Organic shop
ইনশাআল্লাহ ভেজাল মুক্ত অর্গানিক পণ্য সরবরাহ করা হয়।
18/10/2022
27/02/2022
খেজুরের রসের উপকারিতা
--------------------------------------
খেজুরের রস কিন্তু বেশ উপকারী পানিও আমাদের জন্য। খেজুরের রসে প্রচুর এনার্জি বা শক্তি রয়েছে। এতে জলীয় অংশও বেশি। এই রসকে প্রাকৃতিক ‘এনার্জি ড্রিংক’ বলা যেতে পারে। এতে গ্লুকোজের পরিমাণ বেশি থাকে।
খেজুরের রস কাঁচা খাওয়া যায়, আবার জ্বাল দিয়ে গুড় তৈরি করেও খাওয়া যায়। গুড়ে আয়রন বা লৌহ বেশি থাকে এবং হিমোগ্লোবিন তৈরিতে সহায়তা করে।
যারা শারীরিক দুর্বলতায় ভোগেন, কাজকর্মে জোর পান না, খেজুরের রস তাঁদের জন্য দারুণ উপকারী। খেজুরের রস প্রচুর খনিজ ও পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ। এতে ১৫-২০% দ্রবীভূত শর্করা থাকে।
খেজুরের গুড় আখের গুড় থেকেও বেশি মিষ্টি, পুষ্টিকর ও সুস্বাদু। খেজুরের গুড়ে প্রোটিন, ফ্যাট ও মিনারেল সবই রয়েছে। যাদের ডায়াবেটিস আছে, তারা খেজুরের রস এড়িয়ে যাবেন।
17/12/2021
লালশাক কি কি উপকার হয়?
-----------------------------------------
১. ক্যালসিয়ামের ভাল উৎস: লালশাকে ক্যালসিয়ামের পরিমাণ অন্য শাকের তুলনায় সবচেয়ে বেশি। ক্যালসিয়াম দেহের জন্য অত্যন্ত দরকারি উপাদান বিশেষ করে দাঁত এবং হাঁড় গঠনে। তাই দাঁতের সুস্থতা, হাঁড় গঠন, গর্ভবতী এবং প্রসূতি মায়েদের দৈনিক ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণে এই শাক উপকারী।
২. দৃষ্টি শক্তি বৃদ্ধি করে : লাল শাকে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ যা চোখের দৃষ্টি শক্তি বৃদ্ধির জন্য খুব উপকারী। লাল শাকে বিদ্যমান ভিটামিন এ রেটিনার ক্ষমতা বাড়িয়ে দিয়ে সার্বিকভাবে দৃষ্টিশক্তির উন্নতিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই দৃষ্টি শক্তি বৃদ্ধি করতে আপনার খাবারেরে মেনুতে রাখুন লাল শাক।
৩. হজম শক্তি বাড়ে: লালশাকে প্রচুর পরিমাণ ফাইবার বা আঁশ থাকে, যা হজমে সাহায্য করে ফলে স্বাভাবিকভাবেই বদ-হজমের আশঙ্কা কমে। সেই সঙ্গে বাওয়েল মুভমেন্ট যাতে ঠিক মতো হয়, সেদিকেও খেয়াল রাখে।
৪. রক্তশূন্যতা দূর করে : রক্তশূন্যতা রোধ করতে লাল শাক খুব উপকারী কারণ এতে আছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন। লাল শাক শরীরে লোহিত রক্ত কণিকার মাত্রা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই অ্যানিমিয়া রোগীদের জন্য এই শাকটি খাওয়া খুবই উপকারী।
৫. ক্যান্সারকে দূরে রাখে : লাল শাকের এন্টি অক্সিডেন্ট ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। তাছাড়া লাল শাকে উপস্থিত অ্যামাইনো অ্যাসিড, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, ভিটামিন ই, পটাশিয়াম এবং ভিটামিন সি শরীরে উপস্থিত একাধিক টক্সিক উপাদান দূর করে। সেই সঙ্গে ক্যান্সার কোষ যাতে জন্ম নিতে না পারে, সেদিকেও খেয়াল রাখে।
