Shefa.com
Our first goal and purpose is human services. And we have bring 100% natural food supplement to market for that purpose. !00 % natural food supplement.
Each supplement is highly effective and qualitative. No side effect , every one can take it.
29/04/2020
'মরিচ'- Chilli.
✅মরিচ বা লংকা এক প্রকারের ফল যা মসলা হিসাবে ঝাল স্বাদের জন্য রান্নায় ব্যবহার করা হয়। ক্যাপসিকাম (Capsicum) গণের সোলানেসি (Solaneceae) পরিবারের উদ্ভিদের ফলকে সাধারণভাবে মরিচ বলা হয়ে থাকে। মরিচের ফলকে মসলা হিসাবে ব্যবহার করা হয়।
মরিচের আদি নিবাস আমেরিকা মহাদেশে। তবে বর্তমানে পৃথিবীর সর্বত্র রান্না ও ঔষধি হিসাবে এটি ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
✅ফলটির নাম 'লংকা' বা 'লঙ্কা' হওয়ার কারণ সম্ভবত শ্রীলঙ্কা থেকে আমদানি হবার কারণে।
✅ মরিচের বহুল প্রচলিত প্রজাতি গুলো হলোঃ
Capsicum annuum, which includes many common varieties such as bell peppers, paprika, cayenne, jalapeños, and the chiltepin
Capsicum frutescens, যার মধ্যে টাবাস্কো জাতের মরিচ রয়েছে।
Capsicum chinense, এর মধ্যে রয়েছে সবচেয়ে ঝাল মরিচ, যেমন নাগা মরিচ (বাংলাদেশ ও পূর্বভারতে চাষ হয়), habanero, Datil ও Scotch bonnet
Capsicum pubescens, দক্ষিণ আমেরিকার rocoto মরিচ
Capsicum baccatum
29/04/2020
#কাঁচা__মরিচের_অসাধারন_স্বাস্থ্য__উপকারিতা
◾কাঁচা মরিচ স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। মরিচকে ঝাল বানায় এর বিশেষ উপাদান ক্যাপসাইকিন। কাঁচা মরিচের ঝালের কারণে অনেকেই একে কাঁচা খেতে সাহস পায় না। তাই সবার মনেই প্রশ্ন জাগে, কাঁচা মরিচ কাঁচা খাওয়া ভালো, নাকি রান্নার সাথে খাওয়া ভালো। এর উত্তর হলো, কাঁচা মরিচ কাঁচা খাওয়া ভালো। ৩৭০ ডিগ্রি তাপমাত্রার বেশি তাপমাত্রায় কাঁচা মরিচ সেদ্ধ করলে কিংবা ভেজে খেলে, তাতে থাকা বিদ্যমান ভিটামিন সি নষ্ট হয়ে যায়। তাই এর আসল উপকারিতা পেতে প্রতিদিন খাবারের সঙ্গে কাঁচা মরিচ কাঁচা খেতে অভ্যাস করুন।
◾আপনি যদি প্রতিদিন একটি কাঁচা মরিচ খান, তাহলে আপেল খেতে হবে না। আর যাদের প্রতিদিন ভাতের সাথে একটি কাঁচা মরিচ না খেলে চলেই না তাদের জন্য সুখবর হচ্ছে কাঁচা মরিচ স্বাস্থ্যের জন্য অনেক কার্যকারী উপাদান। কাঁচা মরিচ সাধারণত কাঁচা, রান্না কিংবা বিভিন্ন ভাজিতে দিয়ে খাওয়া হয়। এতে আছে ভিটামিন এ, সি, বি-৬, আয়রন, পটাশিয়াম এবং খুবই সামান্য পরিমাণে প্রোটিন ও কার্বোহাইড্রেট। ঝাল স্বাদের সব্জিগুলোতে থাকে বিটা ক্যারোটিন ও আলফা ক্যারোটিন, বিটা ক্রিপ্টোক্সানথিন ও লুটেইন জিয়াক্সানথিন ইত্যাদি উপাদান। এই উপাদানগুলো মুখে লালা আনে, ফলে খেতে মজা লাগে। এছাড়াও এগুলো ত্বক ও স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। দেখে নিন কাঁচা মরিচের স্বাস্থ্য উপকারিতাগুলো।
✅✅কাঁচা মরিচের বিস্ময়কর ১০টি স্বাস্থ্য উপকারিতা
১। কাঁচা মরিচ মেটাবলিজম বাড়িয়ে ক্যালরি পোড়াতে সহায়তা করে। ফলে নিয়মিত কাঁচা মরিচ খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।
২। চর্বি জাতীয় খাবারের সঙ্গে কাঁচা মরিচ খেলে মোটা হওয়ার কোনো ভয় থাকে না। কারণ কাঁচা মরিচ খাদ্যের সঙ্গে থাকা চর্বিকে ধ্বংস করে । ফলে মেদ কম রাখা সম্ভাব। এছাড়াও কাঁচা মরিচ রক্তের কোলেস্টেরল কমায়।
৩। ত্বক ও চুল ভালো রাখতে কাঁচা মরিচে বিদ্যমান অ্যান্টি- অক্সিডেন্ট দারুণ উপকারী। তাছাড়াও রক্তনালী আর তরুণাস্থি গঠনে সাহায্য করে।
৪। এতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট বিটা ক্যারোটিন আছে, যা কার্ডোভাস্ক্যুলার সিস্টেম কে কর্মক্ষম রাখে।
৫। কাঁচা মরিচে অবস্থিত ক্যাপসাইসিন খাদ্যে থাকা উচ্চমাত্রার চর্বি শুষে নিয়ে শরীরে মেদ রোধ করতে সাহায্য করে।
৬। প্রতিদিন একটি করে কাঁচা মরিচ খেলে রক্ত জমাট বাঁধার ঝুঁকি কমে যায়। আর হৃদপিন্ডের বিভিন্ন সমস্যা কমে যায়।
৭। গ্রীষ্ম কালে মসলা জাতীয় খাবারের সাথে কাঁচা মরিচ খেলে তা ঘামের সাথে বেরিয়ে যায়, ফলে শরীর ঠান্ডা থাকে।
৮। কাঁচা মরিচের অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ও ভিটামিন সি শরীরকে জ্বর, সর্দি, কাশি ইত্যাদি থেকে রক্ষা করে। ও যে কোনো ধরণের কাটা-ছেঁড়া কিংবা ঘা শুকানোর জন্য খুবই উপকারী
৯। নিয়মিত কাঁচা মরিচ খেলে নার্ভের বিভিন্ন সমস্যাও কমে যায়। প্রতিদিন খাবার তালিকায় অন্তত একটি করে কাঁচা মরিচ রাখলে ত্বকে সহজে বলিরেখা পড়ে না।
১০। এতে আছে ভিটামিন এ, যা হাড়, দাঁত ও মিউকাস মেমব্রেনকে ভালো রাখতে সহায়তা করে। এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি আছে যা মাড়ি ও চুলের সুরক্ষা করে।
✅✅বিভিন্ন কাঁচা মরিচের গুণাবলী
◾দুনিয়াতে সম্ভবত মরিচই এক মাত্র ফল, যা কামড়ালে পাল্টা কামড় দেয়। এই পাল্টা কামড়ের প্রতিক্রিয়া মরিচের জাতভেদে নানা ধরনের হতে পারে। কোনোটা কামড় দেয়ার সাথে সাথে মুখের ভিতর জ্বালা শুরু হয়, কোনোটা গলাধঃকরণ না করা পর্যন্ত টের পাওয়া যায় না, কোনোটা জিহ্বার আগায় জ্বালা ধরিয়ে দেয়, কোনোটা আবার সমস্ত মুখগহবরে আগুন ধরিয়ে দেয়। বিশ্বে প্রায় ২০ থেকে ২৭টি জাতের মরিচ আছে। রং, আকার, আকৃতিতে ও ঝালের মাত্রায় সবগুলোই ভিন্ন ধরনের। বিভিন্ন তরকারিতে মরিচ মসলা হিসেবে ব্যবহার করা হয়। তরকারির স্বাদ বাড়ানোর জন্য মরিচ ব্যবহার করা হয়। আমাদের দেশে সাধারণত মরিচ ছাড়া কোনো তরকারি রান্না করা চিন্তা করা হয় না। মরিচ সালাদে ব্যবহার করা হয়। এছাড়া খাবারের স্বাদ বাড়ানোর জন্য মরিচের সসের অনেক চাহিদা রয়েছে।
