Hlw api
Branded company elite Corporation is doing business with reputation for long 14 years. We believe in
22/10/2021
বাংলাদেশের এমন কোন জায়গা পাওয়া যাবে না যেখানে পেঁপে পাওয়া যায় না।পেপের উপকারিতা অনেক।পেঁপে একটি সবজি বা ফল আমাদের শরীরের জন্য খুবই উপকারী । কাঁচা অবস্থায় পেঁপে সবজি আর পাকা অবস্থায় ফল। এই জন্য পেঁপেকে ফলের রাজা বলা হয়। পেঁপেতে প্রচুর পরিমাণ মিনারেল, অ্যানটিঅক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন রয়েছে যা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। শুধু তাই নয়, পেঁপেকে ভিটামিনের স্টোর বলা হয়।জেনে নিন পেপের উপকারিতা গুলো।
পেপের উপকারিতা গুলো জেনে রাখুন
১.ব্রণ ও কালো দাগ তুলতে
পাকা পেঁপে কালো দাগ দূর করার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান। পাকা এক টুকরো পেঁপে নিয়ে আক্রান্ত স্থানে ভালো করে ঘষে দিন। আধা ঘণ্টা রাখুন, তারপর পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। সপ্তাহে ৩/৪ বার এভাবে করতে থাকেন। পেঁপেতে থাকা প্যাপিন মরা কোষ দূর করে ত্বকের রঙ উজ্জ্বল করে তোলে।
চলুন জেনে নেই রূপচর্চায় পেঁপে কি কি উপকার করে
⇒ পেঁপেতে আছে ভিটামিন এ এবং এক ধরনের প্রোটিন যা ত্বকের মৃতকোষ দূর করতে সাহায্য করে।
⇒ কাঁচা পেপে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে পুরো মুখে নিয়মিত লাগালে ব্রণের সমস্যা কমবে এবং ব্রণের দাগ চলে যাবে।
⇒ পেঁপে বাটা পায়ের ফাটা দূর করে পাকে মসৃণ করতে সাহায্য করে। পেঁপের খোসা মুখের ত্বকে, হাতে কিংবা পায়ে লাগিয়ে রাখতে হবে। নিয়মিত ব্যবহারে ত্বক উজ্জ্বল হয়ে ওঠবে।
⇒ মুখের ত্বকে নিয়মিত পেঁপের রস লাগালে ত্বকে বয়সের ছাপ দূর হবে।
⇒ পেঁপে বাটা ও মধু এক সাথে মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে ১৫ মিনিট রাখতে হবে। ত্বকের শুষ্কতা চলে যাবে ও ত্বক কোমল হবে।
⇒ চুল শ্যাম্পু করার আগে চুলে পেঁপে বাটা বা পেপের রস লাগালে খুশকি সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।
২.হজমশক্তি বাড়াতে
হজমের গোলমাল একটি ব্যাপক সমস্যা। হজমশক্তি কমে গেলে অম্বল হয়ে যায়, মুখে চোকা ঢেকুর ওঠে, পেট ব্যথা শুরু হয়। কখনো চিনচিনে ব্যথা, কখনো ভয়ঙ্কর ব্যথা হয়। কখনো কোষ্ঠ পরিষ্কার হয় না আর কখনো পেট খারাপ হয়। শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে, শরীরে অবসাদ দেখা দেয়। পেঁপেতে প্রচুর পরিমাণে এনজাইম আছে যা খাবার হজমে সহায়তা করে থাকে। এছাড়াও প্রচুর পানি ও দ্রবণীয় ফাইবার আছে। যার ফলে হজমের সমস্যায় যে সকল মানুষ ভুগে থাকেন তাঁরা নিয়মিত পাকা বা কাঁচা পেঁপে খেতে পারেন। এক্ষেত্রে পেঁপে খুব উপকারি।
৩.রক্ত আমাশয়
রক্ত আমাশয় দেহের অনেক বড় সমস্যা। প্রত্যেহ সকালে কাঁচা পেঁপের আঠা ৫/৭ ফোঁটা ৫/৬ টি বাতাসার সঙ্গে মিশিয়ে খেতে হবে। ২/৩ দিন খাওয়ার পর রক্তপড়া কমতে থাকবে।
৪.ক্রিমি
যে কোনো প্রকারের ক্রিমি হলে, পেঁপের আঠা ১৫ ফোঁটা ও মধু ১চা চামচ একসঙ্গে মিশিয়ে খেতে হবে। এরপর আধা ঘন্টা পরে উঞ্চ পানি আধ কাপ খেয়ে তারপরে ১ চামচ বাখারি (শসা-ক্ষীরার মতো এর স্বাদ) চুনের পানি খেতে হয়। এভাবে ২ দিন খেলে ক্রিমির উপদ্রব কমে যাবে। ক্রিমি বিনাশের ক্ষেত্রে পেঁপে এটি ফলপ্রদ ওষুধ।
৫.আমাশয়
আমাশয় ও পেটে যন্ত্রনা থাকলে কাঁচা পেঁপের আঠা ৩০ ফোঁটা ও ১ চামচ চুনের পানি মিশিয়ে তাতে একটু দুধ দিয়ে খেতে হবে। একবার খেলেই পেটের যন্ত্রনা কমে যাবে এবং আমাশয় কমে যাবে । আমাশয় থেকে মুক্তি পাওয়ার অদ্ভুত শক্তি আছে কাঁচা পেঁপের আঠায়।
৬.যকৃত বৃদ্ধিতে
এই অবস্থা হলে ৩০ ফোঁটা পেঁপের আঠাতে এক চামচ চিনি মিশিয়ে এক কাপ পানিতে ভালো করে নেড়ে মিশ্রণটি সারাদিনে ৩বার খেতে হবে। ৪/৫ দিনের পর থেকে যকৃতের বৃদ্ধিটা কমতে থাকবে, তবে ৫/৬ দিন খাওয়ার পর সপ্তাহে ২ দিন খাওয়াই ভালো। এভাবে ১ মাস খেলে ভাল ফল পাওয়া যাবে।
৭.রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে
পেঁপেতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, সি ও ই। এই ভিটামিন গুলো রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং শরীরের বিভিন্ন সমস্যা দূর করে। এছাড়া পেঁপেতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ যা চোখের জন্য উপকারী।
৮.ডায়াবেটিস প্রতিরোধে
চিনির পরিমাণ কম থাকায় ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য পেঁপে একটি আর্দশ ফল। যাদের ডায়াবেটিস নেই তাদের প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় পেঁপে রাখা উচিত। পেঁপে ডায়াবেটিস হওয়া প্রতিরোধ করে।
৯.হাড়ের ব্যথা রোধে
পেঁপেতে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম এবং কপার রয়েছে, নিয়মিত পেঁপে খাওয়ার ফলে শরীরে ক্যালসিয়াম তৈরি হয় যা হাড় মজবুত করে ব্যথা হ্রাস করে।
১০.স্ট্রেস হ্রাস করতে
সারাদিন ক্লান্তি এক নিমিষে দূর করে দিতে পারে এক প্লেট পেঁপে। এতে থাকা ভিটামিন সি স্ট্রেস হ্রাস করে। University of Alabama এর মতে প্রতিদিন ২০০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি আমাদের খাদ্যতালিকায় রাখা উচিত যা স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে।
১১.ক্যান্সার প্রতিরোধক
কাঁচা পেঁপে শরীরের জন্য খুব উপকারী। এতে রয়েছে প্রোটিওলাইটিক এনজাইম। এই উপাদানটি প্রটিন হজম করতে সাহায্য করে । ক্যান্সার নিরাময়েও ভূমিকা রাখে, এই জন্য পেঁপে রান্নার পরিবর্তে কাঁচা খাওয়াটাই উত্তম। পেঁপেতে আরও রয়েছে প্রচুর পরিমাণের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ফ্ল্যাভোনোক্সিড যা দেহে ক্যান্সারের কোষ তৈরিতে বাঁধা দেয়। Harvard School of Public Health’s Department এক গবেষণায় দেখা গেছে যে পেঁপের বিটা কেরোটিন উপাদান কোলন ক্যান্সার, প্রোসটেট ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।
22/10/2021
ডিম ছাড়া যেন সকালের জলখাবারে আসে না পরিপূর্ণ তৃপ্তি। ডিম কিন্তু সুস্বাস্থ্যের জন্যও অপরিহার্য এক খাবার। প্রতিদিন সকালের জলখাবারে একটি করে সেদ্ধ ডিম রাখলে দূরে থাকতে পারবেন অনেক রোগ থেকে। তবে অনেক রোগের ক্ষেত্রে চিকিত্সকরা বেশি ডিম খেতে নিষেধ করেন। সেক্ষেত্রে অবশ্যই চিকিত্সকের পরামর্শ অনুযায়ী খাবেন ডিম। জেনে নিন সেদ্ধ ডিমের উপকারিতা...
