Loroly Gallery
Personal Blog
I don't take revenge I simply delete people...
আমি শুনেছি সেদিন ইউনুস
ভুমিকম্প তিন ধরনের হয়:
1.Foreshock
2.Main Shok
3.After Shok
বাংলাদেশে এখন যদি মেইন শক হয়ে থাকে তাহলে কয়েকঘন্টা বা কয়েকদিনের মাঝে Aftershock হবে,যা ঝুকিপূর্ণ নয়,ওগুলো ক্ষুদ্র মাত্রার।
কিন্তু,বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া ভুমিকম্পটা যদি Foreshock হয়ে থাকে তাহলে কয়েক ঘন্টা বা কয়েক দিনের মাঝেই Main shok অবধারিত।
যেহেতু ফরশকের মাত্রাই ছিল ৫.৫ তাহলে মেইনশকের মাত্রা হবে এটলিস্ট ৭ মাত্রার।আর এই মাত্রার ভুমিকম্প বাংলাদেশে হলে স্পেশালি ঢাকাসহ বড় শহরগুলোতে লাশও খুজে পাওয়া যাবে না মানুষের।
দোয়া করি যাতে এটা ফরশক না হয়।
আল্লাহ হেফাজত করুক।
©️
Asholei tai hosse edaning
সবার ফ্রেন্ড লিস্টে এমন একজন থাকবেই
They both know English well...so what
এখন পর্যন্ত ১৫১ টি দেশ স্বীকৃতি দিল ফি'লিস্তি'নকে। সর্বশেষ পর্তুগাল
আলহামদুলিল্লাহ
22/09/2025
🤣
ফি*লি*স্তি*নের পক্ষে অবস্থান নিয়ে ক্লাস বর্জনে ‘ডাবল অ্যাবসেন্ড" দেয়ার বিতর্কিত মন্তব্য করা শিক্ষিকাকে বহিষ্কার করেছে ড্যাফোডিল
01/04/2025
আমরা অনেক সময় টমেটোর গায়ে এইরকম সমান দুটো ছিদ্র বা কাটা দাগ দেখতে পাই সবাই সাবধান। পাশাপাশি এমন দুই বা তিন কাটাযুক্ত টমেটোতে বিষধর সাপ বিষ রাখে" সাপ পাকা টমেটোতে বিষাক্ত দাঁত বসিয়ে দেয়„
সাপের বিষ টমেটোর ভেতরে প্রবেশ করে যা মানব দেহের জন্য মরণব্যাধি" চিদ্রূ টমেটো বুঝে রান্না করবেন। পারলে অন্য একটা পরিবারকে দেখার ব্যবস্থা করবেন। অনেকে বিষাক্ত কাঁচা টমেটো শালাত করে খেয়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মৃত্যুর কবলে পড়েন কেউ বুঝতে পারেনা বিপদের মূল কারণ।
28/03/2025
প্লিজ কেউ খাবার খায়না এই অজুহাতে অন্তত বাচ্চাকে মা'র'বেন না প্লিজ।।আমার ছেলে মেয়েরা না খেলে আমি জিজ্ঞেস করি খাবে কিনা? কি খাবে? যদি বলে না খাবনা।আমি জোর করিনা।। জোর করে ১ বেলা খাওয়াতে গিয়ে বাচ্চার জা'নটাই যেন না নিয়ে ফেলি😥
এই গল্পটা পড়ে আমি কে'দেঁছি। তাও একটা মেসেজ সবাইকে দিতে চেয়েছি।আমার এখানপ অনেক মা আছে, তেমন আছে হবু মা ও
"আমি আমার বাচ্চাকে নিজের হাতে খু'ন করেছি। সবাই আমাকে ডা'ইনী মা ডাকে।"
মেসেজটা দেখে আমি থেমে গেলাম। মাস খানিক আগে একটা ফিল্টার মেসেজ পেয়েছিলাম।
-তৃষা দি, তোমার লেখা আমি পড়ি, আমার জীবনের গল্পটা একটু লিখে দিবে?
আমি অনেক দিন পর দেখি মেসেজটা। আমি রিপ্লে করেছিলাম,
-আমি তো এখনো অত বড় লেখিকা হয় নি যে কারো জীবনের গল্প আমার লেখায় ফুটিয়ে তুলতে পারবো। আমি অনুভব না করলে লিখবো কিভাবে?
তারপর অনেক দিন সে কোন উত্তর দেয় নি। সাপ্তাহ খানিক আগে আবার রিপ্লে দিলো।
-তোমার না একটা মেয়ে আছে? ভীষণ আদুরে, খুব ভালোবাস তাই না মেয়েকে?
