Life care shop-BD.Com
আমাদের কাছে পাবেন অরজিনাল প্রোডাক্ট ?
Care Me Global Care Me — A social commerce platform with purpose, redefining shopping while creating real community impact.
18/08/2021
তরমুজের গুণাগুণ
(১) প্রতি ১০০ গ্রাম পাকা তরমুজে রয়েছে ৯২ থেকে ৯৫ গ্রাম পানি, আঁশ ০.২ গ্রাম, আমিষ ০.৫ গ্রাম, চর্বি ০.২ গ্রাম, ক্যালোরি ১৫ থেকে ১৬ মিলিগ্রাম। এ ছাড়াও তরমুজে ক্যালসিয়াম রয়েছে ১০ মিলিগ্রাম,আয়রন ৭.৯ মিলিগ্রাম, কার্বহাইড্রেট ৩.৫ গ্রাম, খনিজ পদার্থ ০.২ গ্রাম, ফসফরাস ১২ মিলিগ্রাম, নিয়াসিন ০.২ মিলিগ্রাম, ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, ভিটামিন বি ও ভিটামিন বি২।
(২) তরমুজে আছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা শরীরের জন্য খুবই উপকারী। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ তরমুজ খেলে অক্সিডেটিভ স্ট্রেসজনিত অসুস্থতা কমে যায়। এ ছাড়াও নিয়মিত তরমুজ খেলে প্রোস্টেট ক্যান্সার, কোলন ক্যান্সার, ফুসফুসের ক্যান্সার ও স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে যায়।
(৩) তরমুজে আছে ক্যারোটিনয়েড। আর তাই নিয়মিত তরমুজ খেলে চোখ ভালো থাকে এবং চোখের নানা সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। ক্যারটিনয়েড রাতকানা প্রতিরোধেও কার্যকরী ভূমিকা রাখে।
(৪) তরমুজে প্রচুর পরিমাণে পানি আছে। গরমের সময় যখন ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে প্রচুর পরিমাণে পানি বের হয়ে যায় তখন তরমুজ খেলে শরীরের পানিশূন্যতা দূর হয়। ফলে শরীর থাকে সুস্থ ও সতেজ।
(৫) তরমুজে আছে প্রচুর পরিমাণে পানি এবং খুব কম পরিমাণে ক্যালরি। আর তাই তরমুজ খেলে পেট ভরে যায় কিন্তু সে অনুযায়ী তেমন কোনো ক্যালরি শরীরে প্রবেশ করে না। ফলে তরমুজ খেয়ে পেট পুরে ফেললে ওজন বাড়ার সম্ভাবনা কম থাকে।
18/08/2021
◽ #গ্যারান্টি_কার্ড_সহ_পাবেন◽◽
▪️ ▪️ ▪️01765004724 ▪️▪️▪️
◽মাত্র ৪০ দিনে ৩-৬" ল-ম্বা হোন◽
▫️▫️▫️▫️মূল্য ৭০০/=▫️▫️▫️
হা-ড় বিক শিত করে।মিনারেল ও জি-ঙ্ক এর অভাব পূরণ করে।উচ্চ তা বৃদ্ধি করে। ( বয়স ১০-৩৫)
#বিশেষ_অফার দুইটি প্রোডাক্ট একসাথে অর্ডার করলে ডেলিভারি চার্জ ফ্রি
💗💗💗রুচিতা সিরাপ💗💗💗
মাত্র ৩০ দি'নে ভরাট চেহা রার অধিকারী হউন।পুরো শরী-র সমানভাবে বৃ--দ্ধি পাবে। একদম স্থায়ী ভাবে* স্বা*স্থ্য থাকবে
▪️▪️▪️▪️▪️ ৭০০/=▪️▪️▪️▪️
💨💨পার্শ্ব প্রতি ক্রিয়া নেই।
ডাঃ গোলাম মোস্তফা
☎️01765004724
সকাল ৯ টা- রাত ১০ টা
পর্যন্ত প্রতিদিন।
১০০ টাকা ডেলিভারি চার্জ অগ্রিম পাঠাতে হবে।বাকি টাকা প্রোডাক্ট ডেলিভারি নেওয়ার সময় পরিশোধ করতে হবে।
15/08/2021
গাজরকে ইংরেজিতে ক্যারট (Carrot) বলা হয়। গাজরের মধ্যে এমন কিছু উপাদান থাকে যা আপনাকে সুন্দর রাখতে এবং আপনার স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করবে।
আধুনিক বিজ্ঞানে গাজরের উপকারিতার কথা বলেছে। তাই গাজর কে পরিবারের সকলে ব্যবহার করতে শুরু করেছে তাই তহ?
