Natural food
সুস্থ থাকুন, প্রাকৃতিক উপায়ে। মিল্ক শেক প্রোডাক্ট
08/03/2023
আসসালামু আলাইকুম
(Natural food) নিয়ে আসছে আপনাদের জন্য স্বাধীনতার মাস উপলক্ষে বিশেষ ছাড়😻😻
ওয়েট গেইন মিল্ক শেক পাচ্ছেন ডিসকাউন্ট অফার এ মাএ ১১৫০ টাকায়☺️
ওয়েট গেইন জুস পাচ্ছেন ডিসকাউন্ট অফার এ মাএ ২২৫০ টাকায় 😱
তাহলে আর দেরি কিসের এখুনি ওর্ডার করতে আমাদের পেইজে নক করুন??
আমরা আছি আপনাদের সাথে ডিসকাউন্ট অফার নিয়ে স্বাধীনতার দিবসের সারা মাস জুড়ে 😍😍
08/03/2023
আসসালামু আলাইকুম
(Natural food) নিয়ে আসছে আপনাদের জন্য স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বিশেষ ছাড়😻😻
ওয়েট গেইন মিল্ক শেক পাচ্ছেন ডিসকাউন্ট অফার এ মাএ ১১৫০ টাকায়☺️
তাহলে আর দেরি কিসের এখুনি ওর্ডার করতে আমাদের পেইজে নক করুন??
আমরা আছি আপনাদের সাথে ডিসকাউন্ট অফার নিয়ে স্বাধীনতার দিবসের সারা মাস জুড়ে 😍😍
02/03/2023
02/03/2023
আস'সা'লামু আ'লা'ইকুম।
ও'জ'ন স্বা'স্থ্য নিয়ে চি'ন্তি'ত,! ন্যা'চা'রাল মি"ল্ক শেক খেয়ে ও'জন বা'ড়া'ন ৫-২০ কেজি পর্যন্ত।
ঘরে বসে অর্ডার করুন, কোন ধরণের অগ্রীম পে'মে'ন্ট ছাড়াই৷
অধিক মুনাফা নয়, কাস্টমারের স'ন্তু'ষ্টি একমাএ লক্ষ।
বিস্তারিত জানতে sent message অপশনে ক্লিক করুন, অথবা সরাসরি কল করুন :-
✅01889-258251
02/03/2023
কাঁঠালে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, যা দাঁত, মাঢ়ি ও মুখের ঘা জাতীয় রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে।
এতে চর্বি জাতীয় উপাদানের উপস্থিতি নেই বললেই চলে। তাই কাঁঠাল খেলে ওজন বৃদ্ধির আশংকা একেবারেই থাকে না।
কাঁঠালে রয়েছে সর্বোচ্চ পরিমাণে পটাশিয়াম, যা উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে এবং হার্টের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে।
কাঁঠালে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা ক্ষতিকর দূষণ থেকে শরীরকে রক্ষা করে। স্তন, পাকস্থলী ও ফুসফুসের ক্যানসার প্রতিরোধ করতে সহায়তা করে।
কাঁঠালে রয়েছে খাদ্যআঁশ, যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে ও হজমশক্তি বৃদ্ধি করে।
টেনশন ও নার্ভাসনেস কাটাতে কাঁঠাল বেশ উপকারী।
এতে উপস্থিত খনিজ উপাদান রক্তে শর্করা বা চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে। ফলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণেও কাঁঠাল ভূমিকা রাখে।
সর্দি-কাশি প্রতিরোধেও কাঁঠাল বেশ কার্যকরী।
কাঁঠালে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ। রাতকানা রোগ প্রতিরোধে কাঁঠালের জুড়ি নেই!