৬. কিডনি সমস্যা দূর করে : কিডনির ফাংশন ভালো রাখতে ও কিডনি পরিষ্কার রাখতে লাল শাক খুব ভালো কাজ করে। গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত লাল শাক খেলে একদিকে যেমন কিডনির কর্মক্ষমতা বাড়ে, তেমনি অন্যদিকে রক্তে উপস্থিত একাধিক ক্ষতিকর উপাদান শরীর থেকে বেরিয়ে যায়।
৭: চুল পড়া কমে : চুলের স্বাস্থ্যের জন্য লাল শাক অনেক উপকারী। এটি চুলের গোড়া মজবুত করে এবং চুলে মিনারেল ও পুষ্টি যোগায়।
তাছাড়া লাল শাক রক্তে কোলেস্টরলের মাত্রা স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করে। ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে। মস্তিষ্ক ও হৃদপিণ্ডকে শক্তিশালী করতেও লাল শাকের ভূমিকা অনেক।
10/12/2021
কালো তিলের ১৫ উপকারিতা
-----------------------------------------
১. প্রতিদিন ভোরে এক চামচ কালো তিল অল্প অল্প করে মুখে দিয়ে মিহি করে চিবিয়ে যখন রসের মতো হয়ে যাবে তখন গিলে খেতে হবে। এই তিল খাওয়ার তিন ঘণ্টা পর্যন্ত কিছু খাওয়া যাবে না। এভাবে তিল খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তেলের মালিশও করা যায়, তাহলে রোগা থেকে স্বাস্থ্যবান হবেন।
২. যাদের শরীরের বৃদ্ধি কমে যায়, তাদের শারীরিক বৃদ্ধির জন্য তিল খুবই উপকারী।
৩. যদি কারও মাড়ি থেকে দাঁত দুর্বল হয়ে যায়, সে ক্ষেত্রে তিলের মাধ্যমে দুর্বল দাঁত মজবুত করা যায়।
৪. সর্দি, কাশি, বুকে কফ জমে যায়-এ জাতীয় অসুখে কালো তিলের তেল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি সর্দি, কাশির জন্য দ্রুত কাজ করে এবং ফলাফলও খুব ভালো হয়।
৫. অনেকেরই অকালে চুল পেকে যায় এবং দুর্বল হয়ে চুল পড়ে যায়। তাদের এই সমস্যা নিরসনে কালো তিলের তেল প্রয়োগ করলে খুব উপকার পাওয়া যায়। এমনকি চুল গজাতেও সাহায্য করে।
৫. শরীরের ক্লান্তি দূর করে এবং সব ইন্দ্রিয়ের শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।
৬. তিলের তেল শরীরের রং উজ্জ্বল করে দেয় এবং শরীরের ছোট ছোট দোষত্রুটি দূর করে দেয়।
৭. এটি মাথার যন্ত্রণা কমিয়ে দেয় এবং বুদ্ধিবৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
৮. তিল, যব, চিনি চূর্ণ করে মধুর সঙ্গে মিশিয়ে খেলে যাঁদের বাচ্চা হবে অর্থাৎ সগর্ভা এবং যাঁদের বাচ্চা হয়েছে অর্থাৎ প্রসূতা বা প্রসূতির রক্তস্রাব বন্ধ হয়।
৯. যে সব শিশু রাতে বিছানায় প্রস্রাব করে তাদের কালো তিল আর তার সঙ্গে এক টুকরো মুলো খাওয়ালে ওই বদ-অভ্যাস দূর হয়।
১০. শরীরের পুড়ে যাওয়া জায়গায় তিল পিষে নিয়ে, জলে ধোওয়া ঘি ও কর্পূর মিশিয়ে প্রলেপ দিলে সুফল পাওয়া যায়।
১১. যদি শরীরের কোনো অংশ খুব জ্বালা করতে থাকে তাহলে তিল দুধ দিয়ে পিষে প্রলেপ লাগালে দাহ বা জ্বালা দূর হয়।
