Excellent World

Excellent World

Share

100% Natural Product

Photos from Excellent World's post 15/10/2020

এক্সিলেন্ট ফার্মাসিউটিক্যাল এন্ড ইউনানি ল্যাবরেটরিস লিমিটেডের।। শীগ্রই বাজারে আসতে যাচ্ছে।
এক্সিলেন্ট ফার্মাসিউটিক্যাল পণ্য।

08/10/2020

নবীজি বলেছেন মরন ব্যতিত সব রোগের ঔষধ কালোজিরা। আসুন কালোজিরা সেবন করি। কেননা রোগপ্রতিরোধের ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি কালোজিরায় রয়েছে।

কালোজিরের মধ্যে রয়েছে নাইজেলোন, থাইমোকিনোন, লিনোলিক অ্যাসিড, ওলিক অ্যাসিড, ক্যালসিয়াম, আয়রন, জিংক, ম্যাগনেশিয়াম ,ফসফেট, সেলেনিয়াম, ভিটামিন-এ, ভিটামিন-বি, ভিটামিন-বি ২, নায়াসিন, ভিটামিন-সি, ফসফরাস, কার্বোহাইড্রেট। সুস্থ থাকতে তাই প্রতিদিন কালোজিরা খাওয়া উচিৎ।

১. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে কালোজিরা। নিয়মিত কালোজিরা খেলে শরীরের প্রতিটি অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সতেজ থাকে। এতে করে যে কোনও জীবানুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে দেহকে প্রস্তুত করে তোলে এবং সার্বিকভাবে স্বাস্থ্যের উন্নতি করে।

২. বাতের ব্যাথায় আরাম পেতে, ব্যথার জায়গা ভাল করে ধুয়ে পরিষ্কার করে কালোজিরার তেল মালিশ করুন। এক চা- চামচ কাঁচা হলুদের রসের সঙ্গে ১ চা চামচ কালোজিরার তেল ও ১ চা চামচ মধু মিশিয়ে দিনে তিনবার খান। ২-৩ সপ্তাহ টানা খেলে ফল মিলবে হাতেনাতে।

৩. সর্দি-কাশিতে আরাম পেতে, এক চা চামচ কালোজিরার তেলের সঙ্গে ১ চা চামচ মধু বা এক কাপ লাল চায়ের সঙ্গে আধ চা চামচ কালোজিরের তেল মিশিয়ে দিনে তিনবার খান। পাতলা পরিষ্কার কাপড়ে কালিজিরা বেঁধে শুকালে, শ্লেষ্মা তরল হয়।
পাশাপাশি, এক চা-চামচ কালোজিরার সঙ্গে তিন চা-চামচ মধু ও দুই চা-চামচ তুলসি পাতার রস মিশিয়ে খেলে জ্বর, ব্যথা, সর্দি-কাশি কমে। বুকে কফ বসে গেলে কালিজিরে বেটে, মোটা করে প্রলেপ দিন একই সাথে ।


৪. ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রনে রাখতে প্রতিদিন সকালে দু'কোয়া রসুন চিবিয়ে খেয়ে, সারা শরীরে কালোজিরার তেল মালিশ করে রোদে আধ ঘণ্টা বসে থাকুন। পাশাপাশি ১ চা চামচ কালোজিরার তেলে ১ চা চামচ মধু মিশিয়ে খেলেও ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে থাকে।

৫. কালোজিরা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্যও খুব উপকারী। এটি রক্তের গ্লুকোজ কমিয়ে দেয়। এতে করে কালোজিরা ডায়াবেটিক নিয়ন্ত্রনে রাখতে সহায়তা করে।

৬. যারা হাঁপানি বা শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যায় ভুগে থাকেন তাদের জন্য কালোজিরা অনেক বেশি উপকারী। প্রতিদিন কালোজিরার ভর্তা রাখুন খাদ্য তালিকায়। কালোজিরা হাঁপানি বা শ্বাস কষ্টজনিত সমস্যা দূর করে।

৭. নিয়মিত কালোজিরা খেলে দেহে রক্ত সঞ্চালন ঠিকমতো হয়। এতে করে মস্তিস্কে রক্ত সঞ্চালনের বৃদ্ধি ঘটে; যা আমাদের স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।

৮. কালোজিরার থেকে তৈরি তেল আমাদের দেহে বাসা বাঁধা দীর্ঘমেয়াদী রিউমেটিক এবং পিঠে ব্যথা দূর করতে সাহায্য করে। এছাড়া সাধারণভাবে কালোজিরা খেলেও অনেক উপকার পাওয়া যায়।

৯. নিয়মিত কালোজিরা খাওয়ালে দ্রুত শিশুর দৈহিক ও মানসিক বৃদ্ধি ঘটে। কালোজিরা শিশুর মস্তিষ্কের সুস্থতা এবং স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতেও অনেক কাজ করে।

১০. যেসব মায়েদের বুকে পর্যাপ্ত দুধ নেই, তাদের মহৌষধ কালিজিরা। প্রসূতি মায়েরা প্রতি রাতে শোয়ার আগে ৫-১০ গ্রাম কালিজিরা মিহি করে দুধের সাথে খেলে মাত্র ১০-১৫ দিনে দুধের প্রবাহ বেড়ে যাবে। এছাড়া এ সমস্যা সমাধানে কালিজিরা ভর্তা করে ভাতের সাথে খেলেও ভাল। এছাড়া ১ চা-চামচ কালোজিরার তেল সমপরিমাণ মধুসহ দৈনিক ৩বার করে নিয়মিত খেলেও শতভাগ উপকার পাওয়া যায়।