◾বিভিন্ন প্রকার রান্নার জন্য মরিচ একটি অপরিহার্য উপাদান। মরিচকে অর্থকরী ফসল বলা হয়। বাংলাদেশের প্রায় সব অঞ্চলে মরিচের চাষ করা হয়। তবে চরাঞ্চলে মরিচের উৎপাদন বেশি হয়। আমাদের দেশের অনেক জায়গায় এখন ব্যবসায়িক ভিত্তিতে মরিচ চাষ ও বাজারজাত করা হচ্ছে। একজন বেকার নারী বা পুরুষ নিজের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার জন্য নিজের জমিতে অথবা বর্গা নেওয়া জমিতে মরিচ চাষ করে ব্যবসা শুরু করতে পারেন। বাংলাদেশে অসংখ্য জাতের মরিচ চাষ হয়। যেমন : ধানি মরিচ, লাল মরিচ, কামরাঙ্গা মরিচ, সিমলা মরিচ, উল্টা মরিচ, বেলুন মরিচ, লঙ্কা মরিচ, বোম্বাই মরিচ ইত্যাদি। ব্যবহারিক দিক থেকে মরিচকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। ঝাল মরিচ ও ঝালবিহীন মরিচ (ক্যাপসিকাম)।
🔸ঝাল মরিচ : মূলত কাঁচা মরিচ বা নাগা মরিচ, যা কম-বেশি ঝালযুক্ত তা রান্নায় ব্যবহার করা হয়। একই সাথে শুকনা মরিচ যা দেখতে লম্বাটে ধরণের তাও ব্যবহার করা হয়। শুকনা মরিচ গুঁড়ো অথবা শিল-পাটায় বেটে রান্না করা হয়। মরিচের সস ব্যাপক হারে বিপণন করা হয়।
🔸ঝালবিহীন মরিচ (ক্যাপসিকাম) : উপমহাদেশে এ ধরণের মরিচকে সিমলা মরিচ বলা হয়। এ মরিচ সাধারণত আকারে বড় এবং পুরু। এ মরিচকে সবজি হিসেবে ব্যবহার করা হয় এবং সালাদেও ব্যবহার করা হয়। বর্তমানে বাংলাদেশে এ মরিচ বিদেশ থেকে আমদানি করা হয় এবং এটি একটি উচ্চমূল্য সম্পন্ন শস্য। শুধুমাত্র কাঁচা মরিচ ও লাল মরিচেই রয়েছে অন্যান্য যে কোন খাবারের চেয়ে বেশি ভিটামিন সি। পানিতে দ্রবণীয় এই ভিটামিনটি স্যুপ, কারি ও সস-এর মধ্যে ব্যবহৃত হয়। অনেকে আবার সালাদ তৈরিতেও কাঁচা মরিচ ব্যবহার করেন।
◾শুধু একটি মাত্র কাঁচা মরিচে থাকে ১০৯ দশমিক ১৩ মিলিগ্রাম (১৮২%) ভিটামিন সি। একই ভাবে লাল মরিচে প্রতিটিতে থাকে ৬৫ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি (১০৮%)। প্রতি ১০০ গ্রাম সার্ভিং পরিমাণের মধ্যে থাকে ৪০ খাদ্যশক্তি। চর্বি, কোলেস্টেরল সোডিয়ামের পরিমাণ থাকে শূন্য শতাংশ। শর্করা ৩%, খাদ্য অাঁশ ৬%, ভিটামিন এ ২৪%, ভিটামিন সি ৪০৪%, ক্যালসিয়াম ২%, আয়রণ ৭%, ভিটামিন ই ৩%, ভিটামিন কে ১৮%, থায়ামিন ৬%, রায়বোফ্লভিন ৫%, নিয়াসিন ৫%, প্যান্টোথেনিক এসিড ৫%, ভিটামিন বি-৬ ১৪%, ফলিক এসিড ৬%, পটাশিয়াম ১০% এবং মাঙ্গানিজ ১২% ইত্যাদি।
◾তাই প্রতিদিন আপনার খাদ্য তালিকায় অন্তত ১টি কাঁচা বা লাল মরিচ রাখুন এবং শরীরের জন্য অতি প্রয়োজনীয় অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ এই ভিটামিনটির অভাব পূরণ করুন। আঙ্গুর, নাশপাতি, আপেলের মত বিদেশী ফল অপেক্ষা একটা ছোট্ট কাঁচা মরিচ হতে পারে আপনার সুস্বাস্থ্যের সঙ্গী। আর একটি মিডিয়াম আপেলের ২ থেকে আড়াই ইঞ্চি পরিমাণ টুকরায় থাকে মাত্র ৮ মিলিগ্রাম পরিমাণ ভিটামিন সি। অবশ্য আপেলের অন্যান্য গুণাগুণ বেশি।
✅✅কাঁচা মরিচের স্বাস্থ্য উপকারিতা
◾গরম কালে কাঁচা মরিচ খেলে ঘামের মাধ্যমে শরীর ঠান্ডা থাকে। প্রতিদিন একটি করে কাঁচা মরিচ খেলে রক্ত জমাট বাঁধার ঝুঁকি কমে যায়। নিয়মিত কাঁচা মরিচ খেলে হৃদপিন্ডের বিভিন্ন সমস্যা কমে যায়।
◾কাঁচা মরিচ মেটাবলিজম বাড়িয়ে ক্যালরি পোড়াতে সহায়তা করে। কাঁচা মরিচে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি বিটা ক্যারোটিন আছে যা কার্ডোভাস্ক্যুলার সিস্টেমকে কর্মক্ষম রাখে। নিয়মিত কাঁচা মরিচ খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। কাঁচা মরিচ রক্তের কোলেস্টেরল কমায়। কাঁচা মরিচে আছে ভিটামিন এ, যা হাড়, দাঁত ও মিউকাস মেমব্রেনকে ভালো রাখতে সহায়তা করে। কাঁচা মরিচে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি আছে যা মাড়ি ও চুলের সুরক্ষা করে।
◾নিয়মিত কাঁচা মরিচ খেলে নার্ভের বিভিন্ন সমস্যা কমে। প্রতিদিন খাবার তালিকায় অন্তত একটি করে কাঁচা মরিচ রাখলে ত্বকে সহজে বলিরেখা পড়ে না। কাঁচা মরিচে আছে ভিটামিন সি। তাই যে কোনো ধরণের কাটা-ছেঁড়া কিংবা ঘা শুকানোর জন্য কাঁচা মরিচ খুবই উপকারী। কাঁচা মরিচের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিন সি শরীরকে জ্বর, সর্দি, কাশি ইত্যাদি থেকে রক্ষা করে।
🔴🔴 কাচা মরিচের অপকারিতা
◾কাঁচা মরিচে ক্ষতিকারক তেমন কোনো উপাদান নেই বললেই চলে..কাঁচা মরিছে আছে ভিটামিন এ,সি ,পটাসিয়াম এবং কিছুটা আয়রন।
◾একটা প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের জন্য দৈনিক ৪,৭০০ মিলিগ্রামস পটাসিয়াম দরকার হয় যার ২৫৫ মিলিগ্রাম যোগান দেয় হাফ কাপ কাঁচা মরিচ থেকে।
◾এছাড়াও রয়েছে-১৮১.৯ মিলিগ্রামস ভিটামিন সি(১//২ কাপ)। আরো ১/২ কাপ কাঁচা মরিচ থেকে আমাদের দেহে যোগান দিচ্ছে ১.৫ গ্রামস প্রোটিন,০.১৫ গ্রামস ফ্যাট,৭.১ গ্রামস কার্বহাইদ্রেট এবং ১.১ গ্রামস ফাইবার।
◾তারপর যেমন ভিটামিন এ-যা আমাদের চুল ,শরীরের চামড়া এবং চোখে জন্য অনেক বেশী উপকার। এছাড়াও আরো অনেক উপকারিতা আছে। সুতরাং কাঁচা মরিচ খেলে আশা করি ক্ষতি হবে না।
◾তবে যদি পেট ব্যথা এবং গ্যাস্ট্রিক থাকলে কম খাওয়া ভালো। কারণ অতিরিক্ত ঝাল কিন্তূ surface এ কিছুটা আলসার এর প্রবণতা দেখা দিতে পারে।
29/04/2020
#কাঁচা_মরিচে_কি_কি__ভিটামিন_ও_মিনারেল__আছে?
