Healthy Life Style

Healthy Life Style

Share

Alhamdulillah our product is made in a completely natural way and is approved by Bangladesh Sciencela

31/10/2022

আসসালামু আলাইকুম

এক মিনিট পড়ুন ফি'টনেস ফিরে পাবেন।
প্রাকৃ"তিক উপায়ে মে-দ ভু-রি
ও'জন ক'মিয়ে ফেলুন স্থা"য়ীভাবে।

এটি বাংলাদেশ বিএসটিআইয়ের কতৃক
স্বীকৃতি ওও অনুমোদিত অর্থাৎ
কোনো সা-ইড ই-ফেক্ট নেই।

আরো বি'স্তারিত জানতে ইন'বক্সে মেসেজ
করুন অথবা ক-ল করুন
পেইজে দেওয়া নাম্বারে +8801768344531

23/10/2022

বিস্তারিত জানতে ইনবক্সে যোগাযোগ করুন।
হেল্পলাইন 01768-344-531

23/10/2022
23/10/2022

মেদ ভুড়ি কী করি! প্রচলিত এই বাক্যটির সাথে বাঙালি কমবেশি পরিচিত। ওজন কমাতে গিয়ে প্রত্যেকেই সমস্যায় পড়েন পেটের চারপাশের চর্বি কমাতে। এর কারণটাও স্পষ্ট, ভুড়ি কমানো অতো সহজ নয়, যতোটা আমরা মুখে বলে ফেলি। তবে, অসম্ভবও নয়।

23/10/2022

আবার ল ১২ কেজি
আলহামদুলিল্লাহ আমাদের জুসটি খেয়ে আপুর ১২ কেজি কমেছে ২৯ দিনে। ধৈর্যসহকারে নিয়ম অনুযায়ী জুসটি খান অবশ্যই ফলাফল পাবেন। কারণ জুসে আছে সকল ধরনের প্রাকৃতিক উপাদান যা চর্বি কমায়।

23/10/2022

Green coffee
100% Organic products!
Buy now

23/10/2022

এটি ৪৬টি প্রাকৃতিক উপাদানে তৈরি, এটি চর্বি সাথে মিশে গিয়ে চর্বি বার্ন করবে এবং টয়লেটের সাথে বের করে দিবে।
(এটি ৮-১০ কেজি পর্যন্ত ওজন কমাবে) ডায়াবেটিস, হার্টের রোগ, হাপানি, উচ্চ রক্তচাপ থেকে বাঁচায় ও রক্তনালি পরিষ্কার রাখে।
✅ পুরো শরীর এবং পেটের চর্বি কমাবে।
✅ Diet, Exercise ছাড়া ওজন কমিয়ে আপনাকে আর্কষণীয় করে তুলবে।
✅ খাবারকে দ্রুত হজম করাবে এবং Fat বার্ণ করবে।

Photos from Healthy Life Style's post 23/10/2022

বাড়তি মেদ ঝেড়ে ফেলার অন্যতম উপাদান হচ্ছে— তাজা ফলমূল ও সবুজ শাকসবজি। তাই যাদের ওজন বেশি, তাদের বেশি করে এগুলো খাওয়া উচিত। * উচ্চ শর্করাসমৃদ্ধ খাদ্য, যেমন— চাল, আলু নিয়ন্ত্রিত মাত্রায় খেতে হবে, গম (আটা) খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে। * অতিরিক্ত স্বাদযুক্ত সবজি ও করলা ওজন কমানোর জন্য কার্যকর।

ওজন কমানোর জন্য উপকারী প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে এখন তৈরি করা হচ্ছে ওজন কমানোর জুস।

23/10/2022

✅আদা খুব শক্তিশালী একটি মশলা। আদা যদিও খুব সুস্বা"দু নয়, তবে এর রয়েছে অনেক ঔষধি গুণ। আদার মধ্যে রয়েছে জি"ঞ্জেরল, শোগাওল, জি"ঞ্জিবেরিন এবং প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এবং খনিজ। আয়ু"র্বেদিক শাস্ত্রে আদা প্রায় সব ধরনের রোগ নিরাময়ে ব্যবহৃত হয়। নিয়মিত আদা খাওয়ার অভ্যাস আপনার শরীরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

আদার মধ্যে জি"ঞ্জেরল রয়েছে, একটি জৈব-সক্রিয় পদার্থ যা বমি বমি ভাব এবং বমি হওয়ার মতো উপসর্গ কমাতে সাহায্য করে। এই পদার্থটি ফোলা জয়েন্টগুলো কমাতেও সাহায্য করে। এটি ক্যান্সার এবং হৃদরোগের বিরু"দ্ধেও শরীরে কাজ করে। আদা হজমের জন্য বিশেষভাবে ভালো। আদার একটি অ্যান্টি-ডায়াবেটিক প্রভাব রয়েছে। এটি মস্তি"ষ্কের কার্যকারিতা এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নত করে।

🍀🍀১.এটি আপনার ত্বককে কুচকে যেতে দেবে না।
২.এতে থাকা অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান শরীরে প্রদাহ দ্রুত দূর করে।
৩. প্রতিদিন আদা খেলে বমি বমি ভাব কমে যাবে। বিশেষ করে গর্ভবতী মহিলারা এবং কেমোথেরাপি নিচ্ছেন এমন লোকেরা এর থেকে উপকৃত হতে পারেন।