১২. যদি টাটকা ক্ষত বা ঘা না সারে তাহলে তিল পিষে নিয়ে মধু আর ঘি মিশিয়ে লাগালে অনেক ওষুধ বা মলমের চেয়ে বেশি কাজ দেয়।
১৩. পেষা কালো তিল এক ভাগ, চিনি দু ভাগ, এবং ছাগলের দুধ চার ভাগ একসঙ্গে মিশিয়ে খেলে রক্ত-আমাশা সারে।
১৪. অল্প তিল আর চিনি একসঙ্গে পিষে বা কুটে নিয়ে মধু মিশিয়ে চাটালে বাচ্চাদের মল থেকে রক্ত পড়া বন্ধ হয়।
১৫. যদি মেয়েদের ঋতুস্রাব ঠিক মতো না হয় এবং খুব ব্যথা-বেদনা হয় তাহলে তিলের তেল খাওয়া উচিত। দু চা চামচ তিল পিষে নিয়ে এক গ্লাস পানিতে ফুটিয়ে নিন। এক চতুর্থাংশ পানি থেকে গেলে সেই পানিটুকু পান করলে মাসিক ঠিক মতো হবে।
09/12/2021
পেয়ারা পাতার স্বাস্থ্যগুণ :
-----------------------------------
পেয়ারার স্বাস্থ্যগুণ সম্পর্কে অনেকেই জানেন, কিন্তু পেয়ারা পাতার উপকারিতা কী তা জানলে সত্যি অবাক হতে হয়। শরীরের অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক উভয় ক্ষেত্রেই নানারকম সমস্যা প্রতিরোধে পেয়ারা পাতা বিশেষ ভূমিকা পালন করে। এক ঝলকে দেখে নেয়া যাক পেয়ারা পাতার উপকারিতা কী কী—
• ওজন কমাতে পেয়ারা পাতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। শরীরের মধ্যেকার কমপ্লেক্স স্টার্চকে সুগারে পরিণত করতে সাহায্য করে।
• গবেষণায় দেখা গেছে, পেয়ারা পাতা রক্তে আলফা গ্লুকোডাইজ এনজাইম অ্যাক্টিভিটির পরিমাণ কমিয়ে রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।
• গবেষণায় এও দেখা গেছে যে, প্রতিদিন চায়ের সঙ্গে পেয়ারার পাতা ফুটিয়ে তা পান করলে কোলেস্টরল নিয়ন্ত্রণে থাকে।
• শরীরের কোনো অংশ কেটে গেলে সেখান থেকে সংক্রমণের সম্ভাবনা কমিয়ে দেয় পেয়ারা পাতা।
• ডায়েরিয়া থেকে মুক্তি পেতে পেয়ারা পাতার গুণাগুণ অনস্বীকার্য। পেয়ারা পাতা পানিতে ফুটিয়ে সেই পানি পান করলে ডায়েরিয়ার সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
• আটটি পেয়ারা পাতা দেড় লিটার পানিতে ফুটিয়ে নিয়ে সেই পানি দিনে তিনবার করে পান করলে হজম শক্তি বৃদ্ধি পায়।
• পেয়ারা পাতা দাঁত ভাল রাখতে বিশেষভাবে সাহায্য করে। দাঁত ব্যাথা, মাড়ির সমস্যায় অ্যন্টিব্যাকটেরিয়াল-এর ভূমিকা পালন করে।
• প্রস্টেট ক্যান্সারে পেয়ার পাতা বিশেষ উপকারি।
• পুরুষের শরীরে শুক্রাণু বৃদ্ধিতে পেয়ারা পাতার জুড়ি মেলা ভার।
• পেয়ারা পাতা হল একটি অত্যন্ত ভাল স্কিন কেয়ার এজেন্ট। ত্বকের যাবতীয় সমস্যা যেমন— অ্যাকনে, পিম্পল, ব্ল্যাকহেডস প্রভৃতি রোধ করতে বিশেষভাবে সাহায্য করে।
• সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, চুল পড়ার সমস্যা প্রতিরোধ করতে পেয়ারা পাতা বিশেষ উল্লেখযোগ্য।
Vitamin: শরীরে ভিটামিনের ঘাটতি দেখা দিচ্ছে? বুঝবেন কী ভাবে
শরীরে ভিটামিনের অভাব টের পাবেন কী করে?