প্রতিদিন তো তরকারি কিংবা সালাদের সঙ্গে কাঁচা মরিচ খাচ্ছেন কিন্তু আপনি জানেন কি কাঁচা মরিচে কি কি ভিটামিন ও মিনারেল আছে? জানলে তো খুবই ভাল, আপনি একজন স্বাস্থ্য সচেতন মানুষ। আর না জানলেও কোন সমস্যা নেই, আজ জানবেন।
✅কাঁচা মরিচে যে-সব ভিটামিন ও মিনারেল আছে
আমাদের শরীরের জন্যে প্রয়োজনীয় অনেকগুলো ভিটামিন এবং মিনারেল রয়েছে কাঁচা মরিচে। সেগুলো হল-
ভিটামিন এ
ভিটামিন সি
ভিটামিন কে
ভিটামিন বি৬
প্রোটিন
পটাশিয়াম
আয়রন
কার্বোহাইড্রেট
⚫ ভিটামিন এ: আধা কাপ পরিমাণ কুচি কাঁচা মরিচে প্রায় ৮০০ ইউটিনেটের বেশি ভিটামিন এ রয়েছে। তার মানে আমাদের শরীরের জন্যে প্রতিদিন যতটুকু ভিটামিন এ এর প্রয়োজন তার প্রায় ৩০ ভাগই পূরণ করা সম্ভব আধা কাপ পরিমাণ কাঁচা মরিচ থেকে।
⚫ ভিটামিন সি: আধা কাপ কাঁচা মরিচে রয়েছে ১৮১.৯ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি যা একজন প্রাপ্ত বয়স্ক নারী/ পুরুষের দৈনন্দিন চাহিদার শত ভাগ। অর্থাৎ, শরীরের জন্যে প্রয়োজনীয় কোলাজেন সংশ্লেষ করতে, ত্বকে প্রাপ্ত আঘাতের ক্ষত সারাতে কিংবা হাড়ের ডেভেলপমেন্টের জন্যে আমাদের যতটুকু অ্যাসকরবিক অ্যাসিডের প্রয়োজন তার পুরোটাই সাপ্লাই দিতে পারে আধা কাপ কাঁচা মরিচ।
⚫ ভিটামিন কে: প্রতি আধা কাপ সমপরিমাণ কাঁচা মরিচে ১০.৭ মিলিগ্রাম ভিটামিন কে রয়েছে যা আমাদের শরীরের রক্তকে ঘন করতে সাহায্য করে। দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় ভিটামিন কে এর চাহিদার ৮.৯ পার্সেন্ট পূরণ করতে পারে হাফ কাপ কাঁচা মরিচ।
⚫ ভিটামিন বি৬: বিভিন্ন ধরণের কাঁচা মরিচ আছে আর তাদের ধরণ অনুযায়ী প্রতি ১০০ গ্রাম কাঁচা মরিচে ০.৫০৬ মিলিগ্রাম থেকে শুরু ০.১২ মিলিগ্রাম পর্যন্ত ভিটামিন বি৬ থাকে। তবে, সাধারণত ১০০ গ্রাম সবুজ ও ঝাল কাঁচা মরিচে ২৫% আরডিও পর্যন্ত ভিটামিন বি৬ পাওয়া যায়। আর আমরা জানি যে, ভিটামিন বি৬ ব্রেনকে ভাল রাখে, মনকে সতেজ করে, হিমোগ্লোবিনের অভাবজণিত অ্যামোনিয়া থেকে রক্ষা করে।
⚫ প্রোটিন: প্রতি ১০০ গ্রাম কাঁচা মরিচে ১.৯ মিলিগ্রাম প্রোটিন আছে বলে জানিয়েছেন খাদ্য বিশারদরা। আর শরীরের জন্যে প্রোটিনের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে আমাদেরকে বলার দরকার নেই, কারণ আমরা সবাই সেটা জানি।
⚫ পটাশিয়াম: ১০০ গ্রাম পরিমাণ কাঁচা মরিচে পটাশিয়াম রয়েছে ৩২২ গ্রাম। নিশ্চয়ই বলার প্রয়োজন নেই যে আমাদের দৈনিক প্রয়োজনীয় পটাশিয়ামের প্রায় সবটাই কাঁচা মরিচ থেকে পাওয়া সম্ভব।
⚫ আয়রন: আয়রনের অভাবে কি হয় আর এর প্রয়োজনীয়তা কতটুকু তা মোটামুটি সবারই জানা। তবে, সবাই নিশ্চয়ই এটা জানেন না যে প্রতি ১০০ গ্রাম সবুজ কাঁচা মরিচে ১.২ মিলিগ্রাম আয়রন পাওয়া যায়।
⚫ কার্বোহাইড্রেট: কাঁচা মরিচে কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ মাথা ঘুরিয়ে দেয়ার মতো। ১০০ গ্রাম মরিচে ৯ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট রয়েছে যা শরীরের প্রয়োজনীয়তার তুলনায় বেশি। তবে, আমরা নিশ্চয়ই প্রতিদিন ১০০ গ্রাম কাঁচা মরিচ খাই না। সুতরাং, ভয়ের কিছু নেই, যতটুকু খাই ততটুকুই আমাদের প্রয়োজন।
যাইহোক, কাঁচা মরিচে কি কি ভিটামিন আর মিনারেল ও পুষ্টি রয়েছে তা আমাদের জানা হলো। তরকারির সঙ্গে তো আমরা কাঁচা মরিচ খাই-ই।
এখন থেকে প্রতিদিন ২/১ কাঁচা মরিচ চাবিয়েই খেয়ে ফেলবো, কি বলেন?
29/04/2020
#ঝাল__খাওয়া__কি__খারাপ?
✅হৃদ্রোগীদের সাধারণভাবে বলা হয় ঝাল মসলাযুক্ত খাবার কম খেতে। আসলেই কি মসলা বা ঝাল তাদের জন্য খারাপ? তেল–চর্বিযুক্ত খাবার বা রিচ ফুড খারাপ তো বটেই। কেননা, এগুলো রক্তে কোলেস্টেরল বাড়ায়, যা রক্তনালিতে ব্লক বা বাধা তৈরি করে। কিন্তু ঝাল তো আর চর্বি বা তেল নয়। ২০১৫ সালে হার্ভার্ড, অক্সফোর্ড ও পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক একটি গবেষণায় দেখান যে যাঁরা মোটেও ঝাল খান না, তাঁদের তুলনায় যাঁরা প্রতিদিন বা সপ্তাহে অন্তত দুই দিন ঝাল খান, তাঁদের হৃদ্রোগ, ফুসফুস ও ক্যানসারজনিত রোগে মৃত্যুহার কম।
ঝালের মূল উপাদান হলো ক্যাপসেইসিন। এর নানামুখী উপকারিতা আছে। যেমন-
◾এক. এটি পরিপাকতন্ত্রে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া সরিয়ে উপকারী ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা বাড়ায়, যা ওজন নিয়ন্ত্রণে ও বিপাকক্রিয়ায় সাহায্য করে।
◾দুই. ডায়াবেটিসের রোগীদের রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে ক্যাপসেইসিনের ভূমিকা আছে। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণেও ভালো।
◾তিন. ক্যাপসেইসিন একধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও রক্তনালিতে চর্বি জমতে বাধা দেয়।
◾চার. হৃৎপিণ্ড ও রক্তনালির স্নায়ুগুলো ক্যাপসেইসিনে সংবেদনশীল। এই স্নায়ুগুলোর সুস্থতায় ভূমিকা রাখে এই উপাদান।
⚫ কী ধরনের ঝাল ভালো?
