Organic Life Style

Organic Life Style

Share

Eat, sleep and exercise to live a healthy, wealthy and happy life.

14/04/2021

"হিমালয়ান"সল্ট বা পিংক সল্ট প্রাকৃতিক বা খনিজ লবন।হিমালয়ান সল্টে 85 টি মিনারেল পাওয়া যায়।যেমন;ক‍্যালসিয়াম, আয়োডিন,সোডিয়াম,ম‍্যাগনেসিয়াম জিংক ও কপার সম্মৃদ্ধ। আমরা যে সাদা লবন খায় তাতে কোন ধরনের উপকারী উপাদান থাকেনা। সাদা লবন দেহ কোষে পানি আটকিয়ে রাখে,অপরিদকে হিমালয়ান সল্ট দেহ কোষের অতিরিক্ত পানি বের করে দেয়। হিমালয়ান সল্ট দেহকে এসিডিক থেকে এ‍্যালকালাইনে রুপান্তরিত করে। এইটি উপাদেয় খাবারে ব‍্যবহার করা যায় বিশেষত;এ‍্যালকালাইন পানির উপাদান হিসাবে ব‍্য‍াবহার করা যায়।পরবর্তি আলোচনায় এ‍্যালকালাইন পানির প্রনালী আলোচনা হবে।
Hakim ashraful alam

13/04/2021

ত্রিফলা (আমলকী, হরিতকী, বহেরা)
👉কার্যকারিতাঃ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, বলবৃদ্ধি, অকালবার্ধক্য রোধ, দেহের টক্সিন/বিষাক্ত বস্তু নিঃসরন,রুচি বৃদ্ধি করে, মলশোধক,বায়ু নিবারক,পিত্ত কফ নাশক,দৃষ্টি শক্তি বৃদ্ধি কারক। মোট কথা শরীর সুস্থ্য রাখতে সাহায্য করে ত্রিফলা।
এ জন্যই বলা হয় – ” সকল রোগের এক বিধান,সকাল ও রাতে ত্রিফলা খান ”

আয়ুর্বেদিক ফিলোসোফি অনুযায়ী একজন মানুষের অসুস্থ হওয়ার মূল কারণ ত্রি দোষের ইমব্যালেন্স হওয়া।
অর্থাৎ মানুষের দেহে
১) বায়ু
২) পিত্ত
৩) কফ
এই তিনটির রাস বৃদ্ধির ফলে শরীরে নানা ধরনের রোগ তৈরি হয়। এই তিনটি কে একত্রে ত্রি দোষ বলা হয়।
ত্রিফলা মানুষের শরীরে ত্রি দোষ কে ব্যালেন্স রাখে ।
তাই ত্রিফলা মানব দেহের সকল রোগের জন্য কাজ করে। আয়ুর্বেদিক শাস্ত্র অনুসারে ত্রিফলা রসায়ন। অর্থাৎ দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে দেহকে সুস্থ রাখে ।
তাই বলা হয় , সকল রোগের এক বিধান । দিনে দুবেলা ত্রিফলা খান ।

পৃথিবীতে বিস্ময়কর ঔষধি গুণাগুণসম্পন্ন ভেষজ উপাদানসমূহের মধ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তিনটি ফল যা সবার কাছে সুপরিচিত ভেষজ-আমলকী, হরীতরকী ও বহেড়া। এই তিনটি ফলকে আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে একত্রে ত্রিফলা বলে। ইউনানী পরিভাষায় একে বলা হয় ত্রিফল।

👉খাওয়ার নিয়ম ও আরো বিস্তারিত তথ্য জানতে নিচের লেখা পড়ুন।

DESCRIPTION
ত্রিফলা (Three Myrobalans)