ভেবেচিন্তে খাওয়াদাওয়া করার অনেক ধরনের উপকার আছে। তার মধ্যে সবের আগে যেটি দেখা যায়, তা হল, এর মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের পুষ্টির উপাদান পায় শরীর। কিন্তু এমন অনেকেই আছেন, যাঁরা নানা খাবার খান না। তা স্বাস্থ্যের কারণেই হোক বা স্বাদের কারণে। তাঁদের শরীরের মাঝেমধ্যেই পুষ্টির কিছু উপাদানের ঘাটতি দেখা দিতে পারে। সে সব লক্ষণ চিনে নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। যাতে বড় কোনও সমস্যার হাত থেকে নিজেকে বাঁচানো যায়।
শরীরের ভিটামিন এবং খনিজ পদার্থের ঘাটতি দেখা দিলে বুঝবেন কী করে? জেনে নিন কয়েকটি উপসর্গ। তা দেখলেই সঙ্গে সঙ্গে সতর্ক হতে হবে।
১) হাত-পায়ের নখ খুব তাড়াতাড়ি ভেঙে যাচ্ছে কি? ভিটামিন বি-র ঘাটতি দেখা দিলে এমন হয়। চুলের ডগা ফেটে যাওয়ার সমস্যাও বাড়তে পারে এমন ক্ষেত্রে।
২) মাড়ি থেকে রক্ত পড়লেও সাবধান হতে হবে। ভিটামিন সি-র ঘাটতির লক্ষণ এটি।
৩) রাতে অন্ধকারে দেখতে অসুবিধা হয় কি? সে ক্ষেত্রে ভিটামিন এ যুক্ত খাদ্য বেশি করে প্রয়োজন শরীরের।
৪) ভিটামিন বি৩, বি৬ কম থাকলে বাড়লে পারে খুশকির সমস্যাও। হাত, পায়ের চামড়াও ফেটে যেতে পারে এই সব ভিটামিনের অভাবে। এমন হলে দুধ, ডিম, মাছ, মাংস বেশি করে খাওয়া প্রয়োজন।
৫) সর্ব ক্ষণ ক্লান্ত লাগে কি? এ হল আর এক সমস্যা। শরীরে ভিটামিন বি১২ কম থাকলে কাজের শক্তি কমতে থাকে। মাথায় ঝিমঝিম ভাব, ক্লান্তি হয়ে ওঠে সারা দিনের সঙ্গী।
31/10/2021
পেস্তা বাদামের পুষ্টি গুণাগুণ
---------------------------------------
• এই পেস্তাবাদামে একধরনের লুটেন নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে। মানুষের বয়সের কারণে সৃষ্ট বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা দেখা যায়। এই সমস্যা গুলো হলো, মাংসপেশির দুর্বলতা, চোখের ছানির সমস্যা, ইত্যাদি। তবে এই পেস্তা বাদাম রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে।
• প্রোটিনের সবচেয়ে বড় একটা উৎস হচ্ছে পেস্তা বাদাম।
• এই পেস্তা বাদামে আরো একটি ভিটামিন প্রচুর পরিমাণে থাকে, সেটি হলো ভিটামিন বি-৬।
• পেস্তা বাদাম এর দারুণ উৎস হচ্ছে পটাসিয়াম, সোডিয়াম, ফসফরাস, কপার, ম্যাগনেসিয়াম।
• পেস্তা বাদাম নিয়মিত প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমান খেলে ত্বক ফর্সা ও উজ্জ্বল হয়।
• এই পেস্তা বাদামে রয়েছে মনো-আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট, যা কোলেস্টেরল লেভেল নিয়ন্ত্রণে রাখতে অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা পালন করে থাকে। যার ফলে পেস্তা বাদাম হৃদরোগের ঝুঁকিও কমাতে কার্যকারিতা রয়েছে।
• যারা বেশির ভাগ ইনসুলিনের ওপর নির্ভরশীল নয়। তবে এধরনের ডায়বেটিসে যাদের আক্রান্ত রোগিদের ক্ষেত্রে এই পেস্তা বাদামে থাকা স্বাস্থ্যকর তেল তাদের জন্য বিশেষভাবে উপকারীতা পাবে।