- হুম। অবশ্যই।
-তাহলে তুমি অনুভব করতে পারবে।
আমি আমার মেয়ে লাবন্যকে তখন নুডুস খাওয়াচ্ছি। ভীষণ দুষ্ট। সারাঘরে দৌড়ায়। ধরতে গেলে এক যু'দ্ধ খাওয়াতে গেলে আরেক। কি'ল দুইটা না দিলে মুখেই খুলে না।
মেসেঞ্জারে টুং টুং শব্দ হচ্ছে অনেক গুলো। ভাবলাম মেয়েটা ছোট ছোট মেসেজ পাঠাচ্ছে।
কিছুক্ষন পর অন করলাম। একটা তিন বছরের মেয়ে ছবি। লাল পরীর ড্রেসে। ছোট বেলার ছবি। হামাগুড়ির ভিডিও। হাটার ভিডিও। মাম্মা মাম্মা বলা একটা ভিডিও আছে। সব মোট ৩৪ টা ছবি ভিডিও দিলো। সব দেখার কি টাইম আছে? স্কিপ করে মেসেজ দিচ্ছিলাম।
আদুরে মেয়ে তোমার। কিন্তু লাস্ট ছবি টা দেখে বুক কেঁ'পে উঠল আমার। মোবাইল পড়ে গেলো হাত থেকে।
সাদা কা'ফ'ন পড়ানো চোখ ব'ন্ধ , এমন ছবি যেকোন মায়ের কলিজা ঠান্ডা করে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট।
আমি অনেকক্ষন রিপ্লে করলাম না। সে বলল-
-দেখেছো দিদি, কি আদুরে মেয়ে না আমার?
-হুম, কিন্তু, মা'রা গেছে-?
আমি আর কোন শব্দ খুঁজে পাচ্ছিলাম না। তখন সে রিপ্লে করল।
-আমি আমার বাচ্চাটাকে নিজের হাতে খু'ন করেছি। সবাই আমাকে ডা'ইনী মা ডাকে।
আমি বুঝতে পারছিলাম না সে কি বলছে। এত আদর করছে দেখালো ভিডিও৷ এত আদরের বাচ্চাকে, তাও নিজের হা'তে?
আমি রিপ্লে দিলাম,
-মানে?
তখন সে ছোট ছোট মেসেজে বলতে লাগলো এলোমেলো ভাবে। আমি সাজিয়ে নিয়েছি।
- আমি ছিলাম ভীষণ রা'গী মেয়ে। মা বাবার ভীষণ আদুরে ছিলাম। আমার স্বামী আতিক(ছদ্মনাম)। সে ভুলিয়ে আমায় ঠান্ডা রাখত। বিয়ের পর প্রথমে বেবি নিলাম না। পড়া লেখা শেষে চার বছর পর বেবি নিলাম। আসলে বিয়ের পর একটা বেবি থাকাটা খুব ফিল হয়। সবার কথা তো ছিলো। মাঝেমধ্যে নিজে কা'ন্না করতাম। কখন হবে আমার সোনার একটা পুতুল? আমি তাকে ইচ্ছেমতো সাজাবো৷
খোদা আমার কথা শুনেছিল৷ আমাকে একটা পুতুল দেওয়া হলো। মারিয়া। ভীষণ সুন্দর আমার মেয়েটা। কিন্তু আমার বেবি ছিলো ক'লিক বেবী। সারারাত কা'ন্না করত। তাকে নিয়ে হাটতে হতো সারারাত। সকালের দিকে একটু ঘুমাতাম। শশুড়বাড়ি থাকতাম তারা যত ভালো হোক দশটা অবধি ঘুমানো তো পসিবল না। আমি পাঁচ টার দিকে ঘুমাতাম আট টায় উঠে যেতাম। আমি উঠার আগেই প্রায় আতিক অফিস চলে যেতো ওর অফিস ছিলো দূরে। সারারাতের ক্লা'ন্তি, দিনের বেলা কাজ কর্ম,বাচ্চার কা'ন্না, ম'য়লা কাথা,খেতে বসলে খেতে না পারা আধা পেটে দুধ খাওয়াতে গিয়ে আর খাওয়াই হতো না৷ যত বড় হচ্ছিল তত চিন্তা আজ এইটা তো কাল এইটা। তার স্বাস্থ্য বাড়ে না। তারপর এলো খাবারের যু'দ্ধ।
এইসব কিছুর মধ্যে একসময় খেয়াল করলাম আমি সব হা'রিয়ে ফেলেছি। আতিকের সাথে পাশাপাশি বসা হয় নি অনেক দিন। প্রিয় শাড়িটা ভাজ ন'ষ্ট হয় নি বহুকাল। ধুলো জমছিলো গয়না গুলোতে, পেটে মেদ জমে ভারী করছিলো শরীর, চোখের নিচের কালি গুলো যেন অযত্নের সাক্ষী, মাথা লাগানো হয় না চিরুনি প্রতিদিন। কবিতা পড়ার শখ ছিলো ভীষণ। সবেতে পড়ছিলো ধুলো। আমি কাউকে কিছু বলতে পারতাম না সবাই বলত এইটা স্বাভাবিক সব ঠিক হয়ে যাবে। আমি আর পারছিলাম না। নিজেকে ভীষণ হী'ন করে ফেলেছি মনে হচ্ছিল। স্বামীকে যেন প'র লাগে। মা বাবার যেকোন কথায় যেন আমাকেই বলা হতো মনে হতো।