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, গাজর স্বাস্থ্যের জন্য অন্যতম। গাজর অনেক পুষ্টিকর গুণাবলী সমৃদ্ধ। এর মধ্যে ভিটামিন-এ, ভিটামিন-সি, ভিটামিন-কে, এবং ভিটামিন-বি, প্যানটোথেনিক অ্যাসিড, ফোলেট, পটাসিয়াম, আয়রন, প্রচুর পরিমানে ফাইবার এবং বিটা ক্যারোটিন পাওয়া যায় যা স্বাস্থ্যের জন্য চূড়ান্ত উপকারী করে তোলে। আসুন তাহলে জেনে নেই গাজরের পুষ্টিগুণ, উপকারিতা ও অপকারিতা গুলো কি কি:
গাজরের বৈজ্ঞানিক নাম:
ডাকাস ক্যারোটা (Daucus Carota)
গাজরের পুষ্টির পরিমান:
১০০ গ্রাম কাঁচা গাজরে প্রধান পুষ্টি উপাদানের পাওয়া তার দীর্ঘ তালিকাটি নিম্নরূপ:
১) কার্বোহাইড্রেট: ৯ গ্রাম।
২) চিনি: ৬ গ্রাম।
৩) ডায়েটারি ফাইবার: ৩ গ্রাম।
৪) ফ্যাট: ০.২ গ্রাম।
৫) প্রোটিন: ১ গ্রাম।
৬) ক্যালসিয়াম: ৩৩ মিলিগ্রাম।
৭) ম্যাগনেসিয়াম: ১৮ মিলিগ্রাম।
৮) ফসফরাস: ৩৬ মিলিগ্রাম।
৯) পটাসিয়াম: ২৪০ মিলিগ্রাম।
১০) সোডিয়াম: ২.৪ মিলিগ্রাম।
১১) ভিটামিন-বি: ০.০৪ মিলিগ্রাম।
১২) ভিটামিন-বি-২: ২০.০৬ মিলিগ্রাম।
১৩) ভিটামিন-বি-৩: ৩১.২ মিলিগ্রাম।
১৪) ভিটামিন-বি-৪: ৬২.০১ মিলিগ্রাম।
১৫) ভিটামিন-সি: ৭ মিলিগ্রাম।
গাজরের পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা:
নিয়মিত ভিটামিন এ খাচ্ছেন ভুলে যান বাইরের ভিটামিনের কথা। খেয়ে নিন একটি লাল রঙের গাজর। কারণ, একটি গাজর আপনাকে দিতে পারবে অনেক ভিটামিন এছাড়াও নানা উপকার থাকে এতে।
শক্তিশালী খাদ্য উপাদান শুধু ভিটামিন-এ পাওয়া যায় তাই নয়, গাজরে আছে নানাবিধ উপকারী উপাদান যা আপনাকে উপহার দেবে সুন্দর ত্বক থেকে শুরু করে ক্যানসার থেকেও সুরক্ষা। আসুন তাহলে এবার জেনে নেই গাজরের উপকারিতা গুলো:
১) দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে: আগে গাজর না খেয়ে থাকলে এখন থেকে গাজর খাওয়া শুরু করুন। কারণ, গাজরের মধ্যে আছে বেটা ক্যারোটিন যা দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। বিটা ক্যারোটিন যা আমাদের লিভারে গিয়ে ভিটামিন-এ তে বদলে যায় এবং চোখের রেটিনায় গিয়ে পৌঁছে চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।
সেই সাথে রাতের বেলায় অন্ধকারে ভালো দেখার জন্য দরকারি এমন এক ধরনের বেগুনি পিগ্মেট এর সংখ্যা বাড়িয়ে দিয়ে দৃষ্টিশক্তি ভালো র
15/08/2021
