গুরুত্ব না দেয়ার কারনে বহুদিন পর্যন্ত আমাদের ফেইসে থেকে যায়। অথচ সাধারণ কিছু ঘরোয়া উপায় কিন্তু হতে পারে এই কঠিন সমস্যার সহজ সমাধান। কিভাবে? চলুন আজকে তাই জেনে নেই নাকের দু’পাশে চশমার কালো দাগ দূর করার ৪টি উপায় সম্পর্কে!
নাকের দু’পাশের স্পট দূর করার উপায়গুলো জেনে নিন
১) কালো দাগ দূর করতে আলুর রস
আমাদের ত্বকে মেলানিন নামক উপাদান বেড়ে যাওয়ার ফলে কালচে ভাব সৃষ্টি হয়। আমরা অনেকেই জানি, ত্বকের এই কালচে ভাব দুর করতে আলুর রসের কার্যকারিতা কতটুকু। এর জন্যে আলু প্রথমে পাতলা করে কেটে নিতে হবে। নাকের দু’পাশে যে জায়গায় কালচে ভাব রয়েছে, ঐ জায়গাগুলোতে ১৫ থেকে ২০ মিনিট ভালো করে আলুর স্লাইস দিয়ে ম্যাসাজ করে নিন। চাইলে আলু ব্লেন্ড করে রস তৈরি করে নিতে পারেন। তুলার সাহায্যে একই ভাবে ত্বকে ম্যাসাজ করে নিন, ঠিক যেভাবে টোনার অ্যাপ্লাই করেন!
২) শসার আর লেবুর রস হতে পারে সহজ সমাধান
লেবুর রস প্রাকৃতিকভাবে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করে। ব্লিচিং এজেন্ট হিসেবেও এর তুলনা হয় না। কিন্তু সরাসরি এটি মুখে অ্যাপ্লাই করলে প্রবলেম হতে পারে, তাই শসার রসের সাথে মিশিয়ে লাগাতে পারেন। শসার রসের সাথে কয়েকফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে একটি পরিষ্কার তুলার সাহায্যে ১০ থেকে ১৫ মিনিট কালচে জায়গায় ভালো করে ম্যাসাজ করে নিন। সপ্তাহে ৩ থেকে ৪ বার এভাবে অ্যাপ্লাই করলেই কিছুদিনের মধ্যে এর সুফল দেখতে পারবেন।
৩) ত্বককে উজ্জ্বল ও মসৃণ করে টমেটো
যেকোনো কালচে দাগ দূর করতে টমেটো ম্যাজিকের মত কাজ করে থাকে। কারণ টমেটোতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি ও ভিটামিন এ। এছাড়াও এতে রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। এসব কয়টি উপাদানই ত্বকের দাগ দূর করতে কাজ করে। এজন্যে একটি পাকা টমেটো নিয়ে স্লাইস করে কেটে নিন। চাইলে এতে সামান্য চিনিও মিশাতে পারেন। এবার আলতোভাবে মুখে ম্যাসাজ করে নিন। টমেটোর রসের সাথে চিনির মিশ্রণ প্রাকৃতিক স্ক্রাব হিসেবে কাজ করে।
৪) সকল সমস্যার সমাধানে অ্যালোভেরা জেল
অ্যালোভেরার গুণাগুণ এবং কার্যকারিতা সম্পর্কে আমরা কম বেশি সবাই জানি। যাদের বাড়িতে অ্যালোভেরা গাছ রয়েছে, তারা সরাসরি গাছের অ্যালোভেরা কেটে নিয়ে জেল বের করে ব্যবহার করতে পারেন। যাদের সরাসরি অ্যালোভেরা ব্যবহারে সমস্যা হয়, তারা মার্কেট থেকে প্রসেসড অ্যালোভেরা জেল কিনেও ব্যবহার করতে পারেন। ত্বকের যেকোনো দাগ দূর করতে অ্যালোভেরা খুব দ্রুত কাজ করে। রাতে ঘুমানোর আগে অ্যালোভেরা জেল মেখে রাখুন। সকালে পানি দিয়ে ভালোভাবে মুখ পরিস্কার করে ধুয়ে নিন। সপ্তাহে অন্তত ২ থেকে ৩ বার ব্যবহার করুন। চশমার দাগের পাশাপাশি ব্রণের দাগ দূর করতেও এটি দারুণ সহায়ক।
05/10/2020
স্বাস্থ্যজ্জ্বল ও সুন্দর চুল পেতে রেগ্যুলার ডায়েটে কোন খাবারগুলো রাখা উচিত?
