Star BD Shop
we are provide all kinds of natural and organic food by gsc
04/11/2021
প্রস্রাবের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে না পারা...
প্রস্রাব লাগলে সঙ্গে সঙ্গে বাথরুমে ছোটার প্রয়োজনীয়তা, হাঁচি, কাশি বা সামান্য চাপে হঠাৎ প্রস্রাবের ফোঁটা বেরিয়ে আসা নারীদের এই সমস্যা অনেক ভোগায়; বিশেষ করে সন্তান প্রসবের পর পেলভিসের পেশি দুর্বল হয়ে পড়লে বা জরায়ু নিচে নেমে এলে। কিন্তু এ ধরনের সমস্যা পুরুষদেরও হয়। একটু বয়স্ক পুরুষেরা এ ধরনের সমস্যায় বেশি পড়েন। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এটা হয় প্রস্টেটগ্রন্থি বড় হয়ে মূত্রথলিতে চাপ দেওয়ার কারণে। অনেক সময় স্নায়ুগত কারণে মূত্রথলির ধারণক্ষমতায় বা সংবেদনশীলতায় সমস্যার কারণেও এমনটি হয়। এ সমস্যার কারণে অনেক সময় ৫০-ঊর্ধ্ব পুরুষেরা অফিসে, বাইরে কর্মক্ষেত্রে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েন। এই সমস্যা থেকে রেহাই পেতে কী করবেন?
এক.
চা, কফি, কোমল পানীয়, অ্যালকোহল সমস্যা বাড়াবে। বিশেষ করে বাড়ির বাইরে এসব এড়িয়ে চলাই ভালো।
দুই.
প্রতি দুই থেকে তিন ঘণ্টার মধ্যে বাথরুমে গিয়ে মূত্রথলি খালি করুন। অনেকক্ষণ প্রস্রাব জমিয়ে রাখবেন না। মনে রাখবেন, প্রস্টেটের সমস্যায় হঠাৎ করে এ থেকে প্রস্রাব আটকে যাওয়ার ঘটনা ঘটতে পারে।
তিন.
ওজন কমান। অতিরিক্ত ওজন সমস্যা জটিল করে তুলবে।
চার.
ডায়াবেটিস থাকলে তা নিয়ন্ত্রণ করুন। অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস, ডায়াবেটিসজনিত স্নায়ুবৈকল্য এই সমস্যার জন্য দায়ী হতে পারে।
পাঁচ.
পুরুষদের যে প্রস্রাবে সংক্রমণ হয় না, তা নয়। প্রস্রাবের নিয়ন্ত্রণহীনতা হঠাৎ বেড়ে যাওয়া, জ্বালাপোড়া, তলপেটে অস্বস্তি হলে প্রস্রাব কালচার করা উচিত।
ছয়.
প্রস্টেটের সমস্যার চিকিৎসা নিন। নিয়মিত আপনার সার্জনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখুন, বছরে একবার চেকআপ করুন। কখনো শল্যচিকিৎসার প্রয়োজনও হতে পারে।
04/11/2021
শিশু যখন বড় হচ্ছে
শিশুর মুখে আধো আধো বোল, প্রথম মা-বাবা ডাক, প্রথম বসতে শেখা, প্রথম হাঁটা—পরিবারের সবার জন্য এ এক পরম আনন্দের ও কৌতূহলের বিষয়। অনেক মা-বাবা এই বিশেষ দিনগুলোকে ডায়েরি বা অ্যালবামে স্মৃতি হিসেবে রেখে দেন। জেনে রাখুন, এ বিষয়গুলো কবে কখন কীভাবে ঘটেছে, তা সংরক্ষিত রাখাই ভালো। কেননা, চিকিৎসকেরাও এতে বুঝতে পারেন শিশুটির যথাযথ বিকাশ হচ্ছে কি না।
একটি শিশুর বিকাশ ও বৃদ্ধি যেকোনো সময় ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এমন হতে পারে যে ৮ বা ৯ বছর পর্যন্ত সব ঠিক ছিল, কিন্তু তারপর আর সব ঠিকঠাক হচ্ছে না। কারও কৈশোর প্রাপ্তিতে দেরি হয়ে যায়। তখনই আমাদের জানার প্রয়োজন পড়ে আগে কী হয়েছিল।
* ৭ মাস বয়সে একটি শিশু কোনো রকম সাহায্য ছাড়াই বসতে শেখে। এ সময়েই সে অন্যের চেহারা, ভাবভঙ্গি দেখে নিজের আবেগ যথাযথ প্রকাশ করতে পারে। আবেগ অনুভূতির সঠিক ধারণা পেতে প্রায় ৯ মাস লেগে যায়। ৯ মাসের দিকেই সে আঙুল দিয়ে কোনো বস্তু ধরার ও বসে যেকোনো দিকে ঘুরে তাকানোর দক্ষতা অর্জন করে বলে নানা বিষয়ে কৌতূহলী হয়ে ওঠে।
* ৮ মাস বয়সে কোনো কোনো শিশু হামাগুড়ি দিতে শেখে ও কারও হাত ধরে দাঁড়াতে পারে। প্রথম জন্মদিনের আগে-পরে সে নিজ থেকে হাঁটতে শেখে। এই লক্ষণগুলো তার স্নায়ুতন্ত্রের বিকাশ কতটা পরিণত হচ্ছে তা নির্দেশ করে।
সঠিক সময়ে হাঁটতে না পারা বা কথা বলতে না পারা মানেই যে শিশু বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী তা কিন্তু নয়। নানা কারণেই এই বিকাশ বাধাগ্রস্ত হতে পারে। এর অনেকগুলোর সুচিকিৎসাও আছে।
অভিভাবকদের উচিত সন্তানদের বিকাশের ধাপগুলোর দিকে লক্ষ রাখা। বিকাশ ধীর মনে হলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে পারেন। ৬ মাস অন্তর শিশুর উচ্চতা ও ওজন মেপে তা লিখে রাখা ভালো। এতে তার বৃদ্ধির হার সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। অপুষ্টি থেকে শুরু করে নানা ধরনের দীর্ঘমেয়াদি রোগ, হরমোনের সমস্যা, জিনগত ত্রুটি ইত্যাদির কারণে শিশুর বৃদ্ধি পদে পদে বাধাগ্রস্ত হতে পারে। তার কারণ অনুসন্ধানের সময় আপনার শিশুর এই ছোটবেলার বৃদ্ধি দিনলিপি কাজে লাগবে। তাই বাড়িতে এ রকম একটা অ্যালবাম বা ডায়েরি থাকা মন্দ নয়।
