Health Express Bd
health solution
04/03/2023
04/03/2023
বাঁধা"কপি আমাদের অতি পরি"চিত শীতকালীন সবজি।এটি ফুলকপি নিকট প্রজাতি।এখানে
বাঁধা-কপিতে প্রচুর পরিমাণে আ'য়রন আছেঃ বাঁধাকপিকে মাংসের সাথে তুলনা করা হয় কারন মাংসে যে পরিমাণে আয়রন আছে বাঁধাকপিতে তার চেয়ে বেশি আয়'রন আছে।আপনার ডায়েটের তালিকায় পরিমাণগত আয়রন না থাকলে আপনার শরীরে রক্তস্বল্পতা, ক্লান্তি, ও মস্তিষ্কের সমস্যা হবে।আপনার শরীরে প্রয়োজনীয় আয়রন এই বাঁধাকপি থেকে পাবেন,। আলাদা করে মাংস খাওয়ার প্রয়োজন নেই।
বাঁধাক'পি কোলে"স্টেরল কমাতে সাহায্য করেঃ বিজ্ঞা"নীরা বাঁধাকপি নিয়ে অনেক গবেষণা শুরু করেছেন। এতে যে বাইল অ্যাসিড রয়েছে তা কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে।
রোগ নিরা"ময়ে সহায়তা করে
যেকোনো ধরনের শারী''রিক সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে সাহা'য্য করে এই ফল। এতে আছে খনিজ, প্রোটিন, ভিটামিন এবং ফাই'বারের মতো নানা ধরনের প্রয়ো"জনীয় পুষ্টি উপা'দান। এগুলো উচ্চ-রক্ত"চাপ কমায়, রক্তে খারাপ কোলেস্টে'রলের মাত্রা কমায়, রক্তে শর্করার মাত্রা স্থিতি"শীল করে, হজ"মের সম"স্যা কমায় এবং সেইসঙ্গে ক্ষুধা বাড়া'তেও সাহায্য করে।
04/03/2023
খাদ্য হজমে সহায়ক: ফাইবারজাতীয় হওয়ায় মিষ্টি কুমড়া সহজেই হজম হয়। হজমশক্তি বৃদ্ধি ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে কার্যকরী ভূমিকা রাখে এটি। এছাড়া ডায়রিয়া নিয়ন্ত্রণ ও পরিপাক নালীর খাদ্য সঠিক উপায়ে সরবরাহেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এই সবজি। ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি: মিষ্টি কুমড়া ত্বক উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে।
04/03/2023
অতিরিক্ত ওজন যেমন বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ায়, তেমনি স্বাভাবিকের চেয়ে ওজন কম হলে সেটিও শঙ্কার কারণ হতে পারে। সুষম খাদ্যাভ্যাস মানা ও নিয়মিত ব্যায়াম করা ওজন বাড়ানোর জন্য আবশ্যক। এখানে ওজন বাড়ে কোন খাবারে, ওজন বৃদ্ধির ব্যায়ামগুলো কি এবং ওজন বৃদ্ধির জন্য কোন বিষয়গুলোর ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে — তা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে
ওজন বাড়ানোর ডায়েটে সকালের নাস্তা, দুপুর ও রাতের খাবার এবং হালকা নাস্তা হিসেবে কোন খাবারগুলো খাওয়া যেতে পারে তা তুলে ধরা হলো। এই খাবারগুলো কেন, কিভাবে, এবং কী পরিমাণে খেতে হবে তা জানতে নিচে পড়ুন।
সকালের নাস্তাদুধ, কলা, ডিম, খেজুরদুপুরের খাবারডাল, টক দই, মুরগির মাংসরাতের খাবারডাল, টক দই, মুরগির মাংসহালকা নাস্তাবাদাম, কিসমিস, বিভিন্ন ধরনের বীজযা খাবেন নাসাগু, কাস্টারড-পুডিং
04/03/2023
ওজন বাড়াতে খেতে পারেন শুকনো ফল। এক্ষেত্রে আপনার জন্য সবচেয়ে উপকারী হলো বাদাম, খেজুর ও কিসমিস। দিনের শুরুটা হোক বাদাম. কিসমিস ও খেজুর দিয়ে। কারণ এসব খাবার থেকে প্রচুর ক্যালরি মেলে। এই ক্যালরি আপনার ওজন বাড়াতে সাহায্য করে।
04/03/2023
যেমন- ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়, একজিমা সারায়, চুল পরিষ্কার, ঝলমলে ও কোমল ভাব আনে, দাঁত ও গলা ব্যথা কমাতে, কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে, মাতৃদুগ্ধ বাড়াতে, অনিয়ন্ত্রিত ঋতুস্রাবের সমস্যা সমাধানে, ওজন নিয়ন্ত্রনে, রক্তক্ষরণ বন্ধ করতে সাহায্য করে কচুরিপানা। যারা এর ব্যবহার ও উপকারিতা জানেন, তাদের কাছে এটি একটি সম্পদ।
04/03/2023
কচু শাকের পুষ্টিগুণ এবং স্বাদের জন্য অনেকেই নিয়মিত এটি খেতে পছন্দ করেন। কচু শাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। যা চেহারা থেকে বয়সের ছাপ দূর করতে এবং কোলন ক্যান্সার প্রতিরোধে কাজ করে। কচু শাকে থাকা ভিটামিন এ এটি দৃষ্টিশক্তি ভাল রাখতে সাহায্য করে এবং চোখ সম্পর্কিত জটিলতা কমায়।
04/03/2023
🍀🍀 কমলালেবু 🍀🍀
শীত কালে আমরা সাধারণত পানি কম খাই। এতে আমাদের হজমের সমস্যা দেখা দেয়। কমলা লেবুতে পানি থাকায় বিপাকে সাহায্য করে। এতে বিদ্যমান সাইট্রিক এসিড শরীরের অতি'রিক্ত মে'দ কমাতে সাহায্য করে!