মারিয়া ততদিনে ভীষণ দুষ্ট। টিভি মোবাইল না দেখালে ভাত খেতে না। নিয়ম করে দুধ ডিম কলা ভাত সব খাওয়াতাম কিছুতে শরীর ফিরতো না। খাবার নিলে ঘন্টার পর ঘন্টা দৌড়াতে হতো। এতে আমার মেজা'জ আরো খি'টখি'টে হয়ে যেতো। অল্প কিছুতেই মা'র'ধর করতাম বাচ্চাকে। কেউ কিছু বললে বাচ্চা মে'রে রা'গ দেখাতাম এতে ওরা আর বলত না। আমার মনে হতো উচিত হয়ছে। কিন্তু এতে করে ভ'য় জমছিলো মারিয়ার মনে। এত মা'র'তাম তাও আমার বুকে এসেই কাঁ'দতো। সারাক্ষন পিছনে ঘুরতো। কোন কাজ করতে পারতাম না। নিজের জন্য কোন টাইম ছিলো না। সব কিছুর পর ও মেয়ের হাসিতে সব ভুলে যেতাম। কিন্তু ভিতরে ভিতরে মনে একটা আত্মগ্লা'নি রয়েই যেতো। পরোক্ষ ভাবে তা মারিয়ার উপর ফেলতাম।
একদিন মেয়ে কি হয়েছে জানি না। কোন কাজ হয় নি আর মেয়ে কোল থেকেই নামে না। এইদিকে ওর খাবার টাইম হয়ে গেছে। খাবারের বাটি নিতেই মারিয়ার কা'ন্না শুরু। খুব রা'গ উঠে। দি'ই পিঠে দুইটা মা'ইর। স্বাভাবিক, প্রায় দিতাম। এরপর ঢে'লেঢুলে খাওয়াতে লাগলাম।
কিছুক্ষন পর সে আবার ব'মি করতে চাইলে আমি আবার মা'ইর দিই।
মেয়ে কা'ন্না করেই যাচ্ছিল। কোন মতে আর খাওয়ার মুখে তুলছিলো না। আমি রা'গ করে রান্না ঘরে চলে যাই। রান্না চুলায় দিয়ে অনেকক্ষন পর এসে দেখি মেয়ের কা'ন্না নেই তবে শুয়ে আছে। তখন কেমন যেন মা'য়া লাগে। গিয়ে মেয়েকে বুকে তুলে নিতেই দেখি সারামুখে র'ক্তে'র ছড়াছড়ি। কাপড় চোপড় সব। আমি এত ভ'য় পাই, কি হয়েছে আমার মেয়েটার? আমি ওকে ডাকি, পানি খাওয়াই, দুধ মুখে দেওয়াই, না কিছুতেই মেয়ে আমার সায় দেয় না।
মা সহ এসে অনেক চেষ্টা করি। না কিছুতে চো'খ খুলে না আমার ছোট্ট পাখিটা। হাতের কাছে যা ছিলো তা নিয়ে ছুটে যাই হাসপাতালে। তখনো বেঁ'চে ছিলো আমার সোনাটা, তবে বাঁ'চবে'না আর বেশিক্ষন।
খাওয়াতে গিয়ে কা'টা আটকে গিয়েছিলো গ'লায় আড়াআড়িতে। ব'মি করালে হয়ত বের হয়ে যেতো। আমি না বুঝে আবার খাওয়ালাম। মা'ইর দিলাম। কা'ন্না করাতে ছি'ড়ে গেলো নরম গলা। আমি দেখলাম ও না। এক বেলা না খেলে কি হতো।বেঁ'চে তো থাকতো।
এইটুকু লিখতে গিয়ে আমার হাত কা'পঁছে।চোখের কোণে জ'ল জমছে। বুকটাতে কেউ পাথর চা'পা দিলো মনে হচ্ছে। তখন পড়ার পর আমি আমার মেয়েটার দিকে তাকালাম।এতক্ষন চোখের সামনে মারিয়াতে নিজের মেয়ের মুখ খানা ভাসছিল। এইবার আ'তঁকে উঠলাম। কি ভাবছি? না না, আমার মেয়ে।
চেপে ধরলাম বুকে। নিঃশ্বাস নিতে পারছিলাম না। মেয়ে আমার মাথা নেড়ে যাচ্ছে সে নুডুস আর খাবে না। আমি তাকিয়ে রইলাম। এক বেলা না খেলে কি হতো মারিয়ার? বেঁচে তো থাকতো।
তখন সে আবার মেসেজ দিলো,
-কি ভাবছো? আমি ডা'ইনী না?
