E-Health Shop
E-commerce our products is permission in Bangladesh science Lab
17/07/2023
রোগা শরীর নিয়ে বহুদিন ধরে চিন্তিত আছেন তাইনা.
তো আর চিন্তা না করে এখনই অর্ডার করুন ভিটা-প্রোটিন.!
02/04/2023
পুষ্টিগুণে ভরপুর টমেটো। কাঁচা বা রান্না করা, জুস বা কেচাপ, মিষ্টি, টক বা নোনতা যেকোনো উপায়েই এটি খাওয়া যায়। অনেকে আবার সালাদ বানিয়ে টমেটো খান। রান্নায় স্বাদ এবং রং আনতে টমেটোর জুড়ি মেলা ভার। টমেটো পটাশিয়ামের ঘাটতি পূরণ করে। এ ছাড়াও টমেটোতে রয়েছে ভিটামিন সি, ভিটামিন কে এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট লাইকোপিন। টমেটোর বাকি গুণাগুণ চলুন জেনে নেওয়া যাক।
১. টমেটোতে প্রচুর পরিমাণে মিনারেল থাকায় তা আমাদের শরীরের রক্তচাপ সঠিক মাত্রায় রাখে এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা সঠিক রাখে।😊
২. টমেটো দাঁত এবং হাড়ের জন্য খুবই উপকারী। টমেটোতে থাকা ক্যালসিয়াম হাড় শক্ত রাখে এবং হাড়ের সঠিক গঠনে সাহায্য করে। এ ছাড়া দাঁতকে সুস্থ রাখতে টমেটো কার্যকর।😃
৩. টমেটোতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ থাকায় তা আমাদের শরীরকে বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। বিশেষ করে ইনফ্লুয়েঞ্জা এবং ঠাণ্ডার হাত থেকে টমেটো আমাদের রক্ষা করে।🥰
৪. টমেটোতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন 'এ' আছে। নিয়মিত টমেটো খেলে আমাদের চোখ খুবই ভালো থাকে। দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখার জন্য টমেটো অনেক জরুরি। মোটকথা টমেটো চোখ সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।
৫. প্রোস্টেট ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে টমেটো দারুণ ভূমিকা পালন করে। সপ্তাহে ১০টি বা তার থেকে বেশি টমেটো খেলে এই সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়।😃
৬. হার্টের রোগ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে টমেটো।
৭. টমেটোর রস ত্বকের ট্যান দূর করে। প্রাকৃতিক টোনার হিসেবে এটি অসাধারণ।👌
30/03/2023
শরীর সুস্থ রাখতে হলে অবশ্যই পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করতে হবে। তবে ব্যস্ততার কারণে আমরা নিয়মমতো পানি পান করতে ভুলে যাই।
পরিমাণমতো পানি পান না করলে শরীরের নানাবিধ সমস্যা দেখা দেয়। 😔
আয়ুর্বেদ চিকিৎসা অনুযায়ী, শরীর সুস্থ রাখতে দিনের নির্দিষ্ট সময়ে সঠিক পরিমাণে পানি পান করা উচিত।
কোন সময়ে পানি পান সবচেয়ে ভালো–
১. ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে দুই গ্লাস পানি পান করা শরীরের জন্য সবচেয়ে ভালো। এই পানি পান করার ফলে শরীরের সব অঙ্গপ্রতঙ্গ সক্রিয় হয়ে উঠবে।😀
২. দুপুরের খাবার কিংবা রাতের খাবারের অন্তত আধাঘণ্টা আগে পানি পান করা উচিত। 😃
৩. গোসলের আগে এক গ্লাস পানি পান করতে পারেন। এতে উচ্চ রক্তচাপ স্বাভাবিক থাকবে। 😊
৪. দুপুর ও রাতের খাবারের সময়ে পানি পান করতে ভুলবেন না। যখনই পিপাসা অনুভব করবেন তখনই পানি পান করবেন।😇
৫. খাবারের অন্তত আধাঘণ্টা আগে পানি পান করতে হবে। এতে হজমশক্তি ভালো হবে।🫠
27/03/2023
গ্যাস্টিকে পান পাতা।☘️
27/03/2023
প্রেসার লো এবং হাই হয়ে গেলে কি খাবেন???