একধরনের ক্যাক্টাস প্রজাতির ফল।বিদেশি ফল হলেও ড্রাগন প্রায় সব জায়গাতেই পাওয়া যায়।ড্রাগন ফলের স্বাদ ও পুষ্টিগুণ ঠিক রাখার জন্য সাধারণত এটি কাঁচা অবস্থাতেই খাওয়া হয়।
ড্রাগন ফলের পুষ্টিগুন:
প্রতি ১০০ গ্রাম ড্রাগন ফলের সাদা বা লাল অংশে ২১ মি.গ্রা. ভিটামিন সি পাওয়া যায় যা দৈনিক ভিটামিন সি’র চাহিদার ৩৪ শতাংশ পূরণ করতে সাহায্য করে। ১০০ গ্রাম ড্রাগন ফলে যে পরিমাণ ভিটামিন সি পাওয়া যায় তা একটি কমলার সমান বা তিনটি গাজরের চেয়ে বেশি ভিটামিন সি সরবারহ করতে সক্ষম।
প্রতি ১০০ গ্রাম ড্রাগন ফলে ৩ গ্রাম আঁশ থাকে যা দৈনিক চাহিদার ১২ শতাংশ। ড্রাগন ফলের আঁশ কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিকারক হিসেবে কাজ করে। প্রতি ১০০ গ্রাম ড্রাগন ফলে জলীয় শতাংশ থাকে ৮৭ গ্রাম, প্রোটিন ১.১ গ্রাম, ফ্যাট ০.৪ গ্রাম (বলতে গেলে ফ্যাট নাই) এবং কার্বোহাইড্রেট ১১.০ গ্রাম।
প্রতি ১০০ গ্রাম ড্রাগন ফলে ০.০৪ মি.গ্রা. ভিটামিন বি ১, ০.০৫ মি.গ্রা. ভিটামিন বি ২, ০.০১৬ মি.গ্রা ভিটামিন বি ৩ এবং ২০.০৫ মি.গ্রা. ভিটামিন সি পাওয়া যায়। ড্রাগন ফল আয়রনের ভালো উৎস। ১০০ গ্রাম ড্রাগন ফলে ১.৯ মি.গ্রা. আয়রন থাকে। এছাড়াও এতে ক্যালসিয়াম থাকে ৮.৫ মি.গ্রা. এবং ফসফরাস থাকে ২২.৫ মি.গ্রা.।
ড্রাগন ফলের উপকারিতা:
(১) ভিটামিন সি’র মাত্রা বেশি থাকায় এই ফল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, মানসিক অবসাদ দূর করে এবং ত্বক সুন্দর রাখতে সাহায্য করে
(২) কালো বীজে থাকে ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড যা হজমে সাহায্য করে ফলে কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধের সহায়ক।
(৩)আয়রন থাকার কারনে ড্রাগন ফল খেলে রক্ত শূন্যতা দূর হয়।
(৪)পটাশিয়ামের ভালো উৎস হলো ড্রাগন ফল। এই ফলে প্রচুর পরিমাণে প্রয়োজনীয় খনিজ উপাদান থাকে। বিশেষ করে হাড়ের জন্য প্রয়োজনীয় ক্যালসিয়াম ও পটাশিয়ামের খুব ভালো উৎস হলো ড্রাগন ফল
পেইজে লাইক দিয়ে আমাদের সাথেই থাকুন এবং বেশি বেশি শেয়ার করে অন্যকে দেখার সুযোগ করে দিন ধন্যবাদ আমাদের সাথে থাকার জন্য
15/08/2021
#গুণাগুণ_সম্পাদনা