এছাড়াও নিয়মিত কালোজিরা সেবনে চুলের গোড়ায় পুষ্টি ঠিকমতো পায়, ফলে চুলের বৃদ্ধি ভালো হয় এবং চুল পড়া বন্ধ হয়। অনেকেরই চুল পড়া, দুর্বল চুল, শুষ্ক চুল ইত্যাদি নানা রকম সমস্যা থাকে। এক্ষেত্রে সপ্তাহে কয়েকবার কালিজিরার তেলের ব্যবহার চুলের সমস্যাকে দূর করতে পারে।

#প্রয়োজনেঃ-
01993738565
অথবা ইনবক্স করুন।
#যোগাযোগ
নারায়ণগঞ্জ জেলা ডিপো
এক্সিলেন্ট ওয়ার্ল্ড এগ্রোফুড এন্ড কসমেটিকস লিঃ।
হাজী ইব্রাহিম খলিল শপিং কমপ্লেক্স (প্রিয়ম নিবাস), ৬ষ্ঠ তলা, চিটাগাংরোড, সিদ্ধিরগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ।

Photos from Excellent World's post 17/05/2020

এক্সিলেন্ট বেবি লাইফ।
--------------------
শিশুর জন্য মানসম্পন্ন পুষ্টিকর খাদ্য।

উপাদান : প্রোটিন, ওমেগা ৩, পেস্তা ও কাঠ বাদাম, আখরোট, মোনাক্কা, আলুবোখারা, কিশমিশ ও বিভিন্ন প্রকারের পুষ্টি উপাদান সমৃদ্ধ।
কার্যকারিতা :
১) Attention-Less (মনযোগহীনতা) পড়াশোনায় মনযোগ সহ বেশ তীক্ষ স্মরণ শক্তি বৃদ্ধি পায়, এবং উগ্রতা ১০% কমে যায়।
২) ভিটামিন বি৬ থাকায় খিঁচুনি, অতিরিক্ত চুলপড়া, স্মায়ুবিক দূর্বলতা ও ত্বকের সমস্যার সমাধান হয়।
৩) বয়:স্বন্ধিকালে (মাংসপেশীর দূর্বলতা, চোখের সমস্যা) লুটেন নামক অ্যান্টি-অক্রিডেন্ট বিশেষ ভূমিকা রাখে।
৪) প্রচুর ফাইবার থাকায় কোষ্ঠ কাঠিন্য দূর করে লিপিডের মাত্রা বৃদ্ধি করে।
৫) পর্যাপ্ত পরিমাণ ফসফরাস, পটাশিয়াম, কপার, ম্যাগনেসিয়ামের দারুণ উৎস বিদ্যমান।
৬) “অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ফ্ল্যাভোনয়েড” থাকায় ক্যান্সারসহ বিভিন্ন রোগের প্রতিরোধে সহায়তা করে।
৭) আখরোট ত্বকের জন্য ক্ষতিকারক কোষকে ধ্বংস করে।
৮) উচ্চমাত্রার ক্যালরি থাকায় ওজন ব্যালেন্স করে, হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।
পানীয় তৈরীর নিয়ম :- ২-৭ বছরের শিশুদের ক্ষেত্রে ২ চা চামচ পাউডার এবং ৭-১৫ বছরের কিশোরদের জন্য ৩ চা চামচ পাউডার ১ গ্লাস ঠান্ডা পানি/দুধ অথবা প্রয়োজনমত পাকা কলা, কমলালেবুর রস/মধুর সাথে ব্লেন্ডিং পূর্বক দিনে ২ – ৩ বার পান করা যাবে।
সতর্কতা :- যে কোন খাদ্য গ্রহণের ২ ঘন্টা আগে অথবা পরে এই শরবত পান করবেন।
প্রয়োজনে : 01993738565

27/04/2020
Photos from Excellent World's post 24/03/2020
24/03/2020

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে নিয়মিত ব্যবহার করুন গ্যানো মরিঙ্গা।

বিশ্ব আলোড়ন সৃষ্টিকারী সুপার ফুড মরিঙ্গা ও " কিং অব অল হার্বস" গ্যানো ডার্মা এখন একসাথে এক্সিলেন্ট গ্যানো মরিঙ্গা ফুড ক্যাপসুলে....
মরিঙ্গা / সজিনা ৩০০ প্রকার ব্যাধির প্রতিষেধক হিসেবে ব্যবহ্ত হয়েছে....

#গ্যানো_মরিঙ্গা_ফুড_ক্যাপসুল :

#উপাদান : রেড মাশরুম ও মরিঙ্গা থেকে সংগৃহীত।

#উপকারিতা :
* গরুর দুধের চেয়ে ০৪ গুন বেশি ক্যালসিয়াম, কমলার চেয়ে ০৭ গুন বেশি ভিটামিন সি বিদ্যমান।
* প্রোটিনের পরিমান দইয়ের চেয়ে ০২গুন বেশি বিদ্যমান।
* গাজর থেকে) ০৪ গুন বেশি ভিটামিন এ, কলার চেয়ে ০৩ গুন বেশি পটাশিয়াম বিদ্যমান।
* রক্তের ক্ষত নিরাময় করে, দ্রুত রক্তপাত বন্দ করে এবং জখমের ঘা শুকাতে বিশেষ কার্যকরী।
* ক্যান্সার, ডায়াবেটিস, রক্তসল্পতা, বাতের ব্যাথা ( রিউম্যাটিজম). হজমক্রিয়া সমস্যা, এলার্জি,হাঁপানি, কোষ্ঠকাঠিন্য,পেট ব্যাথা, ডায়ারিয়া,মৃগীরোগ,আলসার,
দীর্ঘমেয়াদি মাথাব্যাথা,হার্টের সমস্যা,
উচ্চ রক্তচাপ,কিউনির পাথর, থাইরয়েডের রোগ,ব্যাকটেরিয়া,ফুসকা,ভাইরাল রোগ থেকে নিরাময়ে সহায়তা করে।
* ডায়াবেটিস, শ্বাসযন্তের সমস্যা,ক্যার্ডিওভাসকুলার রোগ, আর্থ্রাইটিস এবং স্থুলতার মতো দীর্ঘস্থায়ী রোগ প্রতিকার সম্বব।
* লিভারের প্রোটিন সমৃদ্ধি করে. নষ্ট হয়ে যাওয়া প্রতিহত করে।
* অ্যান্টি ব্যাক্টেরিয়াল, ফাংঙ্গাল মূএনালী,রক্ত ও ছএাকের সংক্রমণ থেকে প্রতিহত করে।