চুল পরা কমাতে, আগা ফাটা রোধ করতে, চুলকে সিল্কি ও কোমল রাখতে আমরা কতরকমের প্রোডাক্ট ব্যবহার করি। কিন্তু ভেতর থেকে সুস্থ ও সুন্দর থাকার জন্য ঠিকঠাক খাবার খাওয়া হয় কি? চুলের জন্য পরিচর্যা তো চাই, সঙ্গে থাকতে হবে প্রয়োজনীয় খাবারদাবার। স্কিন ও হেয়ার কেয়ার রুটিন সবকিছু মেনে চললাম, কিন্তু আসল জায়গাতে ফোকাস করলাম না, এতে কিন্তু তেমন উপকার পাওয়া যায় না! স্বাস্থ্যজ্জ্বল ও সুন্দর চুল পেতে রেগ্যুলার ডায়েটে কোন খাবারগুলো রাখা উচিত সে বিষয়ে জানা আছে তো? আজকে আমরা জেনে নিব চুলের সুস্থতার জন্য খাদ্যউপাদানের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে এবং রেগ্যুলার ডায়েটে কোন খাবারগুলো অবশ্যই রাখা উচিত সেই বিষয়ে।
কেন চুলের সুস্থতার জন্য প্রোপার ডায়েট প্রয়োজন?
চুল যদি শরীর থেকে প্রয়োজনীয় পুষ্টি জোগাড় করতে না পারে, তাহলে চুলের স্বাস্থ্য খারাপ হতে থাকে। চুলের সুস্থতার জন্য প্রোপার ডায়েট ম্যান্ডেটরি। অনেকে অভিযোগ করে থাকেন, জেনেটিকালি সুন্দর চুল নিয়ে জন্মালেও একটা সময়ে এসে চুল লালচে হয়ে যাচ্ছে, আগা ফেটে যাচ্ছে। আবার অনেকেই হেয়ার কেয়ারের ব্যাপারে খুব সচেতন, দামি প্রোডাক্ট দিয়ে চুলের যত্ন নেন, নিয়মমতো প্যাক লাগান। তারপরও চুল প্রাণহীন, অকালেই পেকে যাচ্ছে বা চুল পরে যাচ্ছে। মেইন প্রবলেমটা কোথায়, সেটা বুঝতে পারছেন কি? পুষ্টিহীনতা! নিউট্রিয়েন্টের অভাবে চুল দুর্বল হয়ে যায় এবং বাইরে থেকে দেখতে মলিন লাগে।
আমরা জানি যে, চুল হচ্ছে এক প্রকারের প্রোটিন তন্তু যার প্রধান উপাদান হচ্ছে কেরাটিন। চুল, নখ এগুলো মৃত কোষ, সেইজন্যই আমরা চুল, নখ কাটলে ব্যথা পাই না। শরীরের সব চাহিদা মিটিয়ে নিউট্রিয়েন্ট এই কোষগুলোতে পৌঁছে। শরীরে প্রয়োজনীয় খাদ্যউপাদান ইনটেক না হলে অর্থাৎ পুষ্টির ঘাটতি থাকলে আপনার চুল ও ত্বকে সেই প্রভাবটা পরবেই। তাই চুলের সুস্থতার জন্য প্রোপার ডায়েট প্রয়োজন।
স্বাস্থ্যজ্জ্বল ও সুন্দর চুল পেতে রেগ্যুলার ডায়েটে কোন খাবারগুলো রাখবেন?