সেদ্ধ ডিমে শরীরের জন্য উপকারী মনোআনস্যাচুরেটেড ও পলিআনস্যাচুরেটেড চর্বি আছে। এগুলো স্যাচুরেটেড ফ্যাটকে সরিয়ে দিয়ে তার স্থান দখল করে এবং রক্তের কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমিয়ে ফেলে। ফলে হৃত্পিণ্ড ভালো থাকে। হার্টের জন্য উপকারী এই চর্বিগুলো ইনসুলিনও নিয়ন্ত্রণ করে এবং রক্তের চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখে। বিশেষ করে টাইপ-২ ডায়বেটিসের জন্য এ ধরনের ফ্যাটগুলো খুবই উপকারী। সেদ্ধ ডিমের দুই তৃতীয়াংশই এ ধরণের উপকারী ফ্যাট দিয়ে গঠিত।
সেদ্ধ ডিমে প্রাকৃতিকভাবেই প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন আছে। ব্রেকফাস্টে একটি সেদ্ধ ডিম খেলে ৬ গ্রামের বেশি প্রোটিন পাওয়া যায়।
ডিমের একটি প্রধান খাদ্য উপাদান হলো ভিটামিন এ। ভিটামিন এ রেটিনায় আলো শুষে নিতে সহায়তা করে, কর্নিয়ার পাশের মেমব্রেনকে রক্ষা করে এবং রাতকানার ঝুঁকি কমায়। প্রতিদিন সকালে একটি সেদ্ধ ডিম খেলে খাবার তালিকায় ৭৫ মাইক্রোগ্রাম ভিটামিন এ যুক্ত হয়।
সেদ্ধ ডিমে আছে ভিটামিন ডি, যা হাড় ও দাঁত শক্ত করে। ভিটামিন ডি খাবার থেকে ক্যালসিয়াম গ্রহণ করতে সহায়তা করে এবং রক্তের ক্যালসিয়ামের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। ফলে শরীরের হাড়ের কাঠামো মজবুত ও শক্ত হয় এবং হাড়ের ক্ষয় রোধ হয়।
একটি বড় সেদ্ধ ডিমে প্রায় ৮০ ক্যালোরি আছে। এর মধ্যে ৬০ শতাংশ ক্যালোরি আসে চর্বি থেকে। ফলে সকালে একটি মাত্র সেদ্ধ ডিম খেলে সারাদিন শক্তি পাওয়া যায় এবং দুর্বলতা হ্রাস পায়।
22/10/2021
দাঁরুচিনি এমন একটি মশলা যা প্রায় সব ভারতীয় দের রান্না ঘরে পাওয়া যাবে ।দাঁরুচিনি শুধু একটি মশলাই নয় এটি একটি ঔষধীও। যাতে আছে antioxidants, যা বেশ কিছু অসুখ থেকে যেমন arthritis, diabetes এমন কি মারণ রোগ ক্যান্সার এর হাত থেকে ও সুরক্ষিত রাখে। আজকের এই লেখায় আমি দারুচিনীর গুনা গুন আপনাদের বলব। এখন দেখুন দাঁরুচিনি আপনার শরীরের জন্য কতটা উপকারী আর কোন্ কোন্ রোগ প্রতিরোধে দাঁরুচিনি ব্যবহার করা হয়।
দারুচিনির উপকারিতা
১। ওজন কমাতে সাহায্য করেঃ
বর্তমানে প্রতি দুই থেকে তিন জনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধি একটি চিন্তার বিষয়। খাওয়া দাওয়ার বিষয়ে যথাযথ নজর না দেওয়া, সঠিক যত্নশীল না হওয়া এবং সঠিক ভাবে শ্রম তথা যোগ ব্যায়াম, প্রাণায়াম না করার জন্য এই ওজন বাড়ার সমস্যা দেখা দিতে থাকে। এমত অবস্থায় খাবারে দাঁরুচিনির ব্যবহার করলে ওই বর্ধিত ওজন জনিত সমস্যা বেশ অনেকটাই কমতে পারে। দাঁরুচিনি তে বর্তমান poly phenols একটি antioxidant যা ইন্সুলীন এর সংবেদনশীলতা কে বাড়িয়ে রক্তের glucose এর মাত্রা কে নিয়ন্ত্রণ করে। কিন্তু আমাদের শরীর যখন সঠিক মাত্রায় ইন্সুলীন তৈরী পারে না তখনই রক্তে গ্লুকোস এর মাত্রা বেড়ে যায় এর ফলে স্থূলতা, মধুমেহ (ডায়াবেটিস্) এবং আরও কিছু রোগ এর সম্ভাবনা বেড়ে যায়। একটি পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে পলি সিস্টিক ওভারীয়াণ (poly cystic ovarian disease) অসুখ আছে, তাদের ক্ষেত্রে দাঁরুচিনি ইন্সুলীন প্রতিরোধ কে কমিয়ে ওজন বেড়ে যাওয়া কে নিয়ন্ত্রণ করে (1)।এ ছাড়া দাঁরুচিনির অ্যন্টি-ওবেসিটি প্রভাব স্থূলত্ব কে কম করে।(2)
২। আর্থারাইটিসের ব্যাথা কমায় দারুচিনিঃ
বয়েস বাড়ার সাথে সাথে আমাদের হাড় গুলি দুর্বল হতে থাকে, আবার কেউ কেউ আর্থারাইটিসে আক্রান্ত হন। এই আর্থারাইটিসে দাঁরুচিনি ঔষধের মত কাজ করে। দাঁরুচিনি তে আয়রণ(লৌহ), ক্যালসিয়াম, ম্যান্গানিজের মত ধাতব লবন গুলি থাকে যে গুলি এই গাঁটের যন্ত্রণায় উপশম পাওয়া যায় (৩)। একটা পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে রিউমাটয়েড আর্থারাইটিসে্ যে যন্ত্রণা ও ফোলা ভাব হয় তাতে এই দারুচিনী অনেক টা উপকার দেয় (৪)।
৩। দারুচিনি ব্লাড সুগার আর ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করেঃ
অনিয়মিত, অনিয়ন্ত্রণ জীবনযাত্রার জন্য আজকাল অনেকেরই ডায়াবেটিস্ তথা মধুমেয় রোগ এর শিকার হয়ে পড়ছেন। প্রাথমিক পর্যায় এই রোগ এর দিকে নজর না দিলে ভবিষ্যতে এই রোগের জন্য বিপদের আশংকা থেকে যায়। সময় এর সাথে সাথে ডায়াবেটিস্ আরো কিছু কিছু রোগের জন্ম দেয়। ডায়াবেটিস্ তথা মধুমেহ রোগী যদি খাদ্যে দারুচিনী ব্যাবহার করেন তবে এই ডায়াবেটিসের এর হাত থেকে অনেকটাই রক্ষা পাওয়া যায়। দাঁরুচিনি তে উপস্থিত আ্যন্টি আক্সিডেন্ট আক্সিডেটিস্ স্ট্রেস কে কমাতে সাহায্য করে যা নাকি ডায়াবেটিস্ এর একটি প্রধান কারণ (৫)।
এই মশলায় উপস্থিত ফেনলীক যৌগ এবং ফ্লবনাইড যা কিনা আ্যন্টি ইন্ফ্লামেটরি আ্যন্টি ডায়াবেটিক্ এমন কি আ্যন্টি ক্যানসরএবং কার্ডিয় প্রোটেকটিভ গুণ সম্পন্ন (৬)। একটি পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে দারুচিনী রক্তের শরকরা