কাঁঠালের ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম হাড় ও দাঁত গঠনে এবং মজবুতকরণে কার্যকরী ভূমিকা রাখে।
এতে উপস্থিত ভিটামিন বি হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় সেই সাথে ত্বকের নানা রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে। ত্বক মসৃণ ও উজ্জ্বল করতেও কাঁঠালের ভূমিকা রয়েছে।
কাঁঠালে বিদ্যমান প্রোটিন দেহের কোষ গঠনে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করে।
কাঁঠালে উপস্থিত আয়রন ও খনিজ উপাদান রক্তস্বল্পতা দূর করে। সুষ্ঠুভাবে রক্ত চলাচলে সহায়তা করে।
গর্ভবতী মা প্রতিদিন ২০০ গ্রাম পাকা কাঁঠাল খেলে গর্ভস্থ শিশুর সব ধরনের পুষ্টির অভাব দূর হয় এবং গর্ভস্থ সন্তানের বৃদ্ধি স্বাভাবিক ভাবে হয়। স্তন্যদায়ী মায়ের দুধের পরিমাণও বৃদ্ধি পায়।
02/03/2023
এতে থাকে এলজিক এসিড যা খাদ্যনালির (অন্ত্রের) ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।
এর পাতা ও কচি ফলের রসে রয়েছে ট্যানিন, যা রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে।
পাকা ফল রক্তক্ষরণ বন্ধ করে।
ফল ও পাতা গরম পানিতে সিদ্ধ করে পান করলে বমি বন্ধ হয়।
কামরাঙ্গা ত্বক মসৃণ করে।
এর পাতা ও ডগার গুঁড়া খেলে জলবসন্ত ও বক্রকৃমি নিরাময় হয়।
কামরাঙ্গা পুড়িয়ে ভর্তা করে খেলে ঠান্ডাজনিত (সর্দিকাশি) সমস্যা সহজেই ভালো হয়ে যায়।
এর মূল বিষনাশক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
কামরাঙ্গা ভর্তা রুচি ও হজমশক্তি বাড়ায়।
পেটের ব্যথায় কামরাঙ্গা খেলে উপকার পাওয়া যায়।
শুকানো কামরাঙ্গা জ্বরের জন্য খুবই উপকারী।
২ গ্রাম পরিমাণ শুকনো কামরাঙ্গার গুঁড়া পানির সঙ্গে রোজ একবার করে খেলে অর্শ রোগে উপকার পাওয়া যায়।
১৩) কামরাঙ্গা শীতল ও টক। তাই ঘাম, কফ ও বাতনাশক হিসেবে কাজ করে। তবে অধিক পরিমাণে কামরাঙা বা তার জুস খেলে ক্ষতির সম্ভাবনাও
02/03/2023
অনেকেই জানি না, জামের বীজ এর উপকারিতা। জামের বীজের মধ্যে রয়েছে জাম্বলিন নামে গ্লুকোসাইট। গ্লুকোসাইট স্টার্চকে শর্করাতে রূপান্তরের হাত থেকে বাঁচায়। যা নারী-পুরুষের মেহ রোগ নিয়ন্ত্রণ করে।
কাঁচা জামের পেস্ট পেটের জন্য উপকারী। এতে পেটের রোগ সেরে যায়। ক্ষুধামন্দা বা কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থাকলে জামের আচার পানির মধ্যে সমপরিমাণে মিশিয়ে সকাল-সন্ধ্যা খেলে দ্রুত উপকার পাওয়া যায়।
বর্তমানে কিছু দেশে জাম দিয়ে বিশেষ ওষুধ তৈরি করা হচ্ছে, যা ব্যবহারে চুল পাকা বন্ধ হবে।
গলার সমস্যার ক্ষেত্রে জাম ফলদায়ক। জাম গাছের ছাল পিষে পেস্ট তৈরি করে তা পানিতে মিশিয়ে মাউথ ওয়াশ হিসেবে ব্যবহার করা যায়। এতে গলা পরিষ্কার হবে, মুখের দুর্গন্ধ দূর হবে, মাড়িতে কোনো সমস্যা থাকলে তাও কমে যা
02/03/2023
এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম। যেকোনো বড় অস্ত্রোপচারের পর বা দেহের কোনো হাড় ভেঙে গেলে, কাঠবাদাম খেলে হাড় পুষ্টি পাবে দ্রুত। লম্বা আকারের বাদাম, খোসা (পাতলা আবরণ) ছাড়িয়ে খেতে হয়। কাঁচা খেতে পারলে খুব ভালো। কাঁচা হজম করতে না... পারলে পানিতে ভিজিয়ে খাবেন। বাদামের ওপর পাতলা বাদামি বা খয়েরি রঙের আবরণ থাকে। পানিতে ১০ থেকে ২০ মিনিট ভিজিয়ে রাখলেই খোসাটা উঠে যায়। চিবিয়ে বা খাবারের সঙ্গে মিশিয়ে সেদ্ধ করে খাওয়া যায়। গর্ভবতী মহিলা, বাড়ন্ত শিশু ও মেনোপোজ (চিরতরে ঋতুস্রাব বন্ধ হয়ে যাওয়া) হয়ে গেছে—এমন নারীদের জন্যও কাঠবাদাম ভীষণ জরুরি। কারণ, এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম। আবার বয়স্ক নারী ও পুরুষের জন্যও এই বাদাম ভীষণ জরুরি। কারণ, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে, বিশেষ করে আমাদের দেশে ৪০ বছরের পর বেশির ভাগ মানুষের অসটিও পোরোসিস হয়, এই অসুখে হাড় দুর্বল হয়ে যায়, যা পুরো শরীরের ওপর ফেলে ক্ষতিকর প্রভাব। এমন অবস্থা থেকে পরিত্রাণের জন্য প্রয়োজন দেহের ওজন কমানো, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ থাকলে তা নিয়ন্ত্রণে রাখা ও নিয়মিত ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার খাওয়া। মেনোপোজ হয়ে যাওয়া নারীদের হাড় দুর্বল হয়ে পড়ে। তাঁদের দেহে জরুরি অনেক হরমোন তৈরি হয় না (হরমোন শরীরের জন্য উপকারী উপাদান)—এমন অবস্থায়ও কাঠবাদাম হতে পারে আপনার বন্ধু। প্রতিদিন সর্বোচ্চ তিনটা খাওয়া যেতে পারে। এতে শরীরের জন্য জরুরি অনেক উপকরণ রয়েছে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, ত্বকে জোগায় পুষ্টি, সাহায্য করে বার্ধক্যকে দূরে ঠেলতে। ত্বকের অসুখগুলোকে দূরে রাখে। দাঁত, হাড়, নখ, চুলকে উজ্জ্বল ও সুন্দর করতে এই বাদামের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। তবে সবাই হজম করতে পারে না। অবশ্যই নিজের হজমক্ষমতা বুঝে বাদাম খান।কাঠবাদাম
02/03/2023
আপেল স্মৃতি বিনষ্ট হওয়া রোধ করে।
লাং, কোলন ও প্রস্টেট ক্যান্সাররোধ করে।
কোলেস্টেরল কমায়।
ওজন নিয়ন্ত্রনে সহায়তা করে।
হাড়ের সুরক্ষা করে।
ওজন নিয়ন্ত্রনে সহায়তা করে।
এজমা নিয়ন্ত্রনে সহায়তা করে।
02/03/2023
আঙ্গুরের প্রায় ৭৯ শতাংশই পানি। এ ছাড়া, এতে ফ্রুকটোজ এবং খনিজ উপাদানসহ দেহের জন্য প্রয়োজনীয় কিছু উপাদান আছে।
‘রেজভারেট্রল’ নামের রাসায়নিক উপাদান হৃৎপিণ্ড এবং রক্তনালীগুলোকে বুড়িয়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে। কম ক্যালোরিযুক্ত এ লোহিত উপাদান বাড়ায় এবং বুড়িয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে কমিয়ে দেয়। এ ছাড়া, ভিটামিন এ, বি, সি ছাড়াও আঙ্গুরে রয়েছে পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, লৌহ, আয়োডিন এবং ফসফরাসের মতো খনিজ উপাদান। আঙ্গুরের ফ্রুকটোজ সহজে রক্তে প্রবেশ করতে পারে এবং একে গুরুত্বপূর্ণ শর্করা হিসেবে গণ্য করা হয়।
পুষ্টি ও স্বাস্থ্য নিয়ে মহানবী সা. এবং পবিত্র আহলে বাইতের সদস্যরা অনেক প্রয়োজনীয় ও গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেছেন। তবে ,তারা জনগণকে কয়েকটি বিশেষ খাবার খাওয়ার বিষয়ে উৎসাহিত করেছেন। হযরত আলী আ. আঙ্গুরকে শুধু উপকারী ফলই বলেননি একে পুর্ণাঙ্গ খাদ্য হিসেবেও উল্লেখ করেছেন।