১) গ্রিন ভেজিটেবল
সবুজ শাকসবজি যেমন পালং শাকে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম ও ওমেগা ফ্যাটি অ্যাসিড আছে। মটরশুঁটি চুলের জন্য খুবই প্রয়োজনীয় উপাদান কেরাটিন সমৃদ্ধ। লেটুস ও কপি জাতীয় সবজিতে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, আয়রন, ভিটামিন থাকে যেটা স্বাস্থ্যজ্জ্বল চুলের জন্য খুবই প্রয়োজন। প্রায় প্রতিটি গ্রিন ভেজিটেবল দরকারি আয়রন, বায়োটিন, ভিটামিন-এ, পটাশিয়াম ইত্যাদি খাদ্যউপাদানে ভরপুর। এগুলো স্ক্যাল্পের সুস্থতা ও চুলের গ্রোথ নিশ্চিত করে। তাই প্রতিদিনের ডায়েটে সবুজ শাক সবজি রাখা উচিত। তবে উচ্চ তাপে রান্না করলে পুষ্টিগুণ কমে যায়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
২) প্রোটিনজাতীয় খাবার
প্রোটিন বা আমিষ চুলের সুস্থতায় সবচেয়ে বড় ভুমিকা পালন করে। উদ্ভিজ্জ ও প্রাণীজ আমিষ আপনাকে পরিমাণমতো গ্রহন করতে হবে। পনির, ডিম, চিকেন, মাছ, ডাল, দুধ এগুলো আমিষের খুব ভালো উৎস। জৈব প্রোটিন শরীরের পুষ্টি চাহিদা মেটানোর মতোই চুলকেও পুষ্টি জোগায়। চুলের কেরাটিন প্রোটিন যখন দুর্বল হয়ে যায় বা কমে আসে, তখন চুল ঝরে পরা বা আগা ফাটার মত সমস্যা দেখা দেয়। তাই রেগ্যুলার ডায়েটে প্রোটিন রাখা প্রয়োজন, কেননা এটি হেয়াররুটে স্ট্রেন্থ বাড়ায় এবং চুল ভেতর থেকে সুন্দর রাখে।
৩) স্বাস্থ্যজ্জ্বল ও সুন্দর চুল পেতে বাদাম
আমণ্ড, কাজু কিনবা চিনা বাদাম, আপনার ডায়েটে রাখুন নাটজাতীয় খাবার। ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, ভিটামিন-ই, জিঙ্ক, ফলিক এসিডযুক্ত হওয়ায় সুন্দর স্কিন ও চুলের জন্য বাদাম খাওয়া উচিত। এসব উপাদান চুলের রুক্ষতা দূর করে, হেয়ার ফলিকলে পুষ্টি যোগায়, চুলের গোঁড়ায় ন্যাচারাল অয়েল প্রোডাকশন কন্ট্রোল করে। জিঙ্ক চুল পরা কমাতে সাহায্য করে, ভিটামিন-ই চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। মজবুত চুল পেতে বাদাম তেলের গুনাগুন তো শুনেছেন! ভেতর থেকে পুষ্টি নিশ্চিত করতে পরিমাণ বুঝে বাদাম খেতেও হবে।
৪) ভিটামিন-সি যুক্ত এবং পানিসমৃদ্ধ ফল / ফলের রস
তরমুজ, শসা, টোম্যাটো, আপেল, ডাবের পানি এগুলো পানিসমৃদ্ধ যা শরীরের ডিহাইড্রেশন রোধ করে। শরীরে যখন পানির চাহিদা পুরন হয় না, তখন চুলেও রুক্ষতা আসে, চুল প্রাণহীন দেখায়। হাইড্রেশন বা ওয়াটার লেভেল কোনোভাবেই কমতে দেয়া যাবে না। সুন্দর স্কিন ও চুলের জন্য নিয়মিত যত্ন নেয়ার পাশাপাশি প্রচুর পানি খেতে বলা হয়। মৌসুমি ফলমূল থেকে আপনি দরকারি মিনারেলস ও পুষ্টি পেয়ে যাবেন। ভিটামিন-সি কোলাজেন প্রোডাকশন বাড়াতে হেল্প করে, এতে চুলের ফলিকল থেকে নতুন চুল গজায় ও চুলের গ্রোথ ভালো হয়। আমড়া, লেবু, আমলকী, মাল্টা, বেরি জাতীয় ফল এগুলো ভিটামিন-সি এর খুব ভালো উৎস।
তাহলে জেনে নিলেন, চুলের সুস্থতার জন্য প্রোপার ডায়েট প্রয়োজন কেন এবং কী কী খাবার আপনাকে বেশি বেশি খেতে হবে। নিয়মমতো চুলের যত্ন নিবেন, পরিস্কার রাখবেন, হেলদি ডায়েট মেনে চলবেন। তাহলে চুল পরা বা চুল অকালে পেকে যাচ্ছে বা চুল ডিসকালার হয়ে যাচ্ছে, এসব নিয়ে আর ভাবতে হবে না। ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন!