#সেবনবিধিঃ
সকালে নাস্তার পর ২ টা ক্যাপসুল,
রাতে খাবারের পর ২ টা ক্যাপসুল।

#প্রয়োজনে :
ইনবক্স করুন, www.excellentworldint.com

Excellent World 24/03/2020

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে নিয়মিত ব্যবহার করুন গ্যানো মরিঙ্গা।

বিশ্ব আলোড়ন সৃষ্টিকারী সুপার ফুড মরিঙ্গা ও " কিং অব অল হার্বস" গ্যানো ডার্মা এখন একসাথে এক্সিলেন্ট গ্যানো মরিঙ্গা ফুড ক্যাপসুলে....
মরিঙ্গা / সজিনা ৩০০ প্রকার ব্যাধির প্রতিষেধক হিসেবে ব্যবহ্ত হয়েছে....

#গ্যানো_মরিঙ্গা_ফুড_ক্যাপসুল :

#উপাদান : রেড মাশরুম ও মরিঙ্গা থেকে সংগৃহীত।

#উপকারিতা :
* গরুর দুধের চেয়ে ০৪ গুন বেশি ক্যালসিয়াম, কমলার চেয়ে ০৭ গুন বেশি ভিটামিন সি বিদ্যমান।
* প্রোটিনের পরিমান দইয়ের চেয়ে ০২গুন বেশি বিদ্যমান।
* গাজর থেকে) ০৪ গুন বেশি ভিটামিন এ, কলার চেয়ে ০৩ গুন বেশি পটাশিয়াম বিদ্যমান।
* রক্তের ক্ষত নিরাময় করে, দ্রুত রক্তপাত বন্দ করে এবং জখমের ঘা শুকাতে বিশেষ কার্যকরী।
* ক্যান্সার, ডায়াবেটিস, রক্তসল্পতা, বাতের ব্যাথা ( রিউম্যাটিজম). হজমক্রিয়া সমস্যা, এলার্জি,হাঁপানি, কোষ্ঠকাঠিন্য,পেট ব্যাথা, ডায়ারিয়া,মৃগীরোগ,আলসার,
দীর্ঘমেয়াদি মাথাব্যাথা,হার্টের সমস্যা,
উচ্চ রক্তচাপ,কিউনির পাথর, থাইরয়েডের রোগ,ব্যাকটেরিয়া,ফুসকা,ভাইরাল রোগ থেকে নিরাময়ে সহায়তা করে।
* ডায়াবেটিস, শ্বাসযন্তের সমস্যা,ক্যার্ডিওভাসকুলার রোগ, আর্থ্রাইটিস এবং স্থুলতার মতো দীর্ঘস্থায়ী রোগ প্রতিকার সম্বব।
* লিভারের প্রোটিন সমৃদ্ধি করে. নষ্ট হয়ে যাওয়া প্রতিহত করে।
* অ্যান্টি ব্যাক্টেরিয়াল, ফাংঙ্গাল মূএনালী,রক্ত ও ছএাকের সংক্রমণ থেকে প্রতিহত করে।

#সেবনবিধিঃ
সকালে নাস্তার পর ২ টা ক্যাপসুল,
রাতে খাবারের পর ২ টা ক্যাপসুল।

#প্রয়োজনে:
ইনবক্স করুন,

Excellent World Excellent Group was jointly founded by Mr. Anwar Hossain Royal Rana, an ambitious and determined person to bring out the prosperity not only in the domestic arena but also for the total human kind. His bottomless concentration and nonstop efforts has driven him to utilize the fullest potential of em...

04/03/2020

স্পিরুলিনা নামটি উদ্ধৃত হয়েছে ল্যাটিন শব্দ "spira" হতে, যার অর্থ হচ্ছে পাকানো বা সর্পিলাকার। স্পিরুলিনা' হলো অতি ক্ষুদ্র নীলাভ সবুজ শৈবাল যা সূর্যালোকের মাধ্যমে দেহের প্রয়োজনীয় শক্তি উৎপাদন করে। এটি সাধারণত পানিতে জন্মে। সামুদ্রিক শৈবাল নামেই এর বেশি পরিচিতি।
স্পিরুলিনায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ভিটামিন, লৌহ ও একাধিক খণিজ পদার্থ। সাধারণ খাদ্য হিসেবে তো বটেই নানা রোগ নিরাময়ে মূল্যবান ভেষজ হিসেবে দেশে-বিদেশে স্পিরুলিনার প্রচুর চাহিদা রয়েছে। স্পিরুলিনা একটি শক্তিবর্ধক সম্পূরক খাদ্য। প্রোটিন, ভিটামিন ও মিনারেলস সমৃদ্ধ প্রকৃতির আশ্চর্য খাবার স্পিরুলিনা। আর তাই চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা এর নাম দিয়েছেন সুপারফুড।