• অন্য সব বাদামের চাইতে এই পেস্তা বাদামে রয়েছে অধিক পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ফাইটোস্টেরল। এই উপস্থিত উপাদান ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে সাহায্য করে থাকে।
• এই পেস্তাবাদাম দাঁতের রোগ ও লিভারের সমস্যায় বেশ উপকারী ভূমিকা পালন করে থাকে। এই পেস্তা বাদাম রক্ত শুদ্ধর কাজও করে।
29/10/2021
একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত যদি ৩-৪ টি করে কাজু বাদাম খাওয়া যায়, তাহলে শরীরে নানা পুষ্টিকর উপাদানের ঘাটতি দূর হয়, সেই সঙ্গে আরও কিছু উপাকার পাওয়া যায়। যেমন-
মুখ গহ্বরে উপস্থিত নানা রোগের প্রকোপ কমে
কাজুতে উপস্থিত ফসফরাস, দাঁতের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটানোর মধ্যে দিয়ে নানাবিধ মুখগহ্বর সম্পর্কিত রোগকে দূরে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
অ্যানিমিয়ার মতো রোগের প্রকোপ কমে
একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, কাজু খাওয়া মাত্র দেহের ভেতরে আয়রনের ঘাটতি দূর হতে শুরু করে। ফলে লোহিত রক্ত কণিকার উৎপাদন এত মাত্রায় বেড়ে যায় যে অ্যানিমিয়ার মতো রোগ ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না। সেই সঙ্গে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটতেও সময় লাগে না।
চুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়
কাজু বাদামে থাকা কপার শরীরের ভেতরে এমন কিছু এনজাইমের ক্ষরণ বাড়িয়ে দেয়, যা চুলের কালো রংকে ধরে রাখতে বিশেষ ভূমিকা নেয়।
ক্যান্সারের মতো মারণ রোগ দূরে থাকে
এই বাদমটির শরীরে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা ক্যান্সার সেলের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলার পাশাপাশি টিউমার যাতে দেখা না দেয় সেদিকেও খেয়াল রাখে।
ব্রেন পাওয়ার বৃদ্ধি পায়
বাদামে শরীরের থারা ম্যাগনেসিয়াম নার্ভের ক্ষমতা বাড়িয়ে সার্বিকভাবে মস্তিষ্কের শক্তি বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। ফলে বুদ্ধি, স্মৃতিশক্তি এবং মনোযোগও বাড়তে শুরু করে।
সংক্রমণের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে
এই প্রাকৃতিক উপাদানটিতে থাকা জিঙ্ক, ভাইরাসের আক্রমণের হাত থেকে শরীরকে রক্ষা করে।
ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে থাকে
এই বাদামে রয়েছে ম্যাগনেসিয়াম, যা ব্লাড প্রেসারকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে
কাজুতে রয়েছে ওলিসিক নামে এক ধরনের মোনোআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড, যা দেহে বাজে কোলেস্টরলের মাত্রা কমাতে দারুন কাজে আসে। তাই তো নিয়মিত এই বাদমটি খেলে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। ফলে হার্টের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়।
হাড় শক্তপোক্ত হয়
