Tips for Body
It's health and fitness article website based page.
19/12/2023
ঘন ঘন প্রস্রাব হলে কি করবেন?
ঘন ঘন প্রস্রাব কেন হয় এবং এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায় । হেলথ টিপস । Tips for Body health tips bangla, health tips, how to s*x safely, s*xual health, tips for body, premature ej*******on, last longer in s*x,
14/12/2023
মেছতা খুবই বড় একটি সমস্যা। তবে এটি কোনো দুরারোগ্য ব্যাধি নয়। নিয়ম মেনে প্রাকৃতিক ভাবেই এটি দূর করা যায়। কিভাবে অতি অল্প সময়ে মেছতা দূর করবেন, তা জানতে নিচের লেখাটি পড়ে নিন-
কিভাবে মেছতা দুর হবে? জেনে নিন ১০০% কার্যকর সেই মহৌষধ! Tips for Body allergy treatment, skin allergy treatment, about 19 hours, dust allergy treatment, blood allergy treatment, skin allergy treatment at home, face aller
Tips for Body health tips bangla, health tips, how to s*x safely, s*xual health, tips for body, premature ej*******on, last longer in s*x,
12/12/2023
সুস্থ থাকতে দৈনিক যা যা করবেন-
১. প্রতিদিন ৫ টি করে বাদাম খান। এতে করে ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে যাবে।
২. প্রতিদিন একটি করে লেবু খান, শরীরের ক্ষতিকর ফ্যাট কেটে যাবে।
৩. প্রতিদিন এক গ্লাস দুধ খান। হাড়ের ক্ষতি হবেনা।
৪. প্রতিদিন ১২ গ্লাস পানি পান করুন। ত্বকের কোনো সমস্যা হবেনা।
৫. প্রতিদিন ৪ টি করে খেজুর খান। শরীর কখোনো দুর্বল হবেনা।
৬. প্রতিদিন ৮ ঘন্টা ঘুমান, সতেজ ও আনন্দে থাকুন।
12/12/2023
দীর্ঘ দিনের এলার্জি দূর করুন মাত্র এক সপ্তাহেই! - Tips For Body health tips bangla, health tips, how to s*x safely, s*xual health, tips for body, premature ej*******on, last longer in s*x,
22/04/2021
রমজান মাস পবিত্র মাস । ইসলাম সম্প্রদায়ের সবাই এই মাসে রোজা পালন করে । সারা দিন উপবাস এর মধ্য দিয়ে রোজা পয়ালন করে । কিন্তু ডায়াবেটিস রোগীদের রোজা রাখার জন্য একটু খেয়েল রাখা দরকার কারণ ডায়াবেটিস রোগীদের সুগার লেভেল কম বেশি হয় ফলে শরীলের অনেক সমস্যার দেখা দেয় । তাই রোজা রাখার সময় ডাক্তারের সাথে পরামর্শ নিয়ে রোজা পালন করতে হবে তাহলে শারীরিক সমস্যা আর থাকবে না । সাথে কিছু টিপস গ্রহন করতে হবে-
রমজানে ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য পরামর্শ | Suggestion for diabetic patients in Ramadan | Tips for Body রমজান মাস পবিত্র মাস । ইসলাম সম্প্রদায়ের সবাই এই মাসে রোজা পালন করে । সারা দিন উপবাস এর মধ্য দিয়ে রোজা পয়ালন করে । ক...
27/01/2021
অতিরিক্ত মোটা শিশুদের তাড়াতাড়ি আসে বয়ঃসন্ধি! ভিডিও দেখতে এখানে ক্লিক করুন- গবেষকদের মতে, অতিরিক্ত মোটা শিশুদের জীবনে তাড়াতাড়ি নেমে আসে বয়ঃসন্ধিকাল। আমাদের দে...