স্পিরুলিনা ইতিহাস:
ইউরোপের কিছু গবেষক আফ্রিকায় কোন এক দেশের এলাকায় গিয়েছিলেন গবেষনার জন্য ডাটা সংগ্রহ করতে। সেখানে গিয়ে তারা দেখতে পেলেন এলাকার মানুষগুলো সুস্থ্য ও স্বাস্থ্যবান। প্রথমে দেখে তারা খুব আর্শ্চর্য হলেন কীভাবে তারা এতো স্বাস্থ্যবান। রহস্য খোজতে গিয়ে গবেষকরা তাদের খাবারের ম্যানুতে সত্যিই কিছু একটা খুজেঁ পেলেন আর তা হলো “স্পিরুলিনা বা শৈবাল”।

স্পিরুলিনার বৈশিষ্ট্য:
স্পিরুলিনার বিশেষ বৈশিষ্ট হলো–তা ব্যাপক মাত্রায় শরীরের রেডিয়েশন ইনভোলভমেন্ট বাধা দেয়।জাপানিদের দীর্ঘ সময় বেঁচে থাকার একমাত্র জাদুকাঠি হলো-সবুজ শ্যাওলা এই স্পিরুলিনা। জাপানে এটি নড়ি নামে পরিচিত। জাপানিরা খাবারের সময় প্রচুর পরিমানে স্পিরুলিনা খেয়ে থাকেন।

রোগ প্রতিরোধে স্পিরুলিনার উপকারিতা ও গুনাবলি:
- ৬০-৬৩% উদ্ভিজ্জ আমিষ স্পিরুলিনায় আছে যা কিনা মাংসের চাইতে ৩-৪ গুণ বেশি।
- স্পিরুলিনায় অধিক পরিমানে প্রোটিন, ভিটামিন, লৌহ ও একাধিক খণিজ পদার্থ থাকে।
- সাধারন খাবার হিসেবে এটি খাওয়া যাবে প্রতিদিন।
- মুল্যবান ভেষজ হিসেবে দেশে-বিদেশে স্পিরুলিনার প্রচুর চাহিদা রয়েছে।
- স্পিরুলিনা দেহের শক্তি যোগায় প্রচুর পরিমাণে।
- সাইক্লিস্ট ও অ্যাথলেটিকসদের জন্য স্পিরুলিনা একটি আদর্শ খাবার।
- স্পিরুলিনা একটি শক্তিবর্ধক সম্পূরক খাদ্য।
- স্পিরুলিনা নিয়মিত খেলে দৈনন্দিন পুষ্টি চাহিদা পূরণ করে পুষ্টিহীনতা, রক্তশূন্যতা, রাতকানা, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, আলসার, বাত, হেপাটাইটিস ও ক্লান্তি দূর হবে।
- স্পিরুলিনার প্রায় অর্ধেকটাই আমিষ।
- দিনে মাত্র ১০ গ্রাম স্পিরুলিনা খেয়ে দৈনিক আমিষ চাহিদার ৭০% মেটানো সম্ভব।
- পেশিকলা গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখে স্পিরুলিনা । এছাড়াও এটি শরীর থেকে বের করে দেয় দিনের পর দিন জমে ওঠা ক্ষতিকর সব টক্সিন।
- এটি পরিশ্রম করার ক্ষমতা বাড়ায় এবং শরীরের ওজনও রাখে নিয়ন্ত্রনে।
- সবুজ শ্যাওলাতে ৬০% এর মত সব ভেজিটেবলের প্রোটিন আছে।
- প্রোটিন যুক্ত খাবার যেমন মাছ, মাংস, দুধ বা ডিমর চাহিদা স্পিরুলিনা পূরুন করতে পারে।

গর্ভবতী মহিলাদের জন্য স্পিরুলিনার উপকারিতা:
গর্ভবতী মহিলাদের জন্যও এটা আদর্শ খাবার। গর্ভবতী মহিলাদের আয়রনের অভাব পূরুন করার জন্য ডাক্তার সাধারণত লিভার খাবারের পরামর্শ দেন। স্পিরুলিনা লিভারের অপোজিট হিসাবে কাজ করে। বাচ্চাদের সবসময় সব পুষ্টি খাবার দেয়া সম্ভব হয়ে উঠে না বা সব খাবার বাচ্চারা খেতেও চায় না। পুষ্টি সমস্যা পূরুনে স্পিরুলিনা এক্ষেত্রে ভালো ভুমিকা রাখতে পারে।

স্পিরুলিনা হেলথ টিপস:
১। ক্যান্সার সেল প্রটেক্ট করে
২। শরীরের ওয়েট কমায়
৩। শরীরের এসিডেটি কমায়
৪। এলডিএল ও এইচ ডি এল ব্যালেন্স করে
৫। লিভার ও কিডনি ফাংশন সচল রাখতে সাপোর্ট দেয়
৬। সাইনোসাইসের জন্য উপকারী
৭। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে সক্রিয় রাখে।

স্পিরুলিনা কোথায় পাবেন আর কিভাবে খাবেনঃ
বাংলাদেশে Excellent স্পিরুলিনা পেতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। এছাড়াও দেশের বাহিরে পেতে প্রবেশ করুন আমাদের ওয়েবপেইজ এ....
Website: www.excellentfutureml.com.