27/03/2023
**লেমনগ্রাস খাওয়ার উপকারিতা**
# # থাইপাতা হিসেবে পরিচিত লেমনগ্রাস আমাদের দেশে সাধারণত থাই সুপ তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।
‘ঘাস খাও’- কথাটা ব্যঙ্গাত্মক অর্থে বুদ্ধিহীনতার উদাহরণ হিসেবে ব্যবহার হলেও লেমনগ্রাস বা থাই পাতা খাওয়া কিন্তু মোটেই বোকার পরিচয় নয়।
থাই সুপ তৈরিতে এই পাতা ব্যবহার করা হয়। তাই লেমনগ্রাস আমাদের কাছে থাই পাতা নামে পরিচিত। এর সুগন্ধ মনকে সতেজ রাখতে সহায়তা করে।
শুধু তাই নয়, এর রয়েছে নানান উপকারী গুণ।
**হজমে সহায়তা করে:** চাইনিজ ঔষধি গাছ হিসেবে পরিচিত লেমনগ্রাস পাকস্থলির নানা রকম সমস্যা যেমন- কোষ্ঠকাঠিন্য, ফোলাভাব বা বদহজম থেকে রক্ষা করে। এতে রয়েছে পেট ঠাণ্ডা রাখার মতো উপাদান যা হজম ক্রিয়া উন্নত রাখে।
লেমনগ্রাসের প্রাথমিক উপাদান হল ‘সিট্রাল’ যা হজমে সাহায্য করে। তাই খাবারের পরে লেমনগ্রাস সমৃদ্ধ পানীয় পান উপকারী। এছাড়াও, গবেষণা থেকে জানা যায় যে, এটা পেশিকে আরাম দিতে সাহায্য করে এমনকি ‘পিএমএস’য়ের নানান লক্ষণ যেমন-মাথাব্যথা, পেশি ও অস্থির সংযোগস্থলের ব্যথা ইত্যাদি উপশমে সহায়তা করে। তাছাড়া অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও প্রদাহনাশক উপাদান থাকায় তা নিয়মিত খাওয়া সার্বিকভাবেই শরীরের জন্য উপকারী।
**অ্যানিমিয়া দূর করে:** রক্তে লোহিত কণিকা বা হিমোগ্লোবিন কমে যাওয়ার কারণে দেখা দেয় অ্যানিমিয়া।“সুস্থ লোহিত রক্ত কণিকার অভাবে রক্তে অক্সিজেনের সরবারহ কমে যায়। ফলে শরীর দুর্বল ও ক্লান্ত হয়ে পড়ে। কয়েকটি গবেষণায় দেখা গেছে লোহিত রক্ত কণিকা বাড়াতে লেমন গ্রাস ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।”
এতে ফলিক অ্যাসিড, তামা, থায়ামিন, লৌহ, দস্তা ইত্যাদি উপস্থিত থাকায় তা লোহত কণিকা বাড়াতে সহায়তা করে। এছাড়াও এতে আছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ফার্মালজিকেল উপাদান।
মেডিকেল নিউজের করা এক গবেষণায় জানা গেছে যে, ৩০ দিন ধরে প্রতিদিন লেমনগ্রাস চা পান করা হলে তা হিমোগ্লোবিনের ঘনত্ব, কোষের ঘনত্বের পরিমাণ এবং দেহের লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা বাড়াতে সহায়তা করে।
**ওজন কমায়:** ‘লেমন গ্রাস টি’ সারা পৃথিবীতে ‘ডেটক্স টি’ হিসেবে পরিচিত। এটা বিপাক বাড়িয়ে ওজন কমাতে সহায়তা করে। লেমন গ্রাস প্রাকৃতিকভাবেই মূত্রবর্ধক হওয়ায় তা শরীর থেকে বিষাক্ত উপাদান দূর করে। এবং ওজন কমাতে সহায়তা করে।
**রক্ত চাপ নিয়ন্ত্রণ করে:** “রক্ত চাপ কমানোর প্রাকৃতিক ও কার্যকর উপায় হল লেমন গ্রাস।”
পুষ্টিবিদরা একে ‘সুপার ফুড’ বলে ব্যাখ্যা করেন। কারণ এতে আছে পটাসিয়াম যা, রক্ত সঞ্চালনকে উদ্দীপিত করে ও রক্তচাপ হ্রাস করে। “এটা যকৃত সুস্থ রাখে এবং অন্ত্র থেকে নিঃসৃত কোলেস্টেরল শোষণ করে শরীর সার্বিকভাবে সুস্থ রাখে।”
**উজ্জ্বল ত্বক ও চুলের জন্য:** ‘লেমন গ্রাস’ ব্যাক্টেরিয়া ও ফাঙ্গাসরোধী উপাদান সমৃদ্ধ এবং এটা ত্বক পরিষ্কার করতেও খুব ভালো কাজ করে।
‘লেমন গ্রাস’ ভিটামিন‘এ’ ও ‘সি’য়ের ভালো উৎস। যা ত্বক ও চুল সুন্দর রাখতে সহায়তা করে। এটা মাথার ত্বকের রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে চুলের ফলিকলকে শক্তিশালী করে, মাথার ত্বকের অস্বস্তি দূর করে। আর চুলকানির সমস্যা দূর করে।