রোগ প্রতিরোধ, বলবৃদ্ধি, অকালবার্ধক্য রোধ, দেহের টক্সিন/বিষাক্ত বস্তু নিঃসরন, রেচক – মোট কথা শরীর সুস্থ্য রাখার জন্য যা লাগে সব আছে ”ত্রিফলা তে” । এ জন্যই বলা হয় – সকল রোগের এক বিধান,সকাল ও রাতে ত্রিফলা খান !
আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে বলা হয়েছে যে, মানবদেহ তিনটি মূল বা সার বস্তুর সমন্নয়ে গঠিত। এই সার বস্তু তিনটি হলো বায়ু (Vata), পিত্ত ( Pitta) এবং কফ (Kapha) । “বাতা/বায়ু” আমাদের মন ও স্নায়ু তন্ত্রের সাথে জড়িত। এর সভাব বা পকৃতি হচ্ছে শুষ্ক, ঠান্ডা, হালকা এবং শক্তিশালী । ২য় সার বস্তু হলো “ পিত্ত/ অগ্নি” যা আমাদের বিপাক( হজম) ক্রিয়ার সাথে সম্পর্কিত, যা আমাদের দেহের যাবতিয় খাদ্যের হজম ক্রিয়ার এবং হজম পরবর্তী খাদ্যের যাবতিয় সার বস্তুর শোষন নিয়ন্ত্রন করে। এর স্বভাব বা পকৃতি হলো উষ্ণ, আদ্র এবং হালকা। ৩য় সার বস্তু “কফ/শ্লেষ্মা”, অনেক সময় পানি বা শ্লেষ্মাকে জীবনের মূল ভিত্তি বলা হয়, এটি আমাদের দেহের সকল গঠন ক্রিয়া নিয়ন্ত্রন করে। এটি আমাদের দেহের নিত্ত নতুন কোষ তৈরি, মাংশ পেশির গঠন, হাড়ের গঠন এবং বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রন করে। এর পকৃতি বা স্বভাব হলো ঠান্ডা, আদ্র এবং ভারী।

এই বায়ু পিত্ত এবং কফের সমন্নয়ে আমাদের দেহ গঠিত বলে, এ গুলোর যে কোনো একটির ভারসম্যহীনতা বা অস্বাভাবিকতা আমাদের দেহে বিভিন্ন প্রকারের রোগ সৃষ্টি করে । আর ত্রিফলাতে রয়েছে এর সার বস্তু সমূহের মধ্যে ভারসম্য রক্ষার কার্যকরি উপাদান। এই তিন সারবস্তুর ভারসম্য রক্ষা করতে পারে বলে একে বলা হয় ত্রিদোষ নাশক । ত্রিফলার প্রতিটি ফলের ত্রিদোষ নাশক গুণাবলী থাকলেও এর একেকটি ফল একেকটি সারবস্তুর ভারসম্য রক্ষায় বেশি কার্যকরী ।
👉তিনফলের সমাহারকে ত্রিফলা বলে ! এই তিনফল হলো
১) হরিতকী ( Terminalia Chebula)
২) আমলকি( ‘aamla’ বা ‘Indian gooseberry’ )
৩) বহেরা ( Terminalia bellirica )
👉১) হরিতকী ( Terminalia Chebula) আমাদের দেহের বাতা/বায়ু নামক সারবস্তুর ভারসম্য তথা মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্রের কার্যবলী নিয়ন্ত্রণ ও ভারসম্য রক্ষা করে।

👉২) আমলকি( ‘aamla’ বা ‘Indian gooseberry’ ) আমাদের দেহের পিত্ত/আগ্নি নামক সরবস্তুর ভারসম্য রক্ষায় কার্যকর । ঠান্ডাকারক, সংকোচক, মৃদু বিরোচক গুন সম্পন। তাই আমাদের বিপক জনিত বিভিন্ন সমস্যা যেমন- আলসার,পাকস্থলীর প্রদাহ, আন্ত্রিক প্রদাহ, কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়রিয়া,লিভার ইনফেকশন ও ইনফ্লামেশন, শরীরের জ্বালাপোড়া নিবারনে আমলকি কাজ করে । আধুনিক গবেষনায় দেখা গেছে যে আমলকি ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধ করে, হৃদপিণ্ডের টনিক । আমলকি ভিটামিন সি এর উৎস।

👉৩) বহেরা ( Terminalia bellirica ) “কফ/শ্লেষ্মা” নামক সার বস্তুর ভারসম্য রক্ষা করে। দেহের প্রধান জীবনিশক্তি শ্লেষা তথা রসকে বিশুদ্ধ করে এবং এর ভারসময় রক্ষা করে। বহেরা হাপানি, এলার্জি, ব্রঙ্কাইটিস এবং কাশির ক্ষেত্রে খুবই কার্যকরি।