মাত্রা কম করে। দাঁরুচিনি তে বর্তমান পলিফেনলস্ শরীরে ইন্সুলিন ক্ষরণের মাত্রা কে বাড়ায় তাই ডায়াবেটিস্ এর আশংকা কমে (৭)।
৪। স্মরণ শক্তি বৃদ্ধি তেঃ
মস্তিষ্কের জন্য ও দাঁরুচিনি খুব উপকারী। দাঁরুচিনির সুগন্ধ মস্তিষ্কের কার্য ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এটি মস্তিষ্কের একটি টনিক। এটি যে শুধু মাত্র মস্তিষ্ক কে দ্রুত কাজ করতে সক্ষম করে তাই নয়, একাকীত্ব, ডিপ্রেশন ও আ্যন্গজাইটিতে ও উপকার দেয়। যারা এই দারুচিনীর তেলের ঘ্রাণ নেয় তাদের স্মরণ শক্তি বৃদ্ধি পায় (৮)। এছাড়া দারুচিনী তে বর্তমান আ্যন্টি আক্সিডেন্ট আ্যলজাইমার আর পারকিনসন্ এর মত রোগের হাত থেকেও রক্ষা করে(৯)।যখন আ্যলজাইমারে স্মৃতি শক্তি কমতে থাকে তখন অসতে আসতে শরীরে কম্পন শুরু হয়।
22/10/2021
সর্ষে বা রাই পোস্তর মতোই সমান ভাবে জনপ্রিয়। আমাদের দেশ ছাড়াও এটি বিদেশী খাবারে ব্যবহৃত একটি জনপ্রিয় উপাদান। খাবারের স্বাদ বৃদ্ধি করার সাথে সাথে সর্ষে আমাদের শরীরকে নানাভাবে উপকৃত করে। এতে প্রচুর পরিমানে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, পটাশিয়াম বর্তমান। এছাড়া এতে ভিটামিন কে, ভিটামিন সি, ভিটামিন এ, ও ডায়েটারি ফাইবার থাকে। ফলত স্বাভাবিক ভাবেই এটি শরীরের জন্য সুফলদায়ী। আসুন দেখে নিই এর উপকারিতা।
উপকারিতা
১. ক্যান্সার প্রতিরোধক
সর্ষে দানায় গ্লুকোসিনোলেটস এবং মিরোসাইনাস(মিরোসিনসি) কম্পাউন্ড বর্তমান যা আমাদের শরীরে ক্যান্সার এর কোষগুলিকে বৃদ্ধি পেতে দেয় না। এছাড়া সেলেনিয়াম থাকার জন্য এটি ক্যান্সার প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে।
২. মেনোপজ সংক্রান্ত সমস্যা
সর্ষে দানায় প্রচুর পরিমানে মিনারেলস যেমন ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, কপার, আয়রণ সেলেনিয়াম ইত্যাদি থাকার জন্য এটি আমাদের শরীরে রক্ত চাপকে স্বাভাবিক রাখে। এটি মেনোপজ সংক্রান্ত সমস্যাকে দূর করে।
৩. এস্থেমা
নিয়মিত এবং পরিমান মতো সর্ষে সেবন এস্থেমা রোগের প্রকোপ থেকে রক্ষা করতে পারে। এর জরুরি মিনারেলস যেমন পটাশিয়াম, কপার, সেলিনিয়াম আয়রণ এস্থেমা এটাক এর প্রবণতা কে কম করে।
৪. স্কিন ডিসিস
সর্ষে psoriasis নামক রোগ কে সরিয়ে তুলতে সাহায্য করে।
এটি এক ধরণের স্কিন ডিসিস যা বড়দের হয়ে থাকে। এটি জীনগত কারণে বা ধুলোবালি লাগার কারণে হয়ে থাকে। এর ফলে আমাদের স্কিনে নানা রকম সমস্যা হয়ে থাকে। এটি সহজে সরানো যায় না। এর ফলে স্কিনে লাললাল ছোপ, চুলকানি ইত্যাদি হতে থাকে। সর্ষের মধ্যে থাকা উপাদান গুলির জন্য এটি আমাদের এই রোগ হওয়া থেকে রক্ষা করে বা সারিয়ে তুলতে সাহায্য করে।
৫. শরীরে বিষক্রিয়া কম করে
সর্ষে তে উপস্থিত প্রোটেক্টিভ ইমেটিক আমাদের শরীরে যে কোনো রকম বিষক্রিয়াকে কম করতে সাহায্য করে। ড্রাগস সেবন বা অতিরিক্ত মদ্যপানের ফলে শরীরে যে বিষক্রিয়া হয় সর্ষে তা কম করতে বা পুরোপুরি নষ্ট করতে সহায়ক।
৬. মাইগ্রেন
আমাদের খাদ্যে পটাসিয়াম এর অভাবে মাইগ্রেন নামক রোগটি হয়ে থাকে। আজকাল এর প্রকোপ খুব বেশি দেখা যাচ্ছে। সর্ষে দানায় প্রচুর পরিমানে ম্যাগনেসিয়াম থাকে, এছাড়া ওমেগা ৩ থাকার জন্য সর্ষে মাইগ্রেন রোগ সারাতে কার্যকরী।
৭. আর্থরাইটিস
সর্ষে দানায় প্রচুর পরিমানে ম্যাগনেসিয়াম এবং ক্যালসিয়াম ও সেলেনিয়াম থাকে। ফলত এটি আমাদের রিউমেটিক আর্থরাইটিস হওয়ার প্রবণতা কে কম করে।
৮. ত্বক ও চুল
সর্ষে আমাদের ত্বক ও চুলের জন্য অত্যন্ত উপকারী একটি উপাদান।
22/10/2021
তেঁতুল হল এক প্রকারের টকফল। তেঁতুল সম্পর্কে অনেকের ভুল ধারনা আছে। যে তেঁতুল খেলে শরীরের রক্ত পাতলা হয়ে যায়। তেঁতুল খেলে নানা সমস্যা দেখা দেয়।কিন্তু এই ধারনা ভুল। সম্প্রতি একটি গবেষণা থেকে জানা গিয়েছে তেঁতুল শরীরের জন্য উপকারি একটি ফল। তেঁতুলের উপাদান সমূহ মানব শরীরের জন্য প্রয়োজনীয়।
তেঁতুলের যে সমস্ত পুষ্টিকর উপদান সমূহ থাকে তা হলঃ
ক্যালরি – ২৩৯ গ্রাম, প্রোটিন-২.৮ গ্রাম, সরকরা-৬২.৫ গ্রাম, ফাইবার-৫.১ গ্রাম, চর্বি-০.৬ গ্রাম, ফস্ফরাস-১১৩ মিলিগ্রাম, ক্যালশিয়াম-৭৪ মিলিগ্রাম, ভিটামিন সি-২ মিলিগ্রাম, ভিটামিন বি -০.৩৮ মিলিগ্রাম, ভিটামিন ই-০.১ মিলিগ্রাম, কারতিন-৬০ মাইক্রোগ্রাম, সোডিয়াম-২৮ মিলিগ্রাম, ম্যাগনেসিয়াম-৯২ মিলিগ্রাম, মিনারেল বা খনিজ পদার্থ-২.৯ গ্রাম। এই সমস্ত উপাদান তেঁতুলে থাকায় তেঁতুল শক্তিশালী জৈব যৌগ, অ্যানটিঅক্সিডেনটের কাজ করে।
তেঁতুল হল নন- স্টার্চ পলিস্যাকারাইড বা ডায়াটারি ফাইবারের চমৎকার উৎস। যা খাবার সহজে হজম করাতে সাহায্য করে থাকে। খাবার হজমের সমস্যা থাকলে তেঁতুল খেলে সেই সমস্যা দ্রুত কমে যায়। টারটারিক নামক অ্যাসিড তেঁতুলে থাকে। এই অ্যাসিড খাবার হজম করতে সহায়তা করে। পেটের সমস্যার জন্য তেঁতুল খুবই উপকারি। পেটে গ্যাস জমে গেলে তেঁতুলের শরবত বানিয়ে খেলে দ্রুত উপশম পাওয়া যায়। তেঁতুল খিদে বাড়াতে সাহায্য করে। শিশুদের পেটে কৃমির সমস্যা বেশি হয়। তেঁতুল কৃমিনাশক হিসেবে কাজ করে। পাইলসের সমস্যায় অর্থাৎ পাইলস থেকে সমাধানে তেঁতুলের ব্যবহার করা হয়। তেঁতুলে ফাইবার থাকায় কোষ্ঠ কাঠিন্য প্রতিরোধে সাহায্য করে। এক্ষেত্রে তেঁতুল জোলাপ বা কোষ্ঠ পরিষ্কারক হিসেবে কাজ করে। পিত্ত রোগ বা অ্যাসিড রিফ্লাক্সের মত পেটের রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে।