04/10/2020
চুল পড়া বন্ধ করতে ৭ প্যাক -
চুলের গোড়া দুর্বল হয়ে চুল ঝরতে পারে বিভিন্ন কারণে। পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার পাশাপাশি নিয়মিত ঘুম ও শরীরচর্চা রুখতে পারে অকালে চুল পড়া। পাশাপাশি ঘরোয়া চর্চায় মজবুত করতে পারেন চুল।
একটি ডিম ব্লেন্ড করে ১ চা চামচ মধু মিশিয়ে লাগিয়ে রাখুন চুলে। ২০ মিনিট পর ভেষজ শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
অ্যালোভেরা জেলের সঙ্গে টক দই ও মধু মিশিয়ে তৈরি করুন হেয়ার প্যাক। আধা ঘণ্টা চুলে লাগিয়ে রেখে মাইল্ড শ্যাম্পু ব্যবহার করে ধুয়ে ফেলুন।
রাতে ঘুমানোর আগে অলিভ অয়েল ও নারকেল তেল গরম করে ম্যাসাজ করুন চুলে। পরদিন সকালে ধুয়ে ফেলুন শ্যাম্পু দিয়ে।
ক্যাস্টর অয়েল ও আদার রস মিশিয়ে নিন। ভেজা চুলে কয়েক মিনিট ম্যাসাজ করুন মিশ্রণটি। ১০ মিনিট অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলুন শ্যাম্পু দিয়ে।
পেঁয়াজের রস ঘষে ঘষে লাগান চুলে। আধা ঘণ্টা অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলুন ভেষজ শ্যাম্পু দিয়ে।
রিঠা, শিকাকাই ও আমলকীর গুঁড়া একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। প্রয়োজন মতো পানি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। চুলের গোড়ায় মিশ্রণটি লাগিয়ে রাখুন ৩০ মিনিট। মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
ক্যাস্টর অয়েল, নারকেল তেল ও অলিভ অয়েলের সঙ্গে দুটি ভিটামিন ভিটামিন ই ক্যাপসুলের তেল মিশিয়ে নিন। চুলের গোড়ায় ভালো করে ম্যাসাজ করুন এই তেলের মিশ্রণ। গরম তোয়ালে চুলে জড়িয়ে রাখুন। আধা ঘণ্টা পর শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে নিন।
04/10/2020
রূপচর্চায় গোলাপজল ব্যবহার করবেন কেন?
প্রাকৃতিকভাবে চুল ও ত্বক সুন্দর রাখতে চাইলে গোলাপজল ব্যবহার করতে পারেন নিশ্চিন্তে। এতে থাকা ভিটামিন, প্রাকৃতিক চিনি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বক রাখে উজ্জ্বল এবং চুল রাখে ঝলমলে।
ত্বকের অতিরিক্ত তেলতেলে ভাব দূর করে গোলাপজল। তুলা গোলাপজলে ভিজিয়ে ত্বকে চেপে চেপে লাগান। শুকিয়ে নিন প্রাকৃতিকভাবে।
ত্বককে শুষ্ক ও রুক্ষ হওয়ার হাত থেকে বাঁচায় গোলাপজল।
ক্লান্ত চোখের যত্নে গোলাপজলে তুলা ভিজিয়ে চোখের উপর রেখে দিন। চোখের ফোলা ভাবও কমে যাবে।
সমপরিমাণ গোলাপজল ও লেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে ত্বকে লাগিয়ে রাখুন। ব্রণ দূর হবে।
স্প্রে বোতলে গোলাপজল নিয়ে দিনে কয়েকবার স্প্রে করুন ত্বকে। বলিরেখাহীন সুন্দর ত্বক পাবেন নিয়মিত ব্যবহারে।
শ্যাম্পু শেষে গোলাপজল দিয়ে চুল ধুয়ে নিন। চুল হবে উজ্জ্বল ও প্রাণবন্ত।
ত্বকের পিএইচ লেভেল নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে গোলাপজল।
মুলতানি মাটির সঙ্গে পরিমান মতো গোলাপজল মিশিয়ে ত্বকে লাগান। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। ত্বকের ভেতর থেকে ময়লা দূর করবে এই প্যাক।
চুলে গোলাপজল স্প্রে করে আঁচড়ে নিন। লেপ্টে থাকা চুল হবে ঝলমলে।
04/10/2020
বলিরেখা দূর করে হলুদ -
ত্বক সুন্দর করতে হলুদের ব্যবহার হয়ে আসছে প্রাচীনকাল থেকেই। হলুদ যেমন ত্বক দ্রুত উজ্জ্বল করে, তেমনি বলিরেখা দূর করতেও জুড়ি নেই এর।
ত্বকে কেন ব্যবহার করবেন হলুদ?