এটা ত্বকের বাড়তি তেল শুষে নিয়ে ত্বককে পরিষ্কার করে। ব্রণ, একনি ও একজিমার মতো ত্বকের সমস্যা থেকে রক্ষা পেতে সহায়তা করে।
16/03/2023
আলকুশির উপকারিতা ও ব্যবহার জেনে নেওয়া যাক-
১. যন্ত্রনা কমায়
২. যৌন শক্তি বর্ধক
৩. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি
৪. শারীরিক দুর্বলতা দূর করে
৫. ফোড়া থেকে মুক্তি
আলকুশি বীজ খাওয়ার নিয়ম
১ বা ২ চা চামচ আলকুশি বীজের গুঁড়া সামান্য গরম দুধের সাথে মিশিয়ে প্রতিদিন সকালে কিংবা রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে খান। দুধ না থাকলে গরম পানিতে মিশিয়েও খাওয়া যায়। বাসায় মধু থাকলে মধু মিশিয়ে খেতে পারেন। ভালো ফলাফল পেতে একটানা দুইমাস বা তার অধিক সময় খাওয়া উত্তম।
13/03/2023
দ্রুত ওজন কমাতে খালি পেটে সকালে ও রাতে ঘুমানোর আগে ১ গ্লাস পানির মধ্যে ২ চা চামচ চিয়া সিড ও ২ চামচ লেবুর রস মিশিয়ে খেলে ভালো ফলাফল পাওয়া যাবে। খাওয়ার ৩০ মিনিট আগে পানিতে সাধারণ তাপমাত্রায় ভিজিয়ে রাখতে হবে।
পুষ্টিবিদ সৈয়দা শিরিনা স্মৃতি বলেন, 'চিয়া সিড একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর খাবার৷ এতে আছে দুধের চেয়ে ৫ গুণ বেশি ক্যালসিয়াম, কমলার চেয়ে ৭ গুণ বেশি ভিটামিন সি, পালং শাকের চেয়ে ৩ গুণ বেশি আয়রন, কলার চেয়ে দ্বিগুণ পটাশিয়াম, মুরগির ডিম থেকে ৩ গুণ বেশি প্রোটিন, এতে আছে স্যামন মাছের চেয়ে ৮ গুণ বেশি ওমেগা-৩। তাই খাদ্য তালিকায় সপ্তাহে অন্তত ৩-৪ দিন চিয়া সিড রাখতে পারেন।'
চিয়া সিড খাওয়ার উপকারিতা
১। চিয়া সিডে আছে ওমেগা-৩, যা হৃদরোগের ঝুঁকি ও ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমাতেও সাহায্য করে
২। এটি শরীরের শক্তি ও কর্মক্ষমতা বাড়ায়
৩। প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকায় চিয়া সিড রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করে
৪। মেটাবলিক সিস্টেমকে উন্নত করার মাধ্যমে এটি ওজন কমাতে সহায়তা করে
৫। চিয়া সিড ব্লাড সুগার (রক্তের চিনি) স্বাভাবিক রাখে, যা ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি কমায়
৬। এতে আছে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম, যা হাড়ের স্বাস্থ্য রক্ষায় বিশেষ উপকারী
৭। চিয়া সিড কোলন পরিষ্কার রাখে। ফলে কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি কমে
৮। এটি শরীর থেকে টক্সিন (বিষাক্ত পদার্থ) বের করে দিতে সাহায্য করে
৯। চিয়া সিড পেটের প্রদাহজনিত বা গ্যাসের সমস্যা দূর করে
১০। ভালো ঘুম হতেও সাহায্য করে চিয়া সিড
১১। এই বীজ ক্যানসার রোধ করে
১২। চিয়া সিড হজমে সহায়তা করে
১৩। চিয়া বীজ হাঁটু ও জয়েন্টের ব্যথা দূর করে
১৪। চিয়া সিড অ্যাটেনশান ডেফিসিট হাইপার-অ্যাক্টিভিটি ডিসঅর্ডার দূর করে
১৫। এটি ত্বক, চুল ও নখ সুন্দর রাখে
12/03/2023
😊নিজেকে আরও স্মা'র্ট ও আক'র্ষণীয় করে তুলুন,
বু'কের গঠন ঠিক করুন স'ম্পূর্ণ প্রাকৃ'তিক উপা'য়ে।
বিস্তা'রিত জানতে সেন্ড মে'সেজ অ'পশনে ক্লি'ক করুন অথবা আমাদের নাম্বারে যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ
✆ 01914508611
10/03/2023
কাস্টমার রা যখন বলে,অমুক পেইজে ডেলিভারি ফ্রী দেয়।😆
ডেলিভারি চার্জ টা কুরিয়ার কিংবা ডেলিভারি সার্ভিস নিয়ে নেয়।ঐটা কিভাবে মানুষ ফ্রী দিবে?
