Life Care Shop
প্রিয় গ্রাহক আসসালামু আলাইকুম। গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী প্রোডাক্ট সরবরাহ করা হবে।
02/05/2024
Mother Care after 250 ml
01/05/2024
17/08/2022
চুলের যত্নে এলোভেরা হেয়ার অয়েল।
কার্যকারিতা:
চুল পড়া বন্ধ করবে
চুলকে নরম ও সিল্কি করবে
চুলের কোষকে পুনর্জীবিত করবে
চুলকে ইউভি ড্যামেজ থেকে রক্ষা করবে
27/07/2022
কাজু বাদামের উপকারিতা:
গুণাগুণের দিক থেকে কাজু বাদামের কোনও বিকল্প নেই। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, খনিজ, প্রোটিন এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। স্বাস্থ্যকর সব খাবারের মধ্যে শ্রেষ্ঠ এই কাজু বাদাম নিয়মিত খেলে শরীরের নানা রকম সমস্যার সমাধান পাওয়া যায়।
বিশেষজ্ঞ বা ডাক্তাররা একে “প্রাকৃতিক ভিটামিন ট্যাবলেট” বলেও আখ্যা দিয়ে থাকেন।
প্রতিদিন কেও যদি নিয়ম করে এক মুঠো করে কাজু বাদাম খাওয়ার অভ্যাস করে তাহলে তা শরীরের পুষ্টিকর উপাদানের ঘাটতি দূর হয়, সেই সাথে পাওয়া যায় আরও অনেক উপাকার একাধিক গবেষণায় তা প্রমাণিত হয়েছে। আজ তবে কাজু বাদাম খাওয়ার উপকারিতা এবং সেই সাথে এটি খাওয়ার নিয়ম জেনে নেওয়া যাক।
নিয়মিত কাজু বাদাম খাওয়ার উপকারিতাঃ
১. অ্যানিমিয়ার মতো রোগের প্রকোপ কমেঃ
কাজু বাদামে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন, যা শরীরে লোহিত রক্ত কণিকার উৎপাদন এতো পরিমাণ বাড়িয়ে দেয় যে তা দেহের রক্তাল্পতার মতো সমস্যা দূর করে দেয়। সেই সাথে তা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়িয়ে দেয়। তাই অ্যানিমিয়ার মতো রোগের প্রকোপ কমতে এই কাজু বাদাম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
২. ক্যান্সারের মতো মরণ ব্যাধি দূরে করেঃ
কাজু বাদামের ভেতরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা ক্যান্সার সেলের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ব্যবস্থা সৃষ্টি করে, সেই সাথে টিউমারও যাতে দেখা না দেয় বা আক্রমণ না করে সেদিকেও লক্ষ্য রাখে। এখানে এই মারণ ব্যাধিকে সাপ ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্টকে বেজির সাথে তুলনা করা যেতে পারে উদাহরন হিসেবে। কাজু বাদামে প্রম্যান্থো-সায়ানিডিন নামে একটি উপাদান থাকে, যার ফলে এই বিশেষ কাজ হয়।
৩. হাড়কে মজবুত করেঃ
কাজু বাদামে থাকে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস এবং ম্যাগনেসিয়াম। যার ফলে এই বাদামটি নিয়মিত খেলে তা হাড়ের উপর প্রভাব ফেলে ফলে হাড়ের শক্তি বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। পরবর্তিতে বৃদ্ধ হওয়ার পরও তা অস্টিওআর্থারাইটিসের মতো হাড়ের রোগ হওয়ার আশঙ্কা অনেক কমিয়ে দেয়। কেননা কাজু বাদামে আছে ভিটামিন-কে, যা হাড়ের জন্য অনেক উপকারি উপাদান।
৪. ডায়াবেটিস মতো ব্যাধি রোধ করেঃ