স্পিরুলিনার স্বাস্থ্য ও সৌন্দর্য উপকারিতা :
স্পিরুলিনা এক প্রকার জলজ উদ্ভিদ যা সায়ানোব্যাক্টেরিয়া নামে পরিচিত। দেখতে লতা পাতার মতো হলেও এর রয়েছে চমৎকার স্বাস্থ্য ও সৌন্দর্য উপকারিতা ।

১. স্তন ক্যান্সার থেকে রক্ষা করে:
স্পিরুলিনা ক্যান্সার হওয়া থেকে শরীরকে রক্ষা করে। স্পিরুলিনার নীল-সবুজ রঙ এটা ক্যান্সা্রের কোষ ধ্বংস করতে সক্ষম হয়। স্পিরুলিনা শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট নামক সেলেনিয়াম সমৃদ্ধ। গবেষণায় দেখা গেছে স্পিরুলিনা স্তন ক্যান্সার চিকিৎসা কার্যকর প্রমাণিত দেখানো হয়েছে।

২. বাত প্রতিরোধ করে:
স্পিরুলিনা প্রকৃতি বিরোধী প্রদাহ এবং বাত রোগীদের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এর অতিরিক্ত পুষ্টি পেতে রস, পাস্তা, সালাদ, রুটি আকারে আপনার খাদ্যের মধ্যে স্পিরুলিনা অন্তর্ভুক্ত।

৩. যকৃতের জন্য অত্যন্ত ভাল:
স্পিরুলিনা যকৃতের ক্ষতি, যকৃত ব্যর্থতা এবং সিরোসিস এর বিরুদ্ধে কাজ করে শরীরকে রক্ষা করে। এটা ভিটামিন বি, ই, ম্যাঙ্গানিজ দস্তা, লোহা, তামা, সেলেনিয়াম, এবং প্রোটিনের মত খনিজ সমৃদ্ধ উৎস। এছাড়া এটা যকৃতের ব্যথা হ্রাস করে এবং যকৃতে ট্রাইগ্লিসেরাইড এর ক্ষতি এড়িয়ে যেতে সক্ষম।

৪. চোখের স্বাস্থ্য রক্ষা করে:
স্পিরুলিনা যে কোন ধরণের ক্ষতি থেকে চোখকে রক্ষা করে। যা ম্যাঙ্গানিজের উত্তম উৎস উচ্চ পরিমাণে দশ গুণ বেশি ভিটামিন রয়েছে। এটি ছানির পতন এবং মাচুলার মত চক্ষু রোগ ভাল করে শক্তিশালী এবং পুষ্টিকর করে গড়ে তোলে।

৫. হজমশক্তি বৃদ্ধি করে
ই. কোলাই এবং চান্দিদার মত ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি দমন করে। স্পিরুলিনা পাচনতন্ত্রএর মধ্যে lactobacillus এবং bifidobacteria মত ভাল ব্যাকটেরিয়া তৈরী করে। সুতরাং, এটা পুষ্টি শোষণ করে শরীরের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে হজম বাড়ায়।

৬. কিডনিকে বিষাক্ততা থেকে বাঁচায়
স্পিরুলিনা ক্লোরোফিল একটি উচ্চ ঘনত্ব সম্পন্ন এবং সেরা প্রাকৃতিক detoxifiers। এটা কিডনি থেকে ভারী ধাতু, ক্ষতিকারক রশ্মি, এবং দূষণকারী মুছে কিডনি বিষাক্ততার কমে যায়.

৭. এলার্জির জম!
প্রায় ৬ মাস ধরে দৈনিক স্পিরুলিনা গ্রহণ এলার্জি উপসর্গ কমিয়ে দেয়। ধুলোর অতি ক্ষুদ্র পরজীবী কীটবিশেষ, ছাঁচ, এবং পোষা প্রাণী, ফুলের পরাগ বা বহুবর্ষজীবী এলার্জি থেকে এলার্জিক রাইনাইটিস (ঋতু) স্পিরুলিনার সাহায্যে স্বাভাবিকভাবেই গ্রহণ করা যেতে পারে।

৮. ডায়াবেটিস প্রতিরোধ:
স্পিরুলিনার মধ্যে অ্যামিনো অ্যাসিড, ভিটামিন, খনিজ পদার্থ, এবং phycocyanins উপস্থিতি ডায়াবেটিস কমায়। এটি ডায়াবেটিকসের মধ্যে লিপিড মাত্রা উন্নত করতে সাহায্য করে।এতে linolenic অ্যাসিড রয়েছে। ২ মাস দৈনিক দুইবার spirulina গ্রহণ রক্তে শর্করার মাত্রা সুষম রাখে।

৯. রোগপ্রতিরোধকারী ইমিউন সিস্টেম উন্নত করে:
স্পিরুলিনা একটি পাওয়ারফুল আক্রমণ বিরোধী সহায়তাকারী। স্পিরুলিনার মধ্যে পলিস্যাকারাইড উপস্থিতি যার ফলে রোগ এর বিভিন্ন বাধা, ইমিউন সিস্টেম উন্নত করার জন্য সবচেয়ে বেশি কার্যকর।

১০. ওজন কমাতে সাহায্য করে:
স্পিরুলিনা প্রোটিন, ক্ষুধা কম রাখে এবং আপনার শরীরের স্তূপাকার চর্বিকে নিরাময় করে। তাই এটা ব্যায়াম এর সঙ্গে মিলিত কোন ওজন কমানোর খাদ্যের মধ্যে একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ খাবার।

১১. মেনোপজ উপসর্গের হ্রাস:
কয়েক মাসের জন্য দৈনিক একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ স্পিরুলিনা গ্রহণ দুঃসহ স্মৃতিচারণায়, বিষণ্নতা ও উদ্বেগ এর মত মেনোপজ উপসর্গ কমিয়ে দেয়। এবং মেনোপজ চলছে এমন নারী স্পিরুলিনা নেওয়ার পর মানসিক প্রশান্তি এবং মানসিক ভারসাম্য অভিজ্ঞতা হবে নিশ্চিত।