20/11/2020
সারাদিন কাজ শেষে রাতে আরাম করে ঘুমাতে যাওয়ার সময় যদি পাশের বালিশ থেকে নাক ঢাকার শব্দ আসে, তাহলে আর থেকে বিরক্তের আর কিছুই হতে পারে না। তার থেকে বিরক্তের কারণ হচ্ছে যে নাক ডেকে অন্যার ঘুমের বারোতা বাজিয়ে দিচ্ছে সেটা তিনি টেরই পান না। রাত যত গবির হতে থাকে নাক ডাকার শব্দ তত বিকট হতে থকে। নাক ডাকা কোনো স্থায়ী সমস্যা নয়। নাক ডাকার কারণ ও প্রতিকার সম্পর্কে একটু জানলেই সহজেই বশে আসতে পারে বিরক্তিকর এই বিষয়টি।
নাক ডাকার কারণ:
ঘুমনোর সময় নাক ও গলা দিয়ে ঠিক মতো শ্বাস বেরতে না পারলে গলা ও নাকের আশপাশের টিস্যুগুলো কাঁপতে থাকে। ফলে গর্জন বেরিয়ে আসে ক্ষণে ক্ষণে। চলুন দেখে নেয়া যাক কি কি কারণে নাক ডাকার শব্দ হয়।
ওজন বেশি হলে: শরীরে অতিরিক্ত ফ্যাট টিস্যু জমে গেলে ও পেশি দুর্বল হলে নাক ডাকা শুরু করতে পারেন কেউ কেউ।
বয়স বাড়লে: বয়সের সাথে নাক ডাকার সম্পর্ক আছে। যত বয়স বাড়ে কণ্ঠনালী সরু হতে থাকে। ফলে নাক ডাকা শুরু হয়।
শারীরিক গঠন: শারীরিক গঠনের কারণে মহিলাদের থেকে পুরুষরা বেশি নাক ডাকে। সাধারণত মহিলাদের তুলনায় পুরুষদের শ্বাসনালী সরু হয়। আর এই জন্যেই পুরুষ মানুষের নাক ডাকার সমস্যা বেশি হয়ে থাকে।
নাক ও সাইনাসের সমস্যা: নাকে পলিপ থাকলে বা সাইনাসের সমস্যা থাকলে নাক ডাকা শুরু হতে পারে।
মদ্যপান, ধূমপান ও নির্দিষ্ট কিছু ওষুধ খেলে: নিয়মিত মদ্যপান, ধূমপান ও ঘুমের ওষুধ খেলে নাক ডাকা শুরু হয়। এর কারণ, পেশিগুলো অতিরিক্ত মাত্রায় ছেড়ে যায়।
ঘুমের ধরন: লম্বা টান টান হয়ে শুলেও নাক ডাকে অনেকে। গলার কাছে পেশিগুলো টেনে থাকে না। আলগা হয়ে যায়। ফলে, গলা থেকে নিশ্বাস বেরতে অসুবিধে হয়।
আরও পড়ুনঃ নাক ডাকা বন্ধ করার সহজ ও ঘরোয়া কিছু উপায়
কাজের চাপের কারণে: অফিসের অনেক কাজ। এতটাই কাজ যে রাতে ঠিকমতো ঘুমও আসে না। যতটুকু ঘুম হয় পুরো সময়টাই নাক ডাকা চলতে থাকে।
নাক ডাকা বন্ধের উপায়:
দুশ্চিন্তা কমান: অতিরিক্ত কাজের চাপ কমাতে হবে। ঘুমাতে যাবার সময় দুশ্চিন্তা কমিয়ে ফেলতে হবে। এতে ভালো কাজ দিতে পারে। তাই শোয়ার আগে এমন কিছু করুন যেন সব ধরণের দুশ্চিন্তা ঝেড়ে ফেলে সুন্দর একটা ঘুম দিতে পারেন।
ধূমপান ছাড়তে হবে: ধূমপানের অভ্যাস থাকলে তা ত্যাগ করতে হবে। ধূমপানের ফলে শরীরের অক্সিজেন ব্যবহারের ক্ষমতা হ্রাস পায়। যার জন্যে বাতাস বের হবার পথ সংকুচিত হয়ে যায়। এই কারণে অনেকেই নাক ডাকতে পারেন।
শোয়ার ভঙ্গি বদলান: কাত হয়ে ঘুমালে নাক ডাকার সমস্যা কমে যেতে পারে। চিত হয়ে ঘুমালে গলার গলার পেশি শিথিল থাকে তাই নাক ডাকার আশঙ্কা বেশি থাকে। তাই যাদের চিত হয়ে ঘুমানোর অভ্যাস তারা কাত হয়ে ঘুমিয়ে দেখতে পারেন নাক ডাকার পরিমাণ কমে যায় কিনা।