- না। আমিও মা। আমিও মা'ইর দিই মেয়েকে খাওয়া নিয়ে। তোমার ওটা এ'ক্সি'ডেন্ট ছিলো। তোমার দো'ষ ছিলো না।
-তুমি ভাবছো। তারা ভাবে নি। তারা আমাকে খু'নী বানালো। সেদিন ফেইসবুকে নিউস ছড়াল মায়ের হাতে খু'ন হলো নিষ্পাপ মারিয়া।
আমি চারদিন কিছুই মুখে দিই'নি তখন। বসে ছিলাম হ'সপি'টালে। চারদিন পর মারিয়াকে দিলো। না তখন ও আর মারিয়া ছিলো না।লা'শ শব্দটায় ডাকা হচ্ছিলো তখন। আমার ছুঁয়ে দেখতে দিলো'না ওরা আমার মেয়েকে। রাতের পর রাত জেগে কোলে নিয়ে হাটতে থাকা সন্তানকে ছুঁয়ে দেখার অধিকার আমার ছিলো'না🥺
আমি ছুঁয়ে দেখতে গেলে আমাকে বলা হয়েছিলো,
-ডা'ইনী কোথেকার, কু'কুর বেড়া'ল ও সন্তান আগলে রাখে তুই তো তার চেয়ে খা'রাপ। মে'রে ফেললি? আমি বড় করি নি বাচ্চা? কি হতো এক বেলা না খেলে?
আমিও ভাবি কি হতো? আমি তো চারদিন না খেয়ে আছি, কি হয়েছে আমার? ম'রে তো যাই নি?
আমি সে রাত ঘুমাতে পারি'নি। বার বার মারিয়াকে ভাবতে গিয়ে নিজের মেয়ের মুখ খানা ভাসছে। আমিও তো এই মাহিমার মতো ভাবি সব শেষ হা'রিয়ে ফেলেছি সব। কি ছিলাম কি হয়ে গেছি। আমার মতো কত মেয়েই তো ভাবে এমন। কিন্তু যারা একটা সন্তান পায়'না তারা তো এই কি থেকে কি হয়ে যাওয়া টাই খুঁজছে।
পরের দিন আবার নক দিলাম,
-তুমি কেমন আছো এখন?
-আমি ছয় মাস রি'হেভে ছিলাম। খেয়ে দেয়ে ঘুমাতাম শুধু। কোন কাজ ছিলো না। কারো জন্য রাত জাগতে হতো না। ছুটতে হতো না সারাদিন। বা'কা কোমর নিয়ে ঘুমাতে হতো না। চাইলে সাজতে পারতাম। যা ইচ্ছে তা করতে পারতাম। কিন্তু কিছুই করতে পারতাম। চোখের সামনে মেয়েটা হাসতো। মাম্মাম করে ডাকতো। তারপর ভাসতো র'ক্ত'মাখা সে মুখ।
আমি জেগে থাকলে চিৎ'কার করে কাঁ'দতাম। তাই কড়া ঘুমের ওষুধে ঘুম পাড়ানো হতো আমাকে দিনের পর দিন না খেয়ে দেয়ে৷
কত দিন গেলো জানি না। একদিন আতিক এলো। সাথে কিছু খাবার। আমি ওসব হাতে নিয়ে ওর দিকে তাকিয়ে রইলাম। কোন প্রশ্ন ছিলো না। ওকে দেখতে লাগলাম। কেমন ভেঙ্গে পড়েছে শরীর চেহেরাটা দেখে কেঁ'পে উঠলাম। ও বলল-
-মারিয়ার জন্য বাসায় মিলাদ রেখেছিলাম তার খাবার -
বাকিটা বলতে পারছে না ও। আমিও পারছিলাম না কিছু বলতে।মনে হচ্ছে আমার গ'লায় কে'উ মোটা দ'ড়ি বেঁ'ধে দুইদিক দিয়ে টানছে। আমার গলা দিয়ে নামবে এই-?