তেঁতুল রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। তেঁতুলে উপস্থিত পটাশিয়াম দেহে তরলের ভারসাম্য রক্ষা করে। ফলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। হার্ট রেট এই একই কারনে নিয়ন্ত্রনে থাকে। তেঁতুলে থাকে আয়রন। আয়রন লাল রক্ত কণিকার উৎপাদন স্বাভাবিক রাখে। লাল রক্ত কণিকা উৎপাদনে সাহায্য করে। তেঁতুল শরীররে কোলেসটরল জমতে দেয় না। রক্তে কোলেসটরল কম থাকে তেঁতুল খেলে। ফলে হার্ট সুস্থ্য থাকে। হার্ট অ্যাটাক হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কমে যায়।
হাইড্রোক্সিসাইটিক অ্যাসিড থাকে তেঁতুলে। এই অ্যাসিড ওজন কমানোর পাশাপাশি ফ্যাট শরীরে জমতে দেয় না। তাছাড়া তেঁতুল সেরেটোনিন নিউরোট্রান্সমিটার বাড়িয়ে দেয় যার ফলে অতিরিক্ত খাবার ইচ্ছা কমে যায়। তাছাড়া তেঁতুল আলফা অ্যামাইলেজ এনজাইম কার্বোহাইড্রেট শোষণে বাঁধা দেয়। যা সহজে চিনি বা ফ্যাটে পরিবর্তিত হয়ে থাকে। ডায়াবেটিসের রোগীদের শরীরে অধিক মাত্রায় কার্বোহাইড্রেট গ্রহণ ইন্সুলিন ও গ্লুকোজের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। তেঁতুল এই ইন্সুলিন ও গ্লুকোজের মাত্রার ওঠা নামাকে খুব সহজে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে।
ফাইবার থাকে তেঁতুলে। এই ফাইবার কোলন ক্যান্সার সৃষ্টিকারী জীবাণুকে খুব সহজে প্রতিরোধ করে থাকে। ফলে কোলন ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। আগেও বলেছি তেঁতুলে টারটারিক অ্যাসিড থাকে। যা ফ্রি র্যাডিকেলের ক্ষতি থেকে দেহকে রক্ষা করে। ফলে ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি কমে। স্কার্ভি, ঠাণ্ডা লাগা, ও ফ্লোরেসিস ইত্যাদি সংক্রামক রোগ হওয়ার থেকে তেঁতুল রক্ষা করে। প্রতিরোধ করার সাথে সাথে তেঁতুল জ্বর কমাতেও সাহায্য করে।
তেঁতুলে আছে ভিটামিন ‘এ’। ভিটামিন ‘এ’ চোখের জন্য ভালো। ভিটামিন ‘এ’ মুখে বার্ধক্য জনিত বলিরেখা পরতে দেয় না। ফলে তেঁতুল খেলে ত্বকের শুষ্কতা ও রুক্ষতা কমে যায়। ত্বকের জেল্লা বাড়ে। তাছাড়া তেঁতুলে একপ্রকার রাসায়নিক আছে যা মিউসিনের মত কাজ করে। মিউসিন কর্নিয়ার সুরক্ষা করে। ১ গ্লাস জলে ১ চামচ তেঁতুলের ক্বাথ মিশিয়ে খেলে চোখ ভালো থাকে। তেঁতুল হালকা পোড়া বা জ্বলন থেকে নিরাময়ে সহায়তা করে।
22/10/2021
প্রতিদিন যাদের ভাতের সাথে একটি কাঁচা মরিচ(Green pepper) না খেলে চলেই না তাদের জন্য সুখবর হচ্ছে কাঁচা মরিচ স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। মরিচকে ঝাল বানায় এর বিশেষ উপাদান ক্যাপসাইকিন। কাঁচা মরিচ সাধারণত কাঁচা, রান্না কিংবা বিভিন্ন ভাজিতে দিয়ে খাওয়া হয়। এতে আছে ভিটামিন এ, সি, বি-৬, আয়রন, পটাশিয়াম এবং খুবই সামান্য পরিমাণে প্রোটিন ও কার্বোহাইড্রেট। ঝাল স্বাদের সব্জিগুলোতে থাকে বিটা ক্যারোটিন ও আলফা ক্যারোটিন(Carotene), বিটা ক্রিপ্টোক্সানথিন ও লুটেইন জিয়াক্সানথিন ইত্যাদি উপাদান। এই উপাদান গুলো মুখে লালা আনে ফলে খেতে মজা লাগে। এছাড়াও এগুলো ত্বক ও স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। দেখে নিন কাঁচা মরিচের স্বাস্থ্য উপকারিতাগুলো।
কাঁচা মরিচের স্বাস্থ্য উপকারিতা
গরম কালে কাঁচা মরিচ খেলে ঘামের মাধ্যমে শরীর ঠান্ডা থাকে।
প্রতিদিন একটি করে কাঁচা মরিচ খেলে রক্ত(Blood)জমাট বাধার ঝুঁকি কমে যায়।
নিয়মিত কাঁচা মরিচ খেলে হৃদপিণ্ডের বিভিন্ন সমস্যা কমে যায়।
কাঁচা মরিচ মেটাবলিসম বাড়িয়ে ক্যালোরি পোড়াতে সহায়তা করে।
কাঁচা মরিচে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বিটা ক্যারোটিন আছে যা কার্ডোভাস্ক্যুলার সিস্টেম কে কর্মক্ষম রাখে।
নিয়মিত কাঁচা মরিচ খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা(Immunity)বাড়ে।
কাঁচা মরিচ রক্তের কোলেস্টেরল কমায়।
কাঁচা মরিচে আছে ভিটামিন এ যা হাড়, দাঁত ও মিউকাস মেমব্রেনকে ভালো রাখতে সহায়তা করে।
কাঁচা মরিচে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি(Vitamin C) আছে যা মাড়ি ও চুলের সুরক্ষা করে।
নিয়মিত কাঁচা মরিচ খেলে নার্ভের বিভিন্ন সমস্যা কমে।
প্রতিদিন খাবার তালিকায় অন্তত একটি করে কাঁচা মরিচ রাখলে ত্বকে সহজে বলিরেখা পড়ে না।
কাঁচা মরিচে আছে ভিটামিন সি। তাই যে কোনো ধরণের কাটা-ছেড়া কিংবা ঘা শুকানোর জন্য কাঁচা মরিচ(Green pepper) খুবই উপকারী।
কাঁচা মরিচের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিন সি শরীরকে জ্বর, সর্দি, কাশি ইত্যাদি থেকে রক্ষা করে।
22/10/2021
বিশেষজ্ঞরা বলেন, মৌসুমি ফল খেলে শরীর সুস্থ থাকে। বাজারে গেলেই এখন চোখে পড়বে জিবে জল আনা সবুজ রঙের আমড়া। দামি ফল আপেলের চেয়ে আমড়ায় প্রোটিন, ক্যালসিয়াম ও আয়রনের পরিমাণ বেশি।