04/11/2021
কোনো খাবার সহ্য না হলে
‘আমি তো দুধের তৈরি কোনো জিনিস খেতে পারি না। আমার সহ্য হয় না।’ কিংবা ‘রাতে রুটি খেতে বলছেন? ও বাবা, রুটি তো সহ্যই হয় না আমার।’ কিংবা ‘আমার তো শাক খেলেই পেট খারাপ হয়’—এ ধরনের কথাবার্তা প্রায়ই শুনে থাকবেন। আবার হজমের গোলমালের জন্য চিকিৎসক নাকি দুধ, দুধের তৈরি খাবার, ডাল, শাক সবই নিষেধ করেছেন খেতে। আসলে কোনো বিশেষ খাবার সহ্য করতে না পারা বা ফুড ইনটলারেন্স বিষয়টি বেশ রহস্যময়। কার যে কোন খাবারে সমস্যা হচ্ছে, তা বোঝা মুশকিল। তাই সবাইকে এক কাতারে ফেলে একধরনের উপদেশ দিলে চলে না।
: ফুড ইনটলারেন্স মানে কোনো বিশেষ খাবারের প্রতি কোনো বিশেষ মানুষের বিশেষ সংবেদনশীলতা। হয়তো ওই খাবার হজমের জন্য প্রয়োজনীয় এনজাইমে ঘাটতি আছে তার, অথবা ওই খাবারের কোনো উপাদানে অ্যালার্জি আছে।
: কোন খাবার খেলে বারবার সমস্যা হচ্ছে, এটা খেয়াল করুন। খাবারটি খাওয়ার দুই ঘণ্টার মধ্যে বমি ভাব, বমি, পাতলা পায়খানা, পেটব্যথা, র্যাশ, পেট ফাঁপা ইত্যাদি হতে পারে। বোঝার জন্য ফুড ডায়েরি তৈরি করা ভালো। কোন কোন দিন পেটে বা হজমে সমস্যা হয়েছে, সেদিনগুলোতে লাল দাগ দিন। এবার ডায়েরিতে দেখুন ওই দিন কী কী খাবার খেয়েছেন। এভাবে টানা দুই সপ্তাহ পর জানা সম্ভব কোন খাবারে সমস্যা আছে।
: যাদের ল্যাকটোজ ইনটলারেন্স আছে, তাদের দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার হজম হয় না। এনজাইমের অভাবে দুধ গাজিয়ে যায় পেটে। শিশুদেরই বেশি হয় এটা। আবার গ্লুটেন সেনসিটিভিটিও শিশুকাল থেকেই দেখা যায়। গ্লুটেন আছে রুটি ও গমের তৈরি খাবারে। পিত্তথলি না থাকলে চর্বিযুক্ত ও ভাজা পোড়া খাবারে সমস্যা হবেই।
: বদহজমের জন্য ফুড ইনটলারেন্স ছাড়াও অন্যান্য কারণ আছে। যেমন পিত্তথলিতে সমস্যা, পেনক্রিয়াসের পাথর বা প্রদাহ, আইবিএস ইত্যাদি। তাই সব সময় খাবারকে দায়ী করলে চলবে না। সমস্যাটা খুঁজে বের করুন।
: আঁশযুক্ত খাবার হজম করার এনজাইম আমাদের শরীরে নেই। তাই আঁশযুক্ত খাবার খেলে একটু পেট ফাঁপা হতেই পারে। কিন্তু মনে রাখবেন, এটা আমাদের জন্য খুব দরকারি। ফুড ইনটলারেন্সের দোহাই দিয়ে দুধ, ডিম, ফলমূল, শাকসবজি সবই বাদ দিয়ে দিলে আপনি ভিটামিন ও খনিজের অভাবে ভুগতে শুরু করবেন। তাই আগে সমস্যা কোথায়, তা চিহ্নিত করুন।
04/11/2021
রাত জাগা !
আর এমন পরিস্থিতে ত্বককে চাঙ্গা রাখতে নিম তেলের ব্যবহার কিন্তু মাস্ট...
বছরের একটা সময়ে রোদে পুড়ে, সঙ্গে জাঙ্ক ফুড খাওয়ার মাত্রাটা এত বেড়ে যায় যে ত্বকের বারোটা বাজতে সময় লাগে না। তার উপর রাত জাগা তো আছেই। তাই এইসব নানা কারণে ত্বকের ঔজ্জ্বল্য তো কমেই, সেই সঙ্গে সৌন্দর্য কমে যাওয়া, ডার্ক সার্কেল সহ আরও নানাবিধ ত্বকের সমস্যা মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে। তাই তো এমন পরিস্থিতিতে পুজো চারদিন সৌন্দর্য ধরে রাখতে নিম তেলের ব্যবহার মাস্ট! কিন্তু কেন?
প্রায় ৪০০০ বছর ধরে শরীর এবং ত্বকের পরিচর্যায় এই প্রাকৃতিক উপাদানটিকে কাজে লগানো হচ্ছে। কারণ নিমের অন্দরে উপস্থিত একাধিক উপাকারি উপাদান ত্বকের অন্দরে প্রবেশ করা মাত্র এমন খেল দেখায় যে ত্বক চাঙ্গা হয়ে উঠতে সময় লাগে না। সেই সঙ্গে আরও বেশ কিছু উপকার পাওয়া যায়। যেমন ধরুন...
১. ড্রাই স্কিনের মতো সমস্য়া দূরে পালায়:
একাধিক গবেষমায় দেখা গেছে নিম তেলে উপস্থিত এসেনশিয়াল ফ্যাটি অ্যাসিড, ট্রাইগ্লিসারাইড, ভিটামিন ই এবং ক্যালসিয়াম ত্বকের অন্দরে প্রবেশ করা মাত্র এমন কিছু করে, যার প্রভাবে ড্রাই স্কিনের মতো সমস্য়া দূরে পালাতে সময় লাগে না।
২. টোনার হিসেবে দারুন কাজে আসে:
পুত্বকের যাতে কোনও ক্ষতি না হয়, তা সুনিশ্চিত করতে টোনার হিসেবে নিম তেলকে কাজে লাগাতে ভুলবেন না যেন! আসলে এমনটা করলে ত্বকের অন্দরে জমতে থাকা টক্সিক উপাদানেরা বেরিয়ে যায়। সেই সঙ্গে ত্বকের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটতেও সময় লাগে না। আর এমনটা যখন হয়, তখন সার্বিক সৌন্দর্যও যে বৃদ্ধি পায়, তা কি আর বলার অপেক্ষা রাখে!