প্রতি ১০০ গ্রাম খাদ্যযোগ্য জাম্বুরায় রয়েছে খাদ্যশক্তি ৩৮ কিলোক্যালরি। প্রোটিন ০.৫ গ্রাম। স্নেহ ০.৩ গ্রাম। শর্করা ৮.৫ গ্রাম। খাদ্যআঁশ ১ গ্রাম। থায়ামিন ০.০৩৪ মিলি গ্রাম। খনিজ লবণ ০.২০ গ্রাম। রিবোফ্লেভিন ০.০২৭ মিলি গ্রাম। নিয়াসিন ০.২২ মিলি গ্রাম। ভিটামিন বি২ ০.০৪ মিলি গ্রাম। ভিটামিন বি৬ ০.০৩৬ মিলি গ্রাম। ভিটামিন সি ১০৫ মিলি গ্রাম। ক্যারোটিন ১২০ মাইক্রো গ্রাম। আয়রন ০.২ মিলি গ্রাম। ক্যালসিয়াম ৩৭ মিলি গ্রাম। ম্যাগনেসিয়াম ৬ মিলিগ্রাম। ম্যাংগানিজ ০.০১৭ মিলিগ্রাম। ফসফরাস ১৭ মিলিগ্রাম। পটাশিয়াম ২১৬ মিলিগ্রাম। সোডিয়াম ১ মিলিগ্রাম। জাম্বুরা একটি ভিটামিন সমৃদ্ধ ফল। এর পুষ্টিমান অনেক উন্নত।
15/08/2021
দেখতে বাইরের যে আবরণ, সেটা হয়তো খুব বেশি চমকের কিছু না। কিন্তু ভেতরে পৃথিবীর সব ফলের চেয়ে সেই সবচে সুন্দর, এত দ্বিমত থাকার কথা না। ফলের জগতে বৃহৎ আকৃতির ফল তরমুজ। মানবজীবনে এর লাভজনক ভূমিকা রয়েছে প্রচুর। অসহ্য গরমে ঘেমে স্নান হয়ে অফিস থেকে বাড়ি ফেরার পর এক ফালি রসাল তরমুজ হলে মন্দ হয় না। আর সেটা যদি ফ্রিজ থেকে বের করা ঠাণ্ডা তরমুজ হয় তাহলে তো কথাই নেই। অবশ্য বাড়িতে যাওয়ার অপেক্ষা না করে অনেকে তো রাস্তায় দাঁড়িয়েই তরমুজ খেয়ে নেন।
তরমুজের ওজনের প্রায় শতকরা ৯৩ ভাগই পানি। পানির পরিমাণ বেশি হওয়ায় তরমুজ জলশূন্যতা দূর করে, অতিরিক্ত গরমে শরীর থেকে যে জরুরি খনিজ লবণ বের হয়ে যায়, তা পূরণ করে দেয়। এখন তরমুজের মওসুম। বাজারে প্রচুর তরমুজ পাওয়া যাচ্ছে। তরমুজের মনকাড়া রঙ আর রসালো মিষ্টি স্বাদের জন্য ছোট-বড় সবাই তরমুজ খেতে ভালোবাসে। বিশেষ করে গরম যত বাড়ে তরমুজের চাহিদাও তত বাড়তে থাকে।
তরমুজে আছে অনেক পুষ্টিগুণ। আসুন তাহলে দেখে নেই তরমুজে কি কি পুষ্টিগুণ রয়েছে। প্রতি ১০০ গ্রাম পাকা তরমুজে রয়েছে ৯২ থেকে ৯৫ গ্রাম পানি, আঁশ ০.২ গ্রাম, আমিষ ০.৫ গ্রাম, চর্বি ০.২ গ্রাম, ক্যালোরি ১৫ থেকে ১৬ মিলিগ্রাম। এ ছাড়াও তরমুজে ক্যালসিয়াম রয়েছে ১০ মিলিগ্রাম,আয়রন ৭.৯ মিলিগ্রাম, কার্বহাইড্রেট ৩.৫ গ্রাম, খনিজ পদার্থ ০.২ গ্রাম, ফসফরাস ১২ মিলিগ্রাম, নিয়াসিন ০.২ মিলিগ্রাম, ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, ভিটামিন বি ও ভিটামিন বি২। প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে।
তরমুজে আছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা শরীরের জন্য খুবই উপকারী। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ তরমুজ খেলে অক্সিডেটিভ স্ট্রেসজনিত অসুস্থতা কমে যায়। এ ছাড়াও নিয়মিত তরমুজ খেলে প্রোস্টেট ক্যান্সার, কোলন ক্যান্সার, ফুসফুসের ক্যান্সার ও স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে যায়। অতএব গরমে সুযোগ পেলেই তরমুজ খাওয়ার চেষ্টা করবেন।