জৈবিক কারণ খুঁজুন: নাকের নালিতে পুরু নরম প্রলেপ থাকা, অন্য কোনো কারণে নাকের নালি আংশিক সংকুচিত থাকা এবং জিহ্বার পেছনে বায়ুপথ সংকুচিত থাকা এই তিনটি জৈবিক কারণ নাক ডাকার উৎস হতে পারে। ঠিক কোনটি নাক ডাকার কারণ তা জানার জন্যে একজন নাক-কান-গলারোগ বিশেষজ্ঞ দেখিয়ে পরামর্শ নিন।
মসলাযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন: পাকস্থলিতে বেশি মাত্রায় এ্যাসিডিটির সাথে নাক ডাকার সম্পর্ক আছে। মসলাযুক্ত খাবার বেশি খেলে এ্যাসিডিটির সমস্যা দেখা দেয়। তাই কম মসলার খাবার খেয়ে পরীক্ষা করে দেখতে পারেন নাক ডাকার পরিমাণ কমে কিনা।
অতিরিক্ত ওজন কমান: যাদের ওজন বেশি তাদের উচিৎ ওজন কমানো। বেশি ওজনের কারণে গলার পথ সরু হয়ে যেতে পারে। যার ফলে শ্বাস নেবার সময় ঘর্ষণের কারণে শব্দ হয়। তাই যাদের ওজন বেশি শরীর স্থূল তাদের ওজন কমানোর উচিত।
আরও পড়ুনঃ সাইনাসের সমস্যা থেকে মুক্তির ঘরোয়া উপায়!
শরীরচর্চা: নিয়মিত শরীরচর্চায় রক্তের চলাচল ও হৃৎপিণ্ডের স্পন্দন বাড়ায়। আর এতে করে ঘুমও ভালো হয়। এই কারণে নাক ডাকা কমাতে হলে প্রতিদিন শরীরচর্চার অভ্যাস করা জরুরি।
বিছানা পরিষ্কার রাখুন: ঘরে বিছানায় বেশি ধুলাবালি থাকলে শ্বাস প্রশ্বাসে সমস্যা হয় অনেকের। নাকের নালিতে ধুলা সংক্রমিত হয়ে নাকের পেশি ফুলে উঠতে পারে। এ কারণে নাক ডাকার শব্দ হতে পারে। তাই বিছানা ও ঘর ভালো মত পরিষ্কার রাখা দরকার।
নাক না গলা জেনে নিন: আপনি নাক দিয়ে শব্দটা করছেন, নাকি গলা দিয়ে—সেটা আগে নিশ্চিত হওয়া জরুরি। অনেকের ক্ষেত্রে আবার দুটাই একসঙ্গে হতে পারে। তবে নাক বা গলার যেকোনো একটায় সমস্যা থাকলে নিশ্চিন্তে আপনি নাকের ড্রপ বা গলার স্প্রে—যেকোনো একটা বাদ দিয়ে দিতে পারেন।
স্থায়ী সমাধান: যদি এই নাক ডাকার শব্দের কারণে খুব বেশি ঝামেলার দেখা দেয় বা মাত্রা ছাড়া হয় তাহলে আপনার উচিত এটার স্থায়ী সমাধানের পথে হাঁটা। একজন নাক-কান-গলারোগ বিশেষজ্ঞ সার্জনের কাছে যান। এখন অনেক আধুনিক চিকিৎসা দিয়ে এই সমস্যা দূর করা সম্ভব। লেজার রশ্মির মাধ্যমে নাকের ও জিহ্বার পেছনের শ্বাসনালির সংকুচিত অবস্থা দূর করা যায়। এই অপারেশন খুব বেশি সময়সাপেক্ষও নয়। তবে তা করতে অবশ্যই দক্ষ অস্ত্রোপচার বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হোন।
সূত্র: এমসিডিসি
31/10/2020
সারাদিন কত পরিশ্রম করে বলুন তো ওষ্ঠ আর অধর! পরস্পর এক হয়ে আমাদের সারাদিনের হাসি-বকবকম তো সামলায় এরাই। তাই ঠোঁটের (lips) যত্ন না নিলে বিম্ব ফলের মতো টসটসে একজোড়া ঠোঁট পাবেন কোত্থেকে? হাত-পা-কনুই-গোড়ালি এবং মুখের মতো একই ভাবে ঠোঁটের যত্ন (attention and care) অনেকসময় নেওয়া হয় না বলেই ঝকঝকে মুখে ফাটা ঠোঁট (chapped lips) ভীষণ ভাবে চোখে বেঁধে। অনেকেরই সৌন্দর্য ম্লান হয়ে যায় কালচে ঠোঁটের জন্য। গোলাপ পাপড়ির মতো গোলাপি আভার পেলব ঠোঁট (soft, healthy and supple) পেতে গেলে তাই এর পেছনেও সময় দিতে হবে আপনাকে। সহজ, ঘরোয়া কিছু টিপস মেনে-----