৩. ত্বকের বয়স কমে:
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে শরীরের বয়স বাড়লেও ত্বকের বয়স না বাড়ুক, এমনটা যদি চান, তাহলে নিয়মিত নিম তেল দিয়ে ত্বকের মাসাজ করতে ভুলবেন না যেন! আসলে এমনটা করলে বলিরেখা কমতে শুরু করে। সেই সঙ্গে স্কিন টানটান হয়। ফলে ত্বকের বয়স কমতে সময় লাগে না।
৪. ত্বক ফর্সা হয়ে ওঠে:
অল্প সময়ে ফর্সা ত্বকের অধিকারী হয়ে উঠতে চান নাকি? তাহলে ত্বকের পরিচর্যায় নিম তেলকে কাজে লাগাতে ভুলবেন না যেন! কারণ এমনটা করলে ত্বকের অন্দরে কোলাজেনের উৎপাদন বেড়ে যেতে শুরু করে, যার প্রভাবে স্কিন টোনের উন্নতি ঘটতে সময় লাগে না।
৫. ত্বকের সংক্রমণের প্রকোপ কমে:
এই ধরনের সংক্রমণ সাধারণত নোংড়া থাকলে হয়। আর এই রোগ হলে পায়ে যন্ত্রণা হওয়ার মতো লক্ষণের বহিঃপ্রকাশ ঘটে থাকে। অ্যাথলিট ফুট নামে পরিচিত এই ত্বকের সমস্য়ার প্রকোপ কমাতে নিম তেলের সঙ্গে নারকেল তেল মিলিয়ে যে জায়গায় সংক্রমণ হয়েছে সেখানে লাগান। এমনটা রোজ করলে, অল্প দিনেই দেখবেন রোগ কমতে শুরু করেছে।
৬. ত্বকের হারিয়ে যাওয়া আদ্রতা ফিরে আসে:
শুষ্ক ত্বক যাদের, তারা নিয়মিত এই তেল লাগালে সমস্য়া অনেকটাই কমে যায়। প্রতিদিন নারকেল তেল বা অলিভ অয়েলের সঙ্গে নিম তেল মিশিয়ে ভালো করে সারা শরীরে মাসাজ করলেই দেখবেন ত্বক সুন্দর হতে শুরু করেছে।
৭. স্কিনের যত্নে দারুনভাবে সাহায্য করে:
নিমে অ্যান্টিব্য়াকটেকিয়াল এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি প্রপাটিজ থাকার কারণে ত্বকের উন্মুক্ত ছিদ্র বন্ধ করতে এটি দারুন কাজে আসে। নারকেল তেলের সঙ্গে নিম তেল মিশিয়ে মুখে লাগান, তাহলেই দেখবেন সমস্য়া কমতে শুরু করে দিয়েছে।
৮. ব্রণর প্রকোপ কমে:
নিম তেলে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট প্রপাটিজ থাকায় এটি যদি মুখে লাগানো যায়, তাহলে ব্রণর সমস্য়া কমতে শুরু করে। কীভাবে লাগাতে হবে? ব্রণ কমাতে কয়েক ফোঁটা নিম তেলের সঙ্গে কয়েক ফোঁটা ল্য়াভেন্ডর তেল মিশিয়ে ব্রণর উপর লাগান। প্রসঙ্গত, কখনই নিম তেল যেন সরাসরি মুখে লাগাবেন না।
৯. খুশকির সমস্যা দূর হয়:
সাধারণত ফাঙ্গাল ইনফেকশন হলেই এই ধরনের ত্বকের সমস্য়া হয়ে থাকে, যা নিম তেলের ব্য়বহারে একদম কমে যায়। এখানেই শেষ নেয়। স্কাল্পের যে কোনও ধরনের সংক্রমণ কমাতেও নিম তেলের জুরি মেলা ভার। কীভাবে ব্য়বহার করতে হবে এটি? আপনি যে শ্য়াম্পু ব্য়বহার করেন তাতে কয়েক ড্রপ নিম তেল মিশিয়ে রোজ মাথায় লাগান। তাহলেই দেখবেন সমস্য়া কেমন কমতে শুরু করে দিয়েছে।
১০. একজিমার মতো রোগের চিকিৎসায় কাজে আসে:
ত্বকের একধরনের প্রদাহজনিত রোগ হল একজিমা। নানা কারণে বহু মানুষ এই ধরনের ত্বকের সমস্য়ায় ভুগে থাকেন। একজিমার প্রকোপ কমাতেও নিম তেল দারুন কাজ দেয়। শরীরের যে যে জায়গায় একজিমা হয়েছে, সেখানে সেখানে নিম তেল লাগালে যন্ত্রণা কমে। তবে ভুলেও যেন সরাসরি ত্বকের উপর নিম তেল ব্য়বহার করবেন না। পরিবর্তে সামান্য় গরম জলে কয়েক ড্রপ নিম তেল মিশিয়ে তা দিয়ে স্নান করুন। এমনটা প্রতিদিন করলে দেখবেন রোগ কমতে শুরু করেছে।
১১. মশারা ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না:
বাড়িতে মশার উৎপাত বাড়লেই আমরা বাজার চলতি নানা ক্রিম লাগানো শুরু করি। কারও কি জানা আছে এই ধরনের সমস্য়ায় নিম তেল দারুন কাজে আসে। কীভাবে ব্য়বহার করতে হবে? খুব সহজ! ১০-১৫ ফোটা নিম তেল, হাফ কাপ নারকেল তেলের সঙ্গে মিশিয়ে গায়ে লাগান। তাহলেই দেখবেন মশারা আর ধারে কাছে ঘেঁষতে পারছে না।
১২. হাইপারপিগমেন্টটেশনের মতো সমস্যা দূর হয়:
ত্বকে মেলানিনের পরিমাণ বাড়লেই আশঙ্কা বাড়ে হাইপারপিগমেন্টটেশনের সমস্য়া হওয়ার। নিয়মিত যদি সারা শরীরে নারকেল তেলের সঙ্গে নিম তেল মিশিয়ে লাগানো যায় তাহলে মেলানিনের মাত্রা কমে। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই কমতে শরু করে হাইপারপিগমেন্টটেশনও।
এতক্ষণে নিশ্চয় উত্তর পয়ে গেছেন যে প্রতিদিন নিম তেলের সাহায্যে ত্বকের পরিচর্যা করার প্রয়োজন রয়েছে কেন...!
04/11/2021
চুল-পড়া আটকানো আর কোনও সমস্যাই নয়
একজন নারীর কাছে, তাঁর চুলের মূল্য অনেক। তাঁর ব্যক্তিত্বের অংশ চুল। তাঁর নারীসত্বা, আত্মবিশ্বাসও আরও জোরদার হয়ে ওঠে একরাশ চুলের ঢলে। তাই যেদিন এই চুলের বেণিটা রুক্ষ, শুষ্ক, ছেঁড়াছেঁড়া হয়ে থাকে, সেদিন যাকে বলে 'খারাপ কেশ দিবস'। কিন্তু এই শীতের মরশুমের সবচেয়ে বড় দুঃস্বপ্ন কী? শীতের ঠান্ডা হাওয়া চুলের আদ্রতা তো কেড়ে নেয়ই, তার সঙ্গে যুক্ত হয় আরও একটা ভয়ানক শব্দবন্ধ। 'চুল-পড়া'!
কিন্তু কখনও ভেবে দেখেছেন কি আমাদের মায়েরা এই শীতের মরশুমে কী করে চুলের যত্ন নিতেন? ওঁদের কাছে কি কোনও গোপন সূত্র আছে এই শীতেও চুল ভালো রাখার? উত্তর হল অবশ্যই আছে। চুলে তেল মাখার। নারকেল তেলে কিছু বীজ ভিজিয়ে, সেই তেল মাখার ফলেই তাঁদের চুল হয়ে উঠত সুস্থ, সুন্দর আর উজ্জ্বল। তাঁরা যখন আমাদের মাথায় 'হট অয়েল' মাসাজ করে দিতেন, সব সময়ই কি মনে প্রশ্ন জাগত না, এই যে এত আরাম, এত ভালো লাগা, সেটা কি ওঁদের ভালোবাসার মাসাজের কারণেই, নাকি তার সঙ্গে আছে কোনও প্রাকৃতিক উপাদানের ভূমিকাও?