আঙ্গুর হতাশা প্রতিহত করতে সাহায্য করে। বিশেষ করে দুঃখ-বেদনা, মানসিক পীড়ন ও বিষন্নতা প্রতিহত করার ক্ষেত্রে আঙ্গুর বিশেষ ফলদায়ক হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। হাদিস থেকে আমরা জানতে পারি, মহাপ্লাবনের পর হযরত নূহ আ. ভূমিতে নামলেন তখন চারপাশে মৃত মানুষ ও প্রাণীর অসংখ্য কংকাল দেখতে পান। চারপাশে মহাপ্রলয়ের এই ভয়াবহ ধ্বংসলীলা দেখে হযরত নূহ আ.এর কোমল হৃদয় প্রচণ্ডভাবে ব্যথিত হয়ে ওঠে। বেদনায় মুষড়ে পড়েন তিনি। এ সময় হতাশাবোধ কাটিয়ে ওঠার জন্য তাকে কালো আঙ্গুর খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে অবতীর্ণ হয় ঐশী বাণী।
02/03/2023
আনারসের গুণাবলী জানার আগে আসুন আনারসের জন্ম পরিচয়টা জেনে নেই। প্রকৃতি বিজ্ঞানীদের মতে, সুদূর ব্রাজিল আনারসের জন্মভূমি। পরের গন্তব্য ছিল ইউরোপে। ক্রিষ্টোফার কলম্বাসের হাত ধরে ইউরোপে এসেছিল আনারস। সেখান থেকে পাড়ি দেয় আমাদের এশিয়ার দিকে। এবং নিজ গুনেই আনারস দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।
এক গবেষনায় দেখা গেছে আনারসের মধ্যে আছে এক ধরনের এ্যানজাইম। যা কাজ করে প্রদাহ নাশক হিসেবে। আছে প্রচুর ভিটামিন আর মিনারেল। সর্দি, কাশি ও গলা ব্যথায় আনারস এক মোক্ষম অস্ত্র। জ্বরেরও খুব ভালো ওষুধ আনারস। আর আনারস হজমেও সাহায্য করে বৈকি। কিনতে হবে কিন্তু পাকা দেখে আনারস। পাকা আনারস শরীরের জন্য খুব ভালো। সতেজ আনারস দেহের জন্য উপকারী।
এই আনারসের খ্যাতি রয়েছে সারা বিশ্বে। ব্রংকাইটিসে পথ্য হিসেবে আনারস ব্যবহার করে মেক্সিকানরা। আবার ভেনিজুয়েলার বাসিন্দারা গলা ব্যথায় ঔষধের বিকল্প হিসেবে খেয়ে থাকে। ব্রাজিলিয়ানরাও কিন্তু দারুন ভক্ত আনারসের। নাক দিয়ে একটু পানি গড়ালেই ফুটবল আমুদে এই ব্রাজিলিয়ানরাও খেয়ে নেয় গাদা গাদা আনারস। এক নজরে জেনে নেই আনারসের গুনাগুন-
ডেসার্ট হিসেবে খাবার শেষে আনারস খেতে পারেন। আনারস হজমে সাহায্য করে। সঙ্গে শরীরের অন্য অঙ্গগুলোকেও ভালো রাখে।
যারা দীর্ঘদিনের কোষ্ঠ কাঠিন্য দূর করতে সাহয়তা করে আনারস।
আনারস ক্ষুধা বর্ধক হিসেবে কাজ করে। তাই যে কোন অসুস্থ্যতার পরে মুখে রুচির জন্য আনারস খেতে পারেন।
কৃমিনাশের জন্য আনারস অতি উওম। ইন্টেসটাইনের কৃমি প্রতিরোধে আনারস কার্যকারী।
শরীর ব্যথা কিংবা জ্বরের পথ্য হিসেবেও আনারাসের তুলনা মেলা ভার।
02/03/2023
আমড়া ফলে আছে পর্যাপ্ত ভিটামিন সি, যা স্কার্ভি রোগ প্রতিরোধ করে। স্কার্ভি হচ্ছে এমন একটি রোগ, যার কারণে দাঁতের মাড়ি ফুলে যায়, দাঁতের গোড়া থেকে পুঁজ ও রক্ত পড়ে, মাড়িতে প্রচণ্ড ব্যথা হয়।
কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে ওজন কমাতে সহায়তা করে।
রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়।
অ্যান্টি-অক্সিডেন্টজাতীয় উপাদান থাকায় আমড়া বার্ধক্যকে প্রতিহত করে।
ক্ষুধামন্দাভাব দূর হয়।
কফ দূর করে।
পাকস্থলী সুস্থ রাখে।
ক্যান্সারের মতো মারাত্মক রোগ প্রতিরোধেও আমড়া কাজ করে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Chittagong
4212