👉 উত্তর ছবিতেই।😄
08/03/2023
কিসমিসের গুণ!
শরীরে আয়রনের ঘাটতি দূর করার পাশাপাশি রক্তে লাল কণিকার পরিমাণ বাড়ায় কিসমিস। শুকনো কিসমিস খাওয়ার পরিবর্তে ভিজিয়ে খেলে উপকার বেশি।
কিসমিস ভেজানো পানি রক্ত পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।
প্রতিদিন কিসমিসের পানি খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য, অ্যাসিডিটি থেকে মুক্তি পাবেন ওষুধ ছাড়াই।
এছাড়া কিসমিস হৃদয় ভালো রাখে। নিয়ন্ত্রণে রাখে কোলেস্টেরল।
কিসমিসে প্রচুর ভিটামিন এবং খনিজ আছে। আছে প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা সহজে রোগমুক্তির কারণ। আর আছে প্রচুর আয়রন, পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং ফাইবার।
ভেজানো কিসমিস খাওয়ার উপকারিতা-
কিসমিস খাওয়ার সবচেয়ে ভালো উপায় সারারাত কিসমিস পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। পরের দিন ভোরে সেটা খান। ভেজানো কিসমিসে থাকে আয়রন, পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং ফাইবার। হাই ব্লাডপ্রেসারের সমস্যা থাকলেও এটি তা নিয়ন্ত্রণে রাখে।
১. ব্লাড প্রেসার
উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের প্রাকৃতিক পদ্ধতিগুলোর মধ্যে একটি কিসমিস। এর মধ্যে থাকা পটাসিয়াম হাই ব্লাড প্রেসার বশে রাখে।
২. রক্ত স্বল্পতা কমায়
রক্ত স্বল্পতা কমাতে কিসমিস যথেষ্ট উপকারি। নিয়মিত কিসমিস খেলে এর মধ্যে থাকা আয়রন রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়ায়। এছাড়াও এর মধ্যে আছে তামা যা রক্তে লাল রক্তকণিকা তৈরিতে সাহায্য করে।
৩. হজমশক্তি বাড়ায়
সুস্থ থাকার জন্য ভালো হজমশক্তি জরুরি। এক্ষেত্রে কিসমিস হজমশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। রোজ রাতে এক গ্লাস পানিতে কিসমিস ভিজিয়ে রাখুন। পরের দিন ভোরে সেই কিসমিস খান। নিজেই তারপর তফাত খেয়াল করুন দিন পনেরো পরেই।
৪. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
আপনি যদি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বড়াতে চান তবে ভেজা কিসমিস এবং তার পানি নিয়মিত খান। এর মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা রোগের সঙ্গে লড়াই করার ক্ষমতা বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
৫. বিষমুক্ত শরীর
শরীরকে দূষণমুক্ত করতে কিসমিস খান নিয়মিত। চারিদিকের দূষণে আপনি যখন জেরবার তখন সকালে খালি পেটে ভেজানো কিসমিস খেলে শরীর বিষমুক্ত হবে। ভেজানো কিসমিসের পাশাপাশি কিসমিস ভেজানো পানিও খেতে পারেন।
৬. কোষ্ঠকাঠিন্য কমায়
নিয়মিত কিসমিস খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য কমে। আপনি যদি পেটের সমস্যায় নিয়মিত ভোগেন তাহলে প্রতিদিন সকালে খালিপেটে ভেজানো কিসমিস খান। যারা কোষ্ঠকাঠিন্যে কষ্ট পান তারা ওষুধের বদলে নিয়মিত কিসমিস খেয়ে দেখতে পারেন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Chittagong