শুকনো বা গুঁড়া মরিচের তুলনায় কাঁচা মরিচে ক্যাপসেইসিনের পরিমাণ বেশি। কাঁচা মরিচে ভিটামিন সি অনেক। তাই রান্নায় বা সালাদে কাঁচা মরিচ থাকলে ভালো। আবার দেখা গেছে, সবুজ কাঁচা মরিচের চেয়ে লাল রঙের তাজা কাঁচা মরিচ আরও ভালো। এই গুণ পাওয়া যাবে ক্যাপসিকামেও।
তাই ঝাল মানেই খারাপ, এ ধারণা ভুল। তেলবিহীন বা ভাজাপোড়া ছাড়া খাবার যেমন চটপটি, কাঁচা ছোলা, সালাদ, ফল ইত্যাদিতে কাঁচা মরিচের টুকরা দিয়ে খাওয়া হৃদ্রোগীদের জন্য বেশ ভালো একটি নাশতা।
ডা. শরদিন্দু শেখর রায়
হৃদ্রোগ বিশেষজ্ঞ, জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল।
22/04/2020
লেবু-Lemon
⚫ লেবু হল সাইট্রাস লিমন (Citrus limon) সাধারণ নাম। বংশবৃদ্ধিকারী টিস্যু আবৃতবীজী লেবুর বীজকে ঘিরে রাখে। লেবু রান্না করে বা রান্না না করে - উভয়ভাবেই খাওয়া হয়। ফলের কদর মূলত রসের জন্যেই , যদিও এর শাঁস ও খোসাও ব্যবহৃত হয়, প্রধানত রান্না ও বেকারির কাজে। লেবুর রসে প্রায় ৫ শতাংশ (প্রতি লিটারে ০.৩ মোলের কাছাকাছি) সাইট্রিক এসিড থাকে যার কারণে এর স্বাদ টক হয় এবং pH ২-৩ হয়।
⚫ লেবুর উৎপত্তি অজানা, যদিও লেবুগুলি প্রথম আসামে (উত্তর-পূর্ব ভারতের একটি অঞ্চল), উত্তর বার্মা বা চীনে জন্মেছিল বলে ধারণা করা হয়। লেবুর জিনোমিক গবেষণায় ইঙ্গিত দেওয়া হয় যে এটি তিক্ত কমলা (টক কমলা) এবং সিট্রনের মধ্যে একটি সংকর।
⚫ বাংলাদেশে প্রায় ৪ হাজার হেক্টর জমিতে লেবুর চাষ হয় এবং মোট উৎপাদন প্রায় ১২ হাজার টন। হেক্টরপ্রতি ফলন ২.৫ থেকে ৩ টন। দেশের সর্বত্র চাষ হলেও এ ফলটি সিলেট, পার্বত্য চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, শ্রীমঙ্গল ও মৌলভীবাজারে বেশি জন্মে।
⚫ শ্রীমঙ্গলে উন্নতমানের কাগজি, এলাচি ও বীজবিহীন লেবু উৎপন্ন হয় এবং প্রতি বছর প্রায় ৬০ কোটি টাকার লেবু শ্রীমঙ্গল থেকে যুক্তরাজ্যে রফতানি হয়। শ্রীমঙ্গল ছাড়াও নরসিংদী জেলার রায়পুরা এবং দক্ষিণ চট্টগ্রাম থেকে উন্নতমানের লেবু দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে রফতানি করা হয়।
⚫ লেবুর জাত : বাংলাদেশে অনেক জাতের লেবু পাওয়া যায়। তার মধ্যে বারি লেবু-১, বারি লেবু-২ ও বারি লেবু-৩ উল্লেখযোগ্য।
⚫ বারি লেবু-১ : জাতটি বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সংগৃহীত ৩০টি জাতের মধ্য থেকে বাছাই করা হয়েছে। এ জাতের লেবুতে এলাচ মশলার মতো গন্ধ থাকে বিধায় একে এলাচি লেবু নামেও ডাকা হয়। সারাদেশে চাষবাদের জন্য এ জাতটিকে ১৯৯৬ সালে অনুমোদন দেয়া হয়। এ জাতের গাছে সময় মতো সার ও সেচ দিলে বছরে দু’বার ফল দেয়। একটি গাছে ১০০ থেকে ১৫০টি ফল ধরে। প্রতিটি ফলের ওজন ২৫০ থেকে ২৭০ গ্রাম। লেবুর এ জাতটি দেশের সর্বত্র চাষযোগ্য। তবে পাহাড়ি বৃষ্টিবহুল এলাকায় বেশি ফলন হয়।
⚫ বারি লেবু-২ : বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা থেকে জার্মপ্লাজম সংগ্রহ করে জাত মূল্যায়নের মাধ্যমে বারি লেবু-২ জাতটি উদ্ভাবন করা হয়। ১৯৯৭ সালে জাতটি সারা দেশে চাষের জন্য অবমুক্ত করা হয়। এ জাতটিতে নিয়মিত ফল ধরে। ফল গোলাকার। প্রতিটি ফলের ওজন ৭৫ থেকে ৮৫ গ্রাম। ফলটি মাঝারি টক ও রসের পরিমাণ খুব বেশি। প্রতিটি গাছে ১৮০ থেকে ১৯০টি ফল ধরে।
⚫ বারি লেবু-৩ : বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা থেকে সংগৃহীত লেবুর জার্মপ্লাজম মূল্যায়নের মাধ্যমে বাছাইকৃত জাত বারি লেবু-৩ নামে ১৯৯৭ সালে অনুমোদন করা হয়। এ জাতের লেবু গাছের পাতা ছোট আকৃতির ও সবুজ। নিয়মিত ফল ধরে। ফল গোলাকর। ফলের গড় ওজন ৫০-৬০ গ্রাম। হালকা টক, রসের পরিমাণ খুব বেশি। সাত/আট বছর বয়স্ক গাছে ২০০ থেকে ২২০টি ফল ধরে। বারি লেবু-৩ জাতটি বাংলাদেশের সর্বত্র চাষের জন্য উপযোগী।
22/04/2020
#লেবুর__গুণাবলী_ও__ব্যবহার
◾লেবুর অনেক গুণ। লেবুর শরবত একটি আদর্শ স্বাস্থ্যসম্মত পানীয়। মাত্র একটি মাঝারি আকৃতির লেবু থেকে চল্লিশ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি বা এসকরবিক এসিড পাওয়া যা একজন মানুষের দৈনিক চাহিদা পূরণের জন্য যথেষ্ট। ভিটামিন ‘সি’ দেহের রোগ প্রতিরোধকারী কোষগুলোর কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়।
◾শরীরের কোনো অংশ কেটে গেলে বা ক্ষত হলে দ্রুতগতিতে কোলাজেন কোষ উপাদান তৈরি করে ক্ষত নিরাময়েও সাহায্য করে এই ভিটামিন ‘সি’। লেবুতে পর্যাপ্ত পরিমাণ সাইট্রিক এসিড বিদ্যমান যা ক্যালসিয়াম নির্গমন হ্রাস করে পাথুরী রোগ প্রতিহত করতে পারে।
◾লেবুর খোসার ভেতরের অংশে () ‘রুটিন’ নামের বিশেষ ফ্ল্যাভানয়েড উপাদান আছে যা শিরা এবং রক্তজালিকার প্রাচীরকে যথেষ্ট শক্তিশালী এবং সুরক্ষা দেয়। ফলে স্বভাবতই হৃদরোগের ঝুঁকিও কমে। লেবুর অন্যান্য ব্যবহারও কম নয়।
◾রান্নায় বা আহারে লেবুর ব্যবহার বিজ্ঞানসম্মতভাবেই স্বাস্থ্যপ্রদ। ত্বক বা রূপচর্চায় লেবুর ব্যবহার ঐতিহ্যগত ভাবেই সুপ্রচলিত। বয়সজনিত মুখের স্পট বা দাগ সারাতে লেবুর রস যথেষ্ট কার্যকরী। লেবুর রস ব্যবহারে মুখের ব্রণও দ্রুত সারে।
◾বাজারের ভেজাল মিশ্রিত পানীয় না খেয়ে টাটকা লেবুর রসের সাথে সামান্য চিনি বা মধু মিশিয়ে লেমোনেড তৈরি করা হয় যা একই সাথে তৃষ্ণা মেটায়।
22/04/2020
#প্রতিদিন__লেবু__খাওয়ার__উপকারিতা...!!
