T Shop
Welcome to T Shop
T Shop Bd for your good Health and Beauty We have A great collection of Health and Beauty products online.
Order best Health & Beauty now in Bangladesh at best price .
21/03/2023
বদলাচ্ছে দিন বদলাচ্ছে স্বা'স্থ্যবিজ্ঞান। তাই আধুনিক বিশ্বে স্মা'র্ট'নেস সবারই প্রত্যাশা।
✅বিশ্বমানের সেবা নিন ঘরে বসেই।ন্যাচারাল উপাদানের তৈরি বাংলাদেশে এই প্রথম ফ্যা'ট বা'র্নিং স্লি'মিং টি সেবনের এর মাধ্যমে নিজেকে করে তুলুন ফি'ট এবং স্মা:র্ট।
বিস্তারিত জানতে অপশনে ক্লিক করুন অথবা কল করুন 01568036097
ধন্যবাদ।
19/03/2023
চা খেয়েই নিজেকে রাখুন স্মা'র্ট & ফি'ট...
থাকছে..
সিলভার প্যাকেজ ৫*৭ কেজি
গোল্ডেন প্যাকেজ ১০*১৩ কেজি
প্লাটিনাম প্যাকেজ ১৭*২০ কেজি
বিস্তারিত জানার জন্য কল করুন 01568036097 অথবা অপশনে ক্লিক করুন ধন্যবাদ।
বদলাচ্ছে দিন বদলাচ্ছে স্বা'স্থ্যবিজ্ঞান। তাই আধুনিক বিশ্বে স্মা'র্ট'নেস সবারই প্রত্যাশা।
✅বিশ্বমানের সেবা নিন ঘরে বসেই।ন্যাচারাল উপাদানের তৈরি বাংলাদেশে এই প্রথম ফ্যা'ট বা'র্নিং স্লি'মিং টি সেবনের এর মাধ্যমে নিজেকে করে তুলুন ফি'ট এবং স্মা:র্ট।
বিস্তারিত জানতে সেন্ড মেসেজ অপশনে ক্লিক করুন অথবা কল করুন 01568036097
ধন্যবাদ।।
05/03/2023
05/03/2023
মূলত পরিপাক তন্ত্রের কার্যক্ষমতা বাড়ানোর মধ্য দিয়ে আপনার হজম ক্রিয়া সচল রাখতে সহায়তা করে হলুদ। এ ছাড়া ওজন কমাতেও হলুদ বেশ উপকারী। স্থূলতা বাড়াতে থাকা টিস্যুর গ্রোথ কমিয়ে আনতে সহায়তা করে এ মসলাটি। এ ছাড়া ত্বকের বলিরেখা, কালো দাগসহ ত্বকের রুক্ষতা কমাতে হলুদ বেশ কার্যকর।
05/03/2023
শিমে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ফাইবার, ভিটামিন আর মিনারেল আছে। শিমের বিচি শরীরে প্রয়োজনীয় প্রোটিনের চাহিদা মেটাতে সাহায্য করে। এই শীতে নিয়মিত শিম খেলে ত্বক ভালো থাকবে। শিমের বিভিন্ন ধরনের পুষ্টিগুণ ও শিমের মধ্যে থাকা খনিজ চুল পড়া রোধে সহায়তা করে এবং চুলের স্বাস্থ্য সুরক্ষায়ও উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে।
05/03/2023
মটরশুঁটি শরীরের ব্যথা বেদনা কমাতে সাহায্য করে। এর অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান হৃদরোগ, ক্যানসার ইত্যাদিতে প্রতিরোধ শক্তি গড়ে তোলে। সঙ্গে অ্যালজাইমারস‚ আর্থারাইটিস‚ ব্রাংকাইটিস এবং অস্টিওপোরসিস রোধ করে। ত্বকে বলিরেখাও পড়তে দেয় না।
05/03/2023
জানেন কি, আদার মতো এলাচও পেটের নানা সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে কার্যকরী এক উপাদান। অ্যাসিডিটির সমস্যা দূর করা থেকে শুরু করে পরিপাকতন্ত্র সক্রিয় রাখতে ও হজম বাড়াতে এলাচ অনেক উপকারী। এ ছাড়াও বুক জ্বালা, বমি বমি ভাব থেকে মুক্তি পেতে মুখে একটি এলাচ রাখুন। >> শরীরের ক্ষতিকর টক্সিনও দূর করতে পারে এলাচ।
05/03/2023
ওজন কমায় : যারা ওজন কমাতে চান তাদের জন্য একটি ভালো খাবার হচ্ছে কচুর ছড়া। কারণ এর ক্যালরির পরিমাণ খুবই কম। হজম সহায়ক : এই সবজিতে প্রচুর ফাইবার থাকে বলে পরিপাক প্রক্রিয়ার জন্য খুবই উপকারী। এটি দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে।