১২. তাৎক্ষনিক শক্তি সহায়তাকারী:
স্পিরুলিনা বিপাক বৃদ্ধি এবং তাত্ক্ষণিক শক্তি প্রদান করে। ক্লোরোফিল এবং phycocyanin সমৃদ্ধ, এটা আপনার শক্তির মাত্রা অনুমোদন শর্করা তৈরি করতে সূর্যালোক থেকে শক্তি শোষণ করে, এটা মনোবল তৈরী করে।

১৩. ক্ষত নিরাময়:
স্পিরুলিনা ব্যাকটেরিয়া, খামির এবং ছত্রাক বৃদ্ধি inhibiting দ্বারা ক্ষত নিরাময় দ্রুততর একটি নিখুঁত প্রাকৃতিক প্রতিকার যা বিরোধী জৈব এবং বিরোধী প্রদাহজনক বৈশিষ্ট্য আছে।

১৪. স্বাস্থ্যকর বাচ্চার উন্নয়ন:
স্পিরুলিনা পুষ্টিতে পরিপূর্ণ, এটা সন্তানদেরকে স্তন্যদান করতে অত্যন্ত সহায়ক। স্পিরুলিনায় linolenic অ্যাসিড রয়েছে এবং আপনার বাচ্চার সুস্থ্য বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজন।

১৫. এ্যজমার প্রতিরোধ :
অ্যাল্জায়মার রোগ এর কারণে প্লেক মেমরি ক্ষতি ঘটাচ্ছে, যা amyloid-বিটা প্রোটিনের পরিমাণ বেড়ে থাকে। স্পিরুলিনা সেবনে এই প্রোটিন মাত্রা হ্রাস করা যায় এবং আল্জ্হেইমের রক্ষা করতে সাহায্য করে। এছাড়াও, আক্রমণের ফলে তার পক্বতা প্রতিরোধ মৌল থেকে মস্তিষ্ককে রক্ষা করে।

১৬. মেজাজ ফুরফুরে রাখে :
স্পিরুলিনা অ্যামিনো অ্যাসিড এল-ট্রিপটোফেন, আপনার মেজাজ ভাল করে এবং হাসিখুশী রাখে।

১৭. রক্তস্বল্পতা কমায়:
আয়রনের অভাব বিশেষ করে নারী ও শিশুদের মধ্যে খুবই সাধারণ ও তা ব্যাপক আকারে। স্পিরুলিনা আয়রনের সেরা প্রাকৃতিক সূত্র। এটি ভিটামিন বি এবং হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়িয়ে সফলভাবে আচরণ রক্তাল্পতা থেকে বাছাতে সাহায্য করে। এতে বিরোধী oxidants রয়েছে।

১৮. ক্ষুধা হ্রাস:
স্পিরুলিনা আপনার শরীরকে পূর্ণাঙ্গ করে তোলে এবং সেইসাথে ক্ষুধা হ্রাস করে। খাবার আধা ঘন্টা আগে স্পিরুলিনা গ্রহণ করুন দেখবেন আপনি স্বাভাবিকভাবেই কম খাচ্ছেন।

১৯. মুখের দুর্গন্ধ দু্র করে:
স্পিরুলিনার মধ্যে ক্লোরোফিল কন্টেন্ট থাকে, এটা মুখের দুর্গন্ধ দু্র করে। সেজন্য বাজারে পাওয়া অধিকাংশ বাণিজ্যিক মুখ ফ্রেশনার এর প্রধান উপাদান এই স্পিরুলিনা।

২০. নখ সুস্থ রাখে:
স্পিরুলিনা হচ্ছে ক্লোরোফিল, আয়রন, ভিটামিন এবং বি ১২ সমৃদ্ধ, সুস্থ নখ এর জন্য একটি বিস্ময়কর খাদ্য গড়ে তোলে। স্পিরুলিনা সেবনে নখ সবসময় ভাল থাকবে।

২১. যৌন শক্তি বাড়ায়:
এটা প্রশস্ত প্রোটিন এবং অন্যান্য পুষ্টিকারক পদার্থ এবং এনজাইম এর সাথে যোগ করা হয়। স্পিরুলিনা উল্লেখযোগ্য ফলাফল অর্জন করে যৌন শক্তি বারিয়ে দেয়।

২২. দাঁতের স্বাস্থ্য ভাল করে:
স্পিরুলিনা সুস্থ দাঁত বজায় রাখার জন্য অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে। এতে প্রচুর ফসফরাস এবং ক্যালসিয়াম রয়েছে। সবুজ-নীল শেত্তলাগুলি আপনার মাড়ি্র জন্য অত্যন্ত উপকারী।

২৩. ত্বক উজ্জ্বল করে:
স্পিরুলিনায় ভিটামিন সি, ই, কে এবং ভিটামিন বি১, বি২, বি৩ থেকে বি৬, বি৯, দস্তা, তামা, ম্যাঙ্গানিজ, ফসফরাস, আয়রন, পটাসিয়াম, সেলেনিয়াম এবং ক্যালসিয়াম আছে যা ত্বকের জন্য একটি বিস্ময়কর উপাদান। এসব পুষ্টি দীপ্তিময় ত্বকের জন্য অপরিহার্য ।

২৪. ডার্ক সার্কেল হ্রাস:
স্পিরুলিনার detoxifying উপাদান চোখের চারপাশে কালো দাগ মুছে ডার্ক সার্কেল কমাতে সাহায্য করে। এটা আপনার চোখ উজ্জ্বল এবং সতেজ লুক দেয়।