লেবুতে রয়েছে বিভিন্ন পুষ্টি উপাদানের সমারোহ যা শরীরকে বিভিন্ন ক্যান্সারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সাহায্য করে
আমরা প্রাত্যহিক জীবনে লেবু, সকলেই কম বেশি খেয়ে থাকি। সাধারণত খাবারের স্বাদ বাড়ানোর ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করা হয় । আবার অনেকে এটির আচার তৈরি করেও খেয়ে থাকেন। লেবু আকারে ছোট ফল হলেও এর উপকারিতা প্রচুর আর পুষ্টিগুণেও ভরপুর।
আসুন জেনে নিন লেবুর অসাধারণ কিছু উপকারিতা-
🔳 লেবুতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, যা এন্টিসেপটিক ও ঠাণ্ডা লাগা প্রতিরোধ করে।
🔳 সামান্য গরম পানিতে একটু লেবুর রস, কি যে উপকারি!!! পরিপাক প্রক্রিয়াকে কার্যকর করে আর লিভারকে রাখে সতেজ। গ্যাস্ট্রিক সমস্যায় কার্যকর।
🔳 লেবুর খোসা শুকিয়ে গুড়ো করে রাখতে পারেন। আর ব্যবহার করতে পারেন গোসল করার সময়। শরীরকে করবে ঠাণ্ডা , আর আরাম অনুভব করবেন ব্যাপক। এছাড়া এ গুড়ো মাথাব্যথা দূর করবে।
🔳 ব্রণে লেবুর রস দিলে ব্রণ দূরীভূত হবে আর নতুন ব্রণ উঠতে বাধা প্রধান করবে।
🔳. লেবু হচ্ছে প্রাকৃতিক ত্বক পরিষ্কারকারি । এটি ত্বক কালো হওয়ার জন্যে দায়ী মেলানিন কমায় এবং মেলানিন উৎপাদনে ব্যাঘাত ঘটায়। তাই আপনার ত্বক থাকবে সজীব আর উজ্জ্বল।
🔳 লেবুর ভিটামিন সি ক্যান্সারের সেল গঠন প্রতিরোধ করে।
🔳 লেবু বুক জ্বালা প্রতিরোধ করতে ও আলসার সারাতে সাহায্য করে।
🔳 লেবু শরীরের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াগুলোকে ধ্বংস করে।
🔳. লেবু হজমে সহায়ক ও হজমের সমস্যা দূর করে।
🔳. কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
🔳. শরীরের ভেতরের টক্সিন দূর করে, অন্ত্রনালী, লিভার ও পুরো শরীরকে পরিষ্কার রাখে।
🔳. পেট ফোলাজনিত সমস্যা কমায়।
🔳. রক্ত পরিশোধন করে।
🔳. ঠাণ্ডা লাগলে জ্বর, গলাব্যথায় ভালো ওষুধ হিসেবে কাজ করে।
🔳. শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি হলে ভালো কাজ করে।
🔳. শ্বাসনালীর ও গলার ইনফেকশন সারাতে সাহায্য করে।
🔳. লেবু স্ট্রোক, হৃদরোগ, ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।
🔳. এটি রক্তচাপ ( ব্লাড পেসার) কমায় আর রক্তে এইচ ডি এল ( ভালো কলেস্তরল) বাড়ায়।
🔳. লেবু কোলন, প্রোস্টেট এবং ব্রেস্ট ক্যান্সার প্রতিরোধে ব্যাপক ভুমিকা পালন করে। কোষের উল্টাপাল্টা পরিপাকে বাধা দেয়, যেটি মূলত ক্যান্সার এর জন্যে দায়ী। এটি কোষের নাইট্রোসো এমিন প্রস্তুতিতে বাধা দেয়।
🔳. সংক্রমনের বিরুদ্ধে লেবু কার্যকর ভুমিকা পালন করে। এটি রক্তের শ্বেতকনিকা বৃদ্ধি করে যা জীবাণু ধ্বংস করে। এছাড়া এন্টিবডি উৎপাদনে সহায়তা করে।
🔳. লেবু আর্থাইটিসের রোগীদের জন্য ভালো ।
🔳. গলার খুশখুশ নির্মল করতে ১/৮ গ্লাস হাল্কা গরম পানিতে ১ চামচ লেবুর রস মিশিয়ে গরগরা করলে গলার ভেতরের ব্যাকটেরিয়া মরে যাবে। অথবা গরম চা-তে ১ টেবিল চামচ করে মধু আর লেবুর রস মিশিয়ে খেলে কাজে দিবে।
🔳. দাঁত সাদা করে তুলতে ১ চামচ লেবুর রসের সাথে ১ চামচ বেকিং সোডা মিশিয়ে এই মিশ্রণ দিয়ে দাঁত মেজে ৫-১০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।
🔳 হজমে সাহায্য করেঃ
দিনের শুরুতে কুসুম গরম পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে খেলে হজম প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে। অন্যদিকে লেবু পাকস্থলি পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে আর বর্জ্য নিষ্কাশনে সহায়তা করে।
🔳 রোগ প্রতিরোধঃ
সিট্রাস গোত্রের ফল যেমন লেবু, বাতাবি লেবু বা কমলায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি এবং অসকর্বিক অ্যাসিড। ভিটামিন সি ঠাণ্ডাজনিত রোগ থেকে বাঁচাতে সাহায্য করে এবং অসকর্বিক অ্যাসিড শরীরে আয়রন গ্রহণে সহায়তা করে। ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
🔳 ক্ষারের সমন্বয়ঃ
শরীরে হাইড্রোজেনের পরিমাণের উপর অনেকাংশে সুস্থতা নির্ভর করে। সর্বমোট পিএইচ বা পাওয়ার অফ হাইড্রোজেন স্কেল হল ১ থেকে ১৪। মানবদেহে ৭ মাত্রার পিএইচ থাকা স্বাভাবিক। এর থেকে কম বা বেশি হলে শরীরে রোগের বিস্তার হতে পারে।
অ্যাসিডিক বা ক্ষারীয় ফল হলেও লেবু মানবদেহে পিএইচ’য়ের মাত্রা সমন্বয় করতে সাহায্য করে। বিশেষ করে যারা বেশি মাংস, পনির বা অ্যালকোহল গ্রহণ করেন তাদের জন্য লেবু সবচেয়ে বেশি উপকারী।
🔳 বিষাক্ত পদার্থ নিষ্কাশনঃ
পানির মাধ্যমে শরীরের ক্ষতিকর পদার্থ বের হয়ে যায়। লেবু হচ্ছে প্রাকৃতিক মূত্রবর্ধক। তাছাড়া লেবুর সিট্রিক এসিড পাকস্থলি পরিষ্কার রেখে ক্ষতিকর বিষাক্ত পদার্থ দূর করতে সাহায্য করে।
🔳 শক্তি বর্ধকঃ
পানি এবং লেবুর রস শরীরে প্রয়োজনীয় আর্দ্রতা বজায় রাখে এবং রক্তে অক্সিজেন যুক্ত করে। ফলে শরীরে শক্তি সঞ্চার হয়।
ত্বক সুন্দর করেঃ দীর্ঘক্ষণ পানিশূণ্য থাকলে ত্বক ম্লান দেখায়। সকালে লেবুর শরবত খেলে এর ভিটামিন সি ত্বক সুস্থ রাখে। আর লেবুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখতে সাহায্য করে।