তাই বেছে নিতে পারেন আমড়া। আমড়া খেতে টক-মিষ্টি স্বাদের। এটি কাঁচা খাওয়ার পাশাপাশি সুস্বাদু আচার, চাটনি ও জেলি তৈরি করা যায়। অনেকে তরকারি হিসেবে রান্না করে খান।
মায়ো ক্লিনিকের তথ্য অনুযায়ী, দাঁতের মাড়ি ফুলে যাওয়া, দাঁতের গোড়া থেকে পুজ ও রক্ত পড়া, প্রচণ্ড ব্যথা হওয়া, খাবার খেতে অসুবিধা হওয়া, অকালে দাঁত ঝরে যাওয়া ইত্যাদি প্রতিরোধে আমড়ার ভূমিকা অনন্য। বিভিন্ন রকমের ভাইরাসজনিত সংক্রমণ, সর্দি, কাশি ও ইনফ্লুয়েঞ্জায় আমড়া অত্যন্ত উপকারী।
ঢাকার বারডেম জেনারেল হাসপাতালের খাদ্য ও পুষ্টি বিভাগের প্রধান পুষ্টিবিদ শামসুন্নাহার নাহিদের তথ্য অনুযায়ী, আমড়া খেলে মুখে রুচি বাড়ে। আমড়ায় জলীয় অংশ রয়েছে ৮৩ দশমিক ২, খনিজ শূন্য দশমিক ৬, লৌহ শূন্য দশমিক ৩৯, আঁশ শূন্য দশমিক ১, চর্বি শূন্য দশমিক ১, আমিষ ১ দশমিক ১, শর্করা ১৫, ক্যালসিয়াম শূন্য দশমিক ৫৫ শতাংশ। আমড়ায় প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি, লোহা, ক্যালসিয়াম আর আঁশ রয়েছে। হজমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। প্রচুর ভিটামিন সি থাকায় বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এর মধ্যে ভিটামিন সি রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। অসুস্থ ব্যক্তিরা আমড়া খেলে মুখের স্বাদ ফিরিয়ে আসে। এতে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম রয়েছে। শিশুদের দৈহিক গঠনে এটি খুব দরকারি। রক্তস্বল্পতাও দূর করে।
জেনে নিন আমড়ার ৭ গুণ
১. আমড়াতে প্রচুর আয়রন থাকায় রক্তস্বল্পতা দূর করতে বেশ প্রয়োজনীয়।
২. আমড়া পিত্তনাশক ও কফনাশক।
৩. আমড়া খেলে অরুচিভাব দূর হয়।
৪. মুখে রুচি ফিরে আসে, ক্ষুধা বৃদ্ধি করে।
৫. বদহজম ও কোষ্ঠকাঠিন্য রোধে আমড়া উপকারী।
৬. রক্ত জমাট বাঁধার ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
৭. অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে।
এ মৌসুমের দারুণ ফল হিসেবে তাই ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণ কিংবা ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে আমড়া খেতে পারেন। আমড়ায় থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে। ফলে সহজেই সুস্থ থাকতে পারবেন
22/10/2021
টমেটো একটি সুস্বাদু ও পুষ্টিকর সবজি। টমেটো শীতকালীন সবজি হলেও এখন সারা বছর পাওয়া যায়। কাঁচা কিংবা পাকা দুভাবে টমেটো খাওয়া যায়। খাবারের স্বাদ বাড়াতে টমেটোর জুড়ি মেলা ভার। অনেকে আবার সালাদে টমেটো খেয়ে থাকেন। শুধু খাবারে স্বাদই বাড়ায় না, টমেটো থেকে তৈরি হয় নানা রকমের কেচাপ, সস।
• পুষ্টিতে ভরপুর টমেটো। এতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, সি, কে, ফলেট এবং পটাসিয়াম। টমেটো থেকে আরও পাওয়া যায় থায়ামিন, নায়াসিন, ভিটামিন বি৬, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস এবং কপার। এ ছাড়াও এই এক কাপের টমেটোর মধ্যেই থাকে দুই গ্রামের মতো ফাইবার। অনেকটা পানিও রয়েছে এর মধ্যে।
• চর্মরোগের জন্য টমেটো অত্যন্ত কার্যকর উপাদান। ত্বকে যদি কোনো সমস্যা হয়ে থাকে, তবে প্রক্রিয়াজাত করে টমেটোর ব্যবহার করতে পারেন। চর্মরোগ নিরাময়ে এর রস কাজ করে থাকে।
• মুখের সৌন্দর্য ধরে রাখতে এবং বয়সের ছাপ দূর করতে টমেটো বেশ কার্যকর। এর রস মুখের ত্বক মসৃণ ও কোমল করে। বয়স বাড়তে থাকলে মানুষের মুখে যে বয়সের ছাপ পড়ে, তা টমেটো দেওয়ার ফলে সেই ছাপ লুকাতে সাহায্য করে।
• এটি খেলে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে একটি বা দুটি টমেটো খেলে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে অনেক ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে সাহায্য করে।
• রক্তস্বল্পতা দূরীকরণে সাহায্য করে। যাঁরা রক্তস্বল্পতায় ভুগছেন, তাঁদের জন্য টমেটো বেশ উপকারী। প্রতিদিন
এক বা দুইবার টমেটো খেলে রক্তস্বল্পতার সমস্যা অনেকটাই দূর হতে পারে।
• সর্দি-কাশি প্রতিরোধেও টমেটো বেশ কার্যকর। সর্দি-কাশি হলে এক বা দুটি টমেটো নিয়ে স্লাইস করে অল্প চিনি বা অল্প লবণ দিয়ে পাত্রে গরম করে স্যুপ তৈরি করে খেতে পারেন। এর ফলে সর্দি-কাশিতে উপকার পাবেন।
• জ্বরের নিরাময়ে সহায়ক। গায়ের তাপমাত্রা নানান কারণে বাড়তে পারে। সামান্য জ্বর হলে টমেটো খেলেই আরাম পেতে পারেন।
• মাড়ি থেকে রক্তপাত নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। ভিটামিন সির অভাবে মাড়ি থেকে যদি রক্তপাত হয়। টমেটোতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি রয়েছে। তাই প্রতিদিন একটি করে টমেটো খেলে মাড়ি থেকে যদি রক্তপাতের বিষয় থাকে উপকার পাবেন।
• নিয়মিত টমেটো খেলে ত্বক সুস্থ থাকে। আর ত্বক হয়ে উঠবে প্রাণবন্ত। সূর্যের ক্ষতি থেকে ত্বককে রক্ষা করে। ফলে ত্বকে বলিরেখা পড়ার পরিমাণ কমে যায়।