👉ত্রিফলা ত্রিদোষের ভারসাম্য আনয়ন করে ও আমা নাশক হিসেবে কাজ করে আমাদের দেহকে সুস্থ্য রাখে ।
👉পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয় ত্রিফলার উপর গবেষনা করে আজ ত্রিফলার গুনাবলীর প্রমান করেছেন, যা প্রায় ৫০০০ বছয় আগেই আয়ুর্বেদ গবেষকরা আমাদের জানিয়েছেন !
👉ত্রিফলাঃ
হজম শক্তি বৃদ্ধি করে।
এন্টি অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে।
দেহের রক্ত সন্চালন বাড়ায়।
রক্তচাপ কমায়।
হৃদরোগ কমায়।
রক্তে কোলেস্টেরল কমায়।
লিভারের রোগ প্রতিরোধ করে ।
পিত্ত নিঃসরণ বাড়ায় ।
কফ নিঃসরণ করে।
ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।
ওজন হ্রাস করে।
ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধ করে।
এলার্জি কমায় ।
HIV , CMV হার্পেস (Harpes) সহ সকল ভাইরাস প্রতিরোধ করে।
এইডস প্রতিরোধ করে ।
উপকারী ফ্যাটি এসিড (HDL)এর পরিমান বাড়ায়.
শ্বাসকষ্ট কমায় .
দৃষ্টিশক্তি হ্রাস রোধ করে ।
ডায়াবেটিস রোগ প্রতিরোধে কাজ করে ।
রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ায়।
অকাল বার্ধক্য রোধ করে ।
শুক্রের উৎপাদন বাড়ায় ।
যৌন দুর্বলতা দুর করে …. আরো অসংখ্য রোগের উপকার করে ..…।

👉সকল রোগের জন্য এবং সকল রোগ প্রতিরোধ করার জন্য ত্রিফলা কার্যকর।

👉(তথ্য সূত্রঃ বইঃ নিরোগ থাকার উপায় , লেখকঃ ডাঃ আলমগীর মতি, প্রকাশকঃ মডার্ণ প্রকাশনী, ৬ষ্ঠ প্রকাশঃ জুন ২০১২, পৃষ্ঠাঃ ১১৭, বইঃ আয়ুর্বেদীয় ভৈষজ্যতত্ব ও দ্রব্যগুণ । লেখকঃ অধ্যক্ষ কবিরাজ শ্রী নিকেতন চক্রবর্তী ,সংস্করণঃ শহীদ দিবস ১৯৮৬ , পৃষ্ঠাঃ ৩৯, বইঃ আয়ুর্বেদীয় দ্রব্যগুণসার, লেখকঃ কবিরাজ শ্রী বাদল মজুমদার, প্রকাশকঃ বাংলাদেশ বোর্ড অব ইউনানী এন্ড আয়ুর্বেদিক সিস্টেমস অব মেডিসিন, ৩য় প্রকাশঃ জুন ২০১১ , পৃষ্ঠাঃ ১৮২)
👉খাওয়ার নিয়মঃ
প্রতিদিন সকালে ৬ গ্রাম ও রাতে ৬ গ্রাম সেবন করুন । খালিপেটে বা খাবার পর উভয় অবস্থায় খাওয়া যায় । তবে কোনো সমস্যা না হলে ( যেমন পেটে গ্যাস, পায়খানা নরম হয়ে যাওয়া ) খালি পেটে খাওয়াই উত্তম ।

👉খাওয়ার সাধারণ নিয়মঃ
২ চা চামুচ নিয়ে রাতে ১ গ্লাশ পানিতে ভিজিয়ে রাখবেন, সকালে শুধু পানি টুকু পান করবেন । এভাবে ২ চা চামুচ নিয়ে সকালে ১ গ্লাশ পানিতে ভিজিয়ে রাখবেন, রাতে ঘুমের পূর্বে শুধু পানি টুকু পান করবেন ।
(তথ্য সূত্রঃ বইঃ নিরোগ থাকার উপায়, লেখকঃ ডাঃ আলমগীর মতি , প্রকাশকঃ মডার্ণ প্রকাশনী, ৬ষ্ঠ প্রকাশঃ জুন ২০১২, পৃষ্ঠাঃ ১১৭ )
#কপি

