Style Diva
100% natural and pure
15/09/2022
Green Coffee: এতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। সেটি বিপাক হার বাড়াতে তো সাহায্য করেই, এর পাশাপাশি মস্তিষ্কের ক্ষমতা বাড়াতেও দারুণ কাজে লাগে এটি।
15/09/2022
সকালে এই কফি খেলে অনেক ক্ষণ পেট ভরা লাগে। তার ফলে বেশি খিদে পায় না। অতিরিক্ত খাবার না খাওয়া ফলে ওজনও নিয়ন্ত্রণে থাকে। যাঁরা ওজন কমাতে চান, তাঁরা এই কারণেও নিয়মিত খেতে পারেন গ্রিন কফি।
14/09/2022
পেটের নানা অসুখ, আমাশয়, ডায়রিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে বেল একটি উপকারী ফল। খাবার হজমে এটি সাহায্য করে। এর মধ্যে ভিটামিন সি, ভিটামিন এ, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, পটাশিয়াম রয়েছে।
14/09/2022
তবে জামের ভেতর খাদ্য শক্তি, শর্করা, আমিষ, চর্বি, আঁশ, ক্যালসিয়াম, লৌহ, ভিটামিন-সি ও ক্যারোটিন থাকে।
এটি শরীরের হাড়কে মজবুত করে, ডায়রিয়া ও আলসার নিরাময়ে ভূমিকা রাখে। জাম ত্বক টানটান করতে, স্মৃতিশক্তি বাড়াতে আর ডিটক্সিফায়ার হিসাবেও কাজ করে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, জামের নির্যাস ক্যান্সার সৃষ্টিকারী ফ্রি র্যাডিকেলের কাজে এবং বিকিরণে বাধা দেয়।
14/09/2022
প্রতি ১০০ গ্রাম খাদ্য উপযোগী আমড়াতে ৬৬ কিলো ক্যালরি খাদ্যশক্তি, ১৫ গ্রাম শর্করা, ১.১০ গ্রাম আমিষ, ৫৫ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ৯২ মিলিগ্রাম ভিটামিন- সি, ৩.৯০ মিলিগ্রাম লৌহ ও ৮০০ মাইক্রোগ্রাম ক্যারোটিন ও ৮৩.২০ গ্রাম জলীয় অংশ রয়েছে। এছাড়া পিত্ত ও কফ নিবারক, রুচিবর্ধক হিসাবে আমড়া যথেষ্ট উপকারী। আমড়া কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়।
14/09/2022
তরমুজে রয়েছে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা স্ট্রেস কমিয়ে দেয়। এছাড়া প্রোস্টেট ক্যান্সার, কোলন ক্যান্সার, ফুসফুসের ক্যান্সার ও স্তন ক্যান্সারে ঝুঁকি কমায়।
14/09/2022
প্রতি ১০০ গ্রাম পেয়ারায় ৫১ কিলোক্যালরি খাদ্যশক্তি, ১১.২০ গ্রাম শর্করা, ০.৯০ গ্রাম আমিষ, ১০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ২১০ মিলিগ্রাম ভিটামিন-সি আর ১০০ মাইক্রোগ্রাম ক্যারোটিন থাকে। কারো কারো জন্য পেয়ারা অম্বলের তৈরি করলেও বেশিরভাগ মানুষের জন্য এই ফলটি উপকারী।
14/09/2022
খনিজ পদার্থ আয়রনের ভালো উৎস আম। প্রচুর পরিমাণে আয়রন ও সোডিয়াম বিদ্যমান। এছাড়া খনিজ লবণ, ভিটামিন বি, ই, সেলেনিয়াম, এনজাইম, ম্যালিক এসিড, সাইট্রিক এসিড, টারটারিক অ্যাসিড বিদ্যমান
13/09/2022
ঘড়ি ধরে খাবার ঝামেলা নেই। শসার সাথে খেতে পারবেন অন্য খাবারও। আবার ব্যায়াম করার যন্ত্রণাও নেই। অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি যে শুধু শসার একটি ডায়েটে আপনি মাত্র ১৪ দিনে ১৫ পাউন্ড পর্যন্ত ওজন ঝরিয়ে ফেলতে পারবেন
কেবল একটা সহজ নিয়মে দারুণভাবে কমবে আপনার ওজন। ডায়েটের পদ্ধতিটি জানার আগে আসুন জেনে নিই শসার কিছু পুষ্টি উপাদান সম্পর্কে।
শসার পুষ্টি উপাদান :
শসা ভিটামিন এবং মিনারেল পরিপূর্ণ একটি সবজি যার প্রায় ৯৬ শতাংশই পানি। শসা ভিটামিন-কে, ভিটামিন-সি, ভিটামিন-এ, ফলিক এসিড, পটাশিয়াম এবং ম্যাঙ্গানিজের উত্তম উৎস।