• টমেটোর মধ্যে রয়েছে লাইকোপেন এবং ভিটামিন এ। যা অ্যাজমা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এই রোগকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে তাই নিয়মিত টমেটো খেতে পারেন।
• এর মধ্যে রয়েছে ক্যালসিয়াম। যা হাড়ের জন্য অনেক উপকার। আপনার হাড় দুর্বল থাকে তবে টমেটো খেতে পারেন।
টমেটো সস ও কেচাপ যেকোনো খাবারের সঙ্গে বিশেষ করে মুখরোচক ভাজাভাজি বা নাশতার সঙ্গে খেলে মজা লাগে। আজকাল নানা নতুন কায়দার গরুর মাংস, মুরগির মাংস রান্নায় টমেটো সস মেশানো হয়। তাতে স্বাদে ভিন্নতা আসে। খেতেও সুস্বাদু হয়।
22/10/2021
সারা বিশ্বে আবাদ হওয়ার দিক থেকে ৪ নম্বরে রয়েছে যে সবজিটি, সেটি হলো শসা। শসার রয়েছে হরেক গুণ। রূপচর্চা ও মেদ নিয়ন্ত্রণসহ নানা উপযোগিতা আছে এই সহজলভ্য সবজির।
শসার হাজার গুণের মধ্যে ১৪টি গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরেছেন খাদ্য বিশেষজ্ঞরা। আসুন, একবার নজর বোলাই:
দেহের পানিশূন্যতা দূর করে
ধরুন আপনি এমন কোথাও আছেন, যেখানে হাতের কাছে পানি নেই, কিন্তু শসা আছে। বড়সড় একটা শসা চিবিয়ে খেয়ে নিন। পিপাসা মিটে যাবে। আপনি হয়ে উঠবেন চনমনে।কারণ, শসার ৯০ শতাংশই পানি।
দেহের ভেতর-বাইরের তাপ শোষক
কখনো কখনো আপনি শরীরের ভেতর-বাইরে প্রচণ্ড উত্তাপ অনুভব করেন। দেহে জ্বালাপোড়া শুরু হয়। এ অবস্থায় একটি শসা খেয়ে নিন।এ ছাড়া সূর্যের তাপে ত্বকে জ্বালা অনুভব করলে শসা কেটে ত্বকে ঘষে নিন। নিশ্চিত ফল পাবেন।
বিষাক্ততা দূর করে
শসার মধ্যে যে পানি থাকে তা আমাদের দেহের বর্জ্য ও বিষাক্ত পদার্থ অপসারণে অনেকটা অদৃশ্য ঝাটার মতো কাজ করে। নিয়মিত শসা খাওয়ায় কিডনিতে সৃষ্ট পাথরও গলে যায়।
প্রাত্যহিক ভিটামিনের শূন্যতা পূরণ করে
প্রতিদিন আমাদের দেহে যেসব ভিটামিনের দরকার হয়, তার বেশির ভাগই শসার মধ্যে বিদ্যমান। ভিটামিন এ, বি ও সি আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও শক্তি বাড়ায়। সবুজ শাক ও গাজরের সঙ্গে শসা পিষে রস করে খেলে এই তিন ধরনের ভিটামিনের ঘাটতি পূরণ হবে।
ত্বকবান্ধব খনিজের সরবরাহকারী
শসায় উচ্চমাত্রায় পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও সিলিকন আছে, যা ত্বকের পরিচর্যায় বিশেষ ভূমিকা রাখে। এ জন্য ত্বকের পরিচর্যায় গোসলের সময় শসা ব্যবহার করা হয়।
হজম ও ওজনহ্রাসে সহায়ক
শসায় উচ্চমাত্রায় পানি ও নিম্নমাত্রার ক্যালরিযুক্ত উপাদান রয়েছে। ফলে যাঁরা দেহের ওজন কমাতে চান, তাঁদের জন্য শসা আদর্শ টনিক হিসেবে কাজ করবে। যাঁরা ওজন কমাতে চান, তাঁরা স্যুপ ও সালাদে বেশি বেশি শসা ব্যবহার করবেন। কাঁচা শসা চিবিয়ে খেলে তা হজমে বড় ধরনের ভূমিকা রাখে। নিয়মিত শসা খেলে দীর্ঘমেয়াদি কোষ্ঠ-কাঠিন্য দূর হয়।
চোখের জ্যোতি বাড়ায়
সৌন্দর্যচর্চার অংশ হিসেবে অনেকে শসা গোল করে কেটে চোখের পাতায় বসিয়ে রাখেন।এতে চোখের পাতায় জমে থাকা ময়লা যেমন অপসারিত হয়, তেমনি চোখের জ্যোতি বাড়াতেও কাজ করে।চোখের প্রদাহপ্রতিরোধক উপাদান প্রচুর পরিমাণে থাকায় ছানি পড়া ঠেকাতেও এটি কাজ করে।
ক্যানসার প্রতিরোধে কাজ করে
শসায় সিকোইসোলারিসিরেসিনোল, ল্যারিসিরেসিনোল ও পিনোরেসিনোল—এ তিনটি আয়ুর্বেদিক উপাদান আছে। জরায়ু, স্তন ও মূত্রগ্রন্থিসহ বিভিন্ন স্থানে ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি কমানোর সঙ্গে এই তিন উপাদানের জোরালো সম্পর্ক রয়েছে।
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে
ডায়াবেটিস থেকে মুক্তি দেয়, কোলস্টেরল কমায় ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে।
মুখ পরিষ্কার রাখে
দুর্গন্ধযুক্ত সংক্রমণে আক্রান্ত মাড়ির চিকিৎসায় শসা দারুণ কাজ করে। গোল করে কাটা এক স্লাইস শসা জিহ্বার ওপরে রেখে সেটি টাকরার সঙ্গে চাপ দিয়ে আধা মিনিট রাখুন। শসার সাইটোকেমিক্যাল এর মধ্যে বিশেষ বিক্রিয়া ঘটিয়ে আপনার মুখের জীবাণু ধ্বংস করবে। সজীব হয়ে উঠবে আপনার নিঃশ্বাস।
চুল ও নখ সতেজ করে
শসার মধ্যে যে খনিজ সিলিকা থাকে তা আমাদের চুল ও নখকে সতেজ ও শক্তিশালী করে তোলে। এ ছাড়া শসার সালফার ও সিলিকা চুলের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
গেঁটেবাত থেকে মুক্তি
শসায় প্রচুর পরিমাণে সিলিকা আছে। গাজরের রসের সঙ্গে শসার রস মিশিয়ে খেলে দেহের ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা নেমে আসে। এতে গেঁটেবাতের ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
মাথাধরা থেকে নিষ্কৃতি
ভোরে ঘুম থেকে ওঠার পর অনেকের মাথা ধরে। শরীর ম্যাজম্যাজ করে। শসায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি ও সুগার আছে। তাই ঘুমাতে যাওয়ার আগে কয়েক স্লাইস শসা খেয়ে নিলে ভোরে ঘুম থেকে ওঠার পর এ সমস্যা থাকবে না।
কিডনি সুস্থ রাখে
শরীরের ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা ঠিক রাখে শসা। এতে কিডনি থাকে সুস্থ ও সতেজ।
22/10/2021
