Fk Toffee
My Life Destroyed One Female
13/02/2023
পড়ো ৩ বই থেকে—
কুরআনে আল্লাহ রাত এবং ঘুমকে তার নিয়ামত হিসেবে বলেছেন। বুদ্ধিমান মানুষদেরকে এনিয়ে চিন্তা করতে বলেছেন। কিন্তু, কেন?
পৃথিবীতে যত প্রাণীর স্নায়ুতন্ত্র আছে, যার মধ্যে মানুষ একটি, তাদের সবার জন্য ঘুম অত্যাবশ্যকীয়। সম্প্রতি আবিষ্কার হয়েছে যে, এই ধরনের প্রাণীরা যতক্ষণ বেঁচে থাকে ততক্ষণ তাদের কোষের ক্রোমোজোমে নানা ধরনের ক্ষতি হতে থাকে। ঘুমের সময় শরীরের কোষগুলো তাদের ডিএনএর মধ্যে এই ক্ষতিগুলোকে মেরামত করে ফেলে। যতক্ষণ তারা ঘুমাতে থাকে, ততক্ষণ শরীরের এই স্বয়ংক্রিয় মেরামত প্রক্রিয়া সচল থাকে। নিয়মিত মেরামতের ফলে কোষগুলো সুস্থ ও সবল থাকে। যদি কোষগুলোকে মেরামত করার জন্য দেহ নিয়মিত যথেষ্ট সময় না পায়, তাহলে কোষগুলোর মধ্যে নানা ধরনের সমস্যা জমতে জমতে একসময় কোষগুলো অসুস্থ হয়ে নানা অসুখের জন্ম দেয়। আল্লাহ তাআলা আমাদের ঘুম দিয়েছেন যেন শরীরের কোষগুলো প্রতিদিন মেরামত করে সুস্থ থাকতে পারে।
গবেষণায় দেখা গেছে, মানুষের মস্তিষ্ক জেগে থাকার সময় ক্রমাগত কাজ করতে থাকলে নানা ধরণের টক্সিন জমা হয়। ঘুমের সময় মস্তিষ্ক এই টক্সিনগুলো পরিষ্কার করার সুযোগ পায়। এ কারণে পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুম না হলে মস্তিষ্কে টক্সিন জমতে জমতে মস্তিষ্কের ক্ষতি হতে থাকে, যা থেকে হতাশা, অবসাদ, বাইপোলার ডিসঅর্ডার, স্কিটজোফ্রেনিয়া সহ নানা ধরণের জটিল মানসিক সমস্যা তৈরি হয়। মলমূত্র ত্যাগ করে শরীর যেভাবে ক্ষতিকারক পদার্থ পরিষ্কার করে, তেমনি ঘুমের সময় মস্তিষ্কের গ্লিমফেটিক সিস্টেম মস্তিষ্কে জমে থাকা ক্ষতিকারক পদার্থ পরিষ্কার করে ফেলে। এ কারণেই দেখা যায় যে, যারা রাতের বেলা ঠিকমতো ঘুমায় না, তাদের মানসিক সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। আর যাদের মানসিক সমস্যা ইতিমধ্যেই হয়ে গেছে, তারা যখন রাতের বেলা ঠিকমতো ঘুমাতে পারে না, তখন তাদের সমস্যা আরও প্রকট হতে থাকে। মানসিক রোগীদের এ কারণেই ঘুমের ওষুধ দিয়ে বেশিক্ষণ ঘুমাতে দেওয়া হয়। কারণ, ঘুম হচ্ছে মস্তিষ্কের স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজেকে মেরামত করার অত্যন্ত কার্যকরী একটি ব্যবস্থা।
যারা নিয়মিত ঠিকমতো ঘুমায় না, তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে যেতে থাকে এবং তারা সহজেই নানা ধরনের অসুখের আক্রমণের শিকার হয়। কেউ যদি ঘন ঘন সর্দি-কাশিতে ভোগে, তাহলে তার জন্য ঘুম ঠিকমতো না হওয়াটা দায়ী হতে পারে। কারণ, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে যাওয়ার একটা কারণ পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব।
যারা দৈনিক সাত ঘন্টার কম ঘুমায়, তাদের মোটা হয়ে যাওয়ার প্রবণতা বেশি। কারণ, যারা কম ঘুমায়, তাদের খাবার খেয়ে তৃপ্ত হওয়ার বোধ কমে যায় এবং তাদের ক্ষুধার হরমোন বেশি বের হয়। এ কারণে তারা বেশি বেশি খায় এবং মোটা হতে থাকে।
—বইটি কিনতে ফোন করুন সমকালীন প্রকাশনীকে ০১৪০৯ ৩০০ ৪০০
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Address
North Kalauzan, Lohagara, Chattrogram
Chittagong