কাজু বাদামে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস এবং ম্যাগনেসিয়াম থাকার কারণে এই বাদামটি নিয়মিত খেলে হাড়ের শক্তি বাড়তে শুরু করে। সেই সঙ্গে বুড়ো বয়সে গিয়ে অস্টিওআর্থারাইটিসের মতো হাড়ের রোগ হওয়ার আশঙ্কাও হ্রাস পায়।
27/10/2021
আসুন জেনে নেই কাঠ বাদামের উপকারিতা
-------------------------------------------------------------
কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে: বাদামে উপস্থিত বেশ কিছু কার্যকরী উপাদান শরীরে অন্দরে ভাল কোলেস্টরলের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই খারাপ কোলেস্টরলের মাত্রা কমতে শুরু করে। এছাড়া বাদামে প্রচুর পরিমাণ মনো-স্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে, থাকে ওমেগা-৬ ফ্যাটি অ্যাসিডও। কিন্তু কোনওরকম ট্রান্স ফ্যাট থাকে না। ফলে হার্ট অ্যাটাক কিংবা স্ট্রোকেরও আশঙ্কা কম থাকে।
হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে: বাদামে উপস্থিত ফসফরাস শরীরে প্রবেশ করার পর এমন কিছু কাজ করে যার প্রভাবে হাড়ের ক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে।
মস্তিস্কের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়: আমেরিকার অ্যান্ড্রস ইউনিভার্সিটির গবেষকদের করা এক পরীক্ষায় দেখা গেছে বাদামে এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যা মস্তিষ্কের ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই পরীক্ষার আগে ছাত্রছাত্রীদের নিয়ম করে বাদাম খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে।
ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে থাকে: বাদামে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এই মৌল। তাই ম্যাগনেসিয়ামের পরিমাণ সঠিক থাকলে ইনসুলিনের সঠিক কার্যকলাপ বজায় থাকে।
ওজন নিয়ন্ত্রণের সহায়ক: বাদাম খাওয়ার পর ক্ষিদে একেবারে কমে যায়। ফলে মাত্রাতিরিক্ত খাবার খাওয়ার প্রবণতা হ্রাস পায়। সেই সঙ্গে শরীরে প্রয়োজন অতিরিক্ত ক্যালরি জমে ওজন বৃদ্ধির সম্ভাবনাও কমে। বিপাকের হার বাড়িয়ে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতেও সাহায্য করে বাদাম।
কোষ্ঠকাঠিন্য কমায়: বাদামের ফাইবার শরীরের জন্য উপাদেয়। আর্জিনিন এবং হেলদি ফ্যাটের সঙ্গে এই ফাইবারের উপস্থিতি কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ রোগীদের ক্ষেত্রে অত্যন্ত জরুরি। ফাইবারযুক্ত খাবার খেলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কমে।
কোষের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়: বাদামে থাকা প্রচুর মাত্রায় ভিটামিন ই শরীরের প্রতিটি কোণায় ছড়িয়ে থাকা কোষের কর্মক্ষমতার বৃদ্ধি ঘটানোর সঙ্গে সঙ্গে শরীরে যাতে কোনও ক্ষতের সৃষ্টি না হয়, সেদিকেও খেয়াল রাখে।
হজম ক্ষমতার উন্নতি: নিয়মিত পানিতে ভেজানো বাদাম খেলে দেহের অন্দরে বিশেষ কিছু এনজাইমের ক্ষরণ বেড়ে যায়, যার প্রভাবে হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে।