🔳 এটি ভিটামিনে ভরপুর
যেমন ভিটামিন B₁,B₂,B₃,B₅,Fe, K, Zn, কার্বহাইড্রেট ভ্যাট, প্রোটিন, ভিটামিন সি, রিবোফ্লোবিন, কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, মিনারেল, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং ফসফরাস সমৃদ্ধ এতে কোন সম্পৃক্ত চর্বি ও কোলেস্টেরল নেই, খুব কম মাত্রার ক্যালোরী আছে, লেবুর প্রধান আকর্ষন ভিটামিন সি।
🔺 এই ভিটামিন সি একটি গুরুত্ব পূর্ন উপাদান যা আপনার শরীরকে সক্ষম রাখতে সাহায্য করে। লেবু খেলেই প্রায় ৮৮% ভিটামিন সি চাহিদা পুরন করা সম্ভব। প্রাকৃতিক প্রিজারভেটিভস সাইট্রিক এসিড শরীরকে বিভিন্ন রোগজীবানুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ করে গড়ে তোলে। পৃথিবীব্যাপী লেবুর কদর রয়েছে নানা রকম খাদ্য, শ্যাম্পু, সাবানসহ প্রসাধনী সামগ্রীতেও রয়েছে লেবুর কদর।
🔳 লেবু ওজন কমাতে সাহায্য করে।
লেবু আর মধুর সঙ্গে মেশানো উষ্ণ পানি—এই তরল পানীয় অনেকের কাছে অতিপরিচিত। ওজন কমাতে প্রতিদিন অনেকেই সকালে খালি পেটে পান করেন এই পানীয়। লেবুতে রয়েছে ভিটামিন সি, যা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে, আর মধুতে রয়েছে অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল এফেক্ট, যা শরীরের জন্য উপকার। বলা হয়, লেবু, মধু একসঙ্গে হালকা গরম পানি দিয়ে খেলে বিপাক (মেটাবলিজম) সক্রিয় হয়, যা ওজন কমাতে সাহায্য করে। আসলে হালকা গরম পানি মূলত এ কাজটি করে থাকে। আর লেবুর পেকটিন অনেকক্ষণ ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে, তাই ওজন কমে। তবে এই মিশ্রণ ত্বককে ভালো রাখতে ও ঠান্ডা-কাশি প্রতিরোধে খুবই উপকারী।
🔳 ১০০ গ্রাম লেবুর রসের পুষ্টি উপাদান
পুষ্টি পুষ্টিমুল্য
শক্তি ৪৮ কিলো ক্যালরি
কার্বোহাইড্রেট ৯.৩২ গ্রাম
প্রোটিন ১.১০ গ্রাম
কোলেষ্টেরল ০০ গ্রাম
মোট আশ ২.৮০ গ্রাম
ফোলিয়েট ১১ মাইক্রো গ্রাম
নিয়ামিন ১৫ মাইক্রো গ্রাম রেটিনল সমতুল্য
প্যানথোটিক এসিড .১৯০ মাইক্রো গ্রাম
পাইরিডক্সিন .০৪০ মাইক্রো গ্রাম
ক্যালসিয়াম ০৫ মিঃগ্রাঃ
লৌহ ০.৭ মিঃগ্রাঃ
🔳 ক্যান্সার প্রতিরোধ করেঃ
লেবুতে রয়েছে বিভিন্ন পুষ্টি উপাদানের সমারোহ যা শরীরকে বিভিন্ন ক্যান্সারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সাহায্য করে। নিয়মিত লেবু খাদ্যতালিকায় রেখে আমারা ক্যান্সারের হাত থেতে রক্ষা পেতে পারি।
🔳 পাকস্থলিকে সুস্থ্য রাখেঃ
যারা পেটের গোলযোগে ভুগছেন তাদের জন্য লেবু আদর্শ টনিক। পেটের গোলযোগের মধ্যে ডায়রিয়া, বদহজম, কোষ্টকাঠিন্য, আমাদের অস্বস্তিতে ফেলে দেয়, শুরুতে এক গ্লাস লেবু+লবন পানি আপনাকে এই যন্ত্রনা থেকে মুক্তি দেবে। লেবুর সঙ্গে এক চা চামচ মধু হলে আরো ভাল।
🔳 ফুসফুসের জন্য ভালঃ
লেবু ফুসফুসের যতœ নেয় এবং শরীর থেকে বিষাক্ত দ্রব্য বের করে দেয়, লেবু শরীরের চর্বি এবং লিপিডের মাত্রা কম রাখে ।
🔳 ক্ষত সারায়ঃ
লেবুর উচ্চ ভিটামিন যা শরীরের রোগ প্রতিরোধী ক্ষমতা বৃদ্ধি করে যে কোন ভাইরাস জনিত ইনফেকশন যেমন ঠান্ডা, সর্দি, জ্বর দমনে লেবু খুব কার্যকারী, মুত্রনালীর ক্ষত সারাতেও লেবুর গুরুত্ব রয়েছে।
🔳 হাইপার টেনশন কমায়ঃ
যারা খাবারে যথেষ্ট পটাশিয়াম গ্রহণ করে না, তারা সহজেই নান রকম হৃদরোগে আক্রন্ত হয়ে পড়ে। লেবুর রসে যথেষ্ট পরিমান পটাশিয়াম রয়েছে যা হাইপার টেনশন কমাতে সাহয্য করে।
🔳 ত্বকের যত্নে লেবুঃ
প্রাকৃতিক পরিস্কার হিসাবে লেবুর জুড়ী নেই, এটি ত্বকের লাবন্য ধরে রাখতে সাহায্য করে, মধুর সাথে লেবুর রস মিশিয়ে ব্যবহার করলে ত্বকের সৌন্দর্য্য বৃদ্ধি পায়। এটি ত্বকের সংকোচন সৃষ্টিকারী পদার্থকে নিয়ন্ত্রন রাখে। চামড়ার অতিরিক্ত তেল অপসারণ করে। লেবুর রস প্রাকৃতিক অ্যানটি সেপটিক। ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমন দূর করে। ব্রণ সারিয়ে তোলে, ত্বকের রং উজ্জল করে। বয়সের বলিরেখা দূর করে।
🔳 লেবু মুখের দুর্গন্ধ দুর করেঃ
মাড়ীর ব্যাথা, দাতের সমস্যা মুখের দুর্গন্ধ দুর করে, লেবুর পানি খাবার পর দাত ব্রাশ করার প্রয়োজন নেই।
🔳 নখকে সুন্দর করেঃ
একটুকরা লেবু দিয়ে নখ পলিশ করলে নখ তার বিবর্নতা থেকে উজ্জল রং ফিরে পায়। লেবুর পানিতে পা, হাত, ডুবিয়ে রাখলেও একটি উপকার হয়।
🔳 লেবুর রস ওজন কমাতে সাহায্য করেঃ
নিয়মিত ফ্রেস লেবুর জুস+পানি খেলে ধীরে ধীরে ওজন কমাতে সাহয্য করবে।
🔳 পিএইচ মাত্রা নিয়ন্ত্রন করেঃ
শুনলে অবাক হতে হয়, লেবু অম্লীয় হওয়া সত্বেও শরীরে প্রয়োজনে ক্ষারধর্মী আচরন করে। এটি শরীরে এসিডিটি তৈরী করে না। এটি শরীরের পিএইচ মাত্রাকে সঠিক অবস্থায় রাখে। লেবুর রস+লবন পানি পান করলে পিএইচ মাত্রা ঠিক থাকে।
🔳 পৃথিবীর সেরা দশটি পানীর মধ্যে লেবুর জুস একটি।
গুড়+লেবু, চিনি+লেবুর সরবত শ্রেষ্ট পানীয়। যে কোন প্রক্রিয়াজাত বোতলজাত জুসের চেয়ে এটি উত্তম।
22/04/2020
#লেবুর__শরবত.