15/08/2021
#জাদুকরী_ফল_কাঁঠাল
বাজারে নানা গ্রীষ্মকালীন ফলের ইতিমধ্যে আগমন শুরু হয়ে গেলেও এখনো কাঁঠালের দেখা মিলছে না। তবে আর কিছুদিনের মধ্যেই বাজারে কাঁঠাল আসা শুরু হয়ে যাবে। বাংলাদেশ অত্যন্ত জনপ্রিয় ফল কাঁঠাল। শুধু স্বাদে নয়, পুষ্টিতেও ভরপুর এই ফলটি। কাঁঠালের বৈজ্ঞানিক নাম Artocarpus heterophyllus ।এটি একটি ট্রপিক্যাল ফল, অর্থাৎ ট্রপিক্যাল বা উষ্ণ অঞ্চল যেমন বাংলাদেশ, ভারত, মালোয়শিয়া, থাইল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা এইসব দেশে ভালো জন্মায়। বাংলাদেশের জাতীয় ফল হিসেবে পরিচিত ফলটি এই দেশের সব স্থানেই কম-বেশি পাওয়া যায়। চলুন জেনে নেয়া যাক সুস্বাদু, রসালো, পুষ্টিকর এই ফলটির নানাবিধ গুণাগুণ।
মিষ্টি স্বাদের এই ফলটি প্রচুর ভিটামিন সি রয়েছে। আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এই ভিটামিনের জুড়ি নেই। এছাড়াও এতে আরো আছে ভিটামিন এ, থায়ামিন, নিয়াসিন, রিবোফ্ল্যাভিন, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, আয়রন, জিংক, সোডিয়াম, ফলিক এসিড।
এতে আছে পলিনিউট্রিয়েন্ট প্রোপারটিস যেমন অ্যান্টি ক্যান্সার, অ্যান্টি হাইপারটেন্সিভ, অ্যান্টি আলসার ইত্যাদি।
কাঁঠাল আঁশ বা ফাইবারের চমৎকার উৎস। ফাইবার জাতীয় খাবার আমাদের কোষ্টকাঠিন্য থেকে দূরে রাখে এবং ক্যানসার প্রতিরোধে সাহায্য করে।
কাঁঠাল একদিকে যেমন মিনারেল, ফাইবার ও প্রোটিনের উৎস, অন্যদিকে তেমনি ক্ষতিকর ফ্যাট বা চর্বি মুক্ত এবং শরীরের জন্য জন্য ক্ষতিকর কোলেস্টেরলও এতে নেই।
কাঁঠাল অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল এবং অ্যান্টিভাইরাল প্রোপার্টি আছে। তাই কাঁঠাল খেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
কাঁঠালের আরো চমৎকার কিছু গুণ হচ্ছে কাঁঠাল ক্যান্সার প্রতিরোধ করে, অতিরিক্ত ওজন কমাতে সাহায্য করে, উচ্চ রক্তচাপ কমায়, ইন্সোম্নিয়া রোগ দূর করতে সাহায্য করে, হাড়ের গঠন মজবুত করতে সাহায্য করে এবং নার্ভ সিস্টেম বুস্টার হিসেবে কাজ করে।
এতো শত গুণ যে ফলের তাকে জাদুকরী ফল বলাই যায়! আসছে কাঁঠালের ঋতু। বেশি বেশি কাঁঠাল খান এবং সুস্থ থাকুন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Kaptai, Chittagono
Chittagong