ডায়াবেটিসের রোগি যদি নিয়মিত রুটিন করে এক মুঠো করে কাজু বাদাম খাওয়া শুরু করে, তাহলে তা দেহের ভিতরে এমন কিছু পরিবর্তন আনতে শুরু করে যে, এতে করে ইনসুলিনের কর্মক্ষমতা বেড়ে যায়। যার ফলে রক্তে থাকা শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে, এবং তা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা কমে অনেক কমে যায় বিভিন্ন গবেষণায় এটা দেখা গিয়েছে। তাই পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে যে যাদের পরিবারে এই মরণ রোগের ইতিহাস রয়েছে, তাদের নিয়মিত কাজু বাদাম খাওয়ার অভ্যাস করা উচিৎ।
৫.বিভিন্ন প্রকার সংক্রমণের ঝুকি কমায়ঃ
কাজু বাদামে থাকে জিঙ্ক, যার কাজ হলো ভাইরাসের আক্রমণের হাত থেকে শরীরকে রক্ষা করা। তাই নিয়মিত কাজু খেলে আপনি এই ধরনের ইনফেকশনের হাত থেকে রেহাই পেতে পারেন।
৬. হার্টের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করেঃ
কাজু বাদামের প্রধান উপাদান অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ক্যান্সার রোগকে দূরে রাখার সাথে সাথে নানারকম হার্টের রোগ থেকে বাঁচাতেও বিশেষ কাজ করে থাকে।
৭. চুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করেঃ
কাজু বাদামে প্রচুর পরিমাণে রয়েছে কপার। আর এই উপাদানটি হল সেই খনিজ, যা চুলের সৌন্দর্য বাড়ানোর সাথে সাথে চুলের গোড়াকে শক্ত করতে বিশেষ দায়িত্ব পালন করে থাকে। এছাড়াও কাজু বাদামে থাকা কপার শরীরের ভিতরের কিছু এনজাইমের ক্ষরণ বৃদ্ধি করে যা চুলের রংকে কালো রাখতে সহায়তা করে।
কাজু বাদাম খাওয়ার সঠিক নিয়মঃ
কাজু বাদাম খাওয়ার উপকারিতা অনেক। তাই এটি নিয়মিত খাওয়ার অভ্যাস করা উচিৎ। তবে কিভাবে বা কি নিয়মে খাবেন তা জানা দরকার। এর জন্য প্রথমে আপনাকে ঠিক করতে হবে আপনি কেন খাবেন? এবং কখন খাবেন?
যদি আপনি ডায়েট এর জন্য খেয়ে থাকেন তাহলে সকালের নাস্তার পর এবং দুপুরের খাবারের আগের সময়, যেমন- ১১.০০–১.০০ টার মধ্যে একমুঠ বাদাম খেতে পারেন। আবার বিকালেও যখন হালকা ক্ষুধা লাগবে তখন নাস্তা হিসাবে অন্য খাবার না খেয়ে একমুঠ কাজু বাদাম ৪.০০–৫.৩০ টার মধ্যেও খেতে পারেন। এতে ক্ষুধাও চলে যাবে সেই সাথে আপনার ডায়েটও ঠিক থাকবে।
ডায়েট ছাড়া যদি অন্য কোন কারণে খেয়ে থাকেন তাহলে ১০–১২ টি বাদাম রাতে ভিজিয়ে রেখে সকালে তা খেয়ে নিবেন।
বিশেষ সর্তকতাঃ
অতিরিক্ত মাত্রায় কাজু বাদাম খাওয়া যাবে না।
27/07/2022
কাঠ বাদামের উপকারিতা:
খাবার হিসেবে কাঠবাদামের জনপ্রিয়তা দিনদিন বেড়েই চলেছে। অবশ্য এর পেছনে যুক্তিসঙ্গত কারণও রয়েছে। এ প্রসঙ্গে ইউনিভার্সিটি অব আলাবামার ডিপার্টমেন্ট অব হিউম্যান নিউট্রিশন অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্টের সহযোগী অধ্যাপক ক্রিস্টি ক্রো-হোয়াইট বলেন, ‘কাঠবাদাম হলো একটি ফ্যান্টাসটিক সুপার ফুড, যেখানে ১০টিরও বেশি ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্টস ও মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টস রয়েছে। এসব পুষ্টি হার্ট ও রক্তনালীর স্বাস্থ্যকে উন্নত করে।’
আসুন জেনে নেই কাঠ বাদামের উপকারিতা সর্ম্পকে –
কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে: শরীরে বাজে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায় বাদাম। প্রতিদিনের ডায়েটে বাদামের অন্তর্ভুক্ত করলে হার্টের স্বাস্থ্য নিয়ে আর চিন্তায় থাকতে হবে না। আসলে বাদামে উপস্থিত বেশ কিছু কার্যকরী উপাদান শরীরে অন্দরে ভাল কোলেস্টরলের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই খারাপ কোলেস্টরলের মাত্রা কমতে শুরু করে। এছাড়া বাদামে প্রচুর পরিমাণ মনো-স্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে, থাকে ওমেগা-৬ ফ্যাটি অ্যাসিডও। কিন্তু কোনওরকম ট্রান্স ফ্যাট থাকে না। ফলে হার্ট অ্যাটাক কিংবা স্ট্রোকেরও আশঙ্কা কম থাকে।
হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে: গবেষণায় দেখা গেছে, বাদামে উপস্থিত ফসফরাস শরীরে প্রবেশ করার পর এমন কিছু কাজ করে যার প্রভাবে হাড়ের ক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। তাই প্রতিদিন বাদাম খাওয়া শুরু করলে হাড়ের রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কম থাকবে।
মস্তিস্কের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়: আমেরিকার অ্যান্ড্রস ইউনিভার্সিটির গবেষকদের করা এক পরীক্ষায় দেখা গেছে বাদামে এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যা মস্তিষ্কের ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই পরীক্ষার আগে ছাত্রছাত্রীদের নিয়ম করে বাদাম খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে।
পুষ্টির ঘাটতি দূর হয়: বাদামে রয়েছে প্রায় ৩.৫ গ্রাম ফাইবার, ৬ গ্রাম প্রোটিন, ১৪ গ্রাম ফ্যাট সহ ভিটামিন ই, ম্যাঙ্গানিজ, ভিটামিন বি২, ফসফরাস এবং ম্যাগনেসিয়াম। এই সবকটি উপাদানই শরীরকে সুস্থ রাখতে বিশেষ প্রয়োজনে লাগে।
ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে থাকে: পুষ্টিবিজ্ঞানীরা বলেন, বাদামে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এই মৌল। তাই ম্যাগনেসিয়ামের পরিমাণ সঠিক থাকলে ইনসুলিনের সঠিক কার্যকলাপ বজায় থাকে।
ওজন নিয়ন্ত্রণের সহায়ক: বাদাম খাওয়ার পর ক্ষিদে একেবারে কমে যায়। ফলে মাত্রাতিরিক্ত খাবার খাওয়ার প্রবণতা হ্রাস পায়। সেই সঙ্গে শরীরে প্রয়োজন অতিরিক্ত ক্যালরি জমে ওজন বৃদ্ধির সম্ভাবনাও কমে। বিপাকের হার বাড়িয়ে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতেও সাহায্য করে চিনাবাদাম।
কোষ্ঠকাঠিন্য কমায়: বাদামের ফাইবার শরীরের জন্য উপাদেয়। আর্জিনিন এবং হেলদি ফ্যাটের সঙ্গে এই ফাইবারের উপস্থিতি কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ রোগীদের ক্ষেত্রে অত্যন্ত জরুরি। ফাইবারযুক্ত খাবার খেলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কমে।
কোষের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়: বাদামে থাকা প্রচুর মাত্রায় ভিটামিন ই শরীরের প্রতিটি কোণায় ছড়িয়ে থাকা কোষের কর্মক্ষমতার বৃদ্ধি ঘটানোর সঙ্গে সঙ্গে শরীরে যাতে কোনও ক্ষতের সৃষ্টি না হয়, সেদিকেও খেয়াল রাখে। ফলে বয়স বাড়লেও শরীরের উপর এর কোনও প্রভাব পরে না।
হজম ক্ষমতার উন্নতি: গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত পানিতে ভেজানো বাদাম খেলে দেহের অন্দরে বিশেষ কিছু এনজাইমের ক্ষরণ বেড়ে যায়, যার প্রভাবে হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটতে শুরু করে। সেই সঙ্গে গ্যাস-অম্বলের প্রকোপও কমে যায়।