how to stop hair fall immediately
আসুন দেখে নেওয়া যাক এমনই কতগুলো বীজ এবং প্রাকৃতিক অন্য উপাদানের ভূমিকা, যা আমাদের চুলকে আরও মজবুত এবং সুন্দর করে তুলবে।
১। মেথি:
চুলের গোড়া মজবুত করতে, এবং চুলের ভাঙন থামাতে মেথির জুড়ি নেই। তাছাড়া এতে থাকে প্রোটিন এবং নিকোটিনিক অ্যাসিড। এর মধ্যে থাকা হরমোন চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
২। সরষে:
চুলের জন্য সবচেয়ে ভালো কন্ডিশনার কী? সরষে দানা। কারণ এতে থাকা প্রোটিন, ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড চুলের পুষ্টির মারাত্মক সহায়ক। চুল-পড়া দ্রুত কমিয়ে দিতে পারে সরষে, কারণ এর মধ্যে রয়েছে ফাঙ্গাসরোধক এবং ব্যাকটেরিয়ারোধক উপাদান।
৩। কালো জিরে:
মালাসেজিয়া ফাঙ্গাসের নাম শুনেছেন? যার কারণে মাথায় খুসকি হয়। এর হাত থেকে বাঁচতে কালো জিরে তেল বা ব্ল্যাক সিড অয়েলের ব্যবহার করতে পারেন। খুসকির হাত থেকে বাঁচবেন। তাছাড়া এই তেল মাথার ত্বকেরও উপকার করে। তাতে চুল পড়া অনেকটাই কমে যায়।
৪। লাউ দানার রস:
জিঙ্ক, আয়রন, কপার, ভিটামিন ই-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টিগুণ সহজেই কী থেকে পাওয়া যায় জানেন? অবশ্যই লাউ দানার রস। মাথার ত্বকের ডিপ কন্ডিশনিং-এর দরকার পড়লে এর বিকল্প নেই। নিয়মিত এই রস ব্যবহার করলে চুল পড়া অনেকটাই কমতে বাধ্য। এমনকী চুল পড়া পুরোপুরি বন্ধও হয়ে যেতে পারে।
৫। তিল:
ভিটামিন, মিনারেল এবং পুষ্টিগুণের দুর্দান্ত সংমিশ্রণ তিল বা তিলের তেল। স্কাল্প বা মাথার ত্বক নিয়ে কোনও সমস্যা? একটা উত্তর- তিল। স্কাল্প শুষ্ক হয়ে গিয়েছে? ময়শ্চারাইজ করতে চাইলে তিল ব্যবহার করুন। তিলের মধ্য থাকা ওমেগা ফ্যাটি অ্যাসিড চুলের গোড়া মজবুত করবে। সেই সঙ্গে গোড়ায় রক্ত চলাচল বাড়বে মারাত্মক ভাবে। ফলে চুল পড়া বন্ধ হবে অনেকটাই।
কিন্তু আমাদের প্রজন্ম যে দ্রুত গতিতে চলা জীবনের অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে, তাতে সময় কোথায় এসব করার? সময় কোথায় এই সব উপাদান তেলে ভিজিয়ে রাখার, তারপর সেই তেল মাথায় মাখার? কিন্তু কেমন হবে, যদি এই সব উপাদান সমৃদ্ধ একটা জাদু বোতল আপনি হাতে পান? যা কি না আপনার চুলের যাবতীয় সমস্যার সমাধান করে দিতে পারবে? একটা নামই তাহলে মাথায় আসে। 'নীহার ন্যাচরালস একস্ট্রাকেয়ার হেয়ারফল কনট্রোল অয়েল'। কী কারণে এটা এত ভালো? চুল-পড়া নিরধক তেলের মধ্যে এটাই প্রথম, যাতে রয়েছে 'অ্যাকটিভ-সিডস' বা তাজা উপাদান। সর্বক্ষণই যা তেলে ভেজানোর ব্যবস্থা করা রয়েছে বোতলেই। খুবই বিস্ময়কর এক পদ্ধতি। একবারে নতুন ধরনের একটা ক্যাপ লাগানো আছে এই বোতলে। যা ক্রমাগত এই বীজ আর উপাদানগুলোকে ভিজিয়ে দিতে পারে তেলের সঙ্গে। তাই এই তেল চুল-পড়ার পরিমাণ কমিয়ে দিতে পারে আট ভাগের এক ভাগ।
একেবারে আধুনিক যুগের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই বানানো এই প্রোডাক্টটি। আধুনিক যুগের মহিলাদের জন্য খুবই হ্যান্ডি এই প্রোডাক্ট। বোতলের ঢাকনার মধ্যে রয়েছে বাড়ির ব্যবহারের মতো বেশ কিছু বীজ, মশলা বা অন্য প্রাকৃতিক উপাদান- যা কি না চুলের জন্য খুবই দরকারি এবং উপকারী, যখনই তেলটি ব্যবহার করছেন উপাদানগুলি মিশছে এই তেলের সঙ্গে। সেই কারণেই এই তেল ব্যবহার করলে চুল হবে অনেকটাই ফুরফুরে এবং চুল-পড়াও কমে যাবে অনেকটাই।
how to stop hair fall immediately
এই শীতে চুল-পড়া অনেকটাই কমিয়ে দেওয়ার সহজ রাস্তা নিয়ে এসেছে এই নীহার ন্যাচরালস একস্ট্রাকেয়ার হেয়ারফল কনট্রোল অয়েল। এবং তার জন্য দরকার হবে না কোনও অতিরিক্ত পরিশ্রমেরও। সুস্থ সুন্দর চুলের জন্য এই শীতে সবাইকে আগাম শুভেচ্ছা।
04/11/2021
পবিত্র হাদিসে আছে কালোজিরা মৃত্যুছাড়া সকল রোগের ঔষধ
‘কালোজিরা’ অত্যন্ত উপকারি একটি প্রাকৃতিক উপাদান। রোগ নিরাময়ের ক্ষেত্রে এর রয়েছে কার্যকরী ভূমিকা। ভেষজ চিকিৎসা থেকে শুরু করে কালোজিরা সব কজে এটি ব্যবহার করা হয়।
কালোজিরার মধ্যে রয়েছে আমিষ, শর্করা, স্নেহ, ভিটামিন, প্রোটিন ও ফসফেট, লৌহ, ফসফরাস, কার্বো-হাইড্রেট ছাড়াও জীবণুনাশক বিভিন্ন উপাদান সমূহ। এছাড়া রয়েছে ক্যান্সার প্রতিরোধক কেরোটিন ও শক্তিশালী হর্মোন, প্রস্রাব সংক্রান্ত বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধকারী উপাদান, পাচক এনজাইম ও অম্লনাশক উপাদান এবং অম্লরোগের প্রতিষেধক।
কালোজিরার জন্ম দক্ষিণে হলেও বাংলাদেশে এর ব্যবহার বেশি পরিমাণে হয়ে থাকে। তাছাড়া আমাদের দেশে মসলা হিসেবেও এটি ব্যবহার করা হয়। প্রাচীনকালে আয়ুর্বেদীয় ও কবিরাজি চিকিৎসায় কালোজিরা ব্যবহার করা হতো।
কালোজিরার গুনাগুণ নিয়ে বিশ্বনবী হয়রত মুহাম্মদ (সাঃ) বলেছেন, ‘তোমাদের জন্য `সাম` ব্যতীত সকল রোগের আরোগ্য রয়েছে কালো জিরায়। আর সাম হলো মৃত্যু।’ তাই সব রোগের মহৌষধ হোমিওপ্যাথিক ও দেশীয় চিকিৎসায় সহযোগী ঔষধ রূপে কালোজিরার ব্যবহার।
মুসলিম চিকিৎসাবিজ্ঞানী ইবনে সিনা তার বিখ্যাত গ্রন্থ ‘কানন অব মেডিসিন’-এ বলেছেন,‘কালোজিরা দেহের প্রাণশক্তি বাড়ায় এবং ক্লান্তি দূর করে। কালোজিরা খাওয়ার ফলে শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সতেজ হয় ও স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে।
কালোজিরা নিয়ে বিভিন্ন গবেষক বিভিন্নভাবে গবেষণা করে এর উপকার তুলে ধরেছেন। তাদের মতে, কালোজিরা খেতে হবে পরিমিত। কেননা অনেকেরই কালোজিরা হজম করার শক্তি থাকে না। তাদের ক্ষেত্রে ধীরে-ধীরে কালোজিরা খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে।