এ ছাড়া রিবোফ্লাবিন, প্যান্টোথেনিক এসিড, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, সালফার, সিলিকা এবং ভিটামিন বি-৬ আছে বেশি পরিমাণে। ১০০ গ্রাম শসায় খাদ্যআঁশ আছে প্রায় ০.৬ গ্রাম, শর্করা ৩.৬১ গ্রাম এবং চিনি ১.৬৮ গ্রাম। এতে আরো রয়েছে ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস, কিউকারবিটাকিন্স, লিগনান্স এবং ফ্লাভনয়েডস।
শসার ডায়েট :
শসার সালাদ তৈরি করে আপনি ডায়েটটি শুরু করতে পারেন। এই ডায়েটটি করার জন্য আপনি যখনই ক্ষুধা অনুভব করবেন তখনই এই পুষ্টিকর সবজিটি খেয়ে ফেলবেন।
১০-১৪ দিনের এই ডায়েটে আপনার অতিরিক্ত মেদপূর্ণ শরীরটি হয়ে উঠবে আকর্ষণীয়। তবে শুধু শসা খেয়ে তো আর ১৪ দিন থাকা সম্ভব না। এ কারণে শরীরের অন্যান্য পুষ্টি পূরণে শসার ডায়েটটির সাথে যে উপাদানগুলো খাবেন প্রতিদিন।
# ২ টি ডিমের সাদা অংশ বা ১৫০ গ্রাম বড় মাছ বা ১৫০ গ্রাম মুরগির মাংস
# ২টি বড় সিদ্ধ আলু বা ৩ টুকরো পাউরুটি
# পুষ্টিকর যেকোনো ফল ৫০০ গ্রাম
পানীয়র মধ্যে পানি, চা বা চিনি ছাড়া কফি খেতে পারেন। তবে যেকোনো ধরনের সফট ড্রিংক বা অ্যালকোহল বা ক্যানডি একেবারে নিষিদ্ধ।
এভাবে আপনি ১৪ দিনের একটি ডায়েট করলে ১৫ পাউন্ড মত ওজন নিমেষেই কমিয়ে অানতে পারবেন। তবে যে কাজটি অবশ্যই করবেন তা হল আপনার যখনই ক্ষুধা লাগবে তখনই অন্য কোনো খাবার না পুষ্টিগুণে ভরা এই শসা খেয়ে ফেলবেন। মোটেও খালি পেটে থাকবেন না। খালি পেটে থাকলে ওজন কমবে না। আর এই ডায়েট দুইমাসে একবারের বেশী করা যাবে না মোটেও।
13/09/2022
দেখে নেওয়া যাক ফাস্টফুডের সঙ্গে কী ধরনের ক্ষতিকর রাসায়নিক জমা হচ্ছে আমাদের শরীরে।
১. টারট্রাজিন: হলুদ রঙের এই রাসায়নিক থাকে কোল্ড ড্রিংকস, কেক, বিস্কুট, পুডিং, সস ও মাংসের খাবারে। এর প্রভাবে শিশুদের মধ্যে অস্থিরতা দেখা দেয়। শ্বাসকষ্ট হতে পারে। যঁারা নিয়মিত অ্যাসপিরিন–জাতীয় ওষুধ খান তাঁদের মাথা ঘোরা, মাথা ধরা ও অ্যালার্জির সমস্যা হতে পারে।
২. কুইনোলিন ইয়েলো: হলুদ এই উপাদান ভাপা ও সেঁকা খাবারে ব্যবহার করা হয়। এটি শিশুদের মধ্যে অস্থিরতা তৈরি করে।
৩. সানসেট ইয়েলো: বহুল ব্যবহৃত হলুদ রঙের এই প্রিজারভেটিভ চকলেট, অরেঞ্জ ড্রিংকস, স্যুপ ও বিস্কুটে ব্যবহার করা হয়। এর প্রভাবে শিশুদের অস্থিরতা, শ্বাসকষ্ট ও হাঁপানি দেখা দেয়।
৪. কারমোসিন: লালচে এই রাসায়নিক কোমল পানীয়, জ্যাম, পেস্ট্রি, সস ও স্যুপে ব্যবহৃত হয়। এর প্রভাবে শিশুদের শ্বাসকষ্ট হতে পারে।
৫. ইনডিগো কারমিন: নীল রঙের এই রাসায়নিক নানা রকম মাংসের খাবারে ব্যবহার হয়। এর প্রভাবে শ্বাসকষ্ট ও অ্যালার্জি দেখা দেয়।
৬. কার্বন ব্ল্যাক: কালো রঙের এই রাসায়নিক জুস, জ্যাম, জেলি, বাদামি সসে ব্যবহার করা হয়। এর প্রভাবে অ্যালার্জি হতে পারে।
৭. বেনজোয়িক অ্যাসিড: টিনের ফল, আচার, টিনের মাছ প্রভৃতি সংরক্ষণে ব্যবহার করা হয়। এর প্রভাবে হাঁপানি, অ্যালার্জি এবং ক্যানসার হতে পারে।
এসব রাসায়নিক যকৃতেরও ক্ষতি করে। ক্যানসার সৃষ্টির কারণও এসব উপাদান।
তাই ফাস্টফুড না খেয়ে রান্না খাবার যেমন ভাত, রুটি, ডাল, তরকারি, মাছ, বাদাম, শাকসবজি খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে। পাশাপাশি টক দই, সালাদ ও ফল খেতে হবে। ৪০ বছর বয়স পার হলে ডিম, মাংস, মাখন, ঘি, মিষ্টি খাওয়া কমিয়ে দিন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Jalal Plaza Muradpur
Chittagong
4000