সবাই ভাজা বাদাম খেতে পছন্দ করেন কিন্তু পুষ্টিবিজ্ঞানীরা বলছেন ভাজা বাদামের চেয়ে কাঁচা বাদামের পুষ্টিগুণ বেশি। আবার চিকিৎসকরা বলেন, বাদাম খান পানিতে ভিজিয়ে। অন্তত ৮-১০ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখলে বাদামের সম্পূর্ণ পুষ্টিগুণ লাভ করে শরীর।
27/07/2022
পেস্তা বাদামের উপকারিতা:
পুষ্টিগুণ এবং শারীরিক উপকারিতার দিক থেকে পেস্তা বাদামের কোনো বিকল্প হয় না বললেই চলে। পরিচিত বিভিন্ন ধরনের বাদামের মাঝে পেস্তা বাদাম অন্যতম। তবে পেস্তা খেতে ভালবাসেন না, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া কঠিন। পেস্তা বাদামের রঙের জন্য, সুস্বাদু স্বাদের জন্য, মনোরম হাল্কা গন্ধ এবং ভালো সংরক্ষণ গুনের জন্য অন্যান্য বাদামের তুলনায় পেস্তা বাদাম অনেক দামী।
পেস্তা বাদামের বৈজ্ঞানিক নাম পিসতাসিয়া ভেরা। স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, আঁশ, প্রোটিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ এই বাদামটি স্বাস্থ্য উপকারিতা ও সুস্বাদের জন্য বেশ পরিচিত।
পেস্তা আদতে একটি ফল, যার বীজগুলোকে খেয়ে থাকি আমরা। পেস্তা বাদাম খোলসের ভিতরে একটা লালচে পাতলা বাদামী রঙের আবরনে মোড়া থাকে, এই আবরনকে পেল্লিকেল বলা হয়। এই লালচে পাতলা বাদামী রঙের আবরনে মোড়া থাকে সবুজ বর্নের পেস্তা বাদাম।
বিশেষ করে পেস্তা বাদামে ভিটামিন বি-6 পর্যাপ্ত পরিমাণে আছে। রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং রক্তে হিমোগ্লোবিন তৈরি করতে ভিটামিন “বি” গুরুত্বপূর্ণ। খ্রিস্টপূর্ব ৭০০০ সাল থেকে লোকেরা পিস্তা খাচ্ছে। আজকাল, আইসক্রিম এবং মিষ্টান্ন সহ অনেক খাবারে পেস্তা বাদাম জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।
পেস্তা বাদামে প্রচুর পরিমাণে ক্যালশিয়াম থাকার পাশাপাশি এতে রয়েছে মোনোয়ানস্যাচুরেটেড ও পলি আনস্যাচুরেটেড অয়েল, প্রোটিন, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, আয়রন, জিঙ্ক এবং ভিটামিন-ই।
এছাড়াও এই বাদামে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ফ্ল্যাভোনয়েড, যা বিভিন্ন রকমের রোগ প্রতিরোধে খুবই কার্যকরী। এই খাবারটি আমাদের শরীরে প্রবেশ করার সঙ্গে সঙ্গে এত দ্রুত কাজ করা শুরু করে যে নিমিষেই আমাদের ক্লান্তি ভাব দূর হয়ে যায় এবং মন চাঙ্গা হয়ে ওঠে।
পেস্তা বাদামে থেকে তৈরী তেল চর্ম রোগের ওষুধ হিসাবেও ব্যবহার করা হয়। এই বাদামে স্বাস্থ্যকর চর্বি, প্রোটিন, ফাইবার এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের একটি ভাল উৎস। পেস্তা বাদামে বেশ কয়েকটি প্রয়োজনীয় পুষ্টি রয়েছে যা, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ, ওজন হ্রাস করতে, হার্টের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে এবং হজম স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে সহায়তা করতে পারে।