আসুন, জেনে নিই কালোজিরার খাদ্যগুণ সম্পর্কে
১.রক্ত সঞ্চালন:
নিয়মিত কালোজিরা খেলে দেহে রক্ত সঞ্চালন সঠিকভাবে হয়। এতে মস্তিষ্কের রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পায়। আর রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পেলে তা স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করে। কালোজিরায় অ্যান্টিবায়োটিক বা অ্যান্টিসেপটিক রয়েছে। এটি খেলে মানসিক দুশ্চিন্তা দূর হয় এবং মনে প্রশান্তি এনে দেয়।
২. চুল পড়া রোধে:
কালোজিরা চুলের গোড়ায় পুষ্টি পৌঁছে দিয়ে চুল পড়া রোধ করে এবং চুল বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। ২ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল ও ১ চা চামচ কালোজিরার তেল একসাথে মিশিয়ে হালকা গরম করে নিন। চুলের গোড়ায় ভালো করে লাগিয়ে ১০-১৫ মিনিট মাসাজ করুন। ১ ঘণ্টা পর চুল শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন।
৩. পেটে সমস্যা দূর করেঃ
পেটে যে কোনো সমস্যা থাকলে কালোজিরাই এর সমস্যা সমাধান করতে পারে। এক্ষেত্রে কালোজিরা গুঁড়ো করে তিন চামচ দুধে মিশিয়ে সকালে ও বিকালে টানা সাতদিন খেলে বিশেষ উপকার পাওয়া যাবে।
৪. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাঃ
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে কালোজিরার ভূমিকা অত্যন্ত অপরিসীম। এটি যেকোনো জীবাণুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সাহায্য করবে এবং স্বাস্থ্যের উন্নতি করবে।
৫. প্রসবকালীন ব্যথা নিরসনঃ
প্রসবকালীন ব্যথা কমায় কালোজিরা। প্রসবকালীন ব্যথা নিরসনে কালোজিরা বেশ সাহায্য করে। এছাড়া প্রসূতি মায়ের বুকের দুধ বৃদ্ধিতেও সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
৬. হাঁপানি বা শ্বাসকষ্ট দূরঃ
হাঁপানি বা শ্বাসকষ্ট আছে তাদের জন্য কালোজিরা বেশ উপকারী ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই প্রতিদিন সম্ভব না হলেও অন্তত দু-একদিন পর পর কালোজিরার ভর্তা রাখুন আপনার খাদ্য তালিকায়।
৭. রোগ বালাই দূরঃ
পাইলস, কোষ্ঠকাঠিন্য ও যকৃতের মতো বিভিন্ন সমস্যায় কালোজিরা খাবেন। এসব সমস্যা থেকে দ্রুত সেরে উঠতে কালোজিরা বেশ কাজে দেয়।
৮. মাথাব্যথা দূর করেঃ
অনেকের যখন-তখন মাথাব্যথা উঠে, তাদের জন্য কালোজিরা খুব কাজে দেয়। তাই কালোজিরার ভর্তা খাওয়ার পাশাপাশি সবসময় মুখে নিয়ে চিবোতে থাকবেন।
৯. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করেঃ
কালোজিরা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য বেশ সহায়ক। কালোজিরা ডায়াবেটিস রোগীদের রক্তের গ্লুকোজ কমিয়ে দেয়। এতে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে।
১০. সর্দি কাশি দূর করেঃ
প্রচণ্ড সর্দি বা হাঁচি হলে একে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে কালোজিরা। এক টুকরো নরম কাপড়ে অল্প পরিমাণে শুকনো কালোজিরা নিয়ে বেঁধে হাতের তালুতে ঘষে নিতে হবে। এতে যে গন্ধটা বের হয় তা খুবই উপকারী। এটি নাকের কাছে নিয়ে গন্ধ শুঁকতে হবে।
১১. চর্ম রোগঃ
শরীরে চর্মরোগ দূর করতে কালোজিরার ভূমিকা রয়েছে। কালোজিরা থেকে যে তেলটি তৈরি হয়, সেটি আক্রান্ত স্থানে লাগিয়ে মালিশ করতে হবে অথবা পুরো শরীরে লাগালে বেশ উপকার পাওয়া যাবে।
১৪. শিশুর স্বাস্থ্যেঃ
শিশুর দৈহিক ও মানসিক বৃদ্ধিতেও কালোজিরার গুরুত্ব রয়েছে। তাই শিশুদের কালোজিরা খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।
১৫. কিডনিঃ
কিডনিতে পাথর হলে কালোজিরা সেবনে বেশ সুফল পাওয়া যাবে। কালোজিরা যতটুকু নেবেন তার সমপরিমাণে মধু মিশিয়ে নিন। কালোজিরা গুঁড়ো করে মধু মিশিয়ে দুই চামচ করে আধা কাপ গরম পানিতে দিয়ে প্রতিদিন সকালে খেতে হবে।
১৬. জীবাণু ধ্বংসকারী উপাদানঃ
কালোজিরাতে রয়েছে শরীরের রোগ জীবাণু ধ্বংসকারী উপাদান। এই উপাদানের জন্য শরীরে সহজে ঘা, ফোঁড়া, সংক্রামক রোগ কিংবা ছোঁয়াচে রোগ হয় না। তাই প্রতিদিন দুই-তিনটা করে কালোজিরা চিবিয়ে খাওয়া চেষ্টা করুন।
04/11/2021
বয়েসর ছাপের হাত থেকে ত্বককে বাঁচায় যে যে খাবার
বয়স বাড়ার সঙ্গে ত্বকের গুণমান পড়তে থাকে। ত্বকে ভাঁজ পড়ে, ঔজ্জ্বল্য কমতে থাকে। একে বাংলা বয়সের ছাপ, ইংরেজিতে এজিং বলে। কিন্তু শুধুমাত্রই যে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ত্বকের এই পরিবর্তন, তা না-ও হেত পারে। নানাবিধ কারণে বয়স বাড়ার আগেই মুখে বয়সের ছাপ পড়ে যায়। তার পিছনে অনেকগুলো কারণ রয়েছে।
অতিরিক্ত ধূমপান, জল কম খাওয়ার কারণে ডিহাইড্রেশন, কম ঘুমানো, ত্বকে অতিরিক্ত আলট্রা ভায়োলেট রশ্মির প্রভাব। এর প্রতিটাই বেশি বয়সের আগেই মুখে বয়ের ছাপ ফেলে দেয়। তবে এই সমস্যায় সবচেয়ে বড় ভূমিকা নেয় মানসিক চাপ। যাঁরা দীর্ঘ অবসাদে ভোগেন বা অশান্তির মধ্যে থাকেন, তাঁদের ত্বকে এজিং বা বয়সের ছাপ অনেক দ্রুত আসে। কিন্তু এই সমস্যার প্রতিকারও আছে। কয়েকটি খাবার আপনাকে এই সমস্যার হাত থেকে বাঁচাতে পারে, বয়সের ছাপকে অনেক পিছিয়ে দিতে পারে। রইল তার তালিকা:
১। টমেটো
টমেটোয় আয়রন এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে বিপুল পরিমাণে। ফলে ত্বকের গুণমান বজায় রাখতে, ত্বক টানটান রাখতে টমেটোর জুড়ি নেই। পাশাপাশি আলট্রা ভায়োলেট রশ্মির হাত থেকে ত্বককে বাঁচাতেও সাহায্য করে টমেটো।