ঠোঁটের যত্ন নিতে আমন্ড অয়েল (Almond oil)-এর জুড়িদার নেই। দিনে দু-তিনবার একফোঁটা করে আমন্ড অয়েল নিয়ে ঠোঁটে মাসাজ করুন। হাতেগরম ফল পাবেন।
ঠোঁটের যত্নে এই উপকরণগুলি একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। তারপর এয়ারটাইট শিশিতে রেখে দিন-
৫০ গ্রাম মধু
২০ গ্রাম বা ৪ চা-চামচ চিনি
৫ মিলি গোলাপ জল
৫ মিলি ভ্যানিলা এসেন্স
কীভাবে বানাবেন:
সমস্ত উপকরণ একসঙ্গে ভালো করে মিশিয়ে নিন। রোজ দিনে একবার ঠোঁটের মরা কোষ তুলতে স্ক্রাবার হিেবে ব্যবহার করুন।.
মধু ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখে প্রাকৃতিক ভাবেই। চিনি মরাকোষ সরিয়ে ঠোঁকে করে নরম, মোলায়েম। আর এই দুই উপকরণ একসঙ্গে হলে ঠোঁট গুলাবি আপনা থেকেই!
ফাটা ঠোঁট সারাতে
শীত-গ্রীষ্ম-বর্ষা, সারাবছরই অনেকে ফাটা ঠোঁটের সমস্যায় ভোগেন। আর তাতেই অর্ধেক সৌন্দর্য মাটি। সমাধান চাইলে, গলানো মাখন সারারাত ঠোঁটে লাগিয়ে ঘুমান। পরপর ৩-৪ দিন করলেই দেখবেন, ঠোঁট চুঁইয়ে গ্ল্যামার ঝরছে। মাখলের বদলে মধুও ব্যবহার করতে পারেন। একই ফল পাবেন। গরম পানীয়ে চুমুক দেওয়ার অভ্যেস থাকলে আজই তা বন্ধ করুন।
কালচে ঠোঁটে গোলাপি আভা
কালচে ঠোঁট (Dark lips) কারই বা ভালো লাগে? এই সমস্যায় আপনি বিব্রত হলে প্রথমেই রোজ গাঢ় শেডের লিপস্টিক লাগানো বন্ধ করুন। তা বলে অনুষ্ঠান বাড়িতেও কি ঠোঁট রাঙাবেন না! তা কেন? সাজে পূর্ণতা আনতে অবশ্যই ঠোঁট রঙিন হোক। তবে সারাক্ষণ নয়। সব সময় ঠোঁট লিপস্টিকে ঢাকা থাকলে ত্বক শ্বাস নিতে পারবে না। আর তা পারলেই তা অক্সিজেনের অভাবে কালচে দেখাবে।
ঠোঁটের কালচে ভাব কমাতে:
৩ চামচ করে নীচে বলা উপকরণ মিশিয়ে বোতলে ভরে রাখুন রোজের ব্যবহারের জন্য-
নারকেল তেল
আমন্ড অয়েল
কীভাবে ব্যবহার করবেন:
লিপ বামের বদলে এই মিশ্রণ সারাদিনে বেশ কয়েকবার ব্যবহার করুন।
সেই সঙ্গে ব্যবহার করুন লিপ মাস্ক---
উপকরণ:
২ চা চামচ আমন্ড পেস্ট
১ চা-চামচ আলু কোরা
আধখানা লেবুর রস
১ চা-চামচ ফ্রেশ ক্রিম
কীভাবে ব্যবহার করবেন:
সব উপকরণ ভালো করে মিশিয়ে ঠোঁটের ওপর পেস্টের মতো করে লাগান।
মিনিট দশেক রেখে জল দিয়ে ভালো করে ধুয়ে নিন।
সপ্তাহে ২-৩ বার ব্যবহার করলে ১৫ দিনের মধ্যে হারানো জেল্লা ফিরে পাবেন।
ঠোঁটের কিনারা কালচে হলে
ঠোঁট কালচে না হলেও অনেকেরই ঠোঁটের বর্ডারলাইন বা কিনারা কালচে হয়। এটাও বাঞ্ছনীয় নয়। এই সমস্যা কমাতে সবার আগে ঠওঁট কামড়ানো বা জিভ বোলানোর অভ্যেস কমান। এরপর একটি পাত্রে ঠাণ্ডা দুধের সর নিয়ে ভালো করে ফেটিয়ে সেটা ঠোঁটে লাগান। দিনে ৩-৪ বার করলে এক সপ্তাহে কালচে ভাব গায়েব।
যাঁদের ঠোঁটের কোণা ফাটে...