12/04/2021

আনারস এর জুস কেন খাবোঃ

12/04/2021

মেথির নানা উপকারঃ

12/04/2021

ব্রণের চিকিৎসা নিজেই করুন।

12/04/2021

আখের গুড়ঃ
১) আখের গুড় ভিটামিন এ (A) এবং ডি (D) সমৃদ্ধ বলে শরীর দ্রুতগতিতে বেড়ে যায়।
**পুরাতন গুড়ের শক্তি কম থাকে।
২) জন্ডিসের দাহ নিবারক এবং কোষ্টকাঠিন্য দূর করে। ৩) খাদ্য হজম কারক এবং গোস্ত তাড়াতাড়ি নরম করে।
৪) মহিলাদের জরায়ুর তাপ স্বাভাবিক রাখে।
- বিশেষ ক্রিয়াঃ গুড় দেহের গ্লুকোজের অভাব পূরণ করে শরীরের শক্তি যোগাতে বিশেষ কার্যকরী।
- প্রতিক্রিয়াঃ অতিরিক্ত মাত্রায় গুড় সেবনে ক্রিমি হতে পারে। প্রয়োজন মত সেবন করতে হবে।
সুত্রঃ ইউনানী মেটেরিয়া মেডিকা। পৃষ্ঠাঃ ১৩০-১৩১

11/04/2021

এই গরমে আমরা বেশি বেশি সাজনা খাবো।

05/04/2021

উচ্ছে ও করল্লোয় রোগ সারানঃ
১। প্লীহায়ঃ
- উচ্ছে পাতার রস ২ চা চামচ একটু গরম করে সিকি কাপ পানিতে মিশিয়ে সকালে বিকালে খাবেন।
২। ভিটামিনের অভাব হলেঃ
- ৩.৪ গ্রাম উচ্ছের বীজ মিহি করে বেটে ৭-৮ চামচ পানি মিশিয়ে ছেকে নিয়ে সেই পানি খাবেন, উপকার পাবেন।
৩। গুড়ো কৃমিতেঃ
- বয়স্ক দের জন্য ২ চা চামচ এবং
- শিশুদের জন্য আধা চা চামচ রস একটু করে পানি মিশিয়ে খেতে দিন।
৪।বাত ব্যাধিতেঃ
- পাতার রস ৩ চা চামচ একটু গরম করে পানি মিশিয়ে খাবেন সকালে বিকালে।

৫। আধ কপালীতেঃ
- পাতা তুলে এনে পাতা টা হাতে একটু রগড়ে (ঘষে) ন্যাকড়ার ভিতরে দিয়ে যেদিকে যন্ত্রণা হচ্ছে সেদিকের নাকে রস টার এক ফোটা দিয়ে নস্যির মতো টানুন, সাথে সাথে আধ কপালী সেরে যাবে।
৭। রক্তপিত্তেঃ
- উচ্ছের ফুল ৮-১০ টি নিয়ে প্রত্যহ সকাল, বিকাল এবং সন্ধ্যায় চিবিয়ে খেলে উপকার হয়।
৮। অরুচিতেঃ
- পাতার রস এক চামচ করে সকালে বিকালে খেলে উপকার পাবেন।

হাকীম আলী আকবার
আকবাড়ীয়া ইউনানী দাওয়াখানা
ফুলবাড়ী বটিয়াঘাটা খুলনা
#কপি

04/04/2021

কৃমির চিকিৎসা :-
৩০ গ্রাম কাচা হলুদ এর রস এবং প্রয়োজন মতো লবন নিয়ে ভালভাবে মিশিয়ে নিতে হবে এবং এক সপ্তাহ সেবন করুন।

04/04/2021

পুরাতন আমাশয়েঃ

১ গ্রাম আদা চূর্ণ গরম পানি সহ কিছু দিন খেয়ে গেলে পুরাতন আমাশয় রোগ সেরে যায়।
#কপি

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Chittagong?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


Alisha Para, Rel Bit, Bandortila
Chittagong
4222