২। লাল বেল পেপার
এই সবজিটি ভিটামিন সি এবং ক্যারোটেনয়েডস নামক অ্যান্টিঅক্সিজেন্টে পরিপূর্ণ। রান্নায় এই সবজিটি বেশি পরিমাণে থাকলে ত্বকের প্রভূত লাভ হয়। ত্বকের ভাঁজ কমে। এজিং-ও খানিকটা ধীরে হয়।
৩। পাকা পেঁপে
এই পেঁপে এমনিতেই শরীরের জন্য খুব ভালো। কারণ এতে রয়েছে ভিটামিন এ, ডি, ই এবং কে। ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফারসের মতো লবণও রয়েছে পেঁপের মধ্যে। বি কমপ্লেক্স ভিটামিনও এই ফলে কম নয়। ফলে এটি সব মিলিয়ে শরীরের জন্য খুব ভালো। আর ত্বকের জন্য যে ভালো, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
৪। শীতল জলের মাছ
শীতল জলের মাছ ত্বকের জন্য খুবই উপকারি। শীতল জলের মাছের মধ্যে স্যামন এই বিষয়ে সবচেয়ে ভালো। এই মাছে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটোরির মতো উপাদান থাকে। তাতে ত্বকের খুব উপকার হয়।
৫। গ্রিন টি
গ্রিন টি ত্বকের ঝন্য খুব ভালো। এতে রয়েছে শক্তিশালী পলিফেনল অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস। এটি ত্বককে অতিরিক্ত আস্তরণ দেয় রোদ বা ক্ষতিকারক দূষিত বস্তুর হাত থেকে রক্ষা করতে। তার পাশাপাশি ত্বকের নিয়মিত যে ক্ষয় হয়, তাও দ্রুত পিরপূরণ হয় এই গ্রিন টির কারণে।
৬। বেদানা
বেদানা অনেক অসুস্থ মানুষকেই খেতে বলেন চিকিৎসকরা। কারণ এই বেদানায় থাকে দ্রুত হিমোগ্লোবিন তৈরির উপাদান। রক্তাল্পতায় যাঁরা বোগেন, তাঁদের জন্য এই ফল খুব উপকারী। কিন্তু শুধুমাত্র হিমোগ্লোবিন তৈরির উপাদানই নয়, এতে থাকে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। ফলে ত্বকের জন্যও এই ফলটি মারাত্মক কার্যকরী।
৭। গাজর
গাজরে থাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ। তাছাড়া এর মধ্যে রয়েছে বিটা ক্যারোটিন। এই উপাদানটি ত্বক পরিষ্কার হতে সাহায্য করে। তাছাড়া বাতাসে থাকা দূষিত পদার্থ বা কণা, যা কি না ত্বকের মারাত্মক ক্ষতি করে, তার হাত থেকেও ত্বককে রক্ষা করে এই বিটা ক্যারোটিন।
৮। অলিভ অয়েল
এই অলিভ অয়েল ত্কের জন্য খুব ভালো। এতে রয়েছে ভরপুর ভিটামিন বি কমপ্লেক্স। এই তেল দিয়ে যদি নিয়মিত ত্বকে মাসাজ করা যায়, ত্বকের গুণমান বাড়ে। ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া বা ফাটার হাত থেকে এই তেল ত্বককে রক্ষা করে। ডিহাইড্রেশন থেকে রক্ষা করে। তাই এজিং-ও শ্লথ হয়। তাছাড়া এই তেল খাওয়ায় শরীরের জন্য উপকারী।
04/11/2021
ব্রেস্টফিডিং:
মায়ের দুধের অভাবে মরছে শিশুরা!
আগামী এক সপ্তাহ ধরে সারা বিশ্ব জুড়ে নানা অনুষ্টান হবে, নানা ভাবে ব্রেস্টফিডিং বাচ্চার জন্য কতটা উপকারি সে বিষয়ে আলোচনাও কম হবে না। কিন্তু এত কিছুর পরেও দিনে দিনে পরিস্থিতি কেন এতটা ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে, সে প্রশ্নের উত্তর জানার আগ্রহ কারও নেই। সম্প্রতি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং ইউনিসেফ একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। তাতে দেখা গেছে মাতৃদুগ্ধ খাওয়ানোর বিষয়ে এই দুটি প্রতিষ্টান যে নিয়ম নীতি ঠিক করে দিয়েছে, তা প্রায় কোনও দেশই মেনে চলছে না। শুধু তাই নয়, গত কয়েক দশকে আরও একটু বিষয় ধীরে ধীরে মারাত্মক সমস্যা হিসেবে সামনে এসে দাঁড়িয়েছে। কী সেই সমস্যা? কোনও দেশের সরকারই মায়েদের পাশে এসে দাঁড়াচ্ছে না। আর সরকারি নিয়মের অনুপস্থিতিতে কোনও অফিসই প্রসবের পর মায়েদের বেশি দিন ছুটি দিচ্ছে না। ফলে ব্রেস্ট ফিডিং করাকালীনই তাদের ছুটতে হচ্ছে চাকরি করতে। এমনটা করার কারণে বাচ্চারা তাদের প্রয়োজনীয় পুষ্টির থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। যে কারণে একাধির রোগ ছোট থেকেই তাদের ঘিরে ধরছে। ফলে বাড়ছে মৃত্যু। আমাদের দেশের অবস্থা আরও ভয়ঙ্কর। এমন পরিস্থিতিতে যদি এখনই কিছু করা না হয়, তাহলে আগামী দিনে যে কী হবে, তা ভগবানই জানেন। বাচ্চার জন্মের ১ ঘন্টার মধ্যে তাকে মায়ের দুধ খাওয়াতে হয়। এটাই নিয়ম। কারণ জন্মের পর এই দুধই হল তার শরীরের গঠনের প্রথম দাওয়াই। এর পর টানা ছ মাস বাচ্চা শুধু এই খেয়েই বেঁচে থাকে। এই সময় মায়ের দুধ ছাড়া বাচ্চাকে আর কিছু খাওয়াতে মানা করেন চিকিৎসকেরা। কারণ মায়ের দুধে উপস্থিত একাধিক পুষ্টিকর উপাদান বাচ্চার শরীরকে জীবন যুদ্ধের জন্য তৈরি করতে থাকে। সেই সঙ্গে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে তুলতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এক কথায় মায়ের দুধ হল বাচ্চার জন্য ভ্যাকসিনের সমান। আর এই ওষুধ, বাচ্চার মুখে তুলে দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে না মায়েরা। বাঁধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে তাদের চাকরি জীবন। এই কারণে পরিস্থিতি কতটা ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছে তা সম্প্রতি গ্লোবাল ব্রেস্টফিডিং স্কোরকার্ডের দিকে চোখ ফেরালেইই বুঝতে পারা যায়। এই রিপোর্ট অনুসারে সারা বিশ্বে প্রায় ৪৪ শতাংশ মা তাদের বাচ্চাকে জন্মের প্রথম ঘন্টায় দুধ খাওয়ান না। এখানেই শেষ নয়, এই নীল গ্রহে মাত্র ২৩ টি দেশ আছে যেখানে বাচ্চাদের মায়ের দুধ খাওয়ানোর বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। আর দুর্ভাগ্যের বিষয় এই ২৩ টি দেশের মধ্যে নেপাল এবং শ্রীলঙ্কার নাম থাকলেও দূর দূরান্ত পর্যন্ত ভারতের দেখা নেই। এই অবস্থায় বিশ্বের মানচিত্রের যেখানে যেখানে ভারতীয়রা বসবাস করেন, তাদের সকলকেই এই প্রবন্ধে চোখ রাখতেই হবে। কারণ প্রত্যেকেরই জানা উচিত মায়ের দুধ বাচ্চার জন্য কতটা জরুরি। আর তা পেলে কী হতে পারে! জন্মের পর থেকে টানা ৬ মাস মায়ের দুধ বাচ্চার শরীরে প্রবেশ করলে কী কী হতে পারে জেনে নিন।
১. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটে:
ব্রেস্ট মিল্কে উপস্থিত ভিটামিন, প্রোটিন, উপকারি ফ্যাট এবং প্রকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক বাচ্চার শরীরে প্রবেশ করার কারণে ধীরে ধীরে নবজাতকের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার মারাত্মক উন্নতি ঘটে। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই ব্যাকটেরিয়া এবং ক্ষতিকর জীবাণু ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না। সেই সঙ্গে বারে বারে নিউমোনিয়া এবং ঠান্ডা লাগার মতো শারীরিক সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়।
২. ডায়াবেটিস, হার্টের রোগ হওয়ার সম্ভাবনা কমে:
মায়ের দুধে উপস্থিত উপকারি উপাদান ছোট থেকেই বাচ্চার শরীরকে এতটাই মজবুত করে দেয় যে বড় হয় ডায়াবেটিস বা হার্টের রোগের মতো মারণ ডিজিজে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে। এবার নিশ্চয় বুঝতে পেরেছেন আমাদের দেশের পাশাপাশি সারা বিশ্বে কম বয়সে হার্টের রোগে আক্রান্ত হওয়ার মতো ঘটনা কেন ঘটছে। তাই মায়েরা, জন্মের পর থেকে ৬ মাস পর্যন্ত আপনার বাচ্ছারা যাতে মায়ের দুধ পান কারার সুযোগ পায় সেদিকে খেয়াল রাখবেন দয়া করে।
৩. হাড় শক্ত হয়:
ব্রেস্ট ফিডিং করালে যে শুধু বাচ্চারই উপকার হয়, এমন নয় কিন্তু! বাচ্চার সঙ্গে সঙ্গে মায়েদেরও স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে থাকে। একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে দুধ খাওয়ানোকালীন বাচ্চার যেমন হাড় শক্তপোক্ত হয়ে ওঠে, তেমনি মায়েদের পোস্টমেনোপোজাল অস্টিওপোরোসিস রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়।
৪. হঠাৎ মৃত্যুর আশঙ্কা কমে:
গবেষণা বলছে জন্মের পর পরই যদি নবজাতককে মায়ের দুধ খাওয়া শুরু করা যায়, তাহলে হঠাৎ করে বাচ্চার মৃত্যুর আশঙ্কা অনেক কমে যায়। প্রসঙ্গত, গত এক দশকে আমাদের দেশের প্রায় প্রতিটি রাজ্যেই ইনফ্যান্ট ডেথ লাফিয়ে লাফিয়ে বৃদ্ধি পয়েছে। এক্ষেত্রে অনেকাংশে বাচ্চাকে মায়ের দুধ না খাওয়ানোকেই দায়ি করছেন চিকিৎসকেরা।
৫. ওজন বাড়ার সম্ভাবনা থাকে না:
ব্রেস্ট ফিড করালে মায়ের যেমন ওজন বৃদ্ধির আশঙ্কা হ্রাস পায়, তেমনি বাচ্চারও বড় হয়ে মোটা হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। প্রসঙ্গত, আজকাল যেখানে ওবেসিটির কারণে ইয়ং জেনারেশনের গড় আয়ু চোখে পরার মতো কমছে, সেখানে ব্রেস্ট ফিডিং-এর গুরুত্ব আরও যে বেড়ে গেছে সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। ৬.ক্যান্সার দূরে থাকে: টানা ছয় মাস ব্রেস্ট ফিডিং করালে একদিকে বাচ্চার যেমন ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে, তেমনি মায়েরও ওভারিয়ান ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা হ্রাস পায়। প্রসঙ্গত, সারা বিশ্বেই এখন যেভাবে ওভারিয়ান ক্যান্সারের প্রকোপ চোখে পরার মতো বৃদ্ধি পাচ্ছে, সেখানে এই পরিস্থিতিতে ব্রেস্ট ফিড করা কতটা জরুরি হয়ে উঠেছে, তা নিশ্চয় আর বলে দিতে হবে না।
৭. মায়ের উপকার হয়:
একাধিক কেস স্টিড করে দেখা গেছে নিয়মিত ব্রেস্ট ফিড করলে মায়ের ইউটেরাস স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে। সেই সঙ্গে ইউটেরাইন ব্লিডিং-ও বন্ধ হয়ে যায়।
04/11/2021
বাদামের পুষ্টিগুণ:
→
বাদাম ছোট বড় সবার কাছেই জনপ্রিয় একটি খাবার । কিন্তু বাদামে চর্বির পরিমান বেশি থাকার কারনে অনেকেই মনে করেন তা বেশি খেলে সহজেই মোটা হয়ে যায়। আসলে এ ধারনাটা ঠিক নয় বাদাম শরীর স্লিম হওয়াকে সহায়তা করে এবং হার্ট সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।
পুষ্টি বিষয়ক বিশেষজ্ঞরা গবেষণার মাধ্যমে প্রমাণ করেছেন যে, বাদাম কার্যকর ভাবে আমাদের হার্টকে সুস্থ রাখতে এবং শরীরকে স্লিম রাখতে সাহায্য করে।
বাদাম ও বাদাম তেলের মধ্যে রয়েছে ফলিক এ্যাসিড যা শরীরের ক্যালরি কমানোর বিষয়টিকে ত্বরান্বিত করতে পারে এবং রক্ত নালিতে জমে থাকা মেদ কমাতে সাহায্য করে। তাছাড়া বাদামের মধ্যে অনেক ধরনের সহায়ক কোষপুঞ্জ রয়েছে যা অতিরিক্ত মেদ কমাতে সাহায্য করে।
04/11/2021
প্রিয়জন ও বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে আড্ডায়, অবসর সময়ে বাদাম খাওয়ার জুড়ি নেই। অনেকে আবার স্বাস্থ্য সচেতনায়ও নিয়মিত বাদাম খেতে পছ্ন্দ করেন। তবে যে কারণেই বাদাম খাওয়া হোক না কেন তা নিঃসন্দেহে স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারি। বাদামের যে বহুমাত্রিক গুণাগুণ রয়েছে তা আমাদের অনেকেই হয়তো জানি না। আবার বাদামের প্রকারভেদে গুণাগুণও ভিন্ন ভিন্ন হয়। নিচে বিভিন্ন প্রজাতির বাদামের গুণাগুণ নিয়ে আলোচনা করা হলো :
চিনাবাদাম : এই প্রজাতির বাদামে প্রোটিন, ফাইবার,ক্যালসিয়াম,আয়রন, সোডিয়াম,পটাসিয়াম, ভিটামিন-এ,বি, সি রয়েছে। ফলে এর উপকারিতা অনেক। যেমন : ১. প্রোটিনের ভালো উৎস। ভোরবেলা খালি পেটে বাদাম খেলে এনার্জি পাওয়া যায়।
২. নিয়মিত পরিমিত পরিমাণে চিনাবাদাম বাদাম খেলে হার্ট ভালো থাকে। ৩. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।