ব্যথা-জ্বালায় অস্থির হন তাঁরা। বাড়তি উপদ্রব সৌন্দর্যহানি। দুধের সর আর ঠাণ্ডা জলের সেঁক এই সমস্যার সমাধান। দিনে ২-৩ বার দুধের সর মাসাজ করলে আর ঠাণ্ডা জলের সেঁক দিলে আরাম পাবেন। সমস্যাও কমবে।
নিয়মিত এই টিপস মানলে আপনি চুপ থাকলেও কথা বলবে, অন্যের নজর কাড়বে আপনার ঠোঁট।
28/10/2020
মশলা ও ওষধিLip Care: ঠোঁট গোলাপ পাপড়ি এই ঘরোয়া পরিচর্যায়
Lip Care: ঠোঁট গোলাপ পাপড়ি এই ঘরোয়া পরিচর্যায়হাত-পা-কনুই-গোড়ালি এবং মুখের মতো একই ভাবে ঠোঁটের যত্ন অনেকসময় নেওয়া হয় না বলেই ঝকঝকে মুখে ফাটা ঠোঁট ভীষণ ভাবে চোখে বেঁধে।Suparna Trikha | Updated: July 16, 2019 20:30 ISTTweeterfacebookReddit
Read in Englishதமிழில் படிக்க
Lip Care: Use These Natural Ingredients To Get Soft, Supple LipsLip Care: ঠোঁটে ঠোঁটে হোক কথা
সারাদিন কত পরিশ্রম করে বলুন তো ওষ্ঠ আর অধর! পরস্পর এক হয়ে আমাদের সারাদিনের হাসি-বকবকম তো সামলায় এরাই। তাই ঠোঁটের (lips) যত্ন না নিলে বিম্ব ফলের মতো টসটসে একজোড়া ঠোঁট পাবেন কোত্থেকে? হাত-পা-কনুই-গোড়ালি এবং মুখের মতো একই ভাবে ঠোঁটের যত্ন (attention and care) অনেকসময় নেওয়া হয় না বলেই ঝকঝকে মুখে ফাটা ঠোঁট (chapped lips) ভীষণ ভাবে চোখে বেঁধে। অনেকেরই সৌন্দর্য ম্লান হয়ে যায় কালচে ঠোঁটের জন্য। গোলাপ পাপড়ির মতো গোলাপি আভার পেলব ঠোঁট (soft, healthy and supple) পেতে গেলে তাই এর পেছনেও সময় দিতে হবে আপনাকে। সহজ, ঘরোয়া কিছু টিপস মেনে-----
ঠোঁটের যত্ন নিতে আমন্ড অয়েল (Almond oil)-এর জুড়িদার নেই। দিনে দু-তিনবার একফোঁটা করে আমন্ড অয়েল নিয়ে ঠোঁটে মাসাজ করুন। হাতেগরম ফল পাবেন।মশলা ও ওষধিLip Care: ঠোঁট গোলাপ পাপড়ি এই ঘরোয়া পরিচর্যায়
Lip Care: ঠোঁট গোলাপ পাপড়ি এই ঘরোয়া পরিচর্যায়হাত-পা-কনুই-গোড়ালি এবং মুখের মতো একই ভাবে ঠোঁটের যত্ন অনেকসময় নেওয়া হয় না বলেই ঝকঝকে মুখে ফাটা ঠোঁট ভীষণ ভাবে চোখে বেঁধে।Suparna Trikha | Updated: July 16, 2019 20:30 ISTTweeterfacebookReddit
Read in Englishதமிழில் படிக்க
Lip Care: Use These Natural Ingredients To Get Soft, Supple LipsLip Care: ঠোঁটে ঠোঁটে হোক কথা