৪.আদা পেশীর ব্যথা কমাতে দারুণ কার্যকর। এটি মেয়েদের পিরিয়ডের তীব্র ব্যাথা কমাতেও সাহায্য করে।

আরও পড়ুন: রোগ প্রতিরোধে মধু

৫. আপনি যদি দীর্ঘদিন কোষ্ঠকাঠিন্যে ভুগে থাকেন তাহলে নিয়মিত আদা খাওয়ার অভ্যাস করুন। প্রতিদিন আদা খাওয়ার অভ্যাস আপনার মলত্যাগের গতি বাড়িয়ে আপনার কোষ্ঠকাঠিন্য রোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
৬. এক মাস ধরে প্রতিদিন আদা খাওয়ার অভ্যাস শরীরের "খারাপ" কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করতে পারে। আদার মধ্যে থাকা বিশেষ উপাদান রক্তে ট্রাইগ্লিসারাইডের পরিমাণ কমায়।

৭. আদার মধ্যে থাকা অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে। আপনি ইতিমধ্যে ঠান্ডা বা ভাইরাস দ্বারা প্রভাবিত হয়ে থাকলে আদা আপনাকে দ্রুত পুনরুদ্ধার করতে সাহায্য করবে। তাই মহামারি করোনার সময়ে পরিবার ও নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে প্রতিদিন একটুকরো আদা খাওয়ার অভ্যাস করুন।🍀🍀

Photos from Healthy Life Style's post 23/10/2022

গাজরের রসের উপকারিতা🍀🍀

১. চোখের মহৌষধ : গাজরের আকর্ষণীয় বর্ণের মধ্যেই রয়েছে এর ঔষধি গুণ। গাজরের বিটা ক্যারোটিন নিজে নিজেই ভিটামিন-এ’তে রূপান্তরিত হয় যা দেহের জন্য খুবই উপকারী। বিটা-ক্যারোটিন আমাদের দেহের ভেতরে রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে রেটিনল বা ভিটামিন-এ’তে রূপান্তরিত হয়, আর ভিটামিন-এ আমাদের দৃষ্টিশক্তি স্বাভাবিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আমাদের দেশে প্রতি বছর ৩০ থেকে ৪০ হাজার শিশু অন্ধ হয়ে যায় ভিটামিন-এ’র অভাবে। সাধারণত ৫ মাস থেকে ৫ বছর বয়সের শিশুরাই চোখের সমস্যায় ভোগে। প্রতি বছর প্রায় ৫ লাখ শিশু রাতকানা রোগে আক্রান্ত হয়। তাই শিশুকে প্রতিদিন ভিটামিন-এ সমৃদ্ধ খাবার খাওয়াতে হয়। গাজর ক্যারোটিনের রাজা, যা ভিটামিন-এ’র উৎস। তাই শিশুদের প্রতিদিন অন্তত মৌসুমের সময় গাজর খাওয়ানো উচিত।


২. হজমশক্তি বৃদ্ধি করে : গাজরের রস লিভারের কার্যকারিতা বাড়ায়। ফলে হজম শক্তির উন্নতি হয়।


৩. হাড়ের রোগ প্রতিরোধে সহায়ক : রোগ প্রতিরোধ গাজরের অস্টিওপরোসিস, আথ্রাইটিস ও বিভিন্ন রস হিতকর।


৪. ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়ক : গাজরে রয়েছে ভিটামিন-ই, যা ক্যান্সার প্রতিরোধী। তাই গাজর ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়ক। গাজরে বিদ্যমান বিটা-ক্যারোটিন আমাদের ত্বককে সূর্যের অতি বেগুণি রশ্মির হাত থেকে সুরক্ষা করে এমনকি ক্যান্সার থেকে রক্ষা করে।
৫. বুড়িয়ে যাওয়া রোধ করে : বয়সের ছাপ কমাতে গাজরের রস সাহায্য করে। গাজর বিটা- ক্যারোটিন সমৃদ্ধ, যা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং কোষের ক্ষয় রোধে সহায়ক। ফলে দ্রুত বুড়িয়ে যাওয়াকে রোধ করে।


৬. ওজন কমায় : গাজরে ক্যালোরির পরিমাণ যৎসামান্য, যা ওজন কমাতে বেশ সহায়ক।


৭. কোলস্টেরল কমায় : গাজরে পটাসিয়াম বিদ্যমান, যা কোলস্টেরল কমাতে সাহায্য করে।

৮. চর্বি কমায় : গাজরের রস লিভারের চর্বি ও পিত্ত কমাতে সাহায্য করে।

৯. ত্বকের লাবণ্য বাড়ায় : গাজরের রস ত্বকের লাবণ্য ও উজ্জ্ব"লতা বাড়ায় এবং ত্বককে সুরক্ষা করে।

১০. ব্য"থা ও জ্বালাপোড়া কমায় : বয়সজনিত যে কোনো ব্য"থা-বেদনা ও শরীরের জ্বালাপোড়া কমাতে গাজরের রস হিতকর।🍀🍀

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Chittagong?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


2no Gate, Mosjid Area Chittagong
Chittagong
4000