যেমন- ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়, একজিমা সারায়, চুল পরিষ্কার, ঝলমলে ও কোমল ভাব আনে, দাঁত ও গলা ব্যথা কমাতে, কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে, মাতৃদুগ্ধ বাড়াতে, অনিয়ন্ত্রিত ঋতুস্রাবের সমস্যা সমাধানে, ওজন নিয়ন্ত্রনে, রক্তক্ষরণ বন্ধ করতে সাহায্য করে কচুরিপানা। যারা এর ব্যবহার ও উপকারিতা জানেন, তাদের কাছে এটি একটি সম্পদ।
05/03/2023
কাঁঠালে চর্বির পরিমাণ নিতান্ত কম। এই ফল খাওয়ার কারণে ওজন বৃদ্ধির আশংকা কম।২। কাঁঠাল পটাশিয়ামের উৎকৃষ্ট উৎস। ১০০ গ্রাম কাঁঠালে পটাশিয়ামের পরিমাণ ৩০৩ মিলিগ্রাম। যারা পটাশিয়াম উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। এ জন্যে কাঁঠালে উচ্চ রক্ত চাপের উপশম হয়।৩। কাঁঠালে প্রচুর ভিটামিন এ আছে, যা রাতকানা রোগ প্রতিরোধ করে।৪। কাঁঠালের অন্যতম উপযোগিতা হল ভিটামিন সি। প্রাকৃতিকভাবে মানবদেহে ভিটামিন “সি” তৈরি হয় না। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি দাঁতের মাড়িকে শক্তিশালী করে ভিটামিন “সি”।৫। কাঁঠালে বিদ্যমান ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস- আলসার, ক্যান্সার, উচ্চ রক্তচাপ এবং বার্ধক্য প্রতিরোধে সক্ষম।৬। কাঁঠালে আছে শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা আমাদের দেহকে ক্ষতিকর ফ্রির্যাডিকেলস থেকে রক্ষা করে। এছাড়াও আমাদেরকে সর্দি-কাশি রোগের সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে।৭। টেনশন এবং নার্ভাসনেস কমাতে কাঁঠাল বেশ কার্যকরী।৮।বদহজম রোধ করে কাঁঠাল।৯। কাঁঠাল গাছের শেকড় হাঁপানী উপশম করে। শেকড় সেদ্ধ করলে যে উৎকৃষ্ট পুষ্টি উপাদান নিষ্কাশিত হয় তা হাঁপানীর প্রকোম নিয়ন্ত্রণে সক্ষম।১০। চর্মরোগের সমস্যা সমাধানেও কাঁঠালের শেকড় কার্যকরী। জ্বর এবং ডায়রিয়া নিরাময় করে কাঁঠালের শেকড়।১১।কাঁঠালে আছে বিপুল পরিমাণে খনিজ উপাদান ম্যাঙ্গানিজ যা রক্তে শর্করা বা চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।১২।কাঁঠালে বিদ্যমান ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়ামের মত হাড়ের গঠন ও হাড় শক্তিশালী করণে ভূমিকা পালন করে।১৩।কাঁঠালে আছে ভিটামিন বি৬ যা হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।১৪।কাঁঠালে বিদ্যমান ক্যালসিয়াম কেবল হাড়ের জন্য উপকারী নয় রক্ত সংকোচন প্রক্রিয়া সমাধানেও ভূমিকা রাখে।১৫।ছয় মাস বয়সের পর থেকে মায়ের দুধের পাশাপাশি শিশুকে কাঁঠালের রস খাওয়ালে শিশুর ক্ষুধা নিবারণ হয়। অন্যদিকে তার প্রয়োজনীয় ভিটামিনের অভাব পূরণ হয়।১৬।চিকিৎৎসা শাস্ত্র মতে প্রতিদিন ২০০ গ্রাম তাজা পাকা কাঁঠাল খেলে গর্ভবতী মহিলা ও তার গর্ভধারণকৃত শিশুর সব ধরনের পুষ্টির অভাব দূর হয়।১৭।গর্ভবতী মহিলারা কাঁঠাল খেলে তার স্বাস্থ্য স্বাভাবিক থাকে এবং গর্ভস্থসন্তানের বৃদ্ধি স্বাভাবিক হয়।১৮।দুগ্ধদানকারী মা তাজা পাকা কাঁঠাল খেলে দুধের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।১৯।এই ফল আঁশালো বিধায় কোষ্ঠকাঠিণ্য দূর করে।২০।কাঁঠালে রয়েছে খনিজ উপাদান আয়রন যা দেহের রক্তাল্পতা দূর করে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Chittagong
4000