সারাদিন কত পরিশ্রম করে বলুন তো ওষ্ঠ আর অধর! পরস্পর এক হয়ে আমাদের সারাদিনের হাসি-বকবকম তো সামলায় এরাই। তাই ঠোঁটের (lips) যত্ন না নিলে বিম্ব ফলের মতো টসটসে একজোড়া ঠোঁট পাবেন কোত্থেকে? হাত-পা-কনুই-গোড়ালি এবং মুখের মতো একই ভাবে ঠোঁটের যত্ন (attention and care) অনেকসময় নেওয়া হয় না বলেই ঝকঝকে মুখে ফাটা ঠোঁট (chapped lips) ভীষণ ভাবে চোখে বেঁধে। অনেকেরই সৌন্দর্য ম্লান হয়ে যায় কালচে ঠোঁটের জন্য। গোলাপ পাপড়ির মতো গোলাপি আভার পেলব ঠোঁট (soft, healthy and supple) পেতে গেলে তাই এর পেছনেও সময় দিতে হবে আপনাকে। সহজ, ঘরোয়া কিছু টিপস মেনে-----
ঠোঁটের যত্ন নিতে আমন্ড অয়েল (Almond oil)-এর জুড়িদার নেই। দিনে দু-তিনবার একফোঁটা করে আমন্ড অয়েল নিয়ে ঠোঁটে মাসাজ করুন। হাতেগরম ফল পাবেন।
ঠোঁটের যত্নে এই উপকরণগুলি একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। তারপর এয়ারটাইট শিশিতে রেখে দিন-
৫০ গ্রাম মধু
২০ গ্রাম বা ৪ চা-চামচ চিনি
৫ মিলি গোলাপ জল
৫ মিলি ভ্যানিলা এসেন্স
কীভাবে বানাবেন:
সমস্ত উপকরণ একসঙ্গে ভালো করে মিশিয়ে নিন। রোজ দিনে একবার ঠোঁটের মরা কোষ তুলতে স্ক্রাবার হিেবে ব্যবহার করুন।.
মধু ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখে প্রাকৃতিক ভাবেই। চিনি মরাকোষ সরিয়ে ঠোঁকে করে নরম, মোলায়েম। আর এই দুই উপকরণ একসঙ্গে হলে ঠোঁট গুলাবি আপনা থেকেই!
ফাটা ঠোঁট সারাতে
শীত-গ্রীষ্ম-বর্ষা, সারাবছরই অনেকে ফাটা ঠোঁটের সমস্যায় ভোগেন। আর তাতেই অর্ধেক সৌন্দর্য মাটি। সমাধান চাইলে, গলানো মাখন সারারাত ঠোঁটে লাগিয়ে ঘুমান। পরপর ৩-৪ দিন করলেই দেখবেন, ঠোঁট চুঁইয়ে গ্ল্যামার ঝরছে। মাখলের বদলে মধুও ব্যবহার করতে পারেন। একই ফল পাবেন। গরম পানীয়ে চুমুক দেওয়ার অভ্যেস থাকলে আজই তা বন্ধ করুন।
কালচে ঠোঁটে গোলাপি আভা
কালচে ঠোঁট (Dark lips) কারই বা ভালো লাগে? এই সমস্যায় আপনি বিব্রত হলে প্রথমেই রোজ গাঢ় শেডের লিপস্টিক লাগানো বন্ধ করুন। তা বলে অনুষ্ঠান বাড়িতেও কি ঠোঁট রাঙাবেন না! তা কেন? সাজে পূর্ণতা আনতে অবশ্যই ঠোঁট রঙিন হোক। তবে সারাক্ষণ নয়। সব সময় ঠোঁট লিপস্টিকে ঢাকা থাকলে ত্বক শ্বাস নিতে পারবে না। আর তা পারলেই তা অক্সিজেনের অভাবে কালচে দেখাবে।
ঠোঁটের কালচে ভাব কমাতে:
৩ চামচ করে নীচে বলা উপকরণ মিশিয়ে বোতলে ভরে রাখুন রোজের ব্যবহারের জন্য-
নারকেল তেল
আমন্ড অয়েল
কীভাবে ব্যবহার করবেন:
লিপ বামের বদলে এই মিশ্রণ সারাদিনে বেশ কয়েকবার ব্যবহার করুন।
সেই সঙ্গে ব্যবহার করুন লিপ মাস্ক---
উপকরণ:
২ চা চামচ আমন্ড পেস্ট
১ চা-চামচ আলু কোরা
আধখানা লেবুর রস
১ চা-চামচ ফ্রেশ ক্রিম
কীভাবে ব্যবহার করবেন:
সব উপকরণ ভালো করে মিশিয়ে ঠোঁটের ওপর পেস্টের মতো করে লাগান।
মিনিট দশেক রেখে জল দিয়ে ভালো করে ধুয়ে নিন।
সপ্তাহে ২-৩ বার ব্যবহার করলে ১৫ দিনের মধ্যে হারানো জেল্লা ফিরে পাবেন।
ঠোঁটের কিনারা কালচে হলে
ঠোঁট কালচে না হলেও অনেকেরই ঠোঁটের বর্ডারলাইন বা কিনারা কালচে হয়। এটাও বাঞ্ছনীয় নয়। এই সমস্যা কমাতে সবার আগে ঠওঁট কামড়ানো বা জিভ বোলানোর অভ্যেস কমান। এরপর একটি পাত্রে ঠাণ্ডা দুধের সর নিয়ে ভালো করে ফেটিয়ে সেটা ঠোঁটে লাগান। দিনে ৩-৪ বার করলে এক সপ্তাহে কালচে ভাব গায়েব।
যাঁদের ঠোঁটের কোণা ফাটে...
ব্যথা-জ্বালায় অস্থির হন তাঁরা। বাড়তি উপদ্রব সৌন্দর্যহানি। দুধের সর আর ঠাণ্ডা জলের সেঁক এই সমস্যার সমাধান। দিনে ২-৩ বার দুধের সর মাসাজ করলে আর ঠাণ্ডা জলের সেঁক দিলে আরাম পাবেন। সমস্যাও কমবে।
নিয়মিত এই টিপস মানলে আপনি চুপ থাকলেও কথা বলবে, অন্যের নজর কাড়বে আপনার ঠোঁট।
Promoted
Listen to the latest songs, only on JioSaavn.com
সতর্কীকরণ: এই তথ্যের জন্য কর্তৃপক্ষ দায়ী নন। নিবন্ধ অনুসরণের আগে বিষেষজ্ঞের পরামর্শ মেনে চলাই বাঞ্ছনীয়।
ব্রেকফাস্ট কখন করেন? ঘুমানোর কতক্ষণ আগে খেতে যান? খাওয়ার মাঝখানে কি দীর্ঘ সময় বিরতি পড়ে আপনার? কাজের চাপ, স্ট্রেস, বাড়িতে 'মি-টাইম' কাটানো সেরে অনেকেরই এখন ঘুমোতে যেতে মধ্যরাত পেরিয়ে যায়।
এই ব্যাপারগুলো আমরা অনেকে ঠিক খেয়ালই করি না। খাবার খাওয়ার সময় নির্বাচনে একটু ভুল হলে শরীরে ক্ষতি হতে পারে। শরীর ঠিক রাখার জন্য খাদ্যগ্রহণ জরুরি। তবে তার চেয়েও জরুরি সঠিক সময়ে খাওয়া। চিকিৎসক ও ডায়েটিশিয়ানরা বলেন, স্থুলত্বের অন্যতম প্রধান কারণ অনিয়মিত সময়ে খাওয়া দাওয়া করা। যা গোটা শরীরের মেটাবলিজম সিস্টেমকে ব্যহত করে। হজমের সমস্যা হয়। আর বেড়ে যায় শরীরের ওজন বাড়তে থাকে (weight loss tips)। লাইফস্টাইলের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে ডিনারের সময় বেড়ে যায়। ক্রমবর্দ্ধমান কোমরের মাপের অন্যতম কারণ এই দেরিতে খাওয়া? ওজন ধরে (weight loss )রাখতে ৭টার মধ্যে ডিনার সেরে ফেলার পরামর্শ দেন নিউট্রিশনিস্টরা। খাবারের সঠিক সময় তাই জেনে রাখা অবশ্যই জরুরি। বিশেষজ্ঞরা বলেন, ছোট-বড় পরিমাণ মিলিয়ে দিনে মোট ছ'বার খাবার খাওয়া উচিত।
করোনাকালে সবাই গরম পানি ও ভিটামিন যুক্ত খাবার খেতে হবে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka
1217
