Raisa Mony
আমার মেয়ে সিপিতে আক্রান্ত। সুস্থতার জন্য সবাই দোয়া করবেন।
04/08/2026
দর্শনা স্টেশনে আমি এবং আমার মেয়ে রাইসা। দেখলে বোঝাই যেত না যে ও স্পেশাল বাচ্চা। আল্লাহ সহায় হোন।
# Autism Bangladesh
জীবনে চলার পথে আল্লাহ সহায়। যাদের পরিবারে স্পেশাল বাচ্চা আছে শুধু তারাই বোঝে জীবনের.
Celebrating my 3rd year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉
20/04/2026
একদিনের ১০ মিনিটের খিঁচুনী আমার মেয়েরে জীবনটাও এলোমেলো করে দিয়েছে।
সিপি আক্রান্ত শিশুদের খিঁচুনি কি পুরোপুরি সেরে যায়?
সেরিব্রাল পালসি (CP) এবং খিঁচুনি বা এপিলেপসি একে অপরের সাথে গভীরভাবে সম্পর্কিত হলেও, এগুলো সম্পূর্ণ ভিন্ন দুটি বিষয়। সিপি আক্রান্ত শিশুদের ক্ষেত্রে খিঁচুনি পুরোপুরি বন্ধ হবে কি না, তা নির্ভর করে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ওপর।
নিচে এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
১. সিপি এবং খিঁচুনির সম্পর্ক
সেরিব্রাল পালসি কোনো রোগ নয়, বরং মস্তিষ্কের একটি বিশেষ অবস্থা। কিন্তু মস্তিষ্কের যে অংশে আঘাতের কারণে সিপি হয়েছে, সেই একই জায়গা থেকে মাঝে মাঝে অস্বাভাবিক বৈদ্যুতিক তরঙ্গ প্রবাহিত হলে খিঁচুনি হয়। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, সিপি আক্রান্ত শিশুদের প্রায় ৩০% থেকে ৫০% খিঁচুনিতে ভোগেন।
২. খিঁচুনি কি পুরোপুরি বন্ধ হয়?
খিঁচুনি পুরোপুরি বন্ধ হবে কি না, তা কয়েকটি ফ্যাক্টরের ওপর নির্ভর করে:
• নিয়মিত ওষুধ (Antiepileptic Drugs): অধিকাংশ ক্ষেত্রে সঠিক ওষুধের মাধ্যমে খিঁচুনি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে (Control) রাখা সম্ভব। অনেক সময় টানা ২-৩ বছর খিঁচুনি না হলে চিকিৎসকরা ধীরে ধীরে ওষুধ কমিয়ে দেন এবং তখন অনেকের ক্ষেত্রে এটি স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যায়।
• সিপি-র ধরন: যদি মস্তিষ্কের ক্ষতি নির্দিষ্ট একটি ছোট জায়গায় সীমাবদ্ধ থাকে, তবে খিঁচুনি বন্ধ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। কিন্তু ক্ষতি যদি বিস্তৃত হয়, তবে দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে।
• বয়স: অনেক সময় বয়স বাড়ার সাথে সাথে মস্তিষ্কের গঠনগত পরিবর্তনের ফলে খিঁচুনি কমে আসে।
৩. চিকিৎসার আধুনিক পদ্ধতি
আপনার উল্লেখিত আকারা ফাউন্ডেশনের মতো উন্নত প্রতিষ্ঠানগুলোতে এখন মাল্টি-ডিসিপ্লিনারি পদ্ধতিতে চিকিৎসা করা হয়:
• সঠিক রোগ নির্ণয়: EEG বা অন্যান্য পরীক্ষার মাধ্যমে খিঁচুনির ধরন বুঝে সঠিক ডোজের ওষুধ দেওয়া হয়।
• কিটোজেনিক ডায়েট: অনেক সময় ওষুধের পাশাপাশি বিশেষ ধরনের খাদ্যাভ্যাস খিঁচুনি কমাতে সাহায্য করে।
• থেরাপি: স্ট্রেস বা ক্লান্তি থেকেও অনেক সময় খিঁচুনি ট্রিগার হয়। নিয়মিত থেরাপি শিশুকে শান্ত রাখতে সাহায্য করে, যা পরোক্ষভাবে খিঁচুনি নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে।
৪. মনে রাখা জরুরি
"পুরোপুরি বন্ধ হওয়া" বলতে যদি বোঝায় যে আর কখনোই ওষুধ লাগবে না, তবে তা সবার ক্ষেত্রে এক নয়। অনেকের ক্ষেত্রে খিঁচুনি চিরতরে চলে যায়, আবার অনেকের ক্ষেত্রে এটি ওষুধের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণে রাখতে হয় যেন দৈনন্দিন জীবনে কোনো সমস্যা না হয়।
Jakeya Sultana Hafsa
#সেরিব্রালপালসি #খিঁচুনি #এপিলেপসি #শিশুস্বাস্থ্য #স্বাস্থ্যসচেতনতা
Alerts
Be the first to know and let us send you an email when Raisa Mony posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.
Subscribe
We will notify you when anything happens in Dhaka.