আমাদের দেশে নানান জাতের লেবু পাওয়া যায়। যেমন-কমলা লেবু, পাতি লেবু, বাতাবি লেবু, কাগজী লেবু ইত্যাদি। লেবুতে প্রচুর পুষ্টিগুন সমৃদ্ধ খাবার। এতে রয়েছে ভিটামিন সি এবং অন্যান্য খনিজ উপাদান সমূহ (যেমন- ফ্ল্যাভনয়েডস ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন বি, ফলিক এসিড, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম ও ফসফরাস) যাহা আমাদের হৃদপিন্ড, ফুসফুস, দাঁত, ত্বক প্রভৃতির জন্য খুবই উপকারী। তবে আমরা লেবুর শরবত কেন খাবো এমন প্রশ্নের উত্তরে নিম্নের বিষয়গুলো বর্ণণা করা হল:
✅✅ এক গ্লাস লেবুর শরবতের উপকারীতাঃ
🔳 দেহের ওজন কমায়__ আমাদের দেশের বেশির ভাগ মানুষই মোটা। শরীরের গঠন ও কাঠামো অনুযায়ী ওজন বেশি থাকে। আর বাড়তি ওজনের জন্য নানান প্রকার রোগ-ব্যাধি শরীরের বাসা বাধে। ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী বাড়তি ওজন কমাতে নানা প্রকার ঔষধ সেবন করে থাকে। এতে অনেকে উপকৃত হন আবার অনেকে প্রচন্ড ক্ষতির সম্মুখীন হন। কিন্তু লেবু যে আমাদের ওজন কমাতে ঔষধের চেয়েও বেশি কার্যকরী তাহা আমরা বেমালুম ভুলে যাই। তাই বাড়তি ওজন কমাতে ঔষধের চেয়ে লেবুকে বেশি প্রাধান্য দিতে হবে। লেবু শরীরের অতিরিক্ত চর্বি জমতে দেয় না। তাছাড়া লেবুতে প্রচুর পরিমানে অাঁশ জাতীয় পদার্থ প্যাকটিন থাকে, যাহা ক্ষদা কমায়। আর ক্ষুদা কম থাকলে খাওয়াও কম হবে আর ওজন কমবে। তাই প্রতিবারে খাবারের প্লেটে লেবু রাখতে হবে। অথবা লেবুর শরবত করে খেতে হবে। কুসুম কুসুম গরম পানিতে লেবু চিবিয়ে শররব করে তার সাথে সামান্য পরিমানে মধু মিশ্রিত করে খেতে পারলে বেশি উপকার পাওয়া যাবে।
🔳 ক্যান্সার প্রতিরোধ করে__ আঁশ জাতীয় খাবার ক্যান্সার প্রতিরোধ করে থাকে। ভিটামিনের মধ্যে এ, সি, ই, বিটা ক্যারোটিন জাতীয় খাবার পাকস্থলি, মলদ্বার, জরায়ু, লিভার, স্তন, প্রোস্টেট, ফুসফুস ও অগ্নাশয়ের ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে সহায়তা করে। লেবুতে রয়েছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন সি জাতীয় উপাদান। আর ভিটামিন সি এ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে যাহা ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। লেবুর শরবত ক্যান্সারের কোষ গুলোকে ধ্বংস করে।
🔳 পিত্তথলির পাথর দূর করে__ পিত্তরস খাবার হজমে বিশেষ করে চর্বি জাতীয় খাবার হজমে সাহায্য করে। আর লেবুর রসে রয়েছে চর্বি বিরোধী উপাদান, যাহা চর্বিকে গলাতে সাহায্য করে। তাছাড়া পিত্তথলির পাথর দূর করতে দরকার উচ্চ ফাইবার বা অাঁশযুক্ত খাবার। যাহা লেবুর মধ্যে প্রচুর পরিমানে রয়েছে।
🔳 ঠান্ডাজনিত রোগব্যাধি উপশম করে__
শীতকালে বেশিরভাগ মানুষেরই জ্বর, সর্দি-কাশি, গলাব্যাথা, টনসিল, শ্বাসযন্ত্রের ইনফেকশন ইত্যাদি রোগ হয়ে থাকে। কুসুম কুসুম গরম পানির সাথে লেবুর রস ও মধু মিশিয়ে চায়ের মত খেলে পারলে বেশ উপকার পাওয়া যাবে। অল্পতেই সর্দি কাশি ও গলাব্যাথা দূর হয়ে যাবে। লেবুতে রয়েছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন সি যাহা সর্দি কাশি দূর করতে অত্যন্ত কার্যকরী। তাছাড়া লেবু স্নায়ু ও মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ায়। ফুসফুস পরিষ্কার করে এ্যাজমা সমস্যার উপশম করে।
🔳 ক্লান্তি দূর করে__ বেশিক্ষণ গরমে বা রোধে থাকলে মানুষ খুব ক্লান্তিবোধ করে। তখন একগ্লাস লেবুর শরবত পান করলেই নিমিষেই ক্লান্তি দূর হয়ে যায়। তাছাড়া মানসিক চাপ ও দুশ্চিতা দূর করে লেবু। কারণ লেবুতে রয়েছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন সি। মানসিক চাপের কারণে ভিটামিন সি এর ঘাটতি দেখা দেয়। লেবু তা নিমিষেই পূরণ করে দেয়। ফলে পুনরায় দেহ ও মন চাঙ্গা হয়ে ওঠে।
🔳 রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে__
লেবুতে রয়েছে প্রচুর
পরিমানে ভিটামিন সি, আয়রন, ক্যালসিয়াম,
ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়াম ও ফসফরাস,ফলিক এসিড, অ্যাসকরবিক এসিড ইত্যাদি। ভিটামিন সি ও আয়রন জ্বর ভাল করে, পটাসিয়াম মস্তিষ্ক ও স্নায়ুকোষকে সক্রিয় রাখে ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে। অ্যাসকরভিক এসিড শরীরের বিভিন্ন প্রদাহ, যাবতীয় ব্যাথা জনিত অসুবিধা দূর করে। তাজা লেবুর রস দাঁতের ব্যাথার উপশম করে। দাঁতের মাড়ি থেকে রক্তপড়া বন্ধ করে। মুখের দুর্গন্ধ দূর করে।
✅✅লেবুর শরবতের অন্যান্য উপকারিতার মধ্যে রয়েছেঃ
🔺কৃমির আক্রমণ হতে রক্ষা করে।
🔺লিভার ইনফেকশন দূর করে।
🔺 হজমশক্তি বৃদ্ধি করে।
🔺 বদহজম, বুক জ্বালার সমস্যার সমাধান করে।
🔺 গ্যাস্ট্রিক সমস্যার সমাধান করে।
🔺 হজম শক্তি বৃদ্ধি করে।
🔺 ত্বকের উজ্জলতা বাড়ায়।
🔺 ক্ষত সারাতে সাহায্য করে।
✅✅লেবুর শরবতের আরও উপকারিতা সম্পাদনা
🔳 এই সরবতটি শুধুমাত্র Human gastrointestinal tract কেই উদ্দিপ্ত করে না, এই সরবত যকৃত পরিষ্কার রাখে এবং এর কার্যক্ষমতা বাড়ায়। তাছাড়া এটি পাচক ও হজম সহায়ক এসিড তৈরি করে খাবার হজম ও বর্জনে সাহায্য করে।
🔳 সাইট্রাস বা টক জাতীয় ফল যেমন লেবুতে অনেক বেশি পরিমাণ ভিটামিন সি এবং এস্করবিক এসিড থাকে। ভিটামিন সি ঠাণ্ডা জ্বর থেকে রক্ষা করে দেহকে এবং এস্করবিক এসিড আয়রন শোষণে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে যা দেহের রোগ প্রতিরোধের অংশ।
🔳 আপনার শরীরে্র যদি পিএইচ এর মাত্রা যদি ঠিক না থাকে তবে অনেক রকম অসুখ হতে পারে। যদিও লেবু এসিডিক তথাপি এটি দেহের মধ্যে ক্ষারীয় ভাব আনে এবং শরীর এর পি.এইচ এর মাত্রা ঠিক রাখে।
🔳 লেবু পানি একটি প্রাকৃতিক মূত্রবর্ধক। অর্থাৎ এটি আপনার শরীরকে পরিষ্কার করে এবং সেই সাথে বিষক্রিয়া জাতীয় পদার্থ শরীর থেকে বের করে দেয়। সাইট্রিক এসিড গুলো লিভারের জন্য প্রয়োজনীয় এনজাইম গুলো বৃদ্ধি করতে সহায়ক ভুমিকা পালন করে।