২৫. পরিস্কার ত্বক:
স্পিরুলিনা শরীর থেকে ভারী উপাদান এবং বিষক্রিয়াগত মাথাব্যথা দূর করে। এর ক্লোরোফিল ত্বকের মূলে ঢুকে আপনার ত্বককে নরম করে তোলে।

২৬. মস্তিস্কের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করে:
স্পিরুলিনা folate এবং ভিটামিন বি সমৃদ্ধ উৎস হওয়ায় এটি মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা উন্নতিতে একটি অনেক বড় ভূমিকা পালন করে।

২৭. এন্টি-খুশকি:
স্পিরুলিনা মাথার স্তরপূর্ণ চামড়া বা খুশকি সরিয়ে ফেলে। এছাড়া, স্পিরুলিনার মধ্যে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমূহের ঐশ্বর্য কার্যকরভাবে খুশকি মুক্ত করে। মাত্র ৪ সপ্তাহে খুশকি থেকে পরিত্রাণ পেতে সাহায্যনিতে পারেন স্পিরুলিনার।

২৮. প্রতিরোধ করে হেয়ারফল:
চুলের ক্ষতি মানুষের কাছে সবচেয়ে বেশী কষ্টকর। অনেকেই আছেন যারা চুল পড়া নিয়ে অনেক চিন্তিত। স্পিরুলিনা আপনার মূল্যবান কেশের অত্যধিক ক্ষয় রোধ করে। গুঁড়া, ট্যাবলেট বা রস হিসাবে স্পিরুলিনা গ্রহণে চুলে আরও সুন্দর হবে।

২৯. এন্টি ব্রণ:
স্পিরুলিনা ব্যাকটেরিয়া বিরোধী। এটি দ্রুত মৃত কোষতিকে অপসারণ করে এবং উন্নত নতুন কোষ উৎপাদন করে। এটা ত্বকে Candida ব্যাকটেরিয়ার অতিবৃদ্ধি প্রতিরোধ করে ব্রণ breakouts থেকে আপনার ত্বক রক্ষা করে।

স্পিরুলিনার গুণাগুণ অনেক। বিশেষ করে প্রচুর ভিটামিন, লৌহ ও নীলাভ সবুজ রং থাকার কারণে স্পিরুলিনায় রয়েছে নানা ধরনের রোগ প্রতিরোধের উপাদান। স্বাদ ও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াহীন স্পিরুলিনা নিয়মিত সেবন করলে দৈনন্দিন পুষ্টি চাহিদা পূরণ করে পুষ্টিহীনতা, রক্তশূন্যতা, রাতকানা, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, আলসার, বাত, হেপাটাইটিস ও ক্লান্তি দূর হবে। বিসিএসআইআর-এর বিজ্ঞানীরা ৬০ জন আর্সেনিকোসিস রোগীর উপর স্পিরুলিনা নিয়ে গবেষণা চালান। গবেষণায় দেখা গেছে যে, প্রতিদিন ১০ গ্রাম করে স্পিরুলিনা খাওয়ালে প্রায় ৪ মাস পর রোগী সম্পূর্ণরূপে সুস্থ্য হয়ে উঠে। এমনি ভাবে অসংখ্য রোগ থেকে মুক্তি দেবে সুপারফুড স্পিরুলিনা।

বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন,
www.Excellentfutureml.com
যোগাযোগ করুন ইনবক্সে

02/03/2020

.......…....হ্যালো আপনাকে বলছি............
..…............ #ডায়বেটিস_কি?..................

আমার মনে হয় এটাকে রোগ না বললে খুব একটা ভুল কিছু হবে না। যদিও বাংলাদেশের কোটি লোক এই সমস্যায় ভুক্তভুগী।
ভয়ের কোন কারণ নেই, আসুন জেনে নিই।

আমাদের শরীরে আরও দশটা অঙ্গ এর মত পেনক্রিয়াস আমাদের শরীরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ যা ইনসুলিন তৈরি করে।
ইনসুলিন তৈরি করে গ্লুকাগন যা একটি বিশেষ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আমাদের শরীরের অতিরিক্ত সুগার খেয়ে ফেলে এবং আমাদের ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে থাকে।
সমস্যাটা হল যখন এই পেনক্রিয়াস দুর্বল হয়ে পড়ে ইনসুলিন তৈরির পরিমাণ কমে যায় এর ফলে ব্লাড এ সুগার বেড়ে যায়। আমরা এটাকে ডায়বেটিকস বলি।

#প্রতিকারঃ
১। পেনক্রিয়াসকে সক্ষম করা।
২। নিয়মিত হাটা, ব্যায়াম, কায়িকশ্রমের মাধ্যমে অতিরিক্ত সুগার ধ্বংস করা।
৩। সুগার বাড়ে এমন খাবার কম খাওয়া, পরিমান মত ডায়েট করা।
৪। শর্করা জাতীয় খাবার কম বা পরিমান মত খাওয়া, যেমনঃ ভাত, চিনি, আলু, মিষ্টি ইত্যাদি।
৫। তেতো খাবার, শাকসবজি, ডুমুর, ঢেঁড়স, কালোজিরা, মেথি, জামবীজ ইত্যাদি পেনক্রিয়াস এর কার্যক্ষমতা বাড়ায়।

#এক্সিলেন্ট_ওয়ার্ল্ড_এর_নিম্নলিখিত_পণ্যগুলো আপনাকে ডায়বেটিস থেকে সারজীবন দূরে রাখবে ইনশাআল্লাহ।

১। ডায়বেটিস চা।
২। গ্লুকোজ কন্ট্রোল।
৩। বিটারেক্স।

এই তিনটা ফুড দিয়ে চিকিৎসা শুরু করে হাজার লোক সুস্হ আছেন।
নিজে ভাল থাকুন ও অন্যকে ভাল থাকতে সহায়তা করুন।