আখরোট : এতে রয়েছে ক্যালসিয়াম, আয়রন, পটাসিয়াম, ফসফরাস, সোডিয়াম, ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড ভিটামিন।
উপকারিতা : ১. হাড় শক্ত করে ও ২. ব্রেনে পুষ্টি জোগায়।
পেস্তাবাদাম : এই ধরনের বাদামে থাকে ফসফরাস, পটাসিয়াম, সোডিয়াম, কপার,ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন।
উপকারিতা : ১. রক্ত শুদ্ধ করে। ২. লিভার ও কিডনি ভালো রাখে।
কাজুবাদাম : এর উপাদানগুলো হচ্ছে আয়রন, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন-এ।
উপকারিতা : ১. অ্যানিমিয়া ভালো করে। ২. ত্বক উজ্জ্বল করে। ৩. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।
আলমন্ড : এর উপাদানের মধে রয়েছে ক্যালসিয়াম, ফাইবার, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, ফলিক এসিড ও ভিটামিন ই। তাই বাদামের রাজা বলা হয় আলমন্ডকে।
উপকারিতা : ১. শ্বাসকষ্ট, কোষ্ঠকাঠিন্য ও ত্বকের নানা সমস্যায় খুব ভালো। সব বাদামের মধ্যে আমন্ডে বেশি পরিমাণে ক্যালসিয়াম আছে।
২. নিয়মিত চার-পাঁচটি আমন্ড খেলে এলডিএল কোলেস্টেরল বা ব্যাড কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে যায়। ফলে হৃদরোগের আশঙ্কা থাকে না।
৩. কোলন ক্যান্সারের আশঙ্কা কমে।
৪. অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট আছে। কেমোথেরাপি চলাকালে আলমন্ড মিল্ক খেলে ইমিউনিটি সিস্টেমের উন্নতি হয়।
৫. আলমন্ডের ফাইবার শরীরে কার্বোহাইড্রেট শোষণের গতি কমায়। ফলে ডায়াবেটিসের জন্য উপকারি।
৬. আলমন্ড বাটা নিয়মিত লাগালে বলিরেখার হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। তাই নিয়মিত বাদাম খাওয়ার চেষ্টা করুন দেখবেন আস্তে আস্তে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি শরীরের শক্তিমত্তাও বাড়বে। কাজে কর্মে পাবেন পূর্ণ উদ্যোম।
04/11/2021
জিভের রং দেখে শরীর বুঝুন
অনেকেই বলেন, হাতের নখের পরীক্ষা করেই বলে দেওয়া সম্ভব শরীরে কোনও রোগবালাই আছে কি না। অনেকের মতে, চোখের সাদা অংশ কতটা সাদা, কতটা লালচে, সেটা থেকেও স্বাস্থ্যের হাল বলা সম্ভব। এর পাশাপাশি আরও একটি বিষয় দেখে বলা সম্ভব স্বাস্থ্যের হালের কথা। সেটি হল জিভের রং। চিকিৎসকরা তাই পরামর্শ দিচ্ছেন, জিভের রঙের তেমন তেমন পরিবর্তন হলে, অবিলম্বে বিশেষজ্ঞের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। জিভের রঙের কোন কোন পরিবর্তন দেখে বুঝবেন, শরীরের হাল কেমন?
১। সাদা জিভ
চিজের যেমন রং, জিভের রং যদি তেমন হয়ে যায়, বুঝবেন আপনার ইমিউনিটি সিস্টেম বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা পড়ে গিয়েছে। অনেক সময় টানা অ্যান্টিবায়োটিক খেলে এই সমস্যা হয়। ব্যাটটেরিয়া ওষুধের কারণে মারা গেলে, জিভে অতিরিক্ত ইস্টের ইনফেকশন হতে থাকে। চিকিৎসার ভাষায় একে ওরাল থ্রাস বলে। লিউকোপ্লাকিয়া বলে একটি সমস্যার কারণেও জিভে সাদা-সাদা দাগ হয়। এটি বিপজ্জনক। এবং ক্যান্সারের পূর্বাভাস হতে পারে। ওরাল লিচেন প্ল্যানাস হলেও সাদা দাগ হয়। তবে এটি বিপজ্জনক নয়। খুবই বিরল অসুখ। এবং নিজেই সেরে যায়।
২। লাল জিভ
জিভের রং নানা কারণে লাল হয়ে যেতে পারে। তবে প্রধান কারণটা নিঃসন্দেহে ভিটামিনের অভাব। শরীরে ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স কমে গেলে জিভের রং টকটকে লাল হয়ে যায়, তাছাড়া আয়রনের অভাবেও একই জিনিস হতে পারে। তবে এক্ষেত্রে জিভের তলটি খুব স্মুদ হয়ে থাকে। অন্য সমস্যার ক্ষেত্রে তা হয় না। যেমন অনেক সময়ই দেখা যায়, লাল রঙের উঁচু-নীচু আকৃতি তৈরি হয়েছে জিভে। এটিকে ‘জিওগ্রাফিক টাং' বলে। এটি একেবারেই ক্ষতিকারক নয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এটি সেরে যায়।
৩। কালো বা বাদামি জিভ
এর অর্থ আপনার মুখগহ্বরের স্বাস্থ্যের হাল নড়বড়ে। এটা ব্যাকটেরিয়া বা ফাংগাসের কারমে হওয়া ইনফেকশন থেকে হতে পারে। তবে প্রথমেই চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করুন। এক্ষেত্রে জিভের ওপরিভাগ ফুলে কালো উঁচু-নীচু আকৃতি নেয় এবং সেখানে চুলের মতো কালো সেল জন্মায়। এই কারণেই একে ‘ব্ল্যাক হেয়ারি টাং'-ও বলা হয়। তবে প্যাপিলির অতিরিক্ত বৃদ্ধিতে এই সমস্যা হতে পারে। যাঁরা ধূমপান করেন, তাঁদের এই সমস্যাটা হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। ডায়াবেটিসের সমস্যায় ভুগছেন, তাঁদের ক্ষেত্রেও এই সমস্যা বড় আকার নিতে পারে।
৪। ফাটা জিভ
এটি খুব অস্বাভাবিক কিছু নয়। কারণ বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই সমস্যাটি হয়। ফলে এটিকে বয়স বাড়ার লক্ষ্যণ হিসেবেও দেখতে পারেন। চিকিৎসকদের মতে, এটি কোনও সমস্যা নয়। কিন্তু এটি সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। বিশেষত যাঁরা মুখগহ্বরের স্বাস্থ্যের দিকে বিশেষ নজর দেন না, যাঁরা মুখের ভিতরের যত্ন কম নেন, তাঁদের এই ফাটা জিভ থেকে ইনফেকশন হতে পারে। কারণ এই ফাটা জিভের ফাটলগুলিতে সহজেই সংক্রমণ হতে পারে। তাই এই সমস্যা হলে চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করাই ভালো।
৫। হলুদ জিভ
এটির কারণ সকলেই জানেন। মূলত জন্ডিস বা লিভারের অন্য কোনও সমস্যা হলেই হলুদ জিভ হয়ে যেতে পারে। তবে এক্ষেত্রে পেটের প্রদাহও হয়। তাই হলুদ জিভ দেখলে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করুন
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Khulshi
Chittagong
4200