আমি টিফিনটা ছু'ড়ে মারলাম ওর দিকে। মাথায় লে'গেছে। সারাগায়ে খাবারের ছড়াছড়ি। আতিক এইবার ভ'য়ং'কর রে'গে গেলো।
-আমাকেও মা'রতে চাও? পা'গল হয়েছো? রা'ক্ষসী। যাও পড়ে ম'রো এইখানে।
আতিক আর কখনো আসে নি। আমাকে বাপের বাড়ি নিয়ে যাওয়া হয়। স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করা হতো। মেয়ের খেলনা জামা জুতা এমন কি ভা'ঙ্গা পুতুল গুলো আগলে ধরে বসে থাকতাম সারাদিন।
মা বাবা চেষ্টা করতো আমাকে স্বাভাবিক করতে। যা পছন্দ করতাম তা করাতে। এখন তো অনেক সময় আমার। পারতাম কোথায় বলো?
মেয়ের সব কিছু মু'ছে দেওয়া হলো। লুকিয়ে রাখা হয় সব খেলনা। কিন্তু মায়ের মন থেকে কি কিছু মু'ছা যাই? চোখ ব'ন্ধ করলেই তো সে একদিনের পিটপিট করা চোখ, চা'মড়া উঠা হাত, সব ভাসতো।
আমার আবার নিশ্বাস আ'টকে যাচ্ছিলো। আমি কি বলবো ভেবে পাচ্ছিলাম না।
ও আবার বলল-
-তৃষা দি, আমি তোমাকে এইসব বলছি কারণ আমি চাই তুমি আরো অনেক কে জানাও। কেন আমাদের মধ্যে এত হ'তা'শা? সন্তান তো আমাদের। সময় ও আমাদের। আমরা চাইলে তো সময় বের করে নিজের শখ গুলো করতে পারি। এতে তো বাচ্চাদের কোন হাত থাকে না। কেন মনে মনে এত গ্লা'নি পুষি। সব তো একসময় ঠিক হয়ে যাবে। যখন বড় হবে তখন তো কাছেই পাবো না। এই সময়টা না হয় নিজের করে সাজিয়ে নিই নিজের সন্তানের শৈশব।
সারাজীবন একটা সন্তানের আশায় প্রার্থনায় হাত তোলা হাত গুলো চিন্তা করলে তো বাচ্চার গা'য়ে আর হাত উঠে না।
সারাদিন ব্যস্ততাকে আঁকড়ে ধরে গ্লা'নি না পুষে আমার জায়গায় নিজেকে একবার ভেবে দেখুক না। কেমন ক'ষ্ট এই ব্যস্ততা হীন দিন আমার।
আমি কিছু বলতে পারি না। তবে এই যেন আমার জন্য একটা জোরে থা'প্প'ড়ের মতো পড়ল গালে। আমি আমার মেয়েকে আর খাবার নিয়ে মারবো না বলে ঠিক করি। খেয়াল করলাম সে মুখ থেকে ভাত ফেলে দিয়ে গালে হাত দিয়ে রেখেছে। দুই বছরের মেয়ে বুঝে গেছে এখন আমি গালে থা'প্পড় লাগাবো। আমি কিছুতেই নিজেকে মাহিমার জায়গায় ভাবতে পারছিলাম না।
কিন্তু একটা হাসি দিলাম। এতে মেয়ে হি হি করে জোরে হেসে উঠল। আবার ছুটে গেলো টিভির দিকে। কার্টুন দেখে দেখে হাসছে ভীষণ জোরে, গড়িয়ে পড়ছে আমার গায়ে।
আমি হেসে আবার খাবার দিলাম ওর দিকে, মেয়েও হাসতে হাসতে টুপ করে মুখে নিয়ে নিল💕
✍️ লেখাটা দোলনা বড়ুয়া তৃষা দির
Click here to claim your Sponsored Listing.
Contact the business
Website
Address
Katasur, Mohammadpur
Dhaka
1207