জনপ্রিয় সবজির মধ্যে পটল অন্যতম ও জনপ্রিয় একটি সবজি। এই পটলের রয়েছে বিভিন্ন ব্যবহার। ভর্তা, ভাজি, মাছ এবং সেই সঙ্গে বিভিন্ন সবজির সঙ্গেও রান্না করে খাওয়া হয় পটল। ইলিশ-পটলের ঝোল জনপ্রিয় একটি রেসিপি। সারা বছরই বাজারে পাওয়া যায় পটল। ছোট এই সবজিটি দেখতেও খুব সুন্দর। পটলের ইংরেজী নাম Multitude।
নেপালে অসুস্থ্য রোগীদের পটলের স্যুপ খাওয়ানো হয়। দক্ষিণ এশিয়া ও ওয়েস্ট ইন্ডিজে আলুর সঙ্গে রান্না করা হয়। ইন্দোনেশিয়ায় পটল বৈচিত্রময় রান্নায় ব্যবহার করা হয় যেমন- স্টার ফ্রাই, নারিকেল দুধে অথবা ভাপে সিদ্ধ করে রান্না করা হয়। এটি এশিয়া ছাড়াও অস্ট্রেলিয়াতে পাওয়া যায়।
পটল একটি পুষ্টিকর খাদ্য। এতে ভিটামিন এ, ভিটামিন বি ১, ভিটামিন বি ২ ও ভিটামিন সি, ক্যালসিয়াম ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। পটল সবজি হিসেবেই আমরা খেয়ে থাকি কিন্তু এই পটল ও এর বিচিতে রয়েছে অগণিত স্বাস্থ্য উপকারিতা। যা অনেকেই জানেন না।
আসুন জেনে নি পটলের স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে-
হজমে সাহায্য করে
সবুজ রঙের এই সবজিটিতে ভালো পরিমাণে ফাইবার থাকে যা খাদ্য হজমে সাহায্য করে। এছাড়াও এটি গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সমস্যা সমাধানে এবং লিভারের সঙ্গে সম্পর্কিত সমস্যা সমাধানেও সাহায্য করে। পটলের সঙ্গে ধনে পাতা হালকা ছেঁচে পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। মিশ্রণটি তিন বারে পান করুন। হজম শক্তিতে বেশ উপকার পাবেন।
কোষ্ঠকাঠিন্য নিরাময় করে
পটলের বিচিও স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। যা কোষ্ঠকাঠিন্য নিরাময়ে এবং মল নির্গমনে সাহায্য করে।
ওজন কমতে সাহায্য করে
পটলে ক্যালরির পরিমাণ কম থাকে। তাই ওজন কমানোর জন্য নিশ্চিন্তে পটলের তরকারি খেতে পারেন। এটি পেট ভরা রাখতে ও ক্ষুধা কমাতে সাহায্য করে। পটলের বিচিতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকায় রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা সঠিক থাকে ও চিনির পরিমাণ স্বাভাবিক থাকে। ফলে হৃদরোগ ও ডায়বেটিসের ঝুঁকি থাকে না। তাই নিয়মিত বেশি করে পটল খান।
রক্ত পরিষ্কার করে
নিয়মিত পটল খেলে রক্ত পরিষ্কার থাকে। ফলে ত্বক ভাল থাকে। এর ফলে ত্বকের যত্নেও এই সবুজ সবজিটি ভালো কাজ করে।
কোলেস্টেরল ও ব্লাড সুগার কমায়
পটলের ছোট গোলাকার বিচিগুলো কোলেস্টেরল ও ব্লাড সুগারের মাত্রা প্রাকৃতিকভাবে কমাতে সাহায্য করে।
ফ্লু নিরাময়ে সাহায্য করে
আয়ুর্বেদী চিকিৎসায় ঠাণ্ডা, জ্বর ও গলা ব্যথা কমতে ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করা হয় পটল।
বয়সের ছাপ দূর করে
পটলে ভিটামিন এ ও সি থাকে এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে বলে ত্বকের জন্য উপকারী। ফ্রি র্যাডিকেলের বিস্তার রোধ করে বয়সের ছাপ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে পটল।
মাথাব্যাথা কমায়
সবুজ পটলের রস মাথায় লাগালে মাথাব্যাথা দূর হবে এবং যাদের অল্প বয়সে টাকের সমস্যা রয়েছে তাদের টাক সমস্যাও দূর হবে।
22/10/2021
লেবুতে রয়েছে বিভিন্ন পুষ্টি উপাদানের সমারোহ যা শরীরকে বিভিন্ন ক্যান্সারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সাহায্য করে
আমরা প্রাত্যহিক জীবনে লেবু, সকলেই কম বেশি খেয়ে থাকি। সাধারণত খাবারের স্বাদ বাড়ানোর ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করা হয় । আবার অনেকে এটির আচার তৈরি করেও খেয়ে থাকেন। লেবু আকারে ছোট ফল হলেও এর উপকারিতা প্রচুর আর পুষ্টিগুণেও ভরপুর।
আসুন জেনে নিন লেবুর অসাধারণ কিছু উপকারিতা-
ক্যান্সার প্রতিরোধ করে
লেবুতে রয়েছে বিভিন্ন পুষ্টি উপাদানের সমারোহ যা শরীরকে বিভিন্ন ক্যান্সারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সাহায্য করে। নিয়মিত লেবু খাদ্যতালিকায় রেখে আমারা ক্যান্সারের হাত থেতে রক্ষা পেতে পারি।
পাকস্থলীকে সুস্থ রাখে
যারা পেটের গোলযোগে ভুগছেন তাদের জন্য লেবু আদর্শ টনিক। পেটের গোলযোগের মধ্যে ডায়রিয়া, বদহজম, কোষ্টকাঠিন্য, আমাদের অস্বস্তিতে ফেলে দেয়, শুরুতে এক গ্লাস লেবু+লবন পানি আপনাকে এই যন্ত্রনা থেকে মুক্তি দেবে। লেবুর সঙ্গে এক চা চামচ মধু হলে আরো ভাল।
ফুসফুসের জন্য ভাল
লেবু ফুসফুসের যত্ন নেয় এবং শরীর থেকে বিষাক্ত দ্রব্য বের করে দেয়, লেবু শরীরের চর্বি ও লিপিডের মাত্রা কম রাখে।
ক্ষত সারায়
লেবুর উচ্চ ভিটামিন যা শরীরের রোগ প্রতিরোধী ক্ষমতা বৃদ্ধি করে যে কোন ভাইরাস জনিত ইনফেকশন যেমন ঠান্ডা, সর্দি, জ্বর দমনে লেবু খুব কার্যকারী, মুত্রনালীর ক্ষত সারাতেও লেবুর গুরুত্ব রয়েছে।
হাইপার টেনশন কমায়
যারা খাবারে যথেষ্ট পটাশিয়াম গ্রহণ করে না, তারা সহজেই নান রকম হৃদরোগে আক্রন্ত হয়ে পড়ে। লেবুর রসে যথেষ্ট পরিমান পটাশিয়ামরয়েছে যা হাইপার টেনশন কমাতে সাহয্য করে।
ত্বকের যত্নে