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে বেশ কার্যকর পেস্তা বাদাম। অন্যান্য বাদামের তুলনায় কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ বেশি থাকলেও পেস্তা বাদামের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স খুবই কম। অর্থাৎ, এই বাদাম খেলে রক্তে শর্করার পরিমাণ খুব বেশি বৃদ্ধি পায় না। উপরন্তু পেস্তায় উপস্থিত স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট, ক্যারোটিনয়েড ও ফেনল জাতীয় যৌগগুলি রক্তের শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করে।
ক্যানসার প্রতিরোধ করে
অন্যান্য বাদামের তুলনায় পেস্তায় অনেক বেশি অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট থাকে। যা ক্যানসার প্রতিরোধ করতে সহায়তা করে। পাশাপাশি, এতে রয়েছে লুটেন ও জিয়াজ্যন্থিন নামক অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট, যা চোখ ভাল রাখতে সাহায্য করে।
প্রোটিনের ভালো উৎস
এক আউন্স বা ২৮ গ্রাম পেস্তায় থাকে মাত্র ১৫৯ ক্যালোরি। অন্যান্য বাদামের তুলনায় যা অনেকটাই কম। কিন্তু পেস্তার মোট ওজনের কুড়ি শতাংশ থাকে প্রোটিন। আমন্ড ছাড়া আর কোনও বাদামে এত পরিমাণ প্রোটিন মেলে না। অতি প্রয়োজনীয় অ্যামাইনো অ্যাসিডের অনুপাত অন্য যে কোনও বাদামের তুলনায় বেশি থাকে পেস্তায়। এই অ্যামাইনো অ্যাসিডই প্রোটিনের গঠনগত একক।
চুল পড়া রোধ করে
আমাদের দেশের শতকরা ৪০ ভাগ মানুষ চুলের সমস্যায় ভুগে থাকে। বিভিন্ন কারণে মাথার চুল পড়ে যায়। এর মধ্যে শরীরে পুষ্টি সমস্যা, হরমোন সমস্যা, পানি সমস্যা ও বিভিন্ন কেমিক্যাল এর কারণে চুল পড়ে যায়। আপনি যদি প্রতিদিন পেস্তা বাদাম খান , তাহলে আপনার শরীরের পুষ্টি সমস্যা ও হরমোন সমস্যা দূর হয়ে যাবে। যার ফলে আপনার চুল পড়া সমস্যা থাকবে না।
হজমশক্তি ভালো রাখতে সাহায্য করে
ফাইবার দীর্ঘ সময় খাদ্যনালীর মধ্যে অপাচ্য অবস্থায় থাকতে পারে এবং কিছু উপকারী ব্যাক্টেরিয়া এই ফাইবারের উপর কাজ করে। এর ফলে ফাইবার ভেঙে ক্ষুদ্র শৃঙ্খলযুক্ত ফ্যাটি অ্যাসিড তৈরি হয়। এর মধ্যে বিউটাইরেট জাতীয় ফ্যাটি অ্যাসিডে সবচেয়ে উপকারী। কাজেই ফাইবার হজমশক্তি ভাল রাখতে সহায়তা করে।
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে
কারও কারও মতে পেস্তাবাদাম রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায় এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। এর ফলে দূরে থাকে হৃদ্রোগ। শুধু তা-ই নয়, এটি রক্তনালীর ভিতরের স্তর বা এন্ডোথেলিয়াম ভাল রাখতেও সাহায্য করে।
21/07/2022
বাদামের পুষ্টিগুণ:
সকল প্রকার খাবারের মধ্যে বাদাম অত্যন্ত পুষ্টিকর খাবার। পুষ্টির সাথে সাথে এটি অত্যন্ত সুস্বাদুও। বাদাম নিয়মিত খেলে বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি কমে যায়। গবেষণায় জানা গেছে এই বাদাম খাওয়ার ফলে অনেক রোগ মুক্তির সাথে সাথে ব্রেনে পুষ্টি জোগায়, যার ফলে যেসকল মানুষ মনে রাখতে পারে না। তাদের মনে রাখতে সাহায্য করে। বাদামে প্রচুর আঁশ ও পুষ্টিকর উপাদান রয়েছে। এর মধ্যে হৃৎপিণ্ডের জন্য উপকারী উপাদানও রয়েছে। গবেষণায় আরো দেখা গেছে, দৈনিক ১০ গ্রাম করে বাদাম গ্রহণ করলে মৃত্যুর জন্য দায়ী কয়েকটি বড় ঝুঁকি থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
লাইফ কেয়ার সপে সবাইকে স্বাগতম
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka
1100