04/03/2023
আপেলে উপস্থিত ফাইবার রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে। এছাড়াও আপেলে রয়েছে ভিটামিন সি এবং পটাশিয়াম, এই উপাদানগুলো হৃদরোগের ঝুঁকি অনেকাংশে কমায়। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, পরিমাণ মতো আপেল খেলে ২০ শতাংশ স্ট্রোকের সম্ভাবনা কমে। ২৫ গ্রাম আপেল অর্থাৎ চার থেকে পাঁচ টুকরো আপেল প্রতিদিন খেলে ৯ শতাংশ স্ট্রোকের সম্ভাবনা কমে।
04/03/2023
ডিএমপি নিউজ: ফল আমাদের স্বাস্থ্যের জন্যে খুবই উপকারী। প্রতিটি মানুষের প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় যেকোন ধরণের একটি ফল অবশ্যই থাকা উচিৎ নিজের সুস্বাস্থ্যের জন্যেই। ফল খাওয়ার উপকারিতাগুলো যেকোন বয়সের যে কারোর জন্যে দারুণ। চলুন জেনে নেওয়া যাক প্রতিদিন ফল খাওয়ার দারুণ কিছু উপকারিতা-
১। নিয়মিত ফল খেলে আপনার শরীরে সহজেই রোগ দানা বাধতে পারবে না।
২। ফল আপনার স্বাস্থ্য এবং আপনাকে শক্তিশালী করে তোলে।
৩। প্রায় সকল ফলেই থাকে পানি, যা আপনার ত্বককে সুস্থ এবং নরম রাখতে সাহায্য করে থাকে।
৪। প্রতিটি ফলে থাকে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা শরীরের খারাপ ব্যাকটেরিয়াগুলোর বিপরীতে কাজ করে থাকে।
৫। ফলে থাকে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার বা আঁশ যা শরীরে মেদ জমতে বাঁধা দেয়, ফলে আপনি খুব সহজেই মোটা হবেন না। এরই সাথে ফাইবার কোলেস্টেরল এর মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।
৬। ফল আমাদের শরীরে বিভিন্ন রকম ভিটামিন এবং মিনারেল এর ঘাটতি পূরণ করে থাকে।
৭। ফল নিয়মিতভাবে খাওয়ার ফলে আপনাকে স্বাস্থ্যকর এবং দারুণ দেখাবে।
৮। ব্রেইনের কার্যকারীতা বৃদ্ধিতেও ফল কাজ করে থাকে।
৯। ফল সম্পুর্ণই একটি প্রাকৃতিক উপাদান, তাই ফল খাওয়ার ফলে আপনি অনেক বেশী এনার্জি পাবেন এবং সুস্থ অনুভব করবেন।
১০। ফল আপনার হজমশক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে বলে আপনি থাকবেন পেটের সমস্যা মুক্ত।
মুখরোচক ও দৃষ্টিনন্দন খাবারের মোহে পরে নিজেকে অসুস্থ না বানিয়ে প্রতিদিন কিছু পরিমাণে ফল খওয়া উচিত যা আপনাকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে।
02/03/2023
নানা ফলের রয়েছে নানান পুষ্টিগুণ। বয়স, শারীরিক অবস্থা, রোগ ভেদে নিয়মিত ও সঠিক মাত্রায় ফল খেলে তা শারীরিক অনেক রোগব্যাধির ক্ষেত্রেও উপকারী। আবার যাদের কিডনির রোগ রয়েছে, তাদের ফলমূল খাওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুষ্টি ও খাদ্য বিজ্ঞান ইন্সটিটিউটের অধ্যাপক ড. খালেদা ইসলাম বিবিসি বাংলাকে বলছেন, ফলের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, এটি রান্না করতে হয় না। আর সব ফলের মধ্যেই পানির পরিমাণ বেশি থাকে। সেই কারণে গরমের সময় শরীরের পানিশূন্যতা পূরণে এটি সহায়তা করে।
''ফলের মধ্যে খাদ্যশক্তি থাকে, যা শরীরের ভেতর থেকে ক্ষতিকর চর্বি বের করে দেয়, তাই ফল সবার জন্য উপকারী। পুষ্টিমানের দিক থেকেও সব ফেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, খনিজ পদার্থ থাকে। বিশেষ করে রঙিন ফলে লাইকোপেট আর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে, তা শরীরের ভেতরের বিষাক্ত জিনিস দূর করে দেয় এবং ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে সহায়তা করে।'' তিনি বলছেন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Ctg
Chittagong
4216