সবাই ভাজা বাদাম খেতে পছন্দ করেন কিন্তু ভাজা বাদামের চেয়ে কাঁচা বাদামের পুষ্টিগুণ বেশি। অন্তত ৮-১০ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখলে বাদামের সম্পূর্ণ পুষ্টিগুণ বজায় থাকে।
22/10/2021
অর্জুন গাছের ছাল এর উপকারি দিক সমূহ
-----------------------------------------------------------
১. অ্যাজমার ক্ষেত্রে অর্জুন গাছের ছাল গুঁড়ো করে দুধে মিশিয়ে খেতে পারেন নিয়মিত তাহলে এই অ্যাজমার সমস্যা অনেক কমে যাবে।
২. হৃদরোগ থেকে দূরে রাখে
হার্টের মধ্যে রক্ত সঞ্চালন ভালো রাখে। করোনারি হার্টের রোগ হতে দেয় না। অর্জুন গাছের ছাল সারা রাত জলে ভিজিয়ে পরের দিন বেটে দুধে মিশিয়ে খান। আর তা না হলে ছাল গুঁড়ো করে দুধে মিশিয়ে খেলেই হবে।
৩. ত্বকের পরিচর্যায়
এটি ভিতর থেকে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়, ত্বকের কোষ মজবুত করে। অর্জুন গাছের ছাল মধুর সঙ্গে মিশিয়ে ব্রণের উপর লাগালে তা কমে যায়। আবার আপনি যদি এই ছালের সঙ্গে মধু মিশিয়ে ব্যবহার করলে মেচেতার দাগও কমে যায়।
৪. ক্ষত হলে ব্যবহার করা যায়
অর্জুন গাছের ছাল রাতে জলে ভিজিয়ে রাখুন। এই জল দিয়ে পরের দিন জায়গাটা ভালো করে ধুয়ে নিন। তারপর অর্জুন গাছের ছালের গুঁড়ো জলে মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে ওই জায়গায় লাগান। ১৫ মিনিট রেখে দিন, তারপর ধুয়ে ফেলুন।
৫. আমাশয় মুক্তি দেয়
আমাশয় হলে আপনি অর্জুন গাছের ছালের ক্কাথ ছাগলের দুধে মিশিয়ে খান। এতে আমাশয়ের সমস্যা কমে যাবে।
৬. হজম ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে
রোজ রাতে শুতে যাওয়ার আগে হাল্কা গরম জলে অর্জুন গাছের ছাল গুঁড়ো মিশিয়ে খেয়ে নিন। এতে আপনার হজম ক্ষমতা বাড়বে।
৭. মাড়ির সমস্যা হয় না
অর্জুন গাছের ছাল গুঁড়ো করে মাজনের মতো ব্যবহার করুন রোজ সকালে। তাহলেই উপকার পাবেন।
৮. বুক ধড়ফড় করলে
ছাল শুকিয়ে নিয়ে দুধের সঙ্গে মিলিয়ে রোজ বিকেলে খান। তবে একটু ঠাণ্ডা করে খাবেন। এতে এই সমস্যা কমবে।
৯. যৌন উদ্দীপনা বাড়ায়
এই ছালে আছে স্যাপোনিন, যা যৌন ক্ষমতা বাড়ায়। আর পুরুষদের ক্ষেত্রে শুক্র কম থাকলে অর্জুনের ছাল গুঁড়ো করে তা গরম জলে মিশিয়ে সেই জল ছেঁকে তার মধ্যে ১ চামচ শ্বেত চন্দন মিশিয়ে খান।
১১. কাশি কমাতে
অর্জুন গাছের ছাল বাসক পাতার রসে ভিজিয়ে রাখুন। তারপর তা শুকিয়ে গুঁড়ো করে রেখে দিন। খুব কাশি হলে মধু বা মিছরির সঙ্গে খেয়ে নিন। আপনি এতে সহজেই উপকার পাবেন।
১২. লিভারের সমস্যায়
অর্জুন গাছের ছালের গুঁড়ো জলে ভিজিয়ে রাখতে হবে। পরের দিন সেই জল খেতে হবে। এটি লিভারসিরোসিসের টনিক হিসেবে কাজ করে।
১৩. ঋতুস্রাবের সমস্যায়
হাল্কা গরম জলে অর্জুন গাছের ছালের গুঁড়ো মিশিয়ে নিয়ে খেয়ে নিন যখন খুব ব্যথা হবে। খানিক পর দেখবেন ব্যথা অনেক কমে এসেছে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Hathazari
Chittagong
4500