বলিরেখা দূর করতে সক্ষম হলুদ।
সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে ত্বক রক্ষা করে।
ত্বকে প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা নিয়ে আসে।
ব্রণ দূর করে।
ত্বকের কালচে দাগ ও রোদে পোড়া দাগ দূর করে।
হলুদের প্যাক যেভাবে তৈরি ও ব্যবহার করবেন
১ চা চামচ দুধের সর, ১ টেবিল চামচ চন্দন, ২ টেবিল চামচ বেসন, সামান্য হলুদের গুঁড়া ও প্রয়োজন মতো অলিভ অয়েল মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে নিন। মিশ্রণটি ত্বকে ১৫ মিনিট লাগিয়ে রেখে ধুয়ে ফেলুন।
১/৪ চা চামচ হলুদের গুঁড়া, ১ চা চামচ মধু ও প্রয়োজন মতো তরল দুধ মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে নিন। মিশ্রণটি ত্বকে লাগিয়ে রাখুন। শুকিয়ে গেলে কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
ডিমের সাদা অংশের সঙ্গে কয়েক ফোঁটা অলিভ অয়েল, লেবুর রস ও হলুদের গুঁড়া মিশিয়ে ত্বকে লাগান। এটি ত্বকের অতিরিক্ত তেলতেলে ভাব দূর করবে।
২ টেবিল চামচ চালের আটার সঙ্গে ১ চা চামচ হলুদ ও প্রয়োজন মতো টক দই মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি ত্বকে লাগিয়ে রাখুন। কিছুক্ষণ পর ধুয়ে ফেলুন। এটি ব্রণ দূর করতে সাহায্য করবে।
সমপরিমাণ নারকেলের দুধ ও মধুর সঙ্গে হলুদের গুঁড়া মিশিয়ে ত্বকে লাগান। ত্বক হবে উজ্জ্বল।
একটি ডিমের কুসুমের সঙ্গে এক চিমটি হলুদ ও অলিভ অয়েল মিশিয়ে ত্বকে লাগান। ২০ মিনিট পর কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ত্বক হবে নরম।
30/09/2020
লম্বা চুল পেতে লেবু ব্যবহার করবেন যেভাবে -
ঘন ও লম্বা চুলের জন্য লেবুর হেয়ার প্যাক ব্যবহার করতে পারেন নিয়মিত। এতে থাকা ভিটামিন সি, সাইট্রিক অ্যাসিড, ম্যাগনেসিয়াম ও পেক্টিন চুলের বৃদ্ধি দ্রুত করে। এছাড়া খুশকির জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়া দূর করতেও লেবুর জুড়ি নেই। জেনে নিন কীভাবে চুলে ব্যবহার করবেন লেবু।
২ কাপ পানিতে ১ টেবিল চামচ লেবুর রস মিশিয়ে শ্যাম্পু শেষে ধুয়ে নিন চুল।
সমপরিমাণ লেবুর রস ও ডাবের পানি একসঙ্গে মিশিয়ে তুলা ভিজিয়ে চুলের গোড়ায় ম্যাসাজ করুন। ২০ মিনিট অপেক্ষা করে ভেষজ শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন চুল।
২ টেবিল চামচ অ্যালোভেরা জেলের সঙ্গে ১ টেবিল চামচ লেবুর রস মিশিয়ে চুলের গোড়ায় লাগান। আধা ঘণ্টা পর মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
৫ টেবিল চামচ মেহেদি গুঁড়ার সঙ্গে ১টি ডিম ও অর্ধেকটি লেবুর রস মিশিয়ে নিন। প্রয়োজন মতো কুসুম গরম পানি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। চুলে লাগিয়ে রাখুন মিশ্রণটি। ১ থেকে দেড় ঘণ্টা অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলুন শ্যাম্পু দিয়ে।
১ টেবিল চামচ লেবুর রস, ২ টেবিল চামচ মধু ও ২ চা চামচ অলিভ অয়েল একসঙ্গে মিশিয়ে চুলের গোড়ায় লাগান। ২০ মিনিট পর ভেষজ শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