🔳 অনেকেই নিজের সকালের কফি বা চা ছাড়তে দ্বিধা বোধ করেন, কিন্তু অনেকেই খুব সহজে কয়েকদিন লেবু পানি পান করে এই মারাত্মক অভ্যাসটা ছেড়ে দিতে পারেন। লেবু এবং পানির এই মিশ্রণটা পরিশুদ্ধ ও অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত তৈরি করে। যার ফলে সারাটি দিন অনেক ফুরফুরে এবং সতেজ লাগে।[wp_ad_camp_2]
🔳 যাদের মধ্যে পানি শুন্যতার সমস্যা রয়েছে তাদের দেহের চামড়া অনেক রুক্ষ হয়ে থাকে এবং ফাটা ফাটা দেখা যায়। তারা তাদের দিনের শুরুটা করুন ১ গ্লাস হালকা গরম পানি, মধু এবং লেবুর সরবত দিয়ে, ভিটামিন সি চামড়া সুন্দর ও মসৃণ রাখতে সাহায্য করে এবং এন্টিওক্সিডেন্ট বুড়িয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করবে আপনাকে।
🔳 যাদের বাতের/ হাঁটুতে ব্যথা আছে বা প্রদাহ/ফুলে যায় তাদের জন্য এই সরবত উপকারী। কারণ লেবু পানি ইউরিক এসিড কমিয়ে বা দূর করে দেয় ফলে ব্যথা কম হয়ে যায়।
🔳 লেবু পানিতে বেশ পরিমাণ পেক্টিন জাতীয় আঁশ আছে যা কলোন এর জন্য ভালো এবং এটি অনুজীব প্রতিহত করে।
🔳 লেবু পানি সাথে সাথেই শক্তি সঞ্চয় করতে পারে। কখনো শরীর দুর্বল মনে হলে বা মাথা ঘুরালে সে সময় ১ গ্লাস লেবু সরবত মেডিসিনের মত কাজ করে এবং দেহে চনমনে ভাব চলে আসবে, কারণ এতে রয়েছে পটাশিয়াম যা মস্তিষ্কের নার্ভকে উদ্দিপ্ত করে।
🔳 মাইগ্রেনের সমস্যায় এটি অনেক উপকারী। মাইগ্রেনের ব্যথার সময় লেবুর সরবত খেলে লেবু ও চিনি ব্রেইনের নার্ভকে আরাম দেয় এবং ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।
🔳 সকালে খালি পেটে ১ গ্লাস হালকা গরম লেবু পানি ওজন কমাতে সাহয্য করে।
তাই দেরি না করে আজই শুরু করুন এই ভাল অভ্যাসটি ।
22/04/2020
#লেবুর_খোসা__ও__খোসার_উপকারিতা....!!!
লেবুর খোসা
⚫ লেবুর খোসায় রয়েছে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন সি, পেকটিন, ফাইবার এবং মিনারেলস।
⚫ লেবুর রসের এসব উপাদান শরীরের নিরাময় এবং আরোগ্যে কাজ করে। লেবুর খোসা বাজে কোলেস্টেরলের মাত্রাকে কমায়। এর মধ্যে পটাশিয়াম থাকার কারণে রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতেও সাহায্য করে। লেবুর খোসায় থাকা ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়।
⚫ ঠান্ডা, ফ্লু এবং গলার ইনফেকশন দূর করতে সাহায্য করে। লেবুর খোসার মধ্যে উপস্থিত ফাইবার বা আঁশ অন্ত্রকে পরিষ্কার রাখে এবং বাউয়েল মুভমেন্ট ভালো করে। এটি হজমে সাহায্য করে এবং পেট ফোলাভাব রোধেও সহায়তা করে। লেবুর খোসা ওজন কমাতে সাহায্য করে। এর মধ্যে যে পেকটিন রয়েছে তা অন্ত্রের শর্করা শোষণ করতে সাহায্য করে এবং ওজন কমাতে সাহায্য করে।
⚫ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের জন্যও লেবুর খোসা বেশ ভালো। এটি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে এবং বিপাকে সাহায্য করে। এটি হাড়ের স্বাস্থ্যকে ভালো রাখে। শরীরের দৈনিক ভিটামিন সি-এর চাহিদার ৩০ শতাংশ লেবু পূরণ করতে পারে। ভিটামিন সি-এর আছে নিরাময় ক্ষমতা। এটি প্রোটিনের বাঁধনে সাহায্য করে, যা টেনডনস, লিগামেন্ট এবং ত্বকের জন্য ভালো। লেবুর খোসা কালো দাগ, বলি রেখা, বার্ধক্যের ছাপ দূর করতে সাহায্য করে।
✅✅ লেবুর খোসার উপকারিতা___
🔳 ত্বকের কালো দাগ দূর করতে
লেবুর খোসা ত্বকের কালো দাগ দূর করতে সাহায্য করে । লেবুর খোসায় রয়েছে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন সি, পেকটিন, ফাইবার এবং মিনারেলস। লেবুর রসের এসব উপাদান শরীরের নিরাময় এবং আরোগ্যে কাজ করে। লাইফস্টাইল ওয়েবসাইট বোল্ড স্কাই জানিয়েছে এ বিষয়ে কিছু পরামর্শ
🔳 হাড়ের সুরক্ষায়
হার্টের জন্য লেবুর খোসা খাওয়া হার্টের জন্য ভালো। লেবুর খোসা বাজে কোলেস্টেরলের মাত্রাকে কমায়। এর মধ্যে পটাশিয়াম থাকার কারণে রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতেও সাহায্য করে।
🔳 রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে
রোগ প্রতিরোধক্ষমতা লেবুর খোসায় থাকা ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়। ঠান্ডা, ফ্লু এবং গলার ইনফেকশন দূর করতে সাহায্য করে।
🔳 কোষ্ঠকাঠিন্য রোধে
কোষ্ঠকাঠিন্য রোধে লেবুর খোসার মধ্যে উপস্থিত ফাইবার বা আঁশ অন্ত্রকে পরিষ্কার রাখে এবং বাউয়েল মুভমেন্ট ভালো করে। এটি হজমে সাহায্য করে এবং পেট ফোলাভাব রোধেও সহায়তা করে।
🔳 ওজন কমাতে
ওজন কমায় লেবুর খোসা ওজন কমাতে সাহায্য করে। এর মধ্যে যে পেকটিন রয়েছে তা অন্ত্রের শর্করা শোষণ করতে সাহায্য করে এবং ওজন কমাতে সাহায্য করে।
🔳 ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে
ডায়াবেটিস প্রতিরোধে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের জন্যও লেবুর খোসা বেশ ভালো। এটি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে এবং বিপাকে সাহায্য করে।
🔳 হাড়ের স্বাস্থ্যকে ভালো রাখতে
হাড়ের স্বাস্থ্য আশ্চর্য হলেও সত্যি লেবুর খোসায় রয়েছে ক্যালসিয়াম। এটি হাড়ের স্বাস্থ্যকে ভালো রাখে।
🔳 ব্যাথা নিয়ন্ত্রণে
গেরোর ব্যথা শরীরের দৈনিক ভিটামিন সি-এর চাহিদার ৩০ শতাংশ লেবু পূরণ করতে পারে। ভিটামিন সি-এর আছে নিরাময় ক্ষমতা। এটি প্রোটিনের বাঁধনে সাহায্য করে, যা টেনডনস, লিগামেন্ট এবং ত্বকের জন্য ভালো। তাই লেবু এবং লেবুর খোসা খেতে পারেন।
🔳 ত্বকের দাগ দূর করতে
স্বাস্থ্যকর ত্বক লেবুর খোসা কালো দাগ, বলি রেখা, বার্ধক্যের ছাপ দূর করতে সাহায্য করে। ত্বক ভালো রাখতে এটা খেতেও পারেন এবং সরাসরি ত্বকে লাগাতেও পারেন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Chittagong
4000