উক্ত পণ্যগুলো ব্যাবহার করলে সারাজীবন ট্যাবলেট বা ইনসুলিন নিতে হবে না।

ডায়াবেটিস নিল হওয়ার ভয় নাই।

#যারা ইনসুলিন নিচ্ছেন ৩-৬ মাস পর থেকে অার ইনসুলিন নিতে হবে না।কারণ এই সময়ের মধ্যে অাপনার পেনক্রিয়াসই ইনসুলিন উৎপন্ন শুরু করবে ইনশাল্লাহ।

#মনে_রাখবেনঃ ইনসুলিন অথবা ওষুধ নয় Excellent World এর উৎপাদিত খাবার গ্রহণের মাধ্যমেই ডায়াবেটিক সম্পূর্ণ নিরাময় করা যায়।

#প্রয়োজনে 01993738565

পণ্যগুলো অর্ডার করতে পারেন ইনবক্সে

28/02/2020

#এক্সিলেন্ট_পাওয়ার_সোর্স_কিং

।। #কার্যকারিতা ।।
১. জিনসেং সরাসরি দেহে নাইট্রিক অক্সাইডের পরিমান বাড়িয়ে লিংগোথানে সহায়তা করে।
২. প্রোস্টেট ক্যান্সার প্রতিরোধ,রক্ত পরিষ্কার করে স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়
৩.বীর্যস্থলনের সময়কাল কার্যকরী ও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াহীন ভাবে বাড়ায়।
৪.রোগ প্রতিরোধকারী কোষগুলোর কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
৫.পুরুষ মহিলাদের হরমোন বৃদ্ধি করে, রোগ প্রতিরোধ করে।
৬.ভিটামিন A.B.C.E. K.4 ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, ফসফরাস,আয়রন বৃদ্ধি করে।
৭.লিগনানের মাধ্যমে হৃদরোগের ঝুকি কমায়।
৮.মেয়েদের মাসিকের পূর্বে এবং চলাকালীন অবস্থায় ব্যাথা দূর করে।
৯.Testosterone লেভেল বৃদ্ধি করে ডায়াবেটিকস রোগীদের ক্ষেত্রেও যৈানশক্তি বাড়ায়।
১০.শুক্রানু বৃদ্ধি করে এবং বন্ধান্ত দূরীকরনে সহায়তা করে।

#যোগাযোগ - Inbox or +8801993738565

22/02/2020

গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা কম-বেশি সবারই হয়ে থাকে। বিশেষ করে ২২-৩৫ বছর বয়সী ব্যক্তিরা এই সমস্যার মুখোমুখি হয়ে থাকে বেশিভাগ সময়। দীর্ঘমেয়াদি অ্যাসিডিটি থেকে আলসারের মত ভয়াবহ রোগ ছাড়াও হতে পারে পাকস্থলী ক্যান্সারের মত জটিল সমস্যা! পীড়াদায়ক এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পান করুন 👇👇

⭕ #এক্সিলেন্ট_তুলসী_জুস

⭕সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে তৈরী ১০০% ন্যাচারাল এবং আন্তর্জাতিক গুনগত মান সম্পন্ন প্রোডাক্ট।
#বি দ্র: এটি কোন ঔষুধ নহে--উচ্চ মানসম্পন্ন খাদ্য।

উপাদানঃ- তুলসি বীজ, স্টেভিয়া, ইসুবগুল, প্রাকৃতিক ভিটামিন সি ও অন্যান্য হারবাল উপাদান দ্বারা তৈরী।
কার্যকারিতাঃ-
১ ➡ কফ নিরাময়, কৃমি, বায়ুনাশক, হজমকারক ও শ্বাসযন্ত্রের সমস্যা নিরাময়ে কার্যকরী।
২ ➡ প্রস্রাবজনিত জ্বালা যন্ত্রনার বিশেষ উপকার হয়।
৩ ➡ ভিটামিন সি ও অ্যান্টি অক্সিডেন্ট নার্ভকে শান্ত করে শরীরের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে।
৪ ➡ ফাইটো নিউট্রিয়েন্টস ও এসেন্সিয়াল অয়েল তারুণ্য এবং স্মরণশক্তি র্দীঘস্থায়ী করে।
৫ ➡ ভাইরাস, ব্যাক্টেরিয়া ও ফাংগাস থেকে রক্ষা করে মাথা ও শরীর ব্যাথা কমায়।
৬ ➡ ফাইটো কেমিক্যালস, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং অর্গানিক কম্পাউন্ড ভাল কোলেস্টেরল বাড়ায়, খারাপ কোলেস্টেরল হ্রাস পায়।
৭ ➡ অ্যালকোহলিক নির্যাস রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে বৃদ্ধি করে।
৮ ➡ দাঁত ও হাঁড়ের ভিতরের ব্যাথা দূর করে এবং পুরুষের বীর্য বৃদ্ধি পায়।
৯ ➡ বমি বমি ভাব দূর হয় এবং খাবারের রুচি বাড়ে।
⭕✅ #জুস তৈরীর নিয়মঃ ১ গ্লাস ঠান্ডা পানিতে এক প্যাকেটের ড্রাই জুস ঢেলে চামচ দিয়ে নেড়ে ২ মিনিট পর পান করুন।

খুচরা মূল্যঃ- ৫০০,টাকা মাত্র।

বিস্তারিত জানতে এবং
অর্ডার করতে কমেন্ট বা ইনবক্স করুন।
+8801993738565
WWW.excellentworldint.com

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Address


Turning Point, Chittagong Road, Siddirganj, Narayanganj
Dhaka
247451