মুলতানি মাটির সঙ্গে ১ টেবিল চামচ লেবুর রস ও প্রয়োজন মতো আপেল সিডার ভিনেগার মিশিয়ে মিহি পেস্ট তৈরি করুন। মিশ্রণটি ১৫ মিনিট চুলে লাগিয়ে রেখে ধুয়ে ফেলুন শ্যাম্পু দিয়ে।
২ টেবিল চামচ নারকেল তেলের সঙ্গে ১ টেবিল চামচ লেবুর রস মিশিয়ে চুলের গোড়ায় ঘষে ঘষে লাগান। ১ ঘণ্টা অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলুন ভেষজ শ্যাম্পু ব্যবহার করে।
১টি ডিমের সাদা অংশের সঙ্গে ১ চা চামচ মধু ও ১টি লেবুর রস মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি চুলে লাগিয়ে রাখুন আধা ঘণ্টা।
30/09/2020
ত্বক ও চুলের যত্নে ভিটামিন-ই ব্যবহার করুন এভাবে -
ফেস প্যাক ও হেয়ার প্যাকে মিশিয়ে নিতে পারে ভিটামিন-ই অয়েল। এটি যেমন ত্বক রাখে বলিরেখাহীন, তেমনি চুলের বৃদ্ধিতেও রাখে ভূমিকা। ক্যাপসুলের পাশাপাশি ভিটামিন-ই অয়েল পাবেন প্রসাধনের দোকানগুলোতেও।
ভারি মেকআপের ক্ষতি থেকে ত্বক বাঁচাতে মেকআপ ওঠানোর পর একটি প্যাক ব্যবহার করুন ত্বকে। অ্যালোভেরা জেলের সঙ্গে কয়েকটি ভিটামিন-ই ক্যাপসুলের তেল মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি ত্বকে কিছুক্ষণ লাগিয়ে রেখে ধুয়ে ফেলুন। ত্বক হবে প্রাণবন্ত।
চোখের নিচের বলিরেখা কমাতে জোজোবা অয়েলের সঙ্গে ভিটামিন-ই মিশিয়ে ম্যাসাজ করুন রাতে ঘুমানোর আগে।
পাকা পেঁপে চটকে ভিটামিন-ই অয়েল মিশিয়ে ত্বকে ঘষুন। দূর হবে জমে থাকা মরা চামড়া।
নারকেল তেলের সঙ্গে ভিটামিন-ই অয়েল মিশিয়ে চুলের গোড়ায় ম্যাসাজ করুন। চুল বাড়বে দ্রুত।
মোটা দানার চিনির সঙ্গে ভিটামিন-ই অয়েল মিশিয়ে হাত ও পায়ের ত্বকে ম্যাসাজ করুন। ত্বক হবে পেলব।
30/09/2020
চুল পড়া রোধে ৮ পরামর্শ -
ঋতু বদলের সময়ের ঝরতে পারে চুল। এছাড়া অযত্ন ও প্রয়োজনীয় পুষ্টির অভাবেও অকালে পড়ে যায় চুল। চুল পড়া রোধ করতে চাইলে মনে রাখতে হবে কয়েকটি বিষয়।
সূর্যের তাপ, বৃষ্টির পানি কিংবা দূষণ থেকে যতটুকু সম্ভব বাঁচিয়ে রাখুন চুল। এগুলো খুব সহজে চুল রুক্ষ করে দেয়।
শ্যাম্পু শেষে কন্ডিশনার ব্যবহার করতে ভুলবেন না। ঠাণ্ডা পানি দিয়ে কন্ডিশনার ধুয়ে নিন।
চুল পড়া কমাতে নির্দিষ্ট সময় পর পর আগা ছেঁটে ফেলুন চুলের। এতে যেমন চুলের আগা ফাটা রোধ হবে, তেমনি বাড়বে চুলের বৃদ্ধিও।
হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার করবেন না। প্রাকৃতিক বাতাসে শুকান চুল।
মধু, ডিম, অ্যালোভেরা, মেথির মতো প্রাকৃতিক উপাদানের তৈরি হেয়ার প্যাক সপ্তাহে অন্তত একবার ব্যবহার করুন।
চুলের প্রাণ ধরে রাখতে নিয়মিত তেল ম্যাসাজ করুন। কয়েক ধরনের তেল একসঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করলেও ভালো ফল পাবেন।
ভেজা চুল আঁচড়াবেন না। যদি ভেজা চুল আঁচড়াতে হয় তবে মোটা দাঁতের চিরুনি ব্যবহার করুন।
সুষম খাবার খান। ভিটামিন এ, বি, সি, ই, ম্যাগনেসিয়াম, আয়রন, জিংক। ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার রাখুন খাদ্য তালিকায়।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Muradpur
Chittagong
4212