প্রাকৃতিক পরিষ্কারক হিসাবে লেবুর জুড়ি নেই, এটি ত্বকের লাবণ্য ধরে রাখতে সাহায্য করে, মধুর সাথে লেবুর রস মিশিয়ে ব্যবহার করলে ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়। এটি ত্বকের সংকোচন সৃষ্টিকারী পদার্থকে নিয়ন্ত্রণ রাখে। চামড়ার অতিরিক্ত তেল অপসারণ করে। লেবুর রস প্রাকৃতিক অ্যানটি সেপটিক। ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ দূর করে। ব্রণ সারিয়ে তোলে, ত্বকের রং উজ্জ্বল করে। বয়সের বলিরেখা দূর করে।
মুখের দুর্গন্ধ দুর করে
মাড়ির ব্যথা, দাঁতের সমস্যা, মুখের দুর্গন্ধ দূর করে। লেবুর পানি খাবার পর দাঁত ব্রাশ করার প্রয়োজন নেই।
নখকে সুন্দর করে
একটুকরা লেবু দিয়ে নখ পলিশ করলে নখ তার বিবর্ণতা থেকে উজ্জল রং ফিরে পায়। লেবুর পানিতে পাওজন কমাতে
নিয়মিত ফ্রেশ লেবুর জুস+পানি খেলে ধীরে ধীরে ওজন কমাতে সাহয্য করবে।
পিএইচ মাত্রা নিয়ন্ত্রণ
শুনলে অবাক হতে হয়, লেবু অম্লীয় হওয়া সত্ত্বেও শরীরে প্রয়োজনে ক্ষারধর্মী আচরণ করে। এটি শরীরে এসিডিটি তৈরি করে না। এটি শরীরের পিএইচ মাত্রাকে সঠিক অবস্থায় রাখে। লেবুর রস+লবণপানি পান করলে পিএইচ মাত্রা ঠিক থাকে।
গর্ভবতী নারীদের সুস্থতায়
গর্ভবতী নারীদের জন্য খুবই ভালো লেবুজল। এটা শুধু গর্ভবতীর শরীরই ভালো রাখে না বরং গর্ভের শিশুর অনেক বেশি উপকার করে। লেবুর ভিটামিন সি ও পটাশিয়াম শিশুর হাড়, মস্তিষ্ক ও দেহের কোষ গঠনে সহায়তা করে।
শ্বাসকষ্ট নিরাময়ে
যাদের হালকা শ্বাসকষ্ট আছে, তারা নিয়ম করে খাবারের আগে এক চামচ লেবুর রস খেতে পারেন। যারা মাইল্ড অ্যাজমায় ভুগছেন, লেবুর রস তাদের জন্য ওষুধের বিকল্প হিসেবেই কাজ করবে।
বয়সের ছাপ দূর করে
বয়সের ছাপ পড়ে বলিরেখার মাধ্যমে। তাছাড়া অনেকের এমনিতেই বলিরেখা পড়তে পারে। লেবুর রস এই বলিরেখা দূর করতে দারুণ কার্যকর। রেখাগুলোতে লেবুর রস দিয়ে ১৫ মিনিট রাখুন ও ধুয়ে ফেলুন।, হাত, ডুবিয়ে রাখলেও একটি উপকার হয়।
22/10/2021
আম আমাদের সবার পছন্দের একটা ফল। আম খেতে যেমন সুস্বাদু তেমনি এর রয়েছে অসংখ্য উপকারিতা। ভিটামিন , মিনারেল এবং এন্টি অক্সিডেন্ট সহ আমাদের শরীরের জন্য উপকারী এবং প্রয়োজনীয় অনেক উপাদানই আমের মধ্যে রয়েছে।
আজকের এই আর্টিকেলে আমরা আমের ১০ টি উপকারিতার কথা জানব।
১। ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করেঃ বিভিন্ন রিসার্চে দেখা গেছে আমের মধ্যে থাকা এন্টি অক্সিডেন্ট, কোলন ক্যান্সার, ব্রেস্ট ক্যান্সার, প্রোস্টেট ক্যান্সার এবং লিউকেমিয়া সহ বিভিন্ন রকমের ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে।
২। কোলেস্ট্রেলরের মাত্রা কমায়ঃ আমে প্রচুর পরিমাণ ফাইবার, পেক্টিন এবং ভিটামিন সি আছে। এইসব উপাদান শরীরের খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে আমাদের সুস্থ থাকতে সাহায্য করে।
৩। ত্বক সুন্দর রাখেঃ আম খেলে বা ত্বকের উপর ব্যবহার, দুইটাই ত্বকের জন্য উপকারী। আম আমাদের ত্বকের বন্ধ হয়ে যাওয়া লোমকূপ খুলে দিয়ে ব্রণ থেকে আমাদের ত্বককে রক্ষা করে।
৪। চোখের স্বাস্থ্যের উন্নতি করেঃ ভিটামিন এ আমাদের দৃষ্টিশক্তি ও চোখের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই জরুরী। এক কাপ আমে আমাদের প্রতিদিনের ভিটামিনের এ এর চাহিদার ২৫% ভিটামিন এ থাকে। নিয়মিত আম খেলে এটি আমাদের রাতকাণা রোগ ও শুষ্ক চোখের সমস্যা থেকে দূরে রাখবে।
৫। শরীরের অম্ল অ ক্ষারের ভারসাম্য রক্ষা করেঃ আমে টারটারিক এসিড, ম্যালিক এসিড এবং সাইট্রিক এসিড থাকে যা আমাদের শরীরের অম্ল অ ক্ষারের ভারসাম্য রক্ষায় সাহায্য করে।
৬। ডায়বেটিস প্রতিরোধে সাহায্য করেঃ আমের পাতায় এমন উপাদান আছে যা আমাদের রক্তের ইন্সুলিনের মাত্রা স্বাভাবিক করতে সাহায্য করে। গরম পানিতে আমের পাতা সিদ্ধ করে, সারারাত সেই পানিতে পাতা ভিজিয়ে ভোর বেলা সেই পানি খেলে উপকার পাওয়া যায়।
৭। হজমে সাহায্য করেঃ আমে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার আছে যা আমাদের হজমে সাহায্য করে।
৮। প্রচণ্ডে গরমে হিট স্ট্রোক থেকে বাঁচতে আম খানঃ প্রচণ্ড গরমে কাঁচা আমের জুস আমাদের শরীরকে প্রশান্ত অ ঠাণ্ডা করে। প্রচণ্ড গরমে আমাদের শরীর থেকে অধিক পরিমাণ পানি বের হয়ে যায়। ফলে শরীরে পানির পরিমাণ কমে যায় এবং টক্সিক পদার্থের মাত্রা বেড়ে যায়। গরমের সময় আমের জুস শরীরের পানি শুন্যতা যেমিওন দূর করে তেমনি ক্ষতিকর পদার্থ শরীর থেকে বের করে দেয়।
৯। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়ঃ আমে প্রচুর ভিটামিন সি, এ এবং প্রায় ২৫ রকমের ক্যারটিনয়েড আছে যা আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে আমাদের সাস্থবান বানায়।
১০। এজমা প্রতিরোধে সাহায্য করেঃ আমের মধ্যে থাকা ভিটামিন সি কিছু কিছু ক্ষেত্রে এজমা অ্যাটাক প্রতিরোধে সাহায্য করে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Chittagong CDA Avenue Modina Market Third And Fifth Floor
Chittagong